hsc উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ১১শ শ্রেণির হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র ৩য় অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান ২০২১, অবচয়ের ধারণা, কারণ এবং অবচয় ধার্যের বিবেচ্য বিষয়সমূহ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করুন।

hsc উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ১১শ শ্রেণির হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র ৩য় অ্যাসাইনমেন্টের সমাধান ২০২১, অবচয়ের ধারণা, কারণ এবং অবচয় ধার্যের বিবেচ্য বিষয়সমূহ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করুন

Assignment এইচ এস সি ডিগ্রি ও উন্মুক্ত পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: ১১শ/hsc/ উন্মুক্ত-2021 বিষয়: হিসাববিজ্ঞান ১ম পত্র এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 03 বিষয় কোডঃ 1886
বিভাগ: বাণিজ্য শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ অবচয়ের ধারণা, কারণ এবং অবচয় ধার্যের বিবেচ্য বিষয়সমূহ বিশদভাবে ব্যাখ্যা করুন।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

কোন প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত স্থায়ী সম্পত্তি ব্যবহার, কালের আবর্তন, অপ্রচলন, সরাসরি ভােগ, বাজার মূল্যের স্থায়ী পতন ইত্যাদি দৃশ্যমান বা অদৃশ্যমান কারণে সম্পত্তির গুণ, পরিমাণ ও মূল্যের যে হ্রাস ঘটে তাকে অবচয় বলে। অবচয়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Depreciation ল্যাটিন শব্দ Depretium হতে উদ্ভূত হয়েছে। De অর্থ হ্রাস পাওয়া এবং Pretium অর্থ মূল্য।

সুতরাং Depretium শব্দের অর্থ মূল্য হ্রাস পাওয়া। অর্থাৎ সম্পত্তি ব্যবহারের ফলে যে পরিমাণ মূল্য হ্রাস পায় তাকে অবচয় বলে। আধুনিক হিসাববিজ্ঞানে অবচয়কে একটি বণ্টন প্রক্রিয়া বলা হয়।

সম্পত্তির ক্রয়মূল্য হতে ভগ্নাবশেষ মূল্য বাদ দিয়ে সম্পত্তির কার্যকর জীবনকালের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হল অবচয়। অন্যান্য খরচের মত অবচয়ও একটি খরচ এবং প্রতিষ্ঠানের লাভ-লােকসান হিসাবে ডেবিট করা হয়। ব্যবসা পরিচালনার জন্য প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে দালান কোঠা, যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র ইত্যাদি স্থায়ী সম্পত্তি অর্জন ও ব্যবহার করতে হয়। প্রত্যেক স্থায়ী সম্পদের একটি কার্যকর জীবন থাকে। সময়ের আবর্তনে উক্ত কার্যকর ক্ষমতা ক্রমাগত হ্রাস পায়। জগতের কোন কিছুই চিরস্থায়ী নয়। ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত পরিসম্পদও এই নিয়মের অধীন। দৃশ্য বা অদৃশ্য কারণে সম্পত্তির কার্যকর ক্ষমতা যে পরিমাণ হ্রাস পায় তাই অবচয়।

যেমন কোন প্রতিষ্ঠান ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা মূল্যের একটি মেশিন ক্রয় করল যার কার্যক্ষমতা ২০ বছরে শেষ হবে। ২০ বছর শেষে ভগ্নাবশেষ মূল্য হবে ২০,০০০ টাকা। মেশিনটি ব্যবহারের জন্য প্রতি বছর {(৫,০০,০০০ – ২০,০০০) : ২০} = ২৪,০০০ টাকা ব্যয় ধরা হবে যা অবচয় নামে অভিহিত। অবচয়ের বিভিন্ন ধারণার উপর ভিত্তি করে অবচয়ের যে বিভিন্ন সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে তার কয়েকটি নীচে উল্লেখ করা হলঃ R.N Carter 4760, Depreciation is the gradual and permanent decrease in the value of an asset from any cause. অর্থাৎ যে কোন কারণে সম্পত্তির স্থায়ী ও ক্রয় মূল্যাবনতিই হল অবচয়।।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

Spicer and pegler 47 760, “Depreciation may be defined as a measure of the exhaustion of the effective life of an asset from any cause during a given period” অর্থাৎ যে কোন কারণে নির্দিষ্ট সময়ে সম্পত্তির কার্যকরি ক্ষমতা হ্রাসের মূল্যমান কে অবচয় বলে সংজ্ঞায়িত করা যায়। সুতরাং, ব্যবহার বা সময় অতিবাহনের ফলে সম্পত্তির ক্রমাগত মূল্যাবনতি যা মেরামত বা আংশিক প্রতি স্থাপনের মাধ্যমে পূরণ করা সম্ভব হয় না তাকে অবচয় বলা হয়। অবচয়ের কারণসমূহ ঃ (Causes of Depreciation) অবচয়ের কারণসমূহকে প্রধানত দুটি ভাগে বিভক্ত করা হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

যথাঃ (১) অভ্যন্তরীণ কারণ (Internal Causes), (২) বাহ্যিক কারণ (External Causes)

অভ্যন্তরীণ কারণঃ সম্পত্তির অন্তর্নিহিত স্বাভাবিক কারণে অবচয় সৃষ্টি হলে তাকে অবচয়ের অভ্যন্তরীণ কারণ বলে।

এ জাতীয় কারণ নিম্নরূপঃ

(ক) ব্যবহারজনিত ক্ষয় (Wear and Tear) ও স্থায়ী সম্পত্তি ক্রমাগত ব্যবহারের ফলে জীর্ণ হয়ে পড়ে এবং কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। ফলে অবচয়ের সৃষ্টি হয়। এ ধরনের স্থায়ী সম্পত্তি হল কলকজা, যন্ত্রপাতি, আসবাবপত্র ইত্যাদি। এসব সম্পত্তির ক্ষয়-ক্ষতি ও অবচয় ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।

(খ) সময়ের প্রবাহ (Effluxion or Passage of Time) ঃ কিছু কিছু সম্পত্তির ব্যবহার না হলেও সময় অতিবাহিত হওয়ার সাথে সাথে মূল্য হ্রাস পায়। যেমনঃ ইজারা সম্পত্তি, গ্রন্থস্বত্ব, পণ্যস্বত্ব ইত্যাদি। এসব সম্পত্তি ব্যবহার হােক বা না হােক সময় অতিবাহিত হওয়ার সাথে ক্ষয় প্রাপ্ত হয় এবং অবচয় ধার্য হয়।

(গ) সম্ভোগ বা নিষ্কাশন (Consumption or Extraction) ঃ সরাসরি সম্ভোগ বা নিস্কাশনের মাধ্যমে কিছু সম্পত্তির হ্রাস ঘটে ফলে অবচয় ধার্য করতে হয়। যেমন- তেলখনি, লৌহখনি, বনভূমি ইত্যাদি। এসব সম্পত্তির সম্ভোগ বা নিস্কাশন যত বেশী হবে সম্পত্তির পরিমাণ তত হ্রাস পাবে। সুতরাং সম্ভোগ বা নিস্কাশনের পরিমানের ওপর অবচয়ের পরিমাণ নির্ভর করে।

বাহ্যিক কারণঃ সম্পত্তির অর্ন্তনিহিত স্বাভাবিক কারণ ছাড়া যখন অন্যকোন কারণে মূল্য হ্রাস ঘটে তখন সে কারণকে বাহ্যিক কারণ বলা হয়। অবচয়ের বাহ্যিক কারণ নিম্নরূপ:

(১) অপ্রচলন (Obsolescence) ঃ নতুন প্রযুক্তির উদ্ভাবন ও ভােক্তার চাহিদা পরিবর্তনের ফলে কোন চালু সম্পত্তি হঠাৎ অপ্রচলিত হয়ে যেতে পারে। এই অপ্রচলনের ফলে চালু সম্পত্তির অবচয় ধরতে হয় কেননা অপ্রচলনের ফলে সম্পত্তির ব্যবহারিক মূল্য থাকে না। কোন যন্ত্রপাতি অপ্রচলনের জন্য অবচয় সৃষ্টি হলে তার জন্য যন্ত্রপাতি দায়ী নয়, প্রত্যক্ষভাবে দায়ী হল নতুন যন্ত্রপাতি আবিস্কার।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

(২) বাজার দরের স্থায়ী হ্রাস (Permanent Fall in the Market Price) ঃ বাজার দর স্থায়ী হ্রাস পাওয়ার ফলে কোন কোন সম্পত্তির অবচয় ধার্য করতে হয়। যেমন- শেয়ার, সিকিউরিটি ইত্যাদি সম্পত্তির বাজার মূল্যের স্থায়ী পতনজনিত ক্ষতি অবচয় রূপে বিবেচিত হয়।

(৩) অব্যবহার (Left Unused) ঃ অনেক সময় সম্পত্তি অব্যবহার অবস্থায় পড়ে থাকার কারণে উহার গুণ, মান, পরিমাণ ও মূল্য হ্রাস পেতে পারে। অব্যবহারজনিত এই মূল্য হ্রাস অবচয়ে সৃষ্টি হয়। (৪) অস্বাভাবিক কারণ (Abnormal Causes) ঃ অস্বাভাবিক কিছু কারণেও অবচয় সৃষ্টি হতে পারে।

যেমনঃ আগুন, বন্যা, ঝড়, ভূমিকম্প ইত্যাদির ফলে সম্পত্তির ক্ষতি হতে পারে ফলে সম্পত্তির মূল্য হ্রাস পায় এবং অবচয় সৃষ্টি হয়। অবচয় নির্ধারণে বিবেচ্য বিষয়সমূহঃ (Factors to be considered in Computation of Depreciation) সঠিকভাবে অবচয় নির্ণয় করা কঠিন কাজ। অনেকগুলাে আপেক্ষিক বিষয়ের উপর অবচয় নির্ভর করে। সেগুলি সঠিক না হতে পারে না।

যে সকল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে অবচয় নির্ণয় করা হয় তা নিচে দেয়া হলঃ

(১) সম্পত্তির ক্রয়মূল্য (Cost of the Assets) ঃ সম্পত্তি ক্রয় করে যে পরিমাণ অর্থ প্রদান করতে হয় তা অবচয় ধার্যের জন্য ভিত্তি হিসাবে ধরতে হয়। যেমন- সম্পত্তির নিট ক্রয়মূল্য, পরিবহন খরচ, আমদানি শুল্ক, পরিবহনকালে বিমা খরচ, সংস্থাপন খরচ ইত্যাদির সমষ্টি সম্পত্তির ক্রয়মূল্য।

(২) সম্পত্তির আনুমানিক আয়ুষ্কাল (Estimated Life of the Assets)ঃ সম্পত্তিটি কার্যকর আয়ুষ্কাল বলতে বুঝায় যতদিন পর্যন্ত সম্পত্তিটি ব্যবসায়ে কার্যক্ষম থাকে এবং ব্যবসায়ে আয় উপার্জনে সাহায্য করে। সম্পত্তির কার্যকর আয়ুষ্কাল জানা না থাকলে অবচয় ধার্য করা সম্ভব নয়। সম্পত্তির আয়ুষ্কাল অনুমান ভিত্তিক সময়। একটি সম্পত্তির কার্যকর আয়ুষ্কাল নির্ধারণের সময় নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ বিবেচনায় আনতে হয়

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

(ক) অনুরূপ সম্পত্তি সম্পর্কে অতীত অভিজ্ঞতা

(খ) সম্পত্তির বর্তমান অবস্থা

(গ) ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ নীতি

(ঘ) বর্তমান প্রযুক্তি (

ঙ) শ্রমিকের দক্ষতা

(চ) দৈনিক ব্যবহার

(ছ) স্থানীয় অবস্থা (যেমন- আবহাওয়া)

(৩) সম্পত্তির ভগ্নাবশেষ মূল্য (Scrap Value of the Assets)ঃ সম্পত্তির আয়ুষ্কাল শেষে যে মূল্যে সম্পত্তিটি বিক্রয় করা যাবে তাই ভগ্নাবশেষ মূল্য। এটি আনুমানিক মূল্য এবং এটি অবচয় নির্ধারণের সময় অবশ্যই বিবেচনা করতে হয়।

অবচয়যােগ্য ব্যয় (Depreciation Cost) ঃ সম্পত্তির ব্যয় হতে ভগ্নাবশেষ মূল্য বাদ দিলে যা থাকে তাই অবচয়যােগ্য ব্যয়। অবচয়যােগ্য ব্যয় অবশ্যই সম্পত্তির কার্যকর জীবনকালের মধ্যে বণ্টন করতে হবে।

অবচয় ধার্যের উদ্দেশ্য ও প্রয়ােজনীয়তা (Objectives and Necessity of Charging Depreciation) সকল প্রতিষ্ঠানকেই কম বেশী সম্পত্তি ব্যবহার করতে হয়। ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে সম্পত্তির উপর অবচয় ধার্য করতে হয়। অবচয় ধার্যের উদ্দেশ্য ও প্রয়ােজনীয়তা নিয়ে আলােচনা করা হলােঃ

(১) প্রকত লাভ নির্ণয়ঃ ব্যবসায়ের মুনাফা অর্জন অন্যতম উদ্দেশ্য। ক্রমাগত ব্যবহারের দরুণ সম্পত্তি হ্রাস পায়। তাই সম্পত্তি ব্যবহার করার জন্য যদি ব্যয় ধরা না হয় তাহলে যে নিট মুনাফা নির্ণয় করা হবে তা সঠিক হবে না। সেই জন্য প্রকৃত মুনাফা নির্ণয়ের উদ্দেশ্য সম্পত্তির উপর অবচয় ধরা অপরিহার্য।

(২) সম্পত্তি প্রতিস্থাপনঃ নিয়মিত ব্যবহার ও বিবর্তনের ফলে সম্পত্তির ব্যবহার উপযােগিতা হ্রাস পেতে পেতে নিঃশেষ হয়ে যায়। তখন নতুন সম্পত্তির প্রয়ােজন হয়। পুরাতন অক্ষম ও অচল সম্পত্তির পরিবর্তে নতুন সম্পত্তি ক্রয়ের জন্য ব্যবসার মুনাফা হতে প্রতি বছর কিছু অংশ অবচয় হিসাবে কেটে একটি অবচয় তহবিল সৃষ্টি করা হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সমস্যায় পড়তে হয় না।

(৩) মূলধন সংরক্ষণঃ অবচয় হিসাবভুক্ত করার প্রধান উদ্দেশ্য হল কারবারের মূলধন সংরক্ষণ করা। সম্পত্তি অবচয়। হিসাবভুক্ত করা না হলে ব্যবসার মুনাফা প্রকৃত মুনাফা অপেক্ষা বেশী দেখানাে হয়। উক্ত মুনাফা হতে আয়কর ও লভ্যাংশ প্রদান হলে মুলত: তা মূলধন থেকেই প্রদান করা হবে এবং মূলধন হ্রাস পাবে।।

(৪) সম্পত্তির মূল্যায়নঃ সম্পত্তি ক্রমাগত ব্যবহারের ফলে ক্ষয়প্রাপ্ত হয় ও মূল্য হ্রাস পায়। সুতরাং, ব্যবহারিক মূল্য নির্ধারণের জন্য অবচয় ধার্য করা বিশেষ প্রয়ােজন। সাধারণত ক্রয় মূল্য থেকে অবচয় বাদ দিয়ে সম্পত্তির মূল্য হিসাবে দেখানাে হয়।

(৫) কর দায় নির্ণয়ঃ আয়কর আইন অনুযায়ী আয়কর নির্ণয়ের ক্ষেত্রে অবচয় ভাতা মঞ্জুর করা হয়। সুতরাং সঠিক আয়করের পরিমাণ নির্ধারণের জন্য অবচয় ধার্য করা প্রয়ােজন।

(৬) কোম্পানী আইনঃ কোম্পানী আইনে লভ্যাংশ বিতরণের পূর্বে অবচয়ের ব্যবস্থা করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সুতরাং আইন মেনে চলার জন্য অবচয় ধার্য করা প্রয়ােজন।

(৭) প্রকৃত উৎপাদন ব্যয় নিরূপণঃ সম্পত্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রব্য উৎপাদিত হয়। সম্পত্তি ব্যবহারের ফলে যে অবচয় সৃষ্টি হয় তা হিসাবে না দেখালে সঠিক উৎপাদনের ব্যয় নির্ধারিত হবে না। কারণ অবচয় প্রকৃত উৎপাদন ব্যয়ের একটি অংশ।

(৮) প্রকৃত আর্থিক অবস্থাঃ অবচয় ধার্য করার ফলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রকৃত লাভ লােকসান নির্ণয় করা সম্ভব এবং সম্পত্তির প্রকৃত মূল্যায়ন হয়। ফলে উদ্বৃত্তপত্রে ব্যবসায়ের প্রকৃত আর্থিক অবস্থা প্রতিফলিত হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ভোকেশনাল ও দাখিল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *