আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন? - প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দিবেন,উত্তর যে ভাবে দিবেন আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন?, নিজের সম্পর্কে ১০ টি বাক্য ইংরেজিতে,ভাইভা পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন?

আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন? – প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দিবেন,উত্তর যে ভাবে দিবেন আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন?, নিজের সম্পর্কে ১০ টি বাক্য ইংরেজিতে,ভাইভা পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন?

প্রশ্ন সমাধান শিক্ষা
শেয়ার করুন:

আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন? – প্রশ্নের উত্তর কিভাবে দিবেন,উত্তর যে ভাবে দিবেন আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন?, নিজের সম্পর্কে ১০ টি বাক্য ইংরেজিতে,ভাইভা পরীক্ষার প্রশ্ন ও সমাধান আপনার সম্পর্কে কিছু বলুন?

নিজের সম্পর্কে ১০ টি বাক্য ইংরেজিতে

ইন্টারভিউ কিংবা বিভিন্ন জায়গাতে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন হলো, নিজের সম্পর্কে ১০ টি বাক্য ইংরেজিতে বলা। আপনি যত সুন্দর এবং স্মার্ট পদ্ধতিতে নিজের সম্পর্কে বলতে পারবেন, আপনার চাকরির নিশ্চয়তা তত বেশি বৃদ্ধি পাবে।

নিজের সম্পর্কে আমরা অনেক কিছু্ই জানি। আমাদের সম্পর্কে আমাদের চেয়ে আর ভালো কে জানবে! কিন্তু, যখন আমাদের নিজেদের সম্পর্কে কিছু বলতে বলা হয় তখন, অনেক সময় বলতে পারি না। মানুষ যখন আপনার সম্পর্কে জানবে, তখন আপনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া সহজ হবে। আপনি কেমন, আপনি কি পছন্দ করেন এ সম্পর্কেও মানুষ জানতে পারবে।

কিভাবে নিজের সম্পর্কে ১০ টি বাক্য ইংরেজিতে বলা যায় তা আজ আমরা জানবো। ক্ষেত্র বিশেষে কিছু কিছু বাক্য ভিন্ন হতে পারে। তবে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এক রকম হবে। নিজের সম্পর্কে ১০ টি বাক্য ইংরেজিতে দেয়া হলো।

নিজের সম্পর্কে ১০ টি বাক্য ইংরেজিতে

এক নজরে সম্পূর্ণ লেখা  দেখুন 

১. My name is Dilruba = আমার নাম দিলরুবা।

২. I am from Mirpur = আমি মিরপুর থেকে এসেছি।

৩. I live in Dhaka = আমি ঢাকায় বাস করি।

৪. I was born at Narsingdi = আমি নরসিংদীতে জন্মগ্রহণ করেছি।

৫. I have completed graduation and post graduation from National University = আমি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেছি।

৬. There are 4 members in my Family = আমাদের পরিবারে সদস্য সংখ্যা চারজন।

৭. I am the elder daughter of my family = আমি পরিবারের বড় মেয়ে।

৮. At present I am a teacher = বর্তমানে আমি একজন শিক্ষিকা।

৯. My Hobby is gardening = আমার শখ বাগান করা।

১০. I like to read Novels = আমি বই পড়তে পছন্দ করি।

উপরের বলা বাক্য গুলো সাধারন। একজন মানুষ তার নিজের সম্পর্কে বলতে গেলে সাধারনত এই বাক্যগুলো বলে থাকে। তবে, কোন কোন ক্ষেত্রে এইগুলো একটু পরিবর্তন হয়ে থাকে। কারণ, সব মানুষ এক রকম হয় না। এক এক মানুষ এক এক রকম হয়ে থাকে।

তাই, তাদের ব্যক্তিত্ব ও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। আর যেহেতু নিজের সম্পর্কে বলার মাধ্যমে নিজের ব্যক্তিত্ব ও ফুটে উঠে তাই, বাক্য বলার ধরন ও ভিন্ন হয়।

সাধারনত তিন ধরনের ব্যক্তিত্ব দেখা যায়। যথা:

১. Extrovert

এই ধরনের ব্যক্তি চরিত্র গুলো খুব উচ্ছ্বল, প্রানবন্ত ও হৈ হুল্লোড় প্রিয় হয়ে থাকে। এই ধরনের মানুষ তার পরিচয় দেওয়ার জন্য সাধারনত নিচের বাক্যগুলো ব্যবহার করতে পারে।

  • I like to travel-
    এর মানে হচ্ছে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানো আপনি খুব পছন্দ করেন। ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ানোর ফলে আপনি অনেক ধরনের মানুষের সাথে পরিচিত হতে পছন্দ করেন।
  • I feel good to talk to people-
    এর মাধ্যমে আপনি বুঝাতে চাচ্ছেন যে আপনি বিভিন্ন অপরিচিত মানুষের সাথে কথা বলতে, তাদের চিন্তা ভাবনা সম্পর্কে জানতে পছন্দ করেন।
  • I like socializing-
    এর মাধ্যমে আপনি প্রকাশ করবেন যে আপনি সামাজিক বিভিন্ন উৎসব অনুষ্ঠানে সানন্দে যোগদান করেন।
  • I like to make new friends-
    এর মাধ্যমে আপনি প্রকাশ করবেন যে আপনি সবার সাথে মিশতে পছন্দ করেন এবং খুব সহজেই সবার বন্ধু হতে পারেন।

এখানে নিজের সম্পর্কে ১০ টি বাক্য ইংরেজিতে দেয়ার ক্ষেত্রে উপরের ৪টির যেকোন একটি ব্যবহার করতে পারেন অথবা ৪টিই ব্যবহার করতে পারেন। কিংবা এই রকমের যেকোন বাক্য ব্যবহার করতে পারেন।

২. Introvert

ইন্ট্রোভার্ট চরিত্রগুলা একটু চুপচাপ স্বভাবের হয়ে থাকে। এর খুব বেশি মানুষের উপস্থিতি বা ভিড় এড়িয়ে চলতে পছন্দ করে থাকে। এই স্বভাবের মানুষ তাদের পরিচয় দেওয়ার ক্ষেত্রে নিচের বাক্যগুলো ব্যবহার করতে পারে।

  • I like to be alone- এর মাধ্যমে আপনি বুঝাবেন যে আপনি খুব বেশি কথা বলা পছন্দ করেন না। কেউ আপনার সাথে বেশি কথা বলুক সেটা ও আপনার পছন্দ নয়। একটু নিরিবিলি পরিবেশ আপনার পছন্দ।
  • I like to share my feelings only close friends-
    এর মানে হচ্ছে আপনি সবার সাথে খোলামেলা ভাবে কথা বলতে পছন্দ করেন না। আপনার কাছের বন্ধু খুব কম এবং আপনি তাদের ছাড়া আর কাউকে সময় দেন না।
  • I love to listen more than speak-
    এর মাধ্যমে আপনি বুঝাবেন যে আপনি কথা কম বলা পছন্দ করেন। নিজে কথা বলার চেয়ে অন্যের কথা শুনতে আপনার আগ্রহ বেশি।

নিজের সম্পর্কে ১০ টি বাক্য ইংরেজিতে দেয়ার ক্ষেত্রে উপরের বাক্যগুলো ব্যবহার করতে পারেন। কিংবা এই রকমের যেকোন বাক্য ব্যবহার করতে পারেন।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

“নিজের সম্পর্কে কিছু বলুন–এটি একটি কৌশুলী প্রশ্ন ।

প্রশ্নটি বিভিন্ন জব Interview ও একাডেমিক এক্সাম যেমন আইবিএ, বিসিএস, ব্যাঙ্ক Interview তে এটা খুব কমন একটা প্রশ্ন ।

গুছিয়ে উত্তর দিতে পারলে খুব ভালো একটা ইম্প্রেশন ক্রিয়েট করা যায় ।

এই প্রশ্নটি প্রার্থীকে তার নিজের কথা বলার সুযোগ করে দেয় এবং এই প্রশ্নের কোন সঠিক বা ভুল উত্তর নেই | প্রার্থী যা বলবে তাই |

এই প্রশ্নের উত্তরে প্রার্থী তার সৃজনী শক্তিকে কাজে লাগাতে পারে কারণ এখানে সঠিক বা ভুল উত্তর নিয়ে ভাবতে হয় না |

এতে চাকরিদাতা প্রার্থীর চরিত্র, কল্পনাশক্তি এবং উদ্ভাবনী শক্তি সম্পর্কে জানার সুযোগ পায় |

এক্ষেত্রে আপনি আপনার জীবনবৃত্তান্তের যে তিনটি অথবা চারটি বিষয় তাদের স্মরণ করাতে চান সেগুলো তুলে ধরুন এবং ঐগুলো সম্পর্কে কথা বলুন |

তাদের কাছে নিজের ব্যক্তিগত স্বপ্ন বলার ঝোঁক সংযত করা অতিব জরুরি |

এই প্রশ্নটির উত্তরে প্রত্যেকেই যে ভুলটা করে থাকে সেটা হলো কোথায় সে পড়াশোনা করেছে, কী খেতে বা পড়তে ভালবাসে, ইত্যাদি তথ্য দিয়ে সময় নষ্ট করে |

আসলে, আপনার নিজের সম্পর্কে বলা মানে আপনার পছন্দ বা অপছন্দের বিষয় সম্পর্কে নয়, বরং আপনি কী ধরনের জব প্রোফাইল পছন্দ করেন .

(তবে অবশ্যই যে পদের জন্য ইন্টারভিউ দিতে গিয়েছেন, সেটাকে প্রাধান্য দিতে হবে আপনাকে), বা কী বিষয় নিয়ে আপনি পড়াশোনা করেছেন, যে প্রোফাইলে কাজ করার জন্য আপনি আবেদন করেছেন, কেন আপনি সেই প্রোফাইলের জন্য উপযুক্ত সেসবই হল এই প্রশ্নের যথাযোগ্য উত্তর |

সহজ ভাষায়, ইন্টারভিউয়ার বা প্রশ্নকর্তা যা কিনতে চাইছেন, আপনাকে তাই-ই বিক্রি করতে হবে |

ধরুন, আইবিএর Interview বোর্ডে এই প্রশ্ন ফেস করলেন ।

তখন আপনি বলতে পারেনঃ আপনি সোশ্যাল এক্টিভিটি পছন্দ করেন ।

আপনি সুযোগ পেলেই সমাজ সেবামুলক কাজে অংশ নেন । গেল শীতে, আপনি নিযে উদ্যোগী হয়ে শীতের কাপড় সংগ্রহ করে আপনার এলাকায় বিতরণ করেছেন ।

অথবা আপনি দায়িত্ব নিতে খুব পছন্দ করেন ।

অনার্সের সময়ে কোন এক ওরিয়েন্টেশন প্রোগ্রামের খাবারের সাপ্লাইয়ের দায়িত্ব আপনি পালন করেছেন ।

এভাবে নিজের সম্পর্কে পসিটিভ মেসেজ পৌঁছায় এরকম কিছু বলার চেষ্টা করেন ।

Interview দেওয়ার সময় চেষ্টা করবেন ইন্টারভিউয়ার যেন আপনার সঙ্গে সমানভাবে অংশগ্রহণ করেন সেটা নিশ্চিত করতে |

তাতে তার পছন্দ-অপছন্দ, প্রয়োজন সম্পর্কে আপনার একটা ধারণা তৈরি হয়ে যাবে |

সাক্ষাৎকারগ্রহীতা এমন একজনকে খুঁজছেন যে তার দুর্বলতা এবং ক্ষমতাসমূহ সম্পর্কে অকপটে বলতে বাস্তবসম্মত হয় |

তাদের নিজেদের দৃষ্টিগোচর থেকে আপনি আপনার দুর্বলতাগুলো প্রতিরোধ করতে কোন পদক্ষেপসমূহ নিয়েছিলেন সেগুলো বর্ণনা করতে এবং আপনার যোগ্যতার দাবির সপক্ষে কিছু উদাহরণ তুলে ধরা প্রয়োজন |

দুর্বলতা ব্যাখ্যা এমনভাবে দিন যেন সেটি আসলে আপনার ভালো দিকই তুলে ধরে ।

যেমন, আলসেমি, বিশৃঙ্খলা আপনার সমস্যা ।

আপনার উইকনেস হিসেবে এগুলো না বলে বলুন, আপনার দুর্বলতা হচ্ছে আপনি খুব কাজপাগল ।

কাজ করতে গেলে দিন-রাতের হুঁশ আপনার থাকে না ।

মোট কথা উত্তর দেয়ার সময় সবসময় এটা মাথায় রাখতে হবে যে, আপনার ক্যারেক্টারের সবগুলো ভালো ও শক্তিশালী দিক ফুটে উঠছে এবং আপনি নিজেকে একজন পসিটিভ মানুষ হিসেবে সেল করছেন !

প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com

আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.