My Ads
একটি দর্শনীয় স্থানে আপনার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে দশটি বাক্য লিখুন, একটি দর্শনীয় স্থানে আপনার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে
১। একটি দর্শনীয় স্থানে আপনার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে দশটি বাক্য লিখুন ৷ উত্তর: ০১
উত্তর: কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে আমার ভ্রমণের অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে নিচে দশটি বাক্য দেওয়া হলো:
১. গত বছর আমি বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত কক্সবাজার ভ্রমণে গিয়েছিলাম ।
২. সমুদ্রের নীল জলরাশি এবং বিশাল ঢেউ দেখে প্রথমবার আমার এক অদ্ভুত রোমাঞ্চ অনুভূত হয়েছিল ।
৩. সৈকতে দাঁড়িয়ে ঢেউয়ের সেই ছন্দময় গর্জন শোনা ছিল আমার জন্য সবচেয়ে প্রশান্তিদায়ক মুহূর্ত ।
৪. বালুকাময় সৈকতে হাঁটার সময় আমি সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করেছি।
৫. বিশেষ করে গোধূলি বেলায় লাল সূর্যটা যখন ধীরে ধীরে সাগরে মিলিয়ে যাচ্ছিল, সেই দৃশ্যটি ছিল অবিস্মরণীয়।
৬. আমরা ইনানী সৈকতে গিয়েছিলাম, যেখানে পাথরের ওপর আছড়ে পড়া জলরাশি দেখা যায়।
৭. হিমছড়ি পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে উপর থেকে সমুদ্রের বিশালতা দেখে আমি মুগ্ধ হয়েছি।
৮. সমুদ্র ভ্রমণের পাশাপাশি স্থানীয় সুস্বাদু সামুদ্রিক মাছের স্বাদ নেওয়া ছিল দারুণ এক অভিজ্ঞতা ।
৯. বন্ধুদের সাথে কাটানো সেই মুহূর্তগুলো এবং খোলা বাতাসে সময় কাটানো আমার সব ক্লান্তি দূর করে দিয়েছিল।
১০. এই ভ্রমণ আমাকে কেবল আনন্দই দেয়নি, বরং প্রকৃতির প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।
My Ads
| Honors Suggestion Links | প্রশ্ন সমাধান সমূহ |
| Degree Suggestion Links | BCS Exan Solution |
| HSC Suggestion Links | 2016 – 2026 জব পরীক্ষার প্রশ্ন উত্তর |
| SSC & JSC Suggestion Links | বিষয় ভিত্তিক জব পরিক্ষার সাজেশন |
১। একটি দর্শনীয় স্থানে আপনার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে দশটি বাক্য লিখুন ৷ উত্তর: ০২
১) গত গ্রীষ্মে আমি সাজেক ভ্যালি ভ্রমণে গিয়েছিলাম, আর পাহাড়ের নীরবতা আমাকে সঙ্গে সঙ্গেই টেনেছিল।
২) আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথে যেতে যেতে চারপাশের সবুজ প্রকৃতি চোখ জুড়িয়ে দিয়েছিল।
My Ads
৩) মেঘ আর পাহাড় যখন একসাথে মিশে যায়, তখন দৃশ্যটা স্বপ্নের মতো লাগে।
৪) ভোরবেলায় সূর্য ওঠার সময় চারদিকে হালকা কুয়াশা ছড়িয়ে ছিল।
আরি পড়ুন ›নগদান বই ও নগদ প্রবাহ বিবরণীর কি একই?, নগদান বই ও নগদ প্রবাহ বিবরণীর বৈসাদৃশ্য গুলো তুলে ধর, নগদান বই ও নগদ প্রবাহ বিবরণীর পার্থক্য নির্দেশ করনগদান বই ও নগদ প্রবাহ বিবরণীর কি একই?, নগদান বই ও নগদ প্রবাহ বিবরণীর…
আরি পড়ুন ›ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের IDB কার্যাবলী আলোচনা কর,ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যাবলী,IDB-এর কার্যক্রমের গুরুত্বইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের IDB কার্যাবলী আলোচনা কর,ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যাবলী ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক…
আরি পড়ুন ›বকেয়া ভিত্তিক ও নগদ ভিত্তিক হিসাবের পদ্ধতি পার্থক্য,নগদ ও বকেয়া হিসাবরক্ষণ মধ্যে পার্থক্য দেখাও?,বকেয়া ভিত্তিক ও নগদ ভিত্তিক হিসাবের মধ্যে পার্থক্য কি, বকেয়া ও নগদ ভিত্তিক হিসাবের মধ্যে পার্থক্য কিপ্রশ্ন সমাধান: বকেয়া ভিত্তিক ও নগদ ভিত্তিক হিসাবের পদ্ধতি পার্থক্য,নগদ ও বকেয়া হিসাবরক্ষণ মধ্যে…
৫) ছোট ছোট পাহাড়ি ঘর আর স্থানীয় মানুষের সহজ জীবন আমাকে নতুনভাবে ভাবতে শিখিয়েছিল।
৬) সাজেকের ঠান্ডা হাওয়ায় দীর্ঘক্ষণ বসে থাকলেও ক্লান্তি লাগেনি।
৭) সন্ধ্যায় আকাশে তারার আলো পাহাড়কে আরও রহস্যময় করে তুলেছিল।
My Ads
৮) শহরের কোলাহল থেকে এত দূরে এসে মনটা হালকা হয়ে গিয়েছিল।
৯) এই ভ্রমণ আমাকে প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার আনন্দ বুঝিয়েছিল।
১০) সাজেক থেকে ফিরে এসেও পাহাড় আর মেঘের সেই দৃশ্য মনে গেঁথে আছে।
[ বি:দ্র: উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
১। একটি দর্শনীয় স্থানে আপনার ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে দশটি বাক্য লিখুন ৷ উত্তর: ০৩
ভ্রমণ আমাদের বর্তমান জীবনের এমন একটি অংশ যাকে অস্বীকার করে কোনোভাবেই ভালো থাকা যায় না। ভ্রমণ আমাদের ক্লান্তি ও গ্লানিতে ভরে ওঠা মনকে পুনরায় কোন এক জাদুকাঠির ছোঁয়ায় সতেজ করে তোলে। আমি আদ্যোপান্ত একজন ভ্রমণপিপাসু বাঙালি।
প্রত্যেক বছর কোথাও-না-কোথাও ব্যস্ত জীবন থেকে কিছুদিনের মুক্তি খুঁজে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আমি ছুটে যাই। তেমনই আমার এই বছরের ভ্রমণ গন্তব্য মোহময়ী সুন্দরবন। আমাদের গন্তব্য সুন্দরবনের যাত্রা শুরু হয় শিয়ালদা স্টেশন থেকে। এইখান থেকে লোকাল ট্রেনে চেপে ক্যানিং স্টেশন হয়ে বাস কিংবা অটোতে আমরা পৌছে গেছিলাম সোনাখালি লঞ্চঘাট। সেখান থেকে লঞ্চে করে সুন্দরবনের বুকে একটু একটু করে আমাদের প্রবেশ শুরু। লঞ্চে ওঠার পর থেকেই মুহূর্তে মুহূর্তে চারপাশের দৃশ্য বদলে যেতে থাকে।
বেশ খানিকটা যাওয়ার পর দেখা যায় বিভিন্ন ধরনের নাম-না-জানা গাছ, পাখিদের মিষ্টি আওয়াজ নদীর দুপাশ থেকে কানে ভেসে আসে। লঞ্চ থেকে জলের দিকে চোখ পড়তেই দেখতে পেলাম বিখ্যাত গাঙ্গেয় ডলফিন বা চলতি ভাষায় যাকে বলা হয় শুশুক। তারপর লঞ্চ থেকে যখন নামলাম তখন সূর্য প্রায় পশ্চিম গগনে ঢলে পড়ার মুখে। শীতের দিন বলে একটু শীত শীত করতে লাগলো। সুন্দরবন প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যে ভরপুর। আমাদের যে গাইড তার কাছ থেকেই জানতে পারলাম ভারত-বাংলাদেশ এই দুই দেশ জুড়ে বিস্তৃত সুন্দরবনে প্রায় ৩৫০ প্রজাতির উদ্ভিদ পাওয়া যায়। এর মধ্যে অধিকাংশই ম্যানগ্রোভ জাতীয় উদ্ভিদ। পৌঁছনোর পরেরদিন জঙ্গল সাফারিতে বেরিয়ে দেখতে পেলাম ঘন বনের ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো এসে পড়েছে মাটিতে।
বিভিন্ন নাম না জানা গাছ, পাখিদের আওয়াজ আর অদ্ভূত এক মায়াবী নিস্তব্ধতা সমগ্র প্রকৃতিকে যেন ঘিরে রেখেছে। এরইমধ্যে শ্বাসমূল আর ঠেস মূল যুক্ত গাছগুলি পরিবেশকে আরো মায়াবী করে তুলেছে। পথে চলতে চলতে চোখে পড়ল বিভিন্ন ধরনের অত্যন্ত সুন্দর সুন্দর সব ফুল আর লতা গুল্ম। গাইডের থেকে শুনলাম এই জঙ্গলে বহু ধরনের ভেষজ উদ্ভিদ পাওয়া যায়। সবচেয়ে মনমুগ্ধকর গাছ গুলির মধ্যে চোখে পড়ল বিখ্যাত সুন্দরী, গরান ও গেওয়া গাছ।
সুন্দরবনের জঙ্গলের আরেকটি সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো এখানকার প্রাণীকুল। সুন্দরবনের স্থলভাগ বিভিন্ন ধরনের প্রাণীদের স্বর্গরাজ্য। এদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো রয়েল বেঙ্গল টাইগার। যদিও বর্তমানে বাঘের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার দরুন সহজে বাঘ চোখে পড়ে না।
জঙ্গল সাফারির প্রথম দিনে আমরাও বাঘ দেখতে পাইনি। তবে চোখে যা পড়েছিল তা কোনো অংশে কম নয়। দূর থেকে আমরা দেখেছিলাম সুন্দরবনের বিখ্যাত চিত্রা হরিণের পাল জল খেতে এসেছে নদীর ধারে; গাছের ডাল থেকে উড়ে যাচ্ছে অদ্ভূত সুন্দর রঙের পাখিরা।এছাড়া চোখে পড়ল গোসাপ, বন বিড়াল আরো কত কি। চলতে চলতে লোকমুখে জানতে পারলাম সুন্দরবনের জঙ্গলে অত্যন্ত সুদর্শন কিন্তু ভয়ংকর বিষাক্ত বহু সাপ রয়েছে। তাদের থেকে সাবধান থাকার জন্য ভ্রমণের সময় সঙ্গে গাইড এবং কার্বলিক অ্যাসিড রাখা বাধ্যতামূলক।বাঙালি একদিকে যেমন ভ্রমণপিপাসু, আরেকদিকে তেমন খাদ্যরসিকও বটে। তাই ভ্রমণে গিয়ে স্থানীয় রসনার স্বাদ না নিলে সেই ভ্রমণ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। এই উদ্দেশ্যেই সুন্দরবনের বিভিন্ন খাবার চেখে দেখতে গিয়ে অভিভূত হয়ে পড়লাম।
এখানকার স্থানীয়দের মাটির হাঁড়িতে রান্না করা বন মোরগের মাংসের ঝোলের স্বাদ কোনদিন ভুলতে পারবোনা। তাছাড়া জলবিহারের দিন লঞ্চের রান্না হওয়া কাঁকড়ার ঝোলও ছিল অনবদ্য। এছাড়া এখানকার বন থেকে সংগ্রহ করা খাটি মধুর কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হয়। বাকি দিনগুলিতে বিভিন্ন ধরনের টাটকা সুস্বাদু মাছ আমাদের রসনা তৃপ্তি ঘটিয়েছিল।
এইভাবে কয়েকটি দিন সুন্দরবনে প্রকৃতির কোলে কাটিয়ে আমরা পুনরায় নিজেদের জীবনে ফিরে এলাম। ফিরে আসার জন্য আমরা বেছে নিয়েছিলাম জলপথকে। অর্থাৎ সুন্দরবন থেকে সরাসরি লঞ্চে করে পুনরায় শহরে ফিরে আসা। সেই অভিজ্ঞতাও অদ্ভুত সুন্দর ছিল।
প্রকৃতির এই পরম আশ্রয়ে ওই কয়েকটি দিন আমার পরবর্তী সারা বছরের জন্য বাঁচার রসদ জুগিয়ে দিল। সেজন্যই হয়তো আজও রাতে শহরের ঘরের নরম বিছানায় ঘুমাতে গেলে লঞ্চে কাটানো রাতের সেই জোছনাময় জঙ্গলের কথা কিংবা ট্রি-হাউজের জানালা থেকে পূর্ণিমার রাতে বাঘ দেখার স্মৃতি মনে ভেসে আসে। এখানেই ভ্রমণের প্রকৃত সার্থকতা।
My Ads
| রচনা ,প্রবন্ধ | উত্তর লিংক | ভাবসম্প্রসারণ | উত্তর লিংক |
| আবেদন পত্র ও Application* | উত্তর লিংক | অনুচ্ছেদ রচনা | উত্তর লিংক |
| চিঠি ও Letter* | উত্তর লিংক | প্রতিবেদন* | উত্তর লিংক |
| ইমেল ও Email* | উত্তর লিংক | সারাংশ ও সারমর্ম* | উত্তর লিংক |
My Ads
My Ads
| Paragraph | উত্তর লিংক | Composition | উত্তর লিংক |
| CV* | উত্তর লিংক | Seen, Unseen* | উত্তর লিংক |
| Essay | উত্তর লিংক | Completing Story* | উত্তর লিংক |
| Dialog/সংলাপ* | উত্তর লিংক | Short Stories/Poems/খুদেগল্প* | উত্তর লিংক |
| অনুবাদ* | উত্তর লিংক | Sentence Writing* | উত্তর লিংক |
My Ads
My Ads