Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
বিষয়: পরিযায়ী পাখি একটি অনুচ্ছেদ লিখুন, অনুচ্ছেদ পরিযায়ী পাখি , অনুচ্ছেদ পরিযায়ী পাখি অনুচ্ছেদ, পরিযায়ী পাখি অনুচ্ছেদ PDF Download,অনুচ্ছেদ নিয়োগ পরীক্ষায় আসা পরিযায়ী পাখি, পরিযায়ী পাখি অনুচ্ছেদ বাংলা ২য় পত্র অনুচ্ছেদ, অনুচ্ছেদ পরিযায়ী পাখি (PDF Download),
পরিযায়ী পাখি অনুচ্ছেদ
পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে আমাদের দেশে প্রতিবছর অসংখ্য অতিথি পাখি আসে। আমাদের এ অতিথিরা সাধারণত শীতকালে আসে। প্রাকৃতিক লীলা-বৈচিত্র্যের এ দেশের ভারসাম্য রক্ষায় অতিথি পাখিদের অবদান অনেক। অতিথি পাখিরা ঐ সময়ে আমাদের দেশের সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে। ঠিক একই সময়ে আগমন ঘটে পর্যটকদেরও। ফলে অতিথি পাখি সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু কতিপয় মানুষ নির্বিচারে অতিথি পাখি নিধন করে, যা অনৈতিক। যারা আমাদের জন্য সুন্দর ও শুভ বার্তা বয়ে আনে তাদেরকেই আমরা ছুঁড়ে দেই অশুভের দিকে। তখন বাঙালির অতিথি পরায়ণতার বিষয়টি হয়ে ওঠে কুৎসিত। অতিথি পাখিদের আমাদের অতিথির মতােই সাদরে গ্রহণ করা উচিত। তাদের জন্য তৈরি করা উচিত অরুণ এই অতিথি পাখিরা শুধু আমাদের দেশে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেই আসে না, তারা নিয়ে আসে সাম্য, মৈত্রীর বার্তাও।
যা মানুষের পক্ষে সম্ভব নয়। অতিথি পাখিরা আমাদের সামনে কাঁটাতার মুক্ত অবাধ বিচরণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে যায়। বিশ্বায়নের যুগে এই বার্তাটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। সমস্ত ভেদাভেদ ভুলে বিশ্বমানবের ঐক্যের প্রতি সহানুভূতি সৃষ্টি করে নানা দেশের এই অতিথি পাখিরা। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদেরকে অতিথি পাখি সংরক্ষণে বিশেষ সচেতন হতে হবে। অতিথি পাখি সংরক্ষণে বিশেষ সচেতন হতে হবে। দমন করতে হবে অতিথি পাখি শিকারীদের। সরকারের উচিত পাখি নিধন রােধকল্পে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া।
আরো ও সাজেশন:-
অন্য বই থেকে নেওয়া
পরিযায়ী পাখি অনুচ্ছেদ – ১
বরফাচ্ছন্ন শীতপ্রধান অঞ্চলের ঠান্ডার প্রকোপ থেকে বাঁচতে এবং অপেক্ষাকৃত উষ্ণ আবহাওয়ার সুখ অনুভব করতে সুদীর্ঘ পথ পেরিয়ে পরিযায়ী পাখিরা আসে নাতিশীতােষ্ণ আবহাওয়ার দেশ বাংলাদেশে । শীতকালে পরিযায়ী পাখিদের আগমন ঘটে থাকে এবং শীত শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পাখিরা তাদের আগের আবাসের উদ্দেশে উড়াল দেয় । অল্পসময় অবস্থানের জন্যে এদেশে আসে বলে এই পাখিরা আমাদের অতিথি।
দেশের দক্ষিণাঞলের সুন্দরবন, সুনামগঞ্জের হাওর, ঢাকার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা চিড়িয়াখানার জলাশয়গুলােতে এরা সাময়িক আবাস গড়ে তােলে। এছাড়া গোপালগঞ্জ, খুলনা ও যশােরের বিলগুলােতেও অনেক পাখি আশ্রয় নেয়। পুরাে শীত জুড়েই জলে বা জলার ধারে থাকে পরিযায়ী পাখির বিচরণ।
মূলত হিমালয়ের পাদদেশ থেকে এবং সুদূর সাইবেরিয়া বা উত্তর ইউরােপ পাড়ি দিয়ে এরা শীতের অতিথি হয়ে আসে। পরিযায়ী পাখিদের মধ্যে কাইন, রাঙ্গো, টেকুর, ডাক, বালিহাঁস, কোড়া, কুদলা, হাঁস জাতীয় পাখি, চখাচখি, বড় দিঘির গুলিন্দা ইত্যাদি উল্লেখযােগ্য। জলার ধারে আশ্রয় নেওয়া এই পাখিগুলাের বিচরণ যেমন একদিকে হৃদয়গ্রাহী, অন্যদিকে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু কিছু মানুষের নিষ্ঠুর আচরণ শীতের এই অতিথিদের অবাধ বিচরণকে সংকটময় করে তােলে। প্রতিবছরই শীতের সময় কিছু মানুষ পরিযায়ী পাখি নিধনযজ্ঞে মেতে ওঠে, যা অনৈতিক। বাস্তবে পরিযায়ী পাখিদের অতিথির মতােই সাদরে গ্রহণ করা উচিত। তাদের জন্যে তৈরি করা উচিত অভয়ারণ্য। এই পাখিরা শুধু আমাদের দেশে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেই আসে না; তারা নিয়ে আসে সাম্য-মৈত্রীর বার্তাও। পরিযায়ী পাখিরা আমাদের সামনে কাঁটাতারমুক্ত অবাধ বিচরণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে যায় । বিশ্বায়নের যুগে এই বার্তাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই পরিযায়ী পাখি সংরক্ষণে বিশেষভাবে সচেতন হতে হবে। প্রতিরােধ করতে হবে পাখি শিকারিদের । তবেই আমাদের বাংলাদেশ হবে পরিযায়ী পাখির নিরাপদ আশ্রয়স্থল।
| রচনা ,প্রবন্ধ | উত্তর লিংক | ভাবসম্প্রসারণ | উত্তর লিংক |
| আবেদন পত্র | উত্তর লিংক | অনুচ্ছেদ রচনা | উত্তর লিংক |
| চিঠি ও ইমেল | উত্তর লিংক | প্রতিবেদন | উত্তর লিংক |
অন্য বই থেকে নেওয়া
পরিযায়ী পাখি অনুচ্ছেদ – ২
অতিথি পাখি বলতে একটি নির্দিষ্ট ঋতুতে একস্থান থেকে অন্যস্থানে আশ্রয় নেওয়া পাখিদের বােঝায়। শীতকালে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে আমাদের দেশে অতিথি পাখি আসে আশ্রয়ের সন্ধানে। ঋক বেঁধে যখন অতিথি পাখি আসে তখন সে দৃশ্য কত যে অপরূপ তা ভাষায় প্রকাশ করা যায় না।
এ সব পাখির কলকাকলিতে প্রাণপ্রাচুর্যে ভরে উঠে দেশের নানা প্রান্তের হাওর, বাঁওড়, বিল, লেকসহ অসংখ্য জলাশয়। বালিহাঁস, বাটুল, চখাচখি, শামুকখােল, খােপাডুবুরিসহ নানা বর্ণ ও আকৃতির পাখির চঞ্চল ওড়াউড়ি মুগ্ধ করে যেকোনাে মানুষকে। এসব পাখি একদিকে যেমন আমাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবুও এক শ্রেণির অসাধু শিকারির কবল থেকে রক্ষা পায় না দূর প্রবাসের এই অতিথি পাখিগুলাে। হাজার হাজার মাইল পথ অতিক্রম করে যেসব পাখি আসে। অস্তিত্ব রক্ষার জন্য, সেগুলাে অস্তিত্ব বিসর্জন দেয় হৃদয়হীন শিকারির ফাঁদে।
শিকারকৃত এসব পাখি গ্রামের বিভিন্ন হাট-বাজারে বিক্রি হয় অবলীলায়। অথচ বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন অনুসারে অতিথি পাখি শিকার ও বিক্রয় করা দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু এ আইনের সুই প্রয়ােগ নেই বলে শুধু পেশাদার নয়, অনেক শৌখিন শিকারিও অতিথি পাখি শিকার করে। আমাদের কর্তব্য অতিথি পাখিগুলােকে বসবাসের উপযােগী স্থান করে দেওয়া। সেগুলাের জন্য অভয়ারণ্য তৈরি করা, আশ্রয়কালীন সময়টুকুকে নিরাপদ ও আনন্দময় করে তােলা। আর এজন্য মানুষকে হতে হবে প্রকৃতি ও পাখ-পাখালি প্রেমী, পরিত্যাগ করতে হবে ক্ষুদ্রস্বার্থকে।
তা ছাড়া বিচিত্র ধরনের এসব পাখি যেন কারও লালসার শিকার না হয় সেদিকে সবার সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। অতিথি পাখির গুরুত্ব সম্পর্কে সবাইকে জানাতে হবে। একটি পাখিও যাতে শিকারির লােলুপ দৃষ্টির সম্মুখীন না হয় সেদিকে দৃষ্টি রাখতে হবে। এ ব্যাপারে জনসচেতনতা সৃষ্টিতে সরকারের পাশাপাশি সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলেই রক্ষা পাবে অতিথি পাখি এবং সুরক্ষিত হবে পরিবেশের ভারসাম্য।
আরি পড়ুন ›নারী জাগরণে শিক্ষার ভূমিকা সম্পর্কে বেগম রোকেয়ার অভিমত কী?, বেগম রোকেয়ার মতে নারী জাগরণে শিক্ষার ভূমিকা কী?, “নারী জাগরণে শিক্ষার ভূমিকা অপরিহার্য” বেগম রোকেয়া অনুসরণে ব্যাখ্যা করনারী জাগরণে শিক্ষার ভূমিকা সম্পর্কে বেগম রোকেয়ার অভিমত কী?, বেগম রোকেয়ার মতে নারী জাগরণে…
আরি পড়ুন ›অনার্স ৩য় বর্ষের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি সাজেশন, honors 3rd year agriculture and rural economy special short suggestions, অনার্স ৩য় বর্ষের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি ১০০% কমন সাজেশন, Honors 3rd year suggestionsঅনার্স ৩য় বর্ষের কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতি সাজেশন, honors 3rd year agriculture and rural…
আরি পড়ুন ›Medicaid insurance for seniorsMedicaid insurance for seniors 2026 Medicaid is a joint federal and state health insurance…
অতিথি পাখি বা পরিযায়ী পাখি অনুচ্ছেদটি কেমন হয়েছে ? নতুন কিছু সংযোজন করা যায় বা বাদ দেওয়া প্রয়োজন? কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না।
| Paragraph | উত্তর লিংক | Composition | উত্তর লিংক |
| Application | উত্তর লিংক | উত্তর লিংক | |
| Essay | উত্তর লিংক | Letter | উত্তর লিংক |
অন্য বই থেকে নেওয়া
পরিযায়ী পাখি অনুচ্ছেদ – ৩
হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে প্রতি বছর শীতকালে পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান থেকে অতিথি পাখি এ দেশে আসে আশ্রয়ের সন্ধানে। এসব পাখি একদিকে যেমন আমাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বর্ধিত করে, অন্যদিকে প্রকৃতির ভারসাশ্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। আমরা যেমন অতিথিদের সঙ্গে সৌহার্দপূর্ণ আচরণ করি, তেমনি এ পাখিগুলো আমাদের অতিথি বলে এদের সাথেও আমাদের সৌহার্দপূর্ণ আচরণ করা উচিত।
My Ads
কিন্তু একশ্রেণির অসাধু সাংসলোভী লোক এবং ব্যবসায়ী নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থসিদ্ধির জন্য এসব পাখি শিকার করে খায় এবং বিক্রি করে। ভবতে অবাক লাগে যে, হাজার হাজার মাইল পথ অতিক্রম করে যে পাখিরা আসে অস্তিত্ব রক্ষার জন্য, তারাই তাদের অস্তিত্ব বিসর্জন দেয় হৃদয়হীন লোকদের খাবার টেবিলে। অথচ মানুষের কর্তব্য অতিথি পাখিদের অভ্যর্থনা জানানো। তাদের জন্য অভয়ারণ্য তৈরি করা। তাদের আশ্রয়কালীন সময়টুকুকে নিরাপদ ও আনন্দময় করে তোলা। এজন্য মানুষকে তার লোভ ও রসনা নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
বিচিত্র ধরনের এসব পাখি যেন কারও লোভের শিকার হতে না পারে সেদিকে সজাগ দৃষ্টি রাখতে হবে। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা করার জন্য মানুষের প্রয়োজন আরও সজাগ এবং সচেতন হওয়া। পাখিরা পাখনায় ভর করে যে সুদূরের গন্ধ নিয়ে আসে তাকে স্তব্ধ করার অধিকার কোনো সভ্য মানুষের নেই। তাই শীতের অতিথি পাখিদের সংরক্ষণের ব্যাপারে আমাদের সচেতন হতে হবে। একইসাথে শিকারিদের দমন করতে জরুরিভিত্তিতে সরকারকে কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে।
অন্য বই থেকে নেওয়া
পরিযায়ী পাখি অনুচ্ছেদ – ৪
প্রতিবছর শীতকালে পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে অসংখ্য পাখি আমাদের দেশে আসে। এগুলো পরিযায়ী বা অতিথি পাখি হিসেবে পরিচিত। অতিথি পাখিরা শীতপ্রধান দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে এদেশে আসে। প্রধানত সাইবেরিয়া, মঙ্গোলিয়া, তিব্বত, হিমালয়ের পাদদেশসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে কয়েক মাসের জন্য আসে অতিথি পাখিরা। তীব্র শীতের প্রকোপ ও খাদ্যাভাব থেকে বাঁচার জন্য এদেশে আশ্রয় খুঁজে নেয় এরা। এসব পাখির মধ্যে অধিকাংশই জলচর।
প্রাকৃতিক লীলা-বৈচিত্র্যের এ দেশের ভারসাম্য রক্ষায় অতিথি পাখিদের অবদান অনেক। অতিথি পাখিরা আমাদের দেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে, এসব পাখি দেখার জন্য এদেশে আগমন ঘটে পর্যটকদের। ফলে অতিথি পাখি সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। কিন্তু কতিপয় লোভী মানুষ নির্বিচারে অতিথি পাখি শিকার করে, যা অনৈতিক। যে পাখিরা বেঁচে থাকার তাগিদে এদেশকে নির্ভরযোগ্য মনে করে ছুটে আসে তাদেরই আমরা শিকার করার আনন্দে মেতে উঠি। তখন বাঙালির অতিথিপরায়ণতার রূপটি হয়ে ওঠে কুৎসিত। অতিথি পাখিদের আমাদের অতিথির মতোই সাদরে গ্রহণ করা উচিত।
তাদের জন্য তৈরি করা উচিত অভয়ারণ্য। এ অতিথি পাখিরা শুধু আমাদের দেশে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করতেই আসে না, তারা নিয়ে আসে সাম্য ও মৈত্রীর বার্তা। অতিথি পাখিরা আমাদের সামনে কাঁটা-তারমুক্ত অবাধ পৃথিবীতে বিচরণের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রেখে যায়। বিশ্বায়নের যুগে এই বার্তাটি খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। প্রকৃতির ভারসাম্য রক্ষা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে আমাদের অতিথি পাখি সংরক্ষণে বিশেষ সচেতন হতে হবে, দমন করতে হবে অতিথি পাখি শিকারিদের। সরকারের উচিত পাখি নিধন রোধকল্পে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা।
My Ads
- ডিগ্রি ১ম বর্ষ মার্কেটিং ১ম পত্র স্পেশাল সাজেশন , ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ১০০% কমন মার্কেটিং ১ম পত্র সাজেশন
- হিসাববিজ্ঞান তথ্যপদ্ধতি সাজেশন অনার্স ৪র্থ বর্ষের, অনার্স ৪র্থ বর্ষ হিসাববিজ্ঞান তথ্যপদ্ধতি সাজেশন
- Philosophy Department Honors 1st Year Suggestions,Philosophy Department Honors 1st Year Suggestions PDF
অন্য বই থেকে নেওয়া
পরিযায়ী পাখি অনুচ্ছেদ – ৫
আমাদের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য বাড়ানোর মতাে জিনিসগুলাের মধ্যে পাখি অন্যতম। আবহাওয়া ও জলবায়ু অনুসারে প্রতিটি দেশেরই নিজস্ব কিছু পাখি আছে, যেগুলােকে আমরা ঘরােয়া পাখি বলে। আবার এমন কিছু পাখি আছে যেগুলাে বছরের একটি সময়ে ঝাঁকে ঝাঁকে এসে আমাদের দেশ কলকাকলিতে ভরিয়ে দেয়। এদের বলা হয় অতিথি পাখি। বাংলাদেশ নাতিশীতােষ্ণ অঞ্চলের অন্তর্গত। এখানে শীত কিংবা গ্রীষ্ম কোনােটই তীব্র নয়। এজন্য প্রতিবছর শীতকালে বিশ্বের শীতপ্রধান বিভিন্ন দেশ থেকে যােজন যােজন দূরত্ব অতিক্রম করে হাঁসজাতীয় পাখিরা এসে বাংলাদেশের প্রকৃতিকে আনন্দময় করে তােলে। শীতের শেষে এসব পাখিরা আবার নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যায়। এসব পাখির আনাগােনা শুরু হলে কিছু পাখি শিকারি অতিথি পাখি শিকারে মত্ত হয়ে উঠে। তাদের লােভের পরিণাম হিসাবে ব্যাপক হারে অতিথি পাখি ধরা পড়ে। শহরে শহরে প্রকাশ্যেই এসব পাখি বিক্রি দেখা যায়। অথচ সচেতন, শিক্ষিত ও ধনাঢ্য ব্যক্তিরা কোনােরূপ বিচার বিবেচনা না করেই এসব পাখি ক্রয় করে নিজেদের রসনার তৃপ্তি মেটায়। যা শুধু নির্মমই নয়, অমানুষিকও বটে। তবে আশার কথা এই যে, ইতােমধ্যে সরকার অতিথি পাখিদের রক্ষার্থে অতিথি পাখি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন এবং বেশকিছু এলাকাকে অতিথি পাখিদের অভয়ারণ্য হিসাবে ঘােষণা করেছে। এতে বাংলাদেশে পর্যাপ্ত অতিথি পাখি আসা এবং এদের অবাধ বিচরণের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে। সর্বসাধারণ সচেতন হলে পাখি সুরক্ষার ব্যাপারটিও ভালােভাবেই হবে বলে আশা করি।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
এখানে সকল প্রকাশ শিক্ষা বিষয় তথ্য ও সাজেশন পেতে আমাদের সাথে থাকুন ।
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
আরি পড়ুন ›অনার্স ৪র্থ বর্ষের লিমনোলজি ও একুয়াকালচার সাজেশনঅনার্স ৪র্থ বর্ষের লিমনোলজি ও একুয়াকালচার সাজেশন,লিমনোলজি ও একুয়াকালচার অনার্স ৪র্থ বর্ষ সাজেশন, চূড়ান্ত…
আরি পড়ুন ›সুরা আলবাকারাহর ২৩ ও ২৪তম রুকু: প্রসঙ্গ সওম ও হজ,প্রথম অধ্যায়: প্রথম ভাগ (সুরা আলবাকারাহ) ২৩তম ও ২৪তম পাঠ, সওম ও হজের পরিচয়,সওম প্রসঙ্গে বর্ণনাসমূহ ,হজ প্রসঙ্গে বর্ণনাসমূহশ্রেণি: দাখিল SSC 2022 বিষয়: কুরআন মাজিদ ও তাজবিদ এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2022এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ…
আরি পড়ুন ›অনার্স প্রথম বর্ষের অনেককে জিজ্ঞেস করেছেন ভাইয়া আমরাতো অনার্স প্রথম বর্ষ এইবার প্রথম পরীক্ষা দেবো তাই পরীক্ষায় কিভাবে লিখব।🔎🔎🔎🔎🔎অনার্স প্রথম বর্ষ 🔍🔍🔍🔍📃পরীক্ষা 2020 📃অনার্স প্রথম বর্ষের অনেককে জিজ্ঞেস করেছেন ভাইয়া আমরাতো অনার্স…
- ডিগ্রি ১ম বর্ষ মার্কেটিং ১ম পত্র স্পেশাল সাজেশন , ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ১০০% কমন মার্কেটিং ১ম পত্র সাজেশন

- হিসাববিজ্ঞান তথ্যপদ্ধতি সাজেশন অনার্স ৪র্থ বর্ষের, অনার্স ৪র্থ বর্ষ হিসাববিজ্ঞান তথ্যপদ্ধতি সাজেশন

- Philosophy Department Honors 1st Year Suggestions,Philosophy Department Honors 1st Year Suggestions PDF
