Subscribe Now!
বাংলানিউজ এক্সপ্রেসের এক্সক্লুসিভ সব আপডেট সবার আগে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।
My Ads
‘মুযারাবা’ তথা ‘একজনের অর্থ আরেকজনের শ্রম’ ভিত্তিতে ব্যবসা করার পদ্ধতি ও বিধিবিধান
▬▬▬▬◉◈◉▬▬▬▬
প্রশ্ন: এক ব্যক্তি নিজে ব্যবসা করতে পারে না বিধায় আরেকজনকে ব্যবসার জন্য অর্থ দিল। এখন যদি ব্যবসা কারী তার ইচ্ছেমত অর্থ দাতাকে কিছু লভ্যাংশ দেয় তাহলে কি তা বৈধ হবে না কি তা সুদ হিসেবে গণ্য হবে? এভাবে ব্যবসা করার বিধান কি?
উত্তর:
ইসলামের দৃষ্টিতে ’একজনের অর্থ আরেকজনের শ্রম’ ভিত্তিতে ব্যবসা করা জায়েজ আছে। ফিকহের পরিভাষায় এটাকে বলা হয় ’মুযারাবা’।
● এ ক্ষেত্রে ব্যবসায় লাভ হলে উভয়ে চুক্তি অনুযায়ী লাভের অংশ ভাগাভাগি করে নিবে। (দ্রষ্টব্য: আল মাউসূআতুল ফিকহিয়াহ বা ফিকাহ বিশ্বকোষ ৮/১১৬)
● ব্যবসায় যদি মূলধন ক্ষতিগ্রস্ত হয় তাহলে যার অর্থ সে পরিপূর্ণ ক্ষতি বহন করবে কিন্তু যে ব্যক্তি শুধু শ্রম দিয়েছে সে আর্থিক কোনো ক্ষতি বহন করবেন না। কারণ তার শ্রম বিফলে যাওয়ায় ইতোমধ্যে সে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
● আর যদি লাভ-লোকসান কোনোটাই না হয় তাহলে যার মূলধন সে তা ফেরত নিবে।
আরো
লাইসেন্স বিহীন অনলাইন ব্যবসা এবং ভেজাল পণ্য বিক্রয়ের বিধান
আরি পড়ুন ›“ছোঁয়াচে বলতে কোন রোগ নেই” – হাদিসের ব্যাখ্যায় মডার্ন ইসলামি আলেমদের বিভাজন"লা আদওয়া" সংক্রমন নেই!হাদীসটি কী বুঝায়? সংক্রমণ বনাম আকিদা,লাযিম বনাম #মুতাআদ্দী! 🕳 রোগ ছড়ায়…
আরি পড়ুন ›বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার দোয়া,বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার দোয়া,যে কোন বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার দোয়া,বিপদ আপদ থেকে মুক্তি পাওয়ার দোয়া,বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়ার দোয়া,বিপদ আপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার দোয়াবিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার দোয়া,বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার দোয়া,যে কোন বিপদ থেকে রক্ষা পাওয়ার…
আরি পড়ুন ›দরুদে ইব্রাহিমের ফজিলত,আল্লাহ্ নিজে দরুদে ইব্রাহিম পড়তে বলেছেন,দরুদে ইব্রাহিম পড়লে কি হয় ?,দরুদ শরীফ পাঠের ফজিলত আল্লামা মামুনুল হকআজকের বিষয়: দরুদ শরীফের ১০০টি চমৎকার উপকারীতা,দরুদে ইব্রাহিম পড়ার গুরুত্ব ও ফজিলত, জুমার দিন…
‘মুযারাবা’ তথা ‘একজনের অর্থ আরেকজনের শ্রম’ ভিত্তিতে ব্যবসা করার পদ্ধতি ও বিধিবিধান
এ পদ্ধতিতে ব্যবসা করায় ইসলামে কোনো বাধা নেই।
আবু নুয়াঈম প্রমুখ বর্ণনা করেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম খাদিজা রা.কে বিয়ে করার পূর্বে এই মুযারাবা পদ্ধতিতে তার মালামাল মক্কা থেকে শাম (সিরিয়া) নিয়ে ব্যবসা করেছেন। সাহাবীদের যুগেও এটি প্রচলিত ছিলো। মূলত: এ ব্যবসা প্রথাটি জাহেলী যুগ থেকেই প্রচলিত। পরবর্তীতে ইসলাম তার অনুমোদন দিয়েছে।
এ ধরণের ব্যবসার ক্ষেত্রে শর্ত হল, দু জনের মধ্যে কে কী পরিমাণ লাভ নিবে অবশ্যই তা পূর্বেই নির্ধারণ করতে হবে। যেমন: ৪০%, ৫০%, ৬০% ইত্যাদি। যে শ্রম দিয়ে ব্যবসা করছে তার ইচ্ছার উপর লাভের পরিমাণ ছেড়ে দেয়া শরিয়ত সম্মত নয়।
অন্যথায় সময়ের ব্যবধানে উভয়ের মাঝে মনোমালিন্য ও ভুল বুঝাবুঝির সৃষ্টি হতে পারে। আর ইসলাম চায় স্বচ্ছতা। তাই এ সমস্যা থেকে আত্মরক্ষার জন্য ব্যবসা শুরু করার পূর্বেই লাভের পার্সেন্টিজ নির্ধারণ করা জরুরি। আল্লাহু আলাম।
▬▬▬▬◉◈◉▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
জুবাইল, সৌদি আরব
- ডেবিট ও ক্রেডিট নির্ণয় করার নিয়মগুলো দেখাও
- নগদ প্রবাহ বিবরণী কী? আধুনিক ব্যবসায়ে নগদ প্রবাহ বিবরণীর গুরুত্ব বা উপকারিতাসমূহ আলোচনা করো।
- আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণের হাতিয়ারসমূহ আলোচনা কর,আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ কী?, আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণের প্রধান হাতিয়ার বা পদ্ধতিসমূহ বিস্তারিত আলোচনা করো।
- ভার্চুয়াল ব্যাংকিং কি,ভার্চুয়াল ব্যাংকিং বলতে কী বোঝায়?
- ব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞানের উদ্দেশ্য বর্ণনা কর, ব্যবস্থাপনা হিসাববিজ্ঞান কাকে বলে?
My Ads