PDF Download স্মার্ট বাংলাদেশ রচনা,‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিষয়টির উপর রচনা লিখুন, রচনা স্মার্ট বাংলাদেশ, রচনা স্মার্ট বাংলাদেশ রচনা, স্মার্ট বাংলাদেশ রচনা PDF Download,রচনা নিয়োগ পরীক্ষায় আসা স্মার্ট বাংলাদেশ

প্রশ্ন সমাধান: PDF Download স্মার্ট বাংলাদেশ রচনা,‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বিষয়টির উপর রচনা লিখুন, রচনা স্মার্ট বাংলাদেশ, রচনা স্মার্ট বাংলাদেশ রচনা, স্মার্ট বাংলাদেশ রচনা PDF Download,রচনা নিয়োগ পরীক্ষায় আসা স্মার্ট বাংলাদেশ, স্মার্ট বাংলাদেশ রচনা বাংলা ২য় পত্র রচনা, রচনা স্মার্ট বাংলাদেশ (PDF Download),রচনা “স্মার্ট বাংলাদেশ”,স্মার্ট বাংলাদেশ রচনা for class 10

PDF Download স্মার্ট বাংলাদেশ রচনা: 01

ভূমিকাঃ ডিজিটাল প্রযুক্তির নিত্যনতুন উদ্ভাবনের পথ ধরে আসা চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বিজয়ে প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অদম্য অগ্রগতিতে এগিয়ে যাওয়া বর্তমান সরকার বহুমাত্রিক পরিকল্পনা-কর্মকৌশল গ্রহণ ও সফল বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে সরকারের প্রতিশ্রুত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে। এই বাস্তবতা সামনে সরকারের নতুন লক্ষ্য ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার। ‘ভবিষ্যৎ স্মার্ট বাংলাদেশ হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, জ্ঞানভিত্তিক, বুদ্ধিদীপ্ত এবং উদ্ভাবনী’। অর্থাৎ সব কাজই হবে স্মার্ট। 

স্মার্ট বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের একটি প্রেরণাদায়ী অঙ্গীকার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলার আধুনিক রূপ তথ্যপ্রযুক্তি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রূপকল্প ২০২১ ঘোষণা করেন। এ রূপকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে বাংলাদেশ বিপ্লব সাধন করেছে। যে গতিতে বিশ্বে প্রযুক্তির বিকাশ ঘটেছে, তা সত্যিই অভাবনীয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিকনির্দেশনায় এবং আইসিটি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশ বৈশ্বিক ডিজিটাল অগ্রগতি থেকে একটুও পিছিয়ে নেই। অদম্য গতিতে আমরা চলছি তথ্যপ্রযুক্তির এক মহাসড়ক ধরে। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারে বাংলাদেশ আজ বিপ্লব সাধন করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর স্বপ্ন নয়, বাস্তবতায় পরিপূর্ণতা পেয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে ডিজিটাল বাংলাদেশ থেকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’-এ রূপান্তরে কাজ শুরু হয়ে গেছে।

চার স্তম্ভে স্মার্ট বাংলাদেশঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের পরে এখন ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার লক্ষ্য নিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার। চারটি স্তম্ভের ওপর ভিত্তিকরে আগামীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার স্তম্ভ হবে চারটি। যথা: স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট এবং স্মার্ট সোসাইটি। স্মার্ট বাংলাদেশে প্রযুক্তির মাধ্যমে সবকিছু সম্পন্ন হবে। সেখানে নাগরিকরা প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ হবে এবং এর মাধ্যমে সমগ্র অর্থনীতি পরিচালনা করবে। ভবিষ্যৎ স্মার্ট বাংলাদেশ হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, জ্ঞানভিত্তিক, বুদ্ধিদীপ্ত এবং উদ্ভাবনী। স্মার্ট সিটি এমন নগরায়ন হবে যেখানে ন্যূনতম পরিবেশগত প্রভাব নিশ্চিত করে কোনো একটি শহরের সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহারের পাশাপাশি নাগরিকদের জন্য উন্নততর জনবান্ধব সেবা প্রদানে আধুনিক প্রযুক্তিগুলোকে কাজে লাগানো হবে। স্মার্ট সিটিতে অনেকগুলো উপাদান থাকলেও বাংলাদেশের জন্য প্রস্তাবিত স্মার্ট সিটি কাঠামোতে স্বাস্থ্যসেবা, পরিবহন, জননিরাপত্তা, ইউটিলিটি এবং নগর প্রশাসনসহ মোট ৫টি উপাদান এবং পরিষেবাকে মোটাদাগে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্মার্ট ভিলেজ হবে এমন এক গ্রামীণ জনগোষ্ঠী যেখানে ডিজিটাল প্রযুক্তি এবং উন্মুক্ত উদ্ভাবনী প্ল্যাটফর্মের ব্যবহারের মাধ্যমে স্থানীয় নাগরিকরা বিশ্ব বাজারে সাথে যোগাযোগের সুযোগ পাবে। এছাড়া সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতের বিভিন্ন সেবা প্রদান ব্যবস্থাকে উন্নত করা, খাদ্য সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস বিকাশে স্মার্ট ভিলেজ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

ডিজিটাল সেবা কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বিতক্লাউডের আওতায় নিয়ে আসা হবে। ২০৪১ সাল নাগাদ একটি সাশ্রয়ী, টেকসই, বুদ্ধিদীপ্ত, জ্ঞানভিত্তিক, উদ্ভাবনী, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়াই সরকারের লক্ষ্য। স্মার্ট বাংলাদেশের রোডম্যাপঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ টাস্কফোর্সের নাম পরিবর্তন করে স্মার্ট বাংলাদেশ টাস্কফোর্স গঠন করেছে সরকার। স্মার্ট বাংলাদেশ পরিকল্পনার অংশ হিসাবে ২০২৫ সালের মধ্যে প্রায় দুই লাখ বিদ্যালয়, ভূমি অফিস, হেলথ কমপ্লেক্সকে ফাইবার অপটিকের আওতায় আনা হবে। অনলাইনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চালু হবে ওয়ান স্টুডেন্ট ও ওয়ান ল্যাপটপ। তরুণ প্রজন্মের মেধা, বুদ্ধি ও জ্ঞানের বিকাশ কেন্দ্র হিসাবে গড়ে উঠবে আইটি বিজনেস ইনকিউবেটর। ইনকিউবেটরে বিটিসিএল-এর মাধ্যমে উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে।ইনকিউবেশন ভবনে একটি স্টার্টআপ জোন, ইনোভেশন জোন, ইন্ডাস্ট্রি- একাডেমিক জোন, ব্রেইনস্টর্মিং জোন, একটি এক্সিবিশন সেন্টার, একটি ই- লাইব্রেরি জোন, একটি ডেটা সেন্টার, রিসার্চ ল্যাব এবং ভিডিও কনফারেন্সিং রুম থাকবে। ৪ দশমিক ৭ একর জায়গার ওপর নির্মিত এই স্থাপনা ডিজিটাল বাংলাদেশ বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের আওতায় অল্টারনেটিভ স্কুল ফর স্টার্টআপ এডুকেটরস অব টুমোরো (অ্যাসেট) করা হবে। বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের আওতায় বাংলাদেশ নলেজ ডেভেলপমেন্ট পার্ক তৈরি করা হবে। অনলাইনে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে চালু হবে ওয়ান স্টুডেন্ট ও ওয়ান ল্যাপটপ। ডিজিটাল সেবা কেন্দ্রীয়ভাবে সমন্বিত ক্লাউডের আওতায় নিয়ে আসা হবে। ডেটা নিরাপত্তা আইন, ডিজিটাল সার্ভিস আইন, শেখ হাসিনা ইন্সটিটিউট অব ফন্ট্রিয়ার টেকনোলজি (শিফট) আইন, ইনোভেশন ডিজাইন অ্যান্ড এন্টারপ্রেনিওরশিপ অ্যাকাডেমি (আইডিয়া) আইন, এজেন্সি ফর নলেজ অন অ্যারোনটিক্যাল অ্যান্ড স্পেস হরাইজন (আকাশ) আইন, ডিজিটাল লিডারশিপ অ্যাকাডেমি আইন ও জাতীয় স্টার্টআপ পলিসি প্রণয়ন। এ বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করবে লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগ। 


আরো ও সাজেশন:-

স্মার্ট বাংলাদেশ বিষয়ে সুধীজনের মন্তব্যঃ স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে মাইন্ডসেট পরিবর্তনের আহ্বান জানিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ডা. দীপু মনি, এমপি, বলেন, আমাদের কার কোন জায়গায় কাজ করার সুযোগ আছে, তার একটি সুনির্দিষ্ট ক্যানভাস তৈরি করতে হবে এবং প্রত্যেকের কাজগুলোর মধ্যে সমন্বয় রাখতে হবে। আমরা বিজ্ঞানমনস্ক, প্রযুক্তিবান্ধব, প্রযুক্তি ব্যবহারে অভ্যস্ত এবং প্রযুক্তি উদ্ভাবনে দক্ষ মানুষ তৈরি করতে চাই। যাদেরকে মানবিক ও সৃজনশীল হতে হবে। হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও হিউম্যানওয়ারকে একসাথে কাজে লাগানোর উপর গুরুত্বারোপ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও হিউম্যানওয়ার তিনটির একসাথে মিললেই বিজয়ী হওয়া সম্ভব। এর মধ্যে হিউম্যানওয়ার তথা মানুষকেই আসল ভূমিকা পালন করতে হবে অন্যথায় সব প্রযুক্তি থাকা সত্ত্বেও তার যথাপোযুক্ত ব্যবহার সম্ভব হবে না। আরএকজন সত্যিকারের মানুষ তৈরির জন্য তাদেরকে কেবল প্রযুক্তিতে দক্ষ করে গড়ে তুললেই হবে না তাদেরকে মানবিক মানুষ হিসেবেও তৈরি করতে হবে। ডিজিটাল কানেক্টিভিটির উপর গুরুত্বারোপ করে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের মাননীয় মন্ত্রী জনাব মোস্তাফা জব্বার বলেন, ডিজিটাল কানেক্টিভিটি হবে পরবর্তী উন্নয়নের মহাসড়ক। এই মহাসড়ক ছাড়া স্মার্ট সিটি বা স্মার্ট টেকনোলজি কোনোটাই বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে না। বাংলাদেশ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারে অনেক এগিয়ে রয়েছে। ২০২১ সালেই আমরা পরীক্ষামূলকভাবে দেশে ফাইভজি (5G) সেবা চালু করেছি এবং এরইমধ্যে ফাইভজি (5G) কানেক্টিভিটি সেবা নিয়ে জনগণের মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা হয়েছে। স্মার্ট সিটি ও স্মার্ট ভিলেজ বিনির্মাণে স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি ও শিক্ষা ক্ষেত্রের উন্নয়নে আমাদেরকে ফাইভজি কানেক্টিভিটির সুবিধাকে কাজে লাগাতে হবে। আইসিটি বিভাগের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব জুনাইদ আহমেদ পলক, এমপি বলেন, ২০৪১ সালের স্মার্ট বাংলাদেশ হবে সাশ্রয়ী, টেকসই, বুদ্ধিভিত্তিক, জ্ঞানভিত্তিক এবং উদ্ভাবনী বাংলাদেশ। স্মার্ট সিটি ও স্মার্ট ভিলেজ বাস্তবায়নের জন্য স্মার্ট স্বাস্থ্যসেবা, স্মার্ট ট্রান্সর্পোটেশন, স্মার্ট ইউটিলিটিজ, নগর প্রশাসন, জননিরাপত্তা, কৃষি, ইন্টারনেট কানেক্টিভিটি ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স, রোবটিক্স, মাইক্রোচিপ ডিজাইনিং অ্যান্ড ম্যানুফেকচারিং ও সাইবার সিকিউরিটি এই চারটি প্রযুক্তিতে আমাদের মনোযোগী হতে হবে। 

উপসংহারঃ ডিজিটাল বাংলাদেশ রূপকল্প ২০২১ এর সফল বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় সরকার এখন ২০৪১ সালের মধ্যে উদ্ভাবনী ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে অত্যাধুনিক পাওয়ার গ্রিড, গ্রিন ইকোনমি, দক্ষতা উন্নয়ন, ফ্রিল্যান্সিং পেশাকে স্বীকৃতি প্রদান এবং নগর উন্নয়নে কাজ করছে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লব বা তার পরবর্তী সময়কে দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা করতে ডিজিটাল সংযুক্তির জন্য যতটুকু প্রস্তুতির প্রয়োজন, সরকার তার অধিকাংশই সুসম্পন্ন করেছে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে শিল্পের বিকাশ, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মী বাহিনী সৃষ্টি এবং পরিবেশ সংরক্ষণকে গুরুত্ব দিয়ে সরকার ধীরে ধীরে চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ বলতে স্মার্ট নাগরিক, সমাজ,অর্থনীতি ও স্মার্ট সরকার গড়ে তোলা হবে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও আর্থিক খাতের কার্যক্রম স্মার্ট পদ্ধতিতে রূপান্তর হবে। এজন্য সরকারি ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং এর উন্নয়নে একটি দক্ষ ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনা কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমন্বিত কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। এছাড়া বিভিন্ন কার্যক্রম ডিজিটাইজেশন করা হবে। মনে রাখতে হবে, স্মার্ট বাংলাদেশ কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের নয়, দেশের ১৬ কোটি মানুষের ধ্যানজ্ঞান ও চিন্তা-ভাবনার কেন্দ্রবিন্দু হতে হবে।

PDF Download স্মার্ট বাংলাদেশ রচনা: 02

স্মার্ট বাংলাদেশ” একটি শব্দ যা বাংলাদেশকে একটি প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত এবং ডিজিটালভাবে ক্ষমতায়িত দেশ হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্নকে বোঝায়। বাংলাদেশ সরকার এই রূপকল্পকে বাস্তবে রূপ দিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করছে, যেমন শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কৃষি এবং অন্যান্য বিভিন্ন খাতে প্রযুক্তির ব্যবহার প্রচার করা। লক্ষ্য হল বাংলাদেশের নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা এবং দেশটিকে উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তার কেন্দ্রে পরিণত করা।

স্মার্ট বাংলাদেশ ভিশন 2041: এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য, সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রচারাভিযানের মতো বেশ কয়েকটি উদ্যোগ চালু করেছে, যার লক্ষ্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) এর ব্যাপক প্রবেশাধিকার প্রদান করা এবং দেশের ই-গভর্নেন্স সিস্টেমের উন্নতি করা। সরকার কম্পিউটার-সাক্ষর নাগরিকের সংখ্যা বৃদ্ধি, উদ্যোক্তা এবং উদ্ভাবনের প্রচার এবং প্রযুক্তি শিল্পের বৃদ্ধির জন্য আরও অনুকূল পরিবেশ তৈরি করার জন্য প্রোগ্রাম চালু করেছে।

“স্মার্ট বাংলাদেশ” বাংলাদেশের ভবিষ্যতের জন্য একটি উচ্চাভিলাষী রূপকল্প, এবং সরকার এটিকে বাস্তবে রূপ দিতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছে। সফল হলে দেশকে একটি সমৃদ্ধ ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত জাতিতে রূপান্তরের সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি খাতের বিভিন্ন উদ্যোগও রয়েছে যা “স্মার্ট বাংলাদেশ” রূপকল্পে অবদান রাখছে। উদাহরণস্বরূপ, অনেক প্রযুক্তি কোম্পানি বাংলাদেশে কার্যক্রম স্থাপন করছে এবং স্থানীয় প্রতিভা বিকাশে বিনিয়োগ করছে। এটি দক্ষ শ্রমিকদের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করেছে এবং অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে সাহায্য করছে।

স্মার্ট বাংলাদেশ” একটি ধারণা যা দেশের আধুনিকীকরণ ও উন্নয়নে প্রযুক্তি এবং উদ্ভাবন ব্যবহার করার ধারণাকে বোঝায়। জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতিতে রূপান্তরের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ – স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সরকারের লক্ষ্য। এর মধ্যে অবকাঠামো, শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যসেবা উন্নত করার উদ্যোগ এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির প্রচার অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। এটি সরকারের দক্ষতা এবং কার্যকারিতা উন্নত করতে এবং নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করতে নতুন প্রযুক্তি গ্রহণের সাথে জড়িত হতে পারে। বাংলাদেশকে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে গড়ে তোলাই এসব প্রচেষ্টার লক্ষ্য।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

এবং মূল উদ্দেশ্য হল এর জনগণের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা। দেশকে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার চারটি ভিত্তি নির্ধারণ করেছে- স্মার্ট নাগরিক, স্মার্ট অর্থনীতি, স্মার্ট সরকার এবং স্মার্ট সোসাইটি। এটি বাংলাদেশকে একটি জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতি ও উদ্ভাবনী দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে। এটি শিক্ষার্থীদের অনলাইন কার্যক্রম নিশ্চিত করবে, ‘এক শিক্ষার্থী, একটি ল্যাপটপ, একটি স্বপ্ন’ এর অধীনে শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ সহায়তা কার্যক্রম চালিয়ে যেতে। আইসিটি বিভাগ এটি বাস্তবায়ন করবে। ক্ষুদ্র, কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের জিডিপি অবদান বাড়ানোর জন্য এন্টারপ্রাইজ-ভিত্তিক ব্যবসাগুলিকে বিনিয়োগ-বান্ধব স্টার্টআপ হিসাবে প্রস্তুত করা।

স্মার্ট বাংলাদেশে সবকিছুই নির্ভর করবে প্রযুক্তির ওপর। প্রযুক্তি ব্যবহারে নাগরিকরা দক্ষ হবে। সমগ্র অর্থনীতি প্রযুক্তি দ্বারা পরিচালিত হবে। এ ব্যাপারে সরকার ও সমাজকে স্মার্ট করার ব্যাপক প্রচেষ্টা ইতিমধ্যেই হাতে নেওয়া হয়েছে।


রচনা ,প্রবন্ধ উত্তর লিংক ভাবসম্প্রসারণ উত্তর লিংক
আবেদন পত্র ও Application উত্তর লিংক অনুচ্ছেদ রচনা উত্তর লিংক
চিঠি Letter উত্তর লিংক প্রতিবেদন উত্তর লিংক
ইমেলEmail উত্তর লিংক সারাংশ ও সারমর্ম উত্তর লিংক
Paragraphউত্তর লিংক Compositionউত্তর লিংক
CVউত্তর লিংক Seen, Unseenউত্তর লিংক
Essayউত্তর লিংক Completing Storyউত্তর লিংক
Dialog/সংলাপউত্তর লিংক Short Stories/Poems/খুদেগল্পউত্তর লিংক
অনুবাদউত্তর লিংক Sentence Writingউত্তর লিংক

প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com

আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও

Leave a Comment