My Ads
বিষয়: ঘর শীতল রাখার কিছু ইফেক্টিভ উপায়,গ্রীষ্মে এসি ছাড়া কীভাবে ঘর ঠান্ডা রাখবেন, গ্রীষ্মে এসি ছাড়া কীভাবে ঘর ঠান্ডা রাখবেন,এসি ছাড়াই গরমে ঘর ঠান্ডা
কয়েকদিনের তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। এসি ছাড়া বাঁচাই দায় হয়ে পড়েছে! কিন্তু এসির খরচ সবার পক্ষে বহন করা সম্ভব হয় না। বা সব জায়গায় এসিও নেই। কিন্তু জানেন কি এসি না চালিয়েই ঘর ঠান্ডা রাখা যায়? তাহলে জেনে নিন প্রাকৃতিক উপায়ে ঘর ঠাণ্ডা রাখার কিছু কৌশল।
লাইট:
টিউব লাইট জ্বালিয়ে রাখলে ঘর গরম হয়। তাই সম্ভব হলে কম আলোর এলইডি আলো ব্যবহার করুন। তাপ ছড়াবে কম।
টেবিল ফ্যান:
টেবিল ফ্যান রয়েছে বাড়িতে? প্রতিদিন দুপুরে ভ্যাপসা গরম থেকে বাঁচতে আপনার টেবিল ফ্যানটি জানালার কাছে নিয়ে চালিয়ে দিন। এটি বাইরের ঠান্ডা হাওয়া ভেতরে নিয়ে আসবে এবং ঘরের অসহনীয় গরম দূর হবে।
ভেন্টিলেটর:
ঘরে ভেন্টিলেটর থাকলে খুবই ভালো। তবে সেটি ভালো করে পরিষ্কার করে নিন।
বরফ রেখে ফ্যান চালান:
তাৎক্ষণিক এসির হাওয়া খেতে চান? টেবিল ফ্যানের সামনে গামলা ভর্তি বরফ রেখে ফ্যান চালিয়ে দিন। নয়তো একটি পানির বোতলে বরফ জমিয়ে ফ্যানের সামনে রাখুন। যখনই ফ্যান চালাবেন, বরফের ঠান্ডা হাওয়া ঘরকে শীতল করে তুলবে৷
পর্দা:
কাঠের জানলা হলে সমস্যা নেই। কিন্তু জানলা যদি কাঁচের হয় তবে গাঢ় রঙের পর্দা ব্যবহার করুন। হালকা রঙের পর্দা সূর্যের তাপ আটকায় না। জানলায় বা বারান্দায় ব্যবহার করুন খেসের পর্দা। খেস একরকমের ঘাস, তাপ আটকাতে সক্ষম। তাতে যদি একটু পানি ঢেলে দিতে পারেন, দেখবেন ঘর অনেক ঠান্ডা হয়ে গেছে।
ভেজা চাদর:
মোটা চাদর পানিতে ভিজিয়ে, শুকিয়ে নিয়ে, অল্প স্যাঁতসেতে ভাবটা রেখে পর্দার গায়ে সেঁটে দিতে পারেন। খসখসের বিকল্প হিসেবে ভালো কাজ করে।
বালিশ:
বিছানার চাদর ব্যবহার করুন হালকা রঙের পাতলা সুতির। তুলা তাপ টানে। তাই বালিশে ভরতে পারেন বাজরা বা চাল। গদির মাঝখানে একটা মাদুর পেতে রাখলে বিছানার গরম অনেকটাই কমে যাবে।
আরি পড়ুন ›চুল পড়া বন্ধে ঘরোয়া টোটকাচুল পড়া নিয়ে অনেকেই বেশ অস্বস্তিতে থাকেন। চুল পড়া বন্ধ করেতে চাইলে ঘরোয়া টোটকা…
আরি পড়ুন ›ক্যান্সার প্রতিরোধক খাবার, ক্যান্সার থেকে দূরে রাখবে যেসব খাবার, যেসব খাবার ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়ক্যান্সার একটি মারণব্যাধি। যাতে দিন দিন মৃত্যুর হার বেড়েই চলেছে। তাইতো এখন থেকেই সতর্ক…
আরি পড়ুন ›মাসিক না হলে কি করা উচিত,মাসিক না হলে কি করতে হবে,মাসিক না হলে কি করা উচিত ঘরোয়া উপায়,মাসিক সময়মতো শুরু না হলে কি করবেন,পিরিয়ড না হলে করণীয়,মাসিক না হলে করণীয় কি,মাসিক না হলে করণীয় কি ?মাসিক না হলে কি করা উচিত,মাসিক না হলে কি করতে হবে,মাসিক না হলে কি…
- ম্যাজিক কনডম সম্পর্কে জানুন, ম্যাজিক কনডম কী?
- মেয়েদের গোপনাঙ্গ টাইট করার উপায়,গোপনাঙ্গ টাইট ও মজবুত করার ঘরোয়া পদ্ধতি
এই গরমে ঘর ঠান্ডা রাখা জরুরি। কিন্তু সবার বাড়িতে এসি বা এয়ার কন্ডিশনার থাকে না। তাদের ক্ষেত্রে ঘর ঠান্ডা রাখার উপায় কী? আবার সারাক্ষণ এসির মধ্যে থাকলে শারীরিক নানা অসুবিধারও সৃষ্টি হয়। তাই এসি ছাড়াই কীভাবে ঘর ঠান্ডা রাখা যায়, তা জেনে নেওয়া জরুরি। কিছু সহজ উপায় মেনে চললে আপনি সহজেই ঘর ঠান্ডা রাখতে পারবেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক-
ঘর মুছুন ভেজা ভেজা করে
ঘর তো প্রতিদিনই মোছা হয়, তবে গরমের সময়ে একটু ভেজা ভেজা করে মুছুন। অবাক করা হলেও এটি কার্যকরী। দিনে দুই-তিনবার এভাবে মুছতে পারেন। মেঝের পাশাপাশি জানালাও মুছতে পারেন। এরপর ফ্যান চালিয়ে দিন। ঘর মোছার আগে জানালা-দরজার কপাট বন্ধ করে পর্দা টেনে নেবেন। এতে ঘর অনেক সময় ঠান্ডা থাকবে।
গাছ লাগাতে পারেন
ঘরেই বাঁচে এমন ধরনের বিভিন্ন গাছ লাগাতে পারেন। অ্যালোভেরা, স্নেক প্ল্যান্ট, মানি প্ল্যান্ট, পাম, লিলিসহ পছন্দের যেকোনো গাছ রাখুন বাড়িতে। এতে ঘরে একটি স্নিগ্ধ ভাব আসবে, ঘরের বাতাস শুদ্ধ থাকবে এবং ঘরের তাপমাত্রা কমবে অনেকটাই। তাই এসি ছাড়াও ঘর ঠান্ডা রাখতে চাইলে গাছ লাগান।
দেয়ালে হালকা রং
রং যত গাঢ় হয় তত আলো শোষণ করে এবং যত হালকা হয় তত আলো বেশি প্রতিফলিত হয়ে যায়। এদিকে আলো যত শোষিত হবে, ততই বাড়বে ঘরের তাপমাত্রা। তাই যতটা সম্ভব দেয়ালের রং হালকা রাখুন। ঘরের দেয়ালে প্যাস্টেল শেড পেইন্ড করাতে পারেন।
My Ads
ভারী সুতির পর্দা ব্যবহার
জানালায় সুতির পর্দা ব্যবহার করুন। তবে তা যেন অবশ্যই ভারী হয়। সুতির বদলে লিলেন বা অন্য যেকোনো ন্যাচারাল ফেব্রিকের পর্দা টাঙাতে পারেন। এতে ঘরের তাপমাত্রা কমবে অনেকটাই। শুধু পর্দা নয়, বিছানার চাদর ও বালিশের কভারের ক্ষেত্রেও এমনটা করুন। খেয়াল রাখবেন এসবের রং যেন হালকা হয়। বিছানাপত্র খুব একটা ময়লা হওয়ার আগেই পাল্টে নিন।
রান্নাঘর ও বাথরুমে এগজস্ট ফ্যান ব্যবহার
গরমে রান্না করা অনেক কষ্টকর। এই গরমে রাঁধতে গিয়ে হাঁসফাঁস না করে বরং এগজস্ট ফ্যান ব্যবহার করুন। এতে রান্নাঘরের গরম বাতাস বাইরে বের হয়ে যাবে। যদি সম্ভব হয়, দিনের তাপমাত্রা বাড়ার আগেই রান্না শেষ করুন। একইভাবে বাথরুমেও এগজস্ট ফ্যান ব্যবহার করুন। গোসলের সময় সেই ফ্যান চালিয়ে নিন। এতে কষ্ট কম হবে।
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে ও
My Ads
- Dermasim কী কাজে লাগে? দাদ ও চুলকানির জাদুকরী সমাধান

- মেহ রোগের হাত থেকে মুক্তি ঘরোয়া টিপস

- ম্যাজিক কনডম সম্পর্কে জানুন, ম্যাজিক কনডম কী?

- মাইকোরাল ওরাল জেল (Mycoral Oral Gel) কেন ব্যবহার করবেন? বিস্তারিত জানুন।

- মেয়েদের গোপনাঙ্গ টাইট করার উপায়,গোপনাঙ্গ টাইট ও মজবুত করার ঘরোয়া পদ্ধতি

- স্তন ক্যান্সার কেন হয়? প্রাথমিক লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়, স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

My Ads