hsc diploma in commerce 11 class commercial geography 11th week assignment solution / answer 2021, ডিপ্লোমা ইন কমার্স বাণিজ্যিক ভূগোল ১১শ শ্রেণি ১১তম সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান/ উত্তর ২০২১

শ্রেণি: ১১শ / HSC ইন কমার্স -2021 বিষয়: বাণিজ্যিক ভূগোল এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 07 বিষয় কোডঃ 1717
বিভাগ: ভোকেশনাল শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ বাংলাদেশে জ্বালানী হিসাবে খনিজ সম্পদ-প্রাকৃতিক গ্যাসের গুরুত্ব বিশ্লেষণ। 

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

  • বাংলাদেশের বাণ্যিজ্যিক ভূগোল (খনিজ সম্পদ)

নির্দেশনা :  

  • জ্বালানী সম্পর্কে ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে,
  • খনিজ সম্পদ সম্পর্কিত ধারণা , ব্যাখ্যা করতে হবে
  • প্রাকৃতিক গ্যাসের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে,
  • বাংলাদেশে জ্বালানী হিসাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে হবে।,

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • জ্বালানী সম্পর্কে ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে,

জ্বালানি বলতে সেই সব পদার্থকে বোঝায় যাদের ভৌত বা রাসায়নিক গঠন বা অবস্থার পরিবর্তন ঘটলে শক্তির নিঃসরণ ঘটে। যেসব জ্বালানিতে এই শক্তি-নিঃসরণ নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং জ্বালানি থেকে প্রাপ্ত শক্তি কাজে রূপান্তর করা যায়, তাদেরকে ব্যাবহারযোগ্য জ্বালানি বলা হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • খনিজ সম্পদ সম্পর্কিত ধারণা , ব্যাখ্যা করতে হবে

প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে

খনিজ সম্পদ (Mineral Resources)  ভূতাত্ত্বিক দিক থেকে বাংলাদেশের ভূভাগের বেশিরভাগই বঙ্গীয় অববাহিকার (Bengal Basin) অন্তর্গত। দেশের উত্তর, উত্তরপূর্ব ও পূর্বাংশে এ অববাহিকা টারশিয়ারি যুগের ভাঁজযুক্ত পাললিক শিলাস্তর দ্বারা গঠিত (প্রায় ১২ভাগ)। উত্তরপশ্চিম, মধ্য-উত্তর ও মধ্য-পশ্চিমাংশে অববাহিকার প্রায় ৮ ভাগ প্লাইসটোসিন যুগে উত্থিত  পলল এবং অবশিষ্ট ৮০ শতাংশ ভূভাগ অসংহত বালি, পলি ও কর্দম দ্বারা গঠিত হলোসিন যুগের সঞ্চয়ন দ্বারা আবৃত। বাংলাদেশে প্যালিওসিন মহাকালের তুরা স্তরসমষ্টিকে প্রাচীনতম উন্মুক্ত শিলাস্তর হিসেবে শনাক্ত করা গিয়েছে।

দেশের উত্তরপশ্চিমাংশে খননকার্য পরিচালনাকালে প্রাচীনতর শিলাস্তর যেমন, মেসোজোয়িক ও প্যালিওজোয়িক স্তরসমষ্টি এবং প্রি-ক্যাম্ব্রিয়ান ভিত্তিস্তরের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে।

ভূ-পৃষ্ঠে অথবা ভূগর্ভের কোনো স্থানে সঞ্চিত খনিজ সম্পদের অবস্থান মূলত সংশ্লিষ্ট স্থানের ভূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য ও সময়কাল দ্বারা নির্ণীত হয়ে থাকে। ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের ভূতাত্ত্বিক পরিবেশে সঞ্চিত বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদসমূহ হচ্ছেঃ প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা, চুনাপাথর, কঠিন শিলা, নুড়িপাথর, গন্ডশিলা (Boulder), কাচবালি, নির্মাণকার্যে ব্যবহূত বালু, চীনামাটি, ইটের মাটি, পিট এবং সৈকত বালি ভারি মণিক (Beach Sand Heavy Minerals)।

যেমন: আকরিক লৌহ, চূনাপাথর, গ্রাভেল, কঠিন শিলা, গ্লাস স্যান্ড, তামা, এ্যালুমিনিয়াম (রাং), ম্যাঙ্গানিজ, ট্যাংস্টেন, সোনা, হিরা, রূপা, কয়লা, খনিজ তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস ইত্যাদি মূল্যবান খনিজ সম্পদ।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • প্রাকৃতিক গ্যাসের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে,

খনিতে প্রাপ্ত গ্যাস। সাধারণত মিথেন (CH4) গ্যাস হয়ে থাকে। মাটির ১৫০০-৪০০০ ফুট নিচে অবস্থান করে। কুপ খননের মাধ্যমে উত্তোলন করে পাইপের মাধ্যমে বাণিজ্যিক ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশের বিদ্যুতের সবচেয়ে বড় কাঁচামাল। এছাড়াও সি এন জি, এল এন জি, এল পি জি ও ইউরিয়া সার প্রভৃতির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। বাংলাদেশ,পাকিস্তান, বার্মা, ভারত সহ বিভিন্ন দেশে প্রাকৃতিক গ্যাস আছে।

উপাদান

প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান মিথেন হলেও এর সাথে অল্প পরিমাণ অন্যান্য প্যারাফিন হাইড্রোকার্বন যেমন ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেন ইত্যাদি থাকে। এছাড়া আরও থাকে নাইট্রোজেন, কার্বন ডাই অক্সাইড ও হাইড্রোজেন সালফাইড।

প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুপাত:-

(a.) মিথেন- 97.33%

(b.) ইথেন- 1.72%

(c.) প্রোপেন – 0.35%

(d.) ঊচ্চতর কার্বনের শিকল যুক্ত অংশ- 0.19%

(e.) কার্বন ডাই অক্সাইড- 0.05%

(f.) অক্সিজেন- 0.02%

(g.) হাইড্রোজেন- 0.03%

(h.) হাইড্রোজেন সালফাইড- 0.01%

(i.) অন্যান্য- 0.3%

মোট – 100%

প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপত্তি প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুসন্ধান

গ্যাস-তেলের অনুসন্ধান একটি ব্যয়বহুল প্রক্রিয়া। প্রধানত তিনটি পদ্ধতিতে অনুসন্ধান চালানো হয়ে থাকে।

যেমন:-

(ক) ভূ-তাত্ত্বিক (geological),

(খ) ভূ-পদার্থিক (geophysical) ও (

গ) ভূ-রাসায়নিক (geochemical) পদ্ধতি।

এর মধ্যে ভূ-পদার্থিক পদ্ধতির একটি প্রচলিত ব্যবস্থা হচ্ছে ভূ-কম্পনের (seismic) সাহায্যে গ্যাস ক্ষেত্রের সন্ধান লাভ কাহহরা। যে এলাকাতে ভূ-কম্পন জরিপ করতে হবে, সে এলাকাব্যাপি প্রায় ২০০ মিটার অন্তর আড়াআড়িভাবে অনেকগুলো লাইন টানা হয়। অতপর বিস্ফোরক এবং জিও ফোন (geo phone) সাড়িবদ্ধভাবে রাখা হয়।

সাধারণত ২৫ ফুট দূরত্বে প্রতিটি বিস্ফোরক চার্জ এবং ২টি চার্জের মধ্যবর্তী স্থানে ডাটা গ্রাহক হিসেবে একটি জিওফোন রাখা হয়। সাড়িবদ্ধভাবে চার্জগুলোকে মাটির ১৫ ফুট গভীরে ড়ড়০ড়রাখা হয়। রিমোট কন্ট্রোল সুইচ এর মাধ্যমে চার্জগুলিকে বিস্ফোরিত করা হয়।

এর ফলে সৃষ্ট কম্পন তরঙ্গ সমূহ (wave propagation) তরং্গাকারে মাটির অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্তর ভেদ করে পুনরায় গ্রাহক জিওফোন-এ ফেরত আসে। seismic এর গ্রাহক জিও ফোন এর মাধ্যমে সংগ্রহকৃত উপাত্ত লেখচিত্র আকারে লিপিবদ্ধ হয়ে থাকে। অতপর রেকর্ডকৃত লেখচিত্রের পরিশোধন, পরিমার্জন এবং বিশ্লেষণ করেই ভূগর্ভে গ্যাস ও তেলের অস্তিত্ব এবং simulation এর মাধ্যমে reserve estimate করা হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • বাংলাদেশে জ্বালানী হিসাবে প্রাকৃতিক গ্যাসের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে হবে।,

অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশের অগ্রগতি আশাজাগানিয়া হলেও হতাশার দিক কম নয়। আজকের যুগে অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিল্পায়নের কোনো বিকল্প নেই। শিল্পায়নের জন্য চাই পর্যাপ্ত জ্বালানি শক্তি। এদিক থেকে বাংলাদেশ খুবই পিছিয়ে। বাংলাদেশে পাওয়া যায় এমন জ্বালানির মধ্যে অন্যতম হলো গ্যাস । বলা যায় বাংলাদেশের প্রধান প্রাকৃতিক সম্পদ হলো গ্যাস। কিন্তু চরম সত্য হলো প্রকৃতির এই সম্পদ ধীরে ধীরে ফুরিয়ে আসছে।


এই গ্যাস ছাড়া আমরা অচল। নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের সম্ভাবনাও খুব একটা বেশি নয়। ভরসা একমাত্র সাগর প্রান্তের গ্যাস। এ ভরসা আদৌ পূরণ হবে কি না নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারের ওপর তা নির্ভরশীল। বাংলাদেশে কয়লার মজুদ মোটামুটি সন্তোষজনক হলেও ঘনবসতির এই দেশে কয়লা উত্তোলন কতটা লাভজনক সে বিষয়ে সংশয় রয়েছে। গ্যাস উত্তোলনের প্রযুক্তি নিজেদের আয়ত্তের মধ্যে না থাকায় বিদেশি কোম্পানির পকেটে মুনাফার সিংহভাগ যাওয়ার আশঙ্কায় বাংলাদেশ এ মজুদ সম্পদের ব্যবহারে আপাতত আগ্রহী নয়। পেট্রোবাংলার এক জরিপ থেকে পাওয়া তথ্যে ধারণা করা হচ্ছে, ২০১৯ সাল নাগাদ গ্যাস সংকট দ্বিগুণ হবে।


জ্বালানি শক্তির ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে সরকার বিদ্যুত্ খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিয়েছে এবং উত্পাদন ব্যাপক হারে বৃদ্ধির মহাপরিকল্পনা নিয়েছে। বিদ্যুত্ উত্পাদনে আঞ্চলিক সহযোগিতা গড়ে তোলার জন্য ভুটান, নেপাল ও ভারতের সঙ্গে সমঝোতায় উপনীত হয়েছে। তার পরও নিজস্ব জ্বালানি শক্তির আলাদা গুরুত্ব রয়েছে এবং সে বিষয়টি বিবেচনা করে গ্যাসের অপচয় বন্ধেও উদ্যোগ নেওয়া দরকার।

পাশাপাশি সাগর প্রান্তের গ্যাস অনুসন্ধানে বাংলাদেশকে যত্নবান হতে হবে।
দেশের সবচেয়ে বড় বিতরণ কোম্পানি তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির একটি জরিপ মতে, তাদের বিতরণ এলাকার শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর পুরনো প্রযুক্তির বয়লার নতুন প্রযুক্তিতে রূপান্তর করে দৈনিক ১৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস সাশ্রয় করা সম্ভব। এই রূপান্তরে ব্যয়ও বেশি নয়। এছাড়া তিতাসের আওতাধীন এলাকার আবাসিক গ্রাহকদের চুলাগুলো উন্নত প্রযুক্তির করা হলে এবং রাস্তা থেকে রান্নাঘরে গ্যাস নেওয়ার লাইনগুলো যথাযথভাবে রক্ষণাবেক্ষণ করা হলে প্রতিদিন গ্যাস সাশ্রয় হবে ১০ কোটি ঘনফুট। এই কাজেও ব্যয় সামান্য। বর্তমানে প্রতিদিন দেশে উত্পাদিত মোট গ্যাসের ১২ শতাংশ (২৭ কোটি ঘনফুট) ব্যবহূত হচ্ছে আবাসিক খাতে। আর শুধু তিতাসের এলাকায় প্রতিদিন ২৫ কোটি ঘনফুট গ্যাসের অপচয় হচ্ছে। সুতরাং শুধু তিতাসের এলাকার অপচয় বন্ধ করা গেলে সারা দেশে বর্তমানে যতজন আবাসিক গ্রাহক আছেন, আরো প্রায় ততজনকে সংযোগ দেওয়া সম্ভব।


সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা না থাকায় বাংলাদেশের গ্যাস সংকট চরমে। এজন্য দায়ী প্রশাসনের অনিয়ম, দুর্নীতি। দেশে এখন অনেক শিল্পপ্রতিষ্ঠান গ্যাসনির্ভর। গ্যাসের সুনিশ্চিত সরবরাহের অভাবে দেশে চাহিদামতো বিনিয়োগ হচ্ছে না। অপচয় কমিয়ে গ্যাসের সংকট অনেকখানি মোকাবিলা করা সম্ভব। শীতকালে গ্যাসের সংকট। এজন্য আগে থেকে পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। সার কারখানাগুলোতে উত্পাদনের সঙ্গে মিল রেখে গ্যাস সরবরাহ করা উচিত। মানুষ গৃহস্থালির অতিপ্রয়োজনীয় কাজেও ঠিকভাবে গ্যাস সরবরাহ পাচ্ছে না।

আমাদের অপচয়ের পরিমাণ এত বিশাল, যা কল্পনাতীত। এ অপচয় রোধের দায়িত্ব কার? অসংখ্য সমস্যা সমাধানে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কোনো বিকল্প নেই। অন্যদিকে গ্যাস এখন উত্পাদনের ক্ষেত্রে মৌলিক জ্বালানি হিসেবে ব্যবহূত হচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্ট মহলকে যতটা সম্ভব দ্রুত গ্যাস-সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকে নজর দিতে হবে এবং জ্বালানি সেক্টরে কর্মরত সর্বস্তরের কর্মচারীকে নিষ্ঠা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কঠোর নির্দেশের আওতায় আনতে হবে। গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে নিজেদের সামর্থ্য গড়ে তুলতে হবে। জ্বালানি শক্তির ক্ষেত্রে নিরাপদ অবস্থান সৃষ্টির জন্য এ ক্ষেত্রে বাস্তবসম্মত পরিকল্পনাও নেওয়া দরকার।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ভোকেশনাল ও দাখিল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

Leave a Comment