Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
প্রশ্ন সমাধান: বাংলাদেশে ইসলামি ব্যাংকিং এর সমস্যাসমূহ আলোচনা কর, ইসলামি ব্যাংকিং এর সমস্যাসমূহ আলোচনা কর, ইসলামী ব্যাংকিং-এর অগ্রগতি : সমস্যা, ইসলামী ব্যাংকিং সমস্যা
বাংলাদেশে বেসরকারি খাতে যে ইসলামি ব্যাংকগুলো কাজ করছে তারা বিভিন্ন সমস্যার কারণে প্রয়োজনীয় গতিশীলতা অর্জন করতে পারছে না। নিম্নে বাংলাদেশের ব্যাংকিং ব্যবস্থা ইসলামি কারণের পথে যে সমস্যাসমূহ বিদ্যমান তা আলোচনা করা হলো :
১. দক্ষ ইসলামি ব্যাংকারের অভাব : বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থা ধর্মনিরপেক্ষ প্রকৃতির হওয়ায় ইসলামি আদর্শিক বিষয়সমূহ যেমন- ইসলামি অর্থনীতি, ইসলামি ব্যাংকিং এবং ইসলামি অর্থায়ন ও বিনিয়োগ ইত্যাদি আমাদের দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে পড়ানো হয় না বললেই চলে। এছাড়া এসকল বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষালাভেরও খুব একটা সুযোগ নেই বললেই চলে। ফলে প্রতি বছর যে সকল শিক্ষার্থী শিক্ষাজীবন শেষে ব্যাংকিং পেশায় আত্মনিয়োগ করে তাদের ইসলামি ব্যাংকিং সম্পর্কে খুব একটা জ্ঞান থাকে না। স্বাভাবিকভাবে ইহা ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার পক্ষে অন্যতম প্রধান একটি অন্তরায়।
২. ইসলামি করনীতির অভাব : বাংলাদেশ সরকারের করনীতি ইসলামি শরিয়াহভিত্তিক না হওয়ার ইসলামি কর ব্যবস্থায় বৈধভাবে অর্জিত মুনাফাও কালো টাকায় পরিণত হয়ে যেতে পারে। যা উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগে নিয়োজিত না হয়ে অপচয় মূলক ভোগ ব্যয় হয়ে যেতে পারে।
আরো ও সাজেশন:-
৩. সরকারের কার্যকর পদক্ষেপের অভাব : বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর তৎকালীন রাষ্ট্র প্রধান ধর্মনিরপেক্ষ মতবাদ সংবিধানে সংযোগ করে এবং সমাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করার উদ্যোগ নেয়। বর্তমান সরকার পূর্বের সংবিধান পরিবর্তন করে ধর্মনিরপেক্ষতার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে। ফলে ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনাও ব্যাংকিং চর্চার উপর এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
৪. আইনগত কাঠামোর অভাব : বিশ্বের অন্যান্য ইসলামি প্রধান দেশগুলোতে সুদমুক্ত ব্যাংকিং এর জন্য আইন প্রণয়ন করা হলেও বাংলাদেশ এখনও এর কোনো আইনগত কাঠামো গড়ে ওঠেনি। ইসলামি ব্যাংকিং কাঠামোর সাথে বাংলাদেশে প্রচলিত | ব্যাংকিং আইনের সামঞ্জস্য না থাকায় ইসলামি ব্যাংকগুলো তাদের কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা করতে পারছে না।
৫. ইসলামি বিনিয়োগ পরিবেশের অভাব : বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ হলেও এখানে আজও ইসলামি বিনিয়োগ পরিবেশ গড়ে ওঠেনি। এখানে সুদভিত্তিক ব্যবসায় ও ব্যাংকিং কার্যক্রম প্রচলিত। ইসলামি নীতিমালা ও শরিয়াহ অনুযায়ী আর্থ সামাজিক কাঠামো গড়ে না ওঠায় এখানে ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার কোনোরূপ অগ্রগতি হচ্ছে না ।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
আরি পড়ুন ›Write a composition on ‘Eid Festival’, Short composition on Eid Festival, Write a essay on ‘Eid Festival’, Short essay on Eid Festival,article on Eid Festival, Eid Festival Essay,Write A composition Eid Festival, Essay : Eid Festivalবিষয়: Write a composition on ‘Eid Festival’, Short composition on Eid Festival, Write a…
আরি পড়ুন ›শিল্পোদ্যোগ পরিবেশের উপর প্রভাব বিস্তারকারী উপাদানসমূহ আলোচনা কর, শিল্পোদ্যোগ পরিবেশের উপর কি কি উপাদান প্রভাব বিস্তার করে থাকে?,বাংলাদেশের শিল্পের পরিবেশের উপর প্রভাব বিস্তারকারী উপাদানসমূহশিল্পোদ্যোগ পরিবেশের উপর প্রভাব বিস্তারকারী উপাদানসমূহ আলোচনা কর, শিল্পোদ্যোগ পরিবেশের উপর কি কি উপাদান…
আরি পড়ুন ›NU All SyllabusSelect your department ↴ Bachelor of Arts (B.A.) Pass Course Syllabus Bachelor of Business…
৬. ইসলামি আর্থিক উপাদানের প্রচলন না থাকা : বিভিন্ন ইসলামি আর্থিক উপাদান যেমন মুদারাবা সার্টিফিকেট ইসলামিক বিনিয়োগ সার্টিফিকেট মুদারাবা বন্ড পার্টিপেশন টার্ম সার্টিফিকেট, ইসলামি বাণিজ্যিকপত্র ও সলিডারিটি বন্ড ইত্যাদির প্রচলন না থাকায় বাংলাদেশের ইসলামি ব্যাংকিং কার্যক্রম নৈতিক প্রভাব পড়ছে ।
৭. সুদযুক্ত অর্থনীতি : বাংলাদেশ একটি মুসলিম প্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও আজ এখানে সুদযুক্ত আর্থিক পরিবেশ গড়ে ওঠেনি। ইসলামি ব্যাংক ব্যবস্থায় সুদভিত্তিক কার্যক্রমকে সম্পূর্ণ পরিহার করা হয় বিধায় এদেশের ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থা পিছিয়ে পড়েছে।
৮. সুদমুক্ত সরকারি আর্থায়ন পদ্ধতির অভাব : সরকারের ঘাটতি অর্থায়ন পূরণের জন্য বিভিন্ন মেয়াদি সুদমুক্ত বন্ড সার্টিফিকেট চালু না হওয়ায় ইসলামি ব্যাংকগুলো তাদের উদ্বৃত্ত তারল্য খাটাতে পারছে না। বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়ন প্রক্রিয়া সুদমুক্ত না হওয়াও ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার সম্প্রসারণের পথে একটি প্রধান সমস্যা।
৯. ইসলামি গবেষণার অভাব : ইসলামি ব্যাংকসমূহের শরিয়াহভিত্তিক পরিচালনা নিশ্চিত করাও তাদের নিয়ন্ত্রণ করা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্ব। বাংলাদেশ ব্যাংকের গবেষণা বিভাগে ১৪ই ডিম্বের ১৯৯২ তারিখে ইসলামি অর্থনীতি সেল নামে একটি সেল গঠন করা হয়েছে। উক্ত সেলে ইসলামি অর্থনীতিও ব্যাংকিং বিষয়ে সংগঠিত গবেষণাকর্ম পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হলেও তা আজও কোনো কার্যক্রম ভূমিকা পালন করতে পারেনি।
১০. প্রচারণার অভাব : ইসলামি অর্থনীতিও ব্যাংকিং সম্পর্কে দেশের জনসাধারণের মধ্যে সচেতন সৃষ্টি জন্য আজও সরকারি বা বেসরকারিভাবে কোনোরূপ কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। ইসলামি ব্যাংক প্রশিক্ষণও গবেষণা একাডেমী এবং ইসলামি অর্থনীতি গবেষণা বিভাগ এক্ষেত্রে যে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তা প্রয়োজনের তুলনায় যৎসামান্য ।
My Ads
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও
আরি পড়ুন ›Honors 4th Year Economic Thought SuggestionHonors 4th Year Economic Thought Suggestion, Economic Thought Suggestion PDF, short suggestion Honors 4th…
আরি পড়ুন ›কাজী আব্দুল ওদুদের রাষ্ট্রদর্শন ব্যাখ্যা কর, রাজনৈতিক চিন্তার ক্ষেত্রে কাজী আব্দুল ওদুদের অবদান বর্ণনা কর, রাজনৈতিক চিন্তার ক্ষেত্রে কাজী আব্দুল ওদুদের অবদান আলোচনা করকাজী আব্দুল ওদুদের রাষ্ট্রদর্শন ব্যাখ্যা কর, রাজনৈতিক চিন্তার ক্ষেত্রে কাজী আব্দুল ওদুদের অবদান বর্ণনা…
আরি পড়ুন ›অষ্টম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের দশম অধ্যায় ‘ইভটিজিং’ইভ টিজিং প্রকাশ্যে যৌন হয়রানি, পথেঘাটে উত্ত্যক্ত করা বা পুরুষ দ্বারা নারী নিগ্রহনির্দেশক একটি…
- মোড়কীকরণের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর, মোড়কীকরণ কী? পণ্য বিপণনে মোড়কীকরণের গুরুত্ব বা তাৎপর্য আলোচনা করো।

- একটি প্রতিষ্ঠানের শক্তিশালী ব্র্যান্ড উন্নয়ন কৌশল আলোচনা কর

- সেবার বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।, সেবার বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।

- ভোগ্যদ্রব্যের/পণ্যের শ্রেণিবিভাগগুলো আলোচনা কর, চিত্রের সাহায্যে ভোগ্যপণ্যের শ্রেণিবিভাগ দেখাও

- ভোক্তার আচরণে বা ক্রয় সিদ্ধান্তে প্রভাববিস্তারকারী সাংস্কৃতিক উপাদানসমূহ আলোচনা কর

- ভোক্তা বাজার বিভক্তিকরণের ভিত্তিসমূহ আলোচনা কর
