Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
ডায়াবেটিস রোগীরা যেভাবে রোজা রাখবে
ইসলামের মূল পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে একটি রোজা। দরজায় কড়া নাড়ছে পবিত্র মাহে রমজান। তাই রমজান মাসে সুস্থভাবে রোজা রাখতে পারাটা অত্যন্ত সৌভাগ্যের বিষয়। করোনাভাইরাস মহামারির এই পরিস্থিতিতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রেখে রোজা রাখতে হবে।
ডায়াবেটিস রোগীরা কিছুটা উদ্বিগ্ন হলেও, গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দেশনা মানলে তারাও রোজা রাখার সৌভাগ্য অর্জন করতে পারবেন। বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ মহুয়া এ বিষয়ে বেশ কিছু পরার্মশ দিয়েছেন।
ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে প্রথমেই জেনে নিতে হবে, রোজা রাখার জন্য শারীরিক অবস্থা উপযুক্ত কিনা। কী ধরনের খাবার, কখন, কীভাবে ও কতটা খেতে হবে। জানতে হবে শারীরিক পরিশ্রম, ব্যায়ামের নিয়ম, ওষুধের সময় ও মাত্রা, পরিমাণ ও রক্ত পরীক্ষার সময়গুলো।
আরো পড়ৃন
ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের তিনটি মূল বিষয় হলো- থ্রি ডি অর্থাৎ ডায়েট, ডিসিপ্লিন (শৃঙ্খলা) ও ড্রাগ (ওষুধ)।
ডায়েট
রোজায় ডায়াবেটিস রোগীদের খাবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা মেনে চললে স্বাভাবিকভাবে সুস্থ ব্যক্তিদের মতোই রোজা রাখা সম্ভব। ধর্মীয় আচার অনুযায়ী রোজায় আমরা সাধারণত রাতে খাই, তাই খাদ্য তালিকা অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত হতে হবে। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং হাইপো/ হাইপারপ্লাসিয়া না হয় সে বিষয়েও খেয়াল রাখতে হবে।
ইফতারের খাবার
ইফতারের খাবারের পরিমাণ হতে হবে অন্যান্য সময়ের রাতের খাবারের সমপরিমাণ অর্থাৎ সারা দিনের মোট খাবারের প্রায় এক তৃতীয়াংশ। পানি শূন্যতা আর শরীরের পরিপাক ক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে শরবত, ডাবের পানি, ফলের জুস, লেবুর শরবত, ইসবগুলের ভুষি (চিনি, গুড়, মধু এবং মিষ্টি ছাড়া) ইত্যাদি খাওয়া যাবে।
ইফতারির খাবারগুলো নিজস্ব পছন্দমতো হতে পারে যেমন- ছোলা, চটপটি, হালীম, কাবাব, টিকিয়া, পিয়াজু, পাস্তা, নুডলস ইত্যাদি। কিন্তু তা হতে হবে অবশ্যই পরিমাণমতো। তবে বাদ দিতে হবে মিষ্টি জাতীয় খাবার।
সন্ধ্যা রাতের খাবার
এ বেলার খাবারের পরিমাণ হবে অন্যান্য সময়ের সকালের নাশতার পরিমানের সমান অর্থাৎ সবচেয়ে কম। যা সারা দিনের মোট খাবারের ১০-২০ শতাংশ। আর এই বেলায় খাবারের তালিকায় রাখতে হবে সুষম খাবার। যেমন- ভাত, রুটি, খিচুড়ি। সঙ্গে রাখা যেতে পারে মাছ, মাংস, সবজি, শাক, ডাল এবং দুধ।
সাহরি
সাহরির খাবারের পরিমাণ হবে অন্যান্য সময়ের দুপুরের খাবারের সমপরিমাণ অর্থাৎ সবচেয়ে বেশি। যা মোট খাবারের ৪০-৪৫ শতাংশ। এ খাবারের সময় হতে হবে সাহরির শেষ সময়ে।
যাতে দিনের দীর্ঘ সময়ের মধ্যে হাইপোগ্লাইসেমিয়ার ঝুঁকি তৈরি না হয়। অনেকেই এ বেলায় দুধ-ভাত, কলা বা অন্য ফল মিলিয়ে খেতে চান। তবে মনে রাখতে হবে, এই ৩টি খাবার একসঙ্গে খেলে ডায়াবেটিস বেড়ে যায়। তাই এর মধ্য থেকে যে কোনো দুটি খাবার গ্রহণ করাই ভালো।
My Ads
আরি পড়ুন ›সূরা গাশিয়া সকল তথ্য আল কোরআন ও হাদিসের আলোতে,পৃথিবীর জানা অজানা কিছু তথ্য আল গাশিয়া আলমল ও ফজিলতসূরা গাশিয়া সকল তথ্য আল কোরআন ও হাদিসের আলোতে,পৃথিবীর জানা অজানা কিছু তথ্য আল…
আরি পড়ুন ›“একজন নারী যদি বেপর্দায় চলে তাহলে ৪ জন পুরুষ জাহান্নামে যাবে”“একজন নারী যদি বেপর্দায় চলে তাহলে ৪ জন পুরুষ জাহান্নামে যাবে”-এ হাদিসটি কি সঠিক?…
আরি পড়ুন ›বয়ঃসন্ধি কী?,বয়ঃসন্ধি কেন ও কীভাবে হয়?,বয়ঃসন্ধি কীভাবে কিশোর-কিশোরীদের দেহে ও মনে প্রভাব ফেলে?, কী করা উচিৎ বয়ঃসন্ধি ,বয়ঃসন্ধিকালীন পরিবর্তন, কৈশোর ও বয়ঃসন্ধি কালের সমস্যা এবং সমাধান,বয়ঃসন্ধি: কিশোর কিশোরীদের বয়ঃসন্ধিকাল কখন আসেবিষয়: বয়ঃসন্ধি কী?,বয়ঃসন্ধি কেন ও কীভাবে হয়?,বয়ঃসন্ধি কীভাবে কিশোর-কিশোরীদের দেহে ও মনে প্রভাব ফেলে?,…
বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে সন্ধ্যারাত ও সাহরিতে কখনোই না খেয়ে রোজা রাখা যাবে না। এতে স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। আর ঘরে তৈরি স্বাস্থ্যসম্মত খাবারগুলোই খেতে হবে। বাদ দিতে হবে সব ধরনের ফাস্ট ফুড, জাঙ্ক ফুড, প্রসেস ফুড, চিনি, মিষ্টি, গুড়, মধু ও অস্বাস্থ্যকর সব খাবার।
ডায়াবেটিসের সঙ্গে অন্য কোনো রোগ (কিডনির রোগ, গাউট, ইউরিক অ্যাসিড) বেশি থাকে তবে রোগের ধরন অনুযায়ী খাবারের ধরন এবং পরিমাণ নির্বাচন করতে হবে। যা অবশ্যই ব্যক্তিভিত্তিক পরিবর্তনযোগ্য।
আরো পড়ৃন
গ্লিকাজিড ট্যাবলেট এর কাজ খাওয়ার নিয়ম ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
ওষুধ
ডায়াবেটিস রোগীদের খাবারের পাশাপাশি ওষুধ/ইনসুলিনের ডোজ ও সময় সঠিকভাবে চিকিৎসকের কাছ থেকে রোজার আগে জেনে নিতে হবে।
শৃঙ্খলা
My Ads
ডায়াবেটিস রোগীর রোজা রেখে তারাবিহর নামাজ পড়লে আলাদা করে ব্যায়াম করার প্রয়োজন হয় না। সারা দিন রোজা রেখে বিকালে বিশ্রাম নিতে হবে। যাতে হাইপোগ্লাইসেমিয়া প্রতিরোধ করা যায়।
আর রোজা রেখে ইনসুলিন নেয়া এবং রক্ত পরীক্ষা করা যাবে। ওই রক্ত পরীক্ষার ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে ওষুধের মাত্রা ঠিক করে নিতে হবে।
তবে বিশেষ ক্ষেত্রে রোজা ভাঙতে হবে যদি- হাইপোগ্লাইসেমিয়ার লক্ষণ দেখা দেয় এবং রক্তের গ্লুকোজ ৩.৯ মিলিমোল/লি এর কম হয়, হাইপোগ্লাইসেমিয়া, রক্তের গ্লুকোজ ১৬.৭ মিলিমোল/লি এর বেশি হলে এবং অন্যান্য যে কোনো অসুস্থতায়।
যাদের জন্য রোজা রাখা শিথিল করা হয়েছে : ( ইসলামিক আইন অনুযায়ী, ও IDF মতে )
গর্ভকালীন সময়ে, প্রসূতি/Lacteting মায়ের ক্ষেত্রে, অসুস্থ/বয়োবৃদ্ধ ব্যক্তি (যেমন করোনা আক্রান্ত বা অন্য রোগে আক্রান্ত) এবং দীর্ঘপথ ভ্রমণকারী।
আরো পড়ৃন
ডায়াবেটিস রোগীরা যেভাবে রোজা রাখবে, ডায়াবেটিস রোগীরা কিভাবে রোজা রাখবেন, ডায়াবেটিস রোগী কিভাবে রোজা রাখবে, ডায়াবেটিস থাকলে যেভাবে রোজা রাখবেন, রোগীরা যেভাবে রোজা রাখবে, রোজায় ডায়াবেটিস রোগীরা যা খেয়াল রাখবেন, ডায়াবেটিস আক্রান্তরা যেভাবে রোজা রাখতে পারেন, ডায়াবেটিস রোগী কিভাবে রোজা রাখবেন – ডাঃ ইয়াসমিন আক্তার, ডায়াবেটিস রোগী কিভাবে রোজা রাখবেন, ডায়াবেটিস হলে রোজা কি রাখবেন, ডায়াবেটিস রোগী, ডায়াবেটিস রোগীর রোজা, গর্ভাবস্থায় রোজা রাখবেন যেভাবে
আরি পড়ুন ›দ্রুত বিয়ে হবে ৭ দিনের মধ্যে ১০০% পরীক্ষিত আমল, #দ্রুত_বিয়ে_হওয়ার_দোয়াদ্রুত বিয়ে হবে ৭ দিনের মধ্যে ১০০% পরীক্ষিত আমল, দ্রুতবিয়েহওয়ার_দোয়া আপনার হয়তো এখনো বিয়ে…
আরি পড়ুন ›ট্রিপটিন কি কাজ করে | Tryptin এর কাজ কি | Tryptin Side Effectsট্রিপটিন কি কাজ করে,Tryptin এর কাজ কি, Tryptin Side Effects,ওষুধ ট্রিপটিন,কেনো ট্রিপটিন ওষধ খাবেন,ট্রিপটিন…
আরি পড়ুন ›শারীরিক অসুস্থতা এবং মানসিক স্বাস্থ্য, মানসিক স্বাস্থ্য বলতে কি বুঝায়?, মানসিক স্বাস্থ্য এবং মানসিক অসুস্থতা বোঝাআমাদের অনেকেরই আমাদের জীবনের কোনো না কোনো সময় একটি গুরুতর বা জীবন পরিবর্তনকারী শারীরিক…
- পণ্যের জীবনচক্রের বিভিন্ন স্তরে গৃহীত বাজারজাতকরণের কৌশলসমূহ বর্ণনা করা
- নতুন পণ্যের ক্ষেত্রে ক্রেতা বা ভোক্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া বা গ্রহণ প্রক্রিয়া (Adoption Process) বিস্তারিত আলোচনা করো।
- ‘বিয়ের প্রলোভনে’ যৌন সম্পর্ক কি ধর্ষণ, নাকি প্রতারণা?
- কন্টেন্ট মার্কেটিং করে ইনকাম করুন,কন্টেন্ট রাইটিং করে কিভাবে আয় করা যায়?
- মোড়কীকরণের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর, মোড়কীকরণ কী? পণ্য বিপণনে মোড়কীকরণের গুরুত্ব বা তাৎপর্য আলোচনা করো।