Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
বাংলাদেশ ভূমিকম্প, বাংলাদেশের ভূমিকম্পের তালিকা, ভূমিকম্প ঝুঁকি বিবেচনায় বাংলাদেশ, বাংলাদেশের ইতিহাসে বিধ্বংসী যত ভূমিকম্প
বাংলাদেশ ভূমিকম্প, বাংলাদেশের ভূমিকম্পের তালিকা, ভূমিকম্প ঝুঁকি বিবেচনায় বাংলাদেশ
ঢাকার আশুলিয়ার বাইপাইলে ভূকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। নরসিংদীর মাধবদীতে শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর ২৪ ঘণ্টা না পেরোতেই এ কম্পন রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তরের ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ ও গবেষণা কেন্দ্র। আজ সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে নরসিংদীর পলাশে মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৩.৩।
ভূমিকম্পের ঝুঁকি বিবেচনায় সমগ্র বাংলাদেশকে মোট তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। এর মধ্যে উচ্চঝুঁকির আওতাভুক্ত অঞ্চলকে জোন-১, মাঝারি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা জোন-২ এবং জোন-৩-এর এলাকা নিম্ন ঝুঁকিপ্রবণ হিসাবে চিহ্নিত। আবহাওয়া অধিদপ্তরের এক মানচিত্রে দেশের ভূমিকম্প ঝুঁকিপ্রবণ এলাকা চিহ্নিত করা হয়।
প্রকাশিত মানচিত্র অনুযায়ী দেশের উত্তর ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা জোন-১-এর আওতায় সর্বোচ্চ ঝুঁকিপ্রবণ হিসাবে চিহ্নিত। সাধারণত ফল্ট লাইন বা প্লেট বাউন্ডারির আশপাশের এলাকা ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে উচ্চঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের ৯টি জেলা, ঢাকা বিভাগের টাঙ্গাইল, গাজীপুর, নরসিংদীর কিছু অংশ, পুরো কিশোরগঞ্জ জেলা, কুমিল্লা বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটির বেশ কিছু এলাকা উচ্চঝুঁকিপ্রবণ। তবে জোন-৩-এর এলাকা হিসাবে খুলনা, যশোর, বরিশাল এবং পটুয়াখালী এলাকায় ভূমিকম্পের ঝুঁকি সর্বনিম্ন।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ১৯৭৬ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত দেশে অন্তত ৫ দফা বেশ জোরালো ভূকম্পন অনূভূত হয়। এর প্রায় সবগুলোর উৎপত্তিস্থল ছিল সিলেট, মৌলভীবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান এবং কক্সবাজার এলাকা। ফলে ভবিষ্যতে এসব এলাকায় আরও বড় ধরনের কম্পনের আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসাম ও মেঘালয়ের সীমান্তসংলগ্ন সিলেট, ময়মনসিংহ অঞ্চলকে উচ্চমাত্রার ঝুঁকিপ্রবণ হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।
বাংলাদেশের চারপাশে ভূমিকম্পের পাঁচটি উৎপত্তিস্থল চিহ্নিত করা আছে। এর একটিকে বলা হয় প্লেট বাউন্ডারি-১, যেটা মিয়ানমার থেকে নোয়াখালী পর্যন্ত। এছাড়া প্লেট বাউন্ডারি-২ নোয়াখালী থেকে সিলেট এবং প্লেট বাউন্ডারি-৩ সিলেট থেকে ভারতের দিকে চলে গেছে। অন্যদিকে ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট এলাকায় ডাউকি ফল্ট এবং মধুপুর ফল্ট রয়েছে। এগুলোই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল।
বাংলাদেশের ভূমিকম্পের তালিকা
বাংলাদেশের ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হওয়া অন্যতম বড় ভূমিকম্পটি ঘটে ১৭৬২ সালের এপ্রিল মাসে। ১৯০৮ সালের ‘ইস্টার্ন বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গ্যাজেটিয়ার চিটাগাং’-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৭৬২ সালের ভূমিকম্পে চট্টগ্রাম জেলার অনেক জায়গায় মাটি ফেটে প্রচুর পরিমাণে কাদা-পানি ছিটকে বেরোয়। ‘পর্দাবন’ নামক জায়গায় একটি বড় নদী শুকিয়ে পড়ার বর্ণনাও পাওয়া যায় তখন।
ভূমিকম্পসমূহ
| তারিখ | অঞ্চল | ṃ | MMI | মৃত্যু | আহত | মন্তব্য | সূত্র |
|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ২১-১১-২০২৫ | ঢাকা ও নরসিংদী | ৫.৭ m | VII | ১০ | ৬০০+ | মধ্যম ক্ষতি | |
| ০২-১২-২০২৩ | চট্টগ্রাম | ৫.৫ ṃ | VI | ০ | ২০০+ | স্বল্প ক্ষতি | |
| ২৬-১১-২০১১ | চট্টগ্রাম | ৬.২ ṃ | VIII | ০ | ৫ | স্বল্প ক্ষতি | |
| ১৮-০৩-২০১২ | ঢাকা | ৪.৫ ṃ | VI | ০ | ০ | ||
| ১০-০৯-২০১০ | চট্টগ্রাম | ৫.১ ṃ | VII | ০ | ০ | স্বল্প ক্ষতি | |
| ২৬-০৭-২০০৮ | ঢাকা | ৪.৮ ṃ | VI | ০ | ২৫ | ||
| ০৭-১১-২০০৭ | চট্টগ্রাম | ৫.৫ ṃ | VI | ০ | ১০ | স্বল্প ক্ষতি | |
| ২৭-০৭-২০০৩ | ৫.৫ ṃ | VI | ০ | ০ | অতিরিক্ত ক্ষতি | ||
| ৪.৩ ṃ | IV | ০ | ০ | অতিরিক্ত ক্ষতি | |||
| ২৬-০৭-২০০৩ | ৫.৭ ṃ | VII | ২ | ২৫ | মধ্যম ক্ষতি | ||
| ২০-০৬-২০০২ | রংপুর | ৪.৫ ṃ | V | ০ | ৫৫ | স্বল্প ক্ষতি | |
| ১৯-১২-২০০১ | ঢাকা | ৪.৫ ṃ | VI | ০ | ১০০ | স্বল্প ক্ষতি | |
| ২২-০৭-১৯৯৯ | মহেশখালী দ্বীপ | ৫.২ ṃ | VI | ৬ | মধ্যম ক্ষতি | ||
| ২১-১১-১৯৯৭ | চট্টগ্রাম | ৬.১ ṃ | V | ২৩ | স্বল্প ক্ষতি | ||
| ১২-০৬-১৯৮৯ | খুলনা | ৫.৮ ṃ | VIII | ০১ | ১০০ | স্বল্প ক্ষতি | |
| ০৬-০২-১৯৮৮ | সিলেট | ৫.৯ ṃ | VII | ২ | ১০০ | মধ্যম ক্ষতি | |
| ০৯-০৯-১৯২৩ | নেত্রকোনা | ৬.৯ ṃ | VIII | ১০+ | ১০০+ | ভারি ক্ষতি | |
| ০৮-০৭-১৯১৮ | নেত্রকোনা | ৭.২ ṃ | VIII | অজানা | অজানা | কিছু ক্ষতি | |
| ০২-০৪-১৭৬২ | রাখাইন | ৮.৮ ṃ | XI | ২০০+ | ০ | ||
| মন্তব্য: এখানে অন্তর্ভুক্তির মানদণ্ড WikiProject Earthquakes এর গুরুত্ব বিধান অনুসারে যা স্বাধীন নিবন্ধের জন্য তৈরি। এই নীতিমালা তালিকার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। সংক্ষেপে, শুধুমাত্র ক্ষতিকর, আহত বা প্রাণহানির ঘটনা অন্তর্ভুক্ত করা উচিত। | |||||||
আরো পড়ুন:
- ভূমিকম্পে কী ধরণের ক্ষয়-ক্ষতি হয় তা উল্লেখসহ ক্ষয়-ক্ষতি রােধে কী কী করণীয় লিখবে
- ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি কাকে বলে? ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণ ও ফলাফল বর্ণনা কর।
- সম্প্রতি সংঘটিত বিশ্বের কয়েকটি দেশের বড় ধরনের ভূমিকম্পের কারণ, উৎস ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তালিকা প্রস্তুত কর
- ভূমিকম্প নিয়ে কোরআনের আয়াত
- ভূমিকম্পের কারণ, উৎস ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তালিকা প্রস্তুত ৪০০ শব্দের মধ্যে প্রতিবেদনটি প্রণয়ন কর
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বাংলাদেশে স্বল্প ও মাঝারি মাত্রার বেশ কিছু ভূমিকম্প হয়েছে। তবে এগুলোর কোনোটিতেই দৃশ্যমান ক্ষয়ক্ষতি ঘটেনি। ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় অবস্থান হওয়ায় বিশেষজ্ঞরা বারবারই সতর্কবার্তা দিচ্ছেন দুর্যোগের পূর্বপ্রস্তুতি গ্রহণ করতে। নিকট অতীতে বাংলাদেশে কোনো ভয়াবহ ভূমকম্পনের স্মৃতি না থাকলেও দেশের কয়েকশো বছরের ইতিহাসে রয়েছে বেশ কিছু বিধ্বংসী ভূমিকম্পের তালিকা। বিভিন্ন নথি ঘেঁটে পাওয়া বিগত শতকগুলোর সেসব ভূমিকম্পের সময়কাল ও বর্ণনা তুলে ধরা হলো দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের পাঠকদের জন্য।
বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রথম বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হানে ১৫৪৮ সালে। এর ফলে বর্তমানে চট্টগ্রাম ও সিলেটের অবস্থান যেখানে, এই অঞ্চলে নানা জায়গায় মাটি ফেটে দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। সেখান থেকে দুর্গন্ধযুক্ত কাদা-পানি বেরোনোর তথ্যও পাওয়া যায়। তবে এই ভূমিকম্পে বর্ণনায় হতাহতের কোনো তথ্য লিপিবদ্ধ হয়নি।
পরবর্তী শতকে ১৬৪২ সালে এক শক্তিশালী ভূমিকম্পে সিলেট জেলার অনেক দালান-কোঠা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে সেবারও মানুষের প্রাণহানীর খবর পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশের ইতিহাসে লিপিবদ্ধ হওয়া অন্যতম বড় ভূমিকম্পটি ঘটে ১৭৬২ সালের এপ্রিল মাসে। ১৯০৮ সালের ‘ইস্টার্ন বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গ্যাজেটিয়ার চিটাগাং’-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৭৬২ সালের ভূমিকম্পে চট্টগ্রাম জেলার অনেক জায়গায় মাটি ফেটে প্রচুর পরিমাণে কাদা-পানি ছিটকে বেরোয়। ‘পর্দাবন’ নামক জায়গায় একটি বড় নদী শুকিয়ে পড়ার বর্ণনাও পাওয়া যায় তখন। ‘বাকর চনক’ নামের এক অঞ্চলের প্রায় ২০০ মানুষ তাদের গৃহপালিত প্রাণীসহ পুরোপুরি নিমজ্জিত হয় সমুদ্রগর্ভে। ভূমিকম্পের পরবর্তী সময়ে ভূখণ্ডের বিভিন্ন জায়গায় সৃষ্টি হয় অতল গহ্বরের। মাটির নিচে কয়েক হাত গভীরতায় দেবে গিয়ে কিছু কিছু গ্রাম ভেসে যায় পানিতে।
কথিত আছে সীতাকুণ্ডের পাহাড়ে দুটি আগ্নেয়গিরি উৎপন্ন হয়েছিল সেই ভূমিকম্পের প্রভাবে। যদিও পরবর্তীতে আর চিহ্নিত করা যায়নি নির্দিষ্ট নামে বর্ণিত সেই স্থানগুলোকে। চট্টগ্রামের বর্তমান বাহারছড়া নামক জায়গাটিকে আঠারো শতকের সেই সময়ে ‘বাকর চনক’ নামে অভিহিত করা হয়েছে বলে অনুমান করা হয়।
১৭৬২ সালের এই ভূমিকম্পে চট্টগ্রামের পাশাপাশি ঢাকাতেও ভয়াবহ ভূকম্পনের তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে ১৯১২ সালের ‘ইস্টার্ন বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গ্যাজেটিয়ার ঢাকা’তে। জেমস টেইলরের ‘আ স্কেচ অব দ্য টপোগ্রাফি অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিকস অব ঢাকা’র বর্ণনা অনুযায়ী, ঢাকার বিভিন্ন নদী আর ঝিলের পানিতে প্রবল আলোড়ন দেখা গেছে সেই ভূমিকম্পের সময়ে। পানির স্তরও সাধারণ সময়ের চেয়ে বেশি উঁচু হয়ে গিয়েছিল। ভূকম্পন শান্ত হলে পানি নিচে নেমে যাওয়ার পর অসংখ্য মরা মাছ ছড়িয়ে ছিল জলাশয়ের পাড়ে।
My Ads
ভূপৃষ্ঠের প্রবল আলোড়নের পাশাপাশি এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল ভূগর্ভস্থ শব্দ। অসংখ্য বাড়িঘর ভেঙে পড়েছিল ভূমিকম্পের ফলে। প্রাণ হারিয়েছিল প্রায় ৫০০ মানুষ।
‘ইস্টার্ন বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গ্যাজেটিয়ার ঢাকা’র একই সংখ্যায় পাওয়া যায় ১৭৭৫ ও ১৮১২ সালের শক্তিশালী ভূমিকম্পের বর্ণনা। ১৮১২ সালের ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল বেশ কিছু ঘরবাড়ি আর দালান-কোঠা। বাংলাপিডিয়া-র তথ্য অনুযায়ী, ১৭৭৫ সালের ভূমিকম্পটি অনুভূত হয়েছে ঢাকার আশেপাশের অঞ্চলে আর ১৮১২ সালের ভূমিকম্পটি হয়েছিল সিলেটে। তবে উভয় ভূমিকম্পেই হতাহতের কোনো বর্ণনা পাওয়া যায়নি।
১৮৬৫ সালের শীতকালে আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের বর্ণনা পাওয়া যায় ১৯১২ সালের ‘ইস্টার্ন বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গ্যাজেটিয়ার চিটাগাং’এ। সীতাকুণ্ডের এক পাহাড় ফেটে বালি আর কাদা বেরোয় সেই সময়। তবে আর কোনো গুরুতর ক্ষতির তথ্য মেলেনি এই ভূমিকম্পে।
আরি পড়ুন ›কম্পিউটার নেটওয়ার্ক থেকে নিয়োগ পরিক্ষায় আসা প্রশ্ন সমাধান, নিয়োগ পরিক্ষার জন্য ১০০% কমন কম্পিউটার নেটওয়ার্ক এক সাথে, যেকোন চাকরির পরীক্ষায় বার বার আসা কিছু গুরুত্বপূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ব্যাংক বিসিএস সরকারি চাকরির জন্য কমন উপযোগী গুরুত্বপূর্ণকম্পিউটার নেটওয়ার্ক টপোলজি সমূহ ব্যাখ্যাকরণ । নেটওয়ার্ক টপোলজির প্রাথমিক ধারণা বর্ণনা করতে হবেবিভিন্ন প্রকার…
আরি পড়ুন ›প্রেসিডিয়ামের ১৫ জন সদস্যের মধ্যে নারী সদস্য কত জন, বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটির নাম কীপ্রেসিডিয়ামের ১৫ জন সদস্যের মধ্যে নারী সদস্য কত জন, বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী কমিটির নাম…
আরি পড়ুন ›টি২০ বিশ্বকাপ লাইভ টিভি, আইসিসি মেনস টি২০ বিশ্বকাপ লাইভ টিভিটি২০বিশ্বকাপলাইভটিভি, আইসিসিমেনসটি২০বিশ্বকাপলাইভটিভি, টি২০বিশ্বকাপলাইভটিভিসার্ভার, আইসিসিমেনসটি২০বিশ্বকাপলাইভটিভিএফটিপিসার্ভার , টি২০বিশ্বকাপলাইভটিভিচ্যানেল, টি২০বিশ্বকাপলাইভস্ট্রিমিং, লাইভটিভিসার্ভার,লাইভটিভিসার্ভারবিডি, আইসিসিটি২০বিশ্বকাপলাইভস্ট্রিমিং,লাইভটিভিসার্ভারতালিকা,লাইভটিভিএফটিপিসার্ভার,আইসিসিলাইভটিভি,আইসিসিএফটিপিসার্ভারলাইভটিভি, খেলারলাইভটিভিসার্ভার,অনলাইনলাইভটিভিখেলাধূলার,বিশ্বকাপলাইভটিভিচ্যানেল,আজকেরবিশ্বকাপলাইভটিভি, বিশ্বকাপলাইভটিভিচ্যানেলেরনাম, টি২০বিশ্বকাপলাইভস্ট্রিমিংবিনামূল্যেঅনলাইন,অনলাইনেবিনামূল্যেটি২০বিশ্বকাপদেখুন,ভারতেটি-টোয়েন্টিবিশ্বকাপেরসরাসরিসম্প্রচার, T20 বিশ্বকাপলাইভস্কোরআজ,T20…
১৮৮৫ সালে মানিকগঞ্জে আঘাত হানা প্রায় ৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি পরিচিত ‘বেঙ্গল আর্থকোয়েক’ নামে। এর সম্ভাব্য উপকেন্দ্র ছিল ঢাকার ১৭০ কিলোমিটার দূরবর্তী সাটুরিয়ার কোদালিয়ায়। এই ভূমিকম্পের তীব্রতা এত বেশি ছিল যে ভারতের বিহার, সিকিম, মণিপুর ও মিয়ানমারেও অনুভূত হয়েছিল কম্পন। ঢাকা, ময়নমনসিংহ, শেরপুর, পাবনা, সিরাজগঞ্জের অনেক দালানকোঠা, স্থাপত্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল সেবার। তবে এতে প্রাণহানীর কোনো সঠিক সংখ্যা জানা যায়নি।
১৮৯৭ সালের ১২ জুন সংঘটিত বিধ্বংসী ভূমিকম্পটি পরিচিত ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান আর্থকোয়েক’ নামে। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ধারণা করা হয় প্রায় ৮। ১৯২৩ সালের ‘বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গ্যাজেটিয়ার পাবনা’য় বর্ণিত তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পে সিরাজগঞ্জে উপবিভাগীয় অফিসের উপরের তলা, কারাগার, ডাকঘরসহ নানা স্থাপনা ধ্বংস হয়। প্রায় সকল দালান স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয় ভীষণভাবে। অ্যান্ড্রু ইউল অ্যান্ড কোং এর পাটের ব্যাগের ফ্যাক্টরি ধূলিসাৎ হয়ে যায় এই ধাক্কায়। কোম্পানিটি তাদের ব্যবসাই গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয় এরপর। পাবনার কোর্ট হাউজসহ অন্যান্য ইটের স্থাপনাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভূপৃষ্ঠের নানা স্থানে চির ধরে, অনেক কূয়া পরিপূর্ণ হয় ভূ-তল থেকে উঠে আসা পলিমাটি আর বালিতে।
My Ads
‘ইস্টার্ন বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গ্যাজেটিয়ার চিটাগাং’ থেকে জানা যায়, ১৮৯৭ সালের এই ভূমিকম্পটি পূর্বে দক্ষিণ লুসাই পর্বতমালা থেকে শুরু করে পশ্চিমে শাহাবাদ পর্যন্ত সমগ্র বাংলা জুড়ে অনুভূত হয়েছিল। যার সম্ভাব্য মূলকেন্দ্র ছিল আসামের চেরাপুঞ্জির কাছাকাছি। ভূমিকম্পের স্থায়ীত্বকাল ছিল জায়গাভেদে ছয় সেকেন্ড থেকে পাঁচ মিনিট পর্যন্ত। চট্টগ্রামে স্থায়ী ছিল সবচেয়ে বেশি সময় ধরে।
‘ইস্টার্ন বেঙ্গল ডিস্ট্রিক্ট গ্যাজেটিয়ার ঢাকা’র তথ্য মতে, উক্ত ভূমিকম্প ঢাকা শহরের অনেক উল্লেখযোগ্য স্থাপনার ক্ষতিসাধন করেছিল। সে তুলনায় প্রাণহানীর সংখ্যা ছিল বেশ কম। ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত সরকারি স্থাপনাগুলোর মেরামত বাবদ সেসময় খরচ হিসাব করা হয়েছিল প্রায় দেড় লাখ রূপি।
বাংলাপিডিয়া-র তথ্য অনুযায়ী, ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে শুধু সিলেট জেলাতেই মৃতের সংখ্যা ছিল ৫৪৫। ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল ও সড়ক যোগাযোগ বিঘ্নিত হয় এর কারণে। রাজশাহীসহ পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য জেলাও বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখনকার হিসাবে শুধু অর্থ-সম্পত্তির ক্ষতিই হয়েছিল প্রায় ৫০ লাখ টাকা।
১৯১৮ সালে প্রায় ৭.৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয় শ্রীমঙ্গলে। যা শ্রীমঙ্গল ভূমিকম্প নামেই পরিচিত। মিয়ানমার ও ভারতের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলেও অনুভূত হয়েছিল এই ভূমিকম্প। শ্রীমঙ্গলের অনেক দালান-কোঠা ধ্বংস হয়েছিল এই ভূকম্পনে।
১৯৫০ সালের ১৫ আগস্ট আঘাত হানে আসাম ভূমিকম্প। বিংশ শতকের অন্যতম ভয়ানক এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৮.৭। বাংলাদেশের নানান অঞ্চলে এটি অনুভূত হলেও তেমন কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি দেশে।
১৯৯৭ সালের ২২ নভেম্বর চট্টগ্রামে ৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প ঘটে। এতে শহরের নানান স্থাপনায় ফাটল ধরে।
বিংশ শতকে বাংলাদেশের শেষ উল্লেখযোগ্য ভূমিকম্পটি হয় মহেশখালী দ্বীপে। ১৯৯৯ সালের জুলাই মাসের সেই ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল এই দ্বীপেই। ৫.২ মাত্রার ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল দ্বীপের অনেক বাড়িঘর।
আজকের : বাংলাদেশ ভূমিকম্প, বাংলাদেশের ভূমিকম্পের তালিকা, ভূমিকম্প ঝুঁকি বিবেচনায় বাংলাদেশ, বাংলাদেশের ইতিহাসে বিধ্বংসী যত ভূমিকম্প
আরো পড়ুন:
- ভূমিকম্পে কী ধরণের ক্ষয়-ক্ষতি হয় তা উল্লেখসহ ক্ষয়-ক্ষতি রােধে কী কী করণীয় লিখবে
- ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরি কাকে বলে? ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের কারণ ও ফলাফল বর্ণনা কর।
- সম্প্রতি সংঘটিত বিশ্বের কয়েকটি দেশের বড় ধরনের ভূমিকম্পের কারণ, উৎস ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তালিকা প্রস্তুত কর
- ভূমিকম্প নিয়ে কোরআনের আয়াত
- ভূমিকম্পের কারণ, উৎস ও ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে তালিকা প্রস্তুত ৪০০ শব্দের মধ্যে প্রতিবেদনটি প্রণয়ন কর
People also ask
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ কত মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে?
বাংলাদেশে সর্বোচ্চ কত মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে তা নির্দিষ্টভাবে জানা না গেলেও, ঐতিহাসিক সূত্রমতে ১৮৮৫ সালে মানিকগঞ্জে ৭.৫ মাত্রার একটি বড় ভূমিকম্প হয়েছিল। এছাড়া, ১৭৬২ সালে এই অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পটি হয়েছিল, যার মাত্রা ছিল আনুমানিক ৮.৫ থেকে ৮.৮ এবং এটি উৎপাদিত হয়েছিল দেশের বাইরের একটি ফাটল থেকে।
My Ads
বাংলাদেশে আজকের ভূমিকম্প কতক্ষণ স্থায়ী ছিল?
বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, নরসিংদীর মাধবদী জেলায় এর উৎপত্তিস্থল ছিল ২৬ সেকেন্ড , যার তীব্রতা ছিল ৫.৭। ভূমিকম্পটি ভারতের কলকাতা শহর পর্যন্ত অনুভূত হয়েছিল, যা ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল থেকে ৩২৫ কিলোমিটারেরও বেশি দূরে অবস্থিত।
পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভূমিকম্প হয় কোথায়?
১) পৃথিবীর ইতিহাসে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে বেশি মাত্রার ভূমিকম্পটি হয় ১৯৬০ সালের ২২ মে, চিলিতে। ৯ দশমিক ৫ মাত্রার এই ভূমিকম্পে চার হাজার ৪৮৫ জন মানুষ মারা যায়; আহত হয় আরো অনেকে। প্রায় ২০ লাখ মানুষ ঘরছাড়া হয়। এর প্রভাবে সৃষ্ট সুনামিতে চিলি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ভূমিকম্প হলে কি করতে হবে?
ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত না হয়ে, ঘরের ভেতরে থাকলে কোনো শক্ত টেবিল বা ডেস্কের নিচে আশ্রয় নিন অথবা বিম, কলাম ও পিলারের পাশে থাকুন। যদি বাইরে থাকেন, তবে খোলা জায়গায় যান এবং উঁচু ভবন, গাছ বা বৈদ্যুতিক খুঁটি থেকে দূরে থাকুন। জরুরি অবস্থার জন্য গ্যাসের চুলা বন্ধ করে দিন এবং কোনো কিছু নেওয়ার জন্য সময় নষ্ট করবেন না।
9 মাত্রার ভূমিকম্প কোথায় হয়েছিল?
১১ মার্চ, ২০১১ তারিখে, জাপানের উপকূলে ৯.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প – যা এখন পর্যন্ত রেকর্ড করা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প – বিস্ফোরিত হয়। এর ফলে সুনামির একটি ধারাবাহিক সৃষ্টি হয়, যার মধ্যে ১২৮ ফুট (৩৯ মিটার) পর্যন্ত উঁচু ঢেউ ৬ মাইল (১০ কিমি) অভ্যন্তরে ছড়িয়ে পড়ে।
ভূমিকম্পের সময়কাল কতদিন থাকে?
ভূমিকম্প কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক মিনিট স্থায়ী হতে পারে। ছোট ভূমিকম্পের কম্পন সাধারণত মাত্র কয়েক সেকেন্ড স্থায়ী হয়, তবে ২০০৪ সালের সুমাত্রার ভূমিকম্পের মতো মাঝারি থেকে বড় ভূমিকম্পের সময় শক্তিশালী কম্পন কয়েক মিনিট স্থায়ী হতে পারে।
আরি পড়ুন ›দৈনন্দিন জীবনে বহুল ব্যবহৃত ১৪০ টি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি Sentence। পাঠ -২দৈনন্দিনজীবনে বহুল ব্যবহৃত ১৪০টি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি Sentence :⇨41) এ আর এমন কি। = No…
আরি পড়ুন ›অস্থিরতা বাড়ছে অর্থনীতিতে এবং দেশের বর্তমান অর্থনীতি, দেশের বর্তমান অর্থনীতি ও ডমিনো ইফেক্ট,বিশ্ব অর্থনীতির নানা সংকটের প্রভাব পড়ছে দেশের মধ্যেও,বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রভাব অস্থিরতা বাড়ছে অর্থনীতিতে, আশঙ্কাবাদী অর্থনীতিবিদদের কথা শুনেআজকের বিষয়: অস্থিরতা বাড়ছে অর্থনীতিতে এবং দেশের বর্তমান অর্থনীতি, দেশের বর্তমান অর্থনীতি ও ডমিনো…
আরি পড়ুন ›Right form of verbs, Use of the right form of verbs- ৫০ টি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম বাংলায়।, Right forms of verbs এর ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ রুল, Right Form of Verb এর চারটি সহজ সূত্র মন রাখতে পারলেই খুব সহজে,চাকরির প্রস্তুতির জন্য “Right form of Verb”বিষয়: Use of the right form of verbs- ৫০ টি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম বাংলায়। Use…