Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
অভ্যন্তরীণ অর্থসংস্থানের সুবিধাসমূহ কি কি?, অভ্যন্তরীণ অর্থসংস্থানের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধর।
অভ্যন্তরীণ অর্থসংস্থানের সুবিধাসমূহ কি কি?, অভ্যন্তরীণ অর্থসংস্থানের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধর।
উত্তর : ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান নিজস্ব সম্পদ হতে অর্থের সংস্থান করে তখন তাকে অভ্যন্তরীণ বলা হয় । অনেক ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ অর্থসংস্থান বাহ্যিক অপেক্ষা শ্রেষ্ঠতর। নিম্নলিখিত সুবিধাগুলোর কারণে বাহ্যিক অর্থসংস্থান অপেক্ষা অর্থসংস্থান বেশি পছন্দনীয়। নিম্নে অভ্যন্তরীণ অর্থসংস্থানের সুবিধাগুলো আলোচনা করা হলো :
১. মালিকানা : এই ধরনের তহবিল ব্যবহার করার ফলে কোম্পানির মালিকানার কোনো পরিবর্তন আসে না। ফলে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণে স্থিতিশীল অবস্থা বজায় থাকে ।
২. নির্ভরশীলতা : কোনো প্রতিষ্ঠানে অভ্যন্তরীণ উৎস পর্যাপ্ত থাকলে বহিঃউৎসের উপর তেমন নির্ভর করতে হয় না। ফলে বহিঃউৎসের তহবিলের জন্য ব্যয় করতে হয় না। ফলে প্রতিষ্ঠানের মুনাফা বৃদ্ধি পায়।
৩. ঝামেলা কম : এ ধরনের অর্থসংস্থানের ক্ষেত্রে বাহ্যিক উৎসের উপর আর্থিক নির্ভরতা হ্রাস পায়। এর ফলে অর্থ সংগ্রহের ব্যয় ও ঝামেলা হতে রেহাই পাওয়া যায়।
৪. স্বার্থ রক্ষা : অভ্যন্তরীণ অর্থসংস্থানের ক্ষেত্রে মালিকদের স্বার্থ সম্পূর্ণরূপে রক্ষিত হয়। ফলে কারবারের উন্নতি ত্বরাম্বিত হয়। কিন্তু বাহ্যিক অর্থসংস্থানের ফলে তা সম্ভব হয় না।
আরি পড়ুন ›A pharmaceutical company. currently paying a dividend of Tk. 2.50A pharmaceutical company. currently paying a dividend of Tk. 2.50. This dividend is expected…
আরি পড়ুন ›ইজারা অর্থায়ন পরিকল্পনা সুবিধা ও অসুবিধা গুলো বিস্তারিত আলোচনা করইজারা অর্থায়ন পরিকল্পনা সুবিধা ও অসুবিধা গুলো বিস্তারিত আলোচনা কর ইজারা অর্থায়ন পরিকল্পনা (Lease…
আরি পড়ুন ›পরিমেল বদ্ধ ও পরিমেল নিয়মাবলীর পার্থক্য, পরিমেল বদ্ধ vs পরিমেল নিয়মাবলীর পার্থক্য, পরিমেল বদ্ধ ও পরিমেল নিয়মাবলীর তুলনামূলক আলোচনা, পরিমেল নিয়মাবলীর ও পরিমেল বদ্ধ মধ্যে পার্থক্য, পরিমেল বদ্ধ ও পরিমেল নিয়মাবলীর কাকে বলে,তুলনা করি: পরিমেল বদ্ধ ও পরিমেল নিয়মাবলীর আলোচনাপরিমেল বদ্ধ ও পরিমেল নিয়মাবলীর পার্থক্য, পরিমেল বদ্ধ vs পরিমেল নিয়মাবলীর পার্থক্য, পরিমেল বদ্ধ…
৫. কম ব্যয় : অভ্যন্তরীণ অর্থসংস্থানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট হারে বাধ্যতামূলকভাবে সুদ দিতে হয় না, কিন্তু বাহ্যিক অর্থসংস্থানের ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে সুদ দিতে হয়। ফলে এ ধরনের তহবিল সংগ্রহে ব্যয় অত্যন্ত কম।
৬. নিয়ন্ত্রণ : অভ্যন্তরীণ অর্থসংস্থানের ক্ষেত্রে অধিক মাত্রায়সাধারণ শেয়ারের মাধ্যমে কোম্পানির অর্থসংগ্রহ করার প্রয়োজন হয় না। এতে কোম্পানির মালিকানার বিস্তৃতি ঘটে না . এবং নিয়ন্ত্রণের কোনো সমস্যা দেখা দেয় না ৷
৭. জামানত : ঋণের মাধ্যমে অর্থসংস্থান করতে গেলে জামানতের প্রয়োজন হয়। কিন্তু অভ্যন্তরীণ অর্থসংস্থানের ক্ষেত্রে কোনো জামানতের প্রয়োজন হয় না ।
৮. বিধিনিষেধ : অভ্যন্তরীণ অর্থসংস্থানের জন্য আইনগত কোনো বিধিনিষেধ আরোপিত হয় না। তাই যখন অর্থের প্রয়োজন হয় কেবলমাত্র তখনই অর্থ সরবরাহ করা সম্ভব হয় ।
একাডেমিক শিক্ষা বিষয়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান পেতে ক্লিক করুন।
আর্টিকেলের শেষ কথাঃ অভ্যন্তরীণ অর্থসংস্থানের সুবিধাসমূহ কি কি?, অভ্যন্তরীণ অর্থসংস্থানের ইতিবাচক দিকগুলো তুলে ধর।
My Ads