Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
আগামী ২৯ নভেম্বর থেকে ৪১তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এবার ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহে একই সময়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। তাহলে চলুন জেনে নেই এবারের লিখত পরীক্ষার সময়সূচি-
১। ২৯ নভেম্বর, সোমবার অনুষ্ঠিত হবে ‘ইংরেজি’ বিষয়ের পরীক্ষা। পরীক্ষা হবে ৪ ঘণ্টার। পরীক্ষায় নম্বর থাকবে ২০০।
২। ৩০ নভেম্বর, মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত হবে ‘বাংলাদেশ বিষয়াবলী’। এ পরীক্ষার জন্যও থাকছে ৪ ঘণ্টা সময়। পরীক্ষায় নম্বর থাকবে ২০০।
৩। ১ ডিসেম্বর, বুধবার অনুষ্ঠিত হবে আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী পরীক্ষা। এ পরীক্ষার জন্য সময় থাকবে ৩ ঘণ্টা। পরীক্ষায় নম্বর থাকবে ১০০।
৪। ২ ডিসেম্বর, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হবে সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পরীক্ষা। এ পরীক্ষার জন্য থাকবে ৩ ঘণ্টা সময়। নম্বর ১০০।
৫। ৪ ডিসেম্বর, শনিবার থাকছে বাংলা ১ম ও ২য় পত্র পরীক্ষা। এ পরীক্ষার জন্য সময় ৪ ঘণ্টা। নম্বর থাকছে ২০০।
৬। ৬ ডিসেম্বর, সোমবার অনুষ্ঠিত হবে গাণিতিক যুক্তি। পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা। নম্বর ৫০।
৭। ৭ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার মানসিক দক্ষতা পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। পরীক্ষার সময় ১ ঘণ্টা। নম্বর থাকবে ৫০।
এছাড়াও বাংলাদেশ কর্ম কমিশন প্রার্থীদের জন্য দিক নির্দেশনা দিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, পরীক্ষাকেন্দ্রে বই, সব রকম ঘড়ি, মুঠোফোন, ক্যালকুলেটর, সব ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস, ব্যাংক বা ক্রেডিট কার্ড সদৃশ কোনো ডিভাইস, গয়না, ব্রেসলেট ও ব্যাগ আনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ সামগ্রীসহ কোনো পরীক্ষার্থী পরীক্ষার হলে ঢুকতে পারবেন না।
পরীক্ষার হলের গেটে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র ও মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মুঠোফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ সামগ্রী তল্লাশির মধ্য দিয়ে পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষার হলে ঢুকতে হবে।
পরীক্ষার দিন উল্লিখিত নিষিদ্ধ সামগ্রী সঙ্গে না আনার জন্য সব পরীক্ষার্থীর মুঠোফোনে এসএমএস পাঠানো হবে। এসএমএসের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে।
পরীক্ষার সময় পরীক্ষার্থীরা কানের ওপর কোনো আবরণ রাখবেন না, কান খোলা রাখতে হবে। কানে কোনো ধরনের শ্রবণযন্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজন হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শপত্রসহ আগেই কমিশনের অনুমোদন নিতে হবে।
প্রস্তুতি প্রস্তুতি ভাব, প্রস্তুতির অভাব নিয়েও বুঝে হোক, না-বুঝে হোক, লিখলেই রিটেনে পাস করে ফেলবেন, কিন্তু চাকরিটা না-ও হতে পারে।
কীভাবে লিখলে ভালো হয়, আর সে জন্য এ কদিনে যা যা করতে পারেন:
১) পরীক্ষা নিয়ে টেনশন হওয়াটা একটা সাধারণ বিষয় এবং না-পড়ার অজুহাতও হয়তো। তাই ওই মুহূর্তে আপনার পছন্দের বিষয়টি পড়ুন।
২) কোচিংয়ে যাওয়া, অপ্রয়োজনে বের হওয়া বাদ দিন। বাসায় পড়ার পেছনে সময় দিন, প্রতিদিন অন্তত ১৪-১৬ ঘণ্টা।
৩) ফেসবুকে আত্মপ্রেমকে ছুটি দিয়ে দিন।
৪) কে কী পড়ল, ভুলেও খবর নেবেন না। যাঁদের প্রস্তুতি আপনার চেয়ে ভালো, তাঁদের ক্ষমা করে দিন।
৫) সব প্রশ্ন পড়ার সহজাত লোভ সামলান।
৬) যাঁরা চাকরি করেন, তাঁরা এ মাসের জন্য হয় চাকরি অথবা ঘুমটুম বাদ দিন।
৭) মোবাইল ফোন যত সম্ভব অফ রাখুন। ল্যাপটপ থেকেও দূরে থাকুন।
৮) কিছু একটা পড়ছেন, পড়তে পড়তে ক্লান্ত! ভালো লাগে, এমন কিছু পড়ুন, ক্লান্তি কেটে যাবে। রাতে ঘুম কাটাতে ম্যাথস, গ্রামার, ট্রান্সলেশন, মেন্টাল অ্যাবিলিটি প্র্যাকটিস করুন।
৯) রাত দুইটার আগে ঘুমাবেন না, সকাল ছয়টার পরে উঠবেন না। চার ঘণ্টা ঘুম, ব্যস!
১০) বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি পড়বেন কম। বাকি চারটা বেশি বেশি পড়ুন।
১১) কোনো টপিক একেবারেই না পড়ে গেলে পরীক্ষায় বানিয়ে লেখাটাও সহজ হবে না। সবকিছু একবার হলেও ‘টাচ করে’ যান।
১২) রেফারেন্স বই পড়ার সময় নেই। কয়েকটি ডাইজেস্ট কিনে ফেলুন।
১৩) অন্য কারও নয়, সাজেশন তৈরি করুন নিজে।
১৪) প্রশ্ন কমন পেতে নয়, অন্তত বানিয়ে লেখার জন্য ধারণা পেতে প্রস্তুতি নিন।
১৫) প্রশ্নের গুরুত্ব ও নম্বরের ভিত্তিতে সময় বণ্টন আগেই ঠিক করে নিন।
১৬) ইচ্ছে মতো দাগিয়ে দাগিয়ে, লিখে লিখে বই পড়ুন। রিভাইজের সময় কাজে লাগবে।
১৭) ০.৫ মার্কসও ছেড়ে আসা যাবে না। যে করেই হোক, ‘ফুল অ্যানসার’ করে আসতে হবে। গড়ে প্রতি তিন-পাঁচ মিনিটে এক পৃষ্ঠা। অনেক বেশি দ্রুত লেখার চেষ্টা করুন।
১৮) প্রতি পেজে অবশ্যই অন্তত একটা প্রাসঙ্গিক চিহ্নিত চিত্র, ম্যাপ, উদ্ধৃতি, ডেটা, টেবিল, চার্ট কিংবা রেফারেন্স দিন।
১৯) সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন, টীকা, শর্ট নোট, সারাংশ, সারমর্ম, ভাবসম্প্রসারণ, অনুবাদ, ব্যাকরণ ইত্যাদি ভালোভাবে পড়ুন, নোট করে পড়ার প্রশ্নই ওঠে না!
২০) যত কষ্টই হোক, অবশ্যই বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকার সম্পাদকীয়কে নিয়মিত অনুবাদ করুন।
২১) বিভিন্ন লেখকের রচনা, পত্রিকার কলাম ও সম্পাদকীয়, ইন্টারনেট, বিভিন্ন সংস্থার অফিশিয়াল ওয়েবসাইট, সংবিধানের সংশ্লিষ্ট ধারা ও ব্যাখ্যা, উইকিপিডিয়া, বাংলাপিডিয়া, ন্যাশনাল ওয়েব পোর্টাল, কিছু আন্তর্জাতিক পত্রিকা, বিভিন্ন রেফারেন্স থেকে নীল কালিতে উদ্ধৃতি দিলে মার্কস বাড়বে
২২) প্রশ্ন নির্বাচনের ক্ষেত্রে ১৫ মার্কসের একটি প্রশ্ন উত্তর করার চেয়ে ৪+৩+৩+৫=১৫ মার্কসের চারটি প্রশ্নের উত্তর করা ভালো।
২৩) বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে লেখেন, এ রকম ২৫-৩০ জনের নাম এবং তাঁদের ‘এরিয়া অব ইন্টারেস্ট’ ডায়েরিতে লিখে রাখুন। উদ্ধৃতি দেওয়ার সময় কাজে লাগবে।
২৪) যা অন্যরা পারে না কিংবা কম পারে, কিন্তু পারা দরকার, তা ভালো করে দেখুন।
২৫) পেপার থেকে বিভিন্ন পর্যালোচনা, নিজস্ব বিশ্লেষণ, সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে সেটির প্রাসঙ্গিকতা ইত্যাদির সাহায্যে লিখলে আপনার খাতাটি আলাদা করে পরীক্ষকের চোখে পড়বে।
২৬) বেশি বেশি পয়েন্ট দিয়ে প্যারা করে করে লিখবেন। প্রথম আর শেষ প্যারাটি সবচেয়ে আকর্ষণীয় হওয়া চাই।
২৭) বিভিন্ন কলামিস্টের দৃষ্টিকোণ থেকে কোনো ইস্যুকে ব্যাখ্যা করে উত্তরের শেষের দিকে আপনার নিজের মতো করে নিজের বিশ্লেষণ দিয়ে উপসংহার টানুন। কোনো মন্তব্য কিংবা নিজস্ব মতামত থাকলে (এবং না থাকলেও) লিখুন।
২৮) গ্রন্থ-সমালোচনার জন্য কমপক্ষে ৩০টি সুপরিচিত বাংলা বই সম্পর্কে জেনে নিন।
২৯) স্পেলিং আর গ্রামাটিক্যাল মিসটেক না করে একেবারে সহজ ভাষায় লিখলেও ইংরেজিতে বেশি মার্কস আসবে।
৩০) শর্টকাটে ম্যাথস করবেন না, প্রতিটি স্টেপ বিস্তারিতভাবে দেখাবেন।
৩১) সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির জন্য আগের বছরের আর ডাইজেস্টের সাজেশনসের প্রশ্নগুলো ভালোভাবে পড়ে ফেলুন।
৩২) ডাইজেস্টের পাশাপাশি তিন-চারটি আইকিউ টেস্টের বই আর ইন্টারনেটে মানসিক দক্ষতার প্রশ্ন সমাধান করুন।
৩৩) পুরো সংবিধান মুখস্থ না করে যেসব ধারা থেকে বেশি প্রশ্ন আসে, সেগুলোর ব্যাখ্যা খুব ভালোভাবে বুঝে বুঝে পড়ুন। ধারাগুলো হুবহু উদ্ধৃত করতে হয় না।
৩৪) আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিকগুলো গুগলে সার্চ করে করে পড়তে পারেন। যে ইস্যু কিংবা সমস্যার কথা লিখবেন, সেটিকে বিশ্লেষণ করে নানা দিক বিবেচনায় সেটার সমাধান কী হতে পারে, আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক এবং আপনার নিজের মতামত ইত্যাদি পয়েন্ট আকারে লিখুন।
৩৫) শতভাগ প্রস্তুতি নিয়ে কারও পক্ষেই লিখিত পরীক্ষা দেওয়া সম্ভব নয়। শতভাগ শিখেছি ভেবে তার ৬০ ভাগ ভুলে গিয়ে বাকি ৪০ ভাগকে ঠিকমতো কাজে লাগানোই আর্ট৷
কঠোর পরিশ্রম করুন, প্রস্তুতি নিতে না পারার পক্ষে অজুহাত দেখিয়ে কোনোই লাভ নেই। আপনি সফল হলে আপনাকে অজুহাত দেখাতে হবে না, আর আপনি ব্যর্থ হলে আপনার অজুহাত কেউ শুনবেই না। গুড লাক!
বাংলাদেশ বিষয়াবলী সাজেশন
বিষয় কোডঃ ০০৫ নির্ধারিত
সময়: ৪ ঘণ্টা
পূর্ণমান: ২০০
১।
(ক) বাংলাদেশের ভৌগােলিক অবস্থান ও ভূ-প্রকৃতি বর্ণনা করুন।
(খ) ভূ-রাজনীতিতে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান ও এর ঝুঁকিসমূহ আলােচনা করুন।
২।
(ক) পরিবার পরিকল্পনা’ বলতে কী বােঝেন?
(খ) জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ বর্ণনা করুন।
(গ) জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রূপান্তর করতে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত ব্যবস্থা এবং তার সফলতা বর্ণনা করুন।
৩। ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমির বিভিন্ন পর্যায় উল্লেখ করুন।
৪। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নিম্নের ঘটনাগুলাের প্রভাব বর্ণনা করুন:
(ক) ছয়-দফা আন্দোলন
(খ) ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান
(গ) ৭০-এর সাধারণ নির্বাচন
(ঘ) ৭ই মার্চের ভাষণ
৫।
(ক) ইপিজেড (EPZ) কীভাবে বাংলাদেশের শিল্পোন্নয়নে ভূমিকা রাখছে?
(খ) বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEZA) ও বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের (BEPZ) মধ্যে পার্থক্য কী?
(গ) পিপিপি (PPP)-এর আওতায় এ পর্যন্ত সম্পন্ন বিভিন্ন প্রকল্পগুলাে কী কী?
৬।
(ক) বাংলাদেশ সংবিধানের মূলনীতিগুলাে বর্ণনা করুন।
(খ) বাংলাদেশের সংবিধান সংশােধনের বিধানাবলি বর্ণনা করুন।
(গ) বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশােধনীর মূল বিষয়গুলাে বর্ণনা করুন।
৭।
(ক) যুদ্ধাপরাধ বলতে কী বােঝেন?
(খ) বাংলাদেশে সংঘটিত যুদ্ধাপরাধ সম্পর্কে আলােচনাপূর্বক যুদ্ধাপরাধের বিচারের তাৎপর্য বর্ণনা করুন।
(গ) পিবিআই’ গঠনের ফলে ফৌজদারী মামলা তদন্তে কী প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে তা উদাহরণসহ আলােচনা করুন।
৮।
(ক) নেতৃত্ব কী?
(খ) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্যারিশমাটিক নেতৃত্ব সম্পর্কে আলােচনা করুন।
৯।
(ক) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষিখাতের ভূমিকা আলােচনা করুন।
(খ) কৃষি উন্নয়নে এবং কৃষকদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকারের গৃহীত ব্যবস্থা এবং এর সফলতার বর্ণনা দিন।
১০। টীকা লিখুন (যে-কোনাে চারটি):
(ক) ভিশন ২০২১
(খ) ছিটমহল সমস্যার সমাধান
(গ) নারীর ক্ষমতায়ন
(ঘ) সুশাসন (Good Governance)
(ঙ) সমুদ্র অর্থনীতি (Blue Economy)
(চ) পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি (Green Economy)
সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন
পাপিয়া বিষয়
কোড: ০০৫
নির্ধারিত সময়-৪ ঘন্টা
পূর্ণমান-২০০
[দ্রষ্টব্য-প্রশ্নের মান প্রত্যেক প্রশ্নের শেষ প্রান্তে দেখানাে হয়েছে।]
১।(ক) রােহিঙ্গা কারা?
(খ) সাম্প্রতিককালে ব্যাপক রােহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বাংলাদেশের জন্য যে সংকট সৃষ্টি করেছে তা আলােচনা করুন।
(গ) এ সমস্যা থেকে অব্যাহতি পাবার কোনাে উপায় আছে কি?
২।(ক) ক্ষুদ্র নৃগােষ্ঠী বলতে কাদের বুঝায়?
(খ) বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে ক্ষুদ্র নৃগােষ্ঠীর অবদান মূল্যায়ন করুন ।
(গ) ক্ষুদ্র নৃগােষ্ঠীর জীবনধারার উন্নয়নে সরকারের গৃহীত কোনাে ভূমিকা আছে কি?
৩(ক) কোথায় এবং কেন মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে?
(খ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তকালীন সােভিয়েত ইউনিয়ন, চীন ও
ভারতের ভূমিকা কি ছিল তা আলােচনা করুন।
(গ) আত্মসমর্পণ দলিলের তাৎপর্য কি?
৪।(ক) সংবিধানের সংজ্ঞা দিন। বাংলাদেশের সংবিধানে কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
(খ) বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের গঠন, ক্ষমতা ও কার্যাবলি বর্ণনা করুন।
(গ) সংসদে নারী আসন সংরক্ষিত রাখা কতটা যৌক্তিক?
৫।(ক) স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধের মধ্যে পার্থক্য কি?
(খ) ১৯৪৭ থেকে ১৯৭১ পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পর্যায়গুলো আলােচনা করুন।।
(গ) বীরশ্রেষ্ঠগণের নাম লিখুন।
৬।(ক) মানবসম্পদ বলতে কি বুঝায়?
(খ) দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে শিক্ষার গুরুত্ব সর্বাধিক’-আলােচনা করুন।
(গ) যথাযথ শিক্ষার উন্নয়নে বর্তমান সরকারের উদ্যোগ কতটুকু?
৭।(ক) বাংলাদেশের খনিজ সম্পদের সংক্ষিপ্ত পরিচয় দিন।
(খ) আমাদের খনিজ সম্পদ আহরণ ও শিল্পে ব্যবহারের ক্ষেত্রে সমস্যা ও সম্ভাবনা কি?
(গ) শক্তিসম্পদ হিসেবে কয়লার গুরুত্ব আলােচনা করুন।
৮।(ক) ICT বলতে কি বুঝায়?
(খ) ICT ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অগ্রগতি বিশ্লেষণ করুন।
(গ) নিকট ভবিষ্যতে এদেশে ICT ক্ষেত্রে অধিকতর সম্ভাবনা কতটুকু বলে মনে করেন?
৯।(ক) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বলতে কি বুঝায়?
(খ) উন্নয়নশীল দেশ হওয়া সত্ত্বেও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ যথেষ্ট সক্ষম’- আলােচনা করুন।
(গ) আপনি কি মনে করেন যে, পরিবেশ দূষণ প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য অনেকাংশে দায়ী?
১০। টীকা লিখুন (যে কোনাে ৪টি)(ক) প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল
(খ) বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
(গ) শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
(ঘ) ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র।
(ঙ) ১৭ এপ্রিল ১৯৭১
(চ) বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা
(ছ) আমাদের সামুদ্রিক সম্পদ।
সাজেশন সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com
১। (ক) বাংলাদেশের ভৌগলিক অবস্থান ও এর সুবিধাবলি বর্ণনা করুন। ১০
(খ) জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের উপর যে সকল বিরূপ প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে তাদের বিবরণ দিন। ১০
২। (ক) নরগোষ্ঠী (Race) ও জাতি (Nation) এর মধ্যে পার্থক্য সমূহ লিখুন। ৬
(খ) বাঙ্গালী একটি শংকর জাতি- ব্যাখ্যা করুন। ৮
(গ) পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমাদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের বর্ণনা দিন। ৬
৩। (ক) দারিদ্র বিমোচন বলতে কি বুঝায়? ৫
(খ) দারিদ্র বিমোচনে বাংলাদেশ সরকার যে সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তা সংক্ষেপে বর্ণনা করুন। ১৫
৪। (ক) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বর্ণিত রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি সমূহের বিবরণ দিন। ১৫
(খ) অ্যাটর্নি-জেনারেল এর নিয়োগ প্রক্রিয়া ও তার দায়িত্বাবলি সংক্ষেপে বর্ণনা করুন। ৫
৫। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনায় আইনসভা, নির্বাহী বিভাগ ও বিচার বিভাগের ভূমিকা বর্ণনা করুন। ২০
৬। (ক) বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়নের নিয়ামকসমূহ আলোচনা করুন। ১০।
(খ) বর্তমান ভূ-রাজনীতির প্রেক্ষাপটে ভারত, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে যে ধরণের সম্পর্ক বজায় রাখা সম্ভবপর বলে আপনি মনে করেন, সে ধরণের সম্পর্কের চিত্র তুলে ধরুন। ১০
৭। বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলসমূহের মধ্যে জোট গঠন নতুন কোন ঘটনা নয়-আলোচনা করুন। ২০
৮। (ক) গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রসারে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা আলোচনা করুন। ১০
(খ) দুর্নীতি দূরীকরণের ক্ষেত্রে নির্বাচনী ব্যয় হ্রাসকরণ একটি মহৌষধ- মতামত দিন। ১০
৯।(ক) দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সরকার কোন কোন ক্ষেত্রে ডিজিটালাইজেশন প্রক্রিয়া জনগণের দোর গোড়ায় পৌছাতে সচেষ্ট? বিবরণ দিন। ১০
(খ) জনমত গঠনে সুশীল সমাজের ভূমিকা উল্লেখ করুন। ১০।
১০। টীকা লিখুন (যে কোন চারটি) ৫x৪ = ২০(ক) বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)।
(খ) বাংলাদেশে IMF এর কার্যক্রম
(গ) ১৯৭০ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচন।
(ঘ) মুজিবনগর সরকার।
(ঙ) বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ এবং
(চ) নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশের অবস্থান
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
পূর্ণমান-২০০
১।(ক) বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিতে প্রবাল দ্বীপ এর গুরুত্ব কি ? ৫
(খ) বাংলাদেশের নিষ্ক্রিয় ব-দ্বীপ সমূহ বলতে কি বুঝেন ? ৫
(গ) বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিতে বরেন্দ্র অঞ্চল এবং বরেন্দ্র যাদুঘর এর গুরুত্ব বর্ণনা করুন। ৫
(ঘ) বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং সংসদ ভবনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব কি ? ৫
২।(ক) বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের উদ্ভবে ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন এর তাৎপর্য বর্ণনা করুন। ৫
(খৃ) বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এর গুরুত্ব আলোচনা করুন। ৫
(গ) বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনের প্রভাব পর্যালোচনা করুন। ৫
(ঘ)) মুজিবনগর সরকার বলতে কি বুঝেন ? ৫
৩।(ক) বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধানের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলি কি কি ? ৫
(খ) বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে জনগণের মৌলিক অধিকারসমূহ কি কি ? ৫
(গ) বাংলাদেশের সংবিধানে উল্লিখিত নারীর অধিকারগুলো লিখুন। ৫
(ঘ) “প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ” বাংলাদেশের সংবিধান অনুসারে সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ অনুসারে ব্যাখ্যা করুন। ৫
৪।(ক) বাংলাদেশের স্থানীয় সরকারের কাঠামো তুলে ধরুন। ৫
(খ) স্থানীয় সরকার পৌরসভা নির্বাচন বিধিমালা-২০১৫ বর্ণনা করুন। ৫
(গ) ” বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা স্থানীয় সরকার পরিষদ” -আলোচনা করুন। ৫
(ঘ) ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন-২০১৬” পর্যালোচনা করুন। ৫
৫।(ক) ১৯৭১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানী বাহিনীর আত্মসমর্পণ দলিলের গুরুত্ব বর্ণনা ৫ করুন। উক্ত দলিলে পাকিস্তান ও ভারতীয় বাহিনীর পক্ষে কে কে স্বাক্ষর করেন এবং মুক্তি বাহিনীর পক্ষে কে উপস্থিত ছিলেন ? ৫
(খ) বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস-আলোচনা করুন। ৫
(গ) স্বাধীন বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রত্যাহার কার্যক্রম-পর্যালোচনা করুন। ৫
(ঘ) বাংলাদেশের ছিটমহল সমস্যা সমাধানে বর্তমান সরকারের অর্জন আলোচনা করুন। ৫
৬।(ক) সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্যসমূহ কি কি ? ৫
(খ) বাংলাদেশ সরকারের ২০২১ সালের মধ্যে উন্নয়নের লক্ষ্য সমূহ পর্যালোচনা করুন।৫
(গ) পদ্মা সেতু প্রকল্প বাস্তবায়ন বলতে কি বুঝেন? ৫
(ঘ) মেট্রো রেল প্রকল্পের সম্ভাবনা এবং অগ্রগতি পর্যালোচনা করুন। ৫
৭।(ক) নারীর ক্ষমতায়নে বর্তমান সরকারের ৫টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ কি? ৫
(খ) খেতাবপ্রাপ্ত তিনজন নারী মুক্তিযোদ্ধার নাম, অবদানসহ উনারা কোন কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন? বর্ণনা করুন। ৫
(গ) বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে কখন প্রথম মহিলা বিচারপতি নিয়োগ দেওয়া হয়? উক্ত বিচারপতির নাম এবং সংক্ষেপে পেশাগত জীবনী লিখুন। ৫
(ঘ)বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর আন্তর্জাতিক খেতাব প্রাপ্তি সমূহ বর্ণনা করুন। ৫
৮।(ক) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে এ পর্যন্ত কতজনকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করা হয়েছে। এবংকার কার মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে? ৫
(খ) E-Tendering বলতে কি বুঝায়? বাংলাদেশে কখন থেকে E-Tendering ৫ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে ? ৫
(গ) সাংবিধানিক পদ বলতে কি বুঝায়? বাংলাদেশে ৫টি সাংবিধানিক পদের নাম ও সংক্ষেপে দায়িত্ব লিখুন। ৫
(ঘ) বাংলাদেশের নির্বাচনের ক্ষেত্রে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ দলসমূহের ভূমিকা/গুরুত্ব বর্ণনা করুত্ব। ৫
৯। বাংলাদেশের সংবিধানের নিম্নলিখিত সংশোধনীগুলির রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব বর্ণনাকরুন।(ক) বাংলাদেশের সংবিধানের ৫ম সংশোধনী। ৫
(খ) বাংলাদেশের সংবিধানের ১২তম সংশোধনী। ৫
(গ) বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫তম সংশোধনী। ৫
(ঘ) বাংলাদেশের সংবিধানের ১৬তম সংশোধনী। ৫
১০। টীকা লিখুন যে কোন ৪টি। ৪x৫=২০(ক)আয়কর মেলা।
(খ) জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০।
(গ) আইন এবং অধ্যাদেশের মধ্যে পার্থক্য।
(ঘ) SAARC এবং বাংলাদেশ ।
(ঙ) Representation of Peoples’ Order (RPO)।
(চ) বাংলাদেশে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা।
[ বি:দ্র:এই সাজেশন যে কোন সময় পরিবতনশীল ১০০% কমন পেতে পরিক্ষার আগের রাতে সাইডে চেক করুন এই লিংক সব সময় আপডেট করা হয় ]
সরল
বিষয় কোড ০০৫
নির্ধারিত সময়-৪ ঘণ্টা
[ দ্রিষ্টব্যঃ প্রত্যেক প্রশ্নের মান প্রশ্নের শেষ প্রান্তে দেখানো হয়েছে।]
১।(ক) প্রাচীন বাংলার রাঢ় জনপদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিন। ৫
(খ) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত কী? ৫
(গ) আওয়ামী লীগের ৬-দফা কি কি? ৫
(ঘ) ১৯৭০-এ আওয়ামী লীগের বিজয়ের মূল তাৎপর্য কী? ৫
২।(ক) দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করুন। ৫
(খ) বঙ্গোপসাগরের অর্থনৈতিক গুরুত্ব কী? ৫
(গ) বাংলাদেশের বনজ সম্পদের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দিন। ৫
(ঘ) তিস্তার পানি সংকটের পরিবেশগত প্রভাব সংক্ষেপে আলোচনা করুন। ৫
৩।(ক) বাংলাদেশের গত পাঁচ বছরের ধারাবাহিক মোট দেশজ উৎপাদনের বা জিডিপি’র বিবরণ দিন।৫
(খ) রেমিট্যান্স খাত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কী অবদান রাখছে?। ৫
(গ) বাংলাদেশে শিল্পায়নের ক্ষেত্রে পাঁচটি প্রতিবন্ধকতা তুলে ধরুন। ৫
(ঘ) সামাজিক উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অগ্রগতির একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা দিন। ৫
৪।(ক) বাংলাদেশে পরিবেশ বিপর্যয় দ্বারা আপনি কী বুঝেন?। ৫
(খ) আপনার দৃষ্টিতে বাংলাদেশের নদী দূষণের প্রধান কারণগুলো কি কি? ৫
(গ) বাংলাদেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার একটি চিত্র তুলে ধরুন। ৫
(ঘ) ভবিষ্যতে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি বাংলাদেশের জলবায়ুর ওপর কী প্রভাব ফেলতে পারে? ৫
৫।(ক) বাংলাদেশ সংবিধানের ধর্মনিরপেক্ষতা সংক্রান্ত ১২ ধারাটি লিখুন। ৫ উত্তর
(খ) বাংলাদেশ সংবিধানের ৭০ ধারায় আপনি কী ধরনের সংস্কার প্রস্তাব করবেন? ৫ উত্তর
(গ) বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর পাঁচটি দিক উল্লেখ করুন। ৫ উত্তর
(ঘ) সংসদীয় সরকার কিভাবে গঠিত হয়? ৫ উত্তর
৬।(ক) বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন কিভাবে গঠিত হয়? এর প্রধান কাজ কি কি?৫
(খ) এটর্নি জেনারেলের কাজ কি কি? সংক্ষেপে আলোচনা করুন। ৫
(গ) বাংলাদেশে ন্যায়পালের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করুন। ৫
(ঘ) ২০০১ সাল থেকে বাংলাদেশের সংসদ নির্বাচনের আইনে একজন সাংসদের জন্য নির্বাচনী ব্যয়ের একটি ধারাবাহিক পরিবর্তন চিত্র তুলে ধরুন। ৫
৭।(ক) বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সাংবিধানিক ক্ষমতার একটি বিবরণ দিন। ৫
(খ) বাংলাদেশের আইন পরিষদের গঠন সম্পর্কে লিখুন। ৫
(গ) বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কার্যক্রম পরিচালনায় Rules of Procedure-এর গুরুত্ব সংক্ষেপে লিখুন।৫
(ঘ) বাংলাদেশের উচ্চ আদালতের গঠন সম্পর্কে লিখুন। ৫
৮।(ক) বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতিগুলো কি কি? | ৫
(খ) ‘জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণই বাংলাদেশের প্ররাষ্ট্রনীতির মূল নির্ধারক’–ব্যাখ্যা করুন।
(গ) অর্থনৈতিক দিক থেকে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের গুরুত্ব সংক্ষেপে তুলে ধরুন। ৫
(ঘ) BCIM দ্বারা কী বুঝায়? আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে এর প্রধান তাৎপর্য ব্যাখ্যা করুন| ৫
৯।(ক) বাংলাদেশে কোন ধরনের দল ব্যবস্থা রয়েছে? সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করুন। ৫
(খ) ১৯৫৫ সালে আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে মুসলিম’ শব্দটি বাদ দেয়ার তাৎপর্য সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করুন। ৫
(গ) বাংলাদেশে রাজনৈতিক দলের কার্যাবলি সংক্ষেপে লিখুন। ৫
(ঘ) ১৯৯১ সাল পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের বিরোধী দলীয় রাজনীতির উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যগুলো কি কি? ৫
১০। টীকা লিখুন (যে কোনো চারটি)- ৫x৪=২০(ক) আন্তর্জাতিক শ্রমবাজার ও বাংলাদেশ ;
(খ) বাংলাদেশ ও বিশ্ববাণিজ্য সংস্থা;
(গ) বিশ্ব ক্রিকেট ও বাংলাদেশ;
(ঘ) সরকারি চাকুরীতে কোটা;
(ঙ) বাংলাদেশে প্রাইভেট-পাবলিক অংশীদারিত্ব;
(চ) ই-গভর্নেন্স ও বাংলাদেশ;
(ছ) বাংলাদেশের সমুদ্র বিজয়।
(জ) বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ।
সবার আগে সাজেশন আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন
২৯৪
বাবুই
বাংলাদেশ/ প্রথম পত্র
বিষয় কোডঃ ০০৫
নির্ধারিত সময়-৩ ঘণ্টা
পূর্ণমান-১০০
[দ্রষ্টব্যঃ- প্রার্থীদিগকে ১নং প্রশ্নের থেকে ৬নং প্রশ্নের মধ্য হতে চারটি এবং অবশিষ্ট প্রশ্নের যে কোনো চারটির উত্তর দিতে হবে। প্রত্যেক প্রশ্নের মান শেষ প্রান্তে দেখানো হয়েছে।]
১। ১৮৭১ সাল হতে ২০১১ সাল পর্যন্ত জনগণনাসমূহে প্রপ্ত তথ্য অনুযায়ী এদেশের ডেমোগ্রাফিক বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করুন। ১৫
২। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে বাঙালি সংস্কৃতি কিভাবে প্রাণশক্তি হিসেবে কাজ করেছে? ১৫
৩। ১৯৪৭ উত্তর সময়ে বাংলাদেশ অঞ্চলে বাংলা সাহিত্যের যে বিকাশ সাধিত হয়েছে এর বর্ণনা দিন। ১৫
৪। বাংলাদেশে জলসেচন কর্মে জলসম্পদের অপচয় সম্পর্কে বিশদভাবে লিখুন। ১৫
৫। বাংলাদেশে মানবসম্পন বিকাশে প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থার তাৎপর্য ব্যাখ্যা করুন। ১৫
৬। বাংলাদেশে অর্থনীতির বিকাশের জন্য এ যাবত গৃহীত কৌশল ও নীতিসমূহের সমালোচনামূলক পর্যালোচনা করুন। ১৫
৭। টীকা লিখুন (যে কোনো পাঁচটি): – ২ x ৫ = ১০(ক) GNP;
(খ) লোকগীতি;
(গ) প্রিন্টমিডিয়া;
(ঘ) ললিতকলা;
(ঙ) কাব্যসাহিত্য;
(চ) সুশীলসমাজ;
(ছ) নগর সভ্যতা।
৮।(ক) সমুদ্রজলস্ফীতি জনিত কারণে বাংলাদেশের কি বিপদ ঘটতে পারে? ৫
(খ) বৃষ্টিপাত হ্রাসজনিত কারণে বাংলাদেশে এর কি প্রভাব পড়তে পারে? ৫
৯।(ক) বাংলাদেশে পরমাণু বিদ্যুতের সম্ভাবনা কি? ৫
(খ) বাংলাদেশের তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো ভবিষ্যতে কি সঙ্কটে পড়তে পারে? ৫
১০।(ক) বাংলাদেশে কি কি পরমাণু খনিজ আছে? ২
(খ) অ্যাপারেল্স্ উৎপাদনে বাংলাদেশের অবস্থান কি? ২
(গ) চিনি শোধন শিল্পে বাংলাদেশের সাফল্য কি? ২
(ঘ) বন্যপ্রাণি সংরক্ষণে বাংলাদেশের সাফল্য ও ব্যর্থতা কি? ৪
১১। (ক) বাংলাদেশে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা ব্যবস্থার অগ্রগতি কতটুকু? ৪
(খ) বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষা বিকাশে অ-সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ভূমিকা
ব্যাখ্যা করুন। ৬
১২। সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দিন:- ২ x ৫ = ১০(ক) ম্যানগ্রোভ অরণ্য;
(খ) বিপন্ন প্রণীকূল;
(গ) পর্ণমোচি বৃক্ষেও বন;
(ঘ) পরমাণু শক্তি কমিশন;
(ঙ) তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র।
সাজেশন সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com
২৯৪
এশিয়া
বাংলাদেশ/ দ্বিতীয় পত্র
বিষয় কোড: ০০৬
নির্ধারিত সময়-৩ ঘণ্টা
পূর্ণমান-১০০
[দ্রষ্টব্যঃ- প্রার্থীদিগকে ১নং প্রশ্নের এবং অবশিষ্ট প্রশ্নের যে কোনো চারটির উত্তর দিতে হবে। প্রত্যেক প্রশ্নের মান সমান।]
১। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কোন সালের কোন তারিখ হতে কার্যকর হয়? এতে বিধৃত মৌলিক অধিকারসমূহ বর্ণনা করুন এবং কি পরিস্থিতিতে এবং কোন অনুযায়ী মৌলিক অধিকার সাময়িকভাবে স্থগিত করা যায়?
২। সুশাসন জনপ্রশাসনের একটি সর্বগৃহীত বৈশিষ্ট্য হিসেবে স্বীকৃত। বিষয়টি ব্যাখ্যাপূর্বক সুশাসন এর উপরে বিস্তারিত আলোচনা করুন। সুশাসন প্রতিষ্টায় বাংলাদেশের সাফল্য ব্যর্থতা এবং আপনার মতামত বর্ণনা করুন।
৩। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে নিুের যে কোনো চারটি প্রশ্নের উত্তর লিখুনঃ-(ক) সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম সম্পর্কিত বিধান কি?
(খ) সংবিধানের প্রাধান্য বলতে কি বোঝায় তা অনুচ্ছেদ উল্লেখপূর্বক বর্ণনা করুন।
(গ) সংবিধানে রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব হিসাবে নাগরিকদের জন্য কি কি বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে?
(ঘ) চলাফেরার ও সমাবেশের স্বাধীনতা সম্পর্কিত সংবিধানের বিধানদ্বয় কি কি এবং তা কোন কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে?
(ঙ) জাতীয় সংসদেও সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা উল্লেখ করুন।
৪। জাতিয় শিক্ষানীতি ২০১৩ এর মৌলিক বৈশিষ্ট্যসমূহ উল্লেখ করুন। এই শিক্ষানীতি
বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার কি ধরনের সংস্কার নিশ্চিত করতে পারে-বিস্তারিত বর্ণনা করুন।
৫। বাংলাদেশের ভৌগলিক বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করুন। সংক্ষেপে বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য ও ঐতিহ্য আলোচনা করুন।
৬। বাজার অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রাসঙ্গিকতা প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো প্রক্রিয়া ও পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত আলোকপাত করুন।
৭। সিভিল সোসাইটি কি? এর বৈশিষ্ট্যসমূহসহ লিখুন। বাংলাদেশে সিভিল সোসাইটির সঠিক রূপ, কার্যক্রম এবং সরকারের সাথে এর সম্পর্ক বিষয়ে আলোচনা করুন এবং এর কাঙ্খিত ভূমিকা ঊাংলাদেশে কি হতে পারে বলে আপনি মনে করেন তাও উল্লেখ করুন।
৮। বাংলাদেশে ঋণ প্রদানে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এডিবির সমধর্মী শর্তগুলো কি কি? সকল শর্তই কি পরিহার করতে পারলে তা পরিহার করা উচিত এবং শর্তগুলো সঠিক বা আংশিক জনস্বার্থের অনুকূল কি? মতামত দিন।
সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন
কোড নামঃ কার্তিক
বিষয় কোড: ০০৫
পত্রঃ প্রথম
নির্ধারিত সময়ঃ ৩ ঘন্টা
পূর্ণমানঃ ১০০
[দ্রষ্টব্য: প্রার্থীদিগকে যে কোনো আটটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রত্যেক প্রশ্নের মান সমান।]
১। যুদ্ধাপরাধ কি? যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য কয়টি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়েছে? যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের যৌক্তিকতা বর্ণনা করুন।
২। টেকসই উন্নয়ন বলতে কি বুঝায়? বাংলাদেশে টেকসই উন্নয়নে অন্তরায়গুলি কি কি?
৩। দুর্নীতি আমাদের জাতীয় উন্নয়নের অন্যতম প্রধান অন্তরায়। এক্ষেত্রে দুর্নীতি দমন কমিশন প্রকৃত কার্যকরি ভূমিকা গ্রহণ করতে পারছে না কেন।
৪। বাংলাদেশকে পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ বলা হয় কেন? সংশ্লিষ্ট ভৌগোলিক তথ্যসমূহ উল্লেখপূর্বক বর্ণনা করুন।
৫। সামাজিক অস্থিরতা বলতে কি বুঝায়? বাংলাদেশে সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধির কারণ ও এর প্রতিকার আলোচনা করুন।
৬। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বৈরী মনোভাবের কারণ কি ছিল? আমাদের পররাষ্ট্র নীতির মূল বৈশিষ্ট্য আলোচনা করুন।
৭। বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে সংস্কৃতির অবদান আলোচনা করুন।
৮। বাংলাদেশের প্রধান উপজাতি কতটি এবং কি কি? প্রধান তিনটি উপজাতি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করুন।
৯। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা কি? বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের দুর্বল দিকগুলি আলোচনা করুন।
১০। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের গুরুত্ব আলোচনা করুন। এক্ষেত্রে বোয়েসেল ( Bangladesh Overseas Employment and Service Ltd ) ও বায়রা (Bangladesh Association of International Recruiting Agencies) ভূমিকা আলোচনা করুন।
১১। আওয়ামী মুসলিম লীগের নাম কেন আওয়ামী লীগ করা হয়? কত সালে আওয়ামী লীগ নামকরণ করা হয়?
১২।টীকা লিখুন (যে কোনো চারটি):(ক) ডেসটিনি ২০০০ লিঃ;
(খ) হলমার্ক গ্ররপ লিঃ;
(গ) রাম সাগর; আয়কর মেলা;
(ঙ) ন্যায়পাল;
(চ) হযরত খান জাহান আলী (রাঃ)।
সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন
কোড নামঃ মাঘ
বিষয় কোড: ০০৬
পত্রঃ দ্বিতীয়
নির্ধারিত সময়ঃ ৩ ঘন্টা
পূর্ণমানঃ ১০০
[দ্রষ্টব্যঃ বাংলা অথবা ইংরেজি যে কোনো একটি ভাষায় উত্তর দেওয়া যাবে। প্রার্থীদিককে ১ নম্বর প্রশ্নের এবং অবশিষ্ট প্রশ্নের যে কোনো সাতটির উত্তর দিতে হবে। প্রত্যেক প্রশ্নের মান প্রশ্নের শেষ প্রান্তে দেখানো হয়েছে।]
১। যে কোনো আটটি প্রশ্নের দিনঃ(ক) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গের নাম কি?
(খ) বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম বিভাগ কোনটি?
(গ) আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা কোনটি?
(ঘ) বঙ্গদেশে কবে আর্যদের আবির্ভিব ঘটে?
(ঙ) কোন মুসলিম সর্বপ্রথম সমগ্র বাংলাদেশের অধিপতি হন?
(চ) মুগল সাম্রাজের প্রতিষ্ঠাতা কে?
(ছ) পলাশীর যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?
(জ) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ খেতাব কোনটি?
(ঝ) DPT–এর পূর্ণরূপ কি?
(ঞ) TT-এর পূর্ণরূপ কি?
২। বাংলাদেশের দশটি সুন্দরতম পর্যটন কেন্দ্রের নাম কি?
৩। (ক) বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি কিরূপ?
(খ) বাংলাদেশের কোন কোন এলাকা নিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম গঠিত?
৪। (ক) ছিট মহল কি?
(খ) স্ট্রিপ ম্যাপ কি?
৫। (ক) আবহাওয়া বলতে কি বুঝায়?
(খ) ঢাকায় শায়েস্তা খানের নির্মিত কীর্তিগুলি কি কি?
(গ) পলাশীর যুদ্ধ কবে সংঘটিত হয়?
৬। (ক) বঙ্গবঙ্গ কি?
(খ) রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সর্বদলীয় কেন্দ্রিয় রাষ্ট্রভাষা পরিষদ কবে গঠিত হয়?
(গ) বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের নায়ক কে?
৭। (ক) স্বাধীনতা যুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?
(খ) কবে কোথয় স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠার শপথ নেয়া হয় ?
(গ) শহীদ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস কবে?
৮। (ক) নদী কাহকে বলে?
(খ) বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ কোনটি ?
(গ) বাংলাদেশের বৃহত্তর ব-দ্বীপ কোনটি?
৯। (ক) ঢাকায় অবস্থিত এশিয়ার বৃত্তহম ডায়বেটিক হাসপাতাল কোনটি?
(খ) বঙ্গোপসাগর কোন মহাদেশের অংশবিশেষ?
(গ) বঙ্গোপসাগরের সীমারেখা কি?
১০। (ক) পৃথিবীর মানুষ সবচেয়ে বেশি মাত্রায় আক্রান্ত হয় কোন দূষণ প্রক্রিয়ায়?
(খ) নিসর্গ কর্মসূচী কি?
(গ) বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা কত ধরনের এবং কি কি?
১১। (ক) সংবিধান কি?
(খ) বাংলাদেশ সংবিধানের মূল চার নীতি কি কি?
(গ) বঙ্গবন্ধুর (শেখ মুজিবুর রহমান)-এর প্রতিকৃতি সংরক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে?
১২। (ক) মহামান্য রাষ্ট্রপতি কাদেরকে শপথ বাক্য পাঠ করান?
(খ) মহামান্য রাষ্ট্রপতি পদাধিকার বলে কোন কোন সংস্থার প্রধান?
সাজেশন সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com
বিষয় কোড: ০০৫
পত্রঃ প্রথম
নির্ধারিত সময়ঃ ৩ ঘন্টা
পূর্ণমানঃ ১০০
[দ্রষ্টব্য: প্রার্থীদিগকে যে কোনো দশটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রত্যেক প্রশ্নের মান সমান। বাংলা অথবা ইংরেজী যে কোনো একটি ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সকল প্রশ্নের মান সমাান।]
১। ১৯৪৭ সালের পর হতে বাঙ্গালী জাতীয়তাবাদের উদ্ভব সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করুন।
২। বাংরাদেশকে পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ বলা হয় কেন? সংশ্লিষ্ট ভৌগলিক তথ্যসমুহ উল্লেখপুবৃক বর্ণনা করুন।
৩। সংবিধান সংশোধন বলতে কী বুঝায়? বাংলাদেশের সংবিধান কতবার সংশোধন করা হয়েছে এবং পঞ্চাদশ সংবিধান সংশোধনের উল্লেখযোগ্য দিকগুলো আলোচনা করুন।
৪। মধ্যম আয়ের দেশ বলতে কী বুঝেন? মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে কিভাবে গড়ে তোলা যায়?
৫। স্থানীয় সরকার পর্যায়ে ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণ ব্যতীত সত্যিকার অর্থে প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ সম্ভভ নয়-বিশ্লেষণ সহকারে ব্যাখ্যা করুন।
আরি পড়ুন ›নার্সিং (Diploma in Nursing) এর ভর্তি পরীক্ষা ২০২২-২০২৩ এর পরীক্ষার full প্রশ্ন সমাধানের pdf ২০২৩,Diploma in Nursing Admission Test 2022-2023 question solution pdf 2023,নার্সিং প্রশ্ন সমাধান ২০২৩নার্সিং (Diploma in Nursing) এর ভর্তি পরীক্ষা ২০২২-২০২৩ এর পরীক্ষার full প্রশ্ন সমাধানের pdf…
আরি পড়ুন ›চিংড়ি, মৌমাছি, ফিতা কৃমি, সাপ, কাক, তারা মাছ, ঝিনুক, রুই মাছ, বিড়াল, হাইড্রা প্রাণীগুলাে থেকে যে কোনাে ৮টির পর্ব, বৈশিষ্ট্য ও বাসস্থান উল্লেখ করে একটি ছক তৈরি কর।চিংড়ি, মৌমাছি, ফিতা কৃমি, সাপ, কাক, তারা মাছ, ঝিনুক, রুই মাছ, বিড়াল, হাইড্রা প্রাণীগুলাে…
আরি পড়ুন ›গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ইমারত পরিদর্শক পদে প্রশ্ন সমাধান ২০২৫গাজীপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ইমারত পরিদর্শক পদে প্রশ্ন সমাধান ২০২৫ আজ (২৬.১২.২০২৫) অনুষ্ঠিত গাজীপুর উন্নয়ন…
৬। ই, পি, জেড কি? ই পি জেড কিভাবে শিল্প উন্নয়ন ভূমিকা রাখছে?
৭। বর্তমানে গ্যাস সংকট মোকাবিলায় সরকার কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে? সম্প্রতি বাংলাদেশ কর্তৃক সমুদ্র বিজয় এতে কী প্রভাব ফেলবে বলে মনে করেন?
৮। দারিদ্র বিমোচন বলতে কী বুঝায় ? এ বিষয়ে বাংলাদেশের সাফল্য বা ব্যর্থতা বর্ণনা করুন।
৯। বাংলাদেশের জনাধিক্যের কারণ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়নে জনসংখ্যা সমস্যা সমাধানের উপায়গুলো আলোচনা করুন।
১০। বাংলাদেশের নিরক্ষরতা ২০২১ সালের মধ্যে দুরকরণে কী কী কৌশল ও পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন বলে মনে করেন?
১১। বাংলাদেশের প্রধান প্রধান উপজাতি কতটি এবং কী কী? প্রধান তিনটি উপজাতি সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করুন।
১২। GDP-তে শিল্পখাতের অবদান তুলে ধরুন। বাংলাদেশে শিল্পখাতে বিদ্যমান সমস্যা ও তা সমাধানে আপনার সুপারিশ কী ?
১৩। বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানের গুরুত্ব কতটুকু? এদের কর্মদক্ষতা বৃদ্ধির জন্য কী কী করণীয় বলে আনি মনে করেন?
১৪। বাংলাদেশে সরকারি- বেসরকারী অংশীদারিত্বের (পিপিপি) আওতার ব্যক্তিখাতকে সম্পৃক্ত করা প্রয়োজনীয়তা কী ? এ যাবৎ কী কী প্রকল্প পিপিপি এর আওতার বাস্তবায়িত হচ্ছে?
১৫। বাংলাদেশে পুঁজি বাজারের সম্ভাবনা কতটুকু? পুঁজি বাজারের ব্যিমান সমস্যা কিভাবে দূর করা যায় বলে আপনি মনে করেন?
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
বিষয় কোড: ০০৬
পত্রঃ দ্বিতীয়
নির্ধারিত সময়ঃ ৩ ঘন্টা
পূর্ণমানঃ ১০০
[দ্রষ্টব্যঃ বাংলা অথবা ইংরেজি যে কোনো একটি ভাষায় উত্তর দেওয়া যাবে। প্রার্থীদিককে ১ নম্বর প্রশ্নের এবং অবশিষ্ট প্রশ্নের যে কোনো সাতটির উত্তর দিতে হবে। প্রত্যেক প্রশ্নের মান প্রশ্নের শেষ প্রান্তে দেখানো হয়েছে।]
১। সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ অনুসরণে টীকা লিখুন (যে কোন চারটি):ক) সংযুক্ত তহবিল;
খ) রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি
গ) ধর্মীয় স্বাধীনতা
ঘ) সম্পূরক মঞ্জুরী
ঙ) অর্থ বিল;
চ) ন্যায়পাল।
২। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কর্মসূচী বলতে কী বোঝেন? বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন পাঁচটি কর্মসূচি বাস্তাবয়ন সমস্যা ও ফলাফল সম্বন্ধে আলোচনা করুন।
৩। সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বলতে কী বোঝেন? নির্ধারিত লক্ষ্যগুলি অর্জনে বাংলাদেশের বর্তমান অগ্রগতি পর্যালোচনা করুন।
৪। বাংলাদেশে নারী উন্নয়নের উদ্যোগগুলি আলোচনা করে আরও কোনো নতুন উদ্যোগের সুপারিশ করেন কি? কী কী? বর্ণনা করুন।
৫। সংবিধানের সংশ্লিষ্ট অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠন ও উহার কার্যাবলি আলোচনা করিয়া উহাতে কোনে পরিবর্তন সুপারিশ করেন কি?
৬। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অতিমাত্রায় ক্ষমতার অধিকারী’- এ উক্তির পক্ষে ও বিপক্ষে আপনার বক্তব্য উপস্থাপন করুন।
৭। ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ সংবিধানে বিধৃত রাষ্ট্র পরিচালনার মুলনীতিসমূহ বর্ণনা করুন। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনের প্রেক্ষিতে কী কী পরিবর্তন সাধিত হয়েছে?
৮। বাংলাদেশের ভৌগলিক বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা করুন। বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বৈচিত্রে পরিপূর্ণ- আপনি ইহা কিভাবে ব্যাখ্যা করবেন?
৯। সুশীল সমাজ বলতে কী বোঝেন? তাদের ভূমিকা মূল্যায়ন করুন। আপনি কি মনে রেন সুশীল সমাজ ও রাজনৈতিক দলের মত দ্বিধাবিভক্ত? যুক্তি দিয়ে বর্ণনা করুন।
১০। জলবায়ূ পরিবর্তনজনিত কারণে বাংলাদেশে কী কী বিরূপ প্রভাব পড়েছে এবং পড়তে পারে বণৃনা করে সরকারের গৃহীত প্রস্তবমুলক ব্যবস্থার বর্ণনা দিন।
[ বি:দ্র:এই সাজেশন যে কোন সময় পরিবতনশীল ১০০% কমন পেতে পরিক্ষার আগের রাতে সাইডে চেক করুন এই লিংক সব সময় আপডেট করা হয় ]
বিষয় কোড: ০০৫
পত্রঃ প্রথম
নির্ধারিত সময়ঃ ৩ ঘন্টা
পূর্ণমানঃ ১০০
[দ্রষ্টব্য: প্রার্থীদিগকে যে কোনো দশটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। প্রত্যেক প্রশ্নের মান সমান। বাংলা অথবা ইংরেজী যে কোনো একটি ভাষায় প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সকল প্রশ্নের মান সমাান।]
১। টীকা লিখুন (যে কোন চারটি):ক) ষষ্ঠ পঞ্চ-বার্ষিক পরিকল্পনা;
খ) জাতীয় প্রতীক;
গ) লালন শাহ
ঘ) তিতুমীরের বাঁশের কেল্লা;
ঙ) উৎসে আয়কর;
চ) সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব।
২। ঐতিহাসিক ভাষা আন্দোলন বাংগালীর সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ ও আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের বীজ বপন কী ভূমিকা রেখেছিল?
৩। HIES (Household Income & Expenditure Survey) ২০১১-তে সংগৃহিত প্রধান তথ্য সমূহ কী কী এবং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কৌশলে এর কী প্রভাব পড়া উচিত বলে আপনি মনে করেন?
৪। সহস্রাব্ধ উন্নয়ন লকষ্যমাত্রাসমূহ কী কী, এবং তা অর্জনে বাংলাদেশের অনুসৃত কৌশল ও অর্জিত সাফল্যসমূহ আলোচনা করুন।
৫। বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলের প্রদান সমস্যাসমূহ কী কী এবং কিভাবে ঐ এলাকার অধিবাসীদের জীবনযাত্রার মানের উন্নতি দ্রুততর করা যায়?
৬। বৈদেশিক কর্মসংস্থনে ও রেমিটেন্স আয় বর্ধনে বাংলাদেশের বর্তমান সাফল্য এবং তা ধরে রাখার জন্য ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জের চিত্র তুলে ধরুন।
৭। সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় যোগ্যতাসূহ কী কী ? সংসদ সদস্যের আসন কেন এবং কখন শূন্য ঘোষনা করা যায়?
৮। পাটের জিনোম ডিকোড উদ্ভাবন বাংলাদেশের পাট চাষ এবং পাটজাত পণ্য উৎপাদনে কি সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে বলে আপনি মনে করেন?
সবার আগে সাজেশন আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন
বিষয় কোড: ০০৬
পত্রঃ দ্বিতীয়
নির্ধারিত সময়ঃ ৩ ঘন্টা
পূর্ণমানঃ ১০০
[দ্রষ্টব্যঃ বাংলা অথবা ইংরেজি যে কোনো একটি ভাষায় উত্তর দেওয়া যাবে। প্রার্থীদিককে ১ নম্বর প্রশ্নের এবং অবশিষ্ট প্রশ্নের যে কোনো সাতটির উত্তর দিতে হবে। প্রত্যেক প্রশ্নের মান প্রশ্নের শেষ প্রান্তে দেখানো হয়েছে।]
১। সংক্ষেপে বর্ণনা করুন (গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে)ক) জাতীয় সংস্কৃতি
খ) সম্পত্তির অধিকার
গ) ধর্মীয় স্বাধীনতা
ঘ) প্রশাসনিক ট্রাইবুনাল
ঙ) বাংলাদেশের স্বাধনিতা যুদ্ধ
চ) সম্পূরক বা অতিরিক্ত মজুরি
ছ) রাষ্ট্রপতির অভিশংসন
জ) সংসদীয় কার্যাবলি।
২। ক) বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সদস্য হবার যোগ্যতা এবং অযোগ্যতা সম্পর্ক বর্ণনা করুন্। ৫
খ) মন্ত্রসভা গঠন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশের সংবিধানের বিধান উল্লেখ করুন। ৫
৩। ক) কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে স্থানীয় সরকারের সম্পর্ক সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কী হওয়া উচিত? ৫
খ) স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের দুর্বল দিকগুলো উল্লেখ করুন। ৫
৪। সিভিল সোসাইটির বৈশিষ্ট্যসমূহ লিখুন। সিভিল সোসাইটির সাথে সরকারের সম্পর্ক কী হওয়া উচিত? বর্ণনা করুন। ১০
৫। ক) বাংলাদেশের সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী কার্যক্রম এনজিওদের ভূমিকা লিখুন। ৫
খ) বাংলাদেশের নারীর ক্ষমতায়ন সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ সংক্ষেপে উল্লেখ করুন। গৃহীত পদক্ষেপগুলো CEDAW (Convention on the Elimination of Discrimination Against Woman) সমর্থন করে কি? ৫
৬। জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ এর মৌলিক বৈশিষ্ট্যসমূহ উল্লেখ করুন। এ শিক্ষানীতি বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থায় কী ধরনের সংস্কার নিশ্চিত করতে পারে? ১০
৭। বাংলাদেশের কৃষি জি অকৃষি কাজে স্থানান্তরিত হবার স্বরূপ ও সংকট বিশ্লেষণ করুন। এ সংকট মোচনের উপায়গুলো কী কী ? ১০
৮। বাংলাদেশের সাথে অন্যান্য দেশের কতটি আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি আছে? বাংলাদেশের বাণিজ্র ঘাটতি নিরসনে আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তিগুলো কী ধরনের ভূমিকা রাখতে পারে? আলোচনা করুন । ১০
৯। বাংলাদেশে ঋণপ্রদানে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক ও এডিবির সমধর্মী শর্তগুলো কী কী? শর্তযুক্ত ঋন পরিহার করা সম্ভব কি? যৌক্তিক পরামর্শ দিন। ১০
১০। গণতান্ত্রিক পরিবেশ উন্নয়নে রাজনৈতিক দলসূহের ভূমিকা কী হওয়া উচি? গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি চর্চায় সিভিল-সেনাবাহিনী সম্পর্কে কতটা প্রয়োজনীয়? আলোচনা করুন। ১০
সাজেশন সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com
সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন
বিসিএস পরীক্ষার সবচেয়ে বড় ধাপ হলো লিখিত পরীক্ষা। কারণ, এতে সর্বোচ্চ নম্বর অর্থাৎ ৯০০ বা বোথ ক্যাডার হলে ১১০০। এটি খুবই সাধারণ কথা, নম্বর বেশি হলে এর গুরুত্ব বেড়ে যায়। তা ছাড়া লিখিত পরীক্ষায় সবার জন্য সমমানের প্রশ্ন করা হয়, যাতে অসমতা হওয়ার সুযোগ থাকে না। প্রার্থীকে নিজের মতো চিন্তা ও লেখার স্বাধীনতা দেওয়া হয় এই লিখিত পরীক্ষায়। কেউ যদি কোনো বিষয় সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখে, তবে সে তার নিজের মতো করে উপস্থাপন করার সুযোগ পায়, যেখানে প্রিলি ও ভাইভায় খুব অতিরিক্ত চিন্তা করার অবকাশ নেই। একটা কথা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, লিখিত পরীক্ষায় ভালো নম্বর না তুলতে পারলে ক্যাডার বা ভালো ক্যাডার বা কাঙ্ক্ষিত ক্যাডার পাওয়া সম্ভব হবে না অথবা কঠিন হবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা কোনো সাধারণ পরীক্ষা নয়। তাই এতে নম্বর তুলতে হলে কৌশলপূর্ণ পরিশ্রম করতে হবে।
একটা বিষয় না বললেই নয়, সবাই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয় এবং লিখেও আসে। কিন্তু নম্বর কম বা বেশি হয় এবং ফেল করে। এর কারণ কী? আমার কাছে মনে হয়, লিখিত পরীক্ষায় ফেল বা কম নম্বর পাওয়ার ১০টি কারণ আছে।
যেমন: ক) তথ্য কম থাকা বা না থাকা;
খ) ভুল তথ্য থাকা;
গ) বানান ও বাক্য ভুল এবং যতিচিহ্নের সঠিক ব্যবহার না থাকা;
ঘ) লেখায় অতিরিক্ত কাটাকাটি;
ঙ) হাতের লেখা অতিরিক্ত বড় বা ছোট;
চ) একই কথার পুনরাবৃত্তি;
ছ) রেফারেন্স না থাকা বা কম থাকা অথবা ভুল থাকা;
জ) নম্বরের সঙ্গে উত্তরের পরিধির সামঞ্জস্য না থাকা;
ঝ) আপডেট তথ্য না থাকা;
ঞ) অপ্রাসঙ্গিক বিষয়ের অবতারণা বেশি।
তাই শুধু পড়লেই হবে না; সতর্কভাবে তথ্য সংগ্রহ করার মানস থাকতে হবে। একটু চিন্তা করলেই বোঝা যাবে, এই ১০টি লিখিত পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়ারও উপায়। শুধু উল্টো করে নিন। মনে রাখবেন, লিখিত পরীক্ষাই আপনার স্বপ্নপূরণে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখতে পারে। তাই সঠিকভাবে প্রস্তুতি নিন এবং উপস্থাপন করুন।
মনে রাখবেন, লিখিত পরীক্ষা হলো তথ্য উপস্থাপন করার পরীক্ষা। সাদামাটা লিখে আপনি কখনোই ভালো নম্বর পাবেন না। প্রাসঙ্গিক ও প্রয়োজনীয় সব তথ্যই লেখায় থাকতে হবে। অন্যথায় সামান্য নম্বর আসবে। কঠিন কথা। কিন্তু মানতে হবে।
লিখিত পরীক্ষায় দুই ধরনের প্রশ্ন করা হয়ে থাকে। একটি হলো ব্যাখ্যামূলক প্রশ্ন, যাতে পূর্ণ নম্বর পাওয়া যায় না। যেমন রচনা। আর অন্যটি হলো সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন, যেখানে পূর্ণ নম্বর পাওয়া যায়। যেমন ব্যাকরণ। তাই পূর্ণ নম্বরের প্রশ্নের উত্তরগুলো ভালো করে করতে হবে। এতে দ্রুত এগিয়ে যাওয়া যায়।
আজ বাংলা নিয়ে আলোচনা করব। বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রে বিভক্ত হয়ে মোট ২০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়। প্রথম পত্রে ব্যাকরণ ৩০, ভাব-সম্প্রসারণে ২০, সারমর্মে ২০, সাহিত্যে ৩০ এবং দ্বিতীয় পত্রে ইংরেজি অনুবাদে ১৫, কাল্পনিক সংলাপে ১৫, পত্রলিখনে ১৫, গ্রন্থ সমালোচনায় ১৫ ও রচনায় ৪০। এই ২০০ নম্বরের প্রস্তুতির জন্য কী করা যায় বলা যাক।
অ) দশম থেকে ছত্রিশতম বিসিএসের শুধু ব্যাকরণ ও সাহিত্য অংশ পড়ে নেবেন। বাকিগুলো আপাতত বাদ।
আ) নম্বর বিভাজনের দিকে ভালো করে খেয়াল করলে দেখবেন, ৭০ নম্বর পড়ার কিছু নেই (সারমর্ম, ভাব-সম্প্রসারণ, কাল্পনিক সংলাপ ও পত্র)। এগুলো না পড়লেও আপনি ভালো লিখতে পারবেন। কারণ, তা কমন পড়বে না। আর কমন পড়ারও কিছু নেই। এ ক্ষেত্রে যেটা করবেন তা হলো, এগুলো লেখার সাধারণ নিয়মগুলো জেনে যাবেন। তাতেই হয়ে যাবে।
ই) অনুবাদে যে ১৫ নম্বর বরাদ্দ আছে, তা মূলত ইংরেজির পড়া। এটি আপনি ইংরেজি অনুবাদ অংশ থেকে প্রস্তুতি নিতে পারবেন। আর কারও যদি ইংরেজির মৌলিক জ্ঞান ভালো থাকে, তবে সে এই অনুবাদ এমনিই পারবে। আর অনুবাদ কখনোই কমন পড়বে না।
ঈ) ব্যাকরণ অংশে কিছু টপিকস নির্দিষ্ট আছে। যেমন শব্দগঠন, বানান ও বানানের নিয়ম, বাক্য শুদ্ধি ও প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, প্রবাদের নিহিতার্থ ব্যাখ্যা ও বাক্যগঠন। মনোযোগ দিয়ে পড়লে অল্প সময়ে এর জন্য ভালো প্রস্তুতি নেওয়া যায়।
উ) সাহিত্য অংশটির পরিধি বেশ বড়। তাই যেটা করবেন, পিএসসি নির্ধারিত ১১ জন লেখক সম্পর্কে প্রথমে ভালো করে পড়বেন। তারপর বাছাই করে অন্য লেখকদের সাহিত্যকর্ম দেখবেন।
ঊ) সাহিত্য অংশ পড়ার জন্য ড. সৌমিত্র শেখরের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা বইটি অনুসরণ করতে পারেন। অনেকে হয়তো এটি প্রিলিতেও পড়েছেন।
ঋ) গ্রন্থ সমালোচনা একটি কঠিন বিষয়। কারণ, গ্রন্থ সম্পর্কে না জানলে বা বইটি না পড়ে থাকলে তা আপনি লিখতে পারবেন না। তাই এই অংশে সময় দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে সুপরিচিত গ্রন্থগুলোই পড়বেন। যদিও সুপরিচিত গ্রন্থের সংখ্যাও প্রচুর। তবে আশার কথা হলো, বিগত দুইটা বিসিএসে গ্রন্থের নাম সরাসরি উল্লেখ করেনি। থিম উল্লেখ করে প্রশ্ন করেছিল। গ্রন্থের নাম উল্লেখ করে দিলে বিপদে পড়বেন, যদি ভালো করে না পড়েন। তাই ভালো করে গুরুত্ব দিয়ে পড়বেন।
এ) মহসিনা মনজিলার শীকর বাংলা সাহিত্য থেকে গ্রন্থ সমালোচনা অংশটি পড়বেন।
ঐ) রচনার জন্য আপনাকে বাংলার চেয়ে বেশি জানতে হবে সাধারণ জ্ঞান। ধরুন, রচনা এল ‘জলবায়ু পরিবর্তন: বাংলাদেশ ও বিশ্ব’। এটি লিখতে হলে জলবায়ুর সব প্রয়োজনীয় তথ্যই লাগবে, যা মূলত সাধারণ জ্ঞান। তথ্য, পয়েন্ট, উক্তি ছাড়া রচনা লিখে খুব বেশি লাভ হবে না। ২০টি রচনা বাছাই করে পড়বেন। প্রয়োজন হলে ইংরেজি রচনার সঙ্গে সমন্বয় করে পড়বেন।
ও) বাজার থেকে যেকোনো একটি লিখিত গাইড সংগ্রহ করে নেবেন। সেখান থেকে বিগত প্রশ্ন, ব্যাকরণ, রচনা ও প্রয়োজনীয় জিনিস পড়ে নেবেন।
ঔ) মাঝে মাঝে নিজে নিজে পরীক্ষা দিয়ে যাচাই করে দেখবেন, ঠিক সময়ে সব শেষ করতে পারছেন কি না। লিখিত পরীক্ষায় সব লিখে আসাও একটা বিরাট সাফল্য।
এভাবে বাংলার জন্য প্রস্তুতি নিন। আশা করি, ভালো কিছু সম্ভব হবে। লিখিত পরীক্ষায় না পড়েও কিছু জিনিস ভালো লিখে আসা যায়। তাই এত চাপ নেওয়ার বা ভয় পাওয়ার কিছু নেই। স্বাভাবিকভাবে প্রস্তুতি নিন। আর সামনের দিনগুলো নিজেকে ও পড়ার কাজে দিন। সবার জন্য শুভকামনা।
লেখক: প্রশাসন ক্যাডার (২য় স্থান), ৩৪তম বিসিএস।
সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন
লিখিত পরীক্ষায় ইংরেজি একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। এতে ভালো না করলে গড় নম্বর অনেক কমে যাবে। এখানে পার্ট এ এবং পার্ট বি মিলিয়ে মোট দুই শত নম্বর বরাদ্দ আছে। রিডিং কম্প্রিহেনশন থেকে ১০০ নম্বর যা সাধারণ প্রশ্ন ৩০, ব্যাকরণ ৩০, সম্পাদকের নিকট চিঠি ২০ এবং সারাংশ ২০ নম্বর যোগ করলে পাওয়া যায়। আর পার্ট বি তে বাংলা থেকে ইংরেজি অনুবাদ ২৫, ইংরেজি থেকে বাংলা ২৫ এবং রচনায় ৫০সহ মোট ১০০ নম্বর। সর্বমোট ২০০ নম্বর। সময় পাওয়া যাবে চার ঘণ্টা। আর ইংরেজিতে রাতারাতি ভালো করা যায় না। আবার অনেক টপিকস আছে যা সরাসরি পরীক্ষায় আসবে না। অর্থাৎ কমন পড়বে না। অনেকের ধারণা, কমন যেহেতু পড়বে না তাহলে পড়ে লাভ কী! লাভ হলো, আপনার চর্চা বহাল থাকলে সহজে পরীক্ষার হলে উত্তর দিতে পারবেন। একটা কথা মনে রাখবেন, কতগুলো অনুশীলন করলেন তা গুরুত্বপূর্ণ নয়; গুরুত্বপূর্ণ হলো আপনি কতটা বুঝে বুঝে করলেন। তাই বুঝে বুঝে অনুশীলন করা ছাড়া ভালো কিছু হবে না। ভালো করার কিছু পরামর্শ—
ক. দশম থেকে ছত্রিশতম বিসিএসের শুধু ব্যাকরণ অংশটি পড়ে নেবেন। বাকিগুলো না পড়লেও চলবে।
খ. কম্প্রিহেনশন যত পারেন পড়ুন। পড়ার সময় চারটি বিষয় মাথায় রাখবেন। যথা-১. অজানা শব্দের অর্থ অবশ্যই আয়ত্ত করবেন।
২. বাক্যের অর্থ বোঝার চেষ্টা করবেন।
৩. পুরো প্যাসেজের মূল কথা বের করুন।
৪. সাধারণ প্রশ্নগুলোর উত্তর দেবেন।
বাকি প্রশ্নগুলো অনুশীলন না করলেও চলবে। প্রয়োজনে অল্প কম্প্রিহেনশন চর্চা করবেন। কিন্তু ভাসা ভাসা করে দ্রুত শেষ করতে যাবেন না। এতে সব বৃথা যাবে। আর একটা কথা, ইংরেজি পত্রিকার সমসাময়িক তাৎপর্যপূর্ণ কলাম বা লেখা পড়তে পারেন। তার অর্থ বোঝার চেষ্টা করুন। এটা পরোক্ষভাবে আপনাকে রিডিং কম্প্রিহেনশনে সাহায্য করবে। ৩৫তম বিসিএস পত্রিকায় একটি খবর থেকেই প্যাসেজ এসেছিল।
গ. ব্যাকরণ অংশে নতুন কিছু নেই। যা আপনি প্রিলিতে পড়েছেন তা-ই। একবার চোখ বুলিয়ে নেবেন।
ঘ. প্যাসেজ থেকেই সামারি করতে হয়। এ ক্ষেত্রে ভুলেও কোনো হুবহু বাক্য গ্রহণ করতে যাবেন না। নিজের মতো করে লিখবেন। বাসায় অনুশীলন করুন, ভুল কমে আসবে। আর এটা এত পড়ার কিছু নেই।
ঙ. সম্পাদকের নিকট চিঠি পড়ার কিছু নেই। শুধু নিয়মকানুন জেনে রাখুন। তাতেই হবে। আর দুই পৃষ্ঠার বেশি অবশ্যই লিখবেন না।
চ. ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং ইংরেজিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কোন কোন বিষয় আয়ত্তে থাকলে আপনি ইংরেজি লেখায় ভালো করবেন তা বলা হলো।১. শব্দের অর্থ শিখুন। যত পারা যায়। অনেকে বলে মনে থাকে না। কিছু ভুলে যাবেন, এটাই স্বাভাবিক। তাই বলে পড়া থামাবেন না। যা গিয়ে যা থাকে তা-ই লাভ। শব্দের অর্থ না জানলে আপনি লিখতে পারবেন না। তাই ফ্রি হ্যান্ড রাইটিংয়ে ভালো করতে হলে আপনার শব্দভান্ডার মজবুত থাকতে হবে। আর এটি কিন্তু চলমান প্রক্রিয়া। শব্দ শেখার মধ্যেই থাকবেন। হোক অল্প।
২. মানসম্মত রাইটিংসয়ের জন্য টেকনিক্যাল কিছু শব্দের অর্থ বা শব্দগুচ্ছ শিখবেন। যেমন- ধনী গরিব নির্বিশেষে-এর ইংরেজি হবে Irrespective of rich and poor. আপনি যদি অন্যভাবে বলেন তবে মানসম্মত লেখা হবে না। আপনার লেখার মান ভালো হলে নম্বর ভালো আসবে। এটা তো স্বাভাবিক।
৩. ইংরেজি বাক্য লেখার সময় আপনাকে প্রিপোজিশন ব্যবহার করতেই হয়। এতে অনেকেই ভুল করে। তাই শুদ্ধ বাক্য লিখতে হলে এ সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এ জন্য প্রিপোজিশনগুলোর বাংলা অর্থ ও সাধারণ ব্যবহার জেনে নেবেন। অবশ্যই বুঝে বুঝে পড়বেন। আর কিছু Appropriate Preposition পড়ে নেবেন। তাহলে আস্তে আস্তে ভুল কমে যাবে।
৪. Tense সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এটা ছাড়া কিছু করার নেই। ১২টি টেন্স বাংলা সংজ্ঞা, চেনার উপায় ও গঠনপ্রণালিসহ ভালো করে পড়বেন যেন বাক্য দেখলেই আপনি বোঝেন কোন টেন্স অনুযায়ী লিখতে হবে। ধরুন, আপনি বলতে চাচ্ছেন, কালকে স্কুলে যাব। এটি যদি এভাবে লিখেন, I was go school. তাহলে কী হলো। তাই ভালো করে টেন্স পড়ুন।
৫. প্রচুর অনুশীলন করুন। বুঝে বুঝে করুন। ফ্রি হ্যান্ড রাইটিংয়ের জন্য অনুশীলন ব্যাপক কাজে দেয়। সম্ভব হলে যে ফ্রি হ্যান্ডে ভালো তার সহায়তা নিতে পারেন। লেখার পর তাকে দেখাতে পারেন। সে ভুলগুলো চিহ্নিত করে দিলে বুঝে নিন। লজ্জার কিছু নেই।
৬. ইংরেজি পত্রিকা থেকে সাহায্য নেবেন। প্রত্যেক দিন দরকার নেই। কলামগুলো পড়ার সময় খেয়াল রাখবেন কীভাবে ওরা বাক্য তৈরি করল। এটা মাঝে মাঝে নিজেও অনুসরণ করবেন। আর নতুন শব্দ পেলে মুখস্থ রাখবেন।
৭. যদি সম্ভব হয় প্রতিদিন একটা টপিক ধরে এক পৃষ্ঠা করে লিখবেন। চর্চা না করলে তো হবে না। প্রথম দিকে সহজ টপিক নিয়ে লিখবেন। আস্তে আস্তে কঠিন নেবেন।
৮. তথ্যভিত্তিক ইংরেজি লেখা হলে শুধু ইংরেজিই লিখবেন না, সঙ্গে তথ্য দেবেন। এতে লেখার মান বাড়বে। আর রিডার সন্তুষ্ট হলে আপনার লাভ।
৯. টেন্স ও প্রিপোজিশন সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণার জন্য চৌধুরী অ্যান্ড হোসাইনের এসএসসি ইংলিশ সেকেন্ড পেপার গাইডটা পড়তে পারেন। ইংরেজি পত্রিকা The Daily Star নিন।
ছ. অনুবাদের জন্য ফ্রি হ্যান্ডের নিয়মগুলো বেশ কাজে দিবে। চর্চা করতে থাকুন। আর অনুবাদ শতভাগ মিলতে হবে, এমন কোনো কথা নেই। বড় বাক্য হলে ভেঙে একাধিক বাক্যও হতে পারে। থিমটা বোঝাতে পারলেই নম্বর আসবে।
জ. রচনা কোনটা আসবে বলা কঠিন। তবে দশটি কমন টপিকস সম্পর্কে ধারণা নিয়ে যান, যা আপনার সাধারণ জ্ঞান ও বাংলা রচনায়ও কাজে লাগবে। এই বিষয়গুলোতে তথ্য সংগ্রহ করতে থাকুন। নোট করুন। যথা- ১. নারী (নির্যাতন, উন্নয়ন, ক্ষমতায়ন, মুক্তি) ২. শিক্ষা (সমস্যা, নীতি, সম্ভাবনা, হার) ৩. গণতন্ত্র ( সমস্যা, সম্ভাবনা, বর্তমান চিত্র) ৪. দুর্নীতি চিত্র (টিআইবি, টিআই, বিভিন্ন খাতের অবস্থা) ৫. জ্বালানি পরিস্থিতি (বিদ্যুৎ, গ্যাস, খনিজ তেল, উৎপাদন, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা) ৬. শিল্প (পোশাক, চামড়া, পর্যটনের সার্বিক দিক) ৭. দারিদ্র্য পরিস্থিতি (হার, কারণ, চিত্র, সরকারের পরিকল্পনা ও উদ্যোগ) ৮. আইসিটি চিত্র (মোবাইল, ইন্টারনেট, পরিকল্পনা, সুবিধা, অসুবিধা) ৯. পরিবেশ অবস্থা (ভূমিকম্প, জলবায়ু পরিবর্তন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পদক্ষেপ) ১০. সন্ত্রাসবাদ (ধর্মীয়, রাজনৈতিক, আইএস, বোকো হারাম, প্রেক্ষাপট- বিশ্ব ও বাংলাদেশ, গৃহীত পদক্ষেপ)।
ঝ. বাজার থেকে যেকোনো একটি লিখিত ইংরেজি গাইড সংগ্রহ করে নিন। অনুশীলন ও বিগত প্রশ্ন পড়তে কাজে লাগবে।
অনেক কিছু তো হলো আর দরকার নেই। এবার কাজে লেগে পড়ুন। আশা করি, আপনার ইংরেজির উন্নতি হবে। ধন্যবাদ।
সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন
আজকে কথা বলব আমাদের ম্যাথের অন্যতম important অংশ, ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতি নিয়ে। সারাজীবন এটিকে হয়ত আমরা একটু ভয় পাওয়া বিষয় হিসেবে ভেবে এসেছি। আসুন,মজার বিষয়টা জানা যাক।
মুলত ত্রিকোণমিতি ও জ্যামিতি খুব কাছাকাছি অবস্থান করে থাকে। জ্যামিতির ত্রিভুজের concept এই ত্রিকোণমিতিতে লুকিয়ে থাকে। আপনি যদি ত্রিভুজের প্রতি ভালবাসা বানাতে পারেন, তাহলে খুব সহজেই আপনি ত্রিকোণমিতি বুঝতে পারেন। আর একটু specific করে বললে বলতে হবে, সমকোনী ত্রিভুজ এর মধ্যেই ত্রিকোণমিতি লুকিয়ে আছে। আপনি হাতে খাতা কলম থাকলে একটা সমকোনী ত্রিভুজ আকতে পারেন। একদম খাড়া হয়ে থাকা দাগটি হচ্ছে লম্ব, যেটিকে আপনি একটি বিল্ডিং বলতে পারেন। তাহলে যদি বিল্ডিং এর পিছনে সূর্য মামা থাকে, তাহলে কিন্তু দালানের ছায়া হবে। যেটি কিনা দালানের সামনেত দিকে গিয়ে পড়বে। ছায়ার প্রান্ত থেকে দালানের নিচের প্রান্ত পর্যন্ত দাগ কাটলেই ভূমি পাবেন। আর যদি ছায়ার প্রান্ত থেকে দালানের উপড়ের প্রান্তে দাগ কাটেন, তবেই অতিভুজ পাবেন। তাহলে অনেক সহজে আমরা সমকোনী ত্রিভুজের হিসেব থেকে দালান, সূর্য, ছায়ার বিষয় নিয়ে আসতে পারি। ঠিক এইভাবেই ভাবতে হবে, তাহলে ম্যাথ মনে হবে ভাষা।
এবার আপনি তো জানেন, এখানে তিনটি কোন হয়েছে। আবার প্রতিটি কোনের দুটি বাহু আছে। এবার একটা জিনিস বলি ত্রিকোণমিতিতে বারবার শুনেছেন, উন্নতি কোনের কথা, এবার এটা একটু জানার চেষ্টা করা যাক। আবার অনেক সময় অবনতি কোন দেয়া হলেও সেখান থেকে উন্নতি কোন বের করতে হয়। যাই হোক মুলত ছায়ার যে প্রান্ত থেকে দালানের উপরে দিকে দাগ দিয়েছেন, সেটি হল উন্নতি কোন এর কারনে হয়েছে। দেখবেন ভূমি আর অতিভুজ মিলেই এই কোন বানিয়েছে। এবার যারা ম্যাথ নিয়ে কাজ করত, তাদের মাথায় আসল কিভাবে নামকরন করা যায়। ভূমি আর লম্বের যে relation, তার নাম দিল Tan, লম্ব আর অতিভুজের সম্পককে নাম দিল sin আর ভূমি আর অতিভুজের সম্পক কে নাম দিল cos. এভাবেই ত্রিকোণমিতি তে মানুষ পদক্ষেপ করল।
এবার আসল এদের মান গুলি বের করার পালা। এটা কিন্তু মানুষ দরকারে বের করেনি। সময় তাদের যথাযথভাবে বের করিয়েছে। আমরা বইয়ে অনেকেই না বুঝে এগুলো মুখস্ত করেছি। কিন্তু আমরা চাইলেই এগুলি নিজে বুঝে বুঝে মুখস্থ করতে পারি। এরপর মানুষ বুঝল যা দিয়ে আমরা কেবল দালানের উচ্চতা মাপি তা দিয়ে অনুপাতের সুত্র ব্যবহার করে চাঁদের দূরত্বও মাপতে পারি। আরো নানা কাজে ত্রিকোণমিতি ব্যবহার করা শুরু হল। কিন্তু সমস্যা হল অন্য জায়গাতে গিয়ে। sin 60 বের করা যায়। কিন্তু circle এর highest degree হল 360. অধিকিন্তু sin 540 এর মান বের করতে হবে, তখন কি করব!! ধীরে ধীরে মানুষ advance trigonometry বুঝতে শুরু করল। কিন্তু সমস্যা হল এত সমস্যা কি হাতে কলমে করা যায় নাকি, তখন সমস্যা মেশিন দিয়ে সমাধান করা শুরু করল। এইভাবে একটি সাধারন জিনিস কে complex করতে করতে advance level এ পর্যন্ত আসলো।
যা হোক,এবার আসি ত্রিকোণমিতির ম্যাথগুলি অনুশীলন করার ব্যাপারে। ক্লাস ৯ এর পুরানো সিলেবাসের জ্যামিতি,ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতির একটা বই আছে। ওই বইয়ের অধ্যায় গুলির সূত্রগুলো ভালোভাবে বুঝে বুঝে ম্যাথগুলি করলে দেখবেন যে ম্যাথগুলি খুব সহজে নিজের দখলে চলে এসেছে।বুঝে বুঝে করতে একটু সময় বেশি লাগবে কিন্তু এতে আপনার ম্যাথ করার দক্ষতা বাড়বে এবং সহজে নিয়মগুলো মনে থাকবে।এরপর যেকোনো একটা গাইড বই থেকে এই related ম্যাথগুলো সমাধান করে ফেলুন।
এবার আসা যাক পরিমিতির ব্যাপারে।পরিমিতিতে ভাল করার জন্য একটু ভাল বেসিক তৈরি করাটা জরুরি।ত্রিভুজ, আয়তক্ষেত্র, সামান্তরিক, বর্গ, রম্বস, ঘনক, কোণ, সিলিন্ডার,বেলন- এগুলো থেকে ম্যাথ বেশি আছে।তাই এ বিষয়গুলো খুব ভালোভাবে শিখতে হবে। সূত্রগুলো মুখস্ত করার আগে সূত্রগুলো কিভাবে আসে, এটা ভাল করে বুঝতে হবে।যদি এটা শেখা যায়, তবে যত কঠিন ম্যাথ আসুক না কেন, solve করা যাবে। ক্লাস ৯ এর পুরানো সিলেবাসের জ্যামিতি, ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতির বই থেকে সূত্রগুলো পাবেন ব্যাখ্যাসহ।
আরও ভালোভাবে সূত্রগুলো শিখতে ইন্টারনেট এর সাহায্য নেয়া যেতে পারে।এরপর ওই বইটার পরিমিতির ম্যাথগুলো একটু ভালোভাবে সমাধান করলে দেখবেন ভালো দক্ষতা চলে এসেছে পরিমিতির ব্যাপারে। এরপর যেকোনো একটা গাইড বই থেকে এই related ম্যাথগুলো সমাধান করে ফেলুন।
আসলে লেখার মাধ্যমে তো আর সূতগুলো সহজে ব্যাখ্যা করা সম্ভব না। ত্রিকোণমিতির ও পরিমিতির সূত্রগুলো খুব সহজে ভেঙ্গে ভেঙ্গে ব্যাখ্যা করা যায় এবং একটা সুত্রের সাথে অন্য সূত্রের সম্পর্ক বের করা যায়। এছাড়াও চিত্র এঁকে খুব সহজে ব্যাখ্যা করা যায়। সূতগুলো যত ভালভাবে ভেঙ্গে ভেঙ্গে চিত্রের মাধ্যমে বুঝা যাবে, তত ভালোভাবে এই সম্পর্কিত ম্যাথ গুলি করা যাবে। এটা সত্য, একটা জটিল বিষয় বুঝতে কঠিন, কিন্তু তার বেসিক থেকে এগিয়ে গেলে দক্ষতার সাথে জটিলতা দূর করা যায়।
সূত্রগুলো ভালো করে বুঝে ম্যাথ করতে বলা হয় এই কারনে যে, যেটুকু আমার শিখব, ওটুকু যেন আমাদের মাথায় খুব ভাল করে গেঁথে যায়,ওটুকু থেকে কোন কিছু পরীক্ষায় আসলে আমরা যেন ভুল না করি। ত্রিকোণমিতি ও পরিমিতি অংশে ভালো করার জন্য নিয়মিত অনুশীলন করার কোন বিকল্প নেই।যত বেশি বেশি অনুশীলন, তত বেশি পরীক্ষায় ভাল করার সম্ভবনা………………Simple math!!!!!!!!!!!!!!!!!
লক্ষ্য স্থির করে পড়াশুনা চালিয়ে যান। সফলতা আসবেই। আজ এ পর্যন্তই থাক। সবাই ভাল থাকবেন।
লেখা বিষয়ে কোন পরামর্শ থাকলে আমার ইনবক্সে যোগাযোগ করতে পারেন। ফেইসবুক আইডিঃ Avizit Basak
“Don’t spend time beating on a wall, hoping to transform it into a door. ” ― Coco Chane
বি দ্রঃ লেখাটাতে শুধু আমার নিজের আইডিয়া অনুযায়ী ধারণা দেয়া হয়েছে। আপনি আপনার মত করেও প্রস্তুতি নিতে পারেন। সফল হবার জন্য যে প্রস্তুতি দরকার, সেটা সম্পন্ন করাটাই মুখ্য কাজ।আর ছোটখাটো বা অনিচ্ছাকৃত কোনও ভুল থাকলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন দয়া করে।
সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন
লিখিত পরীক্ষা একদম সন্নিকটে । পরীক্ষা যত এগিয়ে আসতে থাকে একটু হলেও তো দুশ্চিন্তা বাড়তে থাকে । কিন্তু পরীক্ষা নিয়ে খুব বেশি দুশ্চিন্তা করা ঠিক হবেনা । লিখিত পরীক্ষায় ভালো করতে হলে অবশ্যই লিখার মান ভালো থাকতে হবে । একই সাথে সময়ের সঠিক ব্যবহারের দিকেও দিতে হবে বিশেষ নজর । যেকোনো পরীক্ষার প্রশ্নে আগে দেখতে হবে সেই বিষয়ে কতগুলো প্রশ্ন এসেছে , কোন প্রশ্নের নম্বর কত ইত্যাদির ওপর নির্ভর করে কোন প্রশ্নের উত্তর কতটুকু লিখবেন সেটা সিদ্ধান্ত নিবেন। লিখিত পরীক্ষার প্রতিটি বিষয়ের বিগত বছরের প্রশ্ন কেমন হয়েছে, প্রশ্নের ধরণ কেমন ছিল এসব জেনে একটা প্ল্যান অনুযায়ী পরীক্ষা দিতে গেলে পরীক্ষায় ভালো করাটা অনেকটা সহজ হবে । আপনি বিগত বছরের প্রতিটি পরীক্ষার প্রশ্নগুলো দেখে প্রত্যেকটা বিষয়ে আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখবেন যে কোন প্রশ্ন দিয়ে আপনি উত্তর করা শুরু করবেন । আর কয় পৃষ্ঠা লিখবেন , উত্তর কত বড় লিখবেন এসব নির্ভর করে সেই প্রশ্নে নম্বর কত তার ওপর । তবে লিখিত পরীক্ষায় যেসব প্রশ্নের উত্তরে পূর্ণ নম্বর পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে যেমন গনিত, বুদ্ধিমত্তা, বাংলা ও ইংরেজি গ্রামার, যেকোনো টীকা ছোট ছোট প্রশ্নের উত্তর ইত্যাদি । এখন প্রতিটি বিষয় সময় ভাগ করে নিয়ে মোটামুটি একটা রিভিশন দিতে পারেন, এখন নতুন কিছু স্টাডি করার চেয়ে আপনার লিখার কৌশলগত দিকের প্রতি বেশি খেয়াল রাখতে হবে । গদবাধা পাতাভরা লিখার চেয়ে সুন্দর , তথ্যপূর্ণ গোছানো লিখাটা জরুরী । আপনার খাতা দেখে যেন স্পেশাল মনে হয় । এখন অল্প সময়ে যেভাবে স্টাডি করতে পারেন
১ — বাংলা বিষয়ে এর মধ্যে আশা করি মোটামুটি হলেও টুকটাক স্টাডি করেছেন । এখানে মূলত আপনাকে যেটা স্টাডি করতে হবে তাহল গ্রামার আর সাহিত্য । ভাব সম্প্রসারণ, সারমর্ম , অনুবাদ, সাহিত্য সমালোচনা , রচনা এসব বানিয়েই লিখতে হয় । বানিয়ে লিখার মধ্যে যেন রশদ থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন । বিভিন্ন ধরণের পত্র লিখার ধরণটা দেখে যাবেন । যারা আগে মোটামুটি একটু প্রস্তুতি নিয়েছিলেন তাদের জন্য এখন একটু সুবিধা হবে , গ্রামার আর সাহিত্য ডাইজেস্ট টাইপ যেকোনো বই থেকে দেখে নিতে পারেন । আগে যদি সমিত্র শেখর স্যারের বই এর সাহিত্য অংশ পড়া থাকে তাহলে একটু সুবিধা হবে । বাংলায় কোন প্রশ্নের উত্তরে কতটুকু সময় ব্যয় করবেন সেটা আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে রাখবেন ।
২ — ইংরেজিতেও সময় নিয়ে গ্রামার একটু দেখে নিন, আপনার দেখা vocabulary গুলোও একটু রিভিশন দিন, letter বা application লিখার ধরণটাও দেখে নিন । কিছু অনুবাদ চর্চা করুন যেকোনো গাইড থেকে বা যে বই থেকে আপনি স্টাডি করেছেন ।
৩ — গনিতের বিভিন্ন সূত্রগুলো একবার ঝালাই করে নিন । বিগত বছরের কিছু প্রশ্ন সমাধান করুন । যেকোনো গাইড থেকে প্রতিটা অধ্যায় ভিত্তিক সূত্র আর যে টাইপের প্রশ্ন বিগত বছরগুলোতে এসেছে সেগুলো কিছু সমাধান করুন । বুদ্ধিমত্তাও যেকোনো ডাইজেস্ট টাইপ গাইড থেকে একবেলা ৩-৪ ঘণ্টা একটানা দেখুন । মানসিক দক্ষতা আসলে সামগ্রিক প্রস্তুতির সমন্বয় । এটা নিয়ে বেশি ভাববেন না, বিগত বছরগুলোর প্রশ্নগুলোও একবার দেখতে পারেন । পরীক্ষার হলে কোন math সমাধান করতে গিয়ে করতে না পারলে মাথা গরম না করে অন্য math শুরু করুন । যাইহোক আপনাকে মাথা ঠাণ্ডা রাখতে হবে। সব পারতে হবে, সবাই সব পারবে এমন নয় বিষয়টি ।
৪ — বিজ্ঞান সময় নিয়ে একটু দেখুন । যেকোনো গাইড থেকেই দেখুন । এখন আপনাকে শর্টকাট দেখতে হবে । এজন্য আগে যারা একটু details স্টাডি করেছেন তাদের জন্য লিখিত পরীক্ষায় ভালো করাটা সহজ হবে । সুযোগ পেলে অবশ্যই বিজ্ঞান প্রশ্নের উত্তরে চিত্র দিয়ে আসবেন । অনেক বেশি প্রশ্ন আসলে আপনাকেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে যে গড়ে প্রতি প্রশ্নের উত্তরে কতটুকু সময় নিবেন । লিখিত পরীক্ষায় সময় এর সঠিক ব্যবহার খুবই গুরুত্বপূর্ণ । যেকোনো চিত্র দিতে HSC এর বই থেকে সাহায্য নিতে পারেন । বিজ্ঞান বিগত বছরের প্রশ্নগুলোও একবার দেখে নিন । প্রিলির সময় ভালমতো স্টাডি করা থাকলে সেটা লিখিত পরীক্ষায় অনেক সাহায্য করে । নতুন করে খুব বেশি কিছু দেখার দরকার নেই, এতদিন যা দেখেছেন সেটা ভালো করে দেখে যান ।
৫ — সাধারণ জ্ঞান ২ দিন দেখুন । বাংলাদেশ প্রসঙ্গ ২ দিন আর আন্তর্জাতিক একদিন দেখুন । সাধারণ জ্ঞান মূলত আপনাকে নিজের মত লিখতে হবে , তবে এখানে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে আপনি কততা গুছিয়ে তথ্যবহুল করে লিখতে পারলেন সেটা । অনেকেই কিন্তু অনেক ভালো প্রস্তুতি নিয়ে গিয়ে পরীক্ষার হলে সব লিখে আসতে পারেন না । মাথা বেশি ভারী করে পরীক্ষা দিতে গেলে পরীক্ষা খারাপ হবার সম্ভাবনা বাড়ে । বেশি দুশ্চিন্তা করলেও পরীক্ষা খারাপ হবার চান্স বাড়ে। সাধারণ জ্ঞানের কিছু প্রশ্ন আসে চিরন্তন আর কিছু আসে সাময়িক ঘটনাবলী থেকে । এজন্য এখন যেকোনো ডাইজেস্ট টাইপ গাইড থেকেই দেখে নিন । গাইড থেকে আপনি ধারণা নিবেন কিন্তু লিখবেন নিজের মত । টপিক তো সীমিত তা আপনি জানেন যেমন নারী, পরিবেশ, বিশ্ব অস্থিরতা, জাতিসংঘ , সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধ , উপমহাদেশের ইতিহাস, সামাজিক উন্নয়ন, দুর্নীতি ইত্যাদি । এসব টপিক থেকে কোন ধরণের প্রশ্নের উত্তর কিভাবে লিখা শুরু করবেন তা আগে থেকেই প্ল্যান করে রাখুন ।
সংজ্ঞা নাকি কবিতার লাইন, নাকি সংবিধানের অনুচ্ছেদের উদাহরণ নাকি কোন ঘটনার উল্লেখপূর্বক লিখা শুরু করবেন তা সিদ্ধান্ত আগেই নিয়ে রাখবেন । তাহলে লিখতে সুবিধা হবে । সাধারণ জ্ঞান বেশি প্রশ্ন আসলে প্রতিটি প্রশ্নে কম সময় নিয়ে এর মাঝে বিভিন্ন reference দিয়ে গুছিয়ে লিখার চেষ্টা করবেন । সুযোগ সুবিধামত ছক, ম্যাপ, বিখ্যাত ব্যক্তির অবদান , পত্রিকার reference , বিখ্যাত বই এর reference ইত্যাদি দিতে পারেন । আন্তর্জাতিকেও তাই, সাম্প্রতিক ঘটনাবলী নিয়ে যেকোনো গাইড থেকে দেখে নিন, কিন্তু reference দিবেন নিজের মত । reference লিখার সময় নীল কালি ব্যবহার করতে পারেন । প্রশ্নের নম্বর অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিবেন যে কতটুকু লিখবেন । সংবিধানের উল্লেখযোগ্য অনুচ্ছেদগুলো দেখুন, হুবুহু লিখতে না পারলে অনুচ্ছেদ এর নম্বর ঠিক রেখে নিজের মত করে লিখুন, তবে খেয়াল রাখবেন আপনার লিখা যেন মূলকথা থেকে যেন বিচ্ছিন্ন না হয় ।
** এখন জাস্ট প্ল্যান করা, খুব বেশি স্টাডি করে মাথা গরম করা বা নতুন অনেক বেশি কিছু পড়তে যাওয়া এসব করা যাবেনা । প্রেশার নিবেন না খুব বেশি, তাহলে পরীক্ষা খারাপ হবার সম্ভাবনা বাড়বে । পরীক্ষার হলে যাওয়ার আগে কয়েকটি কলম নিয়ে যান , পুড়নো কলম মানে কিছু কালি খরচ করা কলম হলে ভালো হয়, অনেকসময় নতুন কলমে জোরে লিখতে সমস্যা হয় । সাথে পেন্সিল, ইরেজার , স্কেল, নীল কালির কলম ইত্যাদি নিয়ে যাবেন । খাতা পাওয়ার পর ঠাণ্ডা মাথায় সবকিছু পূরণ করুন । প্রশ্নপত্র হাতে পাওয়া মাত্র লিখা শুরু করতে যাবেন না , আগে ঠাণ্ডা মাথায় একবার দেখুন প্রশ্নপত্রটি , কয়টি উত্তর করতে হবে, কোন বাধ্যবাধকতা আছে কিনা দেখে নিন ভালমতো । কয়টা প্রশ্ন ভালো পারেন আর কয়টি বানিয়ে লিখতে হবে তখনই সিদ্ধান্ত নিবেন । যেটা সবচেয়ে ভালো পারবেন সেটা দিয়ে উত্তর করা করবেন ।
পরীক্ষায় সব প্রশ্ন কমন পাবেন এমনটি নয়, ৫০% স্টাডি থেকে পাবেন আর ৫০% নিজের লব্ধ জ্ঞান থেকে আপনাকে লিখে আসতে হবে । কোন কিছু না পারলে নার্ভাস হবেন না, দেখা যাবে আপনি যা পারছেন না অনেকেই তা পারছে না । কে কি উত্তর করছে , কে কেমন পরীক্ষা দিচ্ছে এসবের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল আপনি কেমন পরীক্ষা দিচ্ছেন। সব পরীক্ষা সমান ভালো দেয়া সম্ভব না, কিন্তু চেষ্টা করবেন গড়ে যেন সব পরীক্ষাই মোটামুটি ভালো হয় । কোন প্রশ্ন ছেড়ে আসার চেষ্টা করবেন না, কিছু হলেও লিখে আসবেন । ভালো প্রস্তুতি নিয়ে খারাপ পরীক্ষা না দিয়ে , খারাপ প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও ভালো পরীক্ষা দেয়ার চেষ্টা করবেন, এতে লাভ বেশি। কনফিডেন্স রাখুন নিজের ওপর । এই অল্প সময়ে প্রতিটি বিষয় মোটামুটি দেখে যাওয়ার চেষ্টা করবেন । অবশ্যই খেয়ে পরীক্ষা দিতে যাবেন , পারলে সাথে ছোট এক বোতলে গ্লুকোজ পানি , মাথাব্যথার ওষুধ আর এসিডটির ওষুধ নিয়ে যেতে পারেন, অনেককে সমস্যায় পড়তে দেখেছি তো তাই বললাম । বেশি প্রেশার নিতে যাবেন না এখন, বেশি স্টাডি করার চেয়ে প্রতিটি পরীক্ষা প্ল্যান করে দেয়ার চেষ্টা করবেন । আর কি বলবো, মাথায় আসছে না, ভালো থাকবেন সবাই, good luck guys.
সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন
সেজন্য ক্ষমা চাচ্ছি। প্রথমে একটা কথা বলি মনে রাখুন বিসিএস ক্যাডার দু‘ভাবে হওয়া যায়
- ক্যাডার হয়ে( ট্যাকটিকালি পড়ে)
- বিসিএস বিশেষজ্ঞ হয়ে ( অনেক পড়ে ) এরা অনেক সময় ই ফেল মারে।(বিসিএস বিশেষজ্ঞ হওয়ার বা অনেক কিছু জানার জন্য অনেক সময় পাবেন ।)
এখন ডিসিশন নিন কোনটা করবেন ।
বিসিএস সিলেবাস যেহেতু অনেক বড় সেহেতু একটি কথা মনে রাখুন ‘‘কিছু কিছু বিষয়ের সব কিছু আর সব কিছু বিষয়ের কিছু কিছু‘‘ । এইটায় আপনাকে খুঁজে বাহির করতে হবে যে কোন কোন টপিকস গুলো বেশি গুরুত্বপূর্ণ । আবার এমন কিছু টপিকস আছে যা বার বার আসে ও এক সাবজেক্ট এর বিষয় অন্য সাবজেক্টে মিল থাকে। যেমন: বাংলাদেশ, আন্তর্জাতিক এর কিছু কিছু বিষয় মিল আছে , আবার এদের সাথে বাংলা ২য় পত্রের রচনা মিল আছে । সুতরাং এইক্ষেত্রে আপনাকে সমন্বয় করতে হবে। পড়া শুরু করার সবার আগে সিলেবাস নিয়ে বসুন , পড়ুন। এবার বিগত সালের প্রশ্ন গুলো ভালো করে দেখুন ও সিলেবাসের টপিকসের মেলানোর চেষ্টা করুন এবং অধ্যায় ভিত্তিক সাজেসন্স তৈরি করুন। সবার আগে নিজের সাজেসন্সটা সবচেয়ে বেশি কার্যকরী হয় কারণ Only the Wearer knows where the Shoes pinches. অধ্যায় ভিত্তিক সাজেসন্স করার পর পড়ালেখা শুরু এবং ডেটা কালেকশন শুরু। মনে রাখবেন সঠিক পরিকল্পনা ছাড়া রিটেনের সিলেবাস শেষ করা যায় না । কথায় আছে Well plan ,Half done . আবার ভালো পরিকল্পনা ও কৌশল দিয়ে বিসিএস ভালো করার রেকর্ড বেশি ।সেদিকে নজর দিন।
এখন আসি , কি কি বই পড়বেন ? বা কি কি বই কিনবেন । এক কথায় উত্তর দিতে বললে বলব প্রফেসর‘স কিংবা ওরাকল বা অ্যাসুরেন্স সিরিজ গুলোর মধ্যে যেকোন দুই সেট বই কিনলেই হবে। আর যদি খুঁতখুতে ভাব থাকে তাহলে তাদের জন্য বলব…….
১।বাংলা
———-
সৌমিত্র শেখরের জিজ্ঞাসা ও দর্পন, হায়াদ মামুদের ভাষা ও শিক্ষা (ব্যাকরণ পাঠের জন্য ) , গ্রন্থ সমালোচনার জন্য মোহসিনা নাজিলার শীকর এবং প্রফেসর‘স বাংলা / ওরাকল বাংলা ।>> বিগত সালের সাহিত্য প্রশ্ন গুলোর জন্য
২। ইংরেজি
———–
ভালো মানের গ্রামার যেটা আপনি ভালো বোঝেন (বেসিক রুলসের জন্য), ১১-১২শ্রেণির ইংরেজি কম্প্রিহেসন বই , প্রফেসর‘স ইংরেজি/ সেলফ অ্যাসেসমেন্ট ইংরেজি। নিয়মিত ইংরেজি পত্রিকা পড়া ,কিছু নোট করা , আর ফ্রি হ্যান্ড রাইটিং জোর দেওয়া। নিয়মিত ৩ ঘণ্টা করে সময় দিন ইংরেজিতে । মনে রাখবেন ইংরেজি আর গণিত ই আপনাকে ক্যাডার পাওয়া দৌড়ে এগিয়ে রাখবে। বাকি সাব গুলো কিছু দিন মনোযোগ দিয়ে পড়লেই পেরে যাবেন।
৩। বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী
———————————————-
প্রফেসর‘স বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলী ভালো ও নির্ভরযোগ্য তথ্য পাবেন। । অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০১৫ মুল টার দাম অনেক কয়েকজন কিনে ফটোকপি করেন।। আরিফ খানের > সংবিধান। টাকা থাকলে মিলারস প্রকাশনীর বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক এর দুটো কিনতে পারেন ওখানে পয়েন্ট আকারে দেওয়া অনেক বিষয় । তাছাড়া আন্তর্জাতিকের জন্য কিছু বেসিক কনসেপ্টর জন্য উচ্চমাধ্যমিকের পৌরনীতি বই ও আব্দুল হাইয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক , সংগঠন,ও পররাষ্ট্রনীতি বইটা কাছে রাখা ভালো।
পত্রিকা কাটিং , উক্তি , ম্যাপিং নিয়মিত অনুশীলন করা ভালো।
এই পার্টে খুব বেশি সময় না দেওয়াই ভালো । ম্যাটেরিয়ালস রেডি রাখবেন । শেষের দিকে জোর দেওয়া ভালো মনে থাকবে। আর চোখ কান খোলা রাখা ভালো কোথায় কি হচ্ছে সে দিকে।
৪। বিজ্ঞান
—————–
৯-১০শ্রেণির সাধারণ বিজ্ঞান(মানবিকের টাতে রিটেনে ৬টা চ্যাপ্টার পাবেন। ) তবে সিলেবাসের কিছু কিছু টপিকসের জন্য ৯-১২শ্রেণির পদার্থ, রসায়ন ও জীববিজ্ঞান বই থেকে পড়তে হবে , তাই কাছে রাখা ভালো। গাইড কিনলে ওরাকল বিজ্ঞান টা ভালো ।
কম্পিউটার ,ও তথ্য প্রযুক্তির জন্য ১১-১২শ্রেণির তথ্য প্রযুক্তি বই থেকে কিছু কিছু পাবেন। আর বাকিগুলো অ্যাসুরেন্সর বিজ্ঞান গাইড থেকে শুধু কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি অংশটা ফটোকপি।
৫।গণিত
———–
পাটিগণিত যে ৩টা আসবে তা বিগত সালের গুলোকে ভালো করে আয়ত্বকরতে হবে। বীজগণিতের জন্য ৯-১০শ্রেণি বই থেকে টকিস ধরে ধরে পড়া ভালো। তাছাড়া বিগত সালের জ্যামিতি গুলো কণ্ঠস্থ করা উচিত যদি অংক কম পারেন।
বিন্যাস সমাবেশ > ১১-১২ শ্রেণির আফসারউজ্জামানের বীজগণিত ও ত্রিকোণোমিতি বই থেকে প্রাকটিস করতে হবে।
কার্তেসীয় জ্যামিতি >> ১১-১২ শ্রেণির আফসারউজ্জামানের জ্যামিতি বই থেকে দুটো চ্যাপ্টার করতে হবে। যারা কম বোঝেন তারা ১১-১২শ্রেণির পাঞ্জেরি গণিত গাইড থেকে দুটো চ্যাপ্টার ফটোকপি করতে পারেন ও ছোট ভাই বোনদের সাহায্য নিতে পারেন। গণিত শিখার জন্য কারো কাছে কোন সংকোচ বোধ না করাই ভালো
সাথে থাকবে >> প্রফেসর‘স গণিত ।
যদিও আপনি অনেক পারেন তবুও নিয়মিত ২ ঘণ্টা করে গণিত চর্চার বিকল্প নাই ।
৬। মানসিক দক্ষতা
—————
ওরাকল মানসিক দক্ষতা । সাথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইভিনিং এমবিএ এ্যাডমিশন গাইড।
আর পরীক্ষার আগে যেকোন দুটো সিরিজের ডাইজেস্ট কিনা ভালো । বই কিনে কেউ কখনও দেওলিয়া হয় না।
অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন কোচিং করব কিনা ? যারা ১ম বার তারা কোচিং করতে পারেন। আবার যাদের আলসেমি স্বভাব আছে তারাও যেতে পারেন । মনে রাখবেন কোচিং মানে নির্দেশনা নেওয়া তার মানে এই নয় যে তারা যা কিছু গলাদ করণ করতে বলবে সেটা করা । কোচিং গুলো বেহুদায় কোটি কোটি তথ্য মুখস্ত করতে বলে যেগুলো কাজে দেয় না শুধু পেইন দেয় । কোচিং এ যাবেন নির্দেশনার জন্য আবার সেই নির্দেশনাকে নিজের মতো করে নিবেন । সারা দিন পড়ে কোচিং এ যাবেন রিলাক্সের জন্য কিংবা যা পড়লাম তা মনে আছে কিনা তা যাছাইযের জন্য।
কয়েকজন ভালো বন্ধুর সাথে যোগাযোগ রাখুন যারা বিসিএস নিয়ে সিরিয়াস ও শেয়ারিং মানসিকতা আছে। পারলে গ্রুপ স্টাডি শুরু করতে পারেন। তবে পণ্ডিতদের কাছ থেকে ১০০ হাত দূরে থাকুন, কেননা এরা আপনার মনোবল কে দূর্বল করে দিবে। পারলে ছোট ভাইবোন/ গার্লফ্রেন্ড/ বয়ফ্রেণ্ড/ হাজব্যান্ড/ ওয়াইফের হাতে বই দিয়ে বলুন আমি এগুলো পড়েছি আমাকে ধর ত দেখি পারি কিনা । কিংবা আয়না সামনে দাঁড়িয়ে পঠিত বিষয়গুলো জায়র কাটতে পারেন। এটা ভীষন উপকারে দিবে।
ও হ্যাঁ একটা কথা বলতে ভুলেই গেছিলাম আর তা হল দ্রুত লেখার অভ্যাস করা সেজন্য প্রতিদিন কমপক্ষে ৪-৫ পৃষ্টা করে ঘড়ি ধরে লিখবেন কেননা আপনি অনেক কিছু জানেন কিন্তু সময়ের অভাবে লিখতে পারলেন না সেটা কোন কাজেই দিবে না। তাই আগেই থেকেই সর্তক হওয়া ভালো নইলে পরে পস্তাতে হয় ।খাতায় একটু ভিন্নভাবে উপস্থাপনে জন্য নিজস্ব কৌশল বাহির করুন। নিজেকে একটু ভিন্ন করে গড়ে তুলুন। খাতার পরিচ্ছনতার দিকে নজর দিন।
.
ভালো ভাবে প্রিপারেশন নিতে হলে আপনাকে টাইম ম্যানেজমেন্ট করতে হবে ভালভাবে। ঘোরা ঘুরি , টোনাটুনি ৫মাসের জন্য বন্ধ। ৫মাস পড়ে যদি ৩০বছর ভালো ভাবে লাইফ লিড করা যায় তাহলে কে না পড়ে থাকবে? আমার মনে হয় বিসিএস ক্যাডার হতে হলে আপনাকে আবার স্কুল লাইফে কিংবা ভার্সিটি এডমিশনের সময়ে ফিরে যেতে হবে। মনে করুন ত আপনি তখন কিভাবে , কত ঘণ্টা পড়েছিলেন । তাহলেই কেল্লা ফতে ।তখন পারলে এখনও পারবেন । ইস্টামিনাটা ওখান থেকে নিন।
‘‘কঠোর পরিশ্রম প্রতিভাকে হারাতে পারে , কিন্তু প্রতিভা কঠোর পরিশ্রমকে হারাতে পারে না।‘‘
’‘স্বপ্ন সেটা নয় ,যেটা মানুষ ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে দেখে, স্বপ্ন সেটাই যা মানুষকে ঘুমাতে দেয় না’’
.
আপনার বিসিএস ক্যাডার হওয়ার স্বপ্ন টা শুধু আপনার একার নয় ওটার সাথে জড়িয়ে আছে আপনার পরিবার , বন্ধু, শিক্ষকদেরও স্বপ্ন। আপনি কেন এই মানুষগুলোকে মিথ্যা স্বপ্ন দেখিয়েছেন ২৫ বছরে ধরে ! আপনার কারণে তাঁদের চোখে কেন জল আসবে ? আপনিত নিজের সাথেও প্রতারণা করতে পারেন না। এইসব কথা ভাবুন দেখবেন পড়াশুনায় গতি আসবে। সাথে সাথে স্রস্টার দিকে রজু হন। তিনি অব্যশই সাহায্য করবেন ।
যদি লক্ষ্য থাকে অটুট, বিশ্বাস হৃদয়ে; হবে হবেই দেখা, দেখা হবে বিজয়ে। সেই দিনটার অপেক্ষায় রইলাম। ভালো থাকবেন। মাঝে মাঝে আপনাদের একটু জ্বালাবো।
আল্লাহ হাফেজ।
সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন
* কোন প্রশ্নে কত সময় দেব, সেটা প্রশ্নের গুরুত্ব এবং সময়বণ্টন অনুযায়ী ঠিক করে ফেলতাম।
* কে কী পড়েছে, সে খবর কিছুতেই নিতাম না। এ সময়ে মনমেজাজ খারাপ করার তো কোনো মানেই হয় না।
* যা যা পড়েছি, তার তেমন কিছুই মনে থাকবে না, এটা মেনে নিতাম।
* পরীক্ষায় বেশির ভাগ প্রশ্নের উত্তরই ওই মুহূর্তে মাথায় যা আসে তা-ই, কিংবা মাথায় কিছু না এলেও জোর করে এনে, লিখে দিয়ে আসতে হয়। তাই এত দিন যত কিছু পড়েছি, সেসব কিছুতে খুব দ্রুত চোখ বুলিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করতাম, যাতে পরীক্ষার হলে কোনো প্রশ্ন একেবারে আনকোরা মনে না হয়!
* পেনসিল, কলম, রাবার, চৌকোনা স্কেল, ক্যালকুলেটর এসব গুছিয়ে রাখতাম। পরীক্ষার হলে কয়েকটা ‘চালু কলম’ নেওয়া ভালো। (আমি মূল খাতাটির পৃষ্ঠাগুলোতে চারদিকে মার্জিন করে, অতিরিক্ত পৃষ্ঠাগুলোর চারদিকে ভাঁজ করে দিয়েছিলাম।)
* গড়ে প্রতি তিন-পাঁচ মিনিটে এক পৃষ্ঠা লিখে, পরীক্ষার হলে সবার আগে আমিই ‘লুজ শিট’ নেব, এ ব্যাপারটা মাথায় রাখতাম। লিখিত পরীক্ষা নিঃসন্দেহে ছোটবেলার ‘যত বেশি সম্ভব তত বেশি’ লেখার পরীক্ষা।
* বাসা থেকে বের হওয়া, ফেসবুকে ঘন ঘন লগইন করা, কোচিংয়ে যাওয়া, অনাবশ্যক ফোনে গল্প করা, এসব মাথাতেও আনতাম না।
* লিখিত পরীক্ষা সুস্থ শরীরে মাথা ঠিক রেখে তিন-চার ঘণ্টা না থেমে নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে একনাগাড়ে উত্তর লেখার পরীক্ষা। তাই, পরীক্ষার আগের রাতে অবশ্যই খুব ভালো একটা ঘুম দরকার।
* প্রস্তুতি ভালো কিংবা খারাপ যা-ই হোক না কেন, পরীক্ষায় ভালো করার একটা সিক্রেট হলো, পরীক্ষার হলে ‘আই অ্যাম দ্য বেস্ট!’ এ ভাবটা যতক্ষণ পরীক্ষা দিচ্ছি ততক্ষণ মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে ধরে রাখা। এটা সত্যিই ম্যাজিকের মতো কাজ করে। আমার চেয়ে কেউ বেশি পারে, কিংবা আমার চেয়ে কেউ ভালো লিখছে, এটা মাথায় রাখলে আত্মবিশ্বাস কমে যাবে। ভালো পরীক্ষা দেওয়ার জন্য প্রস্তুতির চেয়ে পরীক্ষার হলে আত্মবিশ্বাসটাই বেশি কাজে লাগে।
* আমার অভিধানে ‘আনকমন প্রশ্ন’ বলে কিছু নেই। পরীক্ষায় প্রশ্ন কমন না এলে বানিয়ে লিখে দিয়ে আসতে হবে, বানাতে না পারলে কল্পনায় আনতে হবে, কল্পনায় না এলে জোর করে কল্পনা করতে হবে। আমি উত্তর করছি না, এটা কোনো সমস্যা না। সমস্যা হলো, কেউ না কেউ সেটা উত্তর করছে।
* আমি বিশ্বাস করি, ভালো প্রস্তুতি থাকলেই যেমনি ভালো পরীক্ষা দেওয়া যায় না, তেমনি খারাপ প্রস্তুতি থাকলেই খারাপ পরীক্ষা দেওয়া যায় না। ফলাফল সব সময়ই চূড়ান্ত ফলাফল বের হওয়ার পর, আগে নয়। এর আগ পর্যন্ত আমি কিছুতেই কারও চেয়ে কোনো অংশেই কম নই।
* আগে কী পড়েনি যা পড়া উচিত ছিল, সেটা নিয়ে মাথা খারাপ না করে, কী কী পড়েছি, সেটা নিয়ে ভাবতাম বেশি।
* লিখিত পরীক্ষায় এত দ্রুত আর এত বেশি লিখতে হয় যে মাঝেমধ্যে লিখতে লিখতে মনে হয় যেন হাতের আঙুলের জয়েন্টগুলো খুলে পড়ে যাবে। তবুও লিখেছি; ননস্টপ, আক্ষরিক অর্থেই। ওই তিন-চার ঘণ্টাতেই ছিল আমার জীবিকার ছক গাঁথা। বিসিএস পরীক্ষা মূলত লিখিত পরীক্ষায় বেশি মার্কস পাওয়ার পরীক্ষা।
* সংবিধানের সব ধারা আমার মুখস্থ ছিল না, অর্থনৈতিক সমীক্ষার তথ্য-উপাত্ত অত ভালো জানতাম না, মুখস্থবিদ্যা ছিল না, তবুও আমি চাকরি পেয়েছি। তবে আপনি পাবেন না কেন?
* এ সময়ে কিছু অভিনব প্রশ্নসমৃদ্ধ ‘টাচ অ্যান্ড পাস’ টাইপের সাজেশন পাওয়া যায়। এসব থেকে ১০০ হাত দূরে থাকতাম, নিজের সাজেশনসের ওপর নির্ভর করাই ভালো।
* যেসব প্রশ্ন বারবার পড়লেও মনে থাকে না, সেসব প্রশ্ন আমি বরাবরই এড়িয়ে গেছি। সবাই সবকিছু পারে না, সবকিছু সবার জন্য নয়।
* টেনশন থাকবেই। পরীক্ষা দিয়ে টেনশন করাটাও একটা সাধারণ ভদ্রতা। আমাকে না হয় কয়েকজন মানুষের প্রত্যাশার চাপ সামলাতে হয়, কিন্তু একজন সৌম্য সরকারকে তো অন্তত ১৬ কোটি মানুষের প্রত্যাশার চাপ মাথায় রেখে খেলতে হয়। ও পারলে আমি কেন পারব না?
* বেশি পড়া হলে ভালো পরীক্ষা দেওয়া যায়, এমনটা নাও হতে পারে। ভালো প্রস্তুতি নেওয়ার চেয়ে ভালো পরীক্ষা দেওয়াটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
* হাতের লেখা সুন্দর হোক বা না হোক, হাতের লেখা যাতে পড়া যায়। নীল কালিতে কোটেশন আর রেফারেন্স দিয়ে সবকিছু উত্তর করে হাতের লেখা সুন্দর রাখাটা রীতিমতো দুঃসাধ্য!
* কোন প্রশ্নের উত্তর কত পৃষ্ঠা লিখতে হবে, সেটা নির্ভর করে প্রশ্নটির নম্বর, গুরুত্ব, সময় আর আপনার লেখার দ্রুততার ওপর। সময় সবার জন্যই তো সমান, এটার সঠিক ব্যবস্থাপনাই আসল কথা।
‘এবার যা হয় হোক, পরেরবার একদম ফাটায়ে পরীক্ষা দেব’ এটা প্রতিবার পরীক্ষা দেওয়ার সময়ই আপনার মনে হতে থাকবে। এর আগে প্রথম আলোতে বিভিন্ন টপিক নিয়ে ছয়টি বিষয়ভিত্তিক লেখা এবং ৩৫টি পয়েন্টে ৩৫তম বিসিএস লিখিত পরীক্ষায় ভালো করার প্রস্তুতিকৌশল নিয়ে আমার লেখা এসেছিল। প্রয়োজনে সেগুলো পড়ে নিন। গুডলাক!
লেখক: ৩০ তম বিসিএেস প্রথম।
সবার আগে Google News আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন
- সিভিল সার্জনের কার্যালয় হবিগঞ্জ (Cs Habiganj) এর স্বাস্থ্য সহকারী পদের লিখিত পরীক্ষার full প্রশ্ন সমাধানের pdf ২০২৬

- পরমাণু শক্তি কমিশন ল্যাবরেটরি এটেনডেন্ট প্রশ্ন সমাধান ২০২৬ PDF, Baec Laboratory Attendant Exam Solution

- উত্তরা ব্যাংক (UTTARABANK) এর সহকারী কর্মকর্তা পদের নৈবিত্তিক পরীক্ষার full প্রশ্ন সমাধানের pdf ২০২৬
