hsc বিএম কম্পিউটার অফিস অ্যাপ্লিকেশন-১ ১ম পত্র ১১শ শ্রেণি ২য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান/ উত্তর ২০২১

অ্যাসাইনমেন্ট: কম্পিউটারের বিভিন্ন প্রকার মেমরি বর্ণনা।

শিখনফল: 

  •  কম্পিউটার মেমরি ও এর  প্রকারভেদ 
  •  বিট, বাইট, কম্পিউটার ওয়ার্ড ও  মেমরি ধারণ ক্ষমতা  
  • প্রধান মেমরি (RAM ও ROM)

নির্দেশনা :

  • কম্পিউটার মেমরি ও এর প্রকারভেদ বর্ণনা করতে হবে
  • বিট, বাইট, কম্পিউটার ওয়ার্ড ও মেমরি ধারণ ক্ষমতা বর্ণনা করতে হবে
  • প্রধান মেমরি (RAM ও ROM) বর্ণনা করতে হবে

উত্তর সমূহ:

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে লাইক পেজ : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • কম্পিউটার মেমরি ও এর প্রকারভেদ বর্ণনা করতে হবে

Memory শব্দের অর্থ হলো স্মৃতি শক্তি। অর্থাৎ যে শক্তির দ্বারা কোন ডিভাইসে তথ্য ধরে রাখা যায় তাকে Memory বলে। কম্পিউটারের এই স্মৃতি শক্তি হলো তেমনী একটি ডিভাইস যার ভিতরে বিভিন্ন তথ্য ধরে রাখা যায়। এবং প্রয়োজনী মুহূর্তে সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করে আবার ব্যবহার করা যায়। কম্পিউটারে মেমোরি হিসাবে র‌ম, হার্ডডিস্ক, সিডি, ডিভিডি, প্রেনড্রাইভ ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়। মেমোরিতে তথ্য ও উপাত্ত স্থায়ী ও অস্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করা যায়।

কম্পিউটারের মেমোরি কত প্রকার:

কম্পিউটারে ব্যবহৃত মেমোরি বা মেমোরির কার্যপ্রণালীর মূলনীতি, ভৌতিক বৈশিষ্ট ও মাইক্রো প্রসেসরের সাথে সংযোগ, ব্যবহৃত মাধ্যম ও নির্মাণ কৌশলের উপর ভিত্তি করে মেমোরিকে বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করা যায়। কম্পিউটারের স্মৃতিকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

কম্পিউটার মেমরির প্রকারভেদ :

কম্পিউটারের মেমোরি প্রথমত দুই ধরণের হয়ে থাকে যথা-

  • প্রধান মেমোরি (Main Memory):
  • সহায়ক মেমোরি (Auxiliary Memory):

প্রধান মেমোরি (MAIN MEMORY):

এটি একটি লিখন গঠন মেমোরি। যা কার্যের উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এই মেমোরিতে উপাত্ত সংরক্ষণ করা যায় এবং পাঠও করা যায়। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলে এই মেমোরি হতে উপাত্ত মুছে যায়। এধরনের মেমোরিকে Random Access Memory বা র‌্যাম বলা হয়। কিছু মেমোরি হতে শুধু মাত্র উপাত্ত পড়া যায় কিন্তু কিছু লিখা যায় না। বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হলেও এ মেমোরি হতে উপাত্ত মুছে যায় না। এধানের মেমোরি কে Read Only Memory বা রম বলা হয়। রমে সব সময় ডাটা সংরক্ষণ করা হয়।

প্রধান মেমোরি কাকে বলে  :

যে মেমোরির সাথে সিপিইউ এর গাণিতিক ও যুক্তি অংশের প্রত্যক্ষ সংযোগ থাকে সেই মেমোরিকে প্রধান মেমোরি বলা হয়। প্রধান মেমোরিতে সে সব তথ্যই থাকে, যা সর্বদা প্রয়োজন হয়। এটি একটি লিখন পাঠন মেমোরি। প্রকিৃয়া করণের জন্য প্রোগ্রাম ও ডাটা স্মৃতিতে সংরক্ষণ করা হয়। এধারণের মেমোরির কার্যবলি অত্যন্ত দ্রুতগতির হয়ে থাকে। এ মেমোরির সঞ্চয় ক্ষমতা কম থাকে। প্রধান মেমোরিকে অভ্যান্তরীণ মেমোরি ও বলা হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

প্রধান মেমোরীর বৈশিষ্ট :

ডিভাইসে প্রধান মেমোরি হলো চলমান প্রোগ্রাম, উপাত্ত, হিসাব নিকাশের ফলাফল ইত্যাদি অস্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করে। প্রসেসরের খুব কাছে থাকায় এবং সর্ম্পূণ ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতিতে নিয়ন্ত্রিত হওয়ায় প্রধান মেমোরিতে উপাত্ত সংরক্ষণ ও তা পঠানের গতি দূত হয়। কম্পিউটার মেমরির প্রকারভেদ তথ্য সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধারের ভিত্তিতে কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায় যথা-

  • RAM (Random Access Memory)
  • ROM (Read Only Memory)

সহায়ক মেমোরি:

যে মেমোরি সাথে মাইক্রো প্রসেসরের সরাসরি সংযোগ থাকে না, নির্দিষ্ট কন্ট্রোলের মাধ্যমে সংযোগ রক্ষা করে তাকে সহায়ক বা অভ্যান্তরীণ মেমোরি বলা হয়। ব্যবহারকারী ভবিষ্যতের প্রয়োজনীয় উপাত্ত বা প্রোগ্রামকে স্থায়ীভাবে সঞ্চয় করতে পারে বলে একে সহায়ক মেমোরি বলা হয়। সাধারণত চৌম্বক টেপ, চৌম্বক ডিস্ক, অপটিক্যাল ডিস্ক, পোর্টেবল ডিস্ক, প্রেনড্রাইভ ইত্যাদি হলো সহায়ক মেমোরি।

  • বিট, বাইট, কম্পিউটার ওয়ার্ড ও মেমরি ধারণ ক্ষমতা বর্ণনা করতে হবে

মেমোরি পরিমাপের একক :

কম্পিউটারের কাজের প্রকৃতি ও গতির বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন আকারের মেমোরি ব্যবহৃত হয়। মেমোরি পরিমাপের বিভিন্ন একক ব্যবহৃত হয়। যেমন- বিট, বাইট, কিলোবাইট, মেগাবাইট, গিগাবাইট ইত্যাদি।

(BIT) বিট :

বাইনারী সংখ্যা পদ্ধতিতে অংশ 0 এবং 1 কে বিট বলে। ইংরেজি বাইনারী শব্দের Bi ও Digit শদের t নিয়ে Bit শব্দটি গঠিত হয়েছে। এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের মেশিন ভাষা হলো বিট 0, 1 এক্ষেত্রে 0 নিয়ে নিম্ন ভোল্টেজ এবং 1 দিয়ে হাই ভোল্টেজ নির্দেশ করে।

(BYTE) বাইট :

আট বিটে একবাইট হয়। এরুপ আট বিটের কোড দিয়ে যে কোন বর্ণ, অংক বা বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ করা হয়ে থাকে। এরুপ 8 বিট বিশিষ্ট শব্দকে বাইট বলা হয়। কম্পিউটারের মেমোরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত বিভিন্ন এককের মধ্যে সর্ম্পক-

  • 8 বিট                =      1 বাইট
  • 1024 বাইট          =      1 কিলোবাইট
  • *1024 কিলোবাইট    =      1 মেগাবাইট
  • 1024 মেগাবাইট     =      1 গিগাবাইট
  • *1024 গিগাবাইট     =      1 টেরাবাইট
  • 1024 টেরাবাইট     =      1 হেক্সাবাইট

মেমোরির ধারণ ক্ষমতা :

কম্পিউটার মেমোরি বাইনারী ডিজিট বা শব্দ ধারণের ক্ষমতাকে মেমোরি ধারণ ক্ষমতা বলা হয়। ধারণ ক্ষমতার ক্ষুদ্রতম একক হল কিলোবাইট কিলোবাইটকে KB দ্বারা প্রকাশ করা হয়। বর্তমানের হার্ডডিস্কের ধারণ ক্ষমতা 1024 গিগাবাইট থেকে টেরাবাইট। বর্তমানের প্রেনড্রাইভের সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা হলো 128 জিবি।

কম্পিউটার মেমরির প্রকারভেদ সম্পর্কে আরো কিছু জানার থাকলে আমাকে কমেন্ট করতে ভূলবে না। কম্পিউটারের প্রতিটা বিষয় ‍নিয়মিত আপনারদের কাছে উপস্থাপন করার চেষ্টা করবো আশা করছি আপনারা আমার সাথে থাকবেন। আর লেখাটি ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করে ইমেকারবিডি গ্রুপে জয়েন্ট করে সংযুক্ত থাকুন।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • প্রধান মেমরি (RAM ও ROM) বর্ণনা করতে হবে

Ram= Random Access Memory Rom= Read Only Memory ROM এ ডাটা থাকে স্থায়ী ভাবে। RAM এ ডাটা থাকে অস্থায়ী ভাবে । র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি (ইংরেজি: Random access memory), সংক্ষেপে র্যাম (RAM) হল এক ধরনের কম্পিউটারের উপাত্ত (ডাটা) সংরক্ষণের মাধ্যম। র্যাম থেকে যে কোন ক্রমে উপাত্ত “অ্যাক্সেস” করা যায়, এ কারণেই একে র্যান্ডম অ্যাক্সেস মেমোরি বলা হয়। র্যান্ডম শব্দটি দিয়ে এখানে বুঝানো হয়েছে – যে কোনো উপাত্ত (তার অবস্থানের উপরে নির্ভর না করে) ঠিক একই নির্দিষ্ট সময়ে উদ্ধার করা যায়।

রক্ষনাত্নক দৃষ্টিতে, আধুনিক ডির্যামগুলো র্যান্ডম এ্যাকসেস মেমোরি নয় (যেভাবে এগুলো ডাটা রিড করতে পারে)। একইসাথে, বিভিন্ন ধরনের এসর্যাম, রম, ওটিপি এবং নর ফ্ল্যাশ ইত্যাদি র্যান্ডম এ্যাকসেস মেমোরি। র্যামকে ভোলাটাইল মেমোরি বলা হয় কারন এতে সংরক্ষিত তথ্য বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর আর থাকে না। আরো কিছু নন-ভোলাটাইল মেমোরি (যেগুলোতে বিদ্যুত চলে যাওয়ার পরও তথ্য মুছে যায় না)

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল  কপিরাইট: (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

যেগুলো রক্ষনাত্মক দৃষ্টিতে র্যাম সেগুলো হল রম, একধরনের ফ্লাশ মেমোরি যাকে নর-ফ্লাশ বলে। প্রথম র্যাম মডিউল বাজারে আসে যেটা তৈরী হয়েছিল ১৯৫১ সালে এবং ১৯৬০ দশকে এবং ১৯৭০ দশকের প্রথমদিকে বিক্রি হয়েছিল। যাইহোক, অন্যান্য স্মৃতি যন্ত্রাংশ (চৌম্বকীয় টেপ, ডিস্ক) তাদের জমাকৃত স্মৃতিতে নিশ্চিতভাবে প্রবেশ এবং ব্যবহার করতে পারে সবসময়ের জন্য। রম (ROM কম্পিউটারের একটি স্থায়ী মেমোরি যার ডাটা কম্পিউটার বন্ধ হলে বা বিদ্যুৎ চলে গেলেও ডিলেট হয়ে যায় না.

র‌্যাম (RAM)
কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত একাধিক চিপ নিয়ে র‌্যাম এলাকা গঠিত। র‌্যাম হচ্ছে কম্পিউটারের কর্ম এলাকা। র‌্যামে সব ধরনের লেখা ও পড়া যায়। র‌্যামে তথ্য জমা থাকে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে, ফলে র‌্যামের সব তথ্য অস্থায়ীভাবে থাকে। বিদ্যুৎ চলাচল বন্ধ হলে কিংবা অন্য কোনো কারণে কম্পিউটার ব্যবহার বন্ধ হয়ে গেলে র‌্যামে থাকা ডেটা ও প্রোগ্রাম মুছে যায়। কম্পিউটার আবার চালু করলেও ঐসব তথ্য ফিরে পাওয়া যায় না। এজন্য র‌্যামকে কম্পিউটারের অস্থায়ী মেমোরি বলা হয়। আর তাই কাজ করার সময় কিছুক্ষণ পর পর তথ্য বা ডেটা সেভ (Save) করতে হয়। র‌্যাম দু’ধরনের হয়। যথ– DRAM (Dynamic RAM) ও SRAM (Static RAM)

র‌্যাম (RAM)

  • RAM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory।
  • র‌্যামে অস্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ এবং র‌্যাম থেকে ডেটা পঠন সম্ভব।
  • র‌্যাম উদ্বায়ী (Volatile) মেমোরি, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলাচল বন্ধ হলে র‌্যামে রাখা ডেটা মুছে যায়।
  • চলমান প্রোগ্রাম এবং পুনঃ পুনঃ পরিবর্তনশীল ডেটা র‌্যামে সংরক্ষণ করা হয়।
  • অ্যাকসেস সময় তুলনামূলকভাবে কম।
  • তৈরি করার সময় এতে কোন ডেটা থাকে না।
  • তুলনামূলকভাবে দাম কম।
  • তৈরি করার ক্ষেত্রে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
  • স্ট্যাটিক র‌্যাম, ডাইনামিক র‌্যাম ইত্যাদি র‌্যামের শ্রেণীবিভাগ।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল  কপিরাইট: (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

রম (ROM)
রম হচ্ছে কম্পিউটারের নিজস্ব মেমোরি কেন্দ্র। কম্পিউটার রম থেকে কেবলমাত্র তথ্য পড়তে পারে এবং সেই অনুযায়ী কাজ করে। রমের মেমোরিতে রাখা কোনো তথ্য কম্পিউটার মুছে ফেলতে পারে না বা পরিবর্তন করতে পারে না। এজন্য রমকে কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি বলা হয়। কম্পিউটারের রম যত বেশি হবে কম্পিউটার তত কঠিন কাজও অতি দ্রুত করতে সক্ষম হবে।

রম (ROM)

  • ROM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Read Only Memory।
  • সাধারণত রমে একবারই স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করা হয় এবং প্রয়োজনে যেকোন সময় সংরক্ষিত ডেটা পঠন সম্ভব।
  • র‌ম উদ্বায়ী (Volatile) মেমোরি নয়, অর্থাৎ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলেও র‌মে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায় না।
  • সহজে পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না এমন ডেটা ও প্রোগ্রাম রমে সংরক্ষণ করা হয়।
  • অ্যাকসেস সময় তুলনামূলকভাবে বেশি।
  • তৈরি করার সময় এতে প্রয়োজনীয় কিছু ডেটা দেয়া থাকে।
  • তুলনামূলকভাবে দাম বেশি।
  • তৈরি করার ক্ষেত্রে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহার করা হয় না।
  • PROM, EPROM, EEPROM ইত্যাদি রমের শ্রেণীবিভাগ।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল  কপিরাইট: (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে লাইক পেজ : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • ২০২১ সালের SSC পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের ৯ম/১০ শ্রেণি ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক

এখানে সকল প্রকাশ শিক্ষা বিষয় তথ্য ও সাজেশন পেতে আমাদের সাথে থাকুন ।

আমাদের YouTube এবং Like Page

Leave a Comment