"ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র" এইচএসসি ২০২১ ৭ম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর, hsc ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র ৭ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর PDF Download

“ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র” এইচএসসি ২০২১ ৭ম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর, hsc ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র ৭ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর PDF Download

Assignment এইচ এস সি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: HSC -2021 বিষয়: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 05 বিষয় কোডঃ 277
বিভাগ: ব্যবসায় শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃবিশ্বব্যাপী ক্ষুদ্রায়তন একমালিকানা ব্যবসায়ই এখনও সবচেয়ে জনপ্রিয়- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ।

তৃতীয় অধ্যায়: একমালিকানা ব্যবসায়

শিখনফলঃ

  1. মালিকানার ভিত্তিতে ব্যবসায়ের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে,
  2. একমালিকানা ব্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে পারবে,
  3. *একমালিকানা ব্যবসায়ের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করতে পারবে,
  4. একমালিকানা ব্যবসায়ের উপযুক্ত ক্ষেত্রগুলাে চিহ্নিত করতে পারবে,
  5. বৃহদায়তন ব্যবসায়ের পাশাপাশি একমালিকানা ব্যবসায় টিকে থাকার কারণ গুলাে বিশ্লেষণ করতে পারবে।

নির্দেশনাঃ

  1. একমালিকানা ব্যবসায়ের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে।
  2. একমালিকানা ব্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করতে হবে।
  3. *একমালিকানা ব্যবসায়ের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে হবে।
  4. একমালিকানা ব্যবসায়ের উপযুক্ত ক্ষেত্রগুলাে চিহ্নিত করতে হবে।
  5. একমালিকানা ব্যবসায় জনপ্রিয়তা নিয়ে টিকে থাকার কারণগুলাে ব্যাখ্যা করতে হবে।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

(ক) একমালিকানা ব্যবসায়ের ধারণা

সাধারন ভাবে একজন ব্যাক্তির মালিকানা প্রতিষ্ঠিত মালিকানায় পৃথিবীর সর্বপ্রথম ব্যবসায় কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। এজন্য এটিকে সবচেয়ে প্রাচীনতম ব্যবসায়  সংগঠন বলা যায়। বর্তমান প্রেক্ষাপট বলা যায়, মুনাফা অর্জনের লক্ষ্য নিয়ে যখন কোনো ব্যাক্তি নিজ দায়িত্বে মূলধন যোগাড় করে কোনো ব্যবসায় গঠন ও পরিচালনা করে এবং উক্ত ব্যবসায়ে অর্জিত সকর লাভ নিজে ভোগ করে বা ক্ষতি হলে নিজেই তা বহন করে, তখন তাকে একমালিকানা ব্যবসায় বলে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

একমালিকানা ব্যবসায় গঠন অত্যন্ত সহজ।  যে কোনো ব্যাক্তি  নিজের উদ্যোগ স্বল্প অর্থ নিয়ে এ জাতীয় কারবার শুরু করতে  পারেন। সাধারণত এ জাতীয় ব্যবসায়ের আয়তন ছোট  হয়। তবে প্রয়োজনে  মালিক একাধিক কর্মচারী নিয়োগ করতে পারেন এবং অধিক অর্থও বিনিয়োগ করতে পারেন। ‍আইনের চোখে একমালিকানা ব্যবসায়ের তেমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই।

মোটকথা মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে নিয়ে একক ব্যক্তি যখন নিজ দায়িত্ব পুজিঁর সংস্থান করে ব্যবসায় সংগঠন গড়ে তুলে নিজেই তা পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রন করে এসকল দায় ও ঝুকি বহন করে এবং অর্জিত মুনাফর সবটুকু একাই ভোগ করে তখন ওই ব্যবসায় সংগঠনকে একমালিকানা ব্যবসায় বলে।

(খ) একমালিকানা ব্যবসায়ের বৈশিষ্ট্য

ব্যবসায়ী যাত্রা থাকে যে সংগঠনেরনা মাধ্যমে শুরু করা হয়েছিল তাই একমালিকানা ব্যবসায়। প্রাচীন ধর্ম ব্যবসায়ী সংগঠন যে সকল বিশিষ্ট এর কারেণ  নিজস্ব স্বকীয়তা নিয়ে উদ্ভাবন অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে টিকে আছে তা নিম্নে আলোচনা করা হলো:

একমালিকানা: এরূপ ব্যবসায়ীক মালিক মালিক সরবরাহ একজন মাত্র ব্যক্তি।যে নিজ দায়িত্বে পুঁজি সংস্থান করে ব্যবসায় গঠন ও পরিচালনা করে এবং সকল ঝুঁকি বহন ও মুনাফা ভোগ করে। 

সহজ সংগঠন: এ ব্যবসায় সাংগঠনিক তেমন কোনো জটিলতা নেই। আইনগত ঝামেলা না থাকায় পারে সেটা কি জিনিস সেবক সংগীত না অল্প পুঁজি নিয়ে যে কেউ সহজে এরূপ ব্যবসায় গঠন ও পরিচালনা করতে পারে। তবে আমাদের দেশে নিয়ম অনুযায়ী পৌর এলাকায় এরূপ ব্যবসায় গঠনের ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করার বিধান রয়েছে। 

স্বল্প মূলধন: একক মালিকের সমর্থন সীমাবদ্ধতা ও ব্যবসায় এর পরিসর সীমিত হওয়ার কারণে এরূপ ব্যবসায় সাধারণত স্বল্প মূলধন বিশিষ্ট হয়ে থাকে। আমাদের পাশের মুদির দোকান বাজারে ছোটখাটো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হোটেল-রেস্তোরাঁ সমূহ এধরনের ব্যবসায় সংগঠন। 

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সীমিত আয়তন: স্বল্প মূলধন এবং মালিকের একক সাংগঠনিক সমর্থন সীমাবদ্ধতার কারণে এরূপ ব্যবসায় সাধারণত সীমিত আয়তন বিশিষ্ট হয়ে থাকে ।ফলে এতে সম্প্রসারণের সুযোগ তেমন থাকে না। 

নিজস্ব ব্যবস্থাপনায়: এরূপ ব্যবসায়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব মালিক নিজেই পালন করে অবশ্য প্রয়োজন হলে মালিক পরিবারের সদস্যদের নিকট হতে ভুক্ত কর্মচারী নিয়োগ করে তাদের সহযোগিতা নিতে পারেন।

একক কর্তৃত্ব ও নিয়ন্ত্রণ: এ ধরনের ব্যবসায় মালিকের একক নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে মালিক একচ্ছত্র কর্তৃত্বের অধিকারী এবং কোন বিষয়ে সে অন্য কারো সাথে পরামর্শ করতে বাধ্য নয়। 

একক ঝুঁকি: এ ক্ষেত্রে ঝুঁকি বণ্টনের কোনো সুযোগ থাকে না। অর্থাৎ ব্যবসা এর সকল ক্ষতির দায়িত্ব একক মালিকের ওপর বর্তায। যে কারণে মালিককে সব সময় অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হয়। 

লোকসান বন্টন: এতে লাভ লোকসান বন্টনে কেউই ভাগীদার হয়না। তাই লোকসান হলে যেমনি মালিক তা একাই বহন করে তেমনি মুনাফা হলে সমুদয় সে একাই ভোগ করে। 

সরকারি বাধা-নিষেধ মুক্ততা: এরূপ ব্যবসায় আইনের দৃষ্টিকোণ হতে সরকারি বিধি বিধান মুক্ত। আইন সৃষ্ট প্রতিষ্ঠান না হওয়ার কারণে একে গঠন ও পরিচালনার কোন ক্ষেত্রে আইনগত আনুষ্ঠিকতা ও নিয়ম নীতি পালন করতে হয় না। 

অনিশ্চিত স্থায়িত্ব: স্বল্প পুঁজি বিশিষ্ট ছোট ধরনের এই ব্যবসায়ী স্থায়িত্ব সবসময় অনিশ্চিত থাকে। মালিক ইচ্ছা করলে যেকোনো সময় এর ব্যবসা বন্ধ করে দিতে পারে এছাড়া তাঁর মৃত্যু বা যে কোন বিরূপ পরিবেশে এর ব্যবসা এর অস্তিত্ব বিপন্ন করে। 

উপরোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলি বিশ্লেষণে দেখা যায় একমালিকানা ব্যবসায় অত্যন্ত সহজ প্রকৃতির ব্যবসায় সংগঠন। জটিলতা মুক্ত হওয়ার কারণে অসীম দায় একক যুগের মতো কিছু ইতিবাচক বৈশিষ্ট্য থাকার পরেও এটি সকল সমাজেই অদ্যবধি অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যবসায় সংগঠন। 

(গ) একমালিকানা ব্যবসায়ের গুরুত্ব

বর্তমান বৃহদায়তন উৎপাদনের যুগে প্রাচীন ও ক্ষুদ্রতম প্রকৃতির একমালিকানা ব্যবসায়ের গুরুত্ব রাস পাওয়ার কথা থাকলেও অদ্যাবধি এ ব্যবসার গুরুত্ব কমে নি। প্রতিটা সমাজে তথা বাংলাদেশ এটা কখনো সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যবসা সংগঠন একমালিকানা ব্যবসায়ের গুরুত্ব তুলে ধরা হলো:

ব্যাপক সেবা প্রদান: স্বল্পমূল্যের নিয়ে অতি সহজে এ ব্যবসায় শহরের কেন্দ্রস্থল হতে শুরু করে গ্রাম গঞ্জের সর্বোচ্চ গড়ে ওঠে। তাই প্রয়োজনীয় পণ্য ও সেবা সামগ্রী সহজে ভোক্তা সাধারণের হাতে তুলে দিয়ে এই ব্যবসায় ব্যাপক জনগোষ্ঠীর সেবা প্রদান করতে পারে। 

বৃহদায়তন দরুন  উৎপাদনের সহায়তা দান: বৃহদায়তন শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য কাঁচামাল সংগ্রহ ও সরবরাহ এবং শিল্পে উৎপাদিত পণ্য সামগ্রী ভোক্তাদের নিকট পৌঁছানোর দায়িত্ব অধিকাংশ ক্ষেত্রে এরূপ ব্যবসায় পালন করে।যা বৃহদায়তন উৎপাদনের চাকাকে সচল রাখে। 

সঞ্চয় ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি: শহর ও গ্রাম অঞ্চলের ব্যাপক জনগোষ্ঠীর ব্যবসা গড়ে তোলার মানসে তাদের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র সঞ্চয় কে একত্রিত করে এ ধরনের ব্যবসায় গঠন করে। যা দেশের জন্য মূলধন গঠন এবং বিনিয়োগ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। 

আয় ও সম্পদ বৃদ্ধি: ব্যাপকভিত্তিতে একমালিকানা ব্যবসায় গঠিত ও পরিচালিত হওয়ার ফলে তা ব্যাপক জনগোষ্ঠীর আয় রোজগারের ব্যবস্থা ও ব্যক্তিগত সম্পদ বৃদ্ধি করে। এতে জাতীয় আয় ও সম্পদ বৃদ্ধি প্রাপ্ত হয়। 

অধিক কর্মসংস্থান: যে কেউ স্বল্প পুঁজি নিয়ে সহজে এরূপ ব্যবসায় গঠন করতে পারে বিধায় দেশের ব্যাপক জনগোষ্ঠীর ব্যবসায় গঠন ও পরিচালনা করে। ফলে তা বেকার সমস্যা সমাধানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। আমাদের আশেপাশে তাকালেই আমরা একথা সততা উপলব্ধি করতে পারি। 

উত্তম প্রশিক্ষণ ক্ষেত্র: দক্ষ ব্যবসায়ী হওয়ার পিছনে অভিজ্ঞতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে গণ্য। ক্ষুদ্র একমালিকানা ব্যবসায় গঠন ও পরিচালনা মাধ্যমে ব্যবসায়ী এরূপ দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা সহজে অর্জন করতে পারে।যা তাকে  বৃহদাতায়ন  ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান শক্তি ও সাহস যোগায়।  

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

পরিবর্তনের সাথে সংগতি বিধান: পরিবর্তিত অবস্থার সাথে সহজে সংগতি বিধানের ক্ষেত্রে এরূপ ব্যবসায় কোন জুড়ি নেই ।ক্রেতাদের পরিবর্তনশীল রুচি ও চাহিদা অনুযায়ী পণ্য বা সেবা সরবরাহ করে তা অধিক সেও সমাজ সেবা নিশ্চিত করতে পার। 

পন্য ও সেবার বাজার সৃষ্টি: ক্ষুদ্র একমালিকানাব্যবসায় ভোক্তাদের অতি নিকটে অবস্থান করায় পন্য ও সেবার চাহিদা বা বাজার সৃষ্টিতেও তা গুরুত্বপূর্ন ভুমিকা রাখে। ফলে ভোক্তারা নতুন ও উন্নত পন্য  ব্যবহারের সুযোগ পায়। এতে উৎপাদন ও বন্টন ব্যবস্থাতেও অগ্রগতি ঘটে।

সম্পদের সুষম বন্টন: ক্ষুদ্রায়তনের একমালিকানা ব্যবসায় দেশের আনাচে-কানাচে সর্বত্র ব্যাপকভাবে গড়ে ওঠে। ফলে বৃহদায়তন ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে সম্পদ যেভাবে কতিপয় ব্যক্তির হাতে পুঞ্জিভূত হয় এক্ষেত্রে তার কোনোই সম্ভাবনা থাকে না। এতে সম্পদের সুষম বন্টন সহজ হয়।

জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন: একমালিকানা ব্যবসায় একদিকে ব্যাপক জনগোষ্ঠির যেমনি আয় ও সম্পদ বৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করে অন্যদিকে সর্বত্র সহজে পন্য ও সেবা সরবাহ নিশ্চিত করে জনগনের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে ভূমিকা রাখে।

সুতরাং বলা যায় মানুষের অভাব পূরণে প্রতিনিয়ত ব্যবসায় যে সেবা দিয়ে চলেছে তাতে মুখ্য ভূমিকা পালনকারী সবচেয়ে কার্যকর সংগঠন হলো একমালিকানা ব্যবসায়। এরূপ ব্যবসায় মানুষের অর্থনৈতিক ও সমাজ জীবনের যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে সারাবিশ্বে তা তথা বাংলাদেশের ব্যাপক উপস্থিতি হতেই তার প্রথম প্রমাণ মিলে।

(ঘ) একমালিকানা ব্যবসায় উপযুক্ত ক্ষেত্র সমূহ

একমালিকানা ব্যবসায় প্রাচীনতম ব্যবসা হিসেবে বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল ও উন্নত সকল দেশেই স্বীকৃত। প্রাচীনতম ব্যবসায় হলেও বর্তমান বৃহদায়তন ব্যবসায় সাথে প্রতিযোগিতা করে এখনও সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্যবসা হিসেবে টিকে আছে। একমালিকানা ব্যবসায়ের উপযুক্ত ক্ষেত্র সমূহ বর্ণনা করা হলো:

    ১) অনেকে আছেন যাদের হাতে প্রাপ্ত অর্থ নেই অথচ ব্যবসা শুরু করতে আগ্রহী। আত্মকর্মসংস্থানে উদ্যোগী এমন হাজার হাজার লোকের জন্য একমালিকানা ব্যবসায় সবচেয়ে উপযুক্ত। যেমন চায়ের দোকান ছোট খাবারের দোকান কুটিরশিল্পের দোকানটায় শিল্পের দোকান। 

    ২) এমন কিছু ব্যবসা আছে যেগুলোর জন্য বেশি অর্থের প্রয়োজন পড়ে না। সে জাতীয় ব্যবসায় এর জন্য একমালিকানা ব্যবসায় সবচেয়ে বেশি উপযোগী বিবেচিত হয়। যেমন পানের দোকান, সবজির দোকান। 

    ৩) যে সকল ব্যবসায় ঝুঁকি একেবারেই কম সেগুলোর জন্য একমালিকানা ব্যবসায় বেশি উপযুক্ত। কেননা কম আয় এর ব্যক্তিরা সাধারণত ঝুকি এড়িয়ে চলতে চান ফলে তারা এমন ব্যবসায় বেশি পছন্দ করেন। যেমন চালের দোকান ওষুধের দোকান। 

    ৪) কিছু কিছু ব্যবসায়ী আছে যেগুলোর প্রদত্ত পণ্য বা সেবার চাহিদা বিশেষ বিশেষ এলাকা বা নির্দিষ্ট শ্রেণীর গ্রাহকদের নিকট সীমাবদ্ধ। সেসব পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে একমালিকানা ব্যবসায় বেশি উপযুক্ত। 

    ৫) পচনশীল জাতীয় পণ্য যেমন ফলমূল-শাকসবজি মাছ মাংস ইত্যাদি ব্যবসায় সাধারণত একমালিকানা ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

    ৬) ডাক্তারি প্রকৌশল ও আইন ব্যবসার মতো ক্ষুদ্র আকারে পেশাভিত্তিক ব্যবসায় এবং প্রত্যক্ষ সেবাধর্মী ব্যবসায় যেমন লন্ড্রী সেলুন বিউটি পার্লার ইত্যাদি সাধারণত এক মালিকানার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে থাকে। 

    ৭) অনেক পণ্য আছে যেগুলোর চাহিদা ক্রেতাদের পরিবর্তনশীল রুচি আগ্রহ ফ্যাশনের ওপর নির্ভরশীল। সে সকল পণ্যের ব্যবসা এক্ষেত্রেও একমালিকানা ব্যবসায় বেশি উপযুক্ত। 

    ৮) এসব ব্যবসায় প্রদত্ত পণ্য দ্রব্য ও সেবার সাথে ব্যক্তির বা মালিকের নৈপুণ্য শিল্পকর্মও সুনাম জড়িত থাকে সেগুলোর জন্য একমালিকানা ব্যবসায় বেশি উপযুক্ত। যেমন চিত্রকর্মের দোকান ছবি তোলার দোকান স্বর্ণকারের দোকান ফার্নিচারের দোকান মিষ্টির দোকান। 

    ৯) কৃষিজাত পণ্য ও সহায়ক পণ্যের ব্যবসার জন্য একমালিকানা বেশি উপযুক্ত। যেমন ধান ব্যবসায় আলু ব্যবসায় ও কাঁচামালের ব্যবসায়।

    ১০) স্থানীয় বা জাতীয় পর্যায়ে বই খাতা পত্র পত্রিকা ইত্যাদি প্রকাশনা ব্যবসার জন্য একক মালিকানা ভিত্তিক ব্যবসায় বেশি উপযুক্ত।

অতএব বলা যায় যে ব্যক্তিগত উদ্যোগ স্বাধীনচেতা মনোভাব স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে একমালিকানা ব্যবসায় যেকোন সময় যেকোন স্থানে শুরু করা যায়। এ ব্যবসায় আইনি জটিলতা মুক্ত এবং এতে ঝুঁকিও কম। তাই সকলের নিকট এ ব্যবসায় জনপ্রিয়তা বেশি।

(ঙ) একমালিকানা ব্যবসায় জনপ্রিয়তা নিয়ে টিকে থাকার কারণগুলাে ব্যাখ্যা

বর্তমান যুগে সর্বস্বীকৃত অথচ  অথচ আজ এখানেই বৃহদায়তন ব্যবসায় গুলো প্রচুর মূলধন অধিক ঝুঁকি শিবা হিন্দি ইত্যাদি নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে সুবিধাভোগী বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর পাশাপাশি একমালিকানা ব্যবসায় টিকে থাকার নিঃসন্দেহে প্রশ্নের উদ্রেক করে। একমালিকানা ব্যবসায় প্রাচীন ধরনের ক্ষুদ্রায়তন প্রাকৃতিক সংগঠন হলেও বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বৃহদায়তন ও জটিল ব্যবসায় জগতে তা ব্যাপক জনপ্রিয় ব্যবসায় সংগঠন। 

এরূপ ব্যবসায় সফলতার সাথে টিকে থাকার পেছনে যে সকল কারণ বিদ্যমান তা নিম্নে আলোচনা করা হল:

সহজ গঠন: একমালিকানা ব্যবসায় গঠনে কোন আইনগত আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয় না। একক মালিক হচ্ছে ইচ্ছে করলে সহজেই এরূপ ব্যবসায় সংগঠন করতে পারে বিধায় শিক্ষিত-অশিক্ষিত ধনী-গরীব সকলেই নিকটে এ ব্যবসায় অত্যন্ত সমাদৃত। 

স্বল্প পুঁজির ব্যবসা: এরূপ ব্যবসায়ী সাধারণত ক্ষুদ্র প্রকৃতির হয়। ফলে এর গঠন ও স্বল্প পুঁজির প্রয়োজন পড়ে।  সে কারণে যে কেউ সামান্য সঞ্চয় দিয়ে বা প্রয়োজনে ঋণ করে সহজেই এরূপ ব্যবসায়ী তুলতে পারে। 

মালিকের স্বাধীনতা: এক্ষেত্রে একক মালিকানা কারণে মালিকের একক কর্তৃত্ব ও ক্ষমতা বজায় থাকে এবং কোন কাজেই সে অন্যের নিকট জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে না। 

পরিচালনাগত সুবিধা: ক্ষুদ্রায়তন প্রকৃতির ব্যবসায় মালিকের একক কর্তৃত্ব, আইনগত ঝামেলামুক্ত তাই ইত্যাদির কারণে এর ব্যবসা পরিচালনা অত্যন্ত সহজ। যে কারণে অধিকাংশ মানুষের মধ্যেই এ ধরনের ব্যবসা গঠন ও পরিচালনা অধিক আগ্রহ দেখা দেয়।

ক্ষেত্রগত সুবিধা: ব্যবসায়ের এমন কিছু ক্ষেত্র রয়েছে যেখানে ক্ষুদ্রতম একমালিকানা ব্যবসায়ের কোন বিকল্প নেই। এই কারণেও এ রোগ ব্যবসায় অধিক্য পরিলক্ষিত হয়।

  • যে সকল পন্যের বাজার সীমিত বা বিশেষ স্থানে কেন্দ্রী ভূত।
  • যে সকল পন্যের চাহিদা সবসময়ই পরিবর্তনশীল।
  • যেসকল ব্যবসায় ব্যক্তিগত কলা-কৌশল প্রদর্শনের গুরুত্ব রয়েছে।
  • সকল ধরনের খুচরা ক্রয়-বিক্রয়।
  • পচনশীল। 

ঝুকির স্বল্পতা: স্বল্প পুঁজির ক্ষুদ্র মালিকানা ব্যবসায় ঝুঁকির পরিমাণ স্বভাবতই কম হয়।  এছাড়াও মালিক নিজেই এ ব্যবসা পরিচালনা করে  এছাড়া মালিক নিজেই এ ব্যবসায় পরিচালনা করে বিধায় সে অত্যন্ত যত্ন ও সতর্কতার সাথে তা পরিচালনা করেন। এতে ক্ষতির সম্ভাবনা আরও হ্রাস পায়। এরূপ ঝুঁকির স্বল্পতার কারণে অনেকেই এরূপ ব্যবসায় গঠনে উৎসাহিত হয়। 

ঝামেলামুক্ত ব্যবসায়: এরূপ ব্যবসায় ব্যবসায়ীদের ঝামেলামুক্ত কর্মক্ষেত্রের সুবিধা দেয়। এতে মালিক আপন চিন্তা অনুযায়ী স্বাচ্ছন্দে ব্যবসায়ীকে এগিয়ে নিতে পারে। 

হিসাব রাখার সুবিধা: ব্যবসায় স্বল্প আয়তন সহজ লেনদেন আইনগত বাধ্যবাধকতা মুক্ততা ইত্যাদি কারনে এরূপ ব্যবসায় হিসাব রাখাও খুব সহজ। একক মালিক নিজ্বেস্ব পরিচালনায় সুবিধামত হিসাব সংরক্ষন করতে পারে। যে কারনে অনেকের নিকট এ ব্যবসায় অধিক জনপ্রিয়।

নিশ্চিত সাফল্য: এরূপ ব্যবসায় প্রকৃতি এমন যে ব্যবসায় গঠনের পর হতেই এতে কমবেশি আয়-উপার্জন শুরু হয়ে যায়। মালিক নিজের দক্ষতা ও সতর্কতার সাথে ব্যবসায় পরিচালনা করা এতে ক্ষতির সম্ভাবনা কম থাকে। ফলে নিশ্চিত ও সাফল্যের সম্ভাবনা কারণে ব্যবসায়ীদের নিকট অধিক আকর্ষণীয়।

গোপনীয়তা রক্ষা: গোপনে তো অনেক ব্যবসায় সফলতার চাবিকাঠি স্বরূপ। বৃহদায়তন ব্যবসায় মালিকের সংখ্যাধিক্য এবং তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক পরিচালনার কারণে অনেক সময় গোপনীয়তা বজায় রাখা যায়না। তাই গোপনীয়তা রক্ষার প্রয়োজন পড়ে এমন ক্ষেত্রে একমালিকানা ব্যবসায়ের কোন বিকল্প নেই।

অতএব বলা যায় একমালিকানা ব্যবসায় ভোক্তা তথা আপামর জনগোষ্ঠি অত্যন্ত কাছে থেকে যেমনি তাদের প্রয়োজন মাফিক পন্য ও সেবা সুবিধা প্রদান করতে পারে তেমনি ব্যবসায়ীরাও অধিক সংখ্যায় এরূপ ব্যবসায় গঠন করে সহজে আয় রোজগার করতে পারে।

তাই এরূপ ব্যবসায় সকল সমাজেই অত্যন্ত জনপ্রিয় ব্যবসায় সংগঠন।উপরোক্ত আলোচনায় বিশ্লেষণে বলা যায় প্রাচীন একমালিকানা ব্যবসায় বৃহদায়তন ব্যবসায়ের সাথে প্রতিযোগিতা করে নয় বরং পারস্পরিক সহযোগিতার নিজস্ব উপযোগী কার্যক্ষেত্রে অত্যন্ত সার্থক সংগঠন কাঠামো হিসেবে টিকে আছে। শুধু তাই নয় ভবিষ্যতেও এ ব্যবসায় যে যোগ্যতা নিয়ে টিকে থাকবে তা নির্দ্বিধায় বলা যায়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

শেয়ার করুন:

2 thoughts on ““ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র” এইচএসসি ২০২১ ৭ম সপ্তাহ অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর, hsc ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা ১ম পত্র ৭ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট ২০২১ উত্তর PDF Download

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *