Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
সম্প্রতি তুমি পােশাক উৎপাদনকারী ও রপ্তানীকারী একজন লাভজনক শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছ, এ পরিদর্শনের উপর বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে শিল্প প্রতিষ্ঠ।, নকে আরও দক্ষতার সাথে পরিচালনা করার প্রয়ােজনীয় সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর।
উত্তর:
করোনাকালীন লকডাউনের ফলে পোশাক রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হয়েছে। লকডাউন প্রত্যাহারের ফলে পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানি গতিশীল হতে শুরু করে। এর মধ্যে নভেম্বর থেকে শুরু হয় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। এর ধাক্কায় ইউরোপ আমেরিকার দেশসহ পশ্চিমা দেশগুলোতে আবার সীমিত আকারে লকডাউন আরোপ করা হয়। এতে যোগাযোগ ব্যবস্থাও বাধাগ্রস্ত হতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে ব্যাহত হচ্ছে ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ নিটওয়্যার প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিকেএমইএ) প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, করোনার প্রথম ধাক্কায় পোশাক খাত বসে গিয়েছিল। পরে আবার ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করলেও এখন আবার দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা লেগেছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলোর ব্যবসায়িক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়েছে। ফলে দোকানপাট যেমন কম খুলছে, তেমনি মানুষের আয় কমায় পোশাক কেনা কমিয়ে দিয়েছেন। ফলে ব্যাহত হচ্ছে পোশাক রপ্তানি। তিনি বলেন, পোশাক রপ্তানির বড় অংশই হয় শীতের সময়। কিন্তু এবার শীতের বাজার জমেনি। ফলে চাহিদা কমেছে। এর প্রভাব আগামীতে আরও পড়বে।
চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ‘বাণিজ্য যুদ্ধ, এবং করোনাভাইরাস মহামারীকে কেন্দ্র করে অনেক কোম্পানি চীন ছাড়ায় আশাবাদী হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের অনেক ব্যবসায়ী।
পোশাক খাতের ব্যবসায়ীদের অনেকে এখনও মনে করছেন, আমেরিকার বাজারে চীনের পোশাক রপ্তানিতে ভাগ বসানোর একটি ভালো সুযোগ তাদের সামনে আসতে পারে।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
তারা বলছেন, মহামারী কোভিড-১৯ গোটা বিশ্ব অর্থনীতিকেই তছনছ করে দিয়েছে। তার প্রভাব রপ্তানি বাণিজ্যেও পড়েছে।
মানুষের আয়-উপার্জন কমে যাওয়ায় পোশাক কেনা কমিয়ে দিয়েছে। ‘খুবই প্রয়োজন (বেসিক আইটেম)’ ছাড়া অন্য কোনো পোশাক কিনছে না কেউ। বড় বড় ফ্যাশন হাউজগুলো এখনও খোলেনি। অনলাইনে কিছু কেনাকাটা হচ্ছে।
এ অবস্থায় চলতি অগাস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসেও পোশাক রপ্তানিতে মন্দাভাব থাকবে। তবে ডিসেম্বরের বড়দিনকে ঘিরে রপ্তানি ফের ঘুরে দাঁড়াবে বলে আশাবাদী তারা।
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ‘ওয়ার্ল্ড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ ২০২০’ অনুযায়ী, পোশাক রপ্তানিতে একক দেশ হিসেবে দীর্ঘদিন ধরেই শীর্ষে রয়েছে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ চীন।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
পরিমাণের বিচারে অনেক পিছিয়ে থাকলেও দ্বিতীয় শীর্ষ স্থানটি এতদিন ছিল বাংলাদেশের। দেশের মোট রপ্তানির ৮৫ শতাংশের মতো আসে তৈরি পোশাক শিল্প খাত থেকে।
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশ প্রায় ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। আর ভিয়েতনাম ৩ হাজার কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে বলে তথ্য দিয়েছে দেশটির পরিসংখ্যান দপ্তর।
পুরো অর্থবছরে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি আগের অর্থবছরের (২০১৮-১৯) চেয়ে ১৮ দশমিক ১২ শতাংশ কমেছে।
এর মধ্যে মহামারী শুরুর পর ২০২০ সালের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি-মে) বাংলাদেশ ৯৬৮ কোটি ৪৯ লাখ ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। অন্যদিকে ভিয়েতনাম রপ্তানি করেছে ১ হাজার ৫০ কোটি ৯১ ডলারের পোশাক।
My Ads
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
আর এর মধ্য দিয়েই বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে পোশাক রপ্তানিতে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভিয়েতনাম।
পোশাক শিল্প মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি এভিন্স গ্রুপের চেয়ারম্যান আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমরা এখন আমাদের মোট ক্যাপাসিটির ৬০-৭০ শতাংশ উৎপাদন করছি। অর্ডার আসছে, তবে কম। বেসিক আইটেমের (অতি প্রয়োজনীয়) পোশাক রপ্তানি হচ্ছে।
পারভেজ বলেন, করোনাভাইরাস মহামারী কারণে সব দেশের রপ্তানিই কমেছে। সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে চীন।
চলতি বছরের জানুয়ারি-জুন সময়ে চীনের পোশাক রপ্তানি কমেছে ৪৯ শতাংশ। বাংলাদেশের কমেছে ১৮ শতাংশ। বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে যে ভিয়েতনাম দ্বিতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে, তাদেরও এই ছয় মাসে পোশাক রপ্তানি কমেছে ১১ দশমিক ৭ শতাংশ।
“ভিয়েতনাম আমাদের থেকে এগিয়েছে, এটা নিয়ে আমরা মোটেই চিন্তিত বা বিচলিত নই। রপ্তানিতে কে বড়, কে ছোট সেটা কোনো বিবেচ্য বিষয় নয়। আসল কথা হচ্ছে প্রবৃদ্ধি। গ্রোথ হচ্ছে কি না, টার্গেট (লক্ষ্যমাত্রা) পূরণ হচ্ছে কি না- সেটাই বড় কথা।”
My Ads
বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি পারভেজ বলেন, প্রতি বছর রপ্তানি বেড়েছে বলেই ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৩৪ দশমিক ১৩ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করা সম্ভব হয়েছিল। মহামারীর ধাক্কায় ২০১৯-২০ অর্থবছরে কমে ৩২ দশমিক ৮৩ বিলিয়ন ডলারে নেমে এসেছে।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
“আমাদের এখন প্রধান কাজ হচ্ছে টিকে থাকা। এই মাহামারী ওভারকাম করে, চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে টিকে থাকা। তাহলে আমরা কোভিড-১৯ মহামারীর কিছু সুফলও হয়ত পেতে পারি। এই সুযোগটিই আমাদের কাজে লাগাতে হবে। সেজন্য সরকার-বেসরকারিভাবে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা নিয়ে এখন থেকেই কাজ শুরু করে দিতে হবে।”
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে পারভেজ বলেন, বেশ কিছু দিন ধরে চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য যুদ্ধ চলছে। করোনাভাইরাস মহামারীকে কেন্দ্র করে সেই দ্বন্দ্ব আরও বেড়েছে।
“এই অবস্থায় আমেরিকা যদি চীন থেকে পোশাক না কেনে অথবা কমিয়ে দেয়, তাহলে সেই বাজার বাংলাদেশের দখল করার একটা সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে। আর যদি সেটা হয়, তাহলে আমেরিকার বাজারে চীনের পোশাক রপ্তানিতে ভাগ বসানোর একটি সুবর্ণ সুযোগ সৃষ্টি হবে বাংলাদেশের।”
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব কমার্স অফিস অব টেক্সটাইল অ্যান্ড অ্যাপারেলের (অটেক্সা) তথ্যে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যযুদ্ধে জড়ানোর পর থেকেই একটু একটু করে চীনের তৈরি পোশাক রপ্তানি কমছিল। গত ডিসেম্বরে উহানে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর পর সেটি ব্যাপকভাবে কমে যায়।
গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে ২ হাজার ৪৮৮ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করে চীন, যা আগের বছরের চেয়ে ৯ শতাংশ কম। আর মহামারী শুরুর পর গত জানুয়ারিতে রপ্তানি কমে যায় ৩৬ শতাংশ।
চীন চলতি বছরের প্রথম চার মাসে (জানুয়ারি-এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রে ৩৮৯ কোটি ডলার পোশাক রপ্তানি করেছে, যা গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ৪৬ শতাংশ কম।
আরি পড়ুন ›class 7 english answer 2021 [16th week english solution 2021], ৭ম শ্রেণির ইংরেজি ১৬তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান ২০২১শ্রেণি: ৭ম -2021 বিষয়: ইংরেজি এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 05 বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস//…
আরি পড়ুন ›hsc class 12 physics 2nd paper assignment answer 7th week 2021, ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র ৭ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১শ্রেণি: HSC 2022 বিষয়: পদার্থ বিজ্ঞান ২য় পত্র এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 04…
আরি পড়ুন ›প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিতা অনার্স ৩য় বর্ষ সাজেশনঅনার্স ৩য় বর্ষের প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবিতা সাজেশন 2026 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স পাস এবং…
অন্যদিকে চলতি বছরের প্রথম চার মাসে ভিয়েতনাম ৪১৮ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে যুক্তরাষ্ট্রে। এই সময়ে তাদের রপ্তানি ১ দশমিক ৩১ শতাংশ কমলেও চীনের চেয়ে তা ২৯ কোটি ডলার বেশি। ফলে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পোশাক রপ্তানিতে শীর্ষস্থানের মুকুটটি এখন ভিয়েতনামের।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ’র সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ভিয়েতনাম মূলত ‘চারটি কারণে’ বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।
My Ads
প্রথমত, মহামারীর কারণে পুরো এপ্রিল মাস বাংলাদেশে কারখানা বন্ধ ছিল। পরের দুই মাস (মে-জুন) সীমিত আকারে কারখানা খোলা ছিল। এই তিন মাসে (এপ্রিল-জুন) অন্তত ৯ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি হওয়ার কথা, সেখানে রপ্তানি হয়েছে সাড়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের। এখানেই বাংলাদেশ সাড়ে ৫ বিলিয়ন ডলার পিছিয়ে গেছে।
অন্যদিকে ভিয়েতনাম কোভিড-১৯ মহামারী অনেকটাই সামলে রেখেছে। এপ্রিল-জুন সময়ে তারা আগের চেয়ে ৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি পোশাক রপ্তানি করেছে। এর মধ্য দিয়েই ভিয়েতনাম টপকে গেছে বাংলাদেশকে।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
হাতেমের মতে, দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে, ভিয়েতনামের অধিকাংশ বিনিয়োগকারী চীনা বা হংকংয়ের। সে কারণে যোগাযোগের দিক দিয়ে তারা সুবিধাজনক অবস্থায় আছে। ৩-৪ দিনের মধ্যে কাঁচামাল চীন থেকে নিয়ে গিয়ে পোশাক উৎপাদন করে দ্রুত ক্রেতাদের কাছে পৌঁছে দিতে পারে। ফলে বিদেশি ক্রেতারা স্বাভাবিকভাবেই তাদের কাছ থেকে বেশি পোশাক কিনছে।
তৃতীয় কারণ হল, তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভিয়েতনামের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ তা করতে পারেনি। এর সুবিধা বেশ ভালোভাবেই পাচ্ছে ভিয়েতনাম।
উদাহরণ দিয়ে হাতেম বলেন, “আমরা যুক্তরাষ্ট্রে পোশাক রপ্তানি করতে গেলে ১৫ শতাংশ ডিউটি (শুল্ক) দিতে হয়। সেখানে ভিয়েতনামের দিতে হয় সাড়ে ৫ শতাংশ। এক্ষেত্রে আমরা অনেক পিছিয়ে পড়ি।”
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
তার মতে, ভিয়েতনামের এগিয়ে যাওয়ার সবচেয়ে বড় এবং চতুর্থ কারণটি হল শ্রমিকদের দক্ষতা।
“ভিয়েতনামের শ্রমিকদের দক্ষতা আমাদের শ্রমিকের চেয়ে অনেক বেশি। সে কারণে তাদের উৎপাদন খরচ কম হয়। তাদের গ্যাস-বিদ্যুৎ বিল কম। আমরা যেখানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ বিল সাড়ে ৮ টাকা দিই, সেখানে তারা দেয় আড়াই টাকা।
“তাছাড়া তারা যেমন কোয়ালিটি বিদ্যুৎ পায়, আমরা কিন্তু এখনও তেমন কোয়ালিটি বিদ্যুৎ পাই না। কোয়ালিটি বিদ্যুৎ মানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ। ভোল্টেজ সব সময় একই থাকবে, ওঠা-নামা করবে না, কখনও বিদ্যুৎ যাবে না।”
তবে পারভেজের মত মোহাম্মদ হাতেমও সামনের দিনগুলো নিয়ে আশাবাদী হতে চান।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
তিনি বলেন, সরকার প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় শ্রমিকদের চার মাসের (এপ্রিল-জুলাই) বেতনের ব্যবস্থা করায় পোশাক কারখানার মালিকদের ‘খুবই সুবিধা’ হয়েছে।
“আবার পুরোদমে উৎপাদনে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। সে কারণেই জুলাই মাসে ৩ দশমিক ২৪ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি করা সম্ভব হয়েছে। এই রপ্তানি গত বছরের জুলাই মাসের চেয়ে ২ শতাংশ কম হলেও আগের তিন মাসের (এপ্রিল, মে ও জুন) চেয়ে বেশ ভালো ছিল।”
My Ads
আসিফ মাহমুদ অভিতবে অগাস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসের রপ্তানি জুলাই মাসের মত ভালো হবে না- এমন আভাস দিয়ে হাতেম বলেন, “এমনও হতে পারে, এই দুই মাসে পোশাক রপ্তানি জুলাই মাসের অর্ধেকেও নেমে আসতে পারে। কারণ জুলাই মাসে যে রপ্তানি আয় দেশে এসেছে তা মার্চ, এপ্রিল ও মে মাসে যে সব অর্ডার স্থগিত করেছিল বায়াররা, সেগুলোই পুনরায় অর্ডার দেওয়ায় রপ্তানি হয়েছে।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
“সার্বিকভাবে বলতে হয়, আমাদের পোশাক রপ্তানির অবস্থা ভালো না। এখন খুবই কম অর্ডার আসছে। যে অর্ডারগুলো আসছে, সেগুলোর প্রাইস (দাম) কম। অনেক ক্ষেত্রে লস দিয়েও আমরা অর্ডার নিচ্ছি।”
তিনি বলেন, মহামারীর কারণে মানুষের আয়-উপার্জন কমে যাওয়ায় পোশাকের চাহিদা কমে গেছে, বিশ্ব বাজার ছোট হয়ে গেছে। কিন্তু সরবরাহের সক্ষমতা আগের মতই আছে।
My Ads
“অর্থনীতিতে যে কোনো পণ্যের চাহিদা কমে গেলে, সরবরাহ বেশি হলে দাম কমে যায়। বিশ্ব পোশাক মার্কেটেও তাই হয়েছে। তবে এই অবস্থা থাকবে না। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই আবার পোশাকের চাহিদা বাড়বে; দামও বাড়বে। আমার মনে হয়, ডিসেম্বরের বড় দিনকে ঘিরেই ভালো হতে শুরু করবে।”
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
এই পোশাক ব্যবসায়ী বলেন, “আমরা যদি সাতটা-আটটা মাস, খুব বেশি হলে একটা বছর এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে টিকে থাকতে পারি তাহলে আবার ঘুরে দাঁড়াতে পারব। ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলে ফের দ্বিতীয় স্থান পুনরুদ্ধার করতে পারব।”
কোভিড-১৯ মহামারীর ধাক্কা বাংলাদেশে লাগতে শুরু করে গত মার্চ মাস থেকে, এপ্রিলে পোশাক রপ্তানি কমে মাত্র ৩৬ কোটি ডলারে নেমে এসেছিল, যা ছিল গত বছরের এপ্রিলের চেয়ে ৮৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ কম।
বিধিনিষেধ শিথিল করে মে মাসে কলকারখানা চালু করা হয়। ওই মাসে পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি কমেছিল ৬১ দশমিক ৫৭ শতাংশ। ২০১৯-২০ অর্থবছরের শেষ মাস জুনে প্রবৃদ্ধি কমেছিল ২ দশমিক ৫ শতাংশ।
চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে সার্বিক পণ্য রপ্তানি দশমিক ৬ শতাংশ বাড়লেও পোশাক রপ্তানি কমেছে ১ দশমিক ৯২ শতাংশ।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, “একটি বিষয় কিন্তু আমাদের সবার মনে রাখতে হবে, কোভিড-১৯ এর প্রভাব শুরু হওয়ার আগে থেকেই কিন্তু আমাদের রপ্তানি আয়ে খারাপ পরিস্থিতি ছিল। প্রতি মাসেই প্রবৃদ্ধি কমছিল।
“মহামারী না এলেও কিন্তু গত অর্থবছরে আমাদের পোশাক রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি আগের তুলনায় ৮-৯ শতাংশ কম হত। কোভিড-১৯ এর ধাক্কায় সেটা ১৮ শতাংশ হয়েছে।”
এখন বিশ্ব পরিস্থিতি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে আহসান মনসুর বলেন, “আমরা অতীতেও দেখেছি, এক-একটি বড় ঘটনা আমাদের পোশাক শিল্পের জন্য সুফল বয়ে এনেছে। সবাই আশঙ্কা করেছিল, ২০০৪ সালে কোটা সুবিধা উঠে যাওয়ার পর বাংলাদেশের পোশাক শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে।
“কিন্তু সেই কোটা উঠে যাওয়াই আরএমজি’র জন্য আশির্বাদ হয়ে এসেছিল। ওই সময়ের ৬-৭ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রপ্তানি ৩৪ বিলিয়ন ডলারও ছাড়িয়েছিল।”
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
H.S.C
আরি পড়ুন ›ssc 2021 politics and citizenship 1st assignment answer /solution, এসএসসি পরিক্ষার্থী ২০২১ এর পৌরনীতি ও নাগরিকতা ১ম অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর /সমাধান ২০২১অ্যাসাইনমেন্ট : বর্তমান বিশ্বে নিম্নোক্ত পরিবার ব্যবস্থা দেখা যায়- ক) বংশ গণনা ও নেতৃত্বের…
আরি পড়ুন ›“সৎকর্মে সফলতা ও অসৎ কর্মে ব্যর্থতা”-এর নিরংকুশ সর্বজনীনতা দিয়েছে ইসলাম এর স্বপক্ষে তোমার পাঠ্য বইয়ের আলোকে যৌক্তিকতা নিরূপন কর, ৯ম শ্রেণির ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা ১৫তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান ২০২১শ্রেণি: ৯ম -2021 বিষয়: ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 02বাংলা…
আরি পড়ুন ›সামাজিক প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার (Agency) ধারণা, বৈশিষ্ট্য উল্লেখপূর্বক সামাজিক সমস্যা প্রতিরােধে বিবাহ ও পরিবারের ভূমিকা তুলে ধরুন, hsc উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সমাজকর্ম ২য় পত্র ১২শ শ্রেণি ৪র্থ অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান/ উত্তর ২০২১, সমাজকর্ম ২য় পত্র ১২শ শ্রেণি ৪র্থ অ্যাসাইনমেন্ট hsc উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় সমাধান/ উত্তর ২০২১শ্রেণি: ১২শ/ hsc/ উন্মুক্ত-2021 বিষয়: সমাজকর্ম ( ২য় পত্র ) এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021এসাইনমেন্টের ক্রমিক…
- একটি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান পণ্যের ফরমায়েশদানে কী পদ্ধতি প্রয়ােগ করে কাঁচামাল সংগ্রহের মূলধনী ব্যয় ও পণ্যের যােগান যথাযথ রাখবে?,পন্য উৎপাদনে পণ্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের জন্য তুমি কী কী পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণ করবে?
- তুমি একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হিসাবে কিভাবে ব্যবসায়িক ঋণ পেতে পার?, ব্যবসায়িক ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংক কী কী বিষয় বিবেচনা করবে?
- কয়েকজন উদ্যোক্তা একত্রে একটি প্রকল্প স্থাপন করতে কিভাবে মাইক্রো স্ক্রিনিংএর মাধ্যমে প্রকল্প নির্বাচন করবে? কী কী দৃষ্টিকোণ হতে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করবে?
- ব্যবসায় স্থাপনে একজন উদ্যোক্তার কী কী ধরণের সাহায্য-সহযোগিতার প্রয়োেজন পড়ে?, সাহায্য-সহযােগিতার ধরণ অনুযায়ী বাংলাদেশের শিল্পায়নের জন্য আমরা কোন কোন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সাহায্যে নিতে পারি?
- ব্যবসায় পরিকল্পনা তৈরি করতে তুমি কী কী বিষয় লক্ষ্য রাখবে পরিকল্পনা প্রণয়নে কিভাবে একটি পূর্ব পরিকল্পনা বা প্রাে-ফর্মা তৈরি করা যায় তার তালিকা প্রণয়ন কর।
- আত্মকর্মসংস্থানের পেশাগ্রহণ করার ক্ষেত্রে যেসকল যোগ্যতা যাচাই করা প্রয়োজন সেগুলাে উল্লেখ কর।, কর্মসংস্থানের উপায় হিসেবে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আত্মকর্মসংস্থানের ভূমিকা ব্যক্ত কর।
- এইচএসসি বিএম ব্যবসায় উদ্যোগ (২৪১৮) এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর
- Finance Banking & Insurance-1st (2218) Assignment Answer
- সমর্পণ মূল্য নির্ধারণের পদ্ধতি গুলাে লিখবে।
- প্রত্যয়নপত্র (LC) খোলার পদ্ধতি লিখুন
1 thought on “সম্প্রতি তুমি পােশাক উৎপাদনকারী ও রপ্তানীকারী একজন লাভজনক শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেছ, এ পরিদর্শনের উপর বাস্তব অভিজ্ঞতা ও সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে শিল্প প্রতিষ্ঠ।, নকে আরও দক্ষতার সাথে পরিচালনা করার প্রয়ােজনীয় সুপারিশসহ একটি প্রতিবেদন প্রস্তুত কর।”