সহজে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম ২০২৩,জন্ম নিবন্ধন আবেদন সংশোধন ফি ২০২৩,জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম ও জন্ম নিবন্ধন করতে কি কি লাগে,জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, নতুন জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করতে যা যা লাগবে,বাচ্চাদের জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম ২০২৩

সহজে জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম ২০২৩,জন্ম নিবন্ধন আবেদন সংশোধন ফি ২০২৩,জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম ও জন্ম নিবন্ধন করতে কি কি লাগে,জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

মতামত
শেয়ার করুন:

আজকের বিষয়: জন্ম নিবন্ধন অনলাইন করার নিয়ম ও জন্ম নিবন্ধন করতে কি কি লাগে,জন্ম নিবন্ধন করার নিয়ম: প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন আইন 2004 অনুসারে শিশুর জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

যদি কোনো কারণে আপনি শিশু জন্মের ৪৫ দিনের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন রেজিস্টার করতে না পারেন। তবে আপনার সর্বোচ্চ সুবিধার জন্য আপনি শিশুর পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বে জন্ম নিবন্ধন করে নেওয়া জরুরী। 

শিশুর 5 বছর পূর্ণ হবার পর, নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার সময় আপনাকে অনেকগুলো ডকুমেন্টস দেওয়ার প্রয়োজন পড়বে। ঝামেলা মুক্তভাবে নতুন জন্ম নিবন্ধন করার জন্য আপনাকে অবশ্যই শিশু জন্মের পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়ার পূর্বেই জন্ম নিবন্ধন করে নেয়া জরুরি।

বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধনের মাধ্যমে দেশের সকলকে একটি ডিজিটাল সুবিধা দিবে।

এখন এসছে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন পদ্দতি, জন্ম নিবন্ধন সংশোধন জন্ম নিবন্ধন অনলাইন কপি ডাউনলোড থেকে সকল তথ্য পেতে এখানে এই পোস্টে বিস্তারিত পড়ুন।

Online birth registration Bangladesh 

মূলত জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার জন্য একাধিক পদ্ধতি রয়েছে। তবে অনেকেই সঠিক পদ্ধতি গুলি না জানার কারণে বিভিন্ন সময় হয়রানির শিকার হন এবং সঠিক তথ্য খুঁজে হয়রান হয়ে থাকেন।

চিন্তা করবেন না অনলাইনে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার সকল পদ্ধতি সম্পর্কে এখানে আপনাদের জানানো হবে।

সম্প্রতি বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন জন্ম নিবন্ধনের জন্য নতুন একটি জন্ম নিবন্ধন লিংক ওয়েবসাইট প্রকাশ করেছে যেখান থেকে আপনি সহজেই আপনার থানা, জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন, গ্রাম সকল কিছু নির্বাচন করার মাধ্যমে একটি জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন ঘরে বসে।

ঘরে বসে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদান করা এই https://bdris.gov.bd/br/application লিঙ্কে প্রবেশ করতে হবে। 

জন্ম নিবন্ধন অনলাইন আবেদন ওয়েব সাইটটিতে প্রবেশ করার পর আপনি কিছু তথ্য লেখা দেখতে পাবেন।

আপনি চাইলে এই তথ্যগুলো নিজে পড়ে নিতে পারেন অথবা আমাদের এই পোস্টটি দেখে দেখে আপনি জন্ম সনদ সার্টিফিকেট এর জন্য সহজেই আবেদন করতে পারেন।

নতুন জন্ম নিবন্ধন তৈরি করতে কি কি কাগজপত্র প্রয়োজন 

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সহকারে অনলাইনে জন্ম নিবন্ধন করার জন্য আপনাকে প্রস্তুত থাকতে হবে। কেননা সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে আপনি একটি জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

বধুরা, জন্ম নিবন্ধন সহজেই হাতে পেতে আপনার কাছে নিম্নোক্ত কাগজপত্র থাকতে হবে। 

জন্মের ৪৫ (০ থেকে ৪৫) দিনের মধ্যে হলেঃ 

  • ইপিআই (টিকা/Tika) কার্ড
  • পিতা ও মাতার ডিজিটাল বা অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি বাধ্যতামূলক) কপি
  • পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি
  • বাসার হোল্ডিং নম্বর এবং চলমান বছরের হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ
  • আবেদনকারী পিতা-মাতা বা অভিভাবকের মোবাইল নম্বর

শিশুর বয়স ৪৬ থেকে ৫ বছর হলেঃ

  • শিশুর টিকার কার্ড / স্বাস্থ্য কর্মীর প্রত্যায়নপত্র (স্বাক্ষর ও সীলসহ)।
  • পিতা ও মাতার অনলাইন জন্ম নিবন্ধন (বাংলা ও ইংরেজি বাধ্যতামূল। 
  • পিতা ও মাতার জাতীয় পরিচয়পত্রের ১ টি করে ফটোকপি।
  • বাসার হোল্ডিং নম্বর এবং চলমান বছরের হোল্ডিং ট্যাক্সের রশিদ।
  • আবেদনকারী পিতা-মাতা/ অভিভাবকের মোবাইল নম্বর।
  • নিবন্ধন আবেদন ফরম জমা দেয়ার সময় ১ কপি রঙ্গিন পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

বয়স পাঁচ বছরের বেশি শিশু বা ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন তৈরি করার নিয়ম

  • জন্ম নিবন্ধন পার্থীর বয়স প্রমাণের প্রত্যায়ন পত্র। ( বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত এমবিবিএস ডাক্তার বা তথ্য ডিগ্রিধারীদের যারা সত্যায়িত হতে হবে) 
  • বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক পরিচালিত প্রাথমিক গণশিক্ষা সমাপনী জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট এবং বাংলাদেশ শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক পরিচালিত মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট প্রদান করা। 
  • পিতা ও মাতা উভয়েই অনলাইন জন্ম নিবন্ধনের এক কপি করে। 
  • পিতা ও মাতা উভয়েই জাতীয় পরিচয় পত্রের ফটোকপি। 
  • জন্ম নিবন্ধন আবেদন করা প্রার্থীর জন্মস্থান বা স্থায়ী ঠিকানা প্রমাণের জন্য আবাসস্থলের বিদ্যুৎ, গ্যাস বা পানির বিল।
  • অথবা চলমান বছরের প্রদান করা জমি, বাড়ি বা কোন স্থপনার খাজনা রশিদ। (নদীভাঙ্গন অন্য কোন কারনে স্থায়ী ঠিকানা বিলুপ্ত হলে)

NOTE: মনে রাখবেন শিশুর জন্ম নিবন্ধন তৈরি করতে হলে অবশ্যই শিশুর বাবা-মায়ের ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন থাকা আবশ্যক। 

মনে রাখবেন, শিশুর বাবা মায়ের জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল করার না থাকলে শিশুর জন্য ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন আবেদন করা যাবে না।

চলুন দেখে নেয়া যাক কিভাবে জন্ম নিবন্ধন আবেদন করবেন-

প্রথম ধাপঃ জন্ম নিবন্ধন আবেদন ঘরে বসে করার জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদান করা অফিশিয়াল সাইটে ( https://bdris.gov.bd/br/application) লিংকটিতে আপনি আপনার যে কোন ডিভাইস থেকে ভিজিট করুন। CLICK HERE  

দ্বিতীয় ধাপঃ আপনি যে স্থান থেকে জন্ম নিবন্ধন করতে চান ওই স্থানটি নির্বাচন করুন। অর্থাৎ আপনি জন্ম নিবন্ধন সনদ আপনার কোন ঠিকানার অফিস থেকে সংগ্রহ করতে চান তা নির্বাচন করে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

বিদেশে বসে যে সকল বাংলাদেশী নাগরিক তাদের জন্ম নিবন্ধন করতে চান তাদের জন্য (>>আপনি যদি বাংলাদেশ দূতাবাসে জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে চান, তবে এটি নির্বাচন করুন) ঐ চেক বক্সে ক্লিক করা জরুরি। 

তৃতীয় ধাপঃ জন্ম নিবন্ধনে নিবন্ধন কারীর তথ্য দিন

  • জন্ম নিবন্ধন কারীর নামের ২ টি অংশ থাকলে ১ম ফিল্ডে নামের প্রথম অংশ লিখবেন ও ২য় অংশটি নামের শেষের অংশের ফিল্ডে লিখবেন।
  • একটি নামের যদি ৩টি অংশ থাকে ( যেমনঃ শেখ মোঃ আমিনুল ইসলাম) ১ম ও ২টি অংশ নামের প্রথম অংশে লিখবেন এবং শেষ অংশটি নামের শেষের অংশের ঘরে লিখবেন। চিত্রতে আপনি দেখতে পাচ্ছেন আমি কিভাবে লিখেছি। 
  • জন্ম নিবন্ধন প্রত্যাশীর নাম যদি ১ শব্দের হয় অর্থাৎ নামের অংশ ১টি হয়, তবে নামের প্রথম অংশের ফিল্ড খালি থাকবে। শুধুমাত্র নামের শেষ অংশে নাম লিখবেন। একইভাবে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন কারীর নাম ইংরেজিতে ও পূরণ করবেন। 
  • তারপর জন্ম তারিখ লিখুন।
  • পিতা ও মাতার কত তম সন্তান নির্বাচন করুন।
  • লিঙ্গ ( ছেলে / মেয়ে) নির্বাচন করুন।
  • জন্ম তারিখ লিখুন।

Note: নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন প্রার্থীর বয়স পাঁচ বছরের বেশি হলে তার কাছ থেকে কিছু তথ্য চাওয়া হবে ওই তথ্যগুলো আপনার কাছে রয়েছে কিনা সেই সম্মতি প্রদান করতে হবে। আইডি কার্ড থাকলে আইডি নম্বর প্রদান করতে হবে।

যদি জাতীয় জন্ম নিবন্ধন ওয়েবসাইটে প্রদান করা উপরোক্ত তথ্যসমূহ আপনার কাছে না থেকে থাকে তবে অবশ্যই আপনাকে তথ্যগুলো সংগ্রহ করতে হবে অথবা নির্বাচন নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে আপনার জন্ম নিবন্ধন এর করতে জরুরী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শন করতে হবে।

বন্ধুরা আজাকে আপনাদের জানাবো Robi bundle pack 2022 সম্পর্কে, কিভাবে রবি …

তবে নিবন্ধন কারীর বয়স পাঁচ বছরের কম হলে এধরনের সমস্যা বা কাগজপত্রের কোন প্রয়োজন পড়বে না।

তারপর অন্যান্য তথ্যসমূহ জাতিয়তা, বিভাগ, জেলা, থানা, জন্মস্থানের ঠিকানা সঠিকভাবে পূরণ করুন।

সবশেষে ডান পাশের পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

চতুর্থ ধাপঃ জন্ম নিবন্ধনে পিতা ও মাতার তথ্য যাচাই

আপনি যে শিশু বা ব্যক্তির জন্য জন্ম নিবন্ধনের আবেদন করতে চাচ্ছেন উক্ত ব্যক্তির পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন নম্বরটি এখানে লিখুন।

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন কারীর বাবা-মায়ের সঠিক জন্ম নিবন্ধন নাম্বার দিলে তাদের নামগুলি অটোমেটিক ফেচ করে নেবে ওয়েবসাইট তার ডেটাব্যাচ থেকে।

তাই শিশুর জন্ম নিবন্ধন তৈরি করার পূর্বে তার বাবা-মায়ের জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল ভাবে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করা আছে কিনা এই তথ্যগুলো জেনে নিন। 

বাবা মায়ের জন্ম নিবন্ধন ডিজিটাল কিনা তা যাচাই করতে আমাদের একটি পোস্ট রয়েছে তা পড়ুন।

তবে, জন্ম নিবন্ধনকারীর জন্ম তারিখ ২০০০ সাল বা তার পূর্বে হলে, পিতা-মাতার নাম লিখে দিতে পারবেন এবং পিতা-মাতার জন্ম নিবন্ধন নম্বর না থাকলেও চলবে।

উপরোক্ত তথ্য গুলি পূরণ করা শেষে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন।

পঞ্চম ধাপঃ জন্ম নিবন্ধনে স্থায়ী ঠিকানা বর্তমান ঠিকানা উল্লেখ

নিম্নোক্ত ছবিতে যেই পেজটির রয়েছে আপনার সামনে এরকম একটি পেজ ওপেন হবে। এখন নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করি প্রার্থীর স্থায়ী ঠিকানা বর্তমান ঠিকানা উল্লেখ করতে হবে।

এই পেজে আপনি কোনোটিই নয় লেখা বাটনে ক্লিক করলে আপনার সামনে ঠিক এরকম একটি নতুন পেজ চলে আসবে।

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদনকারীর স্থায়ী ঠিকানা উল্লেখ করুন এই ফরমটিতে।  নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে একটি বিষয় লক্ষণীয় হচ্ছে বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা একই হলে লাল চিহ্নিত চেকবক্সে টিক দিন।

বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা ভিন্ন ভিন্ন হয় তবে অবশ্যই আপনি সঠিকভাবে গ্রাম,থানা, এলাকা লিখে পরবর্তী বাটনে ক্লিক করুন। 

পঞ্চম ধাপঃ নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদনকারীর তথ্য

শিশুর জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছেন তার কিছু তথ্য জানতে চাওয়া হবে। 

তবে খুবই কমন ব্যাপার হচ্ছে শিশুর নতুন জন্ম নিবন্ধনের জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পিতা-মাতারা অথবা পিতামহ, মাতামহ অথবা তার আইনগত অভিভাবকগণ আবেদন করে থাকেন। 

তাই নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন যারাই করে থাকবেন এবং তাদের কিছু তথ্য এখানে দেয়া প্রয়োজন।

তাছাড়া নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন পার্থী নিজে নিজের জন্ম নিবন্ধনের জন্য আবেদন করতে পারেন।

এইখেত্রে নিজে আবেদন করলে নিজ বিকল্প সিলেক্ট করুন। 

অথবা অন্যান্য সিলেক্ট করে নতুন জন্ম নিবন্ধন আগ্রিহি পার্থীর পিতা, মাতা, পিতামহ, পিতামহী ইত্যাদি সিলেক্ট করবেন।

আপনার প্রদান করা তথ্যগুলো সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আপনি পরবর্তী বাটন টি চাপুন এবং নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন টি সম্পন্ন করুন।

নতুন জন্ম নিবন্ধন ফরম ডাউনলোড

আপনি সকল তথ্য প্রদান করার মাধ্যমে নতুন জন্ম নিবন্ধন সম্পন্ন করে থাকলে এবং আপনার ফরমটি সঠিকভাবে সাবমিট হলে আপনি প্রিন্ট করার অপশন পেয়ে যাবেন।

আপনি জন্ম নিবন্ধন ফর্ম ডাউনলোড করে আপনার সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ/ পৌরসভা/ সিটি করপোরেশান অফিসে জমা দিয়ে দিবেন। 

তবে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার জন্য আপনি যে কাগজপত্রগুলো জমা দিয়েছেন ওই কাগজপত্রগুলো এই ফরমের সাথে সংযুক্ত করে দিবেন।

একটি নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করার পর আপনার আবেদন অনুমোদন হয়েছে কিনা এবং তা কি অবস্থা রয়েছে সে সম্পর্কে জানতে আপনি অনলাইনের ঐ ওয়েবসাইটটি থেকেই জানতে পারেন।

জন্ম নিবন্ধন সম্পর্কিত সকল তথ্য জানতে আপনি এখানে ভিজিট করতে পারেন।

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন কোথায় করতে হয়?

শিশুর নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন আপনার বসবাস করা নিকটবর্তী ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন কার্যালয়ে করতে হয়।

জন্ম নিবন্ধন কখন তৈরি করতে হয়?

জন্ম নিবন্ধন শিশুর জন্মের ০ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে করা উত্তম। তবে শিশুর জন্মের ৫ বছরের মধ্যে জন্ম নিবন্ধন তৈরি করা ভালো। ৫ বছরের বেশি বয়স হলে, সাথে প্রয়োজনীয় সকল কাগজপত্র প্রদর্শন করা জরুরী, যা অত্যন্ত ঝামেলাপূর্ণ একটি কাজ।

নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে কি কি লাগে?

শিশুর বয়স ৪৫ দিনের কম হলে নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে মা ও বাবার জন্ম নিবন্ধন থাকলেই হবে। তবে শিশুর বয়স ৫ বছরের অধিক হলে অনেক গুলি কাগজ সংযুক্ত করতে হবে।

জন্ম নিবন্ধন কিভাবে করতে হয়?

বাংলাদেশে বসবাসকারী কোন শিশুর বা ব্যক্তির জন্ম নিবন্ধন করার জন্য প্রথমে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। তারপর প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের ফটোকপি ও অনলাইন আবেদনের প্রিন্ট করা কপি নিয়ে সংশ্লিষ্ট অফিসে জমা দিতে হবে।

কিভাবে জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে আবেদন করতে হয়?

নতুন জন্ম নিবন্ধন অনলাইনে আবেদন করার জন্য বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ওয়েবসাইটে গিয়ে সঠিক তথ্য গুলো প্রদানের মাধ্যমে আপনি সহজেই জন্ম নিবন্ধন আবেদন করতে পারবেন।

জন্ম নিবন্ধনের আবেদনের সময় ‘পসিবল ডুপ্লিকেট’ সমস্যার সমাধান কি?

‘পসিবল ডুপ্লিকেট’ টি আসে মূলত অন্যের তথ্যের সাথে আপনার তথ্যগুলো ম্যাচ হবার কারণে। 

অনেক সময় অনেকের পূর্বের একটি জন্ম নিবন্ধন তৈরি করা থাকে ঐ সম্পর্কে তারা জানেন না এরকম সমস্যা হোক পসিবল ডুবলিকেট সমস্যা আসতে পারে। 

তবে ‘পসিবল ডুপ্লিকেট’ টির সমাধান করতে আপনার এলাকার নির্বাহি অফিসার বা  উপ-পরিচালক ( স্থানীয় সরকার) অফিসে যোগাযোগ করুন। 

তারা আপনার এলাকায় অথবা আপনার জেলায় অথবা অন্যত্র প্রশাসনিকভাবে খোঁজখবর নিয়ে অনুসন্ধান করার চেষ্টা করবেন আপনার নামের সাথে হুবহু মিল আর এই ধরনের জন্ম নিবন্ধন রয়েছে। 

‘পসিবল ডুপ্লিকেট’ সম্পর্কে তারা কোন ধরনের তথ্য খুজে না পেলে আপনার জন্ম নিবন্ধন করা হয়নি মর্মে একটি লিখিত আবেদনপত্র মঞ্জুর করা হবে। এক্ষেত্রে আপনাকে পুনরায় আপনার সকল তথ্যসহকারে আবেদনের জন্য পুনরায় জমা দিতে হবে। 

মূলত একটি জন্ম নিবন্ধন এর সাথে অন্য আরেকটি জন্মনিবন্ধনের ৫টি ‘প্যারামিটার’ মিলে গেলে ‘পসিবল ডুপ্লিকেট’ ১০০% ‘ডুপ্লিকেট’ হিসাবে প্রতীয়মান হয়। 

‘ডুপ্লিকেট’ হবার প্যারামিটারগুলো হচ্ছে 

  1. আবেদনাধীন বাক্তির নাম, 
  2. পিতার নাম, 
  3. মাতার নাম, 
  4. নিবন্ধন কার্যালয়ের নাম, এবং 
  5. জন্ম তারিখ। 

তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ডুপ্লিকেট’ না হবার কারন –

  • ‘ডুপ্লিকেট’ হিসাবে চিহ্নিত ব্যক্তিগণের জন্ম তারিখ ও বয়সের ব্যবধান ৮ /১০ বছর বা তার বেশি হলে,
  • বা স্থায়ী ঠিকানা না মিললে ‘ডুপ্লিকেট’ হবার সম্ভাবনা সাধারণত ০% হয়ে যায়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

উপসংহার,

আশা করি আপনি নতুন জন্ম নিবন্ধন আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পেরেছেন।

জন্ম নিবন্ধন সম্পর্কিত আপনার কোন প্রশ্ন থাকলে আপনি আমাদের কমেন্ট করে জানান।

  • টেলিকম অফার,
  • ইন্টারনেট থেকে টাকা ইনকাম ও
  • মোবাইল ব্যাংকিং

সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য জানতে রেগুলার আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করুন।

প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com

আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.