Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
ধর্ষণকারী আমাদের কেউ হতে পারেনা!!!
একটি দেওয়াল দিকে দৃষ্টি দিয়ে দেখলাম লেখা আছে: ‘সময়টা এখন আমাদের’।একটু চিন্তা করলাম! সুন্দর শ্লোগান। কিন্তু কেন যেন আমার মনে হল, ‘সময়টা এখন আমাদের’ লেখা ঠিক নয়!লেখাটি হওয়া উচিৎ ছিল ‘সময়টা এখন ধর্ষকদের’”এই লেখাটি থাকলেই যথোপযুক্ত হত।
সময়টা এখন ধর্ষকদের, বাংলাদেশ এখন ধর্ষকদের অভায়ারণ্য। এ দেশে ধর্ষণের মহাৎসব চলছে। তিন বছরের বাচ্চা থেকে শুরু করে কিশোরী, যুবতী, মধ্যবয়সী,সবাই শিকার হচ্ছেন ধর্ষণের।
অভিজাত হোটল থেকে থেকে বস্তি এলাকা-ধর্ষকদের অভযারণ্য যেন সবই। পশ্চিমা পোশাকের নারী যেমন টার্গেট হচ্ছেন তেমনি হচ্ছেন হিজাব-পরিহিতারা। নিম্নবিত্ত বা বিত্তহীন নারী কেবল নন,শিক্ষিত মধ্যবিত্ত থেকে ধনীর দুলালিকে ও পোহাতে হচ্ছে ধর্ষণের নরকযন্ত্রণা।
ধর্ষণ করছে কারা? নন্দকিশোর থেকে শুরু করে যুবক ও মধ্যবয়সীরা–দিনমজুর থেকে দিনে কয়েক লাখ টাকা হাতখরচ পাওয়া ধনীর দুলাল। মনে হচ্ছে যেন ধর্ষণ একটা স্বাধীন সার্বভৌম ক্রীড়া,যা শুধু পুরুষরাই খেলতে পারে। নারীর মতের তোয়াক্কা না করেই!
ধর্ষণ হচ্ছে কোনো কোনো পুরুষের পৌরুষ প্রকাশের এক মহাস্ত্র।পুরুষদের শারীরিক গঠনে জৈবিক ইচ্ছার যে তীব্রতা সেটি কি তাদের ধর্ষণেচ্ছুক হয়ে ওঠার কারণ? বিষয়টি তা নয়। সমাজ আর সংসারে নারী বিষয়ে নিজের যাবতীয় সৎ-অসৎ ইচ্ছাপূরণে যাবতীয় প্রশ্রয় পেলেই পুরুষ ধর্ষক হয়ে উঠতে সাহস পায়। উন্নত বিশ্বে ধর্ষক ধরা পড়লে ‘পার’ পেয়ে যায় না সহজে–সমাজে বা রাষ্ট্রে ধর্ষকের অবস্থান যা-ই হোক না কেন। কিন্তু আমাদের সমাজের ‘ছাড় দেওয়ার’ সংস্কৃতি ধর্ষণ উৎসাহিত করে।
আরি পড়ুন ›চাহিদা ধারণাটি ব্যাখ্যা কর। নারীদের অনুভূত চাহিদাগুলো উল্লেখ কর,চাহিদা প্রত্যয়টি ব্যাখ্যা কর। বাংলাদেশে নারীদের চাহিদাসমূহ বর্ণনা কর।,নারীদের চাহিদা উল্লেক পূর্বক চাহিদা ধারণাটি ব্যাখ্যা করচাহিদা ধারণাটি ব্যাখ্যা কর। নারীদের অনুভূত চাহিদাগুলো উল্লেখ কর,চাহিদা প্রত্যয়টি ব্যাখ্যা কর। বাংলাদেশে নারীদের…
আরি পড়ুন ›তুমি আজকে যেসব খাবার খেয়েছ, নিচের ছক অনুযায়ী তার একটি তালিকা তৈরি কর, তােমার বাসায় খাদ্য তৈরি এবং পরিবেশন স্থানের পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কেমন হওয়া উচিত বলে তুমি মনে করশ্রেণি: ৬ষ্ঠ -2021 বিষয়: গার্হস্থ্য বিজ্ঞান এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 03বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস…
আরি পড়ুন ›নগদে প্রাথমিকের উপবৃত্তি পেতে যা যা কবেনআজ আমরা নগদে প্রাথমিকের উপবৃত্তি পেতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো;…
এই সমাজে যে ছাড়ের কথা বলছি তা আইন ও রাষ্ট্রও দেয় ধর্ষককে।মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘায়ের মতো এখন আবার ধর্ষকের সঙ্গে বিয়ে দিয়ে ধর্ষণের মতো অপরাধটির উচ্চ মাত্রা দেওয়ার বন্দোবস্ত হল। বিয়ে নামের তুলসি পাতা দিয়ে ধর্ষণকাজ ধুয়ে নেওয়ার এই উদ্ভট ‘আইডিয়া’ যে নীতিনির্ধারকদের মস্তিস্কে খেলা করেছে, তাদের সুপ্ত মনে ধর্ষকদের প্রতি যে খানিকটা সহানুভূতি বা সমর্থন কাজ করে তা বলা বাহুল্য। না হলে ধর্ষকদের জন্য আরও কঠিন আইন এবং ধর্ষিতার পুনর্বাসনের জন্য রাষ্ট্রীয়ভাবে পরিকল্পনা না নিয়ে,ধর্ষণের দোহাই দিয়ে নারীর বিয়ের বয়স কমিয়ে দেওয়ার আইনটি হত না। তাতে প্রমাণ হল, রাষ্ট্রযন্ত্র এখনও পুরোপুরি পুরুষতান্ত্রিকতার বলয়ে আবদ্ধ।
আমাদের দেশের মধ্যে ধর্ষণের মামলা থানাগুলো নিতে চায় না। প্রায় সকল ধর্ষণের ঘটনায় থানার এ অনীহার অভিযোগ রয়েছে। কারণটা কী? শুধু থানার কর্তৃপক্ষকে বা প্রশাসনকে দায়ী করে লাভ নেই, বনানীর ছাত্রীধর্ষণের ঘটনায় ‘মেয়েগুলো গেল কেন’ এ ধরনের প্রশ্ন করে অনেক প্রগতিশীলও পরোক্ষভাবে ধর্ষকদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।
যখন প্রগতিশীলদের মুখ থেকে এ প্রশ্ন উচ্চারিত হয় তখন মনে হয়েছে, আমাদের সমানাধিকারের লড়াইটা আসলে অরণ্যে রোদন। একেকটা ঘটনা অনেকের মুখোশ উন্মোচন করে দেয়। যারা মুখোশ পরে অকাতরে নারী-পুরুষের সমানাধিকারের বয়ান করে যান। এরা কর্মস্থলে নারী সহকর্মীকে হেনস্থা করেন– ঘরে স্ত্রীর প্রতি অবিশ্বস্ত হন। এরাও মনে মনে এ মানসিকতা পোষণ করেন যে, নারী মানেই ভোগ্যবস্তু। এই প্রগতিবাদীরাও ধর্ষণ করেন। তবে তাদের ধর্ষণ অন্যরকম। একটা মেয়ের জীবনের স্বাভাবিকতা নষ্ট করে দিয়ে তারাই সমানাধিকারে সোচ্চার সংগঠনের অনুষ্ঠানে প্রধান বা বিশেষ অতিথি হয়ে বসেন, বক্তৃতা দেন।
সমাজের ক্ষমতাধর যারা তারা আইনের উর্ধ্বে থাকেন। অর্থ, প্রতিপত্তির কারণে শুধু ধর্ষণের মতো অপরাধ নয়, যে কোনো অপরাধ থেকে তারা মুক্ত হয়ে সুখে শান্তিতে ঘুরে বেড়ায় আমাদের চোখের সামনে। তবে ইদানিং বনানী,ময়মনসিংহ আর বগুড়ার ঘটনা মিডিয়ায় আলোড়িত হওয়ার কারণে হয়তো প্রভাবশালী হয়েও ধর্ষক ও তাদের সহযোগীরা বিচারের আওতায় এসেছে। তবে তাতে উল্লসিত হওয়ার কিছু নেই কিন্তু মিডিয়ার অগোচরে আরও কত ঘটনা ঘটে যাচ্ছে তার হিসাব করতে গেলে একটা পচা গলিত সমাজের ছবি উঠে আসবে আমাদের সম্মুখে।একজন মানুষের পরিচয় কি একজন ধর্ষণকারী?নাকি একজন মানুষ হিসেবে?তাদের পরিচয় পাওয়া যাবে আমাদের দেশে কিংবা সমাজে?
এই প্রশ্ন রেখে গেলাম সকল পাঠকের কাছে।প্রিয় পাঠক আপনাদের মন্তব্য আপনারা লিখবেন এই আশা করছি।একজন ক্ষুদে লেখক হিসেবে।
লেখক সাংবাদিক
মোঃ ফিরোজ খান
আরি পড়ুন ›SSC : বিজ্ঞান ১২শ অধ্যায় প্রাত্যহিক জীবনে তড়িৎ বহু নির্বাচনী প্রশ্ন ও উত্তরSSC : বিজ্ঞান ১২শ অধ্যায় প্রাত্যহিক জীবনে তড়িৎ বহু নির্বাচনী প্রশ্ন ও উত্তর বহু…
আরি পড়ুন ›বীজগাণিতিক রাশি, বীজগাণিতিক সূত্রাবলি, 2a + 3b সূত্রের সাহায্যে বর্গ নির্ণয় কর, 2ab + 3bc সূত্রের সাহায্যে বর্গ নির্ণয় করবীজগাণিতিক রাশি, বীজগাণিতিক সূত্রাবলি, 2a + 3b সূত্রের সাহায্যে বর্গ নির্ণয় কর, 2ab +…
আরি পড়ুন ›ঊনবিংশ শতকে ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর উৎপত্তি বিকাশ আলোচনা করঊনবিংশ শতকে ভারতীয় উপমহাদেশে রাজনৈতিক দলগুলোর উৎপত্তি বিকাশ আলোচনা কর
- পণ্যের জীবনচক্রের বিভিন্ন স্তরে গৃহীত বাজারজাতকরণের কৌশলসমূহ বর্ণনা করা
- নতুন পণ্যের ক্ষেত্রে ক্রেতা বা ভোক্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া বা গ্রহণ প্রক্রিয়া (Adoption Process) বিস্তারিত আলোচনা করো।
- ‘বিয়ের প্রলোভনে’ যৌন সম্পর্ক কি ধর্ষণ, নাকি প্রতারণা?
- কন্টেন্ট মার্কেটিং করে ইনকাম করুন,কন্টেন্ট রাইটিং করে কিভাবে আয় করা যায়?
- মোড়কীকরণের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর, মোড়কীকরণ কী? পণ্য বিপণনে মোড়কীকরণের গুরুত্ব বা তাৎপর্য আলোচনা করো।