Ssc Dakhil vocational ১০ম বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (২) ৮ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১, ২০২২ সালের দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (২) ৮ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

Ssc Dakhil vocational ১০ম বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (২) ৮ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১, ২০২২ সালের দাখিল ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (২) ৮ম সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১

Assignment এসএসসি পরীক্ষা প্রস্তুতি শিক্ষা
শেয়ার করুন:
শ্রেণি: ১০ম ভোকেশনাল দাখিল -2021 বিষয়: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় (২) এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021
এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 02 বিষয় কোডঃ 1924
বিভাগ: ভোকেশনাল শাখা
বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

এসাইনমেন্ট শিরোনামঃ জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয়রোধে তোমার করণীয় নির্ধারণ

শিখনফল/বিষয়বস্তু :

  • জাতীয় সম্পদ,
  • জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ ও অপচয় রোধ,

নির্দেশনা :  

  • জাতীয় সম্পদের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে,
  • জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ বর্ণনা করতে হবে,
  • জাতীয় সম্পদের অপচয়রোধ সম্পর্কে করণীয় লিখতে হবে,

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

  • জাতীয় সম্পদের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে,

রাষ্ট্রের সব নাগরিকের ব্যক্তিগত সম্পদ এবং সমাজের সমষ্টিগত সম্পদকে একত্রে জাতীয় সম্পদ বলে। তা ছাড়া জাতির কোনো গুণবাচক বৈশিষ্ট্য যেমন—কর্মদক্ষতা, উদ্ভাবনী শক্তি, প্রযুক্তিগত জ্ঞান ইত্যাদি জাতীয় সম্পদের অন্তর্ভুক্ত।

জাতীয় সম্পদের উত্স প্রধানত দুটি। প্রথমটি প্রকৃতি প্রদত্ত, কোনো দেশের ভৌগোলিক সীমানার ভেতরের প্রাকৃতিক বনাঞ্চল, প্রাণী, নদ-নদী, জলাশয় এবং এগুলোর মত্স্য-সম্পদ, অন্যান্য জলজপ্রাণী ও উদ্ভিদ, ভূমির অভ্যন্তরস্থ পানি ও সব রকম খনিজ সম্পদ—এ সবই প্রকৃতি প্রদত্ত জাতীয় সম্পদ।

জাতীয় সম্পদের দ্বিতীয় উত্সটি মানবসৃষ্ট। কোনো দেশের অভিবাসীরা তাদের শ্রম ও মূলধনের সাহায্যে প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবহার, সংগ্রহ ও উত্তোলন করে সেগুলোর রূপান্তর করে নতুন সম্পদ সৃষ্টি করে। এ সবই জাতীয় সম্পদ।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

  • জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ বর্ণনা করতে হবে,

অর্থনৈতিক অগ্রগতি সাধনের জন্য জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ জরুরী। এ লক্ষ্যে জাতিগত উন্নত গুণাবলি অর্জন করা এবং তা ধরে রাখা আবশ্যক। কোনো দেশের মানুষ যদি শান্তিপ্রিয়, কঠোর পরিশ্রমী, সত্যবাদী, আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়, সেদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সাধন দ্রুত সংঘটিত হবে। পৃথিবীর অন্যান্য দেশের জনগণ তথা বিনিয়োগকারী, উক্তদেশকে আদর্শ দেশ হিসেবে স্বীকার করবে।

প্রাকৃতিক সম্পদ আহরণ, উত্তোলন এবং দক্ষ ব্যবহারের উপর গুরুত্ব দেয়া আবশ্যক। প্রাকৃতিক সম্পদ হতেই শিল্পে ব্যবহৃত শক্তি সম্পদ, জ্বালানী এবং শিল্পের কাঁচামাল সংগৃহীত হয়।

এছাড়া, বিভিন্ন যাতায়াত ব্যবস্থার (সড়ক, রেল, নৌপথ, আকাশপথ) উৎকর্ষ সাধন, উন্নত আর্থ-সামাজিক প্রতিষ্ঠান (স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যাংক, বিমা) গড়ে তোলা ও সম্প্রসারণ প্রয়োজন। বিদেশ হতে অপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের আমদানি হ্রাস

করে, দেশিয় পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। এরফলে বিদেশিদের নিকট পাওনার পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে দেনার পরিমাণ হ্রাস পাবে। এভাবে উন্নয়ন মনস্ক জাতি গঠনের মাধ্যমেই জাতীয় সম্পদের সংরক্ষণ সম্ভব হতে পারে।

প্রকৃতির যা কিছু আমাদের কাজে লাগে তা-ই প্রাকৃতিক সম্পদ, যেমন- মাটি, পানি, বায়ু, উদ্ভিদ ও প্রাণী। আরও কিছু জিনিস রয়েছে মাটি ও সাগরের তলদেশে, যেমন- প্রাকৃতিক গ্যাস, তেল, কয়লা, লৌহ, চুনাপাথর ইত্যাদি। এগুলোও প্রাকৃতিক সম্পদ। এছাড়া সূর্যরশ্মি হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ, যা খাদ্য উৎপাদনসহ বিভিন্ন কাজে লাগে। আমাদের দেশে বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক গ্যাস রয়েছে। প্রাকৃতিক সম্পদগুলো সরকারি উদ্যোগে উত্তোলন করে বিভিন্ন কাজে ব্যবহত হয়।

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন কাজ সম্পাদন করতে গিয়ে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ কর নেয়া হয়, যা তাদের আয়ের ওপর নির্ভর করে। অনেক সময় দেখা যায় বিভিন্ন সরকারি উন্নয়নমূলক কাজে বিপুল পরিমাণ অপচয় হয়। বিভিন্ন কোম্পানি কিংবা ব্যক্তির মাধ্যমে এই কাজগুলো হয়ে থাকে। বিল কিন্তু সরকারি কোষাগার থেকেই দেয়া হয়। এর ফলে অনেক টাকা চলে যায় সরকারি কোষাগার থেকে।

এছাড়া বিভিন্ন সময় নিম্নমানের কাজ করা হয়। টাকা কিন্তু ঠিকই দেয়া হয়। পরে আবার একই জিনিস সংস্কার করতে গিয়ে বিপুল পরিমাণ টাকা খরচ হয়। এর ফলে আরও অনেক টাকা চলে যায় সরকারি কোষাগার থেকে। এই অপচয়গুলো রোধ করা জরুরি নয় কি? সরকারের এদিকে দৃষ্টি দেয়া উচিত। এছাড়া সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। কারণ সব দিকে সরকারের দৃষ্টি দেয়া সম্ভব নয়।

আমরা সাধারণ মানুষ অনেক সময় অনেক জিনিস অপচয় করি। যেমন, বাসাবাড়িতে অনেক সময় কাপড় শুকানোর জন্য গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখি কিংবা একটি ম্যাচের কাঠি বাঁচানোর জন্যও গ্যাসের চুলা জ্বালিয়ে রাখা হয়। অনেকে বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাতি, ফ্যান, এসি, চালিয়ে রাখে। পানি ব্যবহারের পর পানির কল চালু রাখা হয়। এর ফলে অনেক অপচয় হয়। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন যানবাহনে বিনা প্রয়োজনে ইঞ্জিন চালু রাখা হয়। এর ফলে জ্বালানি তেল বা প্রাকৃতিক গ্যাসের অপচয় হয়।

রাস্তাঘাটে বিভিন্ন বাতি অন্ধকার হওয়ার আগেই জ্বালানো হয়, আবার দিনের আলো ফোটার অনেক পরে তা বন্ধ করা হয়। এ দেশ আপনার আমার সবার। এ দেশের উন্নয়নের স্বার্থে আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে। আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। রান্নাবান্নার কাজ ছাড়া বাসাবাড়িতে গ্যাসের চুলা বন্ধ রাখতে হবে। ঘর ত্যাগ করার আগে বাতি, ফ্যান, এসি বন্ধ রাখতে হবে। প্রয়োজন শেষ হলে পানির কল বন্ধ রাখতে হবে। যানবাহনে বিনা প্রয়োজনে ইঞ্জিন বন্ধ রাখতে হবে। রাস্তাঘাটের বিভিন্ন বাতি ঠিক সময়ে চালু আর বন্ধ করতে হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

  • জাতীয় সম্পদের অপচয়রোধ সম্পর্কে করণীয় লিখতে হবে,

সম্পদ মানুষের অভাব পূরণের মাধ্যম কিন্তু গচ্ছিত বা অপুনর্ভব সম্পদগুলি একদিন পৃথিবী থেকে লুপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই সম্পদের জোগান অব্যাহত রাখা, সম্পদের আয়ুষ্কাল বৃদ্ধি করা, জীব বৈচিত্র সংরক্ষণ, পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণ, পুনর্ভব সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি দায়িত্ব ইত্যাদি কারণগুলোর জন্য সম্পদ সংরক্ষণ একান্ত জরুরী। সম্পদ সংরক্ষণের সম্ভাব্য উপায় গুলি সম্পর্কে আলোচনা করা হলো। 


A. ব্যবহারের বাহুল্য হ্রাস
 – অতিমাত্রায় সম্পদ ব্যবহার করলে শীঘ্রই তা বিনাশপ্রাপ্ত হবে। তাই প্রয়োজন ভিত্তিক উৎপাদন ও ব্যবহার সম্পদের স্থায়িত্ব বৃদ্ধি ও সংরক্ষণ সহায়ক হবে।


B. পরিবর্ত দ্রব্য ব্যবহার – ক্ষয়িষ্ণু সম্পদের ব্যবহার কমিয়ে প্রবাহমান সম্পদের ব্যবহার বাড়ালে সংরক্ষিত হয়। যেমন- বিদ্যুৎ উৎপাদনে কয়লার ব্যবহার কম করে জল বিদ্যুৎ ব্যবহার করলে কয়লা সংরক্ষিত হয়।


C. অগ্রাধিকার ভিত্তিক ব্যবহার
 – যে ব্যবহারে অধিক প্রয়োজন মিটবে সেই উদ্দেশ্যে উক্ত সম্পদের ব্যবহার সংরক্ষণে সহায়তা করে। যেমন- বিদ্যুৎ উৎপাদনে খনিজ তেল ব্যবহার না করে পরিবহন কাজে ব্যবহার করলে খনিজ তেলের সাশ্রয় হয়।


D. উন্নতপ্রযুক্তির মাধ্যমে বস্তুরকার্যকারিতা বৃদ্ধি
 – সরাসরি কোন বস্তু বা পদার্থকে ব্যবহার না করে প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে ব্যবহার করলে তার উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পায় এবং তা সংরক্ষনে সহায়তা করে।


E. অপচয় রোধ ও বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে ব্যবহার – সম্পদ উৎপাদন ও ব্যবহারের সময় যাতে অপচয় না হয় তা লক্ষ্য রাখতে হবে। যেমন – বিদ্যুৎ সঞ্চয় করে রাখা যায় না, কিন্তু কয়লা সঞ্চিত রাখা যায়। তাই কয়ল পুড়িয়ে চাহিদার অতিরিক্ত বিদ্যুৎ উৎপাদন করলে কয়লার অপচয় ঘটে। আবার, বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে খনিজ সম্পদ উত্তোলন করলে উত্তোলন করলে উত্তোলন কালে অপচয় বন্ধ হয়। যেমন – অভ্র উত্তোলনের সময় লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে তা ভেঙে নষ্ট না হয়। 

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]


F. সম্পদের পুনর্ব্যবহার – একই বস্তু যদি উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে আবার ব্যবহার করা যায় তবে সম্পদে সাশ্রয় ঘটে। যেমন – লোহা ও ইস্পাত শিল্প কাঁচামাল হিসেবে বর্জ্য লোহার ব্যবহার আকরিক লোহা সংগ্রহ করে। একই ভাবে অ্যালুমিনিয়াম, তামা, দস্তা, সিসা ইত্যাদি ধাতব দ্রব্য গুলির পুন:ব্যবহার করা সম্ভব। 


G. কারিগরি উৎকর্ষতা বৃদ্ধি – কারিগরি উৎকর্ষতা বাড়লে কম কাঁচা মাল দিয়ে বেশি পরিমাণে শিল্প দ্রব্য উৎপাদন করা সম্ভব। যেমন – পূর্বে প্রায় 4 টন কয়লা  দিয়ে মাত্র 1 টন ইস্পাত উৎপাদন করা যেত। কিন্তু বর্তমানে 1 টন কয়লা দিয়েই 1 টন ইস্পাত উৎপাদন করা যায় বলে কয়লা সাশ্রয় হয়। 


H. উৎপাদনের বিশেষীকরণ
 – উৎপাদনে বিশেষীকরণ এর জন্য শ্রমিকের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়। এর ফলে সম্পদের গুণমান ও স্থায়িত্ব বৃদ্ধি পায় । এটি  সম্পদ সংরক্ষণে সহায়ক। 


I. সম্পদের পুনঃস্থাপন – পূরণ শীল  সম্পদ গুলো ভোগের সঙ্গে সঙ্গে পুনরায় উৎপাদন করলে সম্পদের ভারসাম্য বজায় থাকে। যেমন – গাছ কাটার পাশাপাশি নতুন নতুন চারা গাছ রোপণ করলে বা মৎস্য সংগ্রহের সঙ্গে সঙ্গে মৎস্য সৃজনের কাজ করলে সম্পদ সংরক্ষণ হয়। 


J. সম্পদ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি
 – সম্পদ সচেতনতা সাধারণ মানুষ সহ সরকারী বেসরকারী সমস্ত স্তরে বাড়লে অর্থনৈতিক কাজকর্ম এ সম্পদের সংরক্ষণ ও উৎকর্ষ সাধিত হয়। 


K. সামাজিক প্রকল্প গ্রহণ
 – সামাজিক প্রকল্প গুলির মাধ্যমে বনসৃজন করলে একদিকে যেমন কাঠের জোগান বৃদ্ধি পাবে, অন্য দিকে ভূমিক্ষয় বন্ধ হয়ে জমির উর্বরতা ও ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে, হ্রাস পাবে খরা ও বন্যার প্রবণতা। এইভাবে নানাবিধ সামাজিক প্রকল্প গ্রহণের মাধ্যমে একদিকে যেমন – বর্তমান ও ভবিষ্যতের সম্পদ সৃষ্টির পথ সুগম হবে, অন্যদিকে তেমনি ভবিষ্যতের জন্য বর্তমানের সম্পদ সংরক্ষণেও তা সাহায্য করবে।


L. সরকারী নীতি
 – জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অনেক দেশ নিজস্ব সম্পদ কম ব্যবহার করে অন্য দেশ থেকে সম্পদ আমদানি করে। যেমন – আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র এ প্রচুর পরিমাণে খনিজ তেল সঞ্চিত থাকা সত্ত্বেও নিজস্ব খনিজ তেলের ভান্ডার থেকে কম পরিমাণে তেল উত্তোলন করে এবং অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটাতে খনিজ তেল আমদানি করে। 

[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]

সবার আগে Assignment আপডেট পেতে Follower ক্লিক করুন

এসাইনমেন্ট সম্পর্কে প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে Google News <>YouTube : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com

অন্য সকল ক্লাস এর অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর সমূহ :-

  • ২০২১ সালের SSC / দাখিলা পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২১ সালের HSC / আলিম পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ভোকেশনাল: ৯ম/১০ শ্রেণি পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ভোকেশনাল ও দাখিল (১০ম শ্রেণির) অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
  • ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক

৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ ,

৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ , ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১

বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস// https://www.banglanewsexpress.com/

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় SSC এসাইনমেন্ট :

উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় HSC এসাইনমেন্ট :

শেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *