PDF Download ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি রচনা,‘ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি’ বিষয়টির উপর রচনা লিখুন, রচনা ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি , রচনা ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি রচনা, ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি রচনা PDF Download,রচনা নিয়োগ পরীক্ষায় আসা ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি, ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি রচনা বাংলা ২য় পত্র রচনা, রচনা ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি (PDF Download)

বিষয়: PDF Download ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি রচনা,‘ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি’ বিষয়টির উপর রচনা লিখুন, রচনা ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি , রচনা ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি রচনা, ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি রচনা PDF Download,রচনা নিয়োগ পরীক্ষায় আসা ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি, ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি রচনা বাংলা ২য় পত্র রচনা, রচনা ডিজিটাল শিক্ষা পদ্ধতি (PDF Download)

ভূমিকা: বর্তমানে এমন একটি সময়ে আমরা আছি, যখন শিক্ষা ব্যবস্থায় অভূতপূর্ব কিছু ধারণা উদঘাটিত হচ্ছে নতুন-নতুন কৌশল তৈরী হচ্ছে। এসবই হচ্ছে তথ্য-প্রযুক্তির প্রসারের ফলে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রান্তিক অঞ্চল পর্যন্ত ডিজিটাল শিক্ষা পেীছে দেওয়া এখন সহজ সাধ্য। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে শিক্ষার নতুন ধরনের অভিজ্ঞতা প্রদান করাও এখন সম্ভব। গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থায় যে আমূল পরিবর্তন আসছে, তা এখন আর অস্বীকার করার কোনাে উপায় নেই। এটি সম্ভব হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির সহজলভ্যতার কারণে। ইন্টারনেট এখন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর জন্য বিশ্বকে অবারিত করে দিয়েছে। যে যেখানে আছে, সেখান থেকেই পৃথিবীর যেকোনাে উৎস থেকে শিক্ষামূলক তথ্য আহরণ করা সম্ভব হচ্ছে।

ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থাঃ ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থা বলতে পাঠদান ও পাঠগ্রহণ প্রক্রিয়ায় তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহারকে বােঝায়। শিক্ষার গুণগতমান নিশ্চিত করণে শিক্ষায় তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বর্তমানে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণের পাশাপাশি শ্রেণীকক্ষে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ল্যাপটপ, ইন্টারনেট মডেম ও স্পীকারের সমন্বয় ঘটানাে হয়েছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে বর্তমানে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। ইন্টারনেটের মাধ্যমে বর্তমানে অনলাইনে ভর্তি আবেদন, শিক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র, প্রশংসাপত্র, ডিজিটাল আইডিকার্ড, ছাড়পত্র প্রিন্ট, পরীক্ষার ফলাফল তৈরী ও অনলাইনে ডাউনলােড, গ্রেডিং সিস্টেমের ফলাফল প্রকাশ, শিক্ষকশিক্ষার্থীর অনলাইন হাজিরা ব্যবস্থাপনা, মােবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে টিউশন ফি প্রদান, সিসি ক্যামেরার সাহায্যে নজরদারীসহ বিভিন্ন আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম সম্পাদিত হচ্ছে।

ডিজিটাল শিক্ষা ও বাংলাদেশ: এক দশকে শিক্ষাব্যবস্থায় প্রযুক্তির সমন্বয় ও ব্যবহার ছিল যুগান্তকারী একটি পদক্ষেপ। শ্রেণিকক্ষের অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ ও আরাে ফলপ্রসু করার জন্য বিশেষায়িত সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার ব্যবহার শুরু হয়। মাল্টিমিডিয়ায় কিভাবে শিক্ষাদান করা যায়, সেই ব্যাপারে গুরুত্ব দেয়া হয় সবচেয়ে বেশী। শিক্ষকেরা মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর এবং ভিডিওর সমম্বয়ে শেখানাে শুরু করেন। এখন এটাই ছিলাে আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি। এই পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে শিক্ষকেরা আরাে বেশী কার্যকর শিক্ষাদান করতে সমর্থ হন এবং স্কুল-কলেজগুলাের শিক্ষাকার্যক্রমও ফলপ্রদ হতে থাকে। কর্মক্ষমতা ব্যবস্থাপনা ও ট্র্যাকিং সিস্টেম ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের অগ্রগতি পরিচালনা সহজ হয়ে পড়ে। এ ধরনের সিস্টেম ব্যবহারকারী ক্লাসরুমকে স্মার্ট ক্লাসেস বলা হয়। প্রযুক্তির আধুনিকায়নের ফলে এই স্মার্ট ক্লাসরুম অনেক দূর এগিয়েছে। বর্তমানে বিন্নি ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। রেকর্ডকৃত ক্লাসের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শিক্ষার্থীরা নিজের সময়-সুযােগমতাে নিজের অবস্থানে থেকেই এই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। রেকর্ডকৃত ক্লাসের সাথে-সাথে অনলাইন লাইভ ক্লাসেরও প্রসার শুরু হয়েছে।


আরো ও সাজেশন:-

জটাল শিক্ষা উপকরণঃ ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী উভয়েরই কিছু ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণের প্রয়ােজন হয়। প্রয়ােজনীয় কিছু ডিজিটাল শিক্ষা উপকরণ হলােঃ মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, ডিজিটাল কন্টেন্ট, ই-বুক, ইন্টারনেটের সহজলভ্যতা, প্রয়ােজনীয় ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম, ইন্টারনেট পরিচালনায় দক্ষতা, মােবাইল/ল্যাপটপ, দ্রুতগতির ইন্টারনেট, বায়ােমেট্রিক স্ক্যানার, সিসি ক্যামেরা, মােবাইল নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট মডেম, স্পীকার ইত্যাদি।

মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম: মাল্টিমিডিয়া অর্থ হলো অনেকগুলো মিডিয়ার সমন্বয়। মিডিয়া হিসেবে সেটা হতে পারে চিত্র, মানচিত্র, টেবিল, চার্ট, ছক, তথ্যচিত্র, ভিডিও, অডিও ইত্যাদি। মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম হলো এমন একটি ক্লাসরুম যেখানে সকল মিডিয়া ব্যবহার করে শিখন-শেখানো কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ আছে। অর্থাৎ সকল মিডিয়া ব্যবহার করতে যেসকল উপকরণ বা যন্ত্রপাতি প্রয়োজন তা এই ক্লাসরুমে থাকবে। কোনো শ্রেণিকক্ষে বিদ্যুৎ সংযোগ, ল্যাপটপ/কম্পিউটার, ইন্টারনেট সংযোগ, প্রজেক্টর, প্রজেক্টর স্ক্রিন/ সাদা রঙ করা দেয়াল, সাউন্ড সিস্টেম থাকলে তাকে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম বলা যায়। তবে এই উপকরণগুলো ক্লাসে নিয়ে গিয়ে শিখন-শেখানো কার্যক্রম পরিচালিত হলে তাকেও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম বলা যায়।

দূরশিক্ষণ কার্যক্রমঃ বর্তমানে বিভিন্ন ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে শিক্ষা কাণ ব্যাপক সুনাম্প্রয়তা অর্জন রতে সক্ষম হয়েছে। ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত পাঠদান কার্যক্রমে শিক্ষার্থীব্র নিন একযােগে ক্লাসে অংশগ্রহণ করতে পারেন। এই ধরনের অনলাইন ক্লাসে একই সাথে অনেক শিক্ষার্থী ক্লাসে জে পারেন। এই ধরনের অনলাইন ক্লাসের পাশাপাশি রেকর্ডকৃত ক্লাসের জনপ্রিয়তাও দিন-দিন বৃদ্ধি পাচেছ । সময়-সুযােগমতাে নিজের অবস্থানে থেকেই এই শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে। বর্তমানে অনলাইন লাইভ ক্লাসে হয়েছে। গুগল ক্লাসরুম, জুম মিটিং বা অন্যান্য অনেক কোলাবােরেশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে শিক্ষক একাধিক সাথে ইন্টারেকটিভ ক্লাস নিতে পারেন। এডুটেনমেন্ট বা গেমিফিকেশনের মাধ্যমে অনলাইন ক্লাসও এখন। হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীরা খেলার ছলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখতে পারে।

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও মেশিন লার্নিংঃ আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে এ শিক্ষাকে আরও ব্যক্তিবিশেষে স্বতন্ত্র করা যাচ্ছে। অর্থাৎ যে শিক্ষার্থীর যেমন প্রয়ােজন বা যতটা প্রয়ােজন ঠিক তত শিঙ্ক্ষাদান করা হচ্ছে। এরফলে একজন শিক্ষার্থী নিজ গতিতে শিখতে পারবে। আমাদের দেশের সাধারণ শি ব্যর্থতার প্রধান কারণ হচ্ছে এই স্বতন্ত্র শিক্ষাদানের অভাব। যখন একটা সাধারণ ক্লাসরুমে একজন শিক্ষকের কাল জন ছাত্র থাকে, তখন প্রত্যেক ছাত্রকে আলাদাভাবে দেখার সুযােগ থাকেনা। এই ঢালাও শিক্ষার কারণই বেশিরভাগ উপযুক্ত শিক্ষাটি গ্রহণ করতে পারে না। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স আর মেশিন লার্নিং, শিক্ষার্থীদের যথােপযুক্ত শিক্ষা করতে পারে।


রচনা ,প্রবন্ধ উত্তর লিংক ভাবসম্প্রসারণ উত্তর লিংক
আবেদন পত্র উত্তর লিংক অনুচ্ছেদ রচনা উত্তর লিংক
চিঠি ও ইমেল উত্তর লিংক প্রতিবেদন উত্তর লিংক
Paragraphউত্তর লিংক Compositionউত্তর লিংক
Applicationউত্তর লিংক Emailউত্তর লিংক
Essayউত্তর লিংক Letterউত্তর লিংক

শহর ও গ্রামের শিক্ষাব্যবস্থার পার্থক্য দূরীকরণঃ শিক্ষাব্যবস্থায় ডিজিটালাইজেশনের ফলে শহরের স্কুলের ডিজিটাল স্কুল গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষক-শিক্ষার্থী আবার গ্রামের কোন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কনটেন্ট শহরের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা আসল, করতে পারেন। এভাবে দ্রুতগতিতে শহর ও গ্রামের শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে বিদ্যমান পার্থক্য দূরীভূত হচ্ছে। ইন্টারনেট সং করে বিভিন্ন দেশের শিক্ষণ-শেখানাে উপকরণ ডাউনলােড করে নিজ সংস্কৃতি, বিষয় ও শ্রেণী উপযােগী কনটেন্ট তৈরী করা মাধ্যমে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা ও জ্ঞান বৃদ্ধি পেয়েছে।

ডিজিটাল শিক্ষার ইতিবাচক দিকঃ

ক, শিক্ষার্থী পর্যায়ে

১.অডিও/ভিডিও সমৃদ্ধ কনটেন্টের সহায়তায় পাঠ উপস্থাপনের ফলে প্রত্যেকটি ক্লাস শিক্ষার্থীদের কাছে আকর্ষণীয় হয় যাতে করে শিক্ষার্থীরা পাঠে অধিকতর মনােযােগী হচ্ছে।

২. শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিভীতি কমে যাচ্ছে।

৩. সহজবােধ্য কনটেন্টের সহায়তায় শিক্ষার্থীরা অল্প সময়েই পাঠ আয়ত্ত করতে পারছে।

৪. স্বল্প সময়েই শিক্ষার্থীদের বর্ণ ও শব্দের সঠিক উচ্চারণ এবং শুদ্ধ ভাষায় কথা বলানাে, শেখানাে যায়।

৫. শিক্ষার্থীদের মাঝে পারস্পরিক সহযােগিতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বৃদ্ধি পায়।

৬. সমভাবে ও অল্পসময়ে পাঠ সকল শিক্ষার্থীর কাছে পৌছে যায়।

৭. শিক্ষার্থীরা নিজেদের মূল্যায়ন নিজেরাই করতে পারে।

৮. শিক্ষার্থীরা ভিশনারী হচ্ছে।
৯. সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীরা অধিকতর মানসম্মত শিক্ষালাভের সুযােগ পাচ্ছে।

১০. সাধারণ শিক্ষার্থীরাও অল্পসময়ে জড়তাহীনভাবে পাঠ গ্রহণে মনােযােগী হচ্ছে।

১১. সকল কারিকুলাম সহজে বহণযােগ্য।

১২. শ্রেণী উপযােগী প্রয়ােজনীয় অতিরিক্ত কনটেন্ট সংগ্রহে রাখা যাচ্ছে।


[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]


খ শিক্ষক পর্যায়েঃ

১. শিক্ষক সহজেই বিষয়বস্তু সকল শিক্ষার্থীর নিকট সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারেন।

২. শিক্ষার্থীর মাঝে প্রতিযােগিতার মনােভাব সৃষ্টি করতে পারেন।

৩. সমানভাবে স্ট্র অল্প সময়ে পাঠ শিক্ষার্থীর মাঝে পেীছানাে যায়।

৪.মাল্টিমিডিয়া নাটেলট শিক্ষকের সহায়ক হিসেবে কাজ করে।

৫.অল্প সমধ্যে সকল শিক্ষাঙ্গীকে সঠিশালে মুলান না হয়।

৬.শিঙ্কর লাশী ট্রলযােগী ৰূটন্ট তৈরী করতে পারেন ।

৭.নিত্যনতুন আপডেট বিষয়সমূহ সহজেই সংগ্রহ করতে পাবেন।

৮. শিক্ষক প্রতিনিয়ত নিজেকে প্রশিক্ষিত করার সুযােগ পান।

৯ ই-বুক ও ই-কন্টেন্ট ব্যবহারে শিক্ষকদের পারদর্শিতা বৃদ্ধি পায়।

ডিজিটাল শিক্ষায় চ্যালেঞ্জ : ডিজিটাল শিক্ষা ব্যবস্থাপনার ইতিবাচক দিকের পাশাপাশি এই শিক্ষা ব্যবস্থায়নে কিছু চ্যালেঞ্জ রয়েছে। যেমনঃ সার্বিক কার্যক্রমটি বাস্তবায়ন ন্যয়বল; ডিজিটাল ক্লাস উপযােগী দক্ষ ও প্রশিক্ষিত শিক্ষকের সঙ্কট; ডিজিটাল শিক্ষা বাস্তবায়নে সুনির্দিষ্ট গাইলাইন না থাকা সমস্যার তৈরী করে; প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা কার্যক্রমে অভিভাবক পর্যায়ে সঠিক ধারণার অস্পষ্টতা রয়েছে; শিক্ষাসংশ্লিষ্ট সকল মহলে স্বচ্ছ ধারণা ও দক্ষতার অভাব রয়েছে; উপকরণ ব্যবহার ও নক্ষণাবেক্ষণে নষ্ট হবার ঝুঁকি থাকে; নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতার অভাব; শিক্ষার্থীদের পারিবারিক পর্যায় থেকে প্রয়ােজনীয় ক্ষেত্রে যথাযথ সহযােগিতা করা হয় না; ডিজিটাল ক্লাস বাস্তবায়নে অবকাঠামােগত সুযােগ-সুবিধার অপর্যাপ্ততা রয়েছে; সার্বিক বিবেচনা ডিজিটাল ক্লাস বান্ধব প্রশাসনিক পরিবেশ গড়ে ওঠেনি। চ্যালো


রচনা ,প্রবন্ধ উত্তর লিংক ভাবসম্প্রসারণ উত্তর লিংক
আবেদন পত্র উত্তর লিংক অনুচ্ছেদ রচনা উত্তর লিংক
চিঠি ও ইমেল উত্তর লিংক প্রতিবেদন উত্তর লিংক
Paragraphউত্তর লিংক Compositionউত্তর লিংক
Applicationউত্তর লিংক Emailউত্তর লিংক
Essayউত্তর লিংক Letterউত্তর লিংক

দূরীকরণে করণীয়ঃ তথ্য ও যােগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়টি শিশ্রেণী থেকে বাধ্যতামূলক করতে হবে; প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতি ২০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একটি করে কম্পিউটার হিসেবে কম্পিউটার ল্যাব গড়ে তুলতে হবে। প্রতিটি ক্লাসরুমকে ডিজিটলি ক্লাসরুম বানাতে হবে। সকল শিক্ষককে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদানে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট সংযােগ থাকতে হবে এবং শিক্ষার্থীদের তাদের হাতের ডিজিটাল ডিভাইস দিয়ে ইন্টারনেটে যুক্ত থাকতে হবে।

উপসংহারঃ ডিজিটাল দুনিয়ার শেষ সীমা বলে কিছুই নেই। এখানে সর্বদা নতুন চিন্তা, উদ্ভাবন ও সম্পাদন চক্র চলমান থাকে । অনলাইনভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থা দ্বারাই আমাদের মতাে চিরাচরিত সমাজকে প্রবুদ্ধ করা সম্ভব। তাই বিশ্বব্যাপী ডিজিটাল শিক্ষাব্যবস্থার প্রয়ােগ ও প্রয়ােজনীয়তা আমরা বিশেষভাবে উপলব্ধি করতে পারছি।।

এখানে সকল প্রকাশ শিক্ষা বিষয় তথ্য ও সাজেশন পেতে আমাদের সাথে থাকুন ।

প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com

Leave a Comment