Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
ডিজিটাল কম্পিউটার কি ?, ডিজিটাল কম্পিউটার কত প্রকার ও কি কি
কম্পিউটার কি আমরা কম বেশি প্রায় প্রত্যেকেই জানি। তো গঠনগত দিক থেকে কম্পিউটারকে তিনভাগে ভাগ করা হয় , অ্যানালগ কম্পিউটার, ডিজিটাল কম্পিউটার ও হাইব্রিড কম্পিউটার । তো আজকের এই আর্টিকেলে আলোচ্য বিষয় হচ্ছে ডিজিটাল কম্পিউটার।
চলুন তাহলে বেশি কথা না বলে ডিজিটাল কম্পিউটার বলতে কি বুঝায় এ বিষয়টি জেনে নিই।
ডিজিটাল কম্পিউটার হলো এক ধরনের ইলেকট্রিক যন্ত্র যেটি সাহায্যে ডেটা ইনপুট করা যায়, এবং সেই ডেটাকে প্রসেস করে আউটপুট ডিভাইস এর মাধ্যমে আউটপুট প্রদান করা হয়।
এই কম্পিউটার গুলোতে যে কোন ধরনের গণনার জন্য binary number system ব্যাবহার করা হয়। এই বাইনারি নাম্বার গুলো হল 0 এবং 1
বাইনারি সংখ্যা 0 বলতে নিম্ন বিভাগ এবং 1 বলতে উচ্চ বিভাগকে বুঝায়। এছাড়া অনেক সময় 0 এবং 1 বাইনারি সংখ্যা কে off ও on বলেও চিহ্নিত করা হয়।
আমরা কম্পিউটারকে যে ইনপুট দিই কম্পিউটার সেই ইনপুট করা ডেটা গুলোকে 0 এবং 1 অর্থাৎ বাইনারি ভাষা তে কনভার্ট করে, তারপর সেই ডেটা গুলি প্রসেস করে আমাদের ভাষাতে আউটপুট দেয় ।
ডিজিটাল কম্পিউটার কাকে বলে | What is digital computer in Bengali
যে সমস্ত কম্পিউটার ডিজিটাল সিগন্যাল (digital signal) বা ডিজিটাল তথ্য নিয়ে কাজকর্ম করে তাকে ডিজিটাল কম্পিউটার বলে।
সূক্ষ্ম এবং সঠিক ফলাফল পাওয়ার জন্য এই কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়, বর্তমানে এই কম্পিউটার গুলি সব থেকে বেশি ব্যবহার করা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এটিকে পার্সোনাল কম্পিউটার হিসেবে ব্যবহার করে।
ডিজিটাল কম্পিউটার এর উদাহরণ
ডেক্সটপ, ল্যাপটপ, স্মার্টফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, ডিজিটাল ঘড়ি, ক্যালকুলেটর ইত্যাদির ডিভাইস ডিজিটাল কম্পিউটারের উদাহরণ।
এরা প্রত্যেকেই বাইনারি সিস্টেমে ইনপুট গ্রহণ করে আমাদেরকে আউটপুট দেয়।
ডিজিটাল কম্পিউটারের ইতিহাস | History of digital computer
1940-এর দশকের শুরু দিকে John V. Atanasoff এবং তাঁর এক ছাত্র Clifford Edward Berry সাহায্যে, তিনি ABC (Atanasoff-Berry Computer) তৈরি করেন যা ছিল প্রথম ইলেকট্রনিক ডিজিটাল কম্পিউটার। গণিত সংখ্যার গণনার জন্য বাইনারি সিস্টেম ব্যবহার করে তিনি ডিজিটাল কম্পিউটার তৈরি করেছিলেন।
তারপর ধীরে ধীরে আরো উন্নত ডিজিটাল কম্পিউটার তৈরি হতে লাগলো। বর্তমানে সব থেকে বেশি ব্যবহৃত কম্পিউটারের নাম ডিজিটাল কম্পিউটার।
ডিজিটাল কম্পিউটার কত প্রকার ও কি কি | Types of digital computer
ডিভাইসের সাইজ এবং প্রকারের উপর ভিত্তি করে ডিজিটাল কম্পিউটার কে প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করা হয় সেগুলো নিম্ন বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।
১. Microcomputer
My Ads
২. Minicomputer
৩. Mainframe computer
৪. Supercomputer
চলুন তাহলে এই প্রত্যেকটি ভাগ আরো ভালোভাবে জেনে নিই।
আরো ও সাজেশন:-
১. Microcomputer :
মাইক্রোকম্পিউটার হলো এক ধরনের ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস যেটির ভিতরে মাইক্রোপ্রসেসর থাকে যা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট (cpu) হিসেবে কাজ করে ।
My Ads
এটি সাধারণত তো একজন ব্যক্তির ব্যবহারের জন্য তৈরি করা হয়েছে অর্থাৎ আমরা এটিকে ব্যক্তিগত কম্পিউটার (personal computer) হিসেবে ব্যবহার করি। মাইক্রো কম্পিউটারের উদাহরণ হলো স্মার্ট ফোন, ল্যাপটপ ইত্যাদি
২. Minicomputer :
মিনি কম্পিউটার হল এমন এক ধরনের কম্পিউটার যেটিতে একটি বড় আকারের কম্পিউটারের সমস্ত বৈশিষ্ট্য রয়েছে কিন্তু এর আকার তার থেকে অনেক ছোটো। মিনি কম্পিউটার কে মিড রেঞ্জ কম্পিউটার ও বলা হয়।
মিনি কম্পিউটার 1960 এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে চালু হয়েছিল ।
এই কম্পিউটার গুলো সাধারণত বৈজ্ঞানিক ও প্রকৌশল এর কাজে, ব্যবসায়িক লেনদেন প্রক্রিয়াকরণ, ফাইল হ্যান্ডলিং এবং ডাটাবেস পরিচালনার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
Mini computer এর উদাহরণ হল IBM’s AS/400e, Honeywell200, TI-990 ইত্যাদি।
আরি পড়ুন ›class 9 bangladesh history and world civilization answer 9th week assignment answer/solution 2021, ৯ম সপ্তাহের বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট ২০২১বিশ্বসভ্যতা বিকাশে গ্রিক ও রােমান সভ্যতার ভুমিকা’ শীর্ষক একটি প্রতিবেদন রচনা কর। (২৫০-৩০০ শব্দ)…
আরি পড়ুন ›সামাজিক বাজারজাতকরণ মতবাদ বর্ণনা কর, সামাজিক বাজারজাতকরণ মতবাদ কী?সামাজিক বাজারজাতকরণ মতবাদ বর্ণনা কর, সামাজিক বাজারজাতকরণ মতবাদ কী?, সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গিসম্পন্ন বাজারজাতকরণ মতবাদটি বর্ণনা…
আরি পড়ুন ›অনার্স ৩য় বর্ষের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন পরিচিতি সাজেশনঅনার্স ৩য় বর্ষের শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন পরিচিতি সাজেশন,শান্তি ও সংঘর্ষ অধ্যয়ন পরিচিতি অনার্স…
৩. Mainframe computer :
এই কম্পিউটার গুলোর সাহায্যে অনেক বড় হয় এবং উচ্চগতিতে বিপুল পরিমাণ ডেটা প্রসেসিং করতে পারে।
মেনফ্রেম কম্পিউটারের প্রচুর মেমোরি এবং প্রসেসর থাকে এর ফলে প্রচুর গননা দ্রুত করতে পারে। বড় বড় কোম্পানির ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য এই কম্পিউটার ব্যবহার করে।
মেনফ্রেম কম্পিউটারের কিছুর উদাহরণ হলো IBM Z15, IBM Z14, NCR N 8370, System z9 ইত্যাদি।
৪. Supercomputer :
সুপার কম্পিউটার হলো ব্যয়বহুল এবং অত্যন্ত দ্রুতগতি সম্পন্ন কম্পিউটার, এই কম্পিউটার গুলো আকারে অনেক বড় হয়। এই কম্পিউটারের সাহায্যে একসাথে অনেকগুলো কাজ দ্রুত করা সম্ভব হয়।
My Ads
এই ধরনের কম্পিউটার গুলো বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রশাসনিক কর্মকান্ড রিসার্চ এবং ডেভেলপমেন্ট ইত্যাদি ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
[ বি:দ্র: উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
ডিজিটাল কম্পিউটার এর বৈশিষ্ট্য
ডিজিটাল কম্পিউটারের সুবিধা বা বৈশিষ্ট্য অনেক রয়েছে যেগুলো নিম্ন আলোচনা করা হলো।
• digital কম্পিউটার এর স্টোরেজ ক্ষমতা অনেক বেশি, প্রচুর ডেটা এখানে স্টোর করে রাখা সম্ভব ।
• এই কম্পিউটারের স্পিড অনেক বেশি। খুব তাড়াতাড়ি ব্যবহারকারীকে আউটপুট প্রদান করতে পারে।
• ডিজিটাল computer এ মাল্টিটাস্কিং কাজ করা সম্ভব অর্থাৎ দক্ষতার সাথে একসাথে অনেক ধরনের কাজ করা যায়।
• ডিজিটাল-কম্পিউটার ব্যবহার করা বেশ সহজ, এটি ব্যবহার করার জন্য বিশেষ কোনো প্রশিক্ষণ এর প্রয়োজন হয় না।
• নির্ভুল ভাবে কাজ করার জন্য এই কম্পিউটারের সুনাম রয়েছে।
• এই কম্পিউটারের সাহায্যে human interface ছাড়া মাল্টি মাল্টিটাস্কিং কাজ করা যায়, যেমন ধরুন প্রিন্টার কে কম্পিউটার থেকে 50 টি প্রিন্ট করার অনুমোদন যদি দিই তাহলে কম্পিউটার ৫০ টি প্রিন্ট না হওয়া পর্যন্ত তার কাজ চালিয়ে যাবে, প্রিন্ট হওয়া বন্ধ হয়ে যাবে না।
• digital computer, বাইনারি সংখ্যা 0 এবং 1 সংখ্যার উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
ডিজিটাল কম্পিউটার ব্যবহারের সুবিধা
• স্কুল, কলেজ, অফিস, ছোট ও বড় কারখানায় এ ধরনের কম্পিউটার গণনার কাজে ব্যবহার করা হয়।
My Ads
• এই কম্পিউটারের স্টোরেজ ক্ষমতা অনেক, ফটো ভিডিও ফাইল ডকুমেন্ট ইত্যাদি ডেটা স্টোর করে রাখা সম্ভব।
• এই কম্পিউটারের প্রসেস করার ক্ষমতা অনেক বেশি, খুবই দ্রুত গতিতে গণনা করতে পারে।
• বিভিন্ন ধরনের কারখানা ও শিল্পে অটোমেটিক মেশিন চালানোর জন্য ডিজিট্যাল কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।
My Ads
• ভিডিও এডিটিং, ফটো এডিটিং, গান রেকর্ডিং ইত্যাদি ক্ষেত্রে ডিজিটাল কম্পিউটার ব্যবহার করা হয় ।
• digital computer ব্যবহার করা তুলনামূলকভাবে বেশ সহজ।
ডিজিটাল কম্পিউটারের অসুবিধা
• অ্যানালগ কম্পিউটারের থেকে বেশি বৈদ্যুতিক শক্তি খরচ করে ।
• ডিজিটাল সার্কিট কখনো কখনো বেশ ব্যয়বহুল হয়।
• ডিজিটাল কম্পিউটারের সার্কিট গুলো খুব ভঙ্গুর হয় অর্থাৎ সহজেই ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, এর ফলে ডেটা গুলো হারিয়ে যায় বা পরিবর্তন হতে পারে।
আরি পড়ুন ›৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের ৯ম অধ্যায়ে স্লোগানের উল্লেখ আছে৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বইয়ের ৯ম অধ্যায়ে স্লোগানের উল্লেখ আছে স্লোগান হচ্ছে একটি…
আরি পড়ুন ›PDF Download সমাজবিজ্ঞান পরিচিতি অনার্স ১ম বর্ষ সুপার সাজেশন, সমাজবিজ্ঞান পরিচিতি অনার্স ১ম বর্ষ সাজেশন পিডিএফ ডাউনলোডPDF Download সমাজবিজ্ঞান পরিচিতি অনার্স ১ম বর্ষ সুপার সাজেশন, সমাজবিজ্ঞান পরিচিতি অনার্স ১ম বর্ষ…
আরি পড়ুন ›বিজ্ঞান বইয়ের দশম অধ্যায়ে সার্চ ইঞ্জিনের উল্লেখ আছেসার্চ ইঞ্জিন মূলত একটি ওয়েব অনসন্ধান ইঞ্জিন বা সফট্ওয়্যার প্রোগ্রাম যা তথ্য জমা করে…