ডাটা কমিউনিকেশ ও ট্রান্সমিশন মিডিয়া ব্যাখ্যাকরণ, ডাটা কমিউনিকেশন এবং ডাটা ট্রান্সমিশন ন্যারো ব্যান্ড, ভয়েজ ব্যান্ড, ব্রড ব্যান্ড ,নেটওয়ার্ক সুইচ, রিপিটার,ব্রিজ, রাউটার এবং গেটওয়ে , ট্রান্সমিশন মিডিয়ার প্রয়োজনীয়তা এবং সুবিধা ও অসুবিধ

ডাটা কমিউনিকেশ ও ট্রান্সমিশন মিডিয়া ব্যাখ্যাকরণ, ডাটা কমিউনিকেশন এবং ডাটা ট্রান্সমিশন ন্যারো ব্যান্ড, ভয়েজ ব্যান্ড, ব্রড ব্যান্ড ,নেটওয়ার্ক সুইচ, রিপিটার,ব্রিজ, রাউটার এবং গেটওয়ে , ট্রান্সমিশন মিডিয়ার প্রয়োজনীয়তা এবং সুবিধা ও অসুবিধ

এইচ এস সি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:

অ্যাসাইনমেন্ট : ডাটা কমিউনিকেশ ও ট্রান্সমিশন মিডিয়া ব্যাখ্যাকরণ।

 শিখনফল/বিষয়বস্তু :  

  • ডাটা কমিউনিকেশন এবং ডাটা ট্রান্সমিশন 
  • ন্যারো ব্যান্ড, ভয়েজ ব্যান্ড, ব্রড ব্যান্ড 
  • নেটওয়ার্ক সুইচ, রিপিটার, ব্রিজ, রাউটার এবং গেটওয়ে 
  • ট্রান্সমিশন মিডিয়ার প্রয়োজনীয়তা এবং সুবিধা ও অসুবিধ

নির্দেশনা (সংকেত/ ধাপ/ পরিধি): 

  • ডাটা কমিউনিকেশন এবং ডাটা ট্রান্সমিশনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে
  • ন্যারো ব্যান্ড, ভয়েজ ব্যান্ড, ব্রড ব্যান্ড বর্ণনা করতে হবে
  • নেটওয়ার্ক সুইচ, রিপিটার, ব্রিজ, রাউটার এবং গেটওয়ে বর্ণনা করতে হবে
  • ট্রান্সমিশন মিডিয়ার সুবিধা ও অসুবিধা বর্ণনা করতে হবে

উত্তর সমূহ:

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • ডাটা কমিউনিকেশন এবং ডাটা ট্রান্সমিশনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে

এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে কিংবা এক ডিভাইস থেকে অন্য কোনো ডিভাইসে (যেমন- মোবাইল, স্মার্টফোন, পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট, জিপিএস নেভিগেটর ইত্যাদি) তথ্য আদান-প্রদান তথা তথ্য বিনিময়কে ডেটা কমিউনিকেশন (Data Communication) বলে। ডেটা কমিউনিকেশনের কোনো না কোনো পর্যায়ে সরাসরি কম্পিউটার জড়িত থাকে। আধুনিক ডেটা কমিউনিকেশনের প্রধান উপাদান বা কম্পোনেন্ট দু’টো।

এগুলো হচ্ছে– কম্পিউটার এবং ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেম। কম্পিউটারকে বলা হয় ডেটা প্রসেসিং (Data Processing) ডিভাইস। কম্পিউটার দ্বারা প্রসেস করা ডেটা এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে পৌঁছে যাওয়ার প্রক্রিয়াই হলো ট্রান্সমিশন সিস্টেম। ট্রান্সমিশন সিস্টেমের উপাদানগুলো হচ্ছে– মডেম, ট্রান্সমিটার, সুইচ, রিসিভার ইত্যাদি।

ডাটা ট্রান্সমিশনের

অন্যভাবে বলা যায়, প্রতি সেকেন্ডে যে পরিমাণ ডাটা এক কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে স্থানান্তর করা হয়, তাকে ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিড বলা হয়। এই ডাটা ট্রান্সমিশন স্পিডকে ব্যান্ডউইডথ বা ব্যান্ড স্পিডও বলা যেতে পারে।

প্রকারভেদ: ডাটা ট্রন্সফার স্পিডের (গতি) ওপর ভিত্তি করে কমিউনিকেশন গতিকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়:

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • ন্যারো ব্যান্ড, ভয়েজ ব্যান্ড, ব্রড ব্যান্ড বর্ণনা করতে হবে
  • ১। ন্যারো ব্যান্ড
  • ২। ভয়েস ব্যান্ড
  • ৩। ব্রডব্যান্ড

এগুলো সম্পর্কে নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১। ন্যারো ব্যান্ড: এ ব্যান্ডে ডাটা চলাচলের গতি সাধারণত ৪৫ থেকে ৩০০ বিপিএস হয়ে থাকে। ধীরগতি ডাটা স্থানান্তরে ন্যারো ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। সাধারণত টেলিগ্রাফির ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডটির ব্যবহার বেশি লক্ষ করা যায়। টেলিগ্রাফির ক্ষেত্রে ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত ৩০০ থেকে ৩৪০০ হার্টজ ফ্রিকুয়েন্সি প্রদান করে থাকে। টেলিগ্রাফিতে তারের ব্যবহার বেশি হওয়ায় ডাটা স্থানান্তর গতি কম, তাই এ ক্ষেত্রে ন্যারো ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

২। ভয়েস ব্যান্ড: এ ব্যান্ডে ডাটা চলাচল গতি ৯৬০০ বিপিএস পর্যন্ত হয়ে থাকে। ভয়েস ব্যান্ড সাধারণত টেলিফোন লাইনে বেশি ব্যবহূত হয় টেলিফোন লাইনে এই ব্যান্ডে সাধারণত ২০০ থেকে ৩৬০০ হার্টজ ফ্রিকুয়েন্সিতে তথ্য স্থানান্তর করা যায়। তবে কম্পিউটার কমিউনিকেশন কিংবা কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ডরিডার থেকে কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রেও ভয়েস ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।
৩। ব্রডব্যান্ড: ব্রডব্যান্ড উচ্চ গতিসম্পন্ন স্থানান্তর ব্যান্ডউইডথ, যার গতি কমপক্ষে ১ মেগাবিট প্রতি সেকেন্ড হতে অত্যন্ত উচ্চগতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। কো-এক্সিয়াল কেব্ল, অপটিক্যাল ফাইবার কেব্ল, স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন, মাইক্রো -ওয়েভ কমিউনিকেশন কিংবা নেটওয়ার্কিং প্রক্রিয়ায় ডাটা স্থানান্তরে সাধারণত ব্রডব্যান্ড ব্যবহূত হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • নেটওয়ার্ক সুইচ, রিপিটার, ব্রিজ, রাউটার এবং গেটওয়ে বর্ণনা করতে হবে

নেটওয়ার্ক সুইচ

একটি সুইচ একটি নেটওয়ার্ক হার্ডওয়্যার ডিভাইস যা একটি নেটওয়ার্কের মধ্যে ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগের অনুমতি দেয়, যেমন আপনার স্থানীয় হোম নেটওয়ার্ক

সুইচগুলি একসঙ্গে বিভিন্ন নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলি সংযোগ করে, কম্পিউটারগুলির মতো, সেই ডিভাইসগুলিতে যোগাযোগের অনুমতি দেয়। একাধিক ডিভাইস একসঙ্গে সংযুক্ত করতে সুইচ বিভিন্ন নেটওয়ার্কের পোর্ট, কখনও কখনও ডজন বৈশিষ্ট্য।

সাধারণত, একটি সুইচ শারীরিকভাবে সংযোগ করে, একটি নেটওয়ার্ক ক্যাবলের মাধ্যমে, একটি রাউটার এবং তারপর শারীরিকভাবে, আবার একটি নেটওয়ার্ক তারের মাধ্যমে, নেটওয়ার্কের ইন্টারফেস কার্ডগুলিতে যে কোনও নেটওয়ার্ক ডিভাইসগুলিতে আপনার থাকতে পারে।

সাধারণ সুইচ কাজগুলি

এখানে কিছু সাধারণ জিনিস যা আপনি একটি পরিচালিত নেটওয়ার্ক সুইচ জড়িত হতে পারে:

  • একটি সুইচ এর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করুন
  • একটি সুইচ এর ফার্মওয়্যার আপডেট করুন

রিপিটার

রিপিটার হলো এমন একটি ডিভাইস যা সিগন্যালকে এমপ্লিফাই করার জন্য ব্যবহার করা হয়। ১৮৫ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করার আগেই আপনি একটি রিপিটার ব্যবহার করে সেই সিগন্যালকে এমপ্লিফাই করে দিলে সেটি আরো ১৮৫ মিটার অতিক্রম করতে পারে। এটি কাজ করে ওএসআই মডেল এর ফিজিক্যাল লেয়ারে।

কাজ: রিপিটার এক ধরনের কানেকটিভিটি ডিভাইস, যা দুর্বল সিগনালকে এমপ্লিফাই বা শক্তিশালী করে অথবা, সিগনাল Regenerate করে।

ব্রিজ

ব্রিজ একাধিক ল্যানের ভেতর সংযােগ স্থাপনের জন্য ব্যবহৃত নেটওয়ার্ক ডিভাইসকে ব্রিজ বলে। 

রাউটার 

রাউটার মূলত নেটওয়ার্কিং ডিভাইস । যার মধ্যে দিয়ে ডাটা টান্সফার করার মাধ্যেম । Router ইন্টারনেট এর ট্রাফিক এর কাজ করে থাকে । একাধিক নেটওয়ার্কের সমন্বয় মধ্যে দিতে একটি ডাটা থেকে অন্য একটি রাউটিং পাঠানোর হয় যতক্ষন না পর্যন্ত তা একটি গন্তব স্থলে যাবে । একটি রাউটার বিভিন্ন নেটওয়ার্কের দুই বা তার অধিক ডাটা লাইনের সাথে যুক্ত থাকে ।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

 রাউটারের কাজ নেটওয়ার্ক সুইচের বিপরীত, সুইচ বিভিন্ন ডাটা লাইনকে একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত করে)। যখন একটি ডাটা প্যাকেট এই লাইনগুলোর একটিতে পৌঁছে, তখন রাউটার এর চূড়ান্ত গন্তব্য জানার জন্য প্যাকেটের তথ্য পড়ে।

গেটওয়ে

গেটওয়ে ভিন্ন ধরনের নেটওয়ার্কসমূহকে যুক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। হাব, সুইচ, রাউটার ইত্যাদি ডিভাইস প্রটোকল ট্রান্সলেশনের সুবিধা দেয় না, কিন্তু গেটওয়ে এ সুবিধা দেয়। 

ভিন্ন নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হওয়ার সময় এটি প্রটোকল ট্রান্সলেশনের কাজ করে থাকে। কাজের ধরন অনুযায়ী গেটওয়েকে কয়েকভাগে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে অন্যতম হলাে অ্যাড্রেস গেটওয়ে, প্রটোকল গেটওয়ে, অ্যাপ্লিকেশন গেটওয়ে ইত্যাদি।

গেটওয়েগুলি প্রোটোকল কনভার্টারগুলি। প্রায়ই দুটি নেটওয়ার্কে একটি গেটওয়ে যোগ করে বিভিন্ন বেস প্রোটোকল ব্যবহার করে। গেটওয়ে দুটি প্রোটোকলের মধ্যে সামঞ্জস্যতা সহজতর করে। তারা সমর্থন প্রোটোকল ধরনের উপর নির্ভর করে, নেটওয়ার্ক গেটওয়ে OSI মডেলের যে কোন স্তরে কাজ করতে পারেন।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • ট্রান্সমিশন মিডিয়ার সুবিধা ও অসুবিধা বর্ণনা করতে হবে

ডেটা কমিউনিকেশন মিডিয়া হলো; যার মাধ্যমে ডেটা এক স্থান থেকে অন স্থানে বা এক ডিভাইস থেকে অন্য একটি ডিভাইসে ডেটা/তথ্য আদান-প্রদান বা স্থানান্তর হয় তাকেই ডেটা কমিউনিকেশন মিডিয়া/মাধ্যম বলে।

অর্থাৎ ডেটা কমিউনিকেশন মিডিয়া বলতে আমরা বলতে পারি, যার মাধ্যমে দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান প্রদান করা হয়, এখানে মাধ্যমগুলো হতে পারে, ক্যাবল/তার. রেডিও ওয়েভ, টেলিফোন লাইন, মাইক্রোওয়েভ, স্যাটেলাইট ইত্যাদি।

ডেটা কমিউনিকেশন মিডিয়া বা নেটওয়ার্ককে মূলত দুইভাগে ভাগ করে, যথাঃ

  1. তারযুক্ত ডেটা কমিউনিকেশন মিডিয়া
  2. তারবিহীন ডেটা কমিউনিকেশন মিডিয়া

তারযুক্ত মিডিয়াঃ

ক্যাবল/তার সংযোগের মাধ্যমে ডেটা স্থানান্তর করার মাধ্যমকে তারযুক্ত মিডিয়া বলে। অর্থাৎ তার সংযোগের মাধ্যমে এক কম্পিউটার থেকে অন্য একটি কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তর করার মাধ্যমকেই তারযুক্ত মিডিয়া বলে।

তারযুক্ত মিডিয়া খুব দ্রুত ডেটা স্থানান্তর বা সরবরাহ করতে পারে। এটি দীর্ঘ দূরত্বে সিগন্যালের উচ্চ গতির স্থানান্তর এবং বার্তার জন্য সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য মিডিয়া হিসেবে পরিচিত।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সাধারণত তিন ধরণের তারযুক্ত ডেটা কমিউনিকেশন মিডিয়া/ ট্রান্সমিশনে ব্যবহৃত হয়:

  1. কো-এক্সিয়াল ক্যাবল/Coaxial Cable
  2. টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল/Twisted-Pair Cable
  3. ফাইবার অপটিক ক্যাবল/Fiber Optic Cable
কো-এক্সিয়াল ক্যাবল:

কোক্সিয়াল কেবলটি তামা ভিত্তিক তারের কেবল। টি ১৮৮০ সালে উদ্ভাবিত হয়েছিল। এটি চারটি পৃথক স্তর সমন্বয়ে গঠিত। চারটি পৃথক স্তর হলো: 1. Centre core 2. Dielectric Insulator 3. Metallic Shield 4. Plastic Jacket. অর্থাৎ কোক্সিয়াল ক্যাবলের কেন্দ্রস্থলে একটি সলিড কপার তার থাকে, এই তারটিকে ঘিরে আবার অপরিবাহী প্লাস্টিক ফোমের ইনস্যুলেশন রয়েছে। ইনস্যুলেশন এর চারপাশে আবার জাল বা নেট আকৃতি দ্বারা আচ্ছন্ন এবং সবার বাইরে প্লাস্টিকের জ্যাকেট দিয়ে ঢাকা থাকে।

কো-এক্সিয়াল ক্যাবল সাধারণত টেলিগ্রাফ, টেলিফোন, টেলিভিশন এবং ইন্টারনেট সংকেত প্রেরণে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল:

টুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল হলো দুটি স্বতন্ত্রভাবে অন্তরক তারের সমন্বয়ে একে অপরের চারদিকে মোচড় দিয়ে মোড়ানো। এ ক্যাবলটিতে ৪ জোড়া তার একসাথে থাকে এবং প্রতিটি জোড়ার একটি কমন রং হলো সাদা এবং বাকি তারগুলো আলাদা/ভিন্ন রঙের হয়ে থাকে। এ ক্যবলের তারগুলোকে পৃথক করার জন্য এদের মাছে অপরিবাহী পদার্থ ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

ট্যুইস্টেড-পেয়ার কেবলটি পুরোনো টেলিফোন নেটওয়ার্কগুলিতে ব্যবহৃত হয় এবং এটি অল্প ব্যয়ের মাধ্যমে কম দূরত্বের মধ্যে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়।

ফাইবার অপটিক ক্যাবল:

ফাইবার অপটিক ক্যাবল এক ধরনের কাচের তন্তু দ্বারা গঠিত যেখানে আলোর গতিতে ডেটা/তথ্য আদান প্রদান করা যায়। অপটিকাল ফাইবার আলোর মাধ্যমে তথ্য/ডেট প্রেরণ করে, যেখানে আলোক সংকেত ডেটা হিসাবে ডিকোড করা হয়। অতএব, ফাইবার অপটিক আসলে একটি সংক্রমণ মাধ্যম যেটা খুব বেশি গতিতে দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত বহন করার একটি পাইপ হিসেবে কাজ করে।

ফাইবার অপটিক্স সাধারণত টেলিযোগাযোগ সেবা যেমন ইন্টারনেট, টেলিভিশন এবং টেলিফোনগুলিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল

অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল তৈরীর উপাদান এর উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো:
১- অতি স্বচ্ছতা
২- সহজ পরিবহন যোগ্যতা
৩- রাসায়নিক নিষ্ক্রিয়তা

কম্পিউটার বা অন্যান্য ব্যবস্থা সৃষ্ট এনালগ ডিজিটাল বৈদ্যুতিক সংকেত কে প্রয়োগ যন্ত্রের সাহায্যে প্রয়োজনীয় মডুলেশন এর মাধ্যমে ক্যাবলের পরিবহন উপযোগী আলোক তরঙ্গে পরিণত করে কেবল এর মধ্য দিয়ে প্রক্ষেপ (transmit) করা হয়।

এজন্য প্রেরক যন্ত্রের মডুলেটর এবং আলোক উৎস হিসেবে লেজার বা লাইট ইমিটিং ডায়োড (এলইডি) ব্যবহার করা হয়। কোরের মধ্য দিয়ে আলো বারবার পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে গ্রাহক যন্ত্রে পৌঁছায়। গ্রাহক যন্ত্রের ফটোদেতেক্টর ইউনিট অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল থেকে বিতাড়িত করে এবং প্রসেসিং ইউনিট এর ডিমডুলেটর, এমপ্লিফায়ার এবং ফিল্টার ডেটাকে ব্যবহার উপযোগী করে।

অপটিক্যাল ফাইবার এর সুবিধা সমূহ

অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল এর সুবিধা সমূহ-
১- উচ্চ ব্যান্ডউইথ।
২- আলোর গতিতে ডাটা ট্রান্সফার হয়। অর্থাৎ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে।
৩- ট্রান্সমিশন লস কম হয়।

৪- সরু আকৃতির এবং ওজনে অত্যন্ত হালকা।
৫- বৈদ্যুতিক চুম্বক প্রভাব থেকে মুক্ত।
৬- পারিপার্শ্বিক অবস্থা ডেটা ট্রান্সফারের বাধা সৃষ্টি করতে পারে না ফলে ডেটার নিরাপত্তা রক্ষা হয়।

অপটিক্যাল ফাইবার ব্যবহারের অসুবিধা সমূহ-
১-এটি ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক তৈরি করা বেশ ব্যয়বহুল।
২- এই তার ব্যবহার করে নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য অনেক বেশি কারিগরি জ্ঞান সম্পন্ন কর্মীর প্রয়োজন হয় ও সতর্ক হতে হয়।
৩- অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল U আকৃতিতে বাঁকালে ডাটা ট্রান্সফারের বিঘ্ন ঘটে।

তবে সামান্য কিছু অসুবিধা থাকলে ও বর্তমান সময়ের উন্নত নেটওয়ার্ক তৈরির জন্য অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।কারণ এর গতি অন্যান্য ফলের তুলনায় অনেক বেশি।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল  কপিরাইট: (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • ২০২১ সালের SSC পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের ৯ম/১০ শ্রেণি ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
  • ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক

এখানে সকল প্রকাশ শিক্ষা বিষয় তথ্য ও সাজেশন পেতে আমাদের সাথে থাকুন ।

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *