বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতিতে যৌথ মূলধনী কোম্পানী এবং হোল্ডিং কোম্পানীর অসুবিধাসমূহ নিরূপন কর, করোনা ভাইরাসের ধারণা শিখতে পারবে, যৌথ মূলধনী কোম্পানীর ধারণা শিখতে পারবে

শ্রেণি: ১১শ / HSC বিএম-2021 বিষয়: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা (১) এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 09 বিষয় কোডঃ 1817
বিভাগ: ভোকেশনাল শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতিতে যৌথ মূলধনী কোম্পানী এবং হোল্ডিং কোম্পানীর অসুবিধাসমূহ নিরূপন কর

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

  • করোনা ভাইরাসের ধারণা শিখতে পারবে,
  • যৌথ মূলধনী কোম্পানীর ধারণা শিখতে পারবে,
  • যৌথ মূলধনী কোম্পানীল অসুবিধা সমূহ জানতে পারবে,
  • হোল্ডিং কোম্পানীর অসুবিধা সমূহ জানতে পারবে,

নির্দেশনা (সংকেত/ ধাপ/ পরিধি): 

  • করোনা ভাইরাসের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে,
  • যৌথ মূলধনী কোম্পানীর ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে,
  • যৌথ মূলধনী কোম্পানীর অসুবিধা সমূহ সংক্ষেপে লিখতে হবে,
  • হোল্ডিং কোম্পানীর অসুবিধা সমূহ বর্ণনা করতে হবে,

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • করোনা ভাইরাসের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে,

করোনা ভাইরাস কি ? করোনা ভাইরাস অনেকগুলি ভাইরাসের একটি বড় পরিবার যা জীব জন্তু বা মানুষের অসুখের কারণ হতে পারে। বেশ কয়েকটি করোনভাইরাস মিলে মানুষের মধ্যে সাধারণ ঠাণ্ডা লাগা থেকে শুরু করে মিডিল ইষ্ট রেসপিরেটরি সিন্ড্রোম (এমইআরএস) এবং সিভিয়ার একিউট রেস্পিরেটরি সিন্ড্রোম (এসএআরএস) এর মতো মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করতে পারে বলে জানা যায়। কোভিড -১৯ কি ? কোভিড -১৯ হল নতুন খুঁজে পাওয়া করোনাভাইরাস থেকে ছড়ানো একটি সংক্রামক রোগ। এই নতুন ভাইরাস এবং রোগটি ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহরে মহামারি হওয়ার আগে বিশ্বের কাছে অজানা ছিল।

কোভিড -১৯ এর সাধারণ লক্ষণগুলি হ’ল: – জ্বর – ক্লান্তি – শুকনো কাশি ইত্যাদি । -অনেকের আবার ব্যথা বেদনা, নাক বন্ধ, নাক দিয়ে পানি পরা , গলা ব্যথা বা ডায়রিয়া হতে পারে। এই লক্ষণগুলি শুরুতে কম থাকে এবং ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে । আক্রান্ত অনেকের মধ্যে মধ্যে এই রোগ এর কোনও লক্ষণ দেখা যায়না এবং তাঁরা অসুস্থও বোধ করেন না। বেশিরভাগ লোক (প্রায় ৮০ %) বিশেষ চিকিৎসার প্রয়োজন ছাড়াই সুস্থ হয়ে উঠেন । কোভিড -১৯ হওয়া প্রত্যেক ৬ জনের মধ্যে ১ জন ভীষণভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তাঁদের শ্বাস নিতে অসুবিধা হয়। বয়স্ক ব্যক্তি এবং যাঁদের উচ্চ রক্ত চাপ, হার্টের সমস্যা বা ডায়াবেটিসের মতো অসুস্থতা রয়েছে , তাঁদের জন্য ঝুঁকিটা বেশি এবং তাঁদের ভীষণভাবে অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে । তাই এসব মানুষের দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। সরকারি হেল্পলাইন ৩৩৩,১৬২৬৩, ১০৬৫৫ নম্বরে ফোন করে চিকিৎসা ও পরামর্শ নেয়া যাবে

সাধারণত যেভাবে ছড়ায়ঃ ১। কোভিড -১৯ এ আক্রান্ত রোগী থেকে এই রোগ অন্য মানুষে ছড়ায়; ২। কোভিড -১৯ এ আক্রান্ত মানুষের নাক ও মুখ থেকে বেরিয়ে আসা হাঁচি কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে পরা ড্রপলেট (কাশি বা নিঃশ্বাস থেকে যে পানির ফোঁটা তৈরি হয় ) এর দ্বারা এই রোগ ছড়ায়; ৩। এই ড্রপলেট/পানির ফোঁটাগুলি মানুষের চারপাশের জিনিস ও জায়গার উপর লেগে থাকে; ৪। কেউ যদি এই জিনিস বা জায়গাগুলি স্পর্শ করে এবং তারপরে নিজের চোখ, নাক বা মুখে হাত দেয় তবে এই রোগে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বেড়ে যাবে; কোভিড -১৯ আক্রান্ত লোকের হাঁচি কাশি বা নিঃশ্বাস থেকে বের হওয়া ড্রপলেট/পানির ফোঁটা যদি অন্য কারো শরীরে ঢোকে, তাহলে কোভিড -১৯ ছড়াতে পারে। সেইজন্য অসুস্থ লোকের থেকে ৩ ফুট (১ মিটারের ) বেশি দূরে থাকা অত্যন্ত জরুরি কোভিড -১৯ এর ভাইরাসটি কি বাতাসের মাধ্যমে ছড়াতে পারে? এ পর্যন্ত হওয়া গবেষণা থেকে জানা যায় কোভিড -১৯ এর ভাইরাসটি বাতাসের মাধ্যমে ছড়ায় না। আক্রান্ত লোকের হাঁচি কাশি বা নিঃশ্বাস থেকে বের হওয়া ড্রপলেট/পানির ফোঁটা যদি নিঃশ্বাসের মাধ্যমে অন্য কারো শরীরে ঢোকে তাহলে কোভিড -১৯ ছড়াতে পারে। কোভিড -১৯ এমন কোনও ব্যক্তির থেকে ছড়াতে পারে যার কোনো লক্ষণ নেই ? কোভিড -১৯ এ আক্রান্ত অনেক লোক অসুস্থ বোধ করে না। রোগ এর প্রথম দিকে এমন হতে পারে l তাই, যার কেবল অল্প কাশি আছে এবং খুব অসুস্থ বোধ করছেন না, এমন কারোর কাছ থেকেও কোভিড -১৯ এ আক্রান্ত হওয়া সম্ভব l

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • যৌথ মূলধনী কোম্পানীর ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে,

সাধারণ অর্থে, মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে বহু সংখ্যক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় মিলিত হয়ে এবং যৌথভাবে মূলধন বিনিয়ােগ করে যে । আইনসম্মত কারবার গঠন করে তাকে যৌথ মূলধনী কোম্পানি। বলা হয়। অন্যভাবে বলা যায় যে, কতিপয় ব্যক্তি স্বেচ্ছায় মিলিত হয়ে মুনাফা অর্জনের নিমিত্তে যৌথভাবে মূলধন সরবরাহ করে। দেশের প্রচলিত আইন অনুসারে চিরন্তন অস্তিত্ব সম্পন্ন যে কারবার প্রতিষ্ঠান গড়ে তােলে তাকে যৌথ মূলধনী কোম্পানি বলা হয়।

১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইনের ২৫১) (ঘে) ধারা অনুযায়ী, “কোম্পানি বলতে এ আইনের অধীনে গঠিত ও নিবন্ধিত অথবা কোন বিদ্যমান কোম্পানিকে বুঝায়।”
অধ্যাপক ওয়াই, কে, বুশান এর মতে, “কোম্পানি বলতে আইন স্বীকৃত এমন একটি কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তাকে বুঝায় যার একটা নাম, সাধারণ সীল ও যৌথ মূলধন থাকে এবং যা সীমিত দায় বিশিষ্ট ও হস্তান্তরযােগ্য নির্দিষ্ট মূল্যের শেয়ারে বিভক্ত।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

১. জটিল গঠন প্রণালী: কোম্পানি একটি আইন সৃষ্ট ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান। এর গঠন বেশ সময় সাপেক্ষে, আনুষ্ঠানিকতাপূর্ণ ও ব্যয় বহুল। এ জন্যে অনেকেই এরূপ ব্যবসায় গঠনে নিরুৎসাহিত হয়।

২. অদক্ষ পরিচালনা: এরূপ ব্যবসায়ের ব্যবস্থাপনা তার বেতনভূক্ত তৃতীয় পক্ষের ওপর ন্যস্ত থাকায় তাদের মধ্যে ব্যক্তিগত উৎসাহে অনেক ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে অনেক সময়ই অদক্ষতা বিরাজ করে।

৩. পরিচালকের স্বার্থ সিদ্ধি ঃ পরিচালকগণ শেয়ারহোল্ডারদের পক্ষে সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী হওয়ার কারণে তারা অনেক সময় সম্মিলিতভাবে নিজেদের স্বার্থে কাজ করে। এতে ব্যবসায় ও শেয়ার মালিকগণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ৪. একচেটিয়া ব্যবসায় সৃষ্টি: বৃহদায়তন প্রকৃতিতে এ ধরনের ব্যবসায় গড়ে ওঠার কারণে অনেক সময় একচেটিয়া ব্যবসায় সৃষ্টির প্রবণতা লক্ষ্য করা যায়। এতে ব্যবসায়ের স্বাভাবিক উন্নয়নের পথ বন্ধ হয় এবং সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

৫. স্বজনপ্রীতি: কোম্পানির পরিচালকগণ কোম্পানির কর্মচারি নিয়োগ, পদোন্নতি, পদচ্যুতি ইত্যাদি ব্যাপারে অনেক সময় যোগ্যতার চেয়ে অযোগ্যতা বা স্বজনপ্রীতির উপরই বেশি গুরুত্ব দেয়।

৬. পরিচালনা ব্যয়ের আধিক্য: এ ব্যবসায়ে বিভিন্ন সভা অনুষ্ঠান, অনুষ্ঠানাদি পালন, দলিল ও খাতাপত্র সংরক্ষণ, হিসাব নিরীক্ষা, শেয়ার ও ঋণ ইস্যু ইত্যাদি। বিভিন্ন কাজে যথেষ্ট উপরি খরচ হয়। ফলে অনেক ক্ষেত্রেই মুনাফার পরিমাণ হ্রাস পায়।

৭. কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা: কোম্পানি সংগঠন গণতান্ত্রিক নীতির ভিত্তিতে পরিচালিত হলেও বাস্তবে এর মূল ক্ষমতা কয়েক ব্যক্তির হাতেই সীমাবন্ধ থাকে। ফলে পরিচালকদের স্বার্থের কাছে সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থ উপেক্ষিত হয়।

৮. সীমিত কার্যক্ষেত্র: এ কোম্পানি স্মারকলিপিতে উল্লেখ নেই এমন কোন কাজ সম্পাদন করতে পারে না। ফলে এর কর্মপরিধি নিদিষ্ট গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।

৯. সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব: এ সংগঠনে ব্যবসায় সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বহু আনুষ্ঠানিকতা পালন করতে হয় বলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে বিলম্ব ঘটে।

১০. গোপনীয়তার অভাব: আইন অনুযায়ী এ সংগঠনের হিসাব পত্র ও নিরীক্ষা রিপোর্ট, বার্ষিক প্রতিবেদনসহ বহু দলিলপত্র ও বিবরণ শেয়ার হোল্ডার, কোম্পানির নিবন্ধককে জনসমক্ষে পেশ করতে হয়। এতে ব্যবসায়ের গোপনীয়তা হ্রাস পায়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

একটি হোল্ডিং কোম্পানি অন্য কোম্পানি ‘অসামান্য স্টক মালিক একটি কোম্পানী। একটি অধিষ্ঠিত কোম্পানী সাধারণত পণ্য বা পরিষেবা নিজেই উত্পাদন করে না; বরং, এটি একটি কর্পোরেট গ্রুপ গঠনের জন্য অন্যান্য কোম্পানিগুলির শেয়ার মালিকানাধীন। হোল্ডিং কোম্পানিগুলি মালিকদের ঝুঁকির হ্রাসের অনুমতি দেয় এবং বিভিন্ন সংস্থার মালিকানা এবং নিয়ন্ত্রণের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে, 80% স্টক, ভোটদান এবং মূল্যের মধ্যে, ট্যাক্স ফিক্সড লভ্যাংশের মত কর সুসংগত সুবিধা লাভের আগে মালিকানা থাকা আবশ্যক। কোম্পানী A এর 80% বা তারও অধিক অংশীদারি কোম্পানী A- এর মালিক যদি কোম্পানীর স্টকহোল্ডারদের দ্বারা প্রদেয় লভ্যাংশের উপর কর প্রদান করে না, তবে B থেকে A পর্যন্ত লভ্যাংশ প্রদানের ফলে মূলত একটি কোম্পানীর কাছ থেকে নগদ হস্তান্তর করা হয় অন্যের কাছে. কোম্পানীর অন্য কোন শেয়ারহোল্ডারদের লভ্যাংশের উপর সাধারণ কর প্রদান করা হবে, যেহেতু তারা এই শেয়ারহোল্ডারদের জন্য বৈধ এবং সাধারণ লভ্যাংশ।


কখনও কখনও একটি কোম্পানীর একটি শুদ্ধ হোল্ডিং কোম্পানী হিসাবে অভিহিত করা হয় যেমন “হোল্ডিং” বা “হোল্ডিংস” তার নাম যোগ করে নিজেকে চিহ্নিত করে।

হোল্ডিং, কঠিন মূলধন ধন্যবাদ, কাজ করার জন্য আমন্ত্রণ করার সুযোগ আছে শ্রেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ একটি নির্দিষ্ট এলাকায়। এটি উল্লেখযোগ্যভাবে সামগ্রিকভাবে সংস্থার সূচকগুলির কার্যকারিতা বাড়ায়। উপরন্তু, কোম্পানির উত্পাদন এবং বৈজ্ঞানিক ক্রিয়াকলাপকে একত্রিত করা সম্ভব, কার্যকরভাবে বিনিয়োগ এবং ক্রেডিট তহবিল বিতরণ করা সম্ভব।

হোল্ডিংয়ের সুস্পষ্ট সুবিধার সত্ত্বেও, এন্টারপ্রাইজের এই ফর্মটি কিছু মাইনাস রয়েছে। এই অন্তর্ভুক্ত:

  • নথি ব্যবস্থাপনা পরিচালনার মধ্যে অসুবিধা;
  • সহায়ক অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতার অভাব;
  • সংস্থার বড় সংখ্যক নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ।

এই ধরনের সংস্থাগুলি নিয়ন্ত্রণ ইউনিটে একটি মোটামুটি উচ্চতর ডিগ্রী আছে, যা ব্যবসা করার জন্য নির্দিষ্ট সমস্যাগুলির দিকে পরিচালিত করে। এছাড়াও আজ কোন নিয়ন্ত্রক প্রক্রিয়া নেই যা আপনাকে হোল্ডিংয়ের কাজটি নিয়ন্ত্রণ করার অনুমতি দেয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ভোকেশনাল ও দাখিল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

1 thought on “বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের পরিস্থিতিতে যৌথ মূলধনী কোম্পানী এবং হোল্ডিং কোম্পানীর অসুবিধাসমূহ নিরূপন কর, করোনা ভাইরাসের ধারণা শিখতে পারবে, যৌথ মূলধনী কোম্পানীর ধারণা শিখতে পারবে”

Leave a Comment