পৃথিবীর ভূমিরূপের বাহ্যিক গঠন প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ,পৃথিবীর বাহ্যিক গঠনের বর্ণনা করতে হবে,ভূমিরূপের ধারণাও শ্রেণিবিভাগ বর্ণনা করতে হবে,পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপের গঠন ও বৈশিষ্ট্যের ব্যাখ্যাকরতে হবে

My Ads

Google Adsense Ads

My Ads

শ্রেণি: ৯ম / 2022 বিষয়: ভূগোল ও পরিবেশ এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2022
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 02 বিষয় কোডঃ 110
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

সকল প্রকার সাজেশন: পিএসসি,জেএসসি,এসএসসি, এইচএসসি, অনাস , ডিগ্রী


এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ পৃথিবীর ভূমিরূপের বাহ্যিক গঠন প্রকৃতি ও বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ।

শিখনফল/বিষয়বস্তুঃ

  • পৃথিবীর বাহ্যিক গঠন বর্ণনা করতে পারবে।
  • পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারবে

অ্যাসাইনমেন্ট প্রণয়নের নির্দেশনাঃ

  1. পৃথিবীর বাহ্যিক গঠনের বর্ণনা করতে হবে
  2. ভূমিরূপের ধারণাও শ্রেণিবিভাগ বর্ণনা করতে হবে
  3. পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপের গঠন ও বৈশিষ্ট্যের ব্যাখ্যাকরতে হবে।

  • পৃথিবীর বাহ্যিক গঠনের বর্ণনা করতে হবে

My Ads

AVvXsEhYufiOx606dJv29n0oZa0CBED0pDprhJL82yjXfXDpAVfmVXTmCOabmat2EswM1gQaa0m YrqT0ApDPsZtpXoYmL31A6qBb8zznzl89e5q uRc7 qD0TC1vaEBUGNRNaJEZ5uy8g1xwMSNkhQ8GooUd4m0r7ohO621E dwBNCohhRYN6qQQGv 6l0

My Ads

পৃথিবীর অভ্যন্তরীন গঠন অনেকটা পেয়াজের মতো বিভিন্ন খোলসাকৃতির স্তরে বিন্যস্ত। এই স্তরগুলোকে তাদের বস্তুধর্ম এবং রাসায়নিক ধর্ম দিয়ে সংজ্ঞায়িত করা যায়।

My Ads

Earth Enternal Formation

পৃথিবীর বাহিরের দিকে রয়েছে সিলিকেট দিয়ে তৈরি কঠিন ভূত্বক বা ক্রাস্ট, তারপর অত্যন্ত আঠালো একটি ভূ-আচ্ছাদন বা ম্যান্টল, একটি বহিঃস্থ মজ্জা বা কোর যেটি ম্যান্টলের চেয়ে তুলনামূলকভাবে কম আঠালো এবং সব শেষে একটি অন্তঃস্থ মজ্জা।

পৃথিবীর অভ্যন্তরীন গঠন বৈজ্ঞানিক ভাবে বোঝার জন্য কোন স্থানের ভূসংস্থান এবং গভীরতা, বহিঃস্থ এবং অন্তঃস্থ শিলাস্তর, আগ্নেয়গিরি এবং অগ্ন্যুৎপাত, মহাকর্ষীয় এবং তরিৎচুম্বকীয় ক্ষেত্রের পরিমাপ, ভূকম্পন তরঙ্গের বিশ্লেষণ ইত্যাদি বিষয় পর্যবেক্ষণ করা হয়।

পৃথিবীর গঠনকে দু’ভাবে বর্ণনা করা যায়। এক- যান্ত্রিক উপায়ে যেমন, বস্তুবিদ্যা, অথবা দুই- রাসায়ানিক ভাবে। যান্ত্রিক ভাবে দেখলে, পৃথিবীকে অশ্বমন্ডল, আস্থেনোমণ্ডল, মেসোমণ্ডল, বহিঃস্থ মজ্জা এবং অন্তঃস্থ মজ্জা এই ক’টি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

আর রাসায়নিক ভাবে পৃথিবীকে ভাগ করা হয়েছে ভূত্বক, উপরস্থ ভূ-আচ্ছাদন, নিম্নস্থ ভূ-আচ্ছাদন, বহিঃস্থ মজ্জা এবং অন্তঃস্থ মজ্জা এই ক’টি ভাগে। ভূপৃষ্ঠ থেকে পৃথিবীর ভূ-তাত্ত্বিক উপদানগুলোর গভীরতা নিচের তালিকায় দেখানো হয়েছে।

My Ads

Earth Goth

পৃথিবীর এই ধরনের স্তর বিন্যাস পরোক্ষ ভাবে বিভিন্ন সময়ে ভূমিকম্পের কারণে সৃষ্ট ভূ-কম্পন তরঙ্গের প্রতিফলন এবং প্রতিসরণ দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। ভূ-মজ্জার কোন একটি অংশে যখন শিয়ার ওয়েভের চেয়ে ভিন্ন গতিবেগের ভূ-কম্পন তরঙ্গ প্রবাহিত হয়, তখন সাধারণত শিয়ার ওয়েভ বা মাধ্যমিক ভূ-তরঙ্গ ভূ-মজ্জার ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হতে পারে না।

আলো যে ভাবে প্রিজমের মধ্য দিয়ে যাবার সময় বেঁকে যায়, সেভাবে পৃথিবীর বিভিন্ন স্তরে ভূ-কম্পন তরঙ্গ তার গতিবেগের ভিন্নতার কারণে প্রতিসৃত হয়; এই প্রতিসরণ হয়ে থাকে স্নেলের সূত্র অনুযায়ী। একইভাবে প্রতিফলনের কারণে ভূ-কম্পন তরঙ্গের গতিবেগ অনেক বেশি বেড়ে যায়, ঠিক যেভাবে আয়নায় প্রতিফলিত হয়ে আলো ছড়িয়ে যায় অনেক দিকে।

  • ভূমিরূপের ধারণাও শ্রেণিবিভাগ বর্ণনা করতে হবে

My Ads

AVvXsEhq3zl5T9w2BcE89fSTQ Tqxraw6CR5y it ZpWjqZAE 7HlESqrSQhZQUlex1kcWgIh4NQ6U4YoOvtvvUmUTtMPxnWujRocxoRdk5babbuVIcnfcOVs27xL Z8WGaLqszlj8RH nZW3kz3Iwxn5xk 3VemfASXkY4RDVFBCa1

My Ads

AVvXsEi6YcesFVehwC1xNZgyya4azeE9BTohAfkbMX Jm0nW0MWBnXV7Hx77xycQLYHKKBCOnDHLaqBErgk MP MJgwJr2Jiq1IgZ7COrjDlDO9X05D9wv8tWSEaKIIBmWQT1a7lQEnQWgxULso mhZqUX9m3c xnKnXCLbBEbsgdNCAzh 2G4 kZyPlEIwQ

My Ads

AVvXsEixXp1nj1quC66s1zVkEPzXKGrF4AFebxRI3I hiqXEG9fzcGFimIsKRYsZh7BGgV4StAyaSY28Y0P9OZT3L6vPmWduwKVGzPO7rtf8dzn BIPVMK9W4eZGIqDbngJHznkeZM4oSnRQU pVKdXpiFg7jfC2ecgCJSDrrd hqEylQu1OGEDHSwgXIcSA

My Ads

AVvXsEj r7UFXkdBQYP1vMJ3DN7 smmeMo 2IyctNPsappFNACc6FbzpOq6c7P3hFaZLpOfl1 L5sBy4VSwlQcjd0E5ZpJSp0bYtrUFqg7DBPUWo8G j8fXol3oPbIJ6YtrcL6g6HGcG0MEkCc

My Ads

AVvXsEisEtXsxzMZh9juwFj3 C2l1xQYIFFeSEnJ24U Ulu7tjFxtSEbL4 En M5oPziTkM10E2T WS4dmNJXzinKMUTTqh2ksLlObnbf4vEqAqqeC z 5i lWwt28 ptSdo098rWoNu7amcorfZ05LQ0RYCco4W0pmGhMpRMPLGRFf77CU2Lq6mFqeFo0C
  • পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপের গঠন ও বৈশিষ্ট্যের ব্যাখ্যাকরতে হবে।

ভূমিরূপ বা ল্যান্ড ফর্ম কে আক্ষরিক অর্থে ভূমির গঠনগত আকৃতিকে বলা হলেও ব্যাপক অর্থে সমগ্র পৃথিবী ব্যাপী অবস্থানরত বিভিন্ন ধরনের ভূমি ভাগের আকৃতি, উচ্চতা, বন্ধুরতা, ঢাল, প্রভৃতি অবয়ব ভূমিরূপ নামে পরিচিত।

প্রসঙ্গত অগ্ন্যুৎপাত ভূমিকম্প সূর্যরশ্মি নদ-নদী সমুদ্রস্রোত বাযু হিমবাহ ভূমিরূপ সৃষ্টিতে সক্রিয় ভূমিকা গ্রহণ করে। উদাহরণস্বরূপ পাহাড়-পর্বত, মালভূমি,সমভূমি। ভূমিরূপকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে যথা পর্বত বা মাউন্টেইন, মালভূমি ও সমভূমি।

My Ads

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

এই প্রত্যেকটি ভূমিরূপ কে আবার অনেক ভাগে ভাগ করা হয়েছে। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১০০০ মিটার বা তারও বেশি উচ্চতাবিশিষ্ট বহুদূর বিস্তৃত শৃঙ্গযুক্ত খাড়া ঢালের শিলাময় স্তুপ পর্বত বা মাউন্টেন নামে পরিচিত।

যেমন হিমালয় সাতপুরা ভিসুভিয়াস আরাবল্লী, এই চারটি পর্বত হল পর্বতের বিভিন্ন ভাগের উদাহরণ। পর্বত কে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে যথাঃ ভঙ্গিল পর্বত, স্তুপ পর্বত, আগ্নেয় পর্বত, ক্ষয়জাত পর্বত।

My Ads

ভঙ্গিল পর্বতঃ ভূপৃষ্ঠের কোমল পাললিক শিলা স্তর গিরিজনি প্রক্রিয়ায় পার্শ্ব চাপে ভাজপ্রাপ্ত হয়ে যে পর্বত সৃষ্টি করে তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে। যেমন হিমালয়, আল্পস, রকি, আন্দিজ, ইত্যাদি।

আগ্নেয় পর্বতঃ প্রবল ভূ আলােড়ন এর ফলে ভূ-অভ্যন্তরের উত্তপ্ত তরল ও বিভিন্ন গ্যাস যুক্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের কোন দুর্বল স্থান কিংবা ফাটল দিয়ে লাভা রূপে নির্গত হয়ে শঙ্কু বাস্তবে নয় যে পর্বত সৃষ্টি করে, তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে।

প্রসঙ্গত, লাভা সঞ্চয় এর মাধ্যমে আগ্নেয় পর্বত গঠিত হয় বলে, একে সঞ্চয়জাত পর্বত ও বলে। যেমন ভারতের আন্দামান সংলগ্ন ব্যারেন, জাপানের ফুজিয়ামা, ইতালির ভিসুভিয়াস, প্রভৃতি।

আগ্নেয় পর্বতের সৃষ্টি প্রক্রিয়াঃ প্রবল ভূ-আলােড়ন, পাতের সঞ্চালন কিংবা ভূমিকম্পের দ্বারা ভূগর্ভের ৮০১৬০ কি.মি. গভীরতায় থাকা উত্তপ্ত তরল ও গ্যাসীয় বাষ্প যুক্ত ম্যাগমার চাপের ভারসাম্য নষ্ট হলে সেটি দ্রুত স্থিতিস্থাপকতা হারিয়ে ফেলে।

তখন সেই মেঘনা ভূগর্ভের একটি নির্দিষ্ট পথ ধরে ভূপৃষ্ঠস্থ দুর্বল স্থান কিংবা ফাটলের মধ্যে দিয়ে ধীর গতিতে কিংবা বিস্ফোরণের দ্বারা ছাই ভস্ম কিংবা ছােট ছােট আগ্নেয় পদার্থের টুকরাের সমন্বয় এ ভূপৃষ্ঠের বাইরে সঞ্চিত হয়ে আগ্নেয় পর্বত সৃষ্টি করে।

মালভূমিঃ

সমুদ্র সমতল থেকে ৩০০ মিটার বা আরাে কিছুটা উর্ধ্বে অবস্থিত খাড়া ঢাল যুক্ত সুবিস্তৃত তরঙ্গায়িত বা সামান্য বন্ধুর ভূভাগ মালভূমি নামে পরিচিত। প্রসঙ্গত আকৃতিগত ভাবে মালভূমি অনেকটা টেবিলের ন্যায় দেখতে হওয়ায় একে টেবিল ল্যান্ড বলে।

যেমন ভারতের দাক্ষিণাত্য ও ছােটনাগপুর মালভূমি, তিব্বতের পামির মালভূমি ইত্যাদি। মালভূমি সৃষ্টির কারণঃ মালভূমি সৃষ্টি হওয়ার পেছনে সাধারণত তিনটি কারণ দায়ী। এগুলি হলাে

১) ভূ আলােড়ন ও পাত সঞ্চরণঃ পাত সঞ্চরণ ও তত্ত্বানুসারে পাত গুলির চলন এর ফলে পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রাচীন ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মহাদেশীয় বা শিল্ড মালভূমির গঠন করে। যেমন আরব মালভূমি, কানাডিয়ান শিল্ড প্রভৃতি। পাত সঞ্চারণের ফলে ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির সময় পর্বতের মাঝের নিচু ও সমতল ভূমি উঁচু হয়ে মালভূমি সৃষ্টি হয়। এগুলি পর্বত দ্বারা বেষ্টিত।

যেমন তিব্বত মালভূমি, ইরানের মালভূমি প্রভৃতি। অনেক সময় ভূ-আলােড়ন এর ফলে ভূপৃষ্ঠের বিস্তৃত সুউচ্চ ভূভাগ একদিকে হেলে পড়ে ও মালভূমিতে পরিণত হয়। যেমন ভারতের উপদ্বীপীয় মালভূমি। ভূ আলােড়ন এর ফলে সৃষ্ট চ্যুতির পাশের কোন অংশ অনেক সময় উথিত হয়ে মালভূমি তে পরিণত হয় ।যেমন ফ্রান্সের সেন্ট্রাল ম্যাসিফ মালভূমি।

২) ক্ষয় সাধনঃ নদী, বাষু হিমবাহ, সমুদ্র তরঙ্গ, আবহবিকার প্রভৃতি প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা কোন উচ্চভূমি বা পর্বতমালা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় মালভূমির আকার ধারণ করে। যেমন মধ্য ভারতের বুন্দেলখন্ড ও বাঘেলখন্ড মালভূমি।

৩) সঞ্চয় কাজঃ নিঃসারী অগ্ন্যুৎপাতের ফলে ভূগর্ভস্থ ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাইরে এসে লাভা রূপে সঞ্চিত হয়ে মালভূমি তে পরিণত হয়। যেমন ভারতের দাক্ষিণাত্য মালভূমি বা ডেকানট্রাপ। *শুষ্ক অঞ্চলে বালুরাশি জমা হয়ে মালভূমি সৃষ্টি হয়। যেমন আফ্রিকার সাহারা মালভূমি। *অতি শীতল অঞ্চলে বরফ জমে উঁচু হয়ে মালভূমি সৃষ্টি করে। যেমন আন্টাটিকা মালভূমি ও গ্রীনল্যান্ড মালভূমি।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

My Ads

সমভূমিঃ

সমুদ্রপৃষ্ঠের একই সমতলে বা সামান্য উঁচুতে, তবে ৩০০ মিটারের কম উঁচুতে অবস্থিত প্রায় সমতল সমতল বিস্তীর্ণ স্থলভাগকে সমভূমি বলে। যেমন ভারতের গঙ্গা নদী বিধৌত সমভূমি অঞ্চল, রাশিয়ার সাইবেরিয়ান সমভূমি।

১) পলি গঠিত সমভূমিঃ বন্যার সময় নদীর মধ্য ও নিম্নগতিতে নদীর উভয় পার্শ্বে পলি বালি কাঁকর ইত্যাদি সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমি গঠন করে তাকে পলি গঠিত সমভূমি বলে। বর্ষাকালে নদীর দু’কূল ছাপিয়ে বন্যার সৃষ্টি হলে বন্যার জলের সঙ্গে বাহিত পলি, বালি, নুড়ি কাঁকর, কাঁদা উভয় তীরের নিম্নভূমিতে সঞ্চিত হয়।

বছরের পর বছর এইভাবে পলি সঞ্চিত হয়ে নিচু জায়গা ভরাট হয়ে উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়ে সমভূমি তে পরিণত হয়। যেমন গাঙ্গেয় সমভূমি, ব্রহ্মপুত্র সমভূমি প্রভৃতি।

২) লােয়েস সমভূমিঃ মরুভূমির বালি বায়ুপ্রবাহের দ্বারা বহুদূর উঠে গিয়ে সঞ্চিত হয়ে যে সমভূমি সৃষ্টি হয় তাকে লােয়েস সমভূমি বলে। লােয়েস শব্দের অর্থ সূক্ষ্ম পলি বা স্থানচ্যুত বস্তুকণা। সাধারণত ০.০৫ মিলিমিটারের কম ব্যাস যুক্ত বালিকণা সহজেই প্রবল বায়ু প্রবাহের সঙ্গে বাহিত হয়।

এই বাযুর গতি কমে গেলে বা বাযু বৃষ্টিপাতের সম্মুখীন হলে বাযুস্থিত বালিকণা অবক্ষিপ্ত হয় এবং লােয়েস সমভূমি গড়ে ওঠে। যেমন মধ্য এশিয়ার গােবি মরুভূমি বালি উড়ে গিয়ে চীনের হােয়াংহাে নদী অববাহিকায় সঞ্চিত হয় লােয়েস সমভূমি গড়ে উঠেছে।

My Ads

৩) লাভা সমভূমিঃ ভূপৃষ্ঠের কোন নিম্ন অংশে ক্রমাগত লাভা সঞ্চিত হয়ে যে সমতল ভূমির সৃষ্টি হয় তাকে লাভা সমভূমি বলে। ভূত্বকের কোন দুর্বল অংশ বা ফাটল দিয়ে ভূগর্ভের উত্তপ্ত ম্যাগমা ভূপৃষ্ঠের বাইরে বেরিয়ে এসে লাভা রূপে শীতল ও কঠিন হয়ে সঞ্চিত হয়। এইভাবে ক্রমাগত লাভা সঞ্চয়ের ফলে লাভা সমভূমি গড়ে উঠেছে। যেমন ভারতের দাক্ষিণাত্য মালভূমির উত্তরে মালব সমভূমি।

৪) বদ্বীপ সমভূমিঃ নদীর মােহনায় অতিরিক্ত পলি সঞ্চিত হয় মাত্রাহীন ব আকৃতির সমভূমি গড়ে ওঠে। যেমন গঙ্গা নদীর মােহনায় সৃষ্ট বদ্বীপ সমভূমি।

৫) হ্রদ সমভূমির সৃষ্টিঃ কোন নদীবাহিত নুড়ি, বালি, কাদা, পলি হ্রদে সঞ্চিত হয়ে হ্রদ ভরাট হয়ে গেলে হ্রদ সমভূমি গঠিত হয়। যেমন উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তাল সমভূমি অঞ্চল।

৬) হিমবাহ সমভূমিঃ হিমবাহের দ্বারা সঞ্চিত নুড়ি , কাকর জমে এই প্রকার সমভূমি সৃষ্টি হয়। যেমন উত্তর আমেরিকার প্রেইরি সমভূমি।

৭) ক্ষয়জাত সমভূমিঃ নিচু মালভূমি বা পার্বত্য অঞ্চল বহু বছর ধরে বিভিন্ন প্রাকৃতিক শক্তি দ্বারা ক্ষয়প্রাপ্ত হয় সমপ্ৰায় ভূমি সৃষ্টি করে। যেমন ভারতের ছােটনাগপুর মালভূমির কিছু কিছু অংশ।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]


প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com

My Ads

আমরা আছি নিচের সামাজিক মাধ্যম গুলোতে ও

Google Adsense Ads


অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ভোকেশনাল ও দাখিল ভোকেশনাল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • Class: 6 To 10 Assignment Answer Link

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর

১০ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর


My Ads

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট
বিজ্ঞান ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট লিংক
ব্যবসায় ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট লিংক
মানবিক ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট লিংক
মানবিক ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট লিংক
বিজ্ঞান ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট লিংক
ব্যবসায় ১ম ও ২য় বর্ষের এসাইনমেন্ট লিংক

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/



Google Adsense Ads

My Ads

Leave a Comment

My Ads

My Ads