dakhil class 10 tajweed nasr and najam (hifzul quran)assignment answer 7th week 2021, দাখিল শ্রেণি: ১০ম বিষয়: তাজভীদ নসর ও নজম (হিফজুল কুরআন) ৭ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

dakhil class 10 tajweed nasr and najam (hifzul quran)assignment answer 7th week 2021, দাখিল শ্রেণি: ১০ম বিষয়: তাজভীদ নসর ও নজম (হিফজুল কুরআন) ৭ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

Assignment এসএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:

অ্যাসাইনমেন্ট : সুন্দর ও শুদ্ধ তেলওয়াতে সিফাতের পর্যালােচনা

 নির্দেশনা:

১.সিফাতের পরিচয়

২.সিফাতের প্রকার

৩,সিফাতের গুরুত্ব

৪.তেলওয়াত ও নামাজ শুদ্বতায় সিফাত জুরুরি হওয়ার বিষয়ে তােমার মতামত

উত্তর সমূহ:

প্রত্যেক ভাষার বিশুদ্ধ উচ্চারণ ওই ভাষা নিজস্ব পদ্ধতিতে আদায়ের উপর নির্ভরশীল। যথা- উর্দূতে অনেক শব্দ আছে, যেগুলোতে ن (নূন) সাকিন হওয়া সত্ত্বেও নূনকে তার মাখরাজ থেকে বের করা হয় না; বরং নাকের বাঁশি থেকে বের করা হয়। উর্দু ভাষার পরিভাষায় একে নুনে গুন্নাহ বলা হয়।
এটা হলো ইযহার (সুস্পষ্ট করে পড়া) এবং ইদগাম (মিলিয়ে পড়া) -এর মাঝামাঝি একটি অবস্থান। এখন যদি কোনো ব্যক্তি উর্দুর এ জাতীয় শব্দগুলোর নূন স্পষ্ট করে পড়ে, যথা- পাঙ্খা শব্দকে পানখা অথবা রং শব্দকে রনগ বলে, তা হলে নিশ্চয়ই শব্দটি ভুল হবে এবং তখন এ শব্দগুলো আর উর্দূ-ফার্সীর শব্দের অন্তর্ভুক্ত না হয়ে অর্থহীন শব্দে পরিণত হয়ে যাবে।

হরফের উচ্চারণ ভঙ্গিকে সিফাত বলে।

সিফাত ২ প্রকারঃ

১।صفت لازمه
২। صفت عارضه

সিফাতে لازمه ঐ সিফাতকে বলে যে হরফের জন্যে যে নির্দিষ্ট সিফাত রয়েছে, সেই সিফাত অনুযায়ী হরফটি আদায় না করলে হরফ হরফই বাকি থাকেনা বা হরফটি ত্র“টিপূর্ণ হয়ে যায়। যেমন- ط – ت । ط এর মধ্যে ১টি সিফাত রয়েছে পুর, যদি ط পুর না করা হয়, তাহলে ط হরফটি ت হয়ে যায়।
د এর মধ্যে একটি সিফাত রয়েছে, فلقله যদি ক্বলক্বলা না করা হয়, তাহলে ত্র“টিপূর্ণ হয়ে যায়।

সিফাতে عارضه ঐ সিফাতকে বলে যে হরফের জন্যে যে নির্দিষ্ট সিফাত রয়েছে ঐ সিফাত অনুযায়ী আদায় না করলে, হরফটি বাকি থাকে, কিন্তু হরফের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়। যেমন ن ও م হরফে তাশদিদ হলে গুন্নাহ করে পড়তে হয়। যদি গুন্নাহর সিফাত আদায় না করা হয় তবে নুন ঠিক থাকবে, কিন্তু শুধুমাত্র গুন্নার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে।

صفت لازمه এর প্রকার ভেদ

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

صفت لازمه দুই প্রকার ঃ

(১) صفت لازمه متضادة
(২) صفت لازمه غير متضادة
(১) متضادة বলা হয়, যার বিপরীতে অন্য একটি সিফাত থাকে।
صفت متضادة মোট পাঁচ জোড়ায় ১০টি।

প্রথম জোড়ার নাম

(১) همس
(২) جهر ১। প্রথম জোড়ার আলোচ্য বিষয় শ্বাস জারি থাকা ও শ্বাস বন্ধ হওয়া।
ক) همس সিফাতের হরফগুলি আদায় করার সময় তার মাখরাজে আস্তে ধাক্কা লাগার কারণে শ্বাস জারি থাকে এবং আওয়াজ ছোট হয়। ইহার হরফ ১০টি ঃ فحثه شخص سكت
খ) جهر সিফাতের হরফগুলি আদায় করার সময় তার মাখরাজ জোরে ধাক্কা লাগার কারণে শ্বাস বন্ধ হয়ে যায় এবং আওয়াজ বড় হয়। همس এর ১০টি হরফ বাদে বাকি ১৯টি জাহারের হরফ।
২। দ্বিতীয় জোড়ার নাম ঃ شدت – رخوت – توسط ।

২য় জোড়ার আলোচ্য বিষয় আওয়াজ বন্ধ হওয়া আওয়াজ জারি থাকা ও আওয়াজ মাধ্যম পর্যায়ে হওয়া। ঃ

ক) شدت সিফাতের হরফগুলি আদায় করার সময় তার মাখরাজে শক্তভাবে ধাক্কা লাগার কারণে আওয়াজ ব›ন্ধ হয়ে যায়, এবং আওয়াজ শক্ত হয়। ইহার হরফ ৮টি ঃ اجدك قطبت ।
খ) رخوت সিফাতের হরফগুলি আদায় করার সময় তার মাখরাজ সহজে ধাক্কা লাগার কারণে আওয়াজ জারী থাকে এবং আওয়াজ নরম হয়। ইহার হরফ شدت এবং توسط এর ১৩টি বাদে বাকী ১৬টি।
গ) توسط সিফাতের হরফগুলি আদায় করার সময় شدت এর মত আওয়াজ বন্ধ হবেনা, আবার رخوت এর মত আওয়াজ জারী ও থাকবেনা, বরং মধ্যম হবে, ইহার হরফ ৫টি। لن عمر ।

৩য় জোড়ার নাম
(১) استعلاء
(২)استفال
৩য় জোড়ার আলোচ্য বিষয় পুর, বারিক।
ক) استعلاء সিফাতের হরফগুলি আদায় করার সময় জিহবার গোড়া উপরের তালুর দিকে উঠার কারণে হরফগুলি মোটা হয়, ইহার হরফ ৭টি ঃ خص ضغط قظ ।

খ) استفال সিফাতের হরফগুলি আদায় করার সময় জিহবার গোড়া নীচের দিকে চেপে থাকার কারণে হরফগুলি বারীক হয়, ইহার হরফ استعلاء এর ৭টি হরফ বাদে বাকী ২২টি।
চতুর্থ জোড়ার নাম
(১) اطباق
(২)انفتاح ।
চতুর্থ জোড়ার আলোচ্য বিষয় জিহবার মধ্যখান উপরের তালুর সঙ্গে লাগা বা না লাগা।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

ক)اطباق সিফাতের হরফগুলি আদায় করার সময় জিহবার মধ্যস্থান উপরে তালুর সাথে লেগে যাবে, ইহার হরফ ৪টিঃ ص ض ط ظ ।
খ) انفتاح সিফাতের হরফগুলি আদায় করার সময় জিহবার মধ্যখান নীচের দিকে চেপে রেখে মুখখুলে আদায় করতে হবে, ইহার হরফ اطباق এর ৪টি হরফ বাদে বাকী ২৫টি।

পঁঞ্চম জোড়ার নাম ঃ
(১) اذلاق
(২) اصمات ।
৫ম জোড়ার আলোচ্য বিষয় জলদীভাবে আদায় করা বা ধীর স্থীর ভাবে আদায় করা।
ক) اذلاق সিফাতের হরফগুলি আদায় করার সময় জিহবা এবং ঠোটের কিনারা দ্বারা সহজে ও তাড়াতাড়ি আদায় হয়। ইহার হরফ ৬টি ঃ فر من لب ।
খ) اصمات সিফাতের হরফগুলি আদায় করার সময় নিজ মাখরাজ থেকে ধীর স্থির এবং মজবুতির সাথে আদায় হয়, ইহার হরফ اذلاق এর হরফ বাদে বাকী ২৩টি।
সিফাতে غير متضادة এর বর্ণনা ঃ
صفت غير متضادة বলা হয় যার বিপরীতে অন্য কোন সিফাত থাকে না, ইহা মোট ৭টি।

(১) صفير ঃ এই সিফাতের হরফগুলি আদায় করার সময় চড়–ই পাখি বা বাঁশির আওয়াজের ন্যায় বেজে উঠে, ইহার হরফ ৩টি ঃ ص س ز ।
(২) قلقله ঃ এই সিফাতের হরফগুলি সাকিন অবস্থায় আদায় করার সময় তার মাখরাজে শক্ত ভাবে ধাক্কা লাগার কারণে যে অতিরিক্ত আওয়াজ হয় উহাকে قلقله বলে। ইহার হরফ ৫টি। قطب جد
(৩) لين ঃ واو বা يا সাকিন হয়ে ডানে যবর হলে এ দু’টিকে লীনের হরফ বলে, লীনের হরফ নরম ভাবে আদায় হয়, যেমন- بيت – خوف ।
(৪) انحراف ঃ এই সিফাতের হরফ দু’টি ر- ل ইনহিরাফ এর অর্থ ঝুকে যাওয়া, অর্থাৎইন্হিরাফ সিফাতের হরফ আদায় করার সময় لام হরফটি را এর মাখরাজের দিকে এবং را হরফটি لام এর মাখরাজের দিকে ঝুকে পড়ে, কাজেই অতিরিক্ত ঝুকলে ر হরফটি لام এবং لام হরফটি ر হয়ে যাবে, সুতরাং অতিরিক্ত ঝুকা থেকে বেঁচে থাকতে হবে।
(৫)تكرار ঃ এই সিফাতের হরফ ১টি ر এই ر হরফটি আদায় করার সময়জিহ্বার মাথা কেঁপে উঠে যার কারণে ১টি রা এর পরিবর্তে কয়েকটি রা হতে চায় এই জন্য অতিরিক্ত (কম্পন) থেকে বেঁচে থাকতে হবে।
(৬) تفشى ঃ এই সিফাতের হরফ ১টি ش এই ش হরফটি আদায় করার সময় মুখের ভেতরে শা, শা শব্দ ছড়িয়ে পড়বে।
(৭) استطالت ঃ এর অর্থ লম্বা করা استطالت সিফাতের হরফ ১টি ض এই ض হরফটি আদায় করার সময় তার মাখরাজের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আওয়াজ জারি রেখে আদায় করতে হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

এভাবেই আরবী ভাষার ইদগাম শব্দে (গুন্নাহর সহিত মিলিয়ে পড়া) -এর স্থানে ইযহার (গুন্নাহ ছাড়া স্পষ্ট করে পড়া) করে পড়লেও শব্দটি আরবী থাকে না। অথচ কুরআন নাযিল হয়েছে আরবী ভাষায়। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন-
إنا أنزلناه قرآنا عربيا- لعلكم تعقلون-
অর্থঃ আমি কুরআনকে এ জন্যই আরবী ভাষায় নাযিল করেছি, যাতে তোমরা কুরআন বুঝতে পারো (সূরা ইউসুফ-২)
إنا جعلناه قرآنا عربيا-
অর্থঃ আমি কুরআনকে আরবী ভাষায় নাযিল করেছি। (সূরা যুখরুফ-৩)
অন্য স্থানে তিনি আরো ইরশাদ করেন-
 بلسان عربي مبين-
কুরআন নাযিল হয়েছে সুস্পষ্ট আরবী ভাষায়। (সূরা শু’আরা-১৯৫)
এ আলোকে কুরআন যেহেতু আবরী ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে আর কুরআন আরবী ভাষাতেই তিলাওয়াত করতে হবে, সুতরাং আরবী ভাষার সহীহ উচ্চারণ তাজবীদের যথাযথ অনুসরণ ছাড়া গ্রহণযোগ্য হয় না।
অতএব কেউ যদি তাজবীদের পরিপন্থি তিলাওয়াত করে, তা হলে সে যেনো আরবীতে তিলাওয়াত করলো না। অতএব সিফাত শিক্ষা করার গুরুত্ব কিংবা প্রয়োজনীয়তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

আরবী হরফের মাখরাজের গুরুত্ব
আমরা জানি, আরবী-ফার্সী এবং উর্দূ প্রত্যেকটি ভিন্ন ভিন্ন ভাষা এবং প্রত্যেকটি ভাষার আলাদা নিজস্ব বৈশিষ্ট ও গুণাবলী রয়েছে। কোনো শব্দ ফার্সী বা উর্দূ হওয়ার জন্য যেমন সঠিক উচ্চারণ প্রয়োজন তেমনিভাবে কোনো শব্দ আরবী হওয়ার জন্যও আরবী ভাষায় তার সঠিক উচ্চারণ হওয়া প্রয়োজন। যথা- আরবী ভাষায় যে শব্দে ح রয়েছে সেখানে ه অথবা ص -এর স্থলে س পড়ার দ্বারা ভুল উচ্চারিত হবে এবং অর্থ পরিবর্তন হয়ে যাবে। এভাবে অনেক ক্ষেত্রে আরবী হরফের উচ্চারণে সামান্য এদি-ওদিক হয়ে যাওয়ার ফলে কুরআনের কোনো আয়াতে কিংবা শব্দে ঈমানের অর্থ কুফরির অর্থে রূপান্তরিত হয়ে যায়। সুতরাং আরবী মাখরাজের গুরুত্ব এবং প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

আরবীর উচ্চারণ এবং বাকভঙ্গির প্রয়োজনীয়তা
প্রত্যেক ভাষার একটি বিশেষ উচ্চারণ পদ্ধতি ও বাকভঙ্গি রয়েছে। যথা- ফার্সীর উচ্চারণ ভঙ্গি ভিন্ন, ইংরেজির উচ্চারণ ভঙ্গি ভিন্ন এবং বাংলা ও উর্দূর উচ্চারণ ভঙ্গিও ভিন্ন ভিন্ন। প্রতিটি ভাষার উচ্চারণ ভঙ্গির আলাদা আলাদা মর্যাদা রয়েছে। অথচ আশ্চর্যের বিষয় যে, এই উচ্চারণ ভঙ্গিকেই আরবীর ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হয় না।
আধুনিক শিক্ষিত সমাজে এটাকে অতিরিক্ত এবং অর্থহীন মনে করা হয়। তারা কুরআন তিলাওয়াত করার ক্ষেত্রে আরবীর উচ্চারণ এবং বাকভঙ্গির বিরোধী এবং এটাকে তারা অতিরিক্ত ও অর্থহীন বলে মন্তব্য করে থাকে। প্রকৃতপক্ষে এ সবই কুরআনের প্রতি তাদের উদাসীনতার নিদর্শন।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সহিহ-শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত শিক্ষা করার ফজিলত
হজরত উসমান (রা.)-এর সূত্রে বর্ণিত, হরজত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যে কোরআন শিক্ষা গ্রহণ করে ও কোরআন শিক্ষা দেয়। -সুনানে আবু দাঊদ, হাদিস: ১৪৫২

হজরত আয়েশা (রা.)-এর সূত্রে বর্ণিত, নবী করীম (সা.) ইরশাদ করেন, যারা সহিহ-শুদ্ধভাবে কোরআন তেলাওয়াত করে, তারা নেককার সম্মানিত ফেরেশতাগণের সমতুল্য মর্যাদা পাবে এবং যারা কষ্ট সত্ত্বেও কোরআন সহিহ-শুদ্ধভাবে পড়ার চেষ্টা ও মেহনত চালিয়ে যায়; তাদের জন্য রয়েছে দ্বিগুণ সওয়াব। -সুনানে আবু দাঊদ, হাদিস: ১৪৫৪

সুন্দর কন্ঠে কোরআন শরিফ পড়া
কোরআন শরিফ সুন্দর কন্ঠে পড়া প্রশংসনীয়। হাদিস শরিফে সুন্দর কন্ঠে পড়তে উৎসাহিত করা হয়েছে। হজরত বারা ইবনে আযেব (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, তোমরা সুললিত কন্ঠে কোরআন শরিফ পড়, কেননা তা কোরআনের সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দেয়। -শোয়াবুল ঈমান, হাদিস: ২১৪১

তবে গানের সুরে কোরআন তেলাওয়াত নয়। এটা বরং কোরআন অবমাননার শামিল হওয়ায় তা বর্জনীয়। এমনকি গানের সুরে পড়তে গিয়ে হরফ কমবেশি হলে বা এক হরফের স্থলে অন্য হরফ আদায় করা হলে লাহনে জলি হবে এবং এতে অর্থ বিগড়ে গেলে নামাজ ভেঙে যাবে। -রদ্দুল মুহতার: ১/৬৩৩

হজরত হুযাইফা (রা.) বলেন, হজরত রাসূলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, তোমরা কোরআনকে আরবি সুর ও লাহানে পড়, ফাসেক ও পাপাচারীদের সুরে পড়ো না। শীঘ্রই এমন এক দল বের হবে যারা গান ও বিরহের সুরে কোরআন পড়বে, অথচ তা তাদের গলা অতিক্রম করবে না, তারা খুবই রুগ্নআত্মা হবে। -আল মুজামুল আওসাত, তাবরানি, হাদিস: ৭২২৩

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

আমাদের YouTube এবং Like Page

  • ১১ম -১২ম শ্রেণীর এইচএসসি ও আলিম এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ১০ম শ্রেণীর এসএসসি ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৬ষ্ঠ ,৭ম,৮ম ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক

এখানে সকল প্রকাশ শিক্ষা বিষয় তথ্য ও সাজেশন পেতে আমাদের সাথে থাকুন ।

শেয়ার করুন:

আপনার মূল্যবান মতামত দিন