Subscribe Now!
বাংলানিউজ এক্সপ্রেসের এক্সক্লুসিভ সব আপডেট সবার আগে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।
My Ads
ড্রিবলিং ফুটবল খেলার একটি কৌশল। ফুটবল খেলা ছাড়াও হকি, বাস্কেট বল ও ওয়াটার পোলো খেলায়ও ড্রিবলিংয়ের কৌশল প্রচলিত।
ফুটবল খেলায় পায়ে পায়ে বল গড়িয়ে নেওয়াকে ড্রিবলিং বলে। সতীর্থকে সঠিকভাবে বল জোগান দেওয়ার জন্য ড্রিবলিং করা হয়। ড্রিবলিং দুই রকমের—পায়ের কাছাকাছি বল রেখে ড্রিবলিং এবং বল সামান্য দূরে রেখে ড্রিবলিং।
পায়ের কাছাকাছি বল রেখে ড্রিবলিং করার ক্ষেত্রে ড্রিবলার দুই পায়ের ভেতরের অংশে বল রেখে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে বোকা বানায় অর্থাৎ ড্রিবলিং করে। দ্বিতীয় ড্রিবলিংয়ের ক্ষেত্রে ড্রিবলার বল সামনে বাড়িয়ে দিয়ে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়কে পাশ কাটিয়ে দ্রুত দৌড়ে আবার আয়ত্তে আনে।
প্রতিপক্ষ কোনো খেলোয়াড়কে বোকা বানিয়ে বল পাশ কাটিয়ে সামনে নিতে পারাকে একটি সফল ড্রিবলিং বলে। ফুটবল, বাস্কেটবল, হকি, হ্যান্ডবলের মতো খেলাগুলোতে যেখানে বল দখলের জন্য উভয় দলের সব খেলোয়াড়কে ব্যস্ত থাকতে হয়, সেখানে ড্রিবলিং অনেক কার্যকর একটা টেকনিক, বিশেষ করে ফুটবল খেলায় ড্রিবলিং সব ফুটবলারের জন্যই একটা বেসিক স্কিল।
[Note: Sample Answer: Md Rakib Hossain Sojol (Bangla News Express)]
আরি পড়ুন ›পারস্য ও মধ্য এশিয়ার মুসলমানদের ইতিহাস (১৩-১৮ শতাব্দী) সাজেশন,পারস্য ও মধ্য এশিয়ার মুসলমানদের ইতিহাস (১৩-১৮ শতাব্দী) অনার্স ৩য় বর্ষ সাজেশনঅনার্স ৩য় বর্ষের পারস্য ও মধ্য এশিয়ার মুসলমানদের ইতিহাস (১৩-১৮ শতাব্দী) সাজেশন,পারস্য ও মধ্য…
আরি পড়ুন ›অষ্টম শ্রেণি : ইংরেজি Change the following passage into indirect speech21. Safwat asked his mother, ‘Are you going to New Market?’ ‘No, but I…
আরি পড়ুন ›মিয়ােসিস বিভাজনের সময় ক্রসিং ওভারের ফলে জিনগত পরিবর্তনের মডেল বিশ্লেষণঅ্যাসাইনমেন্টঃ মিয়ােসিস বিভাজনের সময় ক্রসিং ওভারের ফলে জিনগত পরিবর্তনের মডেল বিশ্লেষণ। শিখনফল / বিষয়বস্তুঃ…
দলের ফরোয়ার্ড থেকে শুরু করে গোলকিপার পর্যন্ত সবারই এই স্কিলটা কমবেশি আয়ত্তে থাকতে হয়। একটি সফল ড্রিবলিং ড্রিবলারের জন্য গোল করার সুবিধা এনে দেয়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে তার পক্ষের খেলোয়াড়ের জন্য স্পেস ক্রিয়েট করে। ফুটবল ইতিহাসের সেরা ড্রিবলার হিসেবে পরিচিত ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি গারিঞ্চা।
১৯৬২ বিশ্বকাপে ব্রাজিলিয়ান কালো মানিক খ্যাত পেলে ইনজুরিতে পড়লে ব্রাজিল দলকে একাই টেনে নেন গারিঞ্চা। তাঁর একক নৈপুণ্যে ও সফল সব ড্রিবলিংয়ের কারণে দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিতে নেন তাঁরা। আসরের সর্বোচ্চ চারটি গোল করেন তিনি এবং জিতে নেন গোল্ডেন বলও।
ফুটবল খেলার অন্যতম আকর্ষণ ড্রিবলিং। গত এক দশকে সর্বোচ্চ ১৫৩৪টি ড্রিবলিং করেছেন লিওনেল মেসি। তিনি ছাড়া আর কেউই হাজারের কোটা পার করতে পারেননি; এমনকি ৫০০-এর গণ্ডি পার করতে পেরেছেন মাত্র দুজন ফুটবলার। তাঁরা হচ্ছেন যথাক্রমে ইকার মুনিয়াইন (৫৭২) ও ইসকো (৫২৩)।
তালিকার চারে আছেন সাবেক বার্সেলোনা তারকা নেইমার জুনিয়র (৪৯৩)। সেরা পাঁচের অন্যজন আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার এভার বানেগা। এই তালিকার সেরা দশে জায়গা করে নিয়েছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ৪০৩টি ড্রিবলিং করে তিনি আছেন ৯ নম্বরে। এ ছাড়া দশে আছেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার ও রিয়াল মাদ্রিদ তারকা মার্সেলো। তাঁর ড্রিবলিং সংখ্যা ৩৯৮টি।
- মজুত মূল্যায়ন পদ্ধতি আলোচনা কর,মজুত পণ্য মূল্যায়ন কী? মজুত পণ্য মূল্যায়নের বিভিন্ন পদ্ধতিসমূহ বিস্তারিত আলোচনা করো।
- হিসাব পদ্ধতির গঠন প্রক্রিয়া আলোচনা কর
- আর্থিক বিবরণীর বিভিন্ন উপাদানসমূহ সংক্ষেপে আলোচনা কর।
- কার্যপত্র ও উদ্বৃত্তপত্রের মধ্যে পার্থক্যসমূহ আলোচনা কর, কার্যপত্র ও উদ্বৃত্তপত্রের মাঝের অমিলগুলো লেখ।
- নগদ ভিত্তিতে হিসাবরক্ষণের ও বকেয়া ভিত্তিতে হিসাবরক্ষণ পার্থক্য দেখাও
My Ads