গদ্য: অপরিচিতা: হরিশ কোথায় কাজ করে?

গদ্য: অপরিচিতা

১। শিউলি ইডেন কলেজ থেকে বাংলায় এমএ পাশ করেছে, তাই তার বাবা বিয়ে ঠিক করে ফেললাে। পাত্র উচ্চ শিক্ষিত এবং সুদর্শন হওয়ায় শিউলি বিয়েতে রাজি হয়ে যায়। বিয়ের অনুষ্ঠানে এসে বিয়ের পূর্ব মূহুর্তে পাত্রের বাবা মােটা অংকের যৌতুক দাবি করায় শিউলি এবং তার বাবা মন স্থির করলাে যে, সে এমন পাত্রকে বিয়ে করবে না। তাই বিয়ের আসর থেকে পাত্রকে ফিরিয়ে দিলাে।

ক. হরিশ কোথায় কাজ করে?

উত্তর: কানপুরে কাজ করে

খ. “মেয়ের বয়স যে, পনেরাে তাই শুনিয়া মামার মন ভার হইলাে কেন”? বুঝিয়ে দাও।

উত্তর: মেয়ের বয়স যে, পনেরাে তাই শুনিয়া মামার মন ভার হইলাে কারন সেই ১৫ বছরে কোন মেয়ের বিয়ে মানে অনেক বয়েস হয়ে মেয়ে তা মনে করা হলো । ছেলের অনুপাতে মেয়েরে বসয় বেশি তাই শুনে মামার মন ভার হইলো ।

গ. উদ্দীপকের শিউলির সাথে অপরিচিতা গল্পের কার সাথে সাদৃশ্য পাওয়া যায় আলােচনা কর।

উত্তর:

উদ্দীপকে শিউলির সাথে কল্যাণীর চরিত্রের মিল পাওয়া যায়|
অপরাজিতা গল্পে আমরা দেখতে পাই যে কল্যাণী যৌতুকের জন্য বিয়ে হয় না ঠিক উদ্দীপক আমরা এখানে দেখতে পাই যে সেইদিন কলেজের ছাত্রী যৌতুকের জন্য তার বিয়ে হয় না

শিউলি ইডেন কলেজ থেকে বাংলায় এমএ পাশ করেছে, তাই তার বাবা বিয়ে ঠিক করে ফেললাে। পাত্র উচ্চ শিক্ষিত এবং সুদর্শন হওয়ায় শিউলি বিয়েতে রাজি হয়ে যায়। বিয়ের অনুষ্ঠানে এসে বিয়ের পূর্ব মূহুর্তে পাত্রের বাবা মােটা অংকের যৌতুক দাবি করায় শিউলি এবং তার বাবা মন স্থির করলাে যে, সে এমন পাত্রকে বিয়ে করবে না। তাই বিয়ের আসর থেকে পাত্রকে ফিরিয়ে দিলাে।

উদ্দীপকের কল্যাণীর চরিত্রের সাথে শিউলির চরিত্রের মিল আছে এখানে উভয় সংগ্রামী নারী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে

ঘ. উদ্দীপকের আলােকে অপরিচিতা গল্পের তাৎপর্য বিশ্লেষণ কর?

উত্তর:

উদ্দীপকে তাৎপর্য হলো আমাদের বর্তমান সমাজ আমাদের বর্তমান সমাজে বিশেষ করে যদি প্রথাসিদ্ধ কথা বলা হয়েছে যে প্রথা আমাদের সমাজের নারী শিক্ষা বাধাপ্রাপ্ত হয় এবং সেইসাথে অপরিচিতের মতো কবিতার মাধ্যমে আমাদের সমাজের নানা চরিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে উপযুক্ত আমরা দেখতে পাই যে কল্যাণী পাবলিক একজন সংগ্রামী নারী বিশেষ করে তাদের বিবাহ যৌতুকের জন্য বন্ধ হয়ে যায় পরবর্তীতে তাকে পরিত্যাগ করে বিবাহ থেকে সম্পূর্ণ নিজস্ব ব্যক্তির জীবন গড়ে তোলে এবং আমাদের সমাজকে নতুন ভাবে চিনতে সাহায্য করে

শিউলি ইডেন কলেজ থেকে বাংলায় এমএ পাশ করেছে, তাই তার বাবা বিয়ে ঠিক করে ফেললাে। পাত্র উচ্চ শিক্ষিত এবং সুদর্শন হওয়ায় শিউলি বিয়েতে রাজি হয়ে যায়। বিয়ের অনুষ্ঠানে এসে বিয়ের পূর্ব মূহুর্তে পাত্রের বাবা মােটা অংকের যৌতুক দাবি করায় শিউলি এবং তার বাবা মন স্থির করলাে যে, সে এমন পাত্রকে বিয়ে করবে না। তাই বিয়ের আসর থেকে পাত্রকে ফিরিয়ে দিলাে।

উদ্দীপকের কল্যাণীর চরিত্রের সাথে শিউলির চরিত্রের মিল আছে এখানে উভয় সংগ্রামী নারী হিসেবে ভূমিকা পালন করেছে

H.S.C

Leave a Comment