স্থায়ী মূলধন vs চলতি মূলধন পার্থক্য, স্থায়ী মূলধন ও চলতি মূলধন তুলনামূলক আলোচনা, চলতি মূলধন ও স্থায়ী মূলধন মধ্যে পার্থক্য, স্থায়ী মূলধন ও চলতি মূলধন কাকে বলে,তুলনা স্থায়ী মূলধনি: স্থায়ী মূলধন ও চলতি মূলধন আলোচনা

প্রশ্ন সমাধান: স্থায়ী মূলধন vs চলতি মূলধন পার্থক্য, স্থায়ী মূলধন ও চলতি মূলধন তুলনামূলক আলোচনা, চলতি মূলধন ও স্থায়ী মূলধন মধ্যে পার্থক্য, স্থায়ী মূলধন ও চলতি মূলধন কাকে বলে,তুলনা স্থায়ী মূলধনি: স্থায়ী মূলধন ও চলতি মূলধন আলোচনা


স্থায়ী মূলধন ও চলতি মূলধনের মধ্যে পার্থক্যঃ

যে সব মূলধন দীর্ঘদিন ধরে টিকে থাকে এবং বার বার ব্যবহারের পরেও যার কোন পরিবর্তন হয় না তাকে স্থায়ী মূলধন। স্থায়ী মূলধন ও চলতি মূলধনের মধ্যে পার্থক্য নিম্নরুপ-

১। স্থায়ী সম্পত্তির সাহায্যে স্থায়ী মূলধন প্রকাশ করা হয়। অন্যদিকে চলতি সম্পত্তির সাহায্যে চলতি মূলধন প্রকাশ করা হয়।

২। ব্যবহারের শুরু লগ্ন থেকে স্থায়ী মূলধনের প্রয়োজন হয়। অন্যদিকে গঠনের পর ব্যবহারিক কার্যক্রম চালু করতে চলতি মূলধন এর প্রয়োজন হয়।

৩। স্থায়ী মূলধন নগদ আকারে রাখা যায় না। অন্যদিকে চলতি মূলধন নগদ আকারেও থাকে।

৪। স্থায়ী মূলধন সহজে পরিবর্তন যোগ্য নয়। এটি অনমনীয়। অন্যদিকে চলতি মূলধন সহজে পরিবর্তনযোগ্য। এটি সাধারণত
নমনীয়।

৫। দীর্ঘমেয়াদী উৎস থেকে স্থায়ী মূলধন সংগ্রহ করা হয়। অন্যদিকে ৫) স্বল্পমেয়াদী উৎস থেকে চলতি মূলধন সংগ্রহ করা হয়।

৬। প্রতিষ্ঠানের আয় বৃদ্ধির সাথে স্থায়ী মূলধন বৃদ্ধি করতে হয়। অন্যদিকে প্রাতিষ্ঠানিক আয় বৃদ্ধির জন্য চলতি মূলধণ বৃদ্ধির প্রয়োজন হয় না।

৭। ব্যবসায়ের দীর্ঘ সময় ধরে স্থায়ী মূলধনের অবস্থান লক্ষ্য করা য়ায়। অন্যদিকে ব্যবসায়ের সর্বোচ্চ ১ বছর পর্যন্ত চলতি মূলধনের অবস্থান লক্ষ্য করা য়ায়।


আরো ও সাজেশন:-

চলতি মূলধন (Working capital):

যে সব মূলধন মাত্র একবার উৎপাদন কাজে ব্যবহার করা হয় তাকে চলতি মুলধন বলে। অথাৎ যেসব মূলধন উৎপাদন ক্ষেএে একবার ব্যবহার হলে তা নিঃশেষ হয়ে যায় তাকে চলতি মূলধন বলে। যেমন- পাট, কাঠ,তুলা, কয়লা ইত্যাদি চলতি মূলধনের অন্তর্গত। কেননা এ ̧লো একবার ব ̈বহারের পর তার কোন অস্তিত্ব থাকে না।

চলতি বা কার্যকরী মূলধন = চলতি সম্পত্তি – চলতি দায়

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

স্থায়ী মূলধন (Fixed capital):

যে সব মূলধন দীর্ঘদিন ধরে টিকে থাকে এবং বার বার ব্যবহারের পরেও যার কোন পরিবর্তন হয় না তাকে স্থায়ী মূলধন বলে। অথাৎ যেসব মূলধন উৎপাদন ক্ষেএে দীর্ঘসময় ধরে বার বার ব্যবহার করা যায় তাকে স্থায়ী মূলধন বলে। যেমন- যন্ত্রপাতি, দালানকোঠা ইত্যাদি। স্থায়ী মূলধন একবার ব্যবহারের নিঃশেষ হয়ে যায় না। তবে স্থায়ী মূলধনের অবচয় (depreciation) ঘটে।


Paragraph/Composition/Application/Email/Letter/Short Storiesউত্তর লিংক
ভাবসম্প্রসারণ/প্রবন্ধ, অনুচ্ছেদ/ রচনা/আবেদন পত্র/প্রতিবেদন/ চিঠি ও ইমেলউত্তর লিংক

প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com

আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও

ধর্মঅন্যানশিক্ষাস্বাস্থ্য
মতামতচাকরিশিক্ষা সংবাদParagraph

Leave a Comment