ইন্টারনেট, ই-মেইল এবং ই-কমার্স এর ব্যবহার পদ্ধতি আলোচনা কর

ইন্টারনেট, ই-মেইল এবং ই-কমার্স এর ব্যবহার পদ্ধতি আলোচনা কর

এইচ এস সি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:

ইন্টারনেট, ই-মেইল এবং ই-কমার্স এর ব্যবহার পদ্ধতি আলোচনা কর,


ইন্টারনেট এর ব্যবহার পদ্ধতি,

ইন্টারনেটের ব্যবহার পদ্ধতি বিভিন্ন রকম। যেমন-
ক. ওয়েব : ওয়েব হচ্ছে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সংযুক্ত কম্পিউটারগুলোতে যে তথ্য রাখা হয়েছে সেগুলো ব্যবহারের পদ্ধতি।


খ. চ্যাট : চ্যাটের সাহায্যে একই সময়ে একাধিক ব্যক্তির সাথে কথা বলা যায়।


গ. ই-মেইল : এ পদ্ধতি হচ্ছে সংবাদ আদান-প্রদানের এক সহজ ব্যবস্থা। এ পদ্ধতিতে অতিদ্রুত তথ্য আদান-প্রদান সম্ভব।


ঘ. নেট নিউজ : এ পদ্ধতিতে ইন্টারনেট সংরক্ষিত সংবাদ যেকোনো সময় উন্মুক্ত করা যায়।


ঙ. ই-ক্যাশ : ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইলেক্ট্রনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে ই-ক্যাশ পদ্ধতি বলে।


চ. আর্কি : আর্কি হচ্ছে নেটওয়ার্কে তথ্য সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে স্থাপিত একটি পদ্ধতি, যা তথ্যগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সূচি আকারে সমন্বয় করে উপস্থাপন করতে সক্ষম।


ই-মেইল এর ব্যবহার পদ্ধতি,

চিঠি পত্রের ব্যবহার ক্রমান্বয়ে হ্রাস পাওয়ার সাথে সাথে মানুষ আধুনিক পদ্ধতির সাহায্যে জীবনকে সহজ করে তুলেছে। বর্তমানে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই চিঠি পত্রের পরিবর্তে ইমেইল(E-mail) ব্যাবহার শুরু করেছে। তাহলে চলুন জেনে নেই ইমেইল সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য যেমন,  ই মেইল কি এবং ই মেইল এর পূর্ণরূপ কি, ই-মেইল এর কাজ বা ব্যবহার, ই মেইল কিভাবে কাজ করে। ই মেইল খোলার নিয়ম ও ইমেইল করার পদ্ধতি সহ ই- মেইল এর সুবিধা সমূহ!

ই মেইল কি (What Is Email)? ই-মেইলের পূর্ণ অর্থ হলাে ইলেক্ট্রনিক মেইল। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন ডিজিটাল ডিভাইস (কম্পিউটার, মােবাইল প্রভৃতি) এর মধ্যে ডিজিটাল তথ্য আদান-প্রদান ব্যবস্থাকে ই-মেইল বলে।

ই-মেইলের কাজ বা ব্যবহার হলো তথ্য আদান-প্রদানে আইপি বা ইন্টারনেট প্রােটোকল ব্যবহার করে থাকে এবং এতে টেক্সট বার্তার সাথে অ্যাটাচমেন্ট আকারে নানা ফাইলও (ডকুমেন্ট, ছবি, অডিও, ভিডিও সহ যে কোনাে ডিজিটাল ফাইল) পাঠানাে যায়। এবং ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত থাকা অবস্থায় সারা বিশ্বের যেকোনাে স্থানে ই-মেইল পাঠানাে যায়।

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ইমেইল সুবিধা প্রদান করে থাকে। এগুলোর মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় হচ্ছে গুগল (Google) কোম্পানির  জিমেইল (Gmail)। এছাড়াও আর বিভিন্ন ইমেইল সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে মাইক্রোসফট ( Microsoft) কোম্পানির হটমেইল (Hotmail) এবং ইয়াহু কোম্পানির Yahoo মেইল। 

ই-মেইলের (E-mail) জন্য একটি নির্দিষ্ট ই-মেইল অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়, যা প্রত্যেক ব্যবহারকারীর জন্য ইউনিক হয়ে থাকে। নিরাপত্তার জন্য গােপন পাসওয়ার্ড দ্বারা প্রত্যেকের ই-মেইল অ্যাকাউন্টকে সুরক্ষিত রাখা হয়। একটি ই-মেইল অ্যাড্রেসের দুটি অংশ থাকে; যার প্রথম অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিত এবং শেষাংশটি ডােমেইন নেম হিসেবে পরিচিত। যেমন : gganbitan@gmail.com একটি ই-মেইল অ্যাড্রেস; যার gganbitan অংশটি ব্যবহারকারীর পরিচিতি এবং gmail.com অংশটি ডােমেইন নেম হিসেবে চিহ্নিত হবে। ই-মেইল অ্যাড্রেসের এ দুই অংশকে @ চিহ্ন দ্বারা পৃথক করা হয়ে থাকে।

কিভাবে ইমেইল পাঠাতে হয় এটি আমাদের সকলের জানা উচিত। তবে ইমেইল পাঠানোর নিয়ম খুবই সহজ! প্রথমে আপনি কোন ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠান কে একটি ইমেইল পাঠাতে চান তার মেইল এড্রেস (Mail Address) টি সংগ্রহ করতে হবে। এর পরে  কম্পোজ (Compose) অপশনে গিয়ে ইমেইল লেখা শুরু করতে হবে। To অপশনে আপনি যাকে মেইল করবেন তার এড্রেসটি দিন। এরপরে সাবজেক্ট (Subject) অপশনে যে বিষয়ে মেইল লিখবেন সেটি লিখুন। এবং এরপরে নিচে বিস্তারিত লিখুন। এবং কোন এটাচমেন্ট যুক্ত করতে চান তাহলে স্ক্রিনশটে উল্লেখিত অপশনের মাধ্যমে আপনার প্রয়োজনীয় ছবি বা ডকুমেন্টস যুক্ত করুন। এবং sent অপশনে ক্লিক করার মাধ্যমে পাঠিয়ে দিন আপনার ইমেইল টি।

ই-মেইল এর জনক কে? ই-মেইলের জনক রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন। আমেরিকান কম্পিউটার প্রােগ্রামার Raymond Samuel Tomlinson এর জন্য ১৯৪১ সালের ২৩ এপ্রিল। তিনিই সর্বপ্রথম আরপানেটে ই-মেইল প্রােগ্রাম ব্যবহার করে এক হােস্ট কমপিউটার থেকে অপর হােস্ট কম্পিউটারে ই- মেইল প্রেরণ করেন। তার সূচিত এই ই-মেইল ব্যবস্থা পরবর্তীতে সারা পৃথিবীতে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে তথ্য আদান-প্রদানে কে ব্যাপক বিপ্লব সাধন করে। ই-মেইলের মাধ্যমে তথ্য বিনিময় পদ্ধতি উদ্ভাবন ও তার দ্বার প্রথম সফল ই-মেইল বিনিময়ের কৃতিত্বের কারণে তাকে ই-মেইলের জনক বলা হয়।

ই-মেইলের সুবিধা (Advantages of E-mail):

  1. Email ব্যবহার করা সহজ। সহজে পাঠানাে যায় ও গ্রহণ করা যায় এবং কম্পিউটারে সংরক্ষণ করে রাখা যায়।
  2. ইমেইল সবচেয়ে দ্রুত। মুহূর্তেই পৃথিবীর যে কোনাে প্রান্তে পাঠানাে যায়।
  3. ই-মেইলের ভাষা সহজ।
  4. কোনাে গ্রুপ লােকজনের সাথে দ্রুত যােগাযােগ করা যায়।
  5. ই-মেইলের সাথে এটাচ করে অন্য প্রােগ্রাম বা ফাইল (লেখা, অডিও, ভিডিও) পাঠানাে যায়।
  6. একই মেইল সিসি করে অনেকের কাছে পাঠানাে যায়।
  7. এতে কাগজের ব্যবহার হয় না বিধায় পরিবেশের জন্য সহায়ক।
  8. ই-মেইলের মাধ্যমে সহজেই খুব কম খরচে কোন প্রােডাক্ট মার্কেটিং করা যায়।
  9. সাধারণ প্রাপ্ত মেইলের বিপরীতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে কোনাে উত্তর পাঠানাের ব্যবস্থা করা যায়।


ই-কমার্স এর ব্যবহার পদ্ধতি,

ভূমিকা :

আমরা যারা ইন্টারনেট ব্যবহার করি তারা প্রায় সকলেই জানেন ই-কমার্স কি এবং এর কাজ কি হ্যাঁ বন্ধুরা আজ আমি ই-কমার্স এর সর্ম্পকে

আলোচনা করবো যারা জানেন না তাদের জন্য অনেক উপকারে আসবে বলে আমি মনে করি।

.

ই-কমার্স :

ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে ব্যবসা বাণিজ্য সংঘটিত হয়ে থাকে তাকে ই-কমার্স বা Electronic Commerce বলে। ই-কমার্স (e-commerce)

হলো একটি আধুনিক ও ডিজিটার ব্যবসা পদ্ধতি। এখানে ব্যবসার সকল কার্যক্রম অনলাইনের মাধ্যমে  পরিচালনা করা হয়ে থাকে। ইন্টারনেটের

মাধ্যমে ক্রেতা ঘরে বসেই যে কোন পণ্যের মান,  পণ্যের দাম সর্ম্পকে জানতে পারে এবং তেমনি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে তা অর্ডারও দিয়ে ক্রয়

করতে পারে। ই-কমার্সে (e-commerce) ব্যবসায় লেনদেনের ক্ষেত্রে ক্রেডিট কার্ড ও ডেবিট কার্ড ব্যবহার করা হয়ে থাকে। ব্যবসায়িক

লেনদেনের দুটি পক্ষের প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে ই-কমার্সকে (e-commerce) চার ভাগে ভাগ করা যায় তা হলো:

ব্যবসা থেকে ভোক্তা (Business to Consumer : B2C)
ব্যবসা থেকে ব্যবসা (Business to Business : B2B)
ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business : C2B)
ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer : C2C)

আসুন এবার জেনে নেওয়া যাক এগুলোর কোনটার কোন কাজ হয়ে থাকে।

ব্যবসা থেকে ভোক্তা ( Business to Consumer : B2C) :  

এ পদ্ধতিতে মাধ্যমে কোনো ভোক্তা সরাসরি কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা উৎপাদনকারীর নিকট থেকে যে কোন পণ্য ক্রয় করে থাকে তাই এটা

ব্যবসা থেকে ভোক্তা বা B2C নামে পরিচিত। উদাহরণ হিসাবে আমি : wallmart.com

ব্যবসা থেকে ব্যবসা( Business to Business : B2B) :

এখানে একাধিক ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ব্যবসা সংঘটিত হয়। এখানে দুটি ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান তাদের মধ্যে পাইকারী কেনা-বেচা করে।

অর্থাৎ ভোক্তাদের নিকট পণ্য বিক্রয়ের পূর্বে যে ব্যবসা সম্পাদিত হয়ে থাকে তাকে ব্যবসা থেকে ব্যবসা ই-কমার্স (E-commerce) বলে।

উদাহরণ হিসাবে বলতে গেলে  e-steel.com এমন একটি ওয়েবসাইট।

ভোক্তা থেকে ব্যবসা (Consumer to Business : C2B):

ভোক্তার নিকট থেকে পণ্য ক্রয় করে  ব্যবসা পরিচালনা কে ভোক্তা থেকে ব্যবসা  বলা হয়ে থাকে । এই সংক্রান্ত ব্যবসাকই-কমার্স

(E-commerce) C2B নামে পরিচিত । উদাহরণ হিসাবে বলতে গেলে www.priceline.com এমন একটি ওয়েবসাইট।

.

ভোক্তা থেকে ভোক্তা (Consumer to Consumer : C2C) :

এখানে ব্যবসা সম্পাদিত হয় শুধু মাএ ভোক্তাদের নিজেদের মধ্যে যা C2C নামে পরিচিত। এখানে কোনো ভোক্তার পণ্য সরাসরি অন্য কোনো

ভোক্তা ক্রয় করে থাকে। উদাহরণ হিসাবে বলতে গেলে  bikroy.com এমন একটি ওয়ব সাইট যেখানে কোনো ক্রেতা অন্য কোনো ক্রেতার

কাছে তার পণ্যটি বিক্রি করে থাকেন।

.

ই-কমার্সের বৈশিষ্ট্য (Features of e-commerce):

ই-কমার্স (e-commerce) ব্যবসা সাধারনত সাতটি বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে, এর বৈশিষ্ট্যগুলো হলো:

.

১.ই-কমার্স ব্যবসা সর্বব্যাপিতা  (E-commerce Business is Ubiquity)

২.ই-কমার্স ব্যবসা  সব জায়গায় প্রবেশযোগ্য (E-commerce Business is Global Reach)

৩. ই-কমার্স ব্যবসা আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন  (    E-commerce Business is Universal Standards)

৪.ই-কমার্স ব্যবসা  হলো প্রাচুর্যতা (E-commerce Business is Richness)

৫.ই-কমার্স ব্যবসা হলো মিথস্ক্রিয়া (    E-commerce Business is Interaction)

৬. ই-কমার্স ব্যবসা হয়তথ্যের ঘনত্ব (    E-commerce Business is Information Density)

৭. ই-কমার্স ব্যবসা ব্যক্তিগতভাবে যত্নশীলতা ( E-commerce Business is Personalization)

ই-কমার্স ব্যবসা সর্বব্যাপিতা  (E-commerce Business is Ubiquity):

ই-কমার্সে (e-commerce) নির্দিষ্ট জায়গার প্রয়োজন নেই, এটি হলো সর্বব্যাপী একটি ব্যবসা এটি সব সময় সব জায়গায় সহজলভ্য।

আপনার একটি মোবাইলে বা ল্যাপটপে বা অন্য কোন ডিভাইসে ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে আপনি যেকোনো জায়গায় বসে দ্রব্য কেনা

বেচা করতে পারবেন। ই-কমার্স(e-commerce) ব্যবসা কোনো নির্দিষ্ট সীমারেখা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয় না।

.

ই-কমার্স ব্যবসা  সব জায়গায় প্রবেশযোগ্য (E-commerce Business is Global Reach):

ই-কমার্সে(e-commerce) ব্যবসা  সব জায়গায় প্রবেশযোগ্য  করতে পারে এর কোন নির্দিষ্ট কোনো সীমারেখা বা জায়গা নেই। ইন্টারনেট

ব্যবহার করে পৃথিবীর যে কেউ এই ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত হতে পারে, এবং পণ্য কেনা বেচা করতে পারে, অর্ডার দিতে পারে।

ই-কমার্স ব্যবসা আন্তর্জাতিক মান সম্পন্ন (E-commerce Business is Universal Standards):

ই-কমার্স(e-commerce) ব্যবসা একটি নির্দিষ্ট টেকনিক্যাল মানদন্ড মেনে চলে, একে আন্তর্জাতিক মানদন্ড বলা হয়ে থাকে । যা সব দেশে

সব জাতি দ্বারা স্বীকৃত।

ই-কমার্স ব্যবসা  হলো প্রাচুর্যতা (E-commerce Business is Richness):

ই-কমার্স ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো পণ্যের বিজ্ঞাপন । ইন্টারনেটের সাহায্যে ওয়েব সাইটের মাধ্যমে যে কোনো পণ্যের স্থিরচিত্র, অভিজ্ঞ,

ভিডিও, এনিমেশনের সাহায্যে বিজ্ঞাপন দেয়া হয়ে থাকে।

ই-কমার্স ব্যবসা হলো মিথস্ক্রিয়া (    E-commerce Business is Interaction):

ই-কমার্স(e-commerce) ব্যবসা টেকনোলজি হলো মিথস্ক্রিয়া যোগাযোগ। কারণ এ ব্যবসাটি দ্বিমুখী যোগাযোগ রক্ষা করে থাকে।

.

ই-কমার্স ব্যবসা হয় তথ্যের ঘনত্ব (    E-commerce Business is Information Density):

ই-কমার্স (e-commerce) ব্যবসায়র টেকনোলজি ইনফরমেশন সংগ্রহ, সংরক্ষণ, যোগাযোগ এবং প্রক্রিয়াকরণ মূল্য হ্রাস করে থাকে। একই

সময়ে এসব ইনফলমেশন আন্তর্জাতিক শীট মূল্যে সঠিক ও সময় উপযোগী হয়ে থাকে। যার ফলে এসব তথ্য হয় অধিক গ্রহণযোগ্য ও অধিক

গুনগত মানসম্পন্ন।

.

ই-কমার্স ব্যবসা ব্যক্তিগতভাবে যত্নশীলতা ( E-commerce Business is Personalization):

ই-কমার্স(e-commerce) ব্যবসা ব্যক্তি ভেদ করতে পারে। অর্থাৎ কোনো বিক্রেতা ইচ্ছে করলেই তার দ্রব্য বিশেষ কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর

জন্য উন্মুক্ত রাখতে পারে। আবার অন্যভাবে, বিক্রেতারা ইচ্ছে করলেই কোনো বিক্রেতাকে এড়াতে পারে। ফলে ইনফরমেশনের বহুল্যতা এবং

অপ্রয়োজনীয় ক্রেতা বা বিক্রেতার পরিমান এখানে সহজে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

H.S.C

শেয়ার করুন:

1 thought on “ইন্টারনেট, ই-মেইল এবং ই-কমার্স এর ব্যবহার পদ্ধতি আলোচনা কর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *