২০২২ সালের এসএসসি ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের বাংলা (২) এসাইনমেন্ট উত্তর ১ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১, ১০ম শ্রেণি [১ম সপ্তাহের] বাংলা (২) উত্তর সমাধান ২০২১

My Ads

Google Adsense Ads

My Ads

শ্রেণি: ১০ম /ভোকেশনাল দাখিল – 2022 বিষয়: বাংলা (২) এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 01 বিষয় কোডঃ 1921/1721
বিভাগ: ভোকেশনাল শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো।

অ্যাসাইনমেন্ট/ শিরো নাম : একাত্তরের দিনগুলি’র আলোকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বর্তমান বাংলাদেশের জন্য কর্তব্য নির্ধারণ

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

  • মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশগঠনে সক্রিয় হওয়ার গুরুত্ব ব্যক্ত করতে পারবে
  • মুক্তিযোদ্ধাদের সংগ্রামী, দেশপ্রেমিক ভূমিকার প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনে উদ্বুদ্ধ হবে

নির্দেশনা (সংকেত/ ধাপ/ পরিধি): 

  • ১. ‘একাত্তরের দিনগুলি’ অনুসারে মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ ঢাকার বর্ণনা করতে হবে। 
  • ২. মুক্তিযুদ্ধে গেরিলাযোদ্ধাদের ভূমিকা বর্ণ না করতে হবে। 
  • ৩. মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গৌরব অনুধাবন করে বর্তমান বাংলাদেশের জন্য ব্যক্তিগতভাবে ও সম্মিলিতভাবে কী করা যায়, তা নির্ধারণ করতে হবে।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • ১. ‘একাত্তরের দিনগুলি’ অনুসারে মুক্তিযুদ্ধকালীন অবরুদ্ধ ঢাকার বর্ণনা করতে হবে। 

শহীদ জননী জাহানারা ইমাম কর্তৃক রচিত ‘একাত্তরের দিনগুলি’-তে মার্চ-ডিসেম্বর মাসের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে এবং বর্ণিত মাসগুলির মধ্যে ১৬৮ দিনের বর্ণনা তুলে ধরেছেন। তার এই বর্ণিত দিনগুলির মধ্যে ফুটে উঠেছে বাঙালির ক্ষোভ, আন্দোলন ও সর্বস্তরের দেশপ্রেমিক মানুষের স্বাধীনতা যুদ্ধকে সমর্থন, মায়ের অভূতপূর্ব ভালােবাসা ও ভূমিকা, গেরিলাদের একের পর এক সাহসী অভিযান, হানাদার বাহিনীর গা শিহরানাে নির্যাতন, অবরুদ্ধ ঢাকা নগরীর চিত্র ও উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণির মুক্তিযােদ্ধাদের সার্বিক সাহায্যের চিত্র।

‘একাত্তরের দিনগুলি’ গল্পটি দিনপঞ্জিরা আকারে) লিখিত। এখানে লেখিকা দিনলিপির আকারে আট দিনের কাহিনি তুলে ধরেছেন। ১৩ এপ্রিল ৭১-এর দিনলিপিতে পাকিস্তানিদের অতর্কিত হামলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল খালি হওয়া, ভয়ে মানুষের বাসস্থান পরিবর্তন, ট্রাকভর্তি করে হাত-চোখ বেঁধে বাঙালিদের ধরে নিয়ে হত্যা করে

মে দিনালাপতে দেশের স্কুল-কলেজ জোর করে খােলা রাখা, বিখ্যাত ব্যাক্তদের ধরে নিয়ে জোর করে রেডিও-টিভিতে বিবৃতি প্রদান করানাে ছাড়াও তাঁর প্রথম ছেলে মুক্তিযােদ্ধা রুমীর পাকিস্তানিদের হাতে বন্দিদশায় লেখিকা গভীর বেদনার সঙ্গে আভাসে-ইঙ্গিতে তাঁর হৃদয়ের রক্তক্ষরণের কথা ব্যক্ত করেছেন। কিন্তু গর্ভজাত সন্তানকে বাঁচানাের জন্য হানাদার বাহিনীর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা না করে আত্মমর্যাদা ও স্বাধিকার চেতনার যে পরিচয় দিয়েছেন তার তুলনা রহিত। সব শেষে লেখিকা ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানি আর্মির আত্মসমর্পণ ও আমাদের বিজয় অর্জনের মধ্য দিয়ে গল্পের সমাপ্তি টানেন। জাহানার’র বইয়ে তার পুত্র রুমি একজন মেধাবী শিক্ষার্থী।

সে প্রকৌশলী ডিগ্রি লাভের জন্য বিদেশ যাবার পরিকল্পনা করছিল, কিন্তু ১৯৭১ সালের মার্চে যুদ্ধ শুরু হয়ে যায় এবং সে স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে মুক্তিবাহিনীতে যােগ দেয়। যুদ্ধের সময়, তার ছেলেকে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীরা ধরে নিয়ে যায় এবং সে আর ফিরে আসেনি।

যুদ্ধের সময় প্রয়ােজনীয় চিকিৎসার অভাবে তিনি মারা যান।১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরে বাংলাদেশ স্বাধীন হয় এবং তিনি তখনও বেঁচে ছিলেন। তিনি তার। বাকি জীবন তার অন্য ছেলের সাথে কাটান।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • ২. মুক্তিযুদ্ধে গেরিলাযোদ্ধাদের ভূমিকা বর্ণনা করতে হবে। 

একজন গেরিলা হলেন একজন অর্ধসামরিক বা বেসামরিক ব্যক্তি যে একটি ছোট দলের অংশ হিসেবে একটি বড়ো সরকারী সেনাবাহিনীকে আক্রমণ করে।

গেরিলা যুদ্ধ এমন এক ধরণের যুদ্ধ পদ্ধতি যেখানে ভূমি এবং ভৌগোলিক সুবিধা ব্যবহার করে প্রতিপক্ষের ওপরে প্রাধান্য বিস্তার করা হয়। গেরিলাযুদ্ধ অনেক সময়েই দুর্গম বন-জঙ্গল এলাকায় হয়ে থাকে। গেরিলারা যুদ্ধে জয় করার জন্য এবং সামরিক বাহিনীকে মোকাবিলা করার জন্য অনেক রকম সামরিক কৌশল ব্যবহার করে, যেমন অতর্কিত আক্রমণ , অন্তর্ঘাত, হানা, ক্ষুদ্র যুদ্ধ, হিট এবং রান কৌশল, ইত্যাদি।

My Ads

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বা স্বাধীনতা যুদ্ধে গেরিলারাই মুখ্য ভূমিকা পালন করে৷ স্বাধীনতার ডাকে সাড়া দিয়ে যুদ্ধে যারা অংশ নিয়েছিল তারা বেশিরভাগ ই ছিলেন, এদেশের নিম্ন পেশাজীবী ও সাধারণ জনতা।

যুদ্ধের রণ কৌশল সম্বন্ধে তারা পুরোপুরি অজ্ঞ ছিলেন। স্বেচ্ছায় এগিয়ে আসা সাধারণ কিছু মানুষদের ভারতের দুমকিতে স্বল্প ট্রেনিং এর ব্যাবস্থা করা হয়। স্কুল, কলেজ, স্থাপনা, রাস্তা ঘাট ছিল পাকিস্থানিদের দখলে। ফলে বাঙালি মুক্তিযোদ্ধারা ব্যাবহার করে দুর্গম এলাকা। বনে জঙ্গলে বসে যুদ্ধের ছোট ছোট প্লান করেন। স্বল্প সদস্য নিয়ে শত্রু ঘাটিতে আক্রমণ করেন ।

যোগাযোগ ব্যবস্থা নষ্ট করে দেন। ছোট ছোট অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি হয়ে যান, পাকিস্তানি দের বড় বড় অস্ত্রের সামনে। প্রবল ইচ্ছা শক্তি ও গেরিলা কৌশলের দরুণ, ভারী অস্ত্রের মুখেও পরাস্ত্র করে ফেলেন পাকিস্থানি সৈন্য বাহিনীকে। বাংলাদেশের পক্ষে যে সব যোদ্ধারা অংশ নিয়েছেন তাদের মধ্যে খুব কম সংখ্যক সদস্যই ছিলেন সামরিক সদস্য।

পুরোপুরি অদক্ষ কিন্তু ইচ্ছাশক্তি প্রবণ বাঙালী রক্তের কাছে পরাজিত হতে বাধ্য হয়েছিল পাকিস্তান। মুক্তিযোদ্ধাদের একমাত্র লক্ষ্য হয়ে উঠে শত্রু ঘায়েল করা। তা সে যেকোন মূল্যেই হোক।

যেহেতু সাধারণ মুক্তিবাহিনীর তুলনায় প্রশিক্ষিত সামরিক বাহিনীর সদস্য সংখ্যা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেওয়ার সুযোগ কম ছিল বা কম নিয়েছিল, তাই বলা যায় গেরিলা যোদ্ধাদের কারণেই মূলত যুদ্ধের ফলাফল নির্ধারিত হয়। শত্রুশিবির ধংসের মধ্যে দিয়ে ৭১ এর মার্চ থেকে যে স্বাধীনতার চেতনা বাঙালি হৃদয়ে জেগেছিল তা ই পরবর্তী ৯ মাস শক্তি যুগিয়েছিল বাংলাকে স্বাধীন বাংলাদেশে রুপান্তরের ।

My Ads

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • ৩. মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও গৌরব অনুধাবন করে বর্তমান বাংলাদেশের জন্য ব্যক্তিগতভাবে ও সম্মিলিতভাবে কী করা যায়, তা নির্ধারণ করতে হবে।

জাহানারা ইমাম ১৯১৯ সালের ৩রা মে মুর্শিদাবাদের সুন্দরপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ  করেন। তাঁর পিতার নাম সৈয়দ আব্দুল আলী। তিনি ডিপুটি ম্যাজিস্ট্রেট ছিলেন। জাহানারা ইমাম ১৯৪৭ সালে কলকাতার লেডি ব্রেবোর্ন কলেজ থেকে বি.এ. পাশ করেন। পরবর্তীতে তিনি ঢাকার সিদ্ধেশ্বরী গার্লস স্কুলে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বি.এড ও বাংলায় এম.এ ডিগ্রি লাভ করেন এবং ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে অধ্যাপনা করনে।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে তাঁর প্রথম সন্তান রুমী যোগদান করেন। রুমী ও তাঁর সহযোদ্ধাদের বিভিন্ন অপারেশনে জাহানারা ইমাম সহযোগিতা করেন। তাছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয়, খাদ্যের যোগান, গাড়িতে অস্ত্র আনা-নেওয়া এবং তা যুদ্ধক্ষেত্রে পৌঁছে দেওয়া, খবর আদান-প্রদান- ইত্যাকার কর্মকাণ্ডে তিনি সর্বান্তকরণে অংশগ্রহণ করেন। যুদ্ধের শেষদিকে রুমী শহিদ হন। জাহানারা ইমাম হন আমাদের শহিদ জননী।

মুক্তিযুদ্ধের উপর স্মৃতিচারণমূলক তাঁর অসাধারণ এই ‘একাত্তরের দিনগুলি’ সর্বত্র সমাদৃত। তাঁর অন্যান্য গ্রন্থ হলো : গজকচ্ছপ, সাতটি তারার ঝিকিমিকি, ক্যান্সারের সঙ্গে বসবাস, প্রবাসের দিনগুলি ইত্যাদি। সাহিত্যকর্মে অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করেন। একাত্তরের ঘাতক, দালাল, রাজাকার, আলবদর, আলসামশদের শাস্তির দাবিতে তিনি আমৃত্যু সংগ্রাম করেছেন। ১৯৯৪ সালের ২৬শে জুন এই মহীয়সী নারী পরলোকগমন করেন।

আজকাল দুটি শব্দ ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতে দেখা যায়। কথার ফাঁকে যেকোনো প্রসঙ্গে এই শব্দগুলোর উল্লেখ প্রায়ই শোনা যায়। দুঃখের বিষয় হলো, অনেককে দেখা যায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার দোহাই দিয়ে ঠিক এর বিপরীত কাজ করে যাচ্ছেন।

Google Adsense Ads


যেসব কারণে বাংলাদেশের মানুষ তৎকালীন পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়েছিল এবং তা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সংগ্রাম করেছে, সেগুলোকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বলা যায়। সেখানে প্রথমত আসে নিজস্ব স্বাতন্ত্র্য রক্ষা করা। নিজের ভাষা ও অন্যান্য সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যসহ আলাদা পরিচয় বাঁচিয়ে রাখা।

পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর হাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বসবাসকারী বাঙালিদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও স্বতন্ত্র সত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়েছিল। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের আত্মাহুতি এবং শুধু উর্দুর সঙ্গে বাংলা ভাষাকেও পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবি আদায় এর দৃশ্যমান উদাহরণ।


আর একটি চাওয়া ছিল, বৈষম্যের অবসান। বাঙালি সম্প্রদায় যারা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বসবাস করত, তাদের সরকারি দায়িত্বপূর্ণ পদ ও কর্তৃত্বের ক্ষেত্রে অবমূল্যায়ন করা হতো। তাদের প্রতি পক্ষপাতমূলক অন্যায় আচরণ, অবিচার, নির্যাতন, নিপীড়ন, শোষণ, বঞ্চনা ইত্যাদির ফলে বাঙালিরা পাকিস্তানের অন্য নাগরিকদের তুলনায় নিজেদের দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক মনে করত।


তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে যারা হিন্দুধর্মাবলম্বী ছিল, তাদের সাধারণ অন্যান্য বাঙালির তুলনায় অধিকতর বৈষম্যের শিকার হতে দেখা গেছে। পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা উপরিউক্ত সমস্যা সমাধানে প্রথমত দাবি উত্থাপন করে স্বায়ত্তশাসনের। অর্থাৎ নিজেরা নিজেদের শাসন করবে পাকিস্তানি রাষ্ট্রকাঠামোর ভেতরে থেকে। এ প্রত্যাশা পূরণের সংগ্রাম শুরু হয়। কিন্তু পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী বলপ্রয়োগের মাধ্যমে সেই দাবি দমিয়ে রাখতে নানান উদ্যোগ গ্রহণ করে।

একপর্যায়ে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের কাছে এটা স্পষ্ট হয় যে স্বকীয়তা রক্ষা, বৈষম্যের অবসান এবং নানা ধরনের সামাজিক অন্যায়-অবিচার থেকে মুক্তির জন্য তাদের একটি স্বতন্ত্র রাষ্ট্রকাঠামো প্রয়োজন; যার শাসন ও পরিচালন ভার নিতে হবে তাদের নিজেদের হাতে; এ ছাড়া অন্য কোনো পথ খোলা নেই। সে কারণে বাঙালি জাতি অস্ত্র হাতে তুলে নেয়। সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পাকিস্তান ভূখণ্ডের পূর্ব পাকিস্তান অংশ আলাদা হয় এবং সেখানে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশের অভ্যুদয় হয়।
মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করে দেশটির নাম দেওয়া হয় ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’। অর্থাৎ বাংলাদেশের জনগণের নিজেদের শাসন করার অধিকারসহ একটি সার্বভৌম ভূমি, যেখানে বাঙালিরা নিজেদের বৈশিষ্ট্য ও স্বকীয়তা নিয়ে সব ধরনের বৈষম্য ও সামাজিক ন্যায়বিচার পরিপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে মুক্ত থাকবে।


মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও তার ভিত্তিতে সৃষ্ট বাংলাদেশের দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:
প্রথমত, বাংলাদেশ হবে জনগণের দেশ এবং জনগণের দ্বারা পরিচালিত দেশ; অর্থাৎ গণতান্ত্রিকভাবে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত দেশ।
দ্বিতীয়ত, বাংলাদেশ হবে সব ধরনের বৈষম্যমুক্ত, অন্যায়, অবিচার ও শোষণমুক্ত; অর্থাৎ অসাম্প্রদায়িক সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক দেশ।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান রচনায় এ চেতনার বহিঃপ্রকাশ লক্ষ করা যায়।

My Ads

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ভোকেশনাল ও দাখিল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

My Ads

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

Google Adsense Ads

My Ads

My Ads

Leave a Comment

My Ads

My Ads