৪১তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ইংরেজি প্রস্তুতি ২০২১, ইংরেজি সাজেশন ৪১তম বিসিএসের লিখিত ২০২১, বিসিএস প্রস্তুতি ইংরেজি - BCS Question Bank and Solution

৪১তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষার ইংরেজি প্রস্তুতি ২০২১, ইংরেজি সাজেশন ৪১তম বিসিএসের লিখিত ২০২১, বিসিএস প্রস্তুতি ইংরেজি – BCS Question Bank and Solution

নিয়োগ পরীক্ষা পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা সাজেশন
শেয়ার করুন:

আগামী ২৯ নভেম্বর থেকে ৪১তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহে একই সময়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তাহলে চলুন জেনে নেই এবারের লিখত পরীক্ষার সময়সূচি-

১। ২৯ নভেম্বর, সোমবার অনুষ্ঠিত হবে ‘ইংরেজি’ বিষয়ের পরীক্ষা। পরীক্ষা হবে ৪ ঘণ্টার। পরীক্ষায় নম্বর থাকবে ২০০।

২। ৩০ নভেম্বর, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে ‘বাংলাদেশ বিষয়াবলী’। এ পরীক্ষার জন্যও থাকছে ৪ ঘণ্টা সময়। পরীক্ষায় নম্বর থাকবে ২০০।

৩। ১ ডিসেম্বর, বুধবার অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী পরীক্ষা। এ পরীক্ষার জন্য সময় থাকবে ৩ ঘণ্টা। পরীক্ষায় নম্বর থাকবে ১০০।

৪। ২ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পরীক্ষা। এ পরীক্ষার জন্য থাকবে ৩ ঘণ্টা সময়। নম্বর ১০০।

৫। ৪ ডিসেম্বর, শনিবার থাকছে বাংলা ১ম ও ২য় পত্র পরীক্ষা। এ পরীক্ষার জন্য সময় ৪ ঘণ্টা। নম্বর থাকছে ২০০।

৬। ৬ ডিসেম্বর, সোমবার অনুষ্ঠিত হবে গাণিতিক যুক্তি। পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা। নম্বর ৫০।

৭। ৭ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার মানসিক দক্ষতা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা। নম্বর থাকবে ৫০।

এছাড়াও বাংলাদেশ কর্ম কমিশন প্রার্থীদের জন্য দিক নির্দেশনা দিয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রে বই, সব রকম ঘড়ি, মুঠোফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ড সদৃশ কোনো ডিভাইস, গয়না, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষার হলে ঢুকতে পারবেন না।

পরীক্ষার হলের গেটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র ও মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মুঠোফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ সামগ্রী তল্লাশির মধ্য দিয়ে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে ঢুকতে হবে।

পরীক্ষার দিন উল্লিখিত নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য সব পরীক্ষার্থীর মুঠোফোনে এসএমএস পাঠানো হবে। এসএমএসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।

পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখবেন না, কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোনো ধরনের শ্রবণযন্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শপত্রসহ আগেই কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে।

প্রস্তুতি প্রস্তুতি ভাব, প্রস্তুতির অভাব নিয়েও বুঝে হোক, না-বুঝে হোক, লিখলেই রিটেনে পাস করে ফেলবেন, কিন্তু চাকরিটা না-ও হতে পারে।
কীভাবে লিখলে ভালো হয়, আর সে জন্য এ কদিনে যা যা করতে পারেন:

১) পরীক্ষা নিয়ে টেনশন হওয়াটা একটা সাধারণ বিষয় এবং না-পড়ার অজুহাতও হয়তো। তাই ওই মুহূর্তে আপনার পছন্দের বিষয়টি পড়ুন।

২) কোচিংয়ে যাওয়া, অপ্রয়োজনে বের হওয়া বাদ দিন। বাসায় পড়ার পেছনে সময় দিন, প্রতিদিন অন্তত ১৪-১৬ ঘণ্টা।

৩) ফেসবুকে আত্মপ্রেমকে ছুটি দিয়ে দিন।

৪) কে কী পড়ল, ভুলেও খবর নেবেন না। যাঁদের প্রস্তুতি আপনার চেয়ে ভালো, তাঁদের ক্ষমা করে দিন।

৫) সব প্রশ্ন পড়ার সহজাত লোভ সামলান।

৬) যাঁরা চাকরি করেন, তাঁরা এ মাসের জন্য হয় চাকরি অথবা ঘুমটুম বাদ দিন।

৭) মোবাইল ফোন যত সম্ভব অফ রাখুন। ল্যাপটপ থেকেও দূরে থাকুন।

৮) কিছু একটা পড়ছেন, পড়তে পড়তে ক্লান্ত! ভালো লাগে, এমন কিছু পড়ুন, ক্লান্তি কেটে যাবে। রাতে ঘুম কাটাতে ম্যাথস, গ্রামার, ট্রান্সলেশন, মেন্টাল অ্যাবিলিটি প্র্যাকটিস করুন।


৯) রাত দুইটার আগে ঘুমাবেন না, সকাল ছয়টার পরে উঠবেন না। চার ঘণ্টা ঘুম, ব্যস!

১০) বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি পড়বেন কম। বাকি চারটা বেশি বেশি পড়ুন।

১১) কোনো টপিক একেবারেই না পড়ে গেলে পরীক্ষায় বানিয়ে লেখাটাও সহজ হবে না। সবকিছু একবার হলেও ‘টাচ করে’ যান।

১২) রেফারেন্স বই পড়ার সময় নেই। কয়েকটি ডাইজেস্ট কিনে ফেলুন।

১৩) অন্য কারও নয়, সাজেশন তৈরি করুন নিজে।

১৪) প্রশ্ন কমন পেতে নয়, অন্তত বানিয়ে লেখার জন্য ধারণা পেতে প্রস্তুতি নিন।

১৫) প্রশ্নের গুরুত্ব ও নম্বরের ভিত্তিতে সময় বণ্টন আগেই ঠিক করে নিন।

১৬) ইচ্ছে মতো দাগিয়ে দাগিয়ে, লিখে লিখে বই পড়ুন। রিভাইজের সময় কাজে লাগবে।

১৭) ০.৫ মার্কসও ছেড়ে আসা যাবে না। যে করেই হোক, ‘ফুল অ্যানসার’ করে আসতে হবে। গড়ে প্রতি তিন-পাঁচ মিনিটে এক পৃষ্ঠা। অনেক বেশি দ্রুত লেখার চেষ্টা করুন।


১৮) প্রতি পেজে অবশ্যই অন্তত একটা প্রাসঙ্গিক চিহ্নিত চিত্র, ম্যাপ, উদ্ধৃতি, ডেটা, টেবিল, চার্ট কিংবা রেফারেন্স দিন।
১৯) সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, টীকা, শর্ট নোট, সারাংশ, সারমর্ম, ভাবসম্প্রসারণ, অনুবাদ, ব্যাকরণ ইত্যাদি ভালোভাবে পড়ুন, নোট করে পড়ার প্রশ্নই ওঠে না!

২০) যত কষ্টই হোক, অবশ্যই বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয়কে নিয়মিত অনুবাদ করুন।

২১) বিভিন্ন লেখকের রচনা, পত্রিকার কলাম ও সম্পাদকীয়, ইন্টারনেট, বিভিন্ন সংস্থার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারা ও ব্যাখ্যা, উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া, ন্যাশনাল ওয়েব পোর্টাল, কিছু আন্তর্জাতিক পত্রিকা, বিভিন্ন রেফারেন্স থেকে নীল কালিতে উদ্ধৃতি দিলে মার্কস বাড়বে


২২) প্রশ্ন নির্বাচনের ক্ষেত্রে ১৫ মার্কসের একটি প্রশ্ন উত্তর করার চেয়ে ৪+৩+৩+৫=১৫ মার্কসের চারটি প্রশ্নের উত্তর করা ভালো।

২৩) বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে লেখেন, এ রকম ২৫-৩০ জনের নাম এবং তাঁদের ‘এরিয়া অব ইন্টারেস্ট’ ডায়েরিতে লিখে রাখুন। উদ্ধৃতি দেওয়ার সময় কাজে লাগবে।

২৪) যা অন্যরা পারে না কিংবা কম পারে, কিন্তু পারা দরকার, তা ভালো করে দেখুন।

২৫) পেপার থেকে বিভিন্ন পর্যালোচনা, নিজস্ব বিশ্লেষণ, সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে সেটির প্রাসঙ্গিকতা ইত্যাদির সাহায্যে লিখলে আপনার খাতাটি আলাদা করে পরীক্ষকের চোখে পড়বে।


২৬) বেশি বেশি পয়েন্ট দিয়ে প্যারা করে করে লিখবেন। প্রথম আর শেষ প্যারাটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় হওয়া চাই।

২৭) বিভিন্ন কলামিস্টের দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো ইস্যুকে ব্যাখ্যা করে উত্তরের শেষের দিকে আপনার নিজের মতো করে নিজের বিশ্লেষণ দিয়ে উপসংহার টানুন। কোনো মন্তব্য কিংবা নিজস্ব মতামত থাকলে (এবং না থাকলেও) লিখুন।

২৮) গ্রন্থ-সমালোচনার জন্য কমপক্ষে ৩০টি সুপরিচিত বাংলা বই সম্পর্কে জেনে নিন।

২৯) স্পেলিং আর গ্রামাটিক্যাল মিসটেক না করে একেবারে সহজ ভাষায় লিখলেও ইংরেজিতে বেশি মার্কস আসবে।

৩০) শর্টকাটে ম্যাথস করবেন না, প্রতিটি স্টেপ বিস্তারিতভাবে দেখাবেন।

৩১) সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জন্য আগের বছরের আর ডাইজেস্টের সাজেশনসের প্রশ্নগুলো ভালোভাবে পড়ে ফেলুন।

৩২) ডাইজেস্টের পাশাপাশি তিন-চারটি আইকিউ টেস্টের বই আর ইন্টারনেটে মানসিক দক্ষতার প্রশ্ন সমাধান করুন।

৩৩) পুরো সংবিধান মুখস্থ না করে যেসব ধারা থেকে বেশি প্রশ্ন আসে, সেগুলোর ব্যাখ্যা খুব ভালোভাবে বুঝে বুঝে পড়ুন। ধারাগুলো হুবহু উদ্ধৃত করতে হয় না।

৩৪) আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকগুলো গুগলে সার্চ করে করে পড়তে পারেন। যে ইস্যু কিংবা সমস্যার কথা লিখবেন, সেটিকে বিশ্লেষণ করে নানা দিক বিবেচনায় সেটার সমাধান কী হতে পারে, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক এবং আপনার নিজের মতামত ইত্যাদি পয়েন্ট আকারে লিখুন।

৩৫) শতভাগ প্রস্তুতি নিয়ে কারও পক্ষেই লিখিত পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। শতভাগ শিখেছি ভেবে তার ৬০ ভাগ ভুলে গিয়ে বাকি ৪০ ভাগকে ঠিকমতো কাজে লাগানোই আর্ট৷

কঠোর পরিশ্রম করুন, প্রস্তুতি নিতে না পারার পক্ষে অজুহাত দেখিয়ে কোনোই লাভ নেই। আপনি সফল হলে আপনাকে অজুহাত দেখাতে হবে না, আর আপনি ব্যর্থ হলে আপনার অজুহাত কেউ শুনবেই না। গুড লাক!

ইংরেজি

ইংরেজি ব্যাকরণ

প্রশ্ন বিগত ৩০ বছরের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর
Parts of Speech বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
Appropriate Preposition  বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
Preposition বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
Right forms of verb বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
Voice বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
Narration বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
Phrase and Idioms বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
prefix and suffix বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
Word Meaning বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
Synonym-Antonym বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
Spelling বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
Translation /Vocabulary বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
Sentence Correction বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
English literature বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
One word Substitutions বিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক
প্রায় ৩০০টি প্রশ্ন উত্তরসহবিগত সালের নিয়োগ পরীক্ষায় আসার প্রশ্ন ও উত্তর লিংক

সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

SECOND PAPER
Subject Code: 004
Time allowed—3 hours
Full marks-100
[N.B. — The figures in the right margin indicate full marks. Answer all the questions.]

l. Write an essay on any one of the following:— 30(a) Green Revolution;
(b) Dreams;
(c) Need for consensus in Nation Building: A Bangladesh Perspective.

2. Write an essay on any one of the following topics according to the given guidelines:— 30
a) Emancipation of Women:(i) Introduction
(ii) What you mean by emancipation of women
(iii) Why emancipation of women is crucially important for society in general
(iv) The status of women in the developed world
(v) The status of women in the underdeveloped and developing societies
(vi) Why emancipation of women is an imperative in Bangladesh
(vii) Conclusion

(b) Political Violence:(i) What you mean by violence
(ii) When violence becomes ‘political’
(iii) Its manifestations
(iv) Circumstances leading to political violence
(v) Reasons advanced for and against it
(vi) Possible effects of continued political violence on the body-politic ‘
(vii) Political violence in the Bangladesh perspective
(viii) Conclusion

3. (a) Write a letter to a friend expressing your anxieties over forces threatening to harm the cherished ideals of our Liberation War. 20

Or,

(b) Write a letter to the editor of a newspaper about slums in every city of Bangladesh and solution to the problem.

4. Write an objective report on any one of the following:— 20(a) Fire on a garment factory
(b) A vote centre
(c) Cyber cafe

সাজেশন সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

তোতা
Subject Code : 003
Time- 4 hours
Full marks 200
Part-A

Read the following passage and answer question Nos. 1—7 :-
The Tk. 32-48bn Development Project Proposal (DPP) for Bangabandhu 1, the first satellite of Bangladesh, is ready for being placed before the highest economic policy making body, Executive Committee of the National Economic Council (ECNEC). The Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission (BTRC) has already finalised the proposal from its end and would initiate buying “orbital slot” for the satellite once ECNEC gives approval. The BTRC will purchase an a orbital slot on 119 degree East from Intersputnik, a renowned Russian company, Cat a cost of $28m (Tk. 217.7bn) with a single lifetime of 15 years. Initially, the BTRC applied for a slot on 102 degree East to the International Telecommunication Union (ITU). However, nearly 20 countries including the USA, Russia, France and Australia raised objections that their satellite communication would be disrupted if Bangladesh was given that slot. Out of the proposed DPP cost of Tk. 32:48bn, the government will bear Tk. 15.60bn from its own funds. Of the Tk. 15.604bn the government allocated Tk. 6.91bn in the previous fiscal, Tk. 3.49bn for the ongoing (2013-14) fiscal, and the remaining Tk. 5-026n for the next (2014-15). The other half of the project cost, that is Tk. 16.883bn, will be funded by a supplier’s credit from the Export-Import Bank of USA. Earlier, the Export-Import of USA sent a proposal to the government through the BTRC for funding the project at less than 2% interest. The government had decided to launch the satellite under Public-Private Partnership (PPP) scheme in order to ensure impeccable maintenance after the launch. According to documents, the project commenced on Julyl this year and will end on June 30, 2016. The telecom regulator has chosen Betbunia of Chittagong and the BTCL Staff College in Gazipur for setting up two earth stations for the satellite. There will also be a maintenance office at the BTRC building. Sources said after purchasing the orbital slot for the Bangabandhu 1, the government would try to book two more slots in advance on 102 degree East and 69 degree East for lunching two more satellites in the future. The government has also reportedly shown interest in purchasing the 135 degree East slot from the ITU, although its location was far away from Bangladesh’s coverage.

“A single satellite will never be viable for business. We need to launch at least one more satellite for getting benefitted and making profits,” BTRC chairman Sunil Kanti Bose said. Figures show that Bangladesh spends around 11mannuallyonsatelliterentsforrunningtelevisionchannels,telephonesandradioconnectivity.Asuccessfullaunchingofthesatelliteislikelytobring50m annually by renting out the unused portion to neighbouring countries like Nepal, Bhutan and Myanmar. Fifty countries in the world at present have satellites of their own. India and Pakistan are the only countries in the subcontinent with satellites. Sri Lanka is also in the middle of a process for launching one of its own.

1. Answer the question below. Do not copy any sentence from the
passage above. Write the answers in your own sentences having your own wording and phrasing :-(a) Why could Bangladesh not stick to its original plan of acquiring 102 degree East to ITU slot?
(b) How has the government planned to fund the project?
(c) What are the two plans for making Bangabandhu 1 commercially feasible?
(d) Name the proposed sites of operation for the satellite.
(e) What scheme of maintenance has the government
undertaken?
(f) Which of the SAARC countries does not have satellites?
(g) Whichcountry is providing Bangladesh with the technological know-how?
(h) What is the name of the project that ECNEC will consider?
(i) According to documents, how much time is required for the
completion of the project?
(j) Give a title to this news item.

2. Write meanings of the following five words used in the passage. The meanings are provided in the box below. There are more than five words in the box. Choose the appropriate meanings :(a) impeccable
(b) fiscale
(c) launch
(d) slot
(e) disrupt

monetaryimpartialinitiate
interruptnichefaultless
methoddiscontinueannual

3. Fill in the table by putting words in the empty cells according to their parts of speech :-
Noun Verb Adjective

(a)xrenowned
regulator(b)(c)
(d)xviable
rent(e)x

4. Correct the following run-ons by using appropriate subordinates (such as, although, because, after, as, while, etc.)(a) Sri Lanka is in the middle of a process for launching a
satellite of its own, Bangladesh must not waste time.
(b) Bangladesh was given slot, more than twenty countries opposed. (c) The American Bank declined the suppliers-credit, the financial plan must be reviewed.
(d) BTRC forwarded the proposal, ECNEC approved the budget.
(e) Bangladesh will become the 51st country to have a satellite,
the project is successful.

5. Use appropriate capitalization, punctuation and quotation marks where required :-(a) Yesterday, Bose said This afternoon ecnec will table the
development project proposal; however, he did not confirm it.
(b) This news was published, in the Dhaka tribune, on January
4, 2014.

6. Summarize the passage in your own words in 100 words.
7. Write a letter to the Editor of the newspaper in which the passage appeared as a feature, responding to the news on Bangabandhu 1.

Part-B
8. Write an essay in about 1000 words on any one of the following 50 topics :-(a) The Rise of Religious Extremism as a Global Threat;
(b) Nature Vs Nurture;
(c) How I See Myself 10 Years From Now.

9. Translate the following passage into Bangla It was the best of times; it was the worst of times; it was the age of wisdom; it was the age of foolishness; it was the epoch of belief; it was the epoch of incredulity; it was the season of Light; it was the season of Darkness; it was the spring of hope; it was the winter of despair. We had everything before us; we had nothing before us; we were all going direct to Heaven; we were all going direct the other way in short, the period was so far like the present one in which the noisiest authorities insisted on its being received, for good or for evil, in the superlative degree of comparison.

10. Translate the following passage into English :—
ষাটোর্ধ্ব মুক্তিযােদ্ধা স্বর্ণলতা ফলিয়া কাজ করছেন বীরাঙ্গনাদের সংগঠিতকরণ ও পুনর্বাসনের। ৮ নম্বর সেক্টরের এই মুক্তিযােদ্ধা হেমায়েত বাহিনীর অধীনে যুদ্ধ করেছেন। নারিকেলবাড়ী ক্যাম্প থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে মহিলা মুক্তিযােদ্ধা সংগ্রহের পাশাপাশি নিজেও অনেক সশস্ত্র যুদ্ধে অংশ নেন। এরপর দেশ স্বাধীন হলে বীরাঙ্গনাদের পুনর্বসানের কার্যক্রম শুরু করেন। সেই থেকে দেশের বিভিন্ন। অঞ্চলের ৩৬ জন বীরাঙ্গনাকে একত্র করে তাদের চিকিৎসা, চাকরি এবং অধিকার আদায়ের কাজে নিজেকে নিয়ােজিত রেখেছেন স্বর্ণলতা। স্বর্ণলতার জন্ম ১৯৫৪ সালের ৬ অক্টোবর গােপালগঞ্জ জেলার কোটালীপাড়া। উপজেলার সােনাইলবাড়ী গ্রামে। কৃষক বাবা নিশিকান্ত ফলিয়া ও মা মারিয়া ফলিয়ার সাত সন্তানের মধ্যে তিনি পঞ্চম। কোটালীপাড়া উপজেলার নারিকেলবাড়ি মিশনারি স্কুলের নবম শ্রেণীতে পড়ার সময় দেশে বেজে উঠে যুদ্ধের দামামা। একদিন আশালতা বৈদ্য এসে বললেন, “দেশে যুদ্ধ শুরু হচ্ছে, আমিতাে যুদ্ধ করবাে। তােরা কে কে আমার সাথে যুদ্ধে যাবি।”—এ কথা শুনে স্বর্ণলতা চুপ থাকতে পারেনি। এক কথায়ই রাজি হয়ে গেলেন। আশালতা বৈদ্যের সাথে যুদ্ধের ট্রেনিং নেয়ার আগে সহপাঠী বন্ধুরা মিলে এলাকায় ঘুরতেন আর মহিলা মুক্তিযােদ্ধা জোগাড় করতেন। আর সুযােগ পেলেই বন্ধুদের সাথে ঘরের মা-বােনদের নিয়ে অস্ত্র ধরাে, স্বাধীন বাংলা রক্ষা করাে” শ্লোগান দিতেন। পরবর্তী সময়ে আরাে ৩০ জন সদস্য নিয়ে তিনি হেমায়েত বাহিনীর কাছ থেকে অস্ত্র চালনার প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। যুদ্ধে বেশ কয়েকটি অপারেশনে অংশ নিলেও দু’টি অপারেশন ছিল উল্লেখযােগ্য। এর একটিতে পাকবাহিনীর বেশ কয়েকটি লঞ্চ ডুবিয়ে দিয়েছিলেন। আর একটি অপারেশন করেছিলেন নদীতে। সেই অপারেশনে তাঁর পাশে থাকা দুই মুক্তিযােদ্ধা শহীদ হন,বীরবিক্রম হেমায়েতউদ্দিনের গালে গুলি লাগে। অল্পের জন্য সেদিন প্রাণে বেঁচে গেলেও আহত হয়েছিলেন স্বর্ণলতা। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে আর্থিক অভাব-অনটনের কারণে ঢাকা মেডিক্যালের কাছাকাছি কাজের সন্ধান করতে থাকেন। ঘটনাচক্রে পঙ্গু মুক্তিযােদ্ধা ও অসুস্থ বীরাঙ্গনাদের সহযােগিতা করার কারণেই মেডিক্যালেই দু’বেলা দু’মুঠো খাবারের ব্যবস্থা হয়ে যায়। বঙ্গবন্ধু যখন বীরাঙ্গনাদের পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেন, স্বর্ণলতা তখন রাস্তা ও অন্যান্য জায়গা থেকে বীরাঙ্গনাদের নিয়ে আসতেন ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের পুনর্বাসন কেন্দ্রগুলােতে। পরবর্তী সময়ে যখন বীরাঙ্গনাগণ পুনর্বাসন কেন্দ্র ত্যাগ করেন, তখনাে তিনি তাঁদের সাহায্য করার চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন অফিস-আদালত ও মন্ত্রণালয়ে। ঘােরাঘুরি করে বীরাঙ্গনাদের চাকরির চেষ্টা যেমন করেছেন, তেমন করেছেন তাঁদের চিকিৎসাসহ অন্যান্য অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কাজ। অন্যের কষ্টকে যিনি নিজের কষ্ট মনে করে তাদের পাশে দাড়িয়েছেন, অন্ন-বস্ত্র-বাসস্থানের ব্যবস্থা করেছেন, বীরাঙ্গনাদের সেই পরম সতীর্থ মুক্তিযােদ্ধা স্বর্ণলতা ফলিয়া নিজের সুখ-আহলাদ ও অধিকার নিয়ে ভাবেননি। একমাত্র মেয়েকে গ্র্যাজুয়েট করিয়েছেন যাতে তাঁর মেয়ে নিজের ও অপরের অবলম্বন হতে পারেন। আজ অবধি কোন সরকারি স্বীকৃতি না-পাওয়া স্বর্ণলতা বাস করেন তেজগাঁও বস্তির ঘিঞ্জি এক ঘরে। মুক্তিযােদ্ধা স্বর্ণলতা। ফলিয়ার যুদ্ধ এখনাে থামেনি।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

Subject Code : 003
Time – 4 hours Full Marks-200 Part-A

Marks Read the following passage and answer questions 1 to 7:

Fifty years ago, before the poor had become class conscious, there were several subjects, such as economics and imperial affairs, of which they were comparatively ignorant, In regard to these subjects they were prepared to accept the opinion of those who had studied them all their lives. Today, owing to the distrust(অবিশ্বাস) created by class propaganda, we can count on no such acquiescence(মৌনসম্মতি). An uneducated or untravelled person is unlikely today to give credence(বিশ্বাস) to the advice or information provided by somebody whom he assumes to belong to the capitalist class. He has been taught that the aim of the Conservative Party and its sponsors is to delude(প্রতারিত বা বিভ্রান্ত করা) the noble worker and to tell him lies. Thus the assertions(দাবি) of those who are really informed on a difficult subject are met by derisive(উপহাসমূলক) laughter; whereas the catchwords(দৃষ্টি-আকর্ষণী শব্দ) and headline stuff doled out(স্বল্প পরিমাণে ভাগ করে দেওয়া) by the party propagandists are taken to be incontestable truth and wisdom. This, since the days of Thersites(ট্রোজান যুদ্ধের একজন সৈনিক), has been the familiar device of demagogues(আবেগ নির্ভর বক্তৃতা). It is easier to laugh than to understand, easier to fester with suspicion of others than to glow with confidence. The proletariat(শ্রমিক সম্প্রদায়) always prefer the easier path, especially when they are assured that it is a praiseworthy(প্রশংসা যোগ্য) path leading directly to their own interests. Ages of acquiescence are always, so we are assured, followed by ages of denial; for several centuries mankind will accept the established order and continue to live, generation by generation, according to the old unquestioned pattern; then suddenly some ferment(সামাজিক, রাজনৈতিক উত্তেজনা ও আন্দোলনের অবস্থা) is introduced which sets the whole community bubbling and the crust is destroyed. During these periods of negation it is customary for those who direct the revolution to teach the people to deny and to distrust even the best and truest things that they are taught in the past; it is not only that they must deride the ancient formulas, it is also that they must suspect of the very worst motives of any of those who seek even to explain them. Today we have on each side of the great divide examples of both systems. To the East, we have an area of apparent acquiescence, in which many millions of men and women, who cannot all be stupid, accept as truth statements and ideas that to rational beings are palpably false. To the West, we have many millions of men and women, most of whom are intelligent and sentient, who refuse to accept as truth statements and ideas that really can withstand the most searching examination. This contrast between the gullible and the incredulous is an interesting, and to my mind, encouraging thing to observe. It suggests that those who believe everything that they are told are condemned to a mental stagnation that can only end in decay; whereas those who refuse to believe anything, even when told by reputable authorities, are doubtless being extremely silly, but are also very much alive. Those are the sort of people whom it is worthwhile trying to educate. But by what means are we to inculcate the habit of responsible thinking? Only, I suggest, by wily tact.

1. Answer the following questions in your own words. Do not copy any sentences from the passage above. 3×10 = 30(a) Suggest a reason for the incredulity of the uneducated about scholarly
opinions and assertions which they were content to believe in the past.
(b) Why does an uneducated or untravelled person tend to disbelieve a
well-informed man these days?
(C) What has been the familiar device of demagogues?
D) Why do the proletariat prefer the easier path?
(e) What are ages of acquiescence and ages of denial?
(f) What are the characteristics of the ages of denial?
(g) Why does the author think that the people of the East belong to an
area of acquiescence?
(h) Why does the author think that the people of the West belong to the
area of denial?
(i) What end does the author visualize for the gullible?
(j) Suggest a suitable title for the passage.

2. Write the meanings of the following words in English using contextual clues (The words are underlined in the passage): 1×5 = 5(a) praiseworthy – প্রশংসাযোগ্য।
(b) crust – কঠিন বা মচমচে আবরণ
(c) palpably – স্পর্শ বা অনুভব করা যায় এমন
(d) stagnation – নিশ্চল, নিথর
(e) wily – কূটকৌশলপূর্ণ, ধুর্ত।

3. Fill in the empty cells with appropriate words according to their parts of speech: 1×5 = 5

NounVerbAdjective
acquiescence(a)x
(b)assumex
assertion(C)x
confidencex(d)
(e)believex

4. Give the synonyms for the following words and make sentences with the synonyms: 1×6 = 6(a) delude
(b) incontestable
(c) denial
(d) deride
(e) sentient
(f) gullible

5. Break down the following sentence into four simple sentences without changing the meaning it conveys: 1×4 = 4
“To the West, we have many millions of men and women, most of whom are intelligent and sentient(সচেতন), who refuse to accept as truth statements and ideas that really can withstand the most searching examination.’.

6. Make sentences of your own with each of the following words and phrases (Copying of any sentence from the passage above must be avoided): 1×10 = 10
(a) propaganda (b) give credence to (c) derisive (d) demagogue (e) fester with (f) glow with (g) ferment (h) customary (i) apparent
(j) withstand

7. Summarize the passage in your own words (100 words).

8. Write a letter to the editor of an English Daily on the growing importance 20
of rational thinking in our social and national life.
Part-B

9. Write an essay in about 1000 words on any one of the following topics: 50
(a) The Rohingyas: Victims of Genocide
(b) Blue Economy in Bangladesh: Prospects and Challenges
(c) Impact of Social Media on Young Generation

10. Translate the following text into Bangla:
The burgeoning bustle of life is identified as one of the main reasons for waning reading habit. Life has been so busy that people can hardly manage time for reading. The pressure of livelihood has mounted tremendously, thrusting people in earning bread, in all desperation. A money-centric corporate culture is sweeping life away, making people crazy for pomp and prosperity in the form of land, flat, car and other amenities. Reading is a secondary concern or no concern at all. There is no time for reading in fact. Even they cannot find time for reading newspaper. They just skim through the headlines. They can hardly read anything with profound concentration due to time constraint. They are always in a hurry to finish their assignments in vocation. It is really a hard time, witnessing a famine of reading. Proliferation of information technology has also contributed to the change in reading habit. But we must bear in mind that reading habit is the mark of civility of a nation. Reading books and other materials of learning makes individuals enlightened, elevating their level of intelligence.

11. Translate the following text into English: ২৫
সংস্কৃতি হলো জীবনের ও পরিবেশের উৎকর্ষসাধনের ও উন্নতিবিধানের এবং ইচ্ছানুযায়ী ইতিহাসের গতি নির্ধারণের চিন্তা ও চেষ্টা। জীবন ও পরিবেশ অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কে যুক্ত। জীবন পরিবেশ থেকেই উদ্ভূত এবং পরিবেশের সঙ্গে সংলগ্ন ও পরিবেশের উপর নির্ভরশীল। এ দুইয়ের একটির উন্নতি অন্যটির উন্নতির উপর নির্ভরশীল। উন্নতি আপনিতেই ঘটে না, সাধন করতে হয়। উন্নতির প্রক্রিয়ায় মানুষই কর্তা। একমাত্র মানুষেরই সংস্কৃতি আছে, অন্য প্রাণীর নেই। মানুষ সেই জৈবিক সামর্থ্যের অধিকারী যার বলে সে ব্যক্তিগত ও যৌথ প্রয়াসে সংস্কৃতির পরিচয় দিতে পারে। বিবর্তনের যে পর্যায়ে এসে মানুষ সংস্কৃতি সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছে তার পূর্ব পর্যন্ত অন্য প্রাণীর সঙ্গে মানুষের পার্থক্য ছিল না। জীবনযাত্রার মধ্য দিয়ে মানুষের নিজেকে এবং নিজের সঙ্গে পরিবেশকে সুন্দর, সমৃদ্ধ ও উন্নত করার যে প্রবণতা, চিন্তা ও চেষ্টা লক্ষ্য করা যায়, তারই মধ্যে নিহিত থাকে তার সংস্কৃতি। ব্যক্তির জীবনে যেমন, সমষ্টির জীবনেও তেমনি সংস্কৃতিচেতনা ও সংস্কৃতি আছে। দর্শন, বিজ্ঞান ও শিল্পকলা সৃষ্টির মধ্য দিয়ে, উন্নতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা, সমাজব্যবস্থা ও জীবনপদ্ধতি প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে মানুষ তার সাংস্কৃতিক সামর্থ্যের পরাকাষ্ঠা প্রদর্শন করে থাকে। সংস্কৃতির মর্মে আছে উন্নত হওয়ার ও উন্নত করার এবং সমৃদ্ধ হওয়ার ও সমৃদ্ধ করার প্রবণতা, ইচ্ছা, আকাঙ্ক্ষা ও চেষ্টা। সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পর্ক আছে রুচি, পছন্দ, সমাজবোধ, আহার্য, ব্যবহার্য, পরিপার্শ্ব, বিচারক্ষমতা, গ্রহণ-বর্জন ও প্রয়াস-প্রচেষ্টার।

[ বি:দ্র:এই সাজেশন যে কোন সময় পরিবতনশীল ১০০% কমন পেতে পরিক্ষার আগের রাতে সাইডে চেক করুন এই লিংক সব সময় আপডেট করা হয় ]

সবার আগে সাজেশন আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

Subject Code: 003
Time: 4 hours Full Marks: 200
Part A Part A

Read the passage below carefully and answer the question nos 1-7 that follow:
Home to over four million child workers, Bangladesh has been the subject of global-concern regarding children’s rights and child labour. In a place where poverty is the cause of everyday tribulations, it is not possible to abolish this long-established system of child drudgery entirely. A 2002-2003 UNICEF survey noted that children represent 16.6% of the total workforce. At the time there were 3.2 million child labourer in Bangladesh among whom about 1.4 million children were doing hazardous work. Countless children are engaged in strenuous work in industries such as tanneries, ship-breaking yards, tobacco factories, transportation, car workshops and construction, while others serve in tea stalls, restaurants or do household chores. In Bangladesh children work both in rural and urban based industries; however, the children working in urban areas are subjected to more dismal work conditions like unfixed wages, health hazards, no contracts etcetera and are vulnerable to mental, physical and sexual harassment. It is understandable in what circumstances the destitute families choose their children to work in order to make both ends meet. This situation is often referred to as ‘borrowing from the future for present consumption’, since present needs blight the development of the child in future. This creates an intergenerational transfer of poverty whereby the downward spiral of exploitation and poverty is passed from adult to child.

The current situation of child rights in Bangladesh may fall short of international standards, but the circumstances are supposed to be different in a country where about 38 million people live below poverty line. In many cases children are the sole bread winners for their family, which may comprise up to 4-5 members. Owing to severe pecuniary constraints and common social inclinations most children are forced to give up their studies and start working in order to stanchion their families. As seen in the case studies mentioned above, the major cause of children’s entering the workforce is economic difficulties. As a result, in Bangladesh where absolute poverty exists, 67% of children are working on account of financial hardship. Another factor contributing to child labour is the lack of awareness and tradition. As most of the people are unaware of the concept of child labour and its pernicious effect, most parents do not object to their children’s working, rather, on the contrary, they encourage it.

While all agree that child labour is a bane of a nation that needs to be addressed immediately, it is also an impracticable idea to uproot it completely from a country like Bangladesh. Rather, attempts at decreasing it should be the first course of action. Steps must be taken to reduce and eventually eradicate extreme poverty through economic and social development. Furthermore, child-focused education and awareness are also required. As many children drop out of school because of associated costs, such as transport and uniform expenses, these can be subsumed within the school budget.



Another thing that can be done is raising awareness of child labour. This can be done by both the government and NGOs through various means of awareness building. Educating the mass about the pitfalls of child labour is necessary as most of them do not understand the concept. If they are able to realize the dangers and disadvantages of sending their children to work instead of school, they will be less inclined to send them to work.

1. Answer the following questions in your own words without copying any sentences from the passage above:
(a) What is the passage about?
(b) Why has Bangladesh been the subject of global concern?
(c) Describe the correlation between child labour and poverty.
(d) Why do the destitute families choose to send their children to work?
(e) What do you understand by intergenerational transfer of poverty?
(f) Why are many children forced to give up their studies?
(g) Why don’t most parents object to their children’s going to work?
(h) Why is it impracticable to try to uproot child labour from Bangladesh completely at the moment?
(i) Which step do you consider the most important for reducing child labour?
(j) Give a suitable title to the passage.

2. Write the meanings of the following words/expressions in English using contextual clues (The words are underlined in the passage):
(a) tribulation
(b) chore
(c) dismal
(d) make both ends meet
(e) pitfall

3. Fill in the table by putting words in the empty cells according to their parts of speech:

NounVerbAdjective
(a)consumptionx
(b)xnecessary
(c)inclinationx
(d)decreasex
(e)xurban

4. Give an antonym for each of the following words and make sentences with the antonyms:
(a) poverty
(b) strenuous
(c) destitute
(d) severe
(e) bane



5. Make sentences of your own with each of the following words and phrases (Copying any sentence from the passage above must be avoided):
(a) pernicious
(b) stanchion
(c) subsume
(d) blight
(e) inclination
(f) drudgery
(g) subject to
(h) fall short of
(i) vulnerable to
(j) on the contrary

6. Summarize the passage in your own words (within 100 words).

7. Write a letter to the editor of an English daily highlighting the gruesome aspects of child labour and the urgency to stop it.

Part B

8. Write an essay in about 1000 words on any one of the following topics:
(a) Literature and Society
(b) Democracy and Good Governance
(c) Corruption: The Invincible Monster



9. Translate the following text into Bangla:
Of all the amusements which can possible be imagined for a hard-working man, after his day’s toil, there is nothing like reading an entertaining book. It calls for no bodily exertion of which he has had enough. It relieves his home of its dullness. It transports him to lovelier and more interesting scenes; and while he enjoys these, he may forget the evils of the present moment. Nay, it accompanies him to his day’s work, and if the book he has been reading be anything above the very idlest and lightest, it gives him something to think about during the drudgery of his everyday occupation. If I were to pray for a taste which should stand me in good stead under every variety of circumstances and be a source of happiness and cheerfulness through life, it would be a taste for reading. Give a man this taste and the means of gratifying it, and you will never fail to make him happy, unless indeed you put into his hands the most perverse selection of books. You place him with the best society in every period of history, with the wisest, the wittiest, the tenderest, the bravest and the purest characters which have adorned humanity. You make him a citizen of all nations, a contemporary of all ages.




10. Translate the following text into English:
মানুষের জীবন কতকগুলাে ঘটনার সংকলন। তবে সব ঘটনাই স্মরণীয় হয় না। যে ঘটনা স্মৃতির পাতায় সােনার অক্ষরে লেখা হয়ে যায় তা-ই স্মরণীয়। বাংলাদেশের মানুষের সবচেয়ে গৌরবময় ও স্মরণীয় ঘটনা এ-দেশের মুক্তিযুদ্ধ। এই যুদ্ধের মধ্য দিয়ে আমরা লাভ করেছি স্বাধীন দেশ, নিজস্ব পতাকা। ১৯৭১ সালের ২৬শে মার্চ বাংলার ছাত্র-যুবক, কৃষক-শ্রমিকসহ সর্বস্তরের জনগণ বর্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়ে। তারই পরিণতিতে ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর জাতি অর্জন করে চূড়ান্ত বিজয়। বিশ্বের মানচিত্রে দেদীপ্যমান হয় একটি রাষ্ট্র, যার নাম স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম জাদুঘর মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর। এই জাদুঘর তরুণ প্রজন্মের কাছে পৌছে দিচ্ছে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের গৌরবময় ইতিহাস। মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবােধ ও ইতিহাসকে ভিত্তি করে সাজানাে হয়েছে জাদুঘরের গ্যালারিগুলাে। প্রতিটি গ্যালারি সুনির্দিষ্টভাবে ধারণ করছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবাহী নানান স্মারক। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে একটি গাড়িকে ভ্রাম্যমাণ জাদুঘরের রূপ দেয়া হয়েছে। এভাবেই প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে অমর হয়ে থাকবে এ-দেশের মুক্তিযুদ্ধের গৌরবগাথা।

[ বি:দ্র:এই সাজেশন যে কোন সময় পরিবতনশীল ১০০% কমন পেতে পরিক্ষার আগের রাতে সাইডে চেক করুন এই লিংক সব সময় আপডেট করা হয় ]

Subject Code : 003
Time – 4 hours Full Marks-200
Part-A
Read the following passage and answer questions Nos. 1-7:

Hides(পশুচর্ম,অজিন) and skins are the raw material of the leather manufacturer or tanner(চামড়া পাকা করার কাজে নিয়োজিত কর্মী). When man first used animal skins is not known. Skins, even when preserved by tanning(চামড়া পাকা করণ) , do not last as long as stone, pottery(মৃৎশিল্প), metals and bones, and our knowledge about the early use of skins in vaguě. However, the numerous flint scrappers(ধ্বংসাবশের পাথরের টুকরো) and bone or ivory sewing needles in our museums show that tens of thousands of years ago, in the early Stone Age, skins were prepared and used long before textiles. Nowadays, hides and skins are essential raw materials and important articles(বস্তু) of commerce.

Any animal skin can be made into leather, but the skin chiefly(প্রথমত বা প্রধানত) used come from cattle, sheep, goats, pigs and horses. To a lesser extent the skins from dogs, deer, reptiles, marine animals, fish and birds are also used. Snakes, lizards, seals, whales and sharks all contribute to the leather manufacture.

‘Hide’ is the trade word for the skins of the larger animals such as full grown cattle and horses; and ‘skin’ for the smaller animals and immature larger animals, such as ponies and calves. Some skin are made into leather after the hair or wool has been removed; but the skins of the fur-bearing animals and sometimes of sheep, lambs(মেষ শাবক) and ponies are processed, or ‘dressed’, with the hair or wool still in place.

Most cattle hides come from South America, the U.S.A, and from Australia with smaller quantities from East and West Africa, Central America and the Sudan. Sheepskins come from Australia and New Zealand, and the best goat skins comes from India, Pakistan, Ethiopia, Saudi Arabia and Nigeria.
There is usually a long interval between the flaying(ছাল ছাড়ানো), or stripping, of the skin from the animals and putting it into tannery for processing. If the flayed skins were left wet, they would go bad, just like meat; they must therefore be preserved in some way. The commonest method is salting. This involves sprinkling(কোন কিছুর উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে দেওয়া) the skins with salt on their inner side; or immersing the skins completely in strong salt solution for some hours, after which they are drained(শুষ্ক করা বা পানি বের করে দেওয়া) and sprinkled with solid salt.

Another method is drying is to stretch the skins out on the grounds, or on frames and to dry them in the sun, or even better in the shade. Beetles and other insects eat skins and must be kept away by the use of some chemical such as D.D.T. The dried skins are called ‘crust’ leather and are sent in this farm to the tanneries for the very complicated process of tanning. After tanning, only the middle layer of the skin is left to provide leather as we know it. It is to the closely knit fiber structure of the middle layer that leather owes its virtues of flexibility, strength and elasticity, its resistance to rubbing and its unique power of allowing water vapour and air to pass through it while resisting penetration by liquid water itself.

1. Answer the questions below. Do not copy any sentence from the passage above. Write the answers in your own sentences having your own wordings and phrasing: 3 X 10 = 30(a) What is the passage about?
(b)How could we come to know that animal skins were prepared and used long before textiles?
(c)Which animal skins can mainly, and which animal skins can to a lesser extent be used and made into leather?
(d) What is the difference between “hide’ and ‘skin’?
(e)What happens to flayed skin if left wet, and what is the
commonest method of preserving flayed skins?
(f)What is D.D.T.? And why is it used on the skins?
(g)What is ‘crust’ leather? Why is it sent to tannery?
(h) What virtues does middle layer of the skin, known as leather,
owe?
(i)What knowledge have you had from this passage?
(j)Give a suitable title of the passage.

2. Guess the meanings of the following words/expressions using contextual clues: (The words are underlined in the passage) 1X5= 05
(a) raw (b) pottery (c) vague (d) tannery (e) penetration

3. Fill in the table by putting words in the empty cells according to their parts of speech: 1×5=5

NounVerbAdjective
(a)Strength
(b)resist
(c)Penetration
(d)essential
(e)Preservation

4. Join the sets of sentences into one sentence. 5X2=10(a) Skins do not last as long as pottery. Our knowledge about the early use of skin is vague.
(b) Hides are essential raw materials. Important articles of commerce.
(c) This involves sprinkling the skins. Salt on their inner side.
(d) Most cattle hides come from South America. The best goat skins come from
India.
(e) Vapour and air to pass through it. Resisting penetration by liquid water itself.

5. Write a sentence with each of the following words/expressions. Copying of any sentence from the passage must be avoided. 10(a) Immature; (c) flexibility; (e) unique; (g) stretch out; (i) dry;
(b) interval; (d) elasticity; (f) wet; (h) salt solution (j) immersion

6. Summarize the passage in your own words in 100 words. 20

7. Write a feature to the editor of a renowned English Daily on “The role and importance of tannery in making hides and skins into leather”. 20

Part-B

Write an essay in about 1000 words on any one of the following topics: 50(a) Importance of protecting our environment.
(b) Problems and prospects of handicraft sector in Bangladesh.
(C) Bengali New Year Festival.

9. Translate the following passage into Bangla: 25

Standing knee deep in a cement tank of milky water, Dinesh Kumar drunks clothes before vigorously scrubbing them with a brush at an outdoor laundry in the Indian Capital.

After quitting high school, Kumar joined his father among the ranks of traditional washer men who have hand-cleaned the sprawling city’s dirty clothes for generations.

Over the years, the work of ‘dhobiwallahs’ has modernized to a degree, with industrial machines now used at some laundries for washing heavier loads of curtains, bed covers and towels.

But 32-year-old Kumar said that most of the washing was still done by hand. The more delicate and expensive garments also need to be handled carefully to ensure sewn on beads or embroidery were not damaged.

After every wash in a milky bath of bleach and detergent, Kumar inspects the cloths closely to ensure they are spotlessly clean. “Most of the clothes come here from hotels, embassies or beauty parlours. If we don’t wash properly, they will stop sending the clothes over”, Kumar added. Once the clothes are scrubbed, Kumar rinses them in the cement tub, wearing a plastic sheet around his waist to stop his rolled-up trousers getting wet.
Such so called ‘dhobi ghats’ are normally set up next to a river, but these washermen in New Delhi rely on well water stored in cement tanks for their supply.

After the clothes are hung out on lines strung up on terrace roof tops to dry, they are ironed, often by the women in the washermens’ family.
ভারতের রাজধানীর বাইরের একটি ধোপাখানায় দীনেশ কুমার সিমেন্টের একটি চৌবাচায় দুধেল হাঁটুপানিতে দাঁড়িয়ে কাপরগুলোকে ব্রাশ দিয়ে জোরে জোরে ঘষার আগে চুবিয়ে নেয়।
স্কুল ছেড়ে এসে কুমার তার বাবার কাজে যোগ দেয়। তার বাবা বংশ পরম্পরায় সাধারণ ধোপাদের একজন যারা পুরুষানুক্রমিকভাবে অপরিচ্ছন শহরের নোংরা কাপরগুলো হাতে কেচে পরিষ্কার করে।
বিগত কয়েক বছরে ‘ধোবিওয়ালদের কাজে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে, কেননা কিছু কিছু ধোপাখানায় ভারি কাপর যেমন পর্দা, বিছানার চাদর, তোয়ালে কাচার জন্য যন্ত্র ব্যবহার হচ্ছে।
কিন্তু ৩২ বছর বয়সী কুমার বললেন যে অধিকাংশ কাপরই তারা এখনও হাত দিয়ে কাচে। বেশি কোমল ও দামি কাপরগুলোকে অতি যত্নের সাথে কাচা হয় যাতে পুঁতি বা বিশেষ কাজ করা নকশাগুলোর ক্ষতি না হয়।
ব্লিচিং ও ডিটারজেন্টের দুধেল পানিতে ধোয়ার পর কুমার সেগুলো ভালোভাবে দেখে যে দাগহীনভাবে পরিষ্কার হয়েছে কিনা। কুমার আরও বললেন ” অধিকাংশ কাপর আসে হোটেল, রাষ্ট্রদূতদের বাসভবন ও বিউটি পার্লার থেকে, যদি আমরা সেগুলো ভালোভাবে পরিষ্কার না করি তাহলে তারা আর কাপর দেবে না। ” একবার কাপরগুলোর ঘঁষা মাজা হয়ে গেলে, কুমার তার জড়ানো পাজামা যাতে ভিজে না যায় সে জন্য একটি প্লাস্টিকের কাগজ কোমরে পেঁচিয়ে সিমেন্টের চৌবাচ্চায় ধুয়ে নেয়। এরকম তথাকথিত ‘ধোবিঘাট’ গুলো নদীর তীরে গড়ে ওঠে। কিন্তু নয়া দিল্লির ধোপাদের চৌবাচ্চায় তোলা পানির উপরই নির্ভর করতে হয়।
পরে কাপরগুলোকে শুকানোর জন্য বাড়ির ছাদে সারিবদ্ধভাবে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। শুকালে ইস্ত্রি করা হয় যা সাধারণত ধোপাদের পরিবারের মেয়েরা করে থাকে।

10. Translate the following passage into English: 25
একমাত্র হান্নান ছাড়া আমাদের সবার কাছেই অস্ত্র ছিল। মাত্র ১৪ বছর বয়স হান্নানের। দেখতেও ছোটখাটো, কিন্তু বেশ শক্তসমর্থ। আমি তাকে একটা ময়লা গেঞ্জি ও একটা হাফ প্যান্ট পরিয়ে ঠিক রাখাল ছেলের মতো করি। স্বাধীনতা সংগ্রামে সেও যে একজন যোদ্ধা তাকে দেখে বিশ্বাস করার উপায় রইলো না। অত্যন্ত নির্ভীক এ দেশপ্রেমিক কিশোর। আমাদের ৩০০/৪০০ গজ সামনে তাকে চলতে বললাম, কারণ তাকে স্কাউটের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সে সামনে এগিয়ে যেতে যেতে চারদিকে সতর্ক দৃষ্টিতে নজর রাখলো। এক নির্মম শত্রুর সংগে আমাদের লড়াই, তাই সামান্য অসতর্ক হলেই নিষ্ঠুরতম হত্যার শিকার হতে হবে। সুতরাং হান্নানের কাজ হলো সে খেয়াল রাখবে কোথাও পাঞ্জাবী সৈন্য বা রাজাকাররা ওঁৎ পেতে আছে কিনা। থাকলে সে যেন সাথে সাথে সংকেত দিয়ে আমাদের জানিয়ে দেয়। সে তার সামনে এবং দু’পাশে ভালোমতো দেখে যখন বুঝতে পারে যে সেখানে কোনো শত্রু নেই, তখন আমাদের এগিয়ে যেতে হাতে ইশারা দেয়। আর আমরা তার ইশারায় অগ্রসর হই। এভাবে ৩ (তিন) ঘন্টায় আমরা মাত্র দেড় মাইল পথ অতিক্রম করি। কখনো কখনো সে গ্রামবাসী অথবা ছোট ছোট ছেলেকে জিজ্ঞাসা করে সেখানে কোনো রাজাকার কিংবা পাঞ্জাবী সৈন্য দেখেছে কিনা।

All of we were armed except Hannan. Hannan is only fourteen years old. He was minor to look but strong enough. I made him put a shabby T-shirt and a half pant to make him as like a cow boy. Then, there were no way to recognize him as a liberation war fighter. This patriot was an extremely dauntless youth. As he was given the charge of scout we told him to walk 300/400 yards ahead of us. He was approaching by keeping an eagle eye. We were fighting against a cruel enemy, thats why for a little bit careless we might be victim of cruelest killing. So the task of Hannan was to check whether there was an ambush of Panjabi soldiers or their collaborators. If so he would beckoned us instantly. Observing around when he convinced that there were no enemy, he beckoned us to move forward. And we do so. Thus we moved for three hours and passed only one and a half mile. Sometimes he asked the villagers or the playing children whether they had seen the collaborators or Panjabi soldiers there.

সবার আগে সাজেশন আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

সুরমা
Subject Code : 003
Time – 4 hours Full Marks-200
Part-A

Read the following passage and answer question Nos 1-7:Everybody is talking about reconstruction. Most people, when asked what spiritual quality is aptly(সঠিকভাবে, যথাযথভাবে, সঙ্গতভাবে) needed to rebuild-civilization, will reply ‘Love’. Men must love one another, they say; nations must do likewise, and then the series of cataclysms(আকস্মিক ও প্রচণ্ড পরিবর্তন যথা- প্লাবন, ভূমিকম্প, মহাযুদ্ধ, রাজনৈতিক বা সামাজিক বিপ্লব) which is threatening to destroy us will be checked.

Respectfully but firmly, I disagree. Love is a great force in private life; it is indeed the greatest of all things; but love in public affairs does not work. It has been tried again and again: by the Christian civilization of the Middle Ages, and also by the French Revolution, a secular movement which reasserted(পুনর্ব্যক্ত) the Brotherhood of man. And it has always failed. The idea that nations should love one another, or that, business concerns or marketing boards should love one another, or that a man in Portugal should love a man in Peru of whom he has never heard – it is absurd, unreal, dangerous. It leads us into perilous and vague sentimentalism. ‘Love’ is what is needed’, we chant and then sit back and the world goes on as before. The fact is we can only love what we know personally. And we cannot know much. In public affairs, in the rebuilding of civilization, something much less dramatic and emotional is needed, namely, tolerance. Tolerance is a very dull virtue. It is boring. Unlike love, it has always had a bad press. It is negative. It merely means putting up with people, being able to stand things. No one has ever written an ode to tolerance, or raised a statue to her. Yet this is the quality which will be most needed after the war. This is the sound state of mind which we are earnestly looking for. This is the only force which will enable different races and classes and interests to settle down together to the work of reconstruction.

The world is very full of people-appallingly(আতঙ্কিত করার মত) full; it has never been so full before, and they are all tumbling over each other. Most of these people one doesn’t know and some of them one doesn’t like; doesn’t like the colour of their skins, say, or the shapes of their noses, or the way blow them or don’t blow them or the way they talk, or their smell or their clothes, or their fondness for Jazz or their dislike of Jazz, and so on. Well, what is one to do? There are two solutions. One of them is the Nazi solution. If you don’t like people, kill them, segregate them and then strut up and down proclaiming that you are the salt of the earth(শ্রেষ্ঠ, কৃতী, বরেণ্য নাগরিক). The other way is much less thrilling, but it is on the whole the way of democracies and I prefer it. If you don’t like people, put up with them as well as you can. Don’t try to love them: you can’t, you will only strain yourself. But try to tolerate them. On the basis of that tolerance, a civilized future may be built. Certainly I can see no other foundation for the post-war world.

1. Answer the questions below. Do not copy any sentence from the passage above. Write the answers in your own sentences having your own wordings and phrasing: Marks 3×10=30(a) What is the passage about?
(b) What was traditionally believed to be the most powerful virtue needed for civilization?
(c) Does the author hold the traditional view?
(d) How does ‘love’ work for public life?
(e) What is the most desired virtue for rebuilding civilization? (1) (f) How does the writer describe tolerance?
(g) What does the passage say about human relationship?
(h) What according to the author, are the two solutions?
(i) Which of the ways do the author like?
(j) Give a title of the passage.

2. Guess the meanings of the following words/expressions using contextual clues: (The words are underlined in the passage)(a) Perilous
(b) Chant
(C) Appallingly
(d) Segregate
(e) Strain

3. Fill in the table by putting words in the empty cells according to their parts of speech: 1×5=5

NounVerbAdjective
(a) Danger
(b) disagree
(C) brotherhood
(d) real
(e) democracy

4. Join the sets of sentences into one sentence. 2×5=10(a) Love is a great virtue in private life. Love does not work in public life.
(b) Tolerance is a desired virtue. It is not a mere talked about thing.
(c) Love is good for private life. Tolerance is good in public life. (d) There are two solutions; one is a Nazi solution.
(e) The way is less thrilling. I like it.

5. Write a sentence with each of the following words/expressions. Coping of any sentence from the passage above must be avoided. 10

(a) Spiritual;
(b) threatening: (c) absurd; (d) secular; (e) assert; (f) sentimental
(g) dull (h) settle down (i) fondness (j) the salt of the earth

6. Summarize the passage in your own words in 100 words. 20

7. Write a feature to the editor of a renowned English Daily on “The growing importance of tolerance in our social and national life”.

PART – B

8. Write an essay in about 1000 words on any one of the following topics: 50(a) Development activities in Bangladesh.
(b) Global climate crisis.
(C) Bangladeshi culture.

9. Translate the following passage into Bangla: 25Should the soft spring breath of kindly appreciation warm the current chilly atmosphere, flowers of greater luxuriance and beauty soon blossom forth, to beautify and enrich our literature. If these anticipations are not realized, it will not be because there is anything in our country that is uncongenial to poetry. If we are deprived of many of the advantages of the older countries, our youthful country provides ample compensation not only in the ways in which nature unveils her most majestic forms to exalt and inspire, but also in our unshackled freedom of thought and broad spheres of action. Despite the unpropitious circumstances that exist, some true poetry has been written in our country, and represents an earnest of better things for the future and basis to hope that it will not always be winter with our native poetry. Poetry, like truth, will unveil her beauty and dispense her honour only to those who love her with a deep and reverential affection. There are many who are not gifted with the power of giving expressions to the deeper sensibilities who nevertheless experience them throbbing in their hearts. To then poetry appeals.

বাংলা অনুবাদঃ আমাদের সাহিত্যকে আরও সুন্দর ও সমৃদ্ধ করতে , মানবিক উপলব্ধির কোমল বসন্ত বাতাস বর্তমান শীতল অবস্থায় কি একটু উত্তাপ আনতে পারবে? পারবে কি প্রাণ প্রাচুর্যেভরা সুন্দরের ফুল ফুটাতে? যদি আমরা এসব অনুধাবন করতে না পারি, তারমানে এই নয় যে আমাদের দেশের পরিবেশ কাব্য-অনুপযোগী। যদি আমরা পুরাতন দেশগুলোর সুবিধা থেকে বঞ্চিত হই, তাহলে আমাদের এই নতুন দেশকে অনেক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আর তা শুধু, প্রকৃতি তার মহিমা প্রকাশে ও মানুষকে প্রেরণা যোগাতে যেভাবে তার অপার সৌন্দর্য্য আমাদের কাছে মেলে ধরেছে সেদিক থেকেই নয়, আমাদের অবাধ মুক্ত-চিন্তার স্বাধীনতা ও প্রশস্ত কর্ম পরিবেশের দিক থেকেও আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব। দেশে বিরাজমান প্রতিকূল পরিবেশ সত্ত্বেও কিছু বাস্তবিক কাব্য রচিত হয়েছে, যা ভবিষ্যৎ ঐকান্তিক ভালো জিনিসের প্রতিনিধিত্ব করবে ও এই আশার ভিত্তি রচনা করবে যে আমাদের জাতীয় কাব্যে সবসময় মন্দভাব থাকবে না।

কাব্যকলা, যা সত্যের মত, সে তাদের কাছেই তার সৌন্দর্য্য ও সম্মান প্রকাশ করবে যারা তার প্রতি গভীরভাবে শ্রদ্ধামিশ্রিত মমতা প্রকাশ করবে। অনেকে আছেন যাঁরা অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে তা প্রকাশ করতে পারে না, কিন্তু অন্তর দিয়ে তা অনুভব করতে পারে। আর তখনই তার কাছে কাব্য ধরা দেয়।

10. Translate the following into English: 25মহান মুক্তিযুদ্ধই আমাদের অস্তিত্বের ঠিকানা। আমাদের জীবনে মুক্তিযুদ্ধ শুধুমাত্র একটি শব্দই নয়। মুক্তিযুদ্ধ প্রতিটি বাঙালীর অন্তরের এক অনন্ত বহ্নি শিখার নাম। মুক্তিযুদ্ধ বাঙালীর গৌরব আর গর্ব, বাঙালীর চেতনা, বাঙালীর ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা। বাঙালীর অনুপ্রেরণা, বাঙালীর শানিত হওয়ার অপর নাম। মুক্তিযুদ্ধই আমাদের অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে এই মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে আলোকবর্তিকা হিসেবে গ্রহণ করে। আমাদের জীবনের যাবতীয় প্রাপ্তি, স্বপ্ন-সাধ, পরিকল্পনা সব কিছু হতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকেন্দ্রিক। কেননা মুক্তিযুদ্ধই আমাদের জাতিসত্ত্বার ভিত্তি, আমাদের বেঁচে থাকার এবং এগিয়ে চলার একমাত্র অবলম্বন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস আমাদের নতুন প্রজন্মকে ভীষণভাবে আপ্লুত করে এবং চলার পথে অনুপ্রেরণা জোগায়, তাদের জাতীয়তাবোধ ও আত্মপরিচয় দান করে। তারা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কিত বই পড়তে পছন্দ করে, মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানার জন্য তাদের মধ্যে লক্ষ্য করা যায় গভীর আগ্রহ। মুক্তিযুদ্ধ এই প্রজন্মের দেশপ্রেমের এক অনিঃশেষ প্রেরণা ও উৎসের নাম। তরুণ প্রজন্মের ধর্মই হলো নতুনের পানে ছুটে চলা। যে জানতে চায় নিজ জাতিসত্ত্বার পরিচয়; সে যেতে চায় আপন শিকড়ের মূলে। আর এ চলার পথে তাকে উদ্বুদ্ধ করে নিজ জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, লৌকিকত্ব এবং সাংস্কৃতিক চেতনা আর পরিচয়। সে এসে দাঁড়ায় ৭১ এর সামনে; সে জানতে পারে কত ত্যাগ, তিতিক্ষা ও রক্তের বিনিময়ে এ জাতি স্বাধীনতা অর্জন করেছে। আজকের তরুণ প্রজন্ম গড়ে উঠেছে মুক্তিযুদ্ধকালীন ইস্পাতকঠিন দৃঢ়তা, চেতনা ও দেশপ্রেম নিয়ে। এর প্রমাণ পাওয়া যায় একুশের বইমেলা এবং স্বাধীনতা ও বিজয় দিবসে। দেশের আনাচে কানাচে তরুণ প্রজন্মের প্রতিটি সদস্যকে তাদের কপালে ও বুকে-পিঠে জাতীয় পতাকাসহ ও পতাকাশোভিত পোশাকে শহীদ মিনার ও বিজয়স্তম্ভে উপস্থিত দেখা যায়। এটি তাদের সুগভীর দেশপ্রেমেরই বহিঃপ্রকাশ। ৭১ এর অনুপ্রেরণা, চেতনা ও দেশপ্রেম আমাদের আছে, থাকবে এবং অনন্তকাল থাকবে।

Translation: The great liberation war is our identity of experience. Liberation war is not a solely word in our life. It is the name of an endless flame in the heart of Bengali. It is Bengali’s consciousness, their pride and determination as hard as steel. It is the inspiration and the other name of being honed. Liberation war is our past, present and future. We have to go ahead considering the consciousness of liberation war as torchbearer. All achievements of our national life, our dreams and desires, planning should be centered on the spirit of liberation war. Because it is the base of our nationalism, only way of living and going ahead.

Our new generation inundates with the history of liberation war, it inspires them to go ahead, it also gives them the self identity and sense of nationalism. They love to read books related to the liberation war, and it is noticeable to see their utmost interests of knowing liberation war. It is the name of never ending source of inspiration of the patriotism of this generation. It is their nature to pursue the novelty. Who wills to know their entity of nationalism, wants to find their root.

In this way she/he is inspired by his/her national history, tradition, folklore and culture. He/She confronted with 71 and discover how much sacrifice, patience and blood shed we have to pay to achieve our independence. Today’s young generation is growing up with steel hard determination, consciousness and the patriotism of our liberation war. We find the proof of it in Ekushe Boimela, Independence and victory day. We find their presence in Shaheed Minar, Liberation monument from each corner of the country by inscribing national flag on their forehead, chest or with the dress of national flag’s color. It is the expression of their ultimate patriotism. We have the inspiration of 71, it will have, and for forever.

সাজেশন সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

২৯৫
আমাজন
FIRST PAPER

Subject Code: 003
Time allowed —3 hours
Full marks—l00

[N.B. — The figures in the right margin indicate full marks. Answer all the questions. ]

1. Translate into Bangla:- 20Man is liable to some troubles from which society cannot save him—he has always suffered from death, sorrow, disappointments of various kinds and disease, etc. It is only self-confidence and a absolute reliance on God that can save him from them. If he gains self-confidence and devotion to God, even the direct misfortune will not be able to upset him in any way. Strong in his own power, he will face all his troubles with a smiling face. But our students are deprived of this education under the present system. It has to be reintroduced if our men, and for that matter the country, are to be saved.

2. Translate into English – 20আমরা যে অত্যাধুনিক পৃথিবীর বাসিন্দা সে পৃথিবী আদিম সমাজ ও আমাদের পূর্ব পূরূষদের পৃথিবী থেকে সম্পূর্ন আলাদা। এটি একটি পরষ্পর সম্পর্কিত পৃথিবী যেখানে এক দেশের ঘটনাবলি সহজেই অন্য দেশের ঘটনাবলির উপর প্রভাব বিস্তার করে। কোন দেশে বন্যা, দুর্ভিক্ষ, মহামারী বা মানবিক বিপর্যয় দেখা দিলে তা সাথে সাথে আমাদের গোচরে আসে, বলা যায় – চক্ষের নিমিষে। এ ব্যাপারে সব থেকে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে ইন্টারনেট, উপগ্রহ চ্যানেলগুলো ও সংবাদপত্র। এদের কল্যানে সমস্ত পৃথিবী একটি বইশ্বিক গ্রামে পরিনত হয়েছে। হোক সে পৃথিবীর অগম্য প্রত্যন্ত অঞ্চলসমুহ যেমন উত্তর ও দক্ষিন মেরু, গভীর স্বাপদসঙ্কুল অরণ্য যেমন আমাজন ও আফ্রিকা, অজানা রহস্য ঘেরা ঐতিহাসিক ঘটনা যেমন মিশরের পিরামিড অথবা টাইটানিকের সলিল সমাধি, শেষ পর্যন্ত সবকিছুই আমাদের কাছে উন্মোচিত হয়।

3. Amplify the idea in one of the following:— 20(a) Man is born free but everywhere he is in chains.
(b) Procrastination is the thief of time.
(c) ‘The old order changeth yielding place to the new.’

4. Write a précis of the following passage:- 15Cultural diversity is the quality of diverse or different cultures, as opposed to monoculture, as in the global monoculture or a homogenization of cultures, akin to cultural decay. For example, before Hawaii was conquered by Europeans, the culturally diverse Hawaiian culture existed in the world and contributed to the world’s cultural diversity. Now Hawaii has been westernized, the vast majority of its culture has been replaced with Western or American culture.

The phrase ‘cultural diversity’ can also refer to different cultures having respect for each other’s differences. The phrase ‘cultural diversity’ is sometimes misused to mean the variety of human societies or culture in a specific region, or in the world as a whole; but these phenomena are multiculturalism rather than cultural diversity.

By analogy with biodiversity, which is thought to be essential to the long term survival of life on earth, it can be argued that cultural diversity may be vital for the long term survival of humanity, and that the conservation of indigenous cultures may be as important ‘to mankind as the conservation of species and ecosystem is to life in, general. The general conference of UNESCO took this position in 2001 asserting in article l of the Universal Declaration on Cultural Diversity that cultural diversity is as necessary for humankind as biodiversity is for nature. This position is rejected by some people on several grounds.

Firstly, like most evolutionary accounts of human nature, the importance of cultural diversity for survival may be an untestable hypothesis, which can neither be proved nor disarmed. Secondly, it can be argued that it is unethical deliberately to conserve less developed societies because this will deny people within those societies the benefits of technological and medical advances, enjoyed by those of us in the developed world.

In the same way, it is unethical to promote poverty in undeveloped nations as cultural diversity. It is also unethical to promote all religious practices simply because they contribute to cultural diversity. Particularly, there are some practices that are recognized by the WHO and UN as unethical such as female genital mutilation, burning the widow on the husbands burial pyre, polygamy, human sacrifice, etc.

5. Fill in the blanks (any five) :— 5(a) He debarred me——— going.
(b) He was reduced—— skeleton.
(c) He said this—oath.
(d) He came———power very soon.
(e) We set off———the cave again.
(f) He could not call————my name.
(g) He is —— sentence of death.

6. Frame sentences with the following expressions (any five) :— 5(a) A wolf in sheep’s clothing
(b) Gift of the gab
(c) Helter skelter
(d) Rank and file
(e) Foot the bill
(f) Fight shy of
(g) Carry the day.

7. Correct the following sentences (any five):— 5(a) The secretary absented from the meeting.
(b) Can he play piano?
(c) The patient was born to the hospital.
(d) Each man and each boy did their best.
(e) Everything including the books were bought.
(f) He made less mistakes than I.
(g) Can you tell me where does he live?
(h) I don’t enjoy to look after children.

8. Change the narration of the given sentences (any five):— 5(a) The prisoner said to the Judge, “By Allah! I have not stolen the money, I am wrongly accused.’’
(b) The people said to their Chairman, “Let us repair the road with our own means.”
(c) The Principal said to the students, “Don’t waste your time in futile argument, listen to your subject teacher if you find anything confusing.”
(d) “Congratulations on your brilliant success!” said Azim to his friend cheerfully.
(e) “I wish l were a billionaire!” said his father with a deep sigh.
(f) He said to me, “May you be happy.”
(g) Alexander said to Porus, “How do you desire to be treated?”

9. Use the correct form of verbs shown in the parentheses:— 5The barbarous Pakistan army (launch) their orgy of blood, death and destruction on the sleeping Bangladesh on the night of 25 March, 1971. They (strike) them with all their military power. They (butcher) thousands of innocent and helpless people on that night. Gradually our freedom fighters started (give) counter attacks. Finally the tyrannical forces (court) ignominious defeat for their savagery.

সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

বিসিএস পরীক্ষার সবচেয়ে বড় ধাপ হলো লিখিত পরীক্ষা। কারণ, এতে সর্বোচ্চ নম্বর অর্থাৎ ৯০০ বা বোথ ক্যাডার হলে ১১০০। এটি খুবই সাধারণ কথা, নম্বর বেশি হলে এর গুরুত্ব বেড়ে যায়। তা ছাড়া লিখিত পরীক্ষায় সবার জন্য সমমানের প্রশ্ন করা হয়, যাতে অসমতা হওয়ার সুযোগ থাকে না। প্রার্থীকে নিজের মতো চিন্তা ও লেখার স্বাধীনতা দেওয়া হয় এই লিখিত পরীক্ষায়। কেউ যদি কোনো বিষয় সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখে, তবে সে তার নিজের মতো করে উপস্থাপন করার সুযোগ পায়, যেখানে প্রিলি ও ভাইভায় খুব অতিরিক্ত চিন্তা করার অবকাশ নেই। একটা কথা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, লিখিত পরীক্ষায় ভালো নম্বর না তুলতে পারলে ক্যাডার বা ভালো ক্যাডার বা কাঙ্ক্ষিত ক্যাডার পাওয়া সম্ভব হবে না অথবা কঠিন হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা কোনো সাধারণ পরীক্ষা নয়। তাই এতে নম্বর তুলতে হলে কৌশলপূর্ণ পরিশ্রম করতে হবে।

একটা বিষয় না বললেই নয়, সবাই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয় এবং লিখেও আসে। কিন্তু নম্বর কম বা বেশি হয় এবং ফেল করে। এর কারণ কী? আমার কাছে মনে হয়, লিখিত পরীক্ষায় ফেল বা কম নম্বর পাওয়ার ১০টি কারণ আছে।

যেমন: ক) তথ্য কম থাকা বা না থাকা;

খ) ভুল তথ্য থাকা;

গ) বানান ও বাক্য ভুল এবং যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার না থাকা;

ঘ) লেখায় অতিরিক্ত কাটাকাটি;

ঙ) হাতের লেখা অতিরিক্ত বড় বা ছোট;

চ) একই কথার পুনরাবৃত্তি;

ছ) রেফারেন্স না থাকা বা কম থাকা অথবা ভুল থাকা;

জ) নম্বরের সঙ্গে উত্তরের পরিধির সামঞ্জস্য না থাকা;

ঝ) আপডেট তথ্য না থাকা;

ঞ) অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ের অবতারণা বেশি।

তাই শুধু পড়লেই হবে না; সতর্কভাবে তথ্য সংগ্রহ করার মানস থাকতে হবে। একটু চিন্তা করলেই বোঝা যাবে, এই ১০টি লিখিত পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ারও উপায়। শুধু উল্টো করে নিন। মনে রাখবেন, লিখিত পরীক্ষাই আপনার স্বপ্নপূরণে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখতে পারে। তাই সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিন এবং উপস্থাপন করুন।

মনে রাখবেন, লিখিত পরীক্ষা হলো তথ্য উপস্থাপন করার পরীক্ষা। সাদামাটা লিখে আপনি কখনোই ভালো নম্বর পাবেন না। প্রাসঙ্গিক ও প্রয়োজনীয় সব তথ্যই লেখায় থাকতে হবে। অন্যথায় সামান্য নম্বর আসবে। কঠিন কথা। কিন্তু মানতে হবে।

লিখিত পরীক্ষায় দুই ধরনের প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। একটি হলো ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন, যাতে পূর্ণ নম্বর পাওয়া যায় না। যেমন রচনা। আর অন্যটি হলো সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন, যেখানে পূর্ণ নম্বর পাওয়া যায়। যেমন ব্যাকরণ। তাই পূর্ণ নম্বরের প্রশ্নের উত্তরগুলো ভালো করে করতে হবে। এতে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া যায়।

আজ বাংলা নিয়ে আলোচনা করব। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রে বিভক্ত হয়ে মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়। প্রথম পত্রে ব্যাকরণ ৩০, ভাব-সম্প্রসারণে ২০, সারমর্মে ২০, সাহিত্যে ৩০ এবং দ্বিতীয় পত্রে ইংরেজি অনুবাদে ১৫, কাল্পনিক সংলাপে ১৫, পত্রলিখনে ১৫, গ্রন্থ সমালোচনায় ১৫ ও রচনায় ৪০। এই ২০০ নম্বরের প্রস্তুতির জন্য কী করা যায় বলা যাক।

অ) দশম থেকে ছত্রিশতম বিসিএসের শুধু ব্যাকরণ ও সাহিত্য অংশ পড়ে নেবেন। বাকিগুলো আপাতত বাদ।

আ) নম্বর বিভাজনের দিকে ভালো করে খেয়াল করলে দেখবেন, ৭০ নম্বর পড়ার কিছু নেই (সারমর্ম, ভাব-সম্প্রসারণ, কাল্পনিক সংলাপ ও পত্র)। এগুলো না পড়লেও আপনি ভালো লিখতে পারবেন। কারণ, তা কমন পড়বে না। আর কমন পড়ারও কিছু নেই। এ ক্ষেত্রে যেটা করবেন তা হলো, এগুলো লেখার সাধারণ নিয়মগুলো জেনে যাবেন। তাতেই হয়ে যাবে।

ই) অনুবাদে যে ১৫ নম্বর বরাদ্দ আছে, তা মূলত ইংরেজির পড়া। এটি আপনি ইংরেজি অনুবাদ অংশ থেকে প্রস্তুতি নিতে পারবেন। আর কারও যদি ইংরেজির মৌলিক জ্ঞান ভালো থাকে, তবে সে এই অনুবাদ এমনিই পারবে। আর অনুবাদ কখনোই কমন পড়বে না।

ঈ) ব্যাকরণ অংশে কিছু টপিকস নির্দিষ্ট আছে। যেমন শব্দগঠন, বানান ও বানানের নিয়ম, বাক্য শুদ্ধি ও প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, প্রবাদের নিহিতার্থ ব্যাখ্যা ও বাক্যগঠন। মনোযোগ দিয়ে পড়লে অল্প সময়ে এর জন্য ভালো প্রস্তুতি নেওয়া যায়।

উ) সাহিত্য অংশটির পরিধি বেশ বড়। তাই যেটা করবেন, পিএসসি নির্ধারিত ১১ জন লেখক সম্পর্কে প্রথমে ভালো করে পড়বেন। তারপর বাছাই করে অন্য লেখকদের সাহিত্যকর্ম দেখবেন।

ঊ) সাহিত্য অংশ পড়ার জন্য ড. সৌমিত্র শেখরের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা বইটি অনুসরণ করতে পারেন। অনেকে হয়তো এটি প্রিলিতেও পড়েছেন।

ঋ) গ্রন্থ সমালোচনা একটি কঠিন বিষয়। কারণ, গ্রন্থ সম্পর্কে না জানলে বা বইটি না পড়ে থাকলে তা আপনি লিখতে পারবেন না। তাই এই অংশে সময় দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সুপরিচিত গ্রন্থগুলোই পড়বেন। যদিও সুপরিচিত গ্রন্থের সংখ্যাও প্রচুর। তবে আশার কথা হলো, বিগত দুইটা বিসিএসে গ্রন্থের নাম সরাসরি উল্লেখ করেনি। থিম উল্লেখ করে প্রশ্ন করেছিল। গ্রন্থের নাম উল্লেখ করে দিলে বিপদে পড়বেন, যদি ভালো করে না পড়েন। তাই ভালো করে গুরুত্ব দিয়ে পড়বেন।

এ) মহসিনা মনজিলার শীকর বাংলা সাহিত্য থেকে গ্রন্থ সমালোচনা অংশটি পড়বেন।

ঐ) রচনার জন্য আপনাকে বাংলার চেয়ে বেশি জানতে হবে সাধারণ জ্ঞান। ধরুন, রচনা এল ‘জলবায়ু পরিবর্তন: বাংলাদেশ ও বিশ্ব’। এটি লিখতে হলে জলবায়ুর সব প্রয়োজনীয় তথ্যই লাগবে, যা মূলত সাধারণ জ্ঞান। তথ্য, পয়েন্ট, উক্তি ছাড়া রচনা লিখে খুব বেশি লাভ হবে না। ২০টি রচনা বাছাই করে পড়বেন। প্রয়োজন হলে ইংরেজি রচনার সঙ্গে সমন্বয় করে পড়বেন।

ও) বাজার থেকে যেকোনো একটি লিখিত গাইড সংগ্রহ করে নেবেন। সেখান থেকে বিগত প্রশ্ন, ব্যাকরণ, রচনা ও প্রয়োজনীয় জিনিস পড়ে নেবেন।

ঔ) মাঝে মাঝে নিজে নিজে পরীক্ষা দিয়ে যাচাই করে দেখবেন, ঠিক সময়ে সব শেষ করতে পারছেন কি না। লিখিত পরীক্ষায় সব লিখে আসাও একটা বিরাট সাফল্য।

এভাবে বাংলার জন্য প্রস্তুতি নিন। আশা করি, ভালো কিছু সম্ভব হবে। লিখিত পরীক্ষায় না পড়েও কিছু জিনিস ভালো লিখে আসা যায়। তাই এত চাপ নেওয়ার বা ভয় পাওয়ার কিছু নেই। স্বাভাবিকভাবে প্রস্তুতি নিন। আর সামনের দিনগুলো নিজেকে ও পড়ার কাজে দিন। সবার জন্য শুভকামনা।

লেখক: প্রশাসন ক্যাডার (২য় স্থান), ৩৪তম বিসিএস।

সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এতে ভালো না করলে গড় নম্বর অনেক কমে যাবে। এখানে পার্ট এ এবং পার্ট বি মিলিয়ে মোট দুই শত নম্বর বরাদ্দ আছে। রিডিং কম্প্রিহেনশন থেকে ১০০ নম্বর যা সাধারণ প্রশ্ন ৩০, ব্যাকরণ ৩০, সম্পাদকের নিকট চিঠি ২০ এবং সারাংশ ২০ নম্বর যোগ করলে পাওয়া যায়। আর পার্ট বি তে বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ ২৫, ইংরেজি থেকে বাংলা ২৫ এবং রচনায় ৫০সহ মোট ১০০ নম্বর। সর্বমোট ২০০ নম্বর। সময় পাওয়া যাবে চার ঘণ্টা। আর ইংরেজিতে রাতারাতি ভালো করা যায় না। আবার অনেক টপিকস আছে যা সরাসরি পরীক্ষায় আসবে না। অর্থাৎ কমন পড়বে না। অনেকের ধারণা, কমন যেহেতু পড়বে না তাহলে পড়ে লাভ কী! লাভ হলো, আপনার চর্চা বহাল থাকলে সহজে পরীক্ষার হলে উত্তর দিতে পারবেন। একটা কথা মনে রাখবেন, কতগুলো অনুশীলন করলেন তা গুরুত্বপূর্ণ নয়; গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কতটা বুঝে বুঝে করলেন। তাই বুঝে বুঝে অনুশীলন করা ছাড়া ভালো কিছু হবে না। ভালো করার কিছু পরামর্শ—

ক. দশম থেকে ছত্রিশতম বিসিএসের শুধু ব্যাকরণ অংশটি পড়ে নেবেন। বাকিগুলো না পড়লেও চলবে।
খ. কম্প্রিহেনশন যত পারেন পড়ুন। পড়ার সময় চারটি বিষয় মাথায় রাখবেন। যথা-১. অজানা শব্দের অর্থ অবশ্যই আয়ত্ত করবেন।
২. বাক্যের অর্থ বোঝার চেষ্টা করবেন।
৩. পুরো প্যাসেজের মূল কথা বের করুন।
৪. সাধারণ প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবেন।

বাকি প্রশ্নগুলো অনুশীলন না করলেও চলবে। প্রয়োজনে অল্প কম্প্রিহেনশন চর্চা করবেন। কিন্তু ভাসা ভাসা করে দ্রুত শেষ করতে যাবেন না। এতে সব বৃথা যাবে। আর একটা কথা, ইংরেজি পত্রিকার সমসাময়িক তাৎপর্যপূর্ণ কলাম বা লেখা পড়তে পারেন। তার অর্থ বোঝার চেষ্টা করুন। এটা পরোক্ষভাবে আপনাকে রিডিং কম্প্রিহেনশনে সাহায্য করবে। ৩৫তম বিসিএস পত্রিকায় একটি খবর থেকেই প্যাসেজ এসেছিল।

গ. ব্যাকরণ অংশে নতুন কিছু নেই। যা আপনি প্রিলিতে পড়েছেন তা-ই। একবার চোখ বুলিয়ে নেবেন।

ঘ. প্যাসেজ থেকেই সামারি করতে হয়। এ ক্ষেত্রে ভুলেও কোনো হুবহু বাক্য গ্রহণ করতে যাবেন না। নিজের মতো করে লিখবেন। বাসায় অনুশীলন করুন, ভুল কমে আসবে। আর এটা এত পড়ার কিছু নেই।

ঙ. সম্পাদকের নিকট চিঠি পড়ার কিছু নেই। শুধু নিয়মকানুন জেনে রাখুন। তাতেই হবে। আর দুই পৃষ্ঠার বেশি অবশ্যই লিখবেন না।

চ. ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং ইংরেজিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোন কোন বিষয় আয়ত্তে থাকলে আপনি ইংরেজি লেখায় ভালো করবেন তা বলা হলো।১. শব্দের অর্থ শিখুন। যত পারা যায়। অনেকে বলে মনে থাকে না। কিছু ভুলে যাবেন, এটাই স্বাভাবিক। তাই বলে পড়া থামাবেন না। যা গিয়ে যা থাকে তা-ই লাভ। শব্দের অর্থ না জানলে আপনি লিখতে পারবেন না। তাই ফ্রি হ্যান্ড রাইটিংয়ে ভালো করতে হলে আপনার শব্দভান্ডার মজবুত থাকতে হবে। আর এটি কিন্তু চলমান প্রক্রিয়া। শব্দ শেখার মধ্যেই থাকবেন। হোক অল্প।

২. মানসম্মত রাইটিংসয়ের জন্য টেকনিক্যাল কিছু শব্দের অর্থ বা শব্দগুচ্ছ শিখবেন। যেমন- ধনী গরিব নির্বিশেষে-এর ইংরেজি হবে Irrespective of rich and poor. আপনি যদি অন্যভাবে বলেন তবে মানসম্মত লেখা হবে না। আপনার লেখার মান ভালো হলে নম্বর ভালো আসবে। এটা তো স্বাভাবিক।

৩. ইংরেজি বাক্য লেখার সময় আপনাকে প্রিপোজিশন ব্যবহার করতেই হয়। এতে অনেকেই ভুল করে। তাই শুদ্ধ বাক্য লিখতে হলে এ সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এ জন্য প্রিপোজিশনগুলোর বাংলা অর্থ ও সাধারণ ব্যবহার জেনে নেবেন। অবশ্যই বুঝে বুঝে পড়বেন। আর কিছু Appropriate Preposition পড়ে নেবেন। তাহলে আস্তে আস্তে ভুল কমে যাবে।

৪. Tense সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এটা ছাড়া কিছু করার নেই। ১২টি টেন্স বাংলা সংজ্ঞা, চেনার উপায় ও গঠনপ্রণালিসহ ভালো করে পড়বেন যেন বাক্য দেখলেই আপনি বোঝেন কোন টেন্স অনুযায়ী লিখতে হবে। ধরুন, আপনি বলতে চাচ্ছেন, কালকে স্কুলে যাব। এটি যদি এভাবে লিখেন, I was go school. তাহলে কী হলো। তাই ভালো করে টেন্স পড়ুন।

৫. প্রচুর অনুশীলন করুন। বুঝে বুঝে করুন। ফ্রি হ্যান্ড রাইটিংয়ের জন্য অনুশীলন ব্যাপক কাজে দেয়। সম্ভব হলে যে ফ্রি হ্যান্ডে ভালো তার সহায়তা নিতে পারেন। লেখার পর তাকে দেখাতে পারেন। সে ভুলগুলো চিহ্নিত করে দিলে বুঝে নিন। লজ্জার কিছু নেই।

৬. ইংরেজি পত্রিকা থেকে সাহায্য নেবেন। প্রত্যেক দিন দরকার নেই। কলামগুলো পড়ার সময় খেয়াল রাখবেন কীভাবে ওরা বাক্য তৈরি করল। এটা মাঝে মাঝে নিজেও অনুসরণ করবেন। আর নতুন শব্দ পেলে মুখস্থ রাখবেন।

৭. যদি সম্ভব হয় প্রতিদিন একটা টপিক ধরে এক পৃষ্ঠা করে লিখবেন। চর্চা না করলে তো হবে না। প্রথম দিকে সহজ টপিক নিয়ে লিখবেন। আস্তে আস্তে কঠিন নেবেন।

৮. তথ্যভিত্তিক ইংরেজি লেখা হলে শুধু ইংরেজিই লিখবেন না, সঙ্গে তথ্য দেবেন। এতে লেখার মান বাড়বে। আর রিডার সন্তুষ্ট হলে আপনার লাভ।

৯. টেন্স ও প্রিপোজিশন সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণার জন্য চৌধুরী অ্যান্ড হোসাইনের এসএসসি ইংলিশ সেকেন্ড পেপার গাইডটা পড়তে পারেন। ইংরেজি পত্রিকা The Daily Star নিন।

ছ. অনুবাদের জন্য ফ্রি হ্যান্ডের নিয়মগুলো বেশ কাজে দিবে। চর্চা করতে থাকুন। আর অনুবাদ শতভাগ মিলতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। বড় বাক্য হলে ভেঙে একাধিক বাক্যও হতে পারে। থিমটা বোঝাতে পারলেই নম্বর আসবে।


জ. রচনা কোনটা আসবে বলা কঠিন। তবে দশটি কমন টপিকস সম্পর্কে ধারণা নিয়ে যান, যা আপনার সাধারণ জ্ঞান ও বাংলা রচনায়ও কাজে লাগবে। এই বিষয়গুলোতে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকুন। নোট করুন। যথা- ১. নারী (নির্যাতন, উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন, মুক্তি) ২. শিক্ষা (সমস্যা, নীতি, সম্ভাবনা, হার) ৩. গণতন্ত্র ( সমস্যা, সম্ভাবনা, বর্তমান চিত্র) ৪. দুর্নীতি চিত্র (টিআইবি, টিআই, বিভিন্ন খাতের অবস্থা) ৫. জ্বালানি পরিস্থিতি (বিদ্যুৎ, গ্যাস, খনিজ তেল, উৎপাদন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা) ৬. শিল্প (পোশাক, চামড়া, পর্যটনের সার্বিক দিক) ৭. দারিদ্র্য পরিস্থিতি (হার, কারণ, চিত্র, সরকারের পরিকল্পনা ও উদ্যোগ) ৮. আইসিটি চিত্র (মোবাইল, ইন্টারনেট, পরিকল্পনা, সুবিধা, অসুবিধা) ৯. পরিবেশ অবস্থা (ভূমিকম্প, জলবায়ু পরিবর্তন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ) ১০. সন্ত্রাসবাদ (ধর্মীয়, রাজনৈতিক, আইএস, বোকো হারাম, প্রেক্ষাপট- বিশ্ব ও বাংলাদেশ, গৃহীত পদক্ষেপ)।

ঝ. বাজার থেকে যেকোনো একটি লিখিত ইংরেজি গাইড সংগ্রহ করে নিন। অনুশীলন ও বিগত প্রশ্ন পড়তে কাজে লাগবে।

অনেক কিছু তো হলো আর দরকার নেই। এবার কাজে লেগে পড়ুন। আশা করি, আপনার ইংরেজির উন্নতি হবে। ধন্যবাদ।

সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

আজকে কথা বলব আমাদের ম্যাথের অন্যতম important অংশ, ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতি নিয়ে। সারাজীবন এটিকে হয়ত আমরা একটু ভয় পাওয়া বিষয় হিসেবে ভেবে এসেছি। আসুন,মজার বিষয়টা জানা যাক।

মুলত ত্রিকোণমিতি ও জ্যামিতি খুব কাছাকাছি অবস্থান করে থাকে। জ্যামিতির ত্রিভুজের concept এই ত্রিকোণমিতিতে লুকিয়ে থাকে। আপনি যদি ত্রিভুজের প্রতি ভালবাসা বানাতে পারেন, তাহলে খুব সহজেই আপনি ত্রিকোণমিতি বুঝতে পারেন। আর একটু specific করে বললে বলতে হবে, সমকোনী ত্রিভুজ এর মধ্যেই ত্রিকোণমিতি লুকিয়ে আছে। আপনি হাতে খাতা কলম থাকলে একটা সমকোনী ত্রিভুজ আকতে পারেন। একদম খাড়া হয়ে থাকা দাগটি হচ্ছে লম্ব, যেটিকে আপনি একটি বিল্ডিং বলতে পারেন। তাহলে যদি বিল্ডিং এর পিছনে সূর্য মামা থাকে, তাহলে কিন্তু দালানের ছায়া হবে। যেটি কিনা দালানের সামনেত দিকে গিয়ে পড়বে। ছায়ার প্রান্ত থেকে দালানের নিচের প্রান্ত পর্যন্ত দাগ কাটলেই ভূমি পাবেন। আর যদি ছায়ার প্রান্ত থেকে দালানের উপড়ের প্রান্তে দাগ কাটেন, তবেই অতিভুজ পাবেন। তাহলে অনেক সহজে আমরা সমকোনী ত্রিভুজের হিসেব থেকে দালান, সূর্য, ছায়ার বিষয় নিয়ে আসতে পারি। ঠিক এইভাবেই ভাবতে হবে, তাহলে ম্যাথ মনে হবে ভাষা।

এবার আপনি তো জানেন, এখানে তিনটি কোন হয়েছে। আবার প্রতিটি কোনের দুটি বাহু আছে। এবার একটা জিনিস বলি ত্রিকোণমিতিতে বারবার শুনেছেন, উন্নতি কোনের কথা, এবার এটা একটু জানার চেষ্টা করা যাক। আবার অনেক সময় অবনতি কোন দেয়া হলেও সেখান থেকে উন্নতি কোন বের করতে হয়। যাই হোক মুলত ছায়ার যে প্রান্ত থেকে দালানের উপরে দিকে দাগ দিয়েছেন, সেটি হল উন্নতি কোন এর কারনে হয়েছে। দেখবেন ভূমি আর অতিভুজ মিলেই এই কোন বানিয়েছে। এবার যারা ম্যাথ নিয়ে কাজ করত, তাদের মাথায় আসল কিভাবে নামকরন করা যায়। ভূমি আর লম্বের যে relation, তার নাম দিল Tan, লম্ব আর অতিভুজের সম্পককে নাম দিল sin আর ভূমি আর অতিভুজের সম্পক কে নাম দিল cos. এভাবেই ত্রিকোণমিতি তে মানুষ পদক্ষেপ করল।

এবার আসল এদের মান গুলি বের করার পালা। এটা কিন্তু মানুষ দরকারে বের করেনি। সময় তাদের যথাযথভাবে বের করিয়েছে। আমরা বইয়ে অনেকেই না বুঝে এগুলো মুখস্ত করেছি। কিন্তু আমরা চাইলেই এগুলি নিজে বুঝে বুঝে মুখস্থ করতে পারি। এরপর মানুষ বুঝল যা দিয়ে আমরা কেবল দালানের উচ্চতা মাপি তা দিয়ে অনুপাতের সুত্র ব্যবহার করে চাঁদের দূরত্বও মাপতে পারি। আরো নানা কাজে ত্রিকোণমিতি ব্যবহার করা শুরু হল। কিন্তু সমস্যা হল অন্য জায়গাতে গিয়ে। sin 60 বের করা যায়। কিন্তু circle এর highest degree হল 360. অধিকিন্তু sin 540 এর মান বের করতে হবে, তখন কি করব!! ধীরে ধীরে মানুষ advance trigonometry বুঝতে শুরু করল। কিন্তু সমস্যা হল এত সমস্যা কি হাতে কলমে করা যায় নাকি, তখন সমস্যা মেশিন দিয়ে সমাধান করা শুরু করল। এইভাবে একটি সাধারন জিনিস কে complex করতে করতে advance level এ পর্যন্ত আসলো।

যা হোক,এবার আসি ত্রিকোণমিতির ম্যাথগুলি অনুশীলন করার ব্যাপারে। ক্লাস ৯ এর পুরানো সিলেবাসের জ্যামিতি,ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতির একটা বই আছে। ওই বইয়ের অধ্যায় গুলির সূত্রগুলো ভালোভাবে বুঝে বুঝে ম্যাথগুলি করলে দেখবেন যে ম্যাথগুলি খুব সহজে নিজের দখলে চলে এসেছে।বুঝে বুঝে করতে একটু সময় বেশি লাগবে কিন্তু এতে আপনার ম্যাথ করার দক্ষতা বাড়বে এবং সহজে নিয়মগুলো মনে থাকবে।এরপর যেকোনো একটা গাইড বই থেকে এই related ম্যাথগুলো সমাধান করে ফেলুন।

এবার আসা যাক পরিমিতির ব্যাপারে।পরিমিতিতে ভাল করার জন্য একটু ভাল বেসিক তৈরি করাটা জরুরি।ত্রিভুজ, আয়তক্ষেত্র, সামান্তরিক, বর্গ, রম্বস, ঘনক, কোণ, সিলিন্ডার,বেলন- এগুলো থেকে ম্যাথ বেশি আছে।তাই এ বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে শিখতে হবে। সূত্রগুলো মুখস্ত করার আগে সূত্রগুলো কিভাবে আসে, এটা ভাল করে বুঝতে হবে।যদি এটা শেখা যায়, তবে যত কঠিন ম্যাথ আসুক না কেন, solve করা যাবে। ক্লাস ৯ এর পুরানো সিলেবাসের জ্যামিতি, ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতির বই থেকে সূত্রগুলো পাবেন ব্যাখ্যাসহ।

আরও ভালোভাবে সূত্রগুলো শিখতে ইন্টারনেট এর সাহায্য নেয়া যেতে পারে।এরপর ওই বইটার পরিমিতির ম্যাথগুলো একটু ভালোভাবে সমাধান করলে দেখবেন ভালো দক্ষতা চলে এসেছে পরিমিতির ব্যাপারে। এরপর যেকোনো একটা গাইড বই থেকে এই related ম্যাথগুলো সমাধান করে ফেলুন।

আসলে লেখার মাধ্যমে তো আর সূতগুলো সহজে ব্যাখ্যা করা সম্ভব না। ত্রিকোণমিতির ও পরিমিতির সূত্রগুলো খুব সহজে ভেঙ্গে ভেঙ্গে ব্যাখ্যা করা যায় এবং একটা সুত্রের সাথে অন্য সূত্রের সম্পর্ক বের করা যায়। এছাড়াও চিত্র এঁকে খুব সহজে ব্যাখ্যা করা যায়। সূতগুলো যত ভালভাবে ভেঙ্গে ভেঙ্গে চিত্রের মাধ্যমে বুঝা যাবে, তত ভালোভাবে এই সম্পর্কিত ম্যাথ গুলি করা যাবে। এটা সত্য, একটা জটিল বিষয় বুঝতে কঠিন, কিন্তু তার বেসিক থেকে এগিয়ে গেলে দক্ষতার সাথে জটিলতা দূর করা যায়।

সূত্রগুলো ভালো করে বুঝে ম্যাথ করতে বলা হয় এই কারনে যে, যেটুকু আমার শিখব, ওটুকু যেন আমাদের মাথায় খুব ভাল করে গেঁথে যায়,ওটুকু থেকে কোন কিছু পরীক্ষায় আসলে আমরা যেন ভুল না করি। ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতি অংশে ভালো করার জন্য নিয়মিত অনুশীলন করার কোন বিকল্প নেই।যত বেশি বেশি অনুশীলন, তত বেশি পরীক্ষায় ভাল করার সম্ভবনা………………Simple math!!!!!!!!!!!!!!!!!

লক্ষ্য স্থির করে পড়াশুনা চালিয়ে যান। সফলতা আসবেই। আজ এ পর্যন্তই থাক। সবাই ভাল থাকবেন।

লেখা বিষয়ে কোন পরামর্শ থাকলে আমার ইনবক্সে যোগাযোগ করতে পারেন। ফেইসবুক আইডিঃ Avizit Basak

“Don’t spend time beating on a wall, hoping to transform it into a door. ” ― Coco Chane

বি দ্রঃ লেখাটাতে শুধু আমার নিজের আইডিয়া অনুযায়ী ধারণা দেয়া হয়েছে। আপনি আপনার মত করেও প্রস্তুতি নিতে পারেন। সফল হবার জন্য যে প্রস্তুতি দরকার, সেটা সম্পন্ন করাটাই মুখ্য কাজ।আর ছোটখাটো বা অনিচ্ছাকৃত কোনও ভুল থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন দয়া করে।

সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

লিখিত পরীক্ষা একদম সন্নিকটে । পরীক্ষা যত এগিয়ে আসতে থাকে একটু হলেও তো দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকে । কিন্তু পরীক্ষা নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তা করা ঠিক হবেনা । লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হলে অবশ্যই লিখার মান ভালো থাকতে হবে । একই সাথে সময়ের সঠিক ব্যবহারের দিকেও দিতে হবে বিশেষ নজর । যেকোনো পরীক্ষার প্রশ্নে আগে দেখতে হবে সেই বিষয়ে কতগুলো প্রশ্ন এসেছে , কোন প্রশ্নের নম্বর কত ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে কোন প্রশ্নের উত্তর কতটুকু লিখবেন সেটা সিদ্ধান্ত নিবেন। লিখিত পরীক্ষার প্রতিটি বিষয়ের বিগত বছরের প্রশ্ন কেমন হয়েছে, প্রশ্নের ধরণ কেমন ছিল এসব জেনে একটা প্ল্যান অনুযায়ী পরীক্ষা দিতে গেলে পরীক্ষায় ভালো করাটা অনেকটা সহজ হবে । আপনি বিগত বছরের প্রতিটি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো দেখে প্রত্যেকটা বিষয়ে আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখবেন যে কোন প্রশ্ন দিয়ে আপনি উত্তর করা শুরু করবেন । আর কয় পৃষ্ঠা লিখবেন , উত্তর কত বড় লিখবেন এসব নির্ভর করে সেই প্রশ্নে নম্বর কত তার ওপর । তবে লিখিত পরীক্ষায় যেসব প্রশ্নের উত্তরে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে যেমন গনিত, বুদ্ধিমত্তা, বাংলা ও ইংরেজি গ্রামার, যেকোনো টীকা ছোট ছোট প্রশ্নের উত্তর ইত্যাদি । এখন প্রতিটি বিষয় সময় ভাগ করে নিয়ে মোটামুটি একটা রিভিশন দিতে পারেন, এখন নতুন কিছু স্টাডি করার চেয়ে আপনার লিখার কৌশলগত দিকের প্রতি বেশি খেয়াল রাখতে হবে । গদবাধা পাতাভরা লিখার চেয়ে সুন্দর , তথ্যপূর্ণ গোছানো লিখাটা জরুরী । আপনার খাতা দেখে যেন স্পেশাল মনে হয় । এখন অল্প সময়ে যেভাবে স্টাডি করতে পারেন

১ — বাংলা বিষয়ে এর মধ্যে আশা করি মোটামুটি হলেও টুকটাক স্টাডি করেছেন । এখানে মূলত আপনাকে যেটা স্টাডি করতে হবে তাহল গ্রামার আর সাহিত্য । ভাব সম্প্রসারণ, সারমর্ম , অনুবাদ, সাহিত্য সমালোচনা , রচনা এসব বানিয়েই লিখতে হয় । বানিয়ে লিখার মধ্যে যেন রশদ থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন । বিভিন্ন ধরণের পত্র লিখার ধরণটা দেখে যাবেন । যারা আগে মোটামুটি একটু প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তাদের জন্য এখন একটু সুবিধা হবে , গ্রামার আর সাহিত্য ডাইজেস্ট টাইপ যেকোনো বই থেকে দেখে নিতে পারেন । আগে যদি সমিত্র শেখর স্যারের বই এর সাহিত্য অংশ পড়া থাকে তাহলে একটু সুবিধা হবে । বাংলায় কোন প্রশ্নের উত্তরে কতটুকু সময় ব্যয় করবেন সেটা আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখবেন ।

২ — ইংরেজিতেও সময় নিয়ে গ্রামার একটু দেখে নিন, আপনার দেখা vocabulary গুলোও একটু রিভিশন দিন, letter বা application লিখার ধরণটাও দেখে নিন । কিছু অনুবাদ চর্চা করুন যেকোনো গাইড থেকে বা যে বই থেকে আপনি স্টাডি করেছেন ।

৩ — গনিতের বিভিন্ন সূত্রগুলো একবার ঝালাই করে নিন । বিগত বছরের কিছু প্রশ্ন সমাধান করুন । যেকোনো গাইড থেকে প্রতিটা অধ্যায় ভিত্তিক সূত্র আর যে টাইপের প্রশ্ন বিগত বছরগুলোতে এসেছে সেগুলো কিছু সমাধান করুন । বুদ্ধিমত্তাও যেকোনো ডাইজেস্ট টাইপ গাইড থেকে একবেলা ৩-৪ ঘণ্টা একটানা দেখুন । মানসিক দক্ষতা আসলে সামগ্রিক প্রস্তুতির সমন্বয় । এটা নিয়ে বেশি ভাববেন না, বিগত বছরগুলোর প্রশ্নগুলোও একবার দেখতে পারেন । পরীক্ষার হলে কোন math সমাধান করতে গিয়ে করতে না পারলে মাথা গরম না করে অন্য math শুরু করুন । যাইহোক আপনাকে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে। সব পারতে হবে, সবাই সব পারবে এমন নয় বিষয়টি ।

৪ — বিজ্ঞান সময় নিয়ে একটু দেখুন । যেকোনো গাইড থেকেই দেখুন । এখন আপনাকে শর্টকাট দেখতে হবে । এজন্য আগে যারা একটু details স্টাডি করেছেন তাদের জন্য লিখিত পরীক্ষায় ভালো করাটা সহজ হবে । সুযোগ পেলে অবশ্যই বিজ্ঞান প্রশ্নের উত্তরে চিত্র দিয়ে আসবেন । অনেক বেশি প্রশ্ন আসলে আপনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে গড়ে প্রতি প্রশ্নের উত্তরে কতটুকু সময় নিবেন । লিখিত পরীক্ষায় সময় এর সঠিক ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ । যেকোনো চিত্র দিতে HSC এর বই থেকে সাহায্য নিতে পারেন । বিজ্ঞান বিগত বছরের প্রশ্নগুলোও একবার দেখে নিন । প্রিলির সময় ভালমতো স্টাডি করা থাকলে সেটা লিখিত পরীক্ষায় অনেক সাহায্য করে । নতুন করে খুব বেশি কিছু দেখার দরকার নেই, এতদিন যা দেখেছেন সেটা ভালো করে দেখে যান ।

৫ — সাধারণ জ্ঞান ২ দিন দেখুন । বাংলাদেশ প্রসঙ্গ ২ দিন আর আন্তর্জাতিক একদিন দেখুন । সাধারণ জ্ঞান মূলত আপনাকে নিজের মত লিখতে হবে , তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আপনি কততা গুছিয়ে তথ্যবহুল করে লিখতে পারলেন সেটা । অনেকেই কিন্তু অনেক ভালো প্রস্তুতি নিয়ে গিয়ে পরীক্ষার হলে সব লিখে আসতে পারেন না । মাথা বেশি ভারী করে পরীক্ষা দিতে গেলে পরীক্ষা খারাপ হবার সম্ভাবনা বাড়ে । বেশি দুশ্চিন্তা করলেও পরীক্ষা খারাপ হবার চান্স বাড়ে। সাধারণ জ্ঞানের কিছু প্রশ্ন আসে চিরন্তন আর কিছু আসে সাময়িক ঘটনাবলী থেকে । এজন্য এখন যেকোনো ডাইজেস্ট টাইপ গাইড থেকেই দেখে নিন । গাইড থেকে আপনি ধারণা নিবেন কিন্তু লিখবেন নিজের মত । টপিক তো সীমিত তা আপনি জানেন যেমন নারী, পরিবেশ, বিশ্ব অস্থিরতা, জাতিসংঘ , সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধ , উপমহাদেশের ইতিহাস, সামাজিক উন্নয়ন, দুর্নীতি ইত্যাদি । এসব টপিক থেকে কোন ধরণের প্রশ্নের উত্তর কিভাবে লিখা শুরু করবেন তা আগে থেকেই প্ল্যান করে রাখুন ।

সংজ্ঞা নাকি কবিতার লাইন, নাকি সংবিধানের অনুচ্ছেদের উদাহরণ নাকি কোন ঘটনার উল্লেখপূর্বক লিখা শুরু করবেন তা সিদ্ধান্ত আগেই নিয়ে রাখবেন । তাহলে লিখতে সুবিধা হবে । সাধারণ জ্ঞান বেশি প্রশ্ন আসলে প্রতিটি প্রশ্নে কম সময় নিয়ে এর মাঝে বিভিন্ন reference দিয়ে গুছিয়ে লিখার চেষ্টা করবেন । সুযোগ সুবিধামত ছক, ম্যাপ, বিখ্যাত ব্যক্তির অবদান , পত্রিকার reference , বিখ্যাত বই এর reference ইত্যাদি দিতে পারেন । আন্তর্জাতিকেও তাই, সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে যেকোনো গাইড থেকে দেখে নিন, কিন্তু reference দিবেন নিজের মত । reference লিখার সময় নীল কালি ব্যবহার করতে পারেন । প্রশ্নের নম্বর অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিবেন যে কতটুকু লিখবেন । সংবিধানের উল্লেখযোগ্য অনুচ্ছেদগুলো দেখুন, হুবুহু লিখতে না পারলে অনুচ্ছেদ এর নম্বর ঠিক রেখে নিজের মত করে লিখুন, তবে খেয়াল রাখবেন আপনার লিখা যেন মূলকথা থেকে যেন বিচ্ছিন্ন না হয় ।

** এখন জাস্ট প্ল্যান করা, খুব বেশি স্টাডি করে মাথা গরম করা বা নতুন অনেক বেশি কিছু পড়তে যাওয়া এসব করা যাবেনা । প্রেশার নিবেন না খুব বেশি, তাহলে পরীক্ষা খারাপ হবার সম্ভাবনা বাড়বে । পরীক্ষার হলে যাওয়ার আগে কয়েকটি কলম নিয়ে যান , পুড়নো কলম মানে কিছু কালি খরচ করা কলম হলে ভালো হয়, অনেকসময় নতুন কলমে জোরে লিখতে সমস্যা হয় । সাথে পেন্সিল, ইরেজার , স্কেল, নীল কালির কলম ইত্যাদি নিয়ে যাবেন । খাতা পাওয়ার পর ঠাণ্ডা মাথায় সবকিছু পূরণ করুন । প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়া মাত্র লিখা শুরু করতে যাবেন না , আগে ঠাণ্ডা মাথায় একবার দেখুন প্রশ্নপত্রটি , কয়টি উত্তর করতে হবে, কোন বাধ্যবাধকতা আছে কিনা দেখে নিন ভালমতো । কয়টা প্রশ্ন ভালো পারেন আর কয়টি বানিয়ে লিখতে হবে তখনই সিদ্ধান্ত নিবেন । যেটা সবচেয়ে ভালো পারবেন সেটা দিয়ে উত্তর করা করবেন ।


পরীক্ষায় সব প্রশ্ন কমন পাবেন এমনটি নয়, ৫০% স্টাডি থেকে পাবেন আর ৫০% নিজের লব্ধ জ্ঞান থেকে আপনাকে লিখে আসতে হবে । কোন কিছু না পারলে নার্ভাস হবেন না, দেখা যাবে আপনি যা পারছেন না অনেকেই তা পারছে না । কে কি উত্তর করছে , কে কেমন পরীক্ষা দিচ্ছে এসবের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল আপনি কেমন পরীক্ষা দিচ্ছেন। সব পরীক্ষা সমান ভালো দেয়া সম্ভব না, কিন্তু চেষ্টা করবেন গড়ে যেন সব পরীক্ষাই মোটামুটি ভালো হয় । কোন প্রশ্ন ছেড়ে আসার চেষ্টা করবেন না, কিছু হলেও লিখে আসবেন । ভালো প্রস্তুতি নিয়ে খারাপ পরীক্ষা না দিয়ে , খারাপ প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও ভালো পরীক্ষা দেয়ার চেষ্টা করবেন, এতে লাভ বেশি। কনফিডেন্স রাখুন নিজের ওপর । এই অল্প সময়ে প্রতিটি বিষয় মোটামুটি দেখে যাওয়ার চেষ্টা করবেন । অবশ্যই খেয়ে পরীক্ষা দিতে যাবেন , পারলে সাথে ছোট এক বোতলে গ্লুকোজ পানি , মাথাব্যথার ওষুধ আর এসিডটির ওষুধ নিয়ে যেতে পারেন, অনেককে সমস্যায় পড়তে দেখেছি তো তাই বললাম । বেশি প্রেশার নিতে যাবেন না এখন, বেশি স্টাডি করার চেয়ে প্রতিটি পরীক্ষা প্ল্যান করে দেয়ার চেষ্টা করবেন । আর কি বলবো, মাথায় আসছে না, ভালো থাকবেন সবাই, good luck guys.

সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

সেজন্য ক্ষমা চাচ্ছি। প্রথমে একটা কথা বলি মনে রাখুন বিসিএস ক্যাডার দু‘ভাবে হওয়া যায়

  1. ক্যাডার হয়ে( ট্যাকটিকালি পড়ে)
  2. বিসিএস বিশেষজ্ঞ হয়ে ( অনেক পড়ে ) এরা অনেক সময় ই ফেল মারে।(বিসিএস বিশেষজ্ঞ হওয়ার বা অনেক কিছু জানার জন্য অনেক সময় পাবেন ।)

এখন ডিসিশন নিন কোনটা করবেন ।
বিসিএস সিলেবাস যেহেতু অনেক বড় সেহেতু একটি কথা মনে রাখুন ‘‘কিছু কিছু বিষয়ের সব কিছু আর সব কিছু বিষয়ের কিছু কিছু‘‘ । এইটায় আপনাকে খুঁজে বাহির করতে হবে যে কোন কোন টপিকস গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ । আবার এমন কিছু টপিকস আছে যা বার বার আসে ও এক সাবজেক্ট এর বিষয় অন্য সাবজেক্টে মিল থাকে। যেমন: বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক এর কিছু কিছু বিষয় মিল আছে , আবার এদের সাথে বাংলা ২য় পত্রের রচনা মিল আছে । সুতরাং এইক্ষেত্রে আপনাকে সমন্বয় করতে হবে। পড়া শুরু করার সবার আগে সিলেবাস নিয়ে বসুন , পড়ুন। এবার বিগত সালের প্রশ্ন গুলো ভালো করে দেখুন ও সিলেবাসের টপিকসের মেলানোর চেষ্টা করুন এবং অধ্যায় ভিত্তিক সাজেসন্স তৈরি করুন। সবার আগে নিজের সাজেসন্সটা সবচেয়ে বেশি কার্যকরী হয় কারণ Only the Wearer knows where the Shoes pinches. অধ্যায় ভিত্তিক সাজেসন্স করার পর পড়ালেখা শুরু এবং ডেটা কালেকশন শুরু। মনে রাখবেন সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া রিটেনের সিলেবাস শেষ করা যায় না । কথায় আছে Well plan ,Half done . আবার ভালো পরিকল্পনা ও কৌশল দিয়ে বিসিএস ভালো করার রেকর্ড বেশি ।সেদিকে নজর দিন।

এখন আসি , কি কি বই পড়বেন ? বা কি কি বই কিনবেন । এক কথায় উত্তর দিতে বললে বলব প্রফেসর‘স কিংবা ওরাকল বা অ্যাসুরেন্স সিরিজ গুলোর মধ্যে যেকোন দুই সেট বই কিনলেই হবে। আর যদি খুঁতখুতে ভাব থাকে তাহলে তাদের জন্য বলব…….

১।বাংলা
———-
সৌমিত্র শেখরের জিজ্ঞাসা ও দর্পন, হায়াদ মামুদের ভাষা ও শিক্ষা (ব্যাকরণ পাঠের জন্য ) , গ্রন্থ সমালোচনার জন্য মোহসিনা নাজিলার শীকর এবং প্রফেসর‘স বাংলা / ওরাকল বাংলা ।>> বিগত সালের সাহিত্য প্রশ্ন গুলোর জন্য

২। ইংরেজি
———–
ভালো মানের গ্রামার যেটা আপনি ভালো বোঝেন (বেসিক রুলসের জন্য), ১১-১২শ্রেণির ইংরেজি কম্প্রিহেসন বই , প্রফেসর‘স ইংরেজি/ সেলফ অ্যাসেসমেন্ট ইংরেজি। নিয়মিত ইংরেজি পত্রিকা পড়া ,কিছু নোট করা , আর ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং জোর দেওয়া। নিয়মিত ৩ ঘণ্টা করে সময় দিন ইংরেজিতে । মনে রাখবেন ইংরেজি আর গণিত ই আপনাকে ক্যাডার পাওয়া দৌড়ে এগিয়ে রাখবে। বাকি সাব গুলো কিছু দিন মনোযোগ দিয়ে পড়লেই পেরে যাবেন।

৩। বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
———————————————-
প্রফেসর‘স বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী ভালো ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবেন। । অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০১৫ মুল টার দাম অনেক কয়েকজন কিনে ফটোকপি করেন।। আরিফ খানের > সংবিধান। টাকা থাকলে মিলারস প্রকাশনীর বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক এর দুটো কিনতে পারেন ওখানে পয়েন্ট আকারে দেওয়া অনেক বিষয় । তাছাড়া আন্তর্জাতিকের জন্য কিছু বেসিক কনসেপ্টর জন্য উচ্চমাধ্যমিকের পৌরনীতি বই ও আব্দুল হাইয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক , সংগঠন,ও পররাষ্ট্রনীতি বইটা কাছে রাখা ভালো।

পত্রিকা কাটিং , উক্তি , ম্যাপিং নিয়মিত অনুশীলন করা ভালো।
এই পার্টে খুব বেশি সময় না দেওয়াই ভালো । ম্যাটেরিয়ালস রেডি রাখবেন । শেষের দিকে জোর দেওয়া ভালো মনে থাকবে। আর চোখ কান খোলা রাখা ভালো কোথায় কি হচ্ছে সে দিকে।

৪। বিজ্ঞান
—————–
৯-১০শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান(মানবিকের টাতে রিটেনে ৬টা চ্যাপ্টার পাবেন। ) তবে সিলেবাসের কিছু কিছু টপিকসের জন্য ৯-১২শ্রেণির পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বই থেকে পড়তে হবে , তাই কাছে রাখা ভালো। গাইড কিনলে ওরাকল বিজ্ঞান টা ভালো ।

কম্পিউটার ,ও তথ্য প্রযুক্তির জন্য ১১-১২শ্রেণির তথ্য প্রযুক্তি বই থেকে কিছু কিছু পাবেন। আর বাকিগুলো অ্যাসুরেন্সর বিজ্ঞান গাইড থেকে শুধু কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি অংশটা ফটোকপি।

৫।গণিত
———–
পাটিগণিত যে ৩টা আসবে তা বিগত সালের গুলোকে ভালো করে আয়ত্বকরতে হবে। বীজগণিতের জন্য ৯-১০শ্রেণি বই থেকে টকিস ধরে ধরে পড়া ভালো। তাছাড়া বিগত সালের জ্যামিতি গুলো কণ্ঠস্থ করা উচিত যদি অংক কম পারেন।
বিন্যাস সমাবেশ > ১১-১২ শ্রেণির আফসারউজ্জামানের বীজগণিত ও ত্রিকোণোমিতি বই থেকে প্রাকটিস করতে হবে।
কার্তেসীয় জ্যামিতি >> ১১-১২ শ্রেণির আফসারউজ্জামানের জ্যামিতি বই থেকে দুটো চ্যাপ্টার করতে হবে। যারা কম বোঝেন তারা ১১-১২শ্রেণির পাঞ্জেরি গণিত গাইড থেকে দুটো চ্যাপ্টার ফটোকপি করতে পারেন ও ছোট ভাই বোনদের সাহায্য নিতে পারেন। গণিত শিখার জন্য কারো কাছে কোন সংকোচ বোধ না করাই ভালো
সাথে থাকবে >> প্রফেসর‘স গণিত ।

যদিও আপনি অনেক পারেন তবুও নিয়মিত ২ ঘণ্টা করে গণিত চর্চার বিকল্প নাই ।

৬। মানসিক দক্ষতা
—————
ওরাকল মানসিক দক্ষতা । সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইভিনিং এমবিএ এ্যাডমিশন গাইড।

আর পরীক্ষার আগে যেকোন দুটো সিরিজের ডাইজেস্ট কিনা ভালো । বই কিনে কেউ কখনও দেওলিয়া হয় না।

অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন কোচিং করব কিনা ? যারা ১ম বার তারা কোচিং করতে পারেন। আবার যাদের আলসেমি স্বভাব আছে তারাও যেতে পারেন । মনে রাখবেন কোচিং মানে নির্দেশনা নেওয়া তার মানে এই নয় যে তারা যা কিছু গলাদ করণ করতে বলবে সেটা করা । কোচিং গুলো বেহুদায় কোটি কোটি তথ্য মুখস্ত করতে বলে যেগুলো কাজে দেয় না শুধু পেইন দেয় । কোচিং এ যাবেন নির্দেশনার জন্য আবার সেই নির্দেশনাকে নিজের মতো করে নিবেন । সারা দিন পড়ে কোচিং এ যাবেন রিলাক্সের জন্য কিংবা যা পড়লাম তা মনে আছে কিনা তা যাছাইযের জন্য।

কয়েকজন ভালো বন্ধুর সাথে যোগাযোগ রাখুন যারা বিসিএস নিয়ে সিরিয়াস ও শেয়ারিং মানসিকতা আছে। পারলে গ্রুপ স্টাডি শুরু করতে পারেন। তবে পণ্ডিতদের কাছ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন, কেননা এরা আপনার মনোবল কে দূর্বল করে দিবে। পারলে ছোট ভাইবোন/ গার্লফ্রেন্ড/ বয়ফ্রেণ্ড/ হাজব্যান্ড/ ওয়াইফের হাতে বই দিয়ে বলুন আমি এগুলো পড়েছি আমাকে ধর ত দেখি পারি কিনা । কিংবা আয়না সামনে দাঁড়িয়ে পঠিত বিষয়গুলো জায়র কাটতে পারেন। এটা ভীষন উপকারে দিবে।

ও হ্যাঁ একটা কথা বলতে ভুলেই গেছিলাম আর তা হল দ্রুত লেখার অভ্যাস করা সেজন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৪-৫ পৃষ্টা করে ঘড়ি ধরে লিখবেন কেননা আপনি অনেক কিছু জানেন কিন্তু সময়ের অভাবে লিখতে পারলেন না সেটা কোন কাজেই দিবে না। তাই আগেই থেকেই সর্তক হওয়া ভালো নইলে পরে পস্তাতে হয় ।খাতায় একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপনে জন্য নিজস্ব কৌশল বাহির করুন। নিজেকে একটু ভিন্ন করে গড়ে তুলুন। খাতার পরিচ্ছনতার দিকে নজর দিন।
.

ভালো ভাবে প্রিপারেশন নিতে হলে আপনাকে টাইম ম্যানেজমেন্ট করতে হবে ভালভাবে। ঘোরা ঘুরি , টোনাটুনি ৫মাসের জন্য বন্ধ। ৫মাস পড়ে যদি ৩০বছর ভালো ভাবে লাইফ লিড করা যায় তাহলে কে না পড়ে থাকবে? আমার মনে হয় বিসিএস ক্যাডার হতে হলে আপনাকে আবার স্কুল লাইফে কিংবা ভার্সিটি এডমিশনের সময়ে ফিরে যেতে হবে। মনে করুন ত আপনি তখন কিভাবে , কত ঘণ্টা পড়েছিলেন । তাহলেই কেল্লা ফতে ।তখন পারলে এখনও পারবেন । ইস্টামিনাটা ওখান থেকে নিন।

‘‘কঠোর পরিশ্রম প্রতিভাকে হারাতে পারে , কিন্তু প্রতিভা কঠোর পরিশ্রমকে হারাতে পারে না।‘‘
’‘স্বপ্ন সেটা নয় ,যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে, স্বপ্ন সেটাই যা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না’’
.

আপনার বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন টা শুধু আপনার একার নয় ওটার সাথে জড়িয়ে আছে আপনার পরিবার , বন্ধু, শিক্ষকদেরও স্বপ্ন। আপনি কেন এই মানুষগুলোকে মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়েছেন ২৫ বছরে ধরে ! আপনার কারণে তাঁদের চোখে কেন জল আসবে ? আপনিত নিজের সাথেও প্রতারণা করতে পারেন না। এইসব কথা ভাবুন দেখবেন পড়াশুনায় গতি আসবে। সাথে সাথে স্রস্টার দিকে রজু হন। তিনি অব্যশই সাহায্য করবেন ।

যদি লক্ষ্য থাকে অটুট, বিশ্বাস হৃদয়ে; হবে হবেই দেখা, দেখা হবে বিজয়ে। সেই দিনটার অপেক্ষায় রইলাম। ভালো থাকবেন। মাঝে মাঝে আপনাদের একটু জ্বালাবো।

আল্লাহ হাফেজ।

সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

* কোন প্রশ্নে কত সময় দেব, সেটা প্রশ্নের গুরুত্ব এবং সময়বণ্টন অনুযায়ী ঠিক করে ফেলতাম।

* কে কী পড়েছে, সে খবর কিছুতেই নিতাম না। এ সময়ে মনমেজাজ খারাপ করার তো কোনো মানেই হয় না।
* যা যা পড়েছি, তার তেমন কিছুই মনে থাকবে না, এটা মেনে নিতাম।

* পরীক্ষায় বেশির ভাগ প্রশ্নের উত্তরই ওই মুহূর্তে মাথায় যা আসে তা-ই, কিংবা মাথায় কিছু না এলেও জোর করে এনে, লিখে দিয়ে আসতে হয়। তাই এত দিন যত কিছু পড়েছি, সেসব কিছুতে খুব দ্রুত চোখ বুলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতাম, যাতে পরীক্ষার হলে কোনো প্রশ্ন একেবারে আনকোরা মনে না হয়!

* পেনসিল, কলম, রাবার, চৌকোনা স্কেল, ক্যালকুলেটর এসব গুছিয়ে রাখতাম। পরীক্ষার হলে কয়েকটা ‘চালু কলম’ নেওয়া ভালো। (আমি মূল খাতাটির পৃষ্ঠাগুলোতে চারদিকে মার্জিন করে, অতিরিক্ত পৃষ্ঠাগুলোর চারদিকে ভাঁজ করে দিয়েছিলাম।)

* গড়ে প্রতি তিন-পাঁচ মিনিটে এক পৃষ্ঠা লিখে, পরীক্ষার হলে সবার আগে আমিই ‘লুজ শিট’ নেব, এ ব্যাপারটা মাথায় রাখতাম। লিখিত পরীক্ষা নিঃসন্দেহে ছোটবেলার ‘যত বেশি সম্ভব তত বেশি’ লেখার পরীক্ষা।

* বাসা থেকে বের হওয়া, ফেসবুকে ঘন ঘন লগইন করা, কোচিংয়ে যাওয়া, অনাবশ্যক ফোনে গল্প করা, এসব মাথাতেও আনতাম না।

* লিখিত পরীক্ষা সুস্থ শরীরে মাথা ঠিক রেখে তিন-চার ঘণ্টা না থেমে নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে একনাগাড়ে উত্তর লেখার পরীক্ষা। তাই, পরীক্ষার আগের রাতে অবশ্যই খুব ভালো একটা ঘুম দরকার।

* প্রস্তুতি ভালো কিংবা খারাপ যা-ই হোক না কেন, পরীক্ষায় ভালো করার একটা সিক্রেট হলো, পরীক্ষার হলে ‘আই অ্যাম দ্য বেস্ট!’ এ ভাবটা যতক্ষণ পরীক্ষা দিচ্ছি ততক্ষণ মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে ধরে রাখা। এটা সত্যিই ম্যাজিকের মতো কাজ করে। আমার চেয়ে কেউ বেশি পারে, কিংবা আমার চেয়ে কেউ ভালো লিখছে, এটা মাথায় রাখলে আত্মবিশ্বাস কমে যাবে। ভালো পরীক্ষা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতির চেয়ে পরীক্ষার হলে আত্মবিশ্বাসটাই বেশি কাজে লাগে।

* আমার অভিধানে ‘আনকমন প্রশ্ন’ বলে কিছু নেই। পরীক্ষায় প্রশ্ন কমন না এলে বানিয়ে লিখে দিয়ে আসতে হবে, বানাতে না পারলে কল্পনায় আনতে হবে, কল্পনায় না এলে জোর করে কল্পনা করতে হবে। আমি উত্তর করছি না, এটা কোনো সমস্যা না। সমস্যা হলো, কেউ না কেউ সেটা উত্তর করছে।

* আমি বিশ্বাস করি, ভালো প্রস্তুতি থাকলেই যেমনি ভালো পরীক্ষা দেওয়া যায় না, তেমনি খারাপ প্রস্তুতি থাকলেই খারাপ পরীক্ষা দেওয়া যায় না। ফলাফল সব সময়ই চূড়ান্ত ফলাফল বের হওয়ার পর, আগে নয়। এর আগ পর্যন্ত আমি কিছুতেই কারও চেয়ে কোনো অংশেই কম নই।

* আগে কী পড়েনি যা পড়া উচিত ছিল, সেটা নিয়ে মাথা খারাপ না করে, কী কী পড়েছি, সেটা নিয়ে ভাবতাম বেশি।

* লিখিত পরীক্ষায় এত দ্রুত আর এত বেশি লিখতে হয় যে মাঝেমধ্যে লিখতে লিখতে মনে হয় যেন হাতের আঙুলের জয়েন্টগুলো খুলে পড়ে যাবে। তবুও লিখেছি; ননস্টপ, আক্ষরিক অর্থেই। ওই তিন-চার ঘণ্টাতেই ছিল আমার জীবিকার ছক গাঁথা। বিসিএস পরীক্ষা মূলত লিখিত পরীক্ষায় বেশি মার্কস পাওয়ার পরীক্ষা।

* সংবিধানের সব ধারা আমার মুখস্থ ছিল না, অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্য-উপাত্ত অত ভালো জানতাম না, মুখস্থবিদ্যা ছিল না, তবুও আমি চাকরি পেয়েছি। তবে আপনি পাবেন না কেন?

* এ সময়ে কিছু অভিনব প্রশ্নসমৃদ্ধ ‘টাচ অ্যান্ড পাস’ টাইপের সাজেশন পাওয়া যায়। এসব থেকে ১০০ হাত দূরে থাকতাম, নিজের সাজেশনসের ওপর নির্ভর করাই ভালো।

* যেসব প্রশ্ন বারবার পড়লেও মনে থাকে না, সেসব প্রশ্ন আমি বরাবরই এড়িয়ে গেছি। সবাই সবকিছু পারে না, সবকিছু সবার জন্য নয়।

* টেনশন থাকবেই। পরীক্ষা দিয়ে টেনশন করাটাও একটা সাধারণ ভদ্রতা। আমাকে না হয় কয়েকজন মানুষের প্রত্যাশার চাপ সামলাতে হয়, কিন্তু একজন সৌম্য সরকারকে তো অন্তত ১৬ কোটি মানুষের প্রত্যাশার চাপ মাথায় রেখে খেলতে হয়। ও পারলে আমি কেন পারব না?

* বেশি পড়া হলে ভালো পরীক্ষা দেওয়া যায়, এমনটা নাও হতে পারে। ভালো প্রস্তুতি নেওয়ার চেয়ে ভালো পরীক্ষা দেওয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

* হাতের লেখা সুন্দর হোক বা না হোক, হাতের লেখা যাতে পড়া যায়। নীল কালিতে কোটেশন আর রেফারেন্স দিয়ে সবকিছু উত্তর করে হাতের লেখা সুন্দর রাখাটা রীতিমতো দুঃসাধ্য!

* কোন প্রশ্নের উত্তর কত পৃষ্ঠা লিখতে হবে, সেটা নির্ভর করে প্রশ্নটির নম্বর, গুরুত্ব, সময় আর আপনার লেখার দ্রুততার ওপর। সময় সবার জন্যই তো সমান, এটার সঠিক ব্যবস্থাপনাই আসল কথা।
‘এবার যা হয় হোক, পরেরবার একদম ফাটায়ে পরীক্ষা দেব’ এটা প্রতিবার পরীক্ষা দেওয়ার সময়ই আপনার মনে হতে থাকবে। এর আগে প্রথম আলোতে বিভিন্ন টপিক নিয়ে ছয়টি বিষয়ভিত্তিক লেখা এবং ৩৫টি পয়েন্টে ৩৫তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার প্রস্তুতিকৌশল নিয়ে আমার লেখা এসেছিল। প্রয়োজনে সেগুলো পড়ে নিন। গুডলাক!

লেখক: ৩০ তম বিসিএেস প্রথম।

সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

চাকুরি

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *