Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
প্রবাসী নারীর কর্মজীবন ও ভূমিকা, প্রবাসী আয়ে নারীর অবদান বাড়ছে
একাডেমিক শিক্ষা বিষয়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান পেতে ক্লিক করুন।
বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বৃদ্ধিতে প্রবাসী নারী শ্রমিকদের ভূমিকা প্রশংসনীয়। বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর বিপুলসংখ্যক বাংলাদেশি নারী ভাগ্যের উন্নয়নে আকাশ ছোঁয়া স্বপ্ন পূরণের উদ্দেশ্যে দূর প্রবাসে পাড়ি জমান মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে। গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে গেল অর্থবছরে প্রবাসী আয় পাঠানোর শীর্ষে থাকা ১০ দেশের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শ্রমবাজার সৌদি আরব, কুয়েত, আরব আমিরাত, কাতার, মালেশিয়া, লিবিয়া, ওমান, ইটালি ও বাহরাইন। প্রবাসী নারীর কর্মজীবন ও ভূমিকা
প্রবাসে নারীশ্রমিক নিরাপত্তা ও সম্ভাবনা
এই ১০টি দেশের মধ্যে ৬টি মধ্যপ্রাচ্যের। সেখানে নারী কর্মীরা শারীরিক, মানসিক নির্যাতন তথা দাসত্বের শৃঙ্খলে আবদ্ধ থেকে অমানবিক জুলুম-নির্যাতনের শিকার হন। প্রতিনিয়ত মোকাবিলা করতে হয় অনাকাক্সিক্ষত প্রতিবন্ধতা। তাতে জীবন হয়ে উঠে বিপদসংকুল। কণ্টকাকীর্ণ প্রবাসজীবনে আশা ভঙের হতাশা প্রতিনিয়ত তাকে কুরে কুরে খায়। জীবন-জীবিকার তাগিদে অভাব নামক দানব প্রবাসে নিয়ে যায় বটে, তাতে লাভের অঙ্কের ফলাফল দাঁড়ায় শূন্য। দুঃখগাথা প্রবাসী নারীর সীমাহীন নিদারুণ কষ্টের বর্ণনা জানা যায় নানা মাধ্যমে। মানবতা পদদলিত হয়। একটু সুখ-সমৃদ্ধিতে থাকার অভিপ্রায় নিয়ে সহায়-সম্বল বিক্রি করে।
পাশবিকতার চরম পর্যায়ে আমরা দেখতে পাই, মানসিক নির্যাতনে ভার মানসিক ভারসাম্য হারানো, পঙ্গু হওয়া, এমনকি মৃত্যুকে আলিঙ্গন করে বেঁচে থাকা। প্রবাসে নারীদের বর্তমান পরিস্থিতি
ব্র্যাকের তথ্যানুসারে, ১৯৯১ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত প্রায় ২০ লাখ নারী পাড়ি জমিয়েছেন বিদেশে। তাতে মানসিক ভারসাম্য হারানো, পঙ্গুত্ববরণকারীর সংখ্যা হাজারের বেশি। বিদেশ থেকে মরদেহ ফিরে আসার অপ্রত্যাশিত ঘটনাগুলো ঘটছে হরহামেশায়।
- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজ (বিলস) ও ব্র্যাকের তথ্যমতে, গত বছরে পাঁচ শতাধিক নারী শ্রমিকের মরদেহ দেশে এসেছে।
প্রবাসী নারীর কর্মজীবন ও নিরাপত্তা
- বিশেষজ্ঞরা বিবৃতি দিচ্ছেন, গৃহকর্মী নিয়োগের কথা বলে তাদের জোর করে বাধ্য করছে যৌনকর্মী হিসেবে।
- ২০২০ সালে করোনাকালে বিদেশ থেকে ফিরে এসেছেন ৪ লাখ ২৫ হাজার ৬৯৭ জন কর্মী। এর মধ্যে ৫০ হাজার ৬১৯ জন প্রবাসী নারীর ওপর নানা ধরনের যৌন নিপীড়ন চালানো হয়।
ধর্ষণসহ শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। আবার এসব খবর বাইরে জানানোর চেষ্টা উৎপীড়ন- নিপীড়নের শিকার হওয়া নারীর সন্তানসম্ভবা হলে তাকে গর্ভপাতের জন্য বাধ্য করা হয়।
উন্নত জীবনমানের প্রত্যাশায় প্রবাসে পাড়ি জমানো নারী জীবনের স্বর্ণালি দিন তথা জীবন-যৌবন সর্বস্ব বিলিয়ে দিয়েও জীবন নিয়ে আপনজনের কাছে অক্ষত অবস্থায় ফিরে আসতে পারে না।
প্রবাসী নারী কর্মীদের ওপর মধ্যপাচ্যে যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া অনেকে নিজের প্রতি ঘৃণার উদ্রেক থেকে পরিবারে ফিরে আসতে চান না আবার অনেক ক্ষেত্রে পরিবার তাদের প্রতি নেতিবাচক
দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী নারী শ্রমিকদের অবদান
চিন্তার জায়গা থেকে অপারগতা জানায়। তাতে প্রবাসী নারী কর্মীর সামাজিক, অর্থনৈতিক, পারিবারিক ও মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা এতটাই নাজুক থাকে যে, সে বেঁচে থেকে মৃত্যুর প্রহর গুনতে থাকে।
বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব রিক্রুট এজেন্সির (বায়রা) তথ্যমতে, বর্তমানে ৫ লাখেরও বেশি নারী শ্রমিক বিভিন্ন দেশে কাজ করছেন।
গত পাঁচ বছরে এ দেশ থেকে সৌদি আরব গেছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৫৭৪ জন শ্রমিক। প্রবাসী নারীর কর্মজীবন ও ভূমিকা
নারীদের প্রবাসে নিরাপত্তা সৌদি আরবে যেসব নারী শ্রমিক যাচ্ছেন তাদের প্রায় বেশিরভাগই আরবি ভাষায় ন্যূনতম জ্ঞান না থাকার দরুন অপ্রত্যাশিকভাবে গৃহকর্তার সঙ্গে কথাবার্তা ক্ষেত্রে মারাত্মক সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকে হরহামেশা। ইশারা-ইঙ্গিতের মাধ্যমে তাদের ভাব প্রকাশ করতে গিয়ে হিতে বিপরীত হচ্ছে প্রবাসী নারী শ্রমিকদের। মাসের পর মাস বেতন-ভাতা না দিয়ে উল্টো তাদের ওপর চড়াও হয়। এমনও শোনা যায়, তাদের শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার ঘটনা।
কারও হাত-পা ভেঙেছে, কারও কারও গায়ে গরম পানি ঢেলে দেওয়া, চুল কেটে দেওয়া, নির্জন প্রকোষ্ঠে বন্দি করে রাখা, খেতে না দেওয়া এবং পরনের কাপড় পর্যন্ত দেয় না। নিয়োগদাতার ছেলে, মেয়ে, স্ত্রী, স্বয়ং নিয়োগদাতাও নানাভাবে, নানা ফন্দি- ফিকির করে নির্যাতন করে থাকে নারী গৃহকর্মী ওপর। নিয়োগদাতা বাংলাদেশে যাতে গৃহকর্মী পালিয়ে না যেতে পারে সেজন্য বকেয়া বেতন পরিশোধ তো করেই না বরং নারী শ্রমিকদের নামে মামলা সাজায় এভাবে যে নারী শ্রমিককে আনতে নিয়োগকর্তার চার পাঁচ লাখ টাকা খরচ হয়েছে, সেই টাকা তাকে ফেরত দিতে হবে।
আরি পড়ুন ›নারী নেতৃত্ব হিসেবে শেখ হাসিনার উল্লেখযোগ্য কর্মকাণ্ড আলোচনা কর , বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নারী নেতৃত্ব হিসেবে শেখ হাসিনা রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক উন্নয়নে কী কী অবদান রেখেছেন আলোচনা করনারী নেতৃত্ব হিসেবে শেখ হাসিনার উল্লেখযোগ্য কর্মকাণ্ড আলোচনা কর , বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নারী নেতৃত্ব…
আরি পড়ুন ›এলসি কি, এলসি কয় প্রকার,এলসি বিস্তারিত আলোচনা করআন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে রপ্তানিকারক কর্তৃক রপ্তানিকৃত পণ্যের মূল্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে আমদানিকারকের পক্ষে ব্যাংকের…
আরি পড়ুন ›হাইব্রিড কম্পিউটারের উদাহরণ, হাইব্রিড কম্পিউটার কত প্রকার, হাইব্রিড কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যহাইব্রিড কম্পিউটারের উদাহরণ, হাইব্রিড কম্পিউটার কত প্রকার, হাইব্রিড কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য, হাইব্রিড কম্পিউটার এর ব্যবহার…
দেশে ফেরত আসা নারী শ্রমিকদের একটি বড় অংশের অভিযোগ যেসব বাড়িতে গৃহকর্মী পদে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যৌথ পরিবারে। ফলে সেখানে কাজের চাপ থাকে মাত্রাতিরিক্ত। অনেক আশা নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমান, দালালরা লোভনীয় নানা প্রতিশ্রুতি বলে, কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, তার সত্যতার লেশমাত্র নেই। মোবাইল দেবে, কথা বলতে দেবে, কাপড়-চোপড়-তেল, সাবান, খাবার, সন্তোষজনক বেতন-ভাতা ইত্যাদি। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন। বেতন চাইলে বলে তোর আকামা হয়নি, আকামা করাতে লাখেরও বেশি টাকা লাগবে এভাবে বুঝিয়ে থাকে সহজ-সরল নারী প্রবাসী কর্মীদের। বাংলাদেশে আত্মীয়স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণ চাওয়া হয়। সেটি দিতে না পারলে তাদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা বেড়ে যায়।
গত বছর প্রকাশিত রিফিউজি অ্যান্ড মাইগ্রেটরি মুভমেন্ট রিসার্চ ইউনিটের (রামরু) সমীক্ষা মতে পরিবারের ভাগ্য বদলাতে বিদেশে কাজ করতে গিয়ে কর্মস্থলে প্রায় ৩৫ শতাংশ নারী কর্মী শারীরিকভাবে, ৫২ শতাংশ মানসিকভাবে এবং ১১ শতাংশ যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ভুক্তভোগী নারী কর্মীরা প্রকাশ করতে চায় না লোকলজ্জার ভয়ে তথা, সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হওয়ার ভয়ে।
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব লেবার স্টাডিজের গবেষণা তথ্যানুযায়ী বিদেশে পাড়ি জমানোর আগে এসব নারী শ্রমিককে সামাজিক, অর্থনৈতিক, পারিবারিক, ব্যক্তিগতভাবে তাদের মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা যা ছিল, বিদেশে থেকে ফেরত আসার পর প্রায় সব ক্ষেত্রেই অবস্থা নিম্নগামিতার দিকে ধাবিত হয়ে থাকে। ধারদেনা, ঋণ, বন্ধক, চড়া সুদে নেওয়া টাকা দিয়ে বিদেশে গেছেন বাড়তি আয়-রোজগারের প্রত্যাশা নিয়ে।
বিদেশে নারী শ্রমিকের মর্যাদা ও নিরাপত্তা প্রসঙ্গে
বাড়তি-আয়-রোজগার তো দূরের ব্যাপার ধারদেনা, বিভিন্ন মানুষের কাছ থেকে শর্তসাপেক্ষে নেওয়া টাকাও পরিশোধ করতে পারেন না।
প্রবাসে কর্মজীবী নারীদের স্বার্থরক্ষায় করণীয় ২০২১ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর ডয়েচে ভেলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে বলা হয়েছে, বিদেশফেরত নারী শ্রমিকের প্রায় ৮৫ শতাংশ হতাশায় ভুগছে।
My Ads
ব্র্যাকের প্রকাশিত তথ্য থেকে জানা যায়, গত পাঁচ বছরের বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ৪৮৭ নারী কর্মীর মরদেহ বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আত্মহত্যায় মৃত্যু হয়েছে ৮৬ জনের, স্ট্রোকে মারা গেছে ২৬৭ জন, দুর্ঘটনা নিহত হয়েছে ৭১ জন, খুন হয়েছে ২ জন এবং স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে ১১৫ জনের। প্রবাসে মৃত্যুবরণকারী নারীদের মধ্যে বেশিরভাগই সৌদি আরবের এরপর রয়েছে জর্ডান, লেবানন, ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।
বাংলাদেশ আজ প্রায় ৫০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রা রিজার্ভের দেশে পরিণত হতে যাচ্ছে তাতে এটা বড় অবদান হচ্ছে রেমিট্যান্স ভুলে গেলে চলবে না, এরা আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধা। নিজের জীবন বাজি রেখে অকাতরে বিলিয়ে দিচ্ছে এসব স্বীকৃতিহীন, অবহেলিত নারী শ্রমিক।
যেসব শর্তে নারীদের বিদেশে পাঠানো হচ্ছে তাদের সেসব শর্ত সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে দায়ীদের আইনের আওতায় আনা হচ্ছে না। এমনকি যারা নির্যাতিত হয়ে দেশে ফিরছেন তাদের পুনর্বাসনে কার্যকরী ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের তথ্য থেকে জানা যায়। যেসব রিক্রুটিং এজেন্সি নারী কর্মীদের সঙ্গে এ ধরনের প্রতারণা করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। এসব দায়িত্ব বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের।
বিদেশে বাংলাদেশের দূতাবাস বা কন্স্যুলার অফিসেরও দায়িত্ব রয়েছে। যেখানে কর্মরত বাংলাদেশিদের নিরাপত্তা দেখভালের। মৃত শ্রমিকের মৃত্যুর সঠিক কারণ উদ্ঘাটন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসক ও জনবলসমৃদ্ধ একটি আধুনিক স্থায়ী সেল গঠন জরুরি।
দেশের জন্য সোনালি অধ্যায় রচনায় প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে সমন্বয়ের ভিত্তিতে কাজ চালিয়ে যেতে হবে যথাযথ প্রক্রিয়ায়। তবেই বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে উন্নতির চরম শিখরে আরোহণ করতে প্রয়াস পাবে এটাই প্রত্যাশা।
My Ads
একাডেমিক শিক্ষা বিষয়ক লিখিত প্রশ্ন সমাধান পেতে ক্লিক করুন।
আরি পড়ুন ›Mr. Faruk is planning to accumulate Tk. 30,00,000 ten years from now to buy a branded car. He is deciding to deposit in an account that will provide him 12.5% interest per annumMr. Faruk is planning to accumulate Tk. 30,00,000 ten years from now to buy…
আরি পড়ুন ›লীগ অব নেশনস কত সালে গঠিত হয়,লীগ অব নেশনস কোন সালে বিলুপ্ত হয়,লীগ অব নেশনস প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্যোক্তা কেলীগ অব নেশনস কত সালে গঠিত হয়,লীগ অব নেশনস কোন সালে বিলুপ্ত হয়,লীগ অব…
আরি পড়ুন ›ব্যাংক প্রদত্ত ঋণের প্রকারভেদ আলোচনা কর, ব্যাংক প্রদত্ত ঋণের শ্রেণিবিভাগ করব্যাংক প্রদত্ত ঋণের প্রকারভেদ আলোচনা কর, ব্যাংক প্রদত্ত ঋণের শ্রেণিবিভাগ কর।