আমরা জানি, মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে অর্থ হাতে রাখতে চায় আবার সঞ্চয় করতে চায়। অর্থের প্রতি মানুষের এই আকর্ষণ কেন হয়? আর সেই অর্থ কিভাবে মানুষের কাজে লাগে? বিস্তারিত উপস্থাপন করুন।

আমরা জানি, মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে অর্থ হাতে রাখতে চায় আবার সঞ্চয় করতে চায়। অর্থের প্রতি মানুষের এই আকর্ষণ কেন হয়? আর সেই অর্থ কিভাবে মানুষের কাজে লাগে? বিস্তারিত উপস্থাপন করুন।

Assignment এইচ এস সি ডিগ্রি ও উন্মুক্ত পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: ১১শ/ hsc/ উন্মুক্ত-2021 বিষয়: অর্থনীতি ১ম পত্র এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 05 বিষয় কোডঃ 1858
বিভাগ: মানবিক শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ আমরা জানি, মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে অর্থ হাতে রাখতে চায় আবার সঞ্চয় করতে চায়। অর্থের প্রতি মানুষের এই আকর্ষণ কেন হয়? আর সেই অর্থ কিভাবে মানুষের কাজে লাগে? বিস্তারিত উপস্থাপন করুন।

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অর্থের সংজ্ঞা

“অর্থ হলো রাষ্ট্র কর্তৃক স্বীকৃত, প্রত্যেকের গ্রহণযোগ্য এমন একটি বিনিময় মাধ্যম যা মূল্যের পরিমাপক হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং দেনা পাওনার নিষ্পত্তি ঘটায়। সঞ্চয়ের বাহন বা আঁধার হিসেবে কাজ করে এবং ঋণ থাকলে তা মিটিয়ে থাকে। ” সুতরাং উপরের সংজ্ঞা থেকে অর্থের যে বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায় তা নিম্নরূপ:

(১) অর্থ হচ্ছে বিনিময়ের মাধ্যম;

(২) অর্থ মূল্যের পরিমাপক হিসেবে কাজ করে;

(৩) অর্থ হিসাব-নিকাশের একক হিসেবে কাজ করে;

(৪) অর্থকে সঞ্চয়ের বাহন বলা যায়।

অর্থের কার্যাবলি

বিভিন্ন দিক থেকে অর্থের কার্যাবলি আলোচনা করা যায়। যেমন:

১। বানিজ্যিক কার্যাবলি

২। সামাজিক কার্যাবলি

৩। মনস্তাত্বিক কার্যাবলি

বানিজ্যিক কার্যাবলি: বানিজ্যিক কার্যাবলি সম্পাদন করা অর্থের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। নিম্নে বিভিন্ন বানিজ্যিক কার্যাবলি সর্ম্পকে আলোচনা করা হলো।

১. বিনিময়ের মাধ্যম সৃষ্টি: অর্থের মাধ্যমে দ্রব্যের লেনদেন নিষ্পত্তি করা হয়। তাই অর্থ বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে প্রয়োজনীয় ভূমিকা রাখে এবং এটি বিনিমেয় প্রথার অসুবিধা দূর করে সকলের নিকট জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। ২. মূল্যের পরিমাপক: ব্যবসা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দ্রব্যের ক্রয় বিক্রয়ে অর্থের মাধ্যমে মূল্য নির্ধারিত হয়। অর্থ দেনা পাওনা নিষ্পত্তি করে, যার জন্য ব্যবসা বাণিজ্য ব্যাপক হারে সম্প্রসারিত হয়েছে।

৩. স্থগিত লেনদেনের মান: ভবিষ্যৎ পরিশোধের শর্তে বাকিতে পণ্য ক্রয় বিক্রয়ের মূল্য অর্থের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়। কারণ দ্রব্য মূল্যের চেয়ে অর্থ মূল্যের পরিবর্তনশীলতা কম বলে লেনদেনের ক্ষেত্রে অর্থের উপর নির্ভর করা হয়।

৪. সঞ্চয়ের বাহন: দ্রব্য সর্বদা সঞ্চয়ী নয়। যেমনটা শ্রম সঞ্চয় করে রাখা যায় না। কিন্তু অর্থ সহজেই সঞ্চয় করা যায়। তাই সঞ্চয়ের বাহক হিসেবে অর্থ গুরুত্বপূর্ণ।

৫. মূল্য স্থানান্তর: অর্থ প্রচলনের পূর্বে স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি স্থানান্তর করা সম্ভব ছিল না। কিন্তু এখন আর এমন হয় না, এখন যে কেউ তার নিজস্ব স্থান বিক্রয় করে অন্য স্থান, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রয় করতে পারে।

৬. ঋণের সুবিধা: ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য সুবিধা পাবার কারণ ঋণ গ্রহণ। এটি বিশ^ব্যাপী স্বীকৃত মূলধনের উৎস। ঋণের ভিত্তি হিসেবে চেক, ব্যাংক ড্রাফট, বিনিময় বিল ঋণপত্র ইত্যাদি ব্যবহার হয়।

৭. তারল্যের মান: অর্থের হাত বদলানোর চেয়ে তরল অন্য কোন মাধ্যম নেই যা চাহিবা মাত্র এর বাহককে দিতে বাধ্য থাকবে। এটি অর্থকে দ্রব্য বা সেবার এবং দ্রব্য বা সেবাকে সহজেই অর্থে পরিণত করে।

৮. সর্বোচ্চ তৃপ্তি লাভ: দ্রব্যের দামের সাথে তা থেকে প্রাপ্ত প্রান্তিক উপযোগ সমান হলে ভোক্তা সর্বোচ্চ তৃপ্তি লাভ করে। আর এটি অর্থের মাধ্যমেই হয়ে থাকে।

৯. বন্টণের কার্যকলাপ: অর্থ বন্টণের কার্যাবলী সহজ করে। অর্থাৎ উপকরণের উৎপাদন ক্ষমতা অর্থের মাধ্যমে র্নিধারিত হয় কারণ এটি ছাড়া উৎপাদনের অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সঠিকভাবে পারিশ্রমিক ভাগ করে দেয়া অসম্ভব। সামাজিক কার্যাবলি: আধুনিক যুগে অর্থ কিছু সামাজিক কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। যেমন১) সামাজিক কাঠামোর বিস্তৃতিকরণ: সামাজিক কাঠামোর বিস্তৃতিকরণে অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সামাজিক আচার আচরণ, সংষ্কৃতি, সভ্যতা, ঐতিহ্য লালন করার জন্য অর্থের প্রয়োজন।

২) সামাজিক মর্যাদার মান উন্নয়ন: বর্তমান যুগে অর্থের মাধ্যমেই মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয়। অর্থের মাধ্যমেই সামাজিক মর্যাদা প্রকাশ পায়।

৩) সামাজিক সর্ম্পক নিশ্চিতকরণ: বর্তমান যুগে মানুষ সামাজিক সর্ম্পক নিশ্চিতকরণে উপহার বিনিময়, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেয়া, বিপদ আপদে একে অপরকে সাহায্যে করে সামাজিক সর্ম্পক নিশ্চিত করছে। এটির জন্য অর্থের প্রয়োজন হয়।

মনস্তাত্বিক কার্যাবলি: অর্থ এমন একটি বস্তু যা মানুষের মানসিক শক্তির সাথে সর্ম্পকিত কারণ অধিক অর্থ মানুষের মনোবলকে শক্ত করে আবার অর্থহীন মানুষের অর্থপূর্ণ জীবন যাপনের বৃথা স্বপ্ন দেখার মাধ্যমে মনবলকে দুর্বল করে দেয়। সবশেষে বলা যায়, বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায়, বাণিজ্যিক উন্নয়নে, সামাজিক ও মনস্তাত্বিক উন্নয়নের প্রতিটি ক্ষেত্রে অর্থ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

অর্থের চাহিদা

অর্থ হলো বিনিময়ের অন্যতম মাধ্যম। মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে অর্থ হাতে রাখতে চায় আবার সঞ্চয় করতে চায়। আর এই অর্থ হাতে ধরে রাখার ইচ্ছেটাকেই অর্থের চাহিদা বলে। অর্থাৎ একটি সমাজের জনগন বিভিন্ন প্রয়োজনে তাদের আয়ের কিছু অংশ দৈনন্দিন ব্যয় নির্বাহের জন্য নগদ আকারে হাতে ধরে রাখতে চায়, অর্থ হাতে ধরে রাখার এই ইচ্ছেটাকেই সে সমাজের অর্থের চাহিদা বলে। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে লেনদেন কার্যক্রমকে বাড়ালে অর্থের চাহিদা বাড়ে আবার লেনদেন কমালে চাহিদা কমে।

অর্থের চাহিদাকে তিনভাবে ভাগ করা যায়

১. লেনদেনজনিত অর্থের চাহিদা

২. সতকর্তাজনিত অর্থের চাহিদা

৩. ফটকা কারবারজনিত অর্থের চাহিদা

নিচে অর্থের চাহিদা সমূহের ব্যাখা করা হলো লেনদেন জনিত অর্থের চাহিদা: জনগণ তাদের দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনে তাদের আয়ের যে অংশ লেনদেন, দ্রব্য এবং সেবার কেনাবেচায় ব্যবহার করে তাকে লেনদেনজনিত অর্থের চাহিদা বলে। সতকর্তাজনিত অর্থের চাহিদা: মানুষ তার আয়ের কিছু অংশ সঞ্চয় করে ভবিষ্যতের জন্য যেনো ভবিষ্যতের সকল প্রতিকূল অবস্থা মোকাবেলা করতে পারে। একে অর্থের সতকর্তামূলক চাহিদা বলে।

ফটকা কারবারজনিত অর্থের চাহিদা: মানুষ বাড়তি অর্থ উপার্জনের জন্য ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে শেয়ার বাজারে শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় করে। মানুষ অনেকটা ঝুঁকি ও প্রাপ্তির প্রত্যাশা নিয়ে এ কাজ করে। হঠাৎ মূল্য কমলে ভবিষ্যতে দাম বাড়তে পারে, তখন নগদ অর্থ দিয়ে সেই দ্রব্যগুলো কিনে মজুদ করে রাখে আর সময়মতো তা ছেড়ে দিয়ে অবিশ^াস্য মুনাফা আদায় করে। আবার এই ব্যবসা সুদের হারের উপর নির্ভরশীল। কারণ এর সাথে ফটকাজনিত অর্থের চাহিদার বিপরীতমুখী সম্পর্ক বিদ্যমান। সুদ বেশি হলে চাহিদা কমে আর কম হলে চাহিদা বাড়ে। তাই একে ফটকা কারবারজনিত অর্থের চাহিদা বলে।

অর্থের যোগান

সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ে প্রচলিত সকল প্রকার মুদ্রার সমষ্টিকে অর্থের যোগান বলে। আর এই মুদ্রা হালো বাজারে প্রচলিত সকল প্রকার কাগজের নোট, ধাতব কয়েন ইত্যাদি। অর্থ তার কার্য সম্পন্ন করতে গিয়ে হস্তান্তরিত হয়ে বিভিন্ন খাতে ছড়িয়ে আছে। তাই সরবাহকৃত অর্থের পরিমাণ বের করার জন্য বিভিন্ন খাতের সন্ধান করতে হয়।

সম্ভাব্য যে সকল খাতে অর্থগুলো থাকতে পারে সে সকল খাতের অর্থ যোগ করলে অর্থ সরবরাহের পরিমাণ বর্ণনা করা যায়। তারল্যের মাত্রা ব্যবহারের সুবিধা অনুযায়ী অর্থনীতিবিদগণ দু’ভাবে অর্থের যোগানের ব্যাখ্যা দিয়েছেনÑ

১. সংকীর্ণ অর্থে অর্থের যোগান

২. বিস্তৃত অর্থে অর্থের যোগান

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ভোকেশনাল ও দাখিল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *