Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
বিষয়:ভাইরাস জ্বর হলে কি করনীয়, ভাইরাস জ্বর এলে কখন যাবেন ডাক্তারের কাছে?,ভাইরাস জ্বরের ওষুধ,ভাইরাস জ্বরে কী করবেন?
ভাইরাস জ্বর বা ভাইরাল ফিভার, অনেকের কাছেই এই নামটি পরিচিত। এই জ্বর হঠাৎ করেই এবং খুব সহজে একজন থেকে অন্যজনে ছড়ায়। পরিবারের একজনের হলে বাকিদেরও আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
এই জ্বর হলে শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে ১০২ থেকে ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত হতে পারে। সারা শরীর কামড়াতে থাকে। বমি হয়, সেইসঙ্গে সর্দি ও হাঁচি থাকে। চোখ লাল হয়ে যায়। এসব উপসর্গ থাকলে মোটামুটি ধরে নেওয়া যেতে পারে রোগীর ভাইরাল ফিভার হয়েছে।
কী করবেন
ভাইরাস জ্বরে শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকলে রোগীর সারা শরীর স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানিতে ভেজানো তোয়ালে চিপে, তা দিয়ে মুছে দিতে হবে। এভাবে কয়েকবার করলে শরীরের তাপমাত্রা কম আসবে। মাথায় পানি দেওয়া যেতে পারে। গায়ে কোনো বাড়তি কাঁথা দেওয়ার দরকার নেই। জ্বর না কমলে সামান্য কিছু খেয়ে নিয়ে একটি প্যারাসিটামল ট্যাবলেট/ সিরাপ দেওয়া যেতে পারে। তবে তা অবশ্যই খাওয়ার পর খাওয়ানো উচিত।
জ্বর খুব বেশি হলে, ১০২ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপরে হলে বড়দের ডাইক্লোফেন/ ক্লোফেনাক সাপোজিটরি একটি এবং বাচ্চাদের এপিএ সাপোজিটরি ১২৫ অথবা ২৫০ মিগ্রা বয়স অনুযায়ী একটি পায়খানার রাস্তায় দেওয়া যেতে পারে। সর্দির জন্য অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ট্যাবলেট বা সিরাপ যথাযথভাবে দিতে হবে। অ্যান্টিহিস্টামিন জাতীয় ট্যাবলেটের মধ্যে রয়েছে এক্সিপিলিন/ হিস্টাসিন/ হিস্টালেক্স/ অ্যান্টিসটা ইত্যাদি।
- আরি পড়ুন ›কোটির বেশি মানুষ ডায়াবেটিসে ভুগছেন আমাদের দেশেডায়াবেটিস একটি মহামারী রোগ। বাংলাদেশে ১ কোটির বেশি মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত। প্রতিনিয়ত এ রোগে…
আরি পড়ুন ›পাকা চুল কালো করার উপায়,পাকা চুল কালো করার প্রাকৃতিক উপায়,পাকা চুল কালো করার উপায়,পাকা চুল কালো করার সহজ উপায়পাকা চুল কালো করার উপায়,পাকা চুল কালো করার প্রাকৃতিক উপায়,পাকা চুল কালো করার উপায়,পাকা…
আরি পড়ুন ›সহবাসের দোয়া ও নিয়ম কানুন,সহবাসের দোয়া,স্ত্রী সহবাসের ইসলামিক দোয়া,স্ত্রী সহবাসের দোয়া বাংলাসহবাসের দোয়া ও নিয়ম কানুন,সহবাসের দোয়া,স্ত্রী সহবাসের ইসলামিক দোয়া,স্ত্রী সহবাসের দোয়া বাংলা,অধিক সময় সহবাসের…
এগুলোর একটি করে ট্যাবলেট দিনে তিনবার দেওয়া যেতে পারে। বাচ্চাদের ক্ষেত্রে একই নামের সিরাপ এক চা চামচ করে দিনে তিনবার সেবন করানো যেতে পারে। খুব বেশি বমি হলে এর জন্য তাৎক্ষণিকভাবে মোটিলন/ এভোমিন একটি এবং বমি বন্ধ না হলে একটি করে দিনে তিনবার খাওয়ানো যেতে পারে।
এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ পানীয় ও ফল, যেমন : কমলালেবু, আমলকী, আনারস ইত্যাদি খাওয়া যেতে পারে। প্রচুর পানি পান করতে হবে। দিনে দুই থেকে তিন কাপ কমলালেবুর রস খেলে ভালো। পরিবর্তে ভিটামিন সি ট্যাবলেট একটা করে দিনে চার থেকে পাঁচবার খেতে পারেন। সব ধরনের স্বাভাবিক খাবারই তখন খাওয়া যাবে।
দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে এই জ্বর এমনিতেই সেরে যায়।
কী করবেন না
ভাইরাস জ্বর হলে অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ খাওয়ার দরকার নেই। তিন থেকে চার দিনের মধ্যে জ্বর ভালো না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এ সময়ে খাবার-দাবার বন্ধ করা চলবে না। বদ্ধ ঘরে থাকবেন না। ছোঁয়াচে বলে অন্যদের থেকে পৃথক থাকার চেষ্টা করুন।
আরি পড়ুন ›এই ৫ খাবারে মুখ দেবেন না বিছানায় তুফান তুলতে চাইলেআপনার মুখ চুম্বনে, তাঁর যে কেন সায় নেই, বুঝতেও পারলেন না। সেক্সের ষোলোআনা সেখানেই…
আরি পড়ুন ›যে সকল উপায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর যাইযে সকল উপায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর যাই প্রতিদিন করোনার রোগে আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা…
আরি পড়ুন ›বিয়ের রাতে সহবাসে পূর্ণ তৃপ্তি পেতে কিছু টিপস্মানুষের সকল কর্মকাণ্ডের মধ্যে সবচেয়ে মধুর কর্মটি হচ্ছে স্বামী-স্ত্রীর ভালবাসা। আর স্বামী-স্ত্রীর ভালবাসার তীব্রতম…