Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
বিশেষ জাবেদা ও প্রকৃত জাবেদার পার্থক্য, বিশেষ জাবেদা vs প্রকৃত জাবেদার পার্থক্য
হিসাববিজ্ঞানের দু-তরফা দাখিলা পদ্ধতি অনুযায়ী ব্যবসায়ের দৈনন্দিন আর্থিক লেনদেনসমূহ চিহ্নিত করার পর সর্বপ্রথম যে প্রাথমিক বইতে তারিখের ক্রমানুসারে লিপিবদ্ধ করা হয়, তাকে জাবেদা (Journal) বলে। তবে ব্যবসায়ের আয়তন ও লেনদেনের প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে জাবেদাকে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়—বিশেষ জাবেদা (Special Journal) এবং সাধারণ বা প্রকৃত জাবেদা (General or Proper Journal)। ব্যবসায়ের হিসাব প্রক্রিয়াকরণ সহজ ও নিয়মতান্ত্রিক করার জন্য এই দুই জাবেদার মধ্যে কিছু মৌলিক ও কাঠামোগত পার্থক্য রয়েছে।
বিশেষ জাবেদা ও সাধারণ জাবেদার তুলনামূলক ছক
১০ নম্বরের প্রশ্নে ফুল মার্কস নিশ্চিত করার জন্য পার্থক্যের ভিত্তি বা বিষয় (Basis of Difference) উল্লেখ করে ছক আকারে উপস্থাপন করা অত্যন্ত জরুরি। নিচে একটি প্রিমিয়াম ছক দেওয়া হলো:
আরি পড়ুন ›গতানুগতিক vs ইসলামি মাইক্রো ফাইন্যান্স পার্থক্য, গতানুগতিক ও ইসলামি মাইক্রো ফাইন্যান্স মধ্যে পার্থক্য আলোচনাগতানুগতিক vs ইসলামি মাইক্রো ফাইন্যান্স পার্থক্য, গতানুগতিক ও ইসলামি মাইক্রো ফাইন্যান্স মধ্যে পার্থক্য আলোচনা…
আরি পড়ুন ›হিসাব তথ্য ব্যবস্থা কি? হিসাব তথ্য পদ্ধতির উপাদানগুলো কি?হিসাব তথ্য ব্যবস্থা কি? হিসাব তথ্য পদ্ধতির উপাদানগুলো কি? প্রথম অংশ: হিসাব তথ্য ব্যবস্থার…
আরি পড়ুন ›Write a paragraph on ‘Dhaka elevated expressway’, Short Paragraph on Dhaka elevated expresswayWrite a paragraph on ‘Dhaka elevated expressway’, Short Paragraph on Dhaka elevated expressway,Dhaka elevated…
| পার্থক্যের বিষয় | বিশেষ জাবেদা (Special Journal) | সাধারণ / প্রকৃত জাবেদা (General Journal) |
| ১. সংজ্ঞা | সমপ্রকৃতির বা একই ধরণের বিশেষ লেনদেনসমূহ লিপিবদ্ধ করার জন্য যে আলাদা আলাদা প্রাথমিক বই ব্যবহার করা হয়, তাকে বিশেষ জাবেদা বলে। | বিশেষ জাবেদায় স্থান পায় না এমন সব অনিয়মিত ও বিবিধ লেনদেন যে প্রাথমিক বইতে লিপিবদ্ধ করা হয়, তাকে সাধারণ জাবেদা বলে। |
| ২. লেনদেনের প্রকৃতি | এখানে কেবল নির্দিষ্ট সমজাতীয় লেনদেন বসে (যেমন: সব বাকিতে পণ্য ক্রয় এক বইতে)। | এখানে সব ধরণের অনিয়মিত ও বিবিধ লেনদেন বসে (যেমন: প্রারম্ভিক, সমাপনী বা সমন্বয় দাখিলা)। |
| ৩. প্রকারভেদ | এটি প্রধানত ৬ প্রকার (ক্রয়, বিক্রয়, ক্রয় ফেরত, বিক্রয় ফেরত, নগদ প্রাপ্তি ও নগদ প্রদান জাবেদা)। | এর নির্দিষ্ট কোনো প্রকারভেদ নেই, তবে এটি একটিই মূল জাবেদা বই। |
| ৪. কলাম বা ঘর | লেনদেনের প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষ জাবেদার ছকে বিশেষ বিশেষ কলাম বা ঘরের ব্যবস্থা থাকে। | এর ছক বা ঘর সবসময় নির্দিষ্ট ও সনাতন (তারিখ, বিবরণ, খতিয়ান পৃষ্ঠা, ডেবিট টাকা ও ক্রেডিট টাকা)। |
| ৫. ব্যাখ্যা প্রদান | বিশেষ জাবেদায় লেনদেন লিপিবদ্ধ করার সময় প্রতি লাইনের নিচে আলাদা করে ব্যাখ্যা লেখার প্রয়োজন হয় না। | সাধারণ জাবেদায় প্রতিটি লেনদেনের নিচে ব্র্যাকেটের মধ্যে সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা লেখা বাধ্যতামূলক। |
| ৬. খতিয়ানে পোস্টিং | এই জাবেদার মোট যোগফল হিসাবকাল শেষে (যেমন মাস শেষে) একবার খতিয়ানে স্থানান্তর করা হয়। | এই জাবেদার প্রতিটি লেনদেন দৈনিক বা তাৎক্ষণিকভাবে আলাদা আলাদা খতিয়ানে পোস্টিং দিতে হয়। |
| ৭. শ্রম ও সময় | এই পদ্ধতিতে হিসাবরক্ষণে শ্রম ও সময় উভয়ই অনেক কম লাগে (শ্রম বিভাগ সম্ভব)। | এই পদ্ধতিতে প্রতিটি লেনদেন আলাদা করে লিখতে হয় বলে শ্রম ও সময় তুলনামূলক বেশি লাগে। |
| ৮. জাবেদা দাখিলা | এখানে কোনো ডেবিট-ক্রেডিট বিশ্লেষণ করে প্রথাগত জাবেদা দাখিলা দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। | এখানে প্রতিটি লেনদেনের জন্য সুনির্দিষ্ট ডেবিট এবং ক্রেডিট পক্ষ উল্লেখ করে জাবেদা দাখিলা দিতে হয়। |
| ৯. ব্যবহারের ক্ষেত্র | বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যেখানে দৈনিক হাজার হাজার লেনদেন হয়, সেখানে এটি অপরিহার্য। | ছোট ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান যেখানে লেনদেনের সংখ্যা সীমিত, সেখানে এটি বেশি উপযোগী। |
| ১০. মূল উদ্দেশ্য | এর উদ্দেশ্য হিসাবের কাজের চাপ কমানো এবং একই ধরণের তথ্য এক জায়গায় এনে হিসাব সহজ করা। | এর উদ্দেশ্য বিশেষ জাবেদার বাইরে থাকা সমস্ত লেনদেনের হিসাবের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা। |
একাডেমিক শিক্ষা বিষয়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান পেতে ক্লিক করুন।
আর্টিকেলের শেষ কথাঃ বিশেষ জাবেদা ও প্রকৃত জাবেদার পার্থক্য, বিশেষ জাবেদা vs প্রকৃত জাবেদার পার্থক্য, বিশেষ জাবেদা ও প্রকৃত জাবেদার মধ্যে পার্থক্য আলোচনা, বিশেষ জাবেদা ও প্রকৃত জাবেদার তুলনামূলক আলোচনা, বিশেষ জাবেদা ও প্রকৃত জাবেদার বৈসাদৃশ্য গুলো তুলে ধর, বিশেষ জাবেদা ও প্রকৃত জাবেদার পার্থক্য নির্দেশ কর
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস সর্বশেষ আপডেট পেতে Google News অনুসরণ করুন
আরো পড়ুন: