প্রত্যক্ষ বিপণন এবং অনলাইন বিপণন বলতে কী বােঝায়? "গ্রীন মার্কেটিং পরিবেশবান্ধব পণ্য বিপণনকে উৎসাহিত করে"- ব্যাখ্যা করুন, hsc উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ১২শ শ্রেণি উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র ৫ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান/ উত্তর ২০২১

প্রত্যক্ষ বিপণন এবং অনলাইন বিপণন বলতে কী বােঝায়? “গ্রীন মার্কেটিং পরিবেশবান্ধব পণ্য বিপণনকে উৎসাহিত করে”- ব্যাখ্যা করুন, hsc উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ১২শ শ্রেণি উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন ২য় পত্র ৫ম অ্যাসাইনমেন্ট সমাধান/ উত্তর ২০২১

Assignment এইচ এস সি ডিগ্রি ও উন্মুক্ত পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: ১২শ/ hsc/ উন্মুক্ত-2021 বিষয়: উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপণন (২য় পত্র) এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 05 বিষয় কোডঃ 2888
বিভাগ: ব্যবসায় শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ প্রত্যক্ষ বিপণন এবং অনলাইন বিপণন বলতে কী বােঝায়? “গ্রীন মার্কেটিং পরিবেশবান্ধব পণ্য বিপণনকে উৎসাহিত করে”- ব্যাখ্যা করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

প্রত্যক্ষ বিপণন এবং অনলাইন বিপণন বলতে কী বােঝায়?

প্রত্যক্ষ

বর্তমান সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান মোবাইল ফোন, ই-মেইল, ও অনলাইনে সম্ভাব্য ক্রেতার সাথে যোগাযোগ করে প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবা সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে। এমনকি সে সময় ক্রেতা কোন পণ্যকে আকর্ষণীয় মনে করলে এবং সেটিক্রয়ের জন্য আগ্রহ প্রকাশ করলে, বিপণনকারী ক্রেতার কাছে পণ্য সরবরাহ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে। প্রত্যক্ষ বিপণনের মাধ্যমে ক্রেতারা এখন নিত্য ব্যবহার্য বিভিন্ন পণ্য,যেমন পোশাক, খাবার, গৃহস্থালী পণ্য ইত্যাদি ক্রয় করতে পারে। 

ক্রেতাখুব সহজেই বিপণনকারীর নিজস্ব ফেসবুক পেইজ বা ওয়েবসাইট থেকে অথবা টেলিফোনের মাধ্যমে পণ্যের তালিকা দেখে পছন্দনীয় পণ্যের অর্ডার দিতে পারে। অন্যদিকে বিপণনকারী পণ্যের অর্ডার পাবার পর সে পণ্য ক্যাশ অন ডেলিভারি, মোবাইল মানি ট্রান্সফার সার্ভিস বা ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমেমূল্য পরিশোধ করা সাপেক্ষে ক্রেতার নিকট সরবরাহ করতে পারে।

প্রত্যক্ষ বিপণন হলো আধুনিক যুগে এমন এক ধরণের বিপণন ব্যবস্থা যার মাধ্যমে লক্ষ্যস্থিত ভোক্তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করা যায় এবং দীর্ঘস্থায়ী ক্রেতা-সম্পর্ক সৃষ্টি করা হয়। প্রত্যক্ষ বিপণনের মাধ্যমে কোন রকম মধ্যস্থব্যবসায়ী ছাড়াই ক্রেতাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করে পণ্য ক্রয়ের আদেশ গ্রহণ করে এবং সেই অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করে।

  • প্রত্যক্ষ  বিপণনের মাধ্যমে সরাসরি যোগাযোগ করা সম্ভব হয় এবং তা পরস্পর ক্রিয়াশীল;
  • এর মাধ্যমে অভীষ্ট ভোক্তাদের সাথে আলাদা আলাদাভাবে বিপণন কৌশল ব্যবহার করে বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়;
  •  প্রত্যক্ষ বিপণনের ফলে যেকোন স্থানে কম সময়ে ও সহজে বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়;
  • ইন্টারনেট ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যম ব্যবহার করার কারণে বিপণনকারীর ব্যয় হ্রাস পায়;
  • ক্রেতা ও বিক্রেতার সাথে সরাসরি যোগাযোগ হবার কারণে ক্রেতা পণ্য সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য জানতে পারে এবং প্রতিযোগী পণ্যের সাথে তুলনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে;
  • বিক্রেতা প্রত্যক্ষ বিপণনের মাধ্যমে পণ্যের তথ্য পরিবর্তন ও হালনাগাদ করতে পারে, ক্রেতাকে বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করতে পারে, ক্রেতাকে পুনঃক্রয় সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সহজে জানাতে পারে;
  •  ক্রেতা বিক্রেতার কাছ থেকে সরাসরি পণ্য ক্রয় করার ফলে ক্রেতার প্রতারিত হবার ঝুঁকি হ্রাস পায়। আবার বিক্রেতার সাথে সুসম্পর্ক গড়ে তোলারও সুযোগ হয়;

প্রত্যক্ষ বিপণন বর্তমান সময়ে বিশ^ব্যাপি জনপ্রিয় মাধ্যম। এরফলে বিশে^র যেকোন প্রান্তের ক্রেতা-বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করা যায় ও পণ্য বা সেবা সম্পর্কে তথ্য জানা যায়।

পরিশেষে বলা যায় যে, প্রত্যক্ষ বিপণন হলো এমন একটি কার্যক্রম যার মাধ্যমে কোন মধ্যস্থব্যবসায়ীর সাহায্য ছাড়াই অভীষ্ট ক্রেতা ও ভোক্তার সাথে প্রতিষ্ঠান যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করে, যার ফলে দ্রুত সাড়া/প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায় ও দীর্ঘমেয়াদী ক্রেতা-সম্পর্ক স্থাপন করা সম্ভব হয়। 

অনলাইন বিপণন 

প্রযুক্তির আধুনিকায়নের ফলে ব্যবসা-বাণিজ্য ক্ষেত্রে এখন অনলাইন বিজনেস ব্যাপক হারে ব্যবহৃত হচ্ছে। অনলাইন বিজনেস বলতে কম্পিউটার, মোবাইল বা অন্য যেকোন ইল্ট্রেনিক ডিভাইসের সাথে ইন্টারনেট টেকনোলজি ব্যবহার করে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে পারস্পরিক ক্রিয়াশীল উপায়ে যোগাযোগ করে বিপণন কার্যক্রম সম্পন্ন করাকে বোঝায়। 

উপরের আলোচনা ও সংজ্ঞা থেকে প্রত্যক্ষ বিপণনের নিম্নোক্ত বৈশিষ্ট্যগুলো চিহ্নিত করা যায়-

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • এরূপ বিপণন ব্যবস্থা পরস্পর ক্রিয়াশীল ও যোগাযোগের সহজ মাধ্যম;
  •  ইন্টারনেট ও অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক্স যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা হয়;
  • এর মাধ্যমে অনলাইন বিজ্ঞাপন দেওয়া সম্ভব হয়;
  •  ভোক্তারা পণ্য ক্রয় বা ভোগ করার পর ফোরাম, নিউজগ্রুপ এবং ওয়েব কমিউনিটিতে অংশগ্রহণ করতে পারে;
  • অনলাইন বিপণন বর্তমান সময়ে বিশ^ব্যাপি জনপ্রিয় মাধ্যম। এরফলে বিশে^র যেকোন প্রান্তের ক্রেতা-বিক্রেতার সাথে যোগাযোগ করা যায় ও পণ্য বা সেবা সম্পর্কে তথ্য জানা যায়।

পরিশেষে বলা যায় যে, অনলাইন বিপণন হলো একটি আধুনিক বিপণন কার্যক্রম যার মাধ্যমে বিক্রেতা ও ক্রেতার মাঝে পরস্পর ক্রিয়াশীল অনলাইন কম্পিউটার ও মোবাইল টেকনোলজি ব্যবহার করে ক্রয়-বিক্রয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়।

“গ্রীন মার্কেটিং পরিবেশবান্ধব পণ্য বিপণনকে উৎসাহিত করে”

গ্রিন মার্কেটিং-এর ধারণাটি ১৯৮০ থেকে জনপ্রিয়তা লাভ করতে থাকে। এই বিপণন ধারণাতে ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানে বিপণন কার্যক্রমের সাথে সাথে পরিবেশের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। এখানে পরিবেশ বলতে প্রাকৃতিক পরিবেশ, যেমন নদ-নদী, জলবায়ু, বন, গাছ-পালা, জীবজন্তু ইত্যাদিকে বোঝানো হচ্ছে। একই সাথে মানুষসৃষ্ট সামাজিক পরিবেশ, যেমন রাস্তাঘাট, ঘরবাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ইত্যাদির সমষ্টিকে তুলে ধরা হয়েছে। গ্রিন মার্কেটিং-এ প্রাকৃতিক ও সামাজিক উভয় ধরনের পরিবেশের প্রতি সচেতন থেকে বিপণন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।যে বিপণন মতবাদে পরিবেশ সংরক্ষণের বিষয়টি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, সেই বিপণনকে গ্রিন মার্কেটিং বলে।

গ্রিন মার্কেটিংএ বিপণনকারী বিপণন কার্যক্রমের সকল কাজের ক্ষেত্রে পরিবেশ সংরক্ষণ ও রক্ষার জন্য কাজ করে। যেমনপণ্য প্রস্তুত করার সময় পরিবেশবান্ধব পণ্য উৎপাদন পদ্ধতি ব্যবহার, পণ্য পরিবহন, মোড়কিকরণ, সংরক্ষণ এবং প্রচারণার সময় পরিবেশের যেন ক্ষতি না হয় সেদিকে লক্ষ রাখা হয়।

বিপণন কার্যক্রমে পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থা গ্রহণের কারণে বিপণনকারীকে বিনিয়োগ বেশি করতে হয়। অনেক ক্ষেত্রে পণ্য বা সেবার মূল্যও সে কারণে বেড়ে যায়। গ্রিন মার্কেটিং-এর প্রয়োজনীয়তা (ওসঢ়ড়ৎঃধহপব ড়ভ এৎববহ গধৎশবঃরহম) গ্রিন মার্কেটিং এমন একটি ধারণা বা মতবাদ যেখানে পণ্য বিপণনের ক্ষেত্রে পরিবেশের নিরাপত্তা ও পরিবেশগত ভারসাম্যের বিষয়টিকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়।

নিম্নে গ্রিন মার্কেটিং-এর গুরুত¦ বা প্রয়োজনীয়তা আলোচনা করা হলোঃ

১. বিপণন মতবাদের উন্নয়ন : গ্রিন মাকেটিং হলো গতানুগতিক বিপণন মতবাদের আধুনিক সংস্করণ। এর মূল বক্তব্য হলো, বিপণন কার্যক্রমের দ্বারা কোন অবস্থাতেই পরিবেশের ক্ষতিসাধন করা যাবে না।

২. উৎপাদন প্রক্রিয়ায় পরিবর্তন : গ্রিন বিপণনের দ্বারা পণ্য বা সেবা উৎপাদন প্রক্রিয়ার ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। যেমন কারখানার বর্জ ব্যবস্থাপনা, কারখানার দূষিত পানি নদীনালা বা খাল-বিলে সরাসরি সরবরাহ না দেওয়া, কারখানায় নিয়োজিত শ্রমিক-কর্মীদের স্বাস্থ্য ও পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করা ইত্যাদি ক্ষেত্রেগ্রিন বিপণনের অবদান কোন অংশে কম নয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

৩. গুদামজাতকরণের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা : গুদামজাতকরণ হলো বিপণন ব্যবস্থার একটি অন্যতম কাজ। অনেক পণ্য আছে যা সংরক্ষণের জন্য নির্দিষ্ট তাপমাত্রা প্রয়োজন। এরূপ তাপমাত্রা রক্ষার জন্য সিএফসি গ্যাস নির্গত হয় যা পরিবেশের জন্য প্রচন্ড ক্ষতিকর। কিন্ত এ কাজটি যদি অপরিকল্পিত ও পরিবেশবান্ধব না হয়, তাহলে তা পরিবেশের জন্য হুমকি সৃষ্টি করে।

৪. পরিবহন ব্যবস্থার অগ্রগতি : পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নে গ্রিন মার্কেটিং-এর গুরুত্ব কোন অংশে কম নয়। বনাঞ্চল বা পাহাড় কেটে রাস্তা-ঘাট তৈরি করা আবার সমতল ভূমি কেটে নৌ-পথ নির্মাণ করা প্রভৃতি ক্ষেত্রে পরিবেশ বিপর্যয়ের বিষয়টি অবশ্যই ভেবে দেখার বিষয়।

৫. বিজ্ঞাপন ব্যবস্থার উন্নয়ন : গ্রিন মাকের্টিং-এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপন ব্যবস্থার উন্নয়ন সাধন করা হয়েছে। বর্তমানেগ্রিন মাকের্টিং ধারণা উন্নয়নের ফলে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্ব ও প্রতিষ্ঠান কিভাবে পরিবেশ রক্ষা স্বার্থে কাজ করছে বিষয়টিকে গুরুত্ব সহকারে প্রচার করা হয়। পণ্যের প্রচার, প্রসার বা বিক্রয় বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও লক্ষ রাখা হয় যেন এমন কোন বিজ্ঞাপন দেওয়া না হয়, যা পরিবেশকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিতে পারে।

৬. পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা : পরিবেশ সংরক্ষণ ও তা ভবিষ্যৎ বংশধরদের বাসযোগ্য করে তোলাই গ্রিন মাকের্টিং-এর মূল প্রতিপাদ্য বিষয়। এ লক্ষ্যে গ্রিন মাকের্টিং-এর মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবহন, বিজ্ঞাপনসহ সকল ক্ষেত্রে পরিবেশবান্ধব বিপণন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়। যেমন, পণ্য মোড়কে সিনথেটিক ও পলিথিন জাতীয় পদার্থের পরিবর্তে এখন প্রাকৃতিক পদার্থ যেমন পাট বা সূতা বা অন্যান্য প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি মোড়ক ব্যবহার করা হচ্ছে।

৭. পরিবেশ বিষয়ক সচেতনতা তৈরি : গ্রিন মার্কেটিংএপণ্য বিপণনকারীকে পরিবেশবান্ধব কার্যক্রমে উৎসাহ দেবার সাথে সাথে পণ্যের ক্রেতা বা সেবা গ্রাহককেও পরিবেশ বিষয়ক কার্যক্রমে সচেতন করে তোলা হয়। পরিবেশের উন্নয়ন ও তা সংরক্ষণে ভোক্তা তথা জনগণকে সচেতন করে তোলার জন্য বিভিন্ন কার্যক্রমে তারা অংশ গ্রহণ করে। আবার সরাসরি পণ্যের মাধ্যমেও ক্রেতাদের পরিবেশ বিষয়ে সচেতন করে তোলা হচ্ছে।

যেমন: বিভিন্ন পণ্যের মোড়কে লেখা থাকেঃ“ব্যবহারের পর উচ্ছিষ্ট অংশ যেখানে সেখানে ফেলবেন না”, “বেশি বেশি গাছ লাগান”, “পরিবেশ বাঁচান” বা ”ধূমপান স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর” ইত্যাদি প্রচারণাগ্রিন মার্কেটিংয়েরই অবদান।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *