ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের প্রভাব বিশ্লেষণ।, কর্মীদের নিকট হতে স্বেচ্ছায় ও স্বত:স্ফুত ভাবে সাধ্যমতাে কাজ পাওয়ার লক্ষ্যে হাতেনাতে শিক্ষাদান, কাজের ব্যাপারে বিস্তারিত অবহতিকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারবাে।

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের প্রভাব বিশ্লেষণ।, কর্মীদের নিকট হতে স্বেচ্ছায় ও স্বত:স্ফুত ভাবে সাধ্যমতাে কাজ পাওয়ার লক্ষ্যে হাতেনাতে শিক্ষাদান, কাজের ব্যাপারে বিস্তারিত অবহতিকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারবাে।

এইচ এস সি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: ১২শ / HSC বিএম-2021 বিষয়: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা (২) এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 08 বিষয় কোডঃ 1827
বিভাগ: ভোকেশনাল শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণের প্রভাব বিশ্লেষণ।

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

  • কর্মীদের নিকট হতে স্বেচ্ছায় ও স্বত:স্ফুত ভাবে সাধ্যমতাে কাজ পাওয়ার লক্ষ্যে হাতেনাতে শিক্ষাদান, কাজের ব্যাপারে বিস্তারিত অবহতিকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণের প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে পারবাে।,
  • একজন নেতার কি কি গুন থাকা দরকার তা আমরা জানতে পারবাে।,

নির্দেশনা (সংকেত/ ধাপ/ পরিধি): 

  • প্রশিক্ষণের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে।,
  • শিল্প প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন প্রকার প্রশিক্ষণ বর্ণনা করতে হবে। ,
  • প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে অনুসরনীয় নীতিমালা আলােচনা করতে হবে। ,
  • প্রশিক্ষণ কেন প্রয়ােজন?,

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • প্রশিক্ষণের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে।,

পরিকল্পিত কার্যক্রমের নামই হচ্ছে প্রশিক্ষণ (Training)। প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্য হচ্ছে, একজন ব্যক্তির জ্ঞান, দক্ষতা এবং দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ঘটানো। প্রশিক্ষণ (Training)  প্রাপ্ত ব্যক্তি প্রশিক্ষণ (Training) গ্রহণ শেষে নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে যোগ্যতার উন্নতি ও সমৃদ্ধি ঘটাতে পারে। নানান জনের নানা মত থাকলেও পেশাগত উন্নয়নের জন্য একজন ব্যক্তি তাঁর কর্মজীবনে প্রবেশের পূর্বে বা পরে যে কোনো সময় প্রশিক্ষণ (Training) গ্রহণ করতে পারেন। কারণ নিজেকে যোগ্য করে তুলতে প্রশিক্ষণের বিকল্প নাই।

অনেকেই বলে থাকেন, একাডেমিক পড়ালেখা শেষে চাকুরিতে প্রবেশের পূর্বে প্রশিক্ষণ (Training) নেওয়াটায় যথেষ্ট বা জরুরি। কিন্তু এ ধারনা সম্পূর্ণ ভুল। একজন ব্যক্তি কর্মজীবনে প্রবেশের পর যে যে কাজের জন্য তাঁর প্রশিক্ষণ (Training) নেওয়া দরকার, ঠিক সেই সেই কাজের জন্য, প্রয়োজনীয় মূহুর্তে প্রশিক্ষণ (Training) নেওয়াটায় সঠিক। 

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • শিল্প প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন প্রকার প্রশিক্ষণ বর্ণনা করতে হবে। , প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে অনুসরনীয় নীতিমালা আলােচনা করতে হবে। ,

প্রশিক্ষণের বিভিন্ন পদ্ধতির হতে পারে। প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন শ্রেনীর কর্ম থাকে তাদের প্রত্যেকের দায়দায়িত্ব ও কর্তব্য অনুযায়ী প্রশিক্ষণের ধরণ, পদ্ধতি বা কৌশল বিভিন্ন হয়ে থাকে। অর্থাৎ প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকেন, প্রত্যেকটি প্রশিক্ষণ পদ্ধতি এবং কৌশলের নিজস্ব কতগুলো গুণাবলী এবং সীমাবদ্ধতা আছে। প্রশিক্ষণ পদ্ধতি বিভিন্ন শ্রেণীর কর্মীর জন্য বিভিন্ন হয়ে থাকে। এ উদ্দেশ্যে লেখকগণ প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের ৩,৪,৫, বা ৬ শ্রেণীতে বিভিক্ত করেছেন। সেখানে আমাদের দৃষ্টিতে কর্মীদের চার শ্রেণীতে বিভক্ত করা যুক্তিযুক্ত মনে করা হয় এবং সে অনুযায়ী প্রশিক্ষণ পদ্ধতি সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিয়ে দেওয়া হল।

১। কর্মী- প্রশিক্ষণ: প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মীদের (যারা তত্ত্বাবধায়কদের অধীনে কর্মরত) প্রশিক্ষণ দানের জন্য নিুলিখিত প্রশিক্ষণ পদ্ধতি অনুসরন করা হয়ঃ

ক) কর্মকালীন প্রশিক্ষণ : সকল প্রকার শিক্ষার্থী-শ্রকিম কর্মীকে কোন প্রশিক্ষণের অধীনে কর্মকৌশল ও কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে শিক্ষাদান করার ব্যবস্থাই হল কর্মকালীন প্রশিক্ষণ। এতে শিক্ষার্থীদের উক্ত কাজ সম্পর্কে সম্যক ধারণা হয় ঠিকই, কিন্তুু এতে অন্যান্য কর্মীদের অসুবিধা সৃষ্টি হয়।

খ) শিক্ষানবীশ প্রশিক্ষণ : দক্ষ তত্ত্বাবধায়কদের তদারকীতে এ প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হয়। প্রাচীনকাল থেকে এ পদ্ধতির ব্যাপক প্রচলন রয়েছে। এ প্রশিক্ষণ পদ্ধতি শ্রেণী কক্ষে বক্তৃতা এবং প্রকৃত ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের দ্বারা শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করে। পরিনামে কর্মীর তাত্ত্বিক জ্ঞান এবং ব্যবহারিক জ্ঞান উভয়ই আয়ত্ব হয়। পেশাগত দিক দিয়ে এ প্রশিক্ষণ খুবই উপযোগী। শিক্ষানবীশ থাকা অবস্থায় কর্মীগণ নিুহারে বেতন পায়। এ প্রশিক্ষণের মেয়াদ এক বৎসর হতে ছয়/সাত বৎসর পর্যন্ত হতে পারে। চাকুরীর নিয়মিত বহালকরণের পূর্ব পযন্ত কর্মীদের অনিশ্চয়তার মধ্যে কাটাতে হয়। এ পদ্ধতির এটাই হল খারাপ দিক।

গ) উপ-প্রকোষ্ঠ প্রশিক্ষণ : এ পদ্ধতিতে শিল্প প্রতিষ্ঠানে ব্যবহৃত অনুরূপ ক্ষুদ্র যন্ত্রপাতি বা মেশিন স্থাপন করে একটি বিশেষ বাস্তবধর্মী শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ তত্ত্ববধায়ক বা ফোরম্যান এর দ্বারা কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এতে বিভাগীয় কাজ-কর্মে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয় না এবং কর্মপ্রবাহ অব্যাহত থাকে। তবে এ বদ্ধতি ব্যয়বহুল।

ঘ) পরিচিতিমূলক প্রশিক্ষণ : এ পদ্ধতিতে নতুন কর্মীকে প্রতিষ্ঠানের বা কোম্পানীর কর্মপরিবেশের সাথে পরিচয় করানো হয় এবং তাদের মনে কর্ম আগ্রহ, উৎসাহ ও উদ্দীপনা সঞ্চার করার চেষ্টা করা হয়। এ পদ্ধতির মাধ্যমে কর্মীদের প্রতিষ্ঠানের চাকুরির সাধারণ নিয়মকানুন, শর্তাদি, শ্রমিক- কর্মী নীতি, কার্যপরিবেশ, কর্মপরিচালনার নীতি এবং প্রচলিত সুযোগ- সুবিধা সম্পর্কে এবং উৎপাদন প্রক্রিয়া এবং উৎপাদিত পণ্য সম্পর্কে অবহিত করা হয়। এ প্রশিক্ষণের কল্যাণে নতুন কর্মীদের মনের অহেতুক ভয়ভীতি বা দুশ্চিন্তা দূর হয় এবং কর্তৃপক্ষের উপর একটা আস্থারভাব সৃষ্টি হয়।

২। তত্ত্বাবধায়ক প্রশিক্ষণ : নিম্মোক্ত পদ্ধতিতে তত্ত্বাবয়াক, ফোরম্যান) এবং এ পর্যায়ের নির্বাহীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয় ঃ

ক) বক্তৃতা : বক্তৃতা একটি আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ পদ্ধতি। এ পদ্ধতির মাধ্যমে বাস্তব জীবনের অনেক মূল্যবান তথ্য কর্মীদের সম্মুখে তুলে ধরা হয়। ব্যবস্থাপনায় সব শ্রেণীর কর্মীদের জন্য এ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, গবেষক, অভিজ্ঞ ব্যবস্থাপক, তাঁদের মূল্যবান তথ্য ও ধারণা কর্মীদের সামনে এমনভাবে উপস্থাপন করে যাতে শ্রোতাগণ বক্তৃতার বিষয়বস্তুু সহজেই হৃদয়ঙ্গম করতে পারে। এ পদ্ধতি তখনই গ্রহযোগ্য হয়, যখন নতুন কোন বিষয় কর্মীদলকে অবহিত করার প্রয়োজন হয়, বা যখন বৃহৎ কর্মীগোষ্ঠীকে জানানোর প্রয়োজন হয় বা যখন নতুন কোন প্রশিক্ষণ পদ্ধতি বা কৌশল প্রবর্তিত হয় বা যখন শ্রেণীকক্ষে সময় সীমিত থাকে। এ পদ্ধতির একমাত্র সীমাবদ্ধতা হল অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়ার অংশগ্রহণের কোন সুযোগ থাকেনা। ।

খ) সম্মেলন : তত্ত্বাবধায়ক প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে সম্মেলন পদ্ধতি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। এ প্রশিক্ষণ পদ্ধতি চলাকালীন অবস্থায় কারবারের পারস্পরিক সমস্যা নিয়ে আলাপ-আলোচনা হয়। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীগণ তাদের নিজ নিজ ধারণা এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন এবং একটা গ্রহণযোগ্য সুসমাধানে পৌঁছার চেষ্টা করে। সম্মেলনে যোগদানকারী প্রতিটি সদস্য কাউকে শিক্ষা দেবার মনোভাব না নিয়ে নিজেরাই শিক্ষাগ্রহনের চেষ্টা করে। এভাবে আলোচনা, গঠনমূলক সমালোচনা এবং যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে তারা কোন বাস্তবভিত্তিক কর্মসূচী গ্রহণ করার সুযোগ পায়। ম্যাক গেহী এবং থেয়ার (গপ এবযবব ধহফ ঞযধুবৎ) এর মতানুসারে সম্মেলন পদ্ধতি অনুসরণে অংশগ্রহণকারী তত্ত্বাবধায়কদের বা উচ্চস্তরের ব্যবস্থাপকদের মনোবল উন্নীত হয়। কারণ পারস্পরিক খোলামেলা আলোচনার মাধ্যমে পেশকৃত প্রস্তাবলী সহজে গৃহীত হয়।

গ) পদ পরিবর্তন : এ পদ্ধতি অনুসরণ করে তত্ত্বাবধায়ক, নির্বাহী বা ব্যবস্থাপককে এক পদ হতে অন্য পদে স্থানান্তর করে ধারাবাহিকভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। একজন ব্যবস্থাপককে একটি নির্দিষ্ট বিভাগে নিয়োগদান করলেও বিভাগের কাজের প্রকৃত ও সমস্যা সম্পর্কে অবহিত হওয়া দরকার। আর নির্বাহী যদি সাধারণ ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিযুক্ত থাকে, তাহলে তার সব বিভাগের কর্মকান্ড, কাজের প্রকৃতি এবং সমস্যা সম্পর্কে সাধারণ জ্ঞান থাকা দরকার। এ কারণে প্রত্যেক নির্বাহী বা ব্যবস্থাপককে ছয়মাস হতে দু বৎসর পর্যন্ত সময়ের জন্য ঘূর্ণায়মান পদ্ধতিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে হয়। শিক্ষানবীশ কর্মী তার উপরস্থ কর্মকর্তা থেকে নতুন কলা কৌশল আয়ত্ব করে। বৃহতায়তন কারবারে এ পদ্ধতির ব্যাপক প্রচলন দেখা যায়। কারণ উচ্চ পর্যায়ের পদের জন্য সার্বিক ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত বিষয়ে জ্ঞান সম্পন্ন কর্মীর উপস্থিতি অপরিহার্য। পদ পরিবর্তন ব্যবস্থা প্রর্বতনের ফলে ব্যবস্থাপকদের মানসিক সংকীর্ণতা দূর হয়।

ঘ) ঘটনা পর্যবেক্ষন পদ্ধতি : ঘটনা পর্যবেক্ষন পদ্ধতি বা ঘটনা সমীক্ষা পদ্ধতি তত্ত্বাবধায়ক, নির্বাহী এবং উচ্চস্তরের ব্যবস্থাপক প্রত্যেকের ক্ষেত্রে এ পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়। এ পদ্ধতি অনুসারে ব্যবস্থাপকদের নিকট সমস্যা সম্বলিত কতগুলি ঘটনা উপস্থাপন করা হয়। ব্যবস্থাপকদের কর্তব্য হল এ সমস্ত সমস্যার চুলচেরা হিসেব করা, বিশ্লেষন করা, এবং পারস্পারিক আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের পদ অন্বেষণ করা। অংশগ্রহনকারী ব্যবস্থাপকদের মধ্যে যাদের চিন্তাধারা বাস্তবভিত্তিক এবং যাদের প্রস্তাব পরিস্থিতি ও সময় উপযোগী তাদের প্রস্তাবই গ্রহনযোগ্য হয়। এ পদ্ধতিতে ব্যবস্থাপকদের চিন্তাশক্তির উন্মেষ ঘটে এবং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া উৎসাহিত হয়।

ঙ) পদোন্নতি প্রশিক্ষণ : যখন কোন প্রতিষ্ঠান তার কর্মীদের পদোন্নতি দানের বিষয় কল্পনা করে, তখন এরূপ প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। এ ধরণের প্রশিক্ষণের দ্বারা কর্মীদের উচ্চতর দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন হয় নতুন কর্মে, তাদের উৎসাহ-উদ্দীপনা বৃদ্ধি পায় ও নৈতিক মনোবল উন্নত হয় এবং পরিশেষে উচ্চপদে অধিষ্ঠিত হয়ে দক্ষতার সাথে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হয়।

চ) আনুষ্ঠানিক কর্মসূচী : এ পদ্ধতির মাধ্যমে কারবারী প্রতিষ্ঠানসমূহ আলাপআলোচনা, ধারাবাহিক বক্তৃতা, ভোজসভা, স্লাাইড ফিল্ম, টেলিভিশন, মোশন পিকচার প্রভৃতি প্রযুক্তির সাহায্যে বিভিন্ন আধুনিক কলাকৌশল শিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়। সাধারণ কর্মী, তত্ত্বাবধায়ক, ফোরম্যান এবং নির্বাহীগণ

নিজ নিজ সমস্যাবলী নিয়ে আলোচনা করে এসব কৌশলের মাধ্যমে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করতে সচেষ্ট হয়। এ পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা হল, কোন কোন ক্ষেত্রে যেমন, স্লাইড ফিল্ম, বত্তৃতা শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহনের বা নিজস্ব মতামত ব্যক্ত করার উপায় থাকে না।

৩। নির্বাহীদের প্রশিক্ষণ : তত্ত্বাবধায়ক প্রশিক্ষণে অনুসৃত পদ্ধতির অনুরূপ পদ্ধতি নির্বাহী প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে প্রয়োগ হয়। আবেশন বা অবহিত করণ, শিক্ষানবীশি, ঘটনা পর্যবেক্ষন পদ্ধতি, দলীয় আলোচনা, বক্তৃতা পদ্ধতি, কনফারেন্স, পদ পরিবর্তন প্রভৃতি পদ্ধতি নির্বাহী প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এতদ্বতীত নিুে বর্ণিত পদ্ধতিও বিশেষভাবে অনুসরণ করা হয়ঃ

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

ক) পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি : এ পদ্ধতি অনুযায়ী একজন জুনিয়র নির্বাহী একজন অভিজ্ঞ ও জ্যৈষ্ঠ ব্যবস্থাপকের সহকারী হিসাব থেকে তাঁকে অনুকরণ করে শিক্ষাগ্রহন করে। এ ব্যবস্থায় প্রত্যেক সিনিয়র ব্যবস্থাপকের একজন বসের সহকারী থাকে। সে তার নিজের কাজ ছাড়াও তার গুরু বা বসের কাজও শেখে এবং বস অবসর গ্রহণ করলে বা বদলী হলে সহকারী উক্ত পদে উন্নীত হন। এ পদ্ধতির ব্যবস্থা অনুযায়ী প্রশিক্ষক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কাজ শেখানোর জন্য বিশেষ যত্নসহকারে সহকারীকে আদেশ, নির্দেশ ও পরামর্শ দেন এবং আন্তরিকভাবে সহকর্মীকে সহযোগিতা করে। উর্ধ্বতন ব্যবস্থাপকদের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রেও এ পদ্ধতি ব্যাপকভাবে সমাদৃত।

খ) জুনিয়র বোর্ড : কারবারী জগতে দেখা যায় যে, কোম্পানীর সমস্যাবলী সম্পর্কে অনুসরণ, বিশ্লেষণ এবং পরামর্শদানের জন্য স্থায়ীভাবে উপদেষ্টা কমিটি বা বোর্ড থাকে। এ বোর্ডের সদস্যদের কাজ হল কোম্পানীর বিদ্যমান সমস্যাসমূহ চিহ্নিত করা, পর্যালোচনা করা এবং এসব সমাধানের জন্য ব্যবস্থাপনার শীর্ষ পর্যায়ে অর্থাৎ পরিচালনা বোর্ডের নিকট উপযুক্ত সুপারিশ পেশ করা। জুনিয়র বোর্ডের সুপারিশ মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা বা সে অনুযায়ী কাজ করা বা না করা শীর্ষ ব্যবস্থাপনার ব্যাপার। পরিচালনা বোর্ড, জুনিয়র বোর্ডের সুপারিশের সবটা বা কিয়দংশ গ্রহণ করতে পারে বা নাও পারে। চালস্ ম্যাক করমিক নামক প্রখ্যাত শিল্পপতি এ পদ্ধতির প্রবর্তক ছিলেন। এ পদ্ধতির মঙ্গলজনক দিক হল কমিটির সদস্যগণ কোম্পানীর বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে অবগত হন এবং দলগতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার সুযোগ পায়, এটা একটি স্বল্প-ব্যয় এবং স্বল্প-সময় সাপেক্ষ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে পরিচালনা বোর্ডের জন্য অভ্যন্তরীণ সদস্য গড়ে তোলার পথ উন্মুক্ত হয়।

গ) প্রকল্প পদ্ধতি : প্রকল্প পদ্ধতি কনফারেন্স পদ্ধতিরই অনুরূপ। এ পদ্ধতিতে শিক্ষানবীশ নির্বাহীকে কাজ করে এবং কাজের বিষয় আলাপ-আলোচনা করে শিক্ষালাভ করতে উদ্ভুব্ধ করা হয়। এ ব্যাবস্থার সাহায্যে বিশেষ প্রকল্প সম্বন্ধে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। পণ্য চলাচল যন্ত্রের ব্যবহার, নূতন পন্যের বাজার সৃষ্টি, কোম্পানীর শাখা বিস্তার, সংগঠন কাঠামো প্রভৃতি এক একটি প্রকল্পের উদাহরণ। প্রতিটি প্রকল্পের দায়িত্ব পৃথক পৃথক শিক্ষার্থীর উপর অর্পন করা হয়। তাঁরা নিজ প্রকল্পের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সংগ্রহ করেন, তথ্যাদি বিশ্লেষন করেন এবং পরিশেষে প্রকল্পটির সাফল্যের জন্য উপযুক্ত পরামর্শ দেয়। প্রয়োজনমত প্রকল্পের সুপারিশ অনুয়ায়ী এর কার্যকারিতা পরীক্ষার জন্য কর্মক্ষেত্রে প্রয়োগ করতে বলা হয়। এভাবে প্রকল্পের সাফল্য বিচার বিবেচনা করা সম্ভব হয় এবং নির্বাহী হিসেবে কাজ করার ভিত্তি প্রস্তুুত হয়। প্রকল্পগুলো অবশ্যই অভিজ্ঞ শিক্ষকের তত্ত্ববধানে সম্পন্ন হয়ে থাকে এবং শিক্ষানবীশকে এজন্য মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে তার প্রকল্পের মূল্যায়ন করতে বলা হয়। প্রকল্প পদ্ধতি উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা এবং ব্যবস্থাপকদের উন্নয়ন প্রক্রিয়া হিসেবে এবং আধুনিক কালে অত্যন্ত ফলপ্রসূ পদ্ধতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ঘ) বাজ্ সেশন : সম্মেলন বা কনফারেন্স পদ্ধতিকে অধিকতর কার্যকরি করার জন্য এ পদ্ধতি প্রচলন হয়। সম্মেলন চলাকালে অনেক সদস্যই শুধুমাত্র নামে অংশগ্রহন করে, কিন্তুু সক্রিয়ভাবে সহযোগিতা করেন না। তাঁদের সক্রিয় করার লক্ষ্যে উপস্থিত সকল সদস্যকে কতিপয় ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দলে বিভক্ত করা হয় এবং প্রত্যেক দলকে আলোচ্য বিষয়ের একেকটা বিষয়বস্তুু অর্পন করা হয়। প্রতিটি গ্রুপের সদস্য সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নিজ নিজ প্রতিবেদন তৈরি করতে বাধ্য হয়। পরিনামে কোন দল এবং কোন্ সদস্য কি পরিমানে এবং কতটা আন্তরিকতা এবং গুরুত্বের সাথে পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেছেন তা প্রকাশ পায়।

৪। উচ্চপদস্থ ব্যবস্থাপক প্রশিক্ষণ

কোম্পানীর বা কোন প্রতিষ্ঠানের সাধারণ ব্যবস্থাপক, ব্যবস্থাপনা পরিচালক, পরিচালক, কর্মী- ব্যবস্থাপক বা অর্থ ব্যবস্থাপক প্রভৃতি উচ্চস্তরের ব্যবস্থাপকদের জন্য বিভিন্ন প্রশিক্ষণ পদ্ধতি প্রচলিত আছে। যেমন, কনফারেন্স, আলোচনা সভা, প্রকল্প পদ্ধতি, ঘটনা পদ্ধতি প্রভৃতি বিভিন্ন ধরণের ব্যবস্থা ব্যবহৃত হয়। অনুরূপ ব্যবস্থার কথা ইতিপূর্বে আলোচিত হয়েছে। আরো যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি উচ্চতর ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সমাদৃত হয়েছে, তার মধ্যে সাইমুলেশন, ব্রেইন ষ্টর্মিং ম্যানেজম্যান্ট গেইম, সংবেদনশীলতা প্রশিক্ষণ, ভূমিকা অভিনয় প্রভৃতি প্রধান। নিুে এসব পদ্ধতির বিবরণ দেয়া

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • প্রশিক্ষণ কেন প্রয়ােজন?,

মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে বর্তমান যুগ প্রতিযোগীতার যুগ। এই যুগের উৎপাদন পদ্ধতি, কার্য প্রণালী জটিল প্রকৃতির। এই জটিল প্রকৃতির কার্য প্রণালীকে দক্ষতা ও নিষ্ঠার সাথে বাস্তবায়নের জন্য প্রশিক্ষণ একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার। নতুন ও পুরাতন কর্মিদের কমং দক্ষতা অভিজ্ঞাতা বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নিুে প্রশিক্ষণের গুরুত্ব বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলোঃ

১। দক্ষতা ও যোগ্যতা বৃদ্ধি ঃ- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন এবং পুরাতন কর্মীদের দক্ষতা ও যোগ্যতা বৃদ্ধি করা যায়। ফলে পরিবর্তনশীল পরিস্থিতিতে কাজ করার ক্ষেত্রে তাদরে কাজ সম্পাদন কোন সমস্যা হয় না।

২। পণ্য ও সেবা উৎপাদন নতুন পদ্ধতি ও জ্ঞান দান ঃ- প্রশিক্ষণের দ্বারা পণ্য ও সেবা উৎপাদন ব্যবহৃত নতুন পদ্ধতি ও কৌশল সম্পর্কে কর্মিদের অবহিত করা যায়। ফলে তারা দক্ষতার সাথে স্বীয় কার্য সম্পাদন করতে পারে।

৩। আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ঃ- উৎপাদন প্রক্রিয়ার ব্যবহৃত পদ্ধতি, প্রযুক্তি প্রক্রিয়া, কৌশল প্রতিনিয়তই উন্নয়ন লাভ করে। উন্নত পণ্য ও সেবা উৎপাদন ও বন্টনের জন্য আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োজন। প্রশিক্ষণ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে কর্মীদের সামর্থ্য করে তোলে।

৪। সাংগঠনিক জটিলতা হ্রাস ঃ- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রমকে সহজ সরল করার চেষ্টা করা হয়। ফলে সাংগঠনিক জটিলতা হৃাস পায়।

৫। পরিবর্তনকে স্বাগত ঃ- সব কিছুই পরিবর্তনশীল। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উৎপাদন ও বন্টন প্রক্রিয়ার আধুনিক ও পরিবর্তনশীল প্রযুিক্ত, কৌশল সম্পর্কে কর্মীদের অবহিত করা হয়। ফলে তারা পরিবর্তনকে স্বাগত জানায়।

৬। সহযোগীতা নিশ্চিত ঃ- প্রতিষ্ঠানের পূর্ব নির্ধারিত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য সকল বিভাগের, সকল কর্মীর, সকল কাজের মধ্যে সহযোগিতাও সমন্বয় প্রয়োজন হয়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এই সহযোগিতা নিশ্চিত করা যায়। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অর্জন সহজ হয়।

৭। মনোবল বৃদ্ধি এবং দুর্ঘটনা হৃাস ঃ- প্রশিক্ষণের ফলে কর্মীদের মনোবল কার্যসম্পাদন যোগ্যতা ও স্পৃহা বৃদ্দি পায়। ফলে তারা আস্থাও দক্ষতার সাথে কার্য সম্পাদন করতে পারে। এতে কারে দুর্ঘটনা হৃাস পায়।

৮। তত্ত্ববধান সহজ ঃ- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের কার্যসম্পাদন যোগ্যতা, দক্ষতা বৃদ্দি পায়। ফলে তারা তত্ত্ববধাকের সাহায্য ছাড়াই কার্য সম্পাদন করতে পারে। এতে তত্ত্ববধান সহজ হয়।

৯। মিতব্যয়িতা অর্জন ঃ- প্রশিক্ষণের ফলে কর্মীরা দক্ষ হয়ে উঠে। প্রতিটি কার্য স্বল্প সময়ে, স্পল্প অপচয়ে এবং দুর্ঘটনা মুক্ত অবস্থায় দক্ষতার সাথে সম্পাদিত হয়। ফলে সামগ্রিকভাবে উৎপাদন ব্যয়-অবচয় হৃাস পায়, পণ্যের গুণাগুন উন্নত হয এবং মিতব্যয়িতা অর্জিত হয়।

১০। সম্পদের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার ঃ- বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা সম্পদের অভাব নয়, সম্পদের সদ্ব্যবহারে ব্যর্থতা, প্রশিক্ষণ কর্মীদের দক্ষ করে তোলে। ফলে প্রতিষ্ঠিত সকল সম্পদের সর্বোচ্চ সদ্ব্যবহার নিশ্চিত করা যায়।

১১। মানবীয় সম্পর্কের উন্নয়ন ঃ- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীরা প্রতিটি কাজ সম্পর্কে, অপরপর কর্মিদের দক্ষতা, যোগ্রতা, অভিজ্ঞতা সম্পর্কে ধারণা লাভ করতে পারে। ফলে প্রতিষ্ঠানের মানবীয় সম্পর্কের উন্নয়ন হয়।

১২। দক্ষ মানব সম্পদ গঠন ঃ- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের কার্যের প্রকৃত ও ধরণ, পদ্ধতিও কৌশল প্রকৃত ও ধরণ ইত্যাদি সম্পর্কে বাস্তব স্থান বৃদ্ধির চেষ্টা করা হয়। ফলে প্রতিটি কর্মীই দক্ষ হয়ে উঠে এবং সম্পদে পরিনত হয়। এতে প্রতিষ্ঠানে এবং সামগ্রিকভাবে দেশে দক্ষ মানব সম্পদ গঠন সহজ হয়।

১৩। কর্ম সন্তুষ্টি বৃদ্ধি ঃ- প্রশিক্ষণের দ্বারা কর্মীরা কার্য সম্পর্কে দক্ষ হয়। কাজের প্রতি তাদের আগ্রহ, উৎসাহ, আন্তরিকতা ও মনোবল বৃদ্দি পায়। এতে করে তাদের কার্য সন্তুষ্টির পরিমাণ ও মাত্রা বৃদ্দি পায়।

১৪। নমনীয়তা বৃদ্ধি ঃ- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের একাধীক কার্য ও পদ্ধতি সম্পর্কে অভিজ্ঞ করে তোলার চেষ্টা করা হয়। ফলে প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে তাকে অন্য অফিস শাখা বা কাজে বদলী করা হলেও নতুন কার্য পরিবেশে গিয়েও সে দক্ষতার সাথে কাজ সম্পাদন করতে পারে। তার মধ্যে প্রতিবন্ধকতা কাজ করে না।

১৫। দায়িত্ববোধ সৃষ্টি ঃ- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের তাদের কার্যক্রম এবং প্রতিষ্ঠানের প্রতি তাদের সম্পর্কে সচেতন করে তোলা যায়। দক্ষতা উপযুক্ততা বৃদ্ধি পেয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রতি কাজের প্রতি কর্মীদের দায়িত্ববোধের সৃষ্টি হয়।

১৬। সম্পদ ও যন্ত্রপাতি সংরক্ষণ ঃ- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের মানবীয় ও বস্তুগত সম্পদের ব্যবহার ও সংরক্ষণ পদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করা হয়। ফলে মানবীয় এবং বস্তুগত সকল সম্পদের সংরক্ষণ সহজ ও সুন্দর হয়।

১৭। শ্রম বিরোধ হৃাস ঃ- প্রশিক্ষণের ফলে মালিক-শ্রমিকের চিরাচরিত দ্বন্ধ-বিরোধ, অবিশ্বাস ও দূরত্ব হৃাস পায়। তারা কাছাকাছি আসে। পরস্পর পরস্পেপরে গুরুত্ব প্রাতিষ্ঠানিক গুরত্ব এবং প্রতিষ্ঠানে তাদের অবদান সম্পর্কে জানতেও বুঝতে পারে। ফলে শ্রম বিরোধ, অসন্তোষ হৃাস পায়, সৌহার্দ্যপুর্ণ সম্পকেৃর সৃষ্টি হয়।

১৮। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ঃ- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীরা কার্য সম্পাদন সম্পর্কে সর্বোত্তম কৌশল জানতে ও ব্যবহার করতে পারে। এতে উৎপাদন ব্যয় ও অবচয় হৃাস পায়, পণ্যের গুণাগত মান এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পায়। ফলস্বরুপ প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি পায়।

১৯। প্রতিযোগিতা মোকাবেলা ঃ- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের যোগ্যতা, সামর্থ্য, দক্ষতা, কর্মনৈপুন্য বৃদ্ধি পায়। এর আলোকে সে নিজ প্রতিষ্ঠান এবং প্রয়োজনে প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রতিযোগীতা মোকাবেলা করতে পারে।

২০। স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি ঃ- প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মীদের দক্ষভাবে গড়ে তোলা যায়। প্রতিষ্ঠানের কোথাও কোন সংকট বা সমস্যার সৃষ্টি হলে দক্ষ কর্মিদ্বারা তা সহজেই সমাধা করা যায়। ফলে প্রতিষ্ঠানের স্থিতিশীলতা বৃদ্ধি পায়।

২১। দেশের সার্বিক উন্নয়ন ঃ- প্রয়োজেনর আলোকে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি গ্রহন ও তার বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের মানবীয় সম্পদকে দক্ষভাবে গড়ে তোলা যায়। তাদের দ্বারা সকল বস্তুগত সম্পদ পরিচালনা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। ফলে সামগ্রিকভাবে দেশের সার্বিক উন্নয়ণ নিশ্চিত করা যায়।

উপরোক্ত আলোচনা থেকে আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন যে প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের দক্ষতা, নৈপুন্য বৃদ্ধিতে, প্রতিষ্ঠান ও জাতীয় উৎপাদন ও উৎপাদনশীল বৃদ্ধিতে প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব অনেক।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ভোকেশনাল ও দাখিল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *