Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
১৯৭০ নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন কারন
১৯৭০ সালের ৫ অক্টোবর জাতীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তানে বন্যা হয়।
স্বভাবতই নির্বাচনের তারিখ পুনঃ নির্ধারিত হয়ে জাতীয় পরিষদের নির্বাচন ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর এবং প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের তারিখ নির্দিষ্ট হয় ১৭ ডিসেম্বর।
কিন্তু ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বর দক্ষিণ বাংলায় এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় প্রায় দুই লক্ষ লোকের জীবন কেড়ে নেয়।
ঘূর্ণিঝড় আক্রান্ত এলাকা এক ধ্বংসযজ্ঞে পরিণত হয়। এই বিপর্যয়ের প্রেক্ষিতে প্রায় সকল দল নির্বাচন পিছিয়ে দেয়ার দাবি জানায়।
কিন্তু আওয়ামী লীগ তার দৃঢ় প্রতিবাদ করে। অবশেষে নির্বাচন পূর্বঘোষিত সময় অনুসারেই অনুষ্ঠিত হয়।
৭০ নির্বাচনের তারিখ পরিবর্তন কারন
তবে জাতীয় পরিষদের ৯টি এবং প্রাদেশিক পরিষদের ২১টি ঘূর্ণি-উপদ্রুত নির্বাচনী এলাকার নির্বাচন এক মাস পর অর্থাৎ ১৯৭১ সালের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয়।
১৯৭০ সালের নির্বাচনের তারিখ কেন পরিবর্তন করা হয়েছিল
১৯৭০ সালের নির্বাচনের ফলাফল : ১৯৭০ সালের নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। পূর্ব পাকিস্তানে ভোটের হার ছিল ৫৫.০৯% এবং সমগ্র পাকিস্তানে ছিল ৫৭.৯৫%। জাতীয় পরিষদ নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তানে আওয়ামী লীগ প্রদত্ত ভোটের ৭৫.১০% এবং ১৬২টি আসনের মধ্যে ১৬০টি লাভ করে।
আরি পড়ুন ›বাণিজ্য ভারসাম্য কদাচিৎ সমতা হয় আলোচনা করবাণিজ্য ভারসাম্য কদাচিৎ সমতা হয় আলোচনা কর বাণিজ্য ভারসাম্য কদাচিৎ সমতা হয়—এটি একটি বাস্তবতা,…
আরি পড়ুন ›ব্যবসায়িক অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ঝুঁকি সংজ্ঞা দাওব্যবসায়িক অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ঝুঁকি সংজ্ঞা দাও অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ ঝুঁকি (Internal Control Risk) বলতে বোঝায়…
আরি পড়ুন ›ইসলামিক ব্যাংকের বিনিয়োগ শর্ত সমূহ কি কি, ইসলামিক বিনিয়োগ সেবা, ব্যাংকের বিনিয়োগ শর্ত সমূহ কি কি, বিনিয়োগ নীতি কী?,বিনিয়ােগের ক্ষেত্রে ইসলামি ব্যাংককে যে সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়প্রশ্ন সমাধান: ইসলামিক ব্যাংকের বিনিয়োগ শর্ত সমূহ কি কি ইসলামিক ব্যাংকের বিনিয়োগ শর্ত সমূহ…
অবশিষ্ট ২ আসনের মধ্যে ১টি পান পি. ডি. পির নূরুল আমিন অপরটি স্বতন্ত্র পার্টির চাকমা রাজা ত্রিবিদ রায়। পূর্ব পাকিস্তানে প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৭০.৪৮% ভোট এবং ৩০০টি আসনের মধ্যে ২৮৮টি লাভ করে।
অবশিষ্ট ১২টি আসনের মধ্যে পি.ডি.পি ২টি, ন্যাপ ১টি, জামায়াত ১টি, স্বতন্ত্র প্রার্থী ৮টি আসন পায়। জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য সংরক্ষিত ৭টি মহিলা আসনের সবকয়টি লাভ করে আওয়ামী লীগ।
ফলে ৩১৩ সদস্য বিশিষ্ট পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে মোট ১৬৭টি আসন পেয়ে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
জাতীয় পরিষদে পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য বরাদ্দকৃত আসনের মধ্যে পি. পি. পি ৮৩টি, ন্যাপ ৬টি, মুসলিম লীগ কাইউম ৯টি, মুসলিম লীগ কাউন্সিল ৭টি,
মুসলিম লীগ কনভেনশন ২টি, জামায়াত-ই-ইসলাম ৪টি, জমিয়াত-ই-উলামা- ই-পাকিস্তান ৭টি, জমিয়াতে-ই-উলামা ৭টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীগণ ১৪টি আসন লাভ করে।
পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য সংরক্ষিত ৬টি মহিলা আসনের মধ্যে পি. পি. পি. পায় ৫টি,
ন্যাপ পায় ১টি আসন। উপর্যুক্ত আলোচনা অর্থাৎ তালিকায় দেখা যায় যে, আওয়ামী লীগ ১৯৭০ সালের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে ।
My Ads
আরি পড়ুন ›আথিক ঝুঁকি হ্রাসের পদ্ধতি,আর্থিক ঝুঁকি কিভাবে কমানো যায়?আথিক ঝুঁকি হ্রাসের পদ্ধতি,আর্থিক ঝুঁকি কিভাবে কমানো যায়?
আরি পড়ুন ›জল দূষণ কাকে বলে, জল দূষণের প্রকারভেদ , জল দূষণের কারণ, জল দূষণের ফলাফল ও প্রভাবসমূহজল দূষণ কাকে বলে, জল দূষণের প্রকারভেদ , জল দূষণের কারণ, জল দূষণের ফলাফল…
আরি পড়ুন ›লোক প্রশাসন অধ্যয়নের প্রয়োজনীয়তা, লোক প্রশাসনের প্রয়োজনীয়তা কি?, লোক প্রশাসন অধ্যয়নের গুরুত্ব,যে কারণে পড়বেন লোকপ্রশাসন, লোক প্রশাসনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করলোক প্রশাসন অধ্যয়নের প্রয়োজনীয়তা, লোক প্রশাসনের প্রয়োজনীয়তা কি?, লোক প্রশাসন অধ্যয়নের গুরুত্ব,যে কারণে পড়বেন…