Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
প্রশ্ন সমাধান: কাজী নজরুল ইসলামের অসাম্প্রদায়িক চিন্তাচেতনার একটি রূপরেখা দাও, কাজী নজরুল ইসলামের ধর্মীয় সহিষ্ণুতার একটি বর্ণনা দাও, কাজী নজরুল ইসলামের ধর্মীয় সহিষ্ণুতা আলোচনা কর,কাজী নজরুল ইসলামের ধর্মীয় সহিষ্ণুতা ব্যাখ্যা কর
ভূমিকা : কাজী নজরুল ইসলামের অত্মপ্রকাশ একজন সুপরিচিত কবি হিসেবে, দর্শনিক হিসেবে নয়। একাডেমিক দর্শনিকদের নামের যে দীর্ঘ তালিকা তাতে তাঁর নাম নেই। তবে তাঁর দার্শনিক চিন্তা প্রতিফলিত হয়েছে বিভিন্ন হাব, গানে, উপন্যাসে ও নাটকে। নজরুল নিজেকে আঞ্চলিকতার সীমা ডিঙিয়ে আন্তর্জাতিকতার ব্যাপক পরিসরে নিয়ে গেছেন তাঁর অবদানের দ্বারা। ইংরেজ সাহিত্যিক S. T. Colridge বলেছেন, “No man was ever yet a great poet without being at the same time a profound philosopher.” অর্থাৎ, যিনি একজন বড় মাপের কবি তিনি একই সাথে একজন প্রগাঢ় দার্শনিক না হয়ে পারেন না। এ অর্থে কাজী নজরুল ইসলামকে একজন দার্শনিক বলা যায়।
কাজী নজরুল ইসলামের ধর্মীয় সহিষ্ণুতা : মানবতাবাদী দার্শনিক কাজী নজরুল ইসলাম অসাম্প্রদায়িক চিন্তাচেতনায় বিশ্বাস করতেন। তিনি ধর্মে-ধর্মে প্রভেদ স্বীকার করেন না। তিনি পরধর্ম সহিষ্ণুতার বিশ্বাস করতেন। তাঁর বিভিন্ন কবিতা, গানে এসব ফুটে উঠেছে। নিম্নে তাঁর কবিতার বিভিন্ন পঙক্তি উল্লেখ করে ধর্মীয় সাষ্ণুিতার একটি সংক্ষিপ্ত রূপরেখা প্রদান করা হলো :
কাজী নজরুল ইসলাম ধর্মীয় গোঁড়ামিতে বিশ্বাসী ছিলেন না, তিনি ছিলেন সকল ধর্মের সকল মানুষের মুক্তির দিশারী। নজরুল ধর্মান্ধতার যূপকাষ্ঠে তাঁর মানবীয় সত্তাকে বলি দেননি। তিনি ধর্মের নৈতিক দিক বা সর্বজনীন মানবতাবোধের উপর প্রতিষ্ঠিত, তারই উপাসক। তাইতো তিনি বলেন,
“খোদার ঘরে কে কপাট লাগায়
কে দেয় সেখানে তালা
চালা হাতুড়ি শাবল চালা।”
আরো ও সাজেশন:-
কাজী নজরুল ইসলাম বলেন, ধর্ম মানুষের জন্য; মানুষ ধর্মের জন্য নয়। কিন্তু কিছু ধর্মব্যবসায়ী ‘মানুষ ধর্মের জন্য’ এ কথাটি প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন। তাঁরা এ মত প্রতিষ্ঠিত করতে যেয়ে ধর্মের সঙ্গে বিভিন্ন কুসংস্কার জুড়ে দিয়েছেন। এ কুসংস্কারের কারণে ধর্ম তার মূল স্রোত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এরকম পরিস্থিতিতে ধর্ম মানুষের কল্যাণ না করে হাপাতে নিয়ে যায়। এ প্রসঙ্গে গোঁড়ামি ধর্ম নয়, কবিতায় তিনি বলেন,
“নাই যার পরমত সহিষ্ণুতা সে কতু নহে ধার্মিক,
এরা রাক্ষস-গোষ্ঠী, ভীষণ দৈত্যাধিক।
উৎপীড়ন যে করে, নাই তার কোন ধর্ম ও জাতি,
জ্যোতির্মঘেরে আড়াল করেছে, এরা আঁধারের সাথী।
কাজী নজরুল ইসলাম হিন্দু-মুসলিম বিভেদকে স্বীকার করেননি। তিনি বলেন, ধর্মে ধর্মে বৈষম্য সৃষ্টির মাধ্যমে মানবজাতির অন্ততাকে অস্বীকার করা অমার্জনীয় অপরাধ। এ প্রসঙ্গে তিনি তার ‘সাম্যের গান’ কবিতায় বলেছেন,
“পাহি সাম্যের গান
যেখানে আসিয়া এক হয়ে গেছে সব বাধা ব্যবধান
যেখানে মিশেছে হিন্দু, বৌদ্ধ, মুসলিম, খ্রিস্টান।
নজরুল ছিলেন একজন পুরোদস্তুর অসাম্প্রদায়িক ও মানবতাবাদী দার্শনিক। তাইতো তিনি উপমহাদেশের হিন্দু-মুসলিম বিভেদকে ঐক্যে রূপান্তরের জন্য চেষ্টা করেছেন। হিন্দু-মুসলিম জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধ করতে তাঁর প্রয়াস ফুটে উঠেছে নিম্নোক্ত ‘কান্ডারী হুশিয়ার’ কবিতায়। তিনি বলেন,
আরি পড়ুন ›প্রাণিদেহের যে কলা উদ্দীপনায় সাড়া দিয়ে উপঘুক্ত প্রতিবেদন সুষ্টি করতে পারে সেই কোষটির সচিত্র বর্ণনা কর১। একটি প্রাণী কোষ ও একটি উদ্ভিদ কোষের চিহ্নিত চিত্র অংকন করে উপস্থাপন কর২।…
আরি পড়ুন ›এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুচ্ছেদ বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে একদিন,এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুচ্ছেদ বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে একদিন,জেএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুচ্ছেদ বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে একদিনবিষয়: ‘এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুচ্ছেদ বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে একদিন,এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য অনুচ্ছেদ বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে একদিন,জেএসসি…
আরি পড়ুন ›ব্যবসায় পরিচিতি অনার্স ২য় বর্ষ সাজেশন, চূড়ান্ত সাজেশন অনার্স ২য় বর্ষের ব্যবসায় পরিচিতিব্যবসায় পরিচিতি অনার্স ২য় বর্ষ সাজেশন, ব্যবসায় পরিচিতি অনার্স ২য় বর্ষ সাজেশন, চূড়ান্ত সাজেশন…
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
“হিন্দু না ওরা মুসলিম? ওই জিজ্ঞাসে কোন জন?
কাণ্ডারী। বল ডুবিছে মানুষ, সন্তান মোর মার।”
তাঁর অসাম্প্রদায়িক চিন্তাচেতনার পরিচয় ফুটে উঠেছে অন্য একটি কবিতা ‘পুতুলের বিয়েতে। উক্ত কবিতায় তিনি লিখেছেন,
“মোরা এক বৃত্তে দু’টি ফুল হিন্দু-মুসলমান
মুসলিম তার নয়নমণি, হিন্দু তার প্রাণ।”
উপমহাদেশের সাম্প্রদায়িক অসন্তোষ ও দাঙ্গাপরিস্থিতিতে বিক্ষুব্ধ হলেও হতাশায় অন্তরীণ থাকেননি। তিনি হিন্দু – মুসলিম বিভেদ যে ঐক্যে পরিণত হবে তা তিনি বুঝতে পেরেছিলেন। তিনি জানতেন এ বিরোধ সাময়িক। তাইতো তাঁর নিম্নোক্ত আশার বাণী ।
যে লাঠিতে আজ টুটে গম্বুজ, পড়ে মন্দির চূড়া
সেই লাঠি কালি প্রভাতে করিবে শত্রু-দুর্গ গুঁড়া”
কাজী নজরুল ইসলাম হিন্দু ও মুসলমানদের মধ্যে কোনো বিরোধ রাখতে চাননি। তিনি এ বিরোধ সৃষ্টিকারীদের শয়তান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। তিনি বলেন, জীবনে ও সমাজে এমন অপশক্তির অভাব নেই যা কি না ধর্মদর্শন নির্বিশেষে সবকিছুকে ব্যবহার করছে মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও সর্বনাশ সাধনে। তিনি বলেন, প্রতিটি মানুষকে মানুষ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে এবং মানুষকে তার যথাযথ মর্যাদা দিতে হবে। অন্য ধর্মের অনুসারী বলেই যে, সে আমার চেয়ে নিকৃষ্ট এমন ভাবার কোনো কারণ নেই। তিনি আরও বলেন, কোনো বিশেষ ধর্মসম্প্রদায়ের অধিকারী হলে যে তাকে দূরে সরিয়ে রাখতে হবে এমন বিষয়ও ভাবা উচিত নয়। নজরুল ইসলাম হিন্দু-মুসলমানের এ বিরোধ মীমাংসার লক্ষ্যে ‘এক আল্লাহ জিন্দাবাদ’ কবিতায় বলেছেন,
| Paragraph/Composition/Application/Email/Letter/Short Stories | উত্তর লিংক |
| ভাবসম্প্রসারণ/প্রবন্ধ, অনুচ্ছেদ/ রচনা/আবেদন পত্র/প্রতিবেদন/ চিঠি ও ইমেল | উত্তর লিংক |
“ভেদ বিভেদের কথা বলে যারা, তারা শয়তানী চেলা
আর বেশীদিন নাই, শেষ হয়ে এসেছে তাদের খেলা।
My Ads
উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে, অসাম্প্রদায়িক ধ্যানধারণার অধিকারী কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ দর্শনের একজন উজ্জ্বল নক্ষত্র। তিনি তাঁর কবিতা, গান, উপন্যাস প্রভৃতিতে এ অসাম্প্রদায়িক চিন্তাচেতনার বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়েছেন। তাঁর দর্শনচিন্তার মূল লক্ষ্য ছিল অসাম্প্রদায়িক বিশ্ব গড়ে তোলা, যেখানে থাকবে শুধু অনাবিল শান্তি এবং থাকবে না কোন হানাহানি। এ কারণে তিনি তাঁর কল্পিত বিশ্বে প্রতিটি ধর্মের সহাবস্থানকে মর্যাদা দিয়েছেন। তাঁর দর্শনের মূলসূত্র ছিল সংহতি। তাঁর মতে, এ সংহতিই পারে বিশ্বকে এক বিশ্ব হিসেবে গড়ে তুলতে, যথার্থ মানবকল্যাণের পথে অগ্রসর হতে।
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও
আরি পড়ুন ›عن أبي هريرة قال قال رسول الله صلي الله عليه وسلم- « من نفس عن مؤمن زبة من كرب الدنيا نفس الله عنه كربة من كرب يوم القيامة ومن يسر على معسر يسر الله | عليه في الدنيا والآخرة ومن ستر مسلما ستره الله في الدنيا والآخرة والله في عون العبد ما كان العبد في عون أخيه ومن سلك طريقا يلتمس فيه علما سهل الله له به طريقا إلى الجنة وما اجتمع قوم في بيت من بيوت الله يتلون كتاب الله ويتدارسونه بينهم إلا نزلت عليهم السكينة وغشيتهم الرحمة وحفتهم الملائكة وذكرهم الله فيمن عنده ومن بطأ به عمله لم يسنرغ به نسبه,হাদিসটির শাব্দিক ও সরল অনুবাদ,হাদিসটির শিক্ষা<br>জ্ঞানার্জনের ফযিলত ব্যাখ্যা, সামাজিক শান্তি প্রতিষ্ঠায় হাদিসটির গুরুত্বশ্রেণি: দাখিল /SSC/2022 বিষয়: হাদিস শরীফ এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2022এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 02 বিষয় কোডঃ…
আরি পড়ুন ›hsc 2021 geography 1st paper-2nd week solution 2021, এইচএসসি পরিক্ষার্থী ২০২১ এর ভূগোল ১ম পত্র ২য় সপ্তাহের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর /সমাধান ২০২১অ্যাসাইনমেন্ট: পৃথিবীর গঠন, ও পর্বতের শ্রেণিবিভাগ । শিখনফল : পৃথিবীর বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণ গঠন…
আরি পড়ুন ›‘ভাগ্যিমানী মা তুমি সগ্যে যাচ্ছ” অভাগীর মায়ের কিসে মনে হচ্ছিল ঠাকুরদাস মুখুয্যের স্ত্রী স্বর্গে যাচ্ছে?‘ভাগ্যিমানী মা তুমি সগ্যে যাচ্ছ” অভাগীর মায়ের কিসে মনে হচ্ছিল ঠাকুরদাস মুখুয্যের স্ত্রী স্বর্গে…
- বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য,বাংলাদেশের ভৌগলিক বৈশিষ্ট্য

- নতুন পণ্য উন্নয়নের বাধা বা অসুবিধাসমূহ বর্ণনা কর

- পণ্যের জীবনচক্রের বিভিন্ন স্তরে গৃহীত বাজারজাতকরণের কৌশলসমূহ বর্ণনা করা

- নতুন পণ্যের ক্ষেত্রে ক্রেতা বা ভোক্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া বা গ্রহণ প্রক্রিয়া (Adoption Process) বিস্তারিত আলোচনা করো।

- মোড়কীকরণের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর, মোড়কীকরণ কী? পণ্য বিপণনে মোড়কীকরণের গুরুত্ব বা তাৎপর্য আলোচনা করো।

- একটি প্রতিষ্ঠানের শক্তিশালী ব্র্যান্ড উন্নয়ন কৌশল আলোচনা কর
