Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
অ্যাসাইনমেন্ট: বিভিন্ন প্রকার সংগঠন বিশ্লেষণ করে একটি নিবন্ধ রচনাকরণ।
শিখনফল:
- সংগঠনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে পারবে।
- সংগঠনের গুরুত্ব বর্ণনা করতে পারবে।
- সংগঠনের নীতিমালা বর্ণনা করতে পারবে।
নির্দেশনা :
- সংগঠনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে।
- সংগঠনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে হবে।
- সংগঠনের নীতিমালা বর্ণনা করতে হবে।
- বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে তুলনামূলক আলােচনা করতে হবে।
উত্তর সমূহ:
- সংগঠনের ধারণা ব্যাখ্যা করতে হবে।
ব্যবসায়িক উদ্দেশ্য অর্জনের লক্ষ্যে প্রাপ্ত উৎপাদন উপকরণসমূহের একত্রিকরণের দ্বারা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কার্যাবলি ও দায়িত্ব-কর্তব্যের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক স্থাপনের সুসামঞ্জস্যপূর্ণ সমন্বয় সাধনের প্রক্রিয়াকে ব্যবসায় সংগঠন বলে।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
- সংগঠনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করতে হবে।
১. উদ্দেশ্য অর্জনে সহযোগীতা ঃ সংগঠনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন কার্যাবলী এদের প্রকৃতি অনুসারে বিভিন্ন শ্রেণীতে ভাগ করে প্রতি বিভাগের দায়িত্ব একজন কর্মকর্তা বা নির্বাহীর ওপর অর্পন করা হয়। শুধু বিভাগ নয়, প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য প্রতিষ্ঠানের প্রত্যেক স্তরে সৃষ্ট উপবিভাগের দায়িত্ব ও কর্তব্য ও পৃথক করে দেয়া হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের যাবতীয় কার্যাবলী ও উদ্দেশ্য অর্জন সহজতর হয়।
২. বিশেষীকরণে সহায়তা ঃ একটি প্রয়োগযোগ্য ও কার্যকর ব্যবস্থাপনা সংগঠন বিশেষজ্ঞতা ও শ্রমবিভাগের নীতির ওপর গড়ে ওঠে। এর ফলে দক্ষতা, মিতব্যয়িতা ও সফলতার সাথে প্রতিষ্ঠানের কার্য সম্পাদন করা সম্ভব হয়। ফলে প্রত্যেক বিভাগ, উপবিভাগ এবং কর্মী তাদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব সব সময়ই পালন করে থাকে। এ কারণে বিশেষজ্ঞতার গুণ প্রত্যেকেই অর্জন করতে পারে।
৩. বিশৃ´খলা দূরীকরণ ঃ সংগঠনের মাধ্যমে প্রত্যেকটি কাজ ও দায়িত্বকে সংজ্ঞায়িত করা হয়। ফলে কেউ কাজ বা দাযিত্ব এড়িয়ে চলতে পারে না। তাছাড়াও বিভিন্ন বিভাগ, কর্মী, কাজের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপন করা হয়। এতে কাজের মধ্যে কোন বিশৃ´খলা থাকে না।
৪. মানব-শক্তির যথাযথ ব্যবহার ঃ আদর্শ সংগঠন কাঠামোতে প্রতিষ্ঠানের জনশক্তির কাম্য ও যথাযথ ব্যবহারের উপায় নির্দেশ করা থাকে। এর মাধ্যমে প্রতিটি কাজের ধরণ নির্ধারণ করে যে ব্যক্তি যে কাজের যোগ্য, তাকে সেই কাজের জন্য নিয়োগ করা হয় এবং প্রয়োজনীয় দায়িত্ব ও ক্ষমতা অর্পন করে তার জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা হয়। এর ফলে কর্মীবাহিনীর সামর্থ পুরোপুরি ব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানের সাফল্য অর্জন করা সম্ভব হয়।
৫. সৃজনশীলতার বিকাশ ঃ সংগঠন কর্মী ও কর্মকর্তাদের প্রতিভা বিকাশের মাধ্যমে নতুন নতুন পন্থা পদ্ধতি, সূত্র, নিয়ম অথবা উৎপাদন সম্পর্কিত বিষয় উন্নয়নে ও প্রয়োগে যথেষ্ট সুযোগ সৃষ্টি করে থাকে। যেমনঃ কর্মীগণ একই কাজ সব সময় করার ফলে ঐ কাজ যাতে আরও সহজভাবে কিভাবে করা যায় তা কর্মীরা তাদের উদ্ভাবনী শক্তির দ্বারা উদ্ভাবন করতে পারে। আর সংগঠনিক কাঠামোর দ্বারা তা সম্ভব হয়।
৬. সহজ সমন¦য় ঃ সংগঠনের একটি কাজ হল বিভিন্ন বিভাগ, কাজও কর্মীদের মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক সৃষ্টি। এজন্য সংগঠনে নিয়োজিত প্রত্যেক কর্মী তার কার্য, ক্ষমতা ও দায়িত্ব সম্পর্কে পূর্ণ সচেতন থাকে। এছাড়াও প্রত্যেকে তার উর্ধ্বতন ও অর্ধস্তন সম্পর্কে এবং পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন বিভাগ ও তাদের কাজ সম্পর্কে জানতে পারে। এতে বিভিন্ন কর্মী ও বিভাগের মধ্যে সমন¦য় সাধন সম্ভব হয়।
৭. কর্তৃত্ব ও দায়িত্ব বন্টন ঃ সংগঠন সদস্যদের মধ্যে কর্তত্ব ও দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে বন্টন করে কার্যের নির্দিষ্টতা নিশ্চিত করে ফলে সহেজই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য অর্জিত হয়।
৮. প্রশাসনিক কার্যে সহায়তা ঃ সুসংঘবদ্ধ ও শক্তিশালী কাঠামো প্রশাসনের ভিতশক্ত করে। প্রশাসনিক দুর্বলতা ও বিচ্যুত অপসারিত হয় এবং কর্তৃত্ব সুষমভাবে বণ্টিত হয়। এর ফলে প্রশাসকগণ নিয়মতান্ত্রিকভাবে প্রশাসনকে উন্নয়নের দিকে ধাবিত করতে পারে।
My Ads
এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে লাইক পেজ : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com
- সংগঠনের নীতিমালা
একটি শক্তিশালী সংগঠন এবং এর গতিশীলতা কতিপয় সুনির্দিষ্ট নীতির ওপর নির্ভরশীল। এই নীতিমালা সমূহ সংগঠনের সফলতা ও ফলপ্রদতার জন্য নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।
বহু মনীষী বিভিন্ন সময়ে গবেষণা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালিয়ে সংগঠনের বহুনীতি উদ্ঘাটন করেছেন। ১৯৩৮ সালে বিভিন্ন লেখকদের গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে ৮টি নীতির কথা উলে−খ করেন। হল ঃ
My Ads
১. উদ্দেশ্যের নীতি ঃ একটি কার্যকর সংগঠন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে একজন সংগঠককে সর্বপ্রথমেই প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য বা লক্ষ্যকে বিবেচনা করতে হয়। প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য যেমন হবে সংগঠনকেও সেভাবেই গড়ে তোলা উচিত। একটা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সংগঠনকে যে ভাবে তৈরী করা প্রয়োজন হয় একটা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সংগঠনকে সেভাবে গঠন করলে চলে না।
২. দক্ষতার নীতি ঃ সাংগঠনিক বিন্যাস এমন হওয়া উচিত যাতে ন্যূনতম খরচে এবং কম সময়ে প্রাতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জন সম্ভব হয়।
৩. সমতার নীতি ঃ একটি শক্তিশালী ব্যবস্থাপনা সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপকদের কর্তৃত্ব ও দায়িত্বের মধ্যে সমতা বিধান করা অপরিহার্য। কর্তৃত্ব বেশী অথচ দায়-দায়িত্ব কম থাকলে নির্বাহীগণ সাধারণত স্বৈরাচারী হয়ে পড়ে আবার দায়িত্ব বেশী কিন্তু কর্তৃত্ব কম হলে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হয় না।
৪. দায়িত্বের নীতি ঃ একটি সংগঠনে কর্মরত প্রত্যেক কর্মীর দায়িত্ব নির্দিষ্ট থাকা আবশ্যক। প্রত্যেক নির্বাহী ও কর্মী যেন জানতে পারে যে তার দায়িত্ব কি ও কর্তৃত্বে সীমা কতদূর। সাধারণত একটি সংগঠনের উচ্চ স্তরের নির্বাহীর দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব বেশী হয় এবং নীচের দিকে ক্রমান¦য়ে তা কমতে থাকে।
৫. জোড়া মই শিকলের নীতি ঃ এই নীতির ব্যাখ্যা হল ব্যবস্থাপনার শীর্ষ স্তর হতে নিু স্তর পর্যন্ত একই সরলরেখার মধ্য দিয়ে কর্তৃত্ব ধাপে ধাপে প্রবাহিতহবে। এক্ষেত্রে প্রত্যেক বিভাগ, উপ-বিভাগ এবং ব্যক্তিকে এমন ভাবে একে অন্যের সাথে সংযুক্ত করে দেওয়া হয় যাতে কেউই-এর বাইরে না থাকে।
৬. শ্রম বিভাজনের নীতি ঃ সংগঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি হলো এর প্রকৃতি ও কাজের ধারণ অনুযায়ী কাজগুলোকে সঠিকভাবে চিন্তিত ও বিভাজন করা। এই বিভাজনের আলোকেই প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগ ও উপ-বিভাগ খোলা হয় এবং দায়িত্ব ও কর্তৃত্ব নিরুপিত হয়। তাই কাজগুলোকে এমনবাবে বিভাজন করা উচিত যাতে প্রত্যেক ব্যক্তিই বিশেষ জ্ঞান প্রয়োগ ও অর্জনের সুযোগ পায়।
৭. তত্ত্বাবধান পরিসরের নীতি ঃ সংগঠনের বিভিন্ন স্তরে নিয়োজিত ব্যবস্থাপকগণ সরাসরি কতজন অধস্তনের কাজ তত্ত্বাবধান করবেন তা সংগঠন কাঠামোতে নির্দিষ্ট করা হয়। এক্ষেত্রে একজন ব্যবস্থাপকের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধঅনে কর্মরত কমীর সংখ্যা এমন কাম্য সংখ্যায় স্থির করা উচিত যাতে তার পক্ষে অধীনস্থের কাজ সঠিকভাবে তত্ত্বাবধান করা যায়।
৮. ভারসাম্যের নীতি ঃ সংগঠন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এর প্রতিটি বিভাগ, উপবিভাগ এবং ব্যক্তির কাজের মধ্যে ভারসাম্য বিধান করা অত্যন্ত জরুরী। কেউ অধিক কর্মভারগ্রস্ত আর কারও কাজের চাপ নেই এমন যাতে না হয় সেদিকে সুদৃষ্টি রাখতে হবে। অপরদিকে ক্ষমতা ও কতৃত্বের কেন্দ্রীকরণ এবং বিকেন্দ্রীকরনের নীতির মধ্যেও ভারসাম্য বিধান করতে হবে।
৯. নেতৃত্বের নীতি ঃ সংগঠনকে এমনভাবে বিন্যাস করতেহবে যাতে এর বিভিন্ন স্তরের নির্বাহীরা কার্যকর নেতৃত্ব দানের সুযোগ পায়। সাধারণত পিরামিড আকৃতির সংগঠন কাঠামোতে ব্যবস্থাপকগণ পর্যায়ক্রমে নেতৃত্বদানের সুযোগ পান।
My Ads
১০. আদেশের ঐক্যের নীতি ( ঃ এই নীতির মূল কথা হল একজন অধীনস্ত সরাসরি একজন বসের অধীনে কাজ করবে। কারণ একাধিক বস থাকলে দ্বৈত অধীনতার জন্ম দেয় এবং এক্ষেত্রে অধস্তন কোন বসের দায়িত্ব পালন করবে এই দ্বিধাদ্বন্দে¡ ভোগে। তাই দ্বৈত অধীনতা পরিহার করতে হবে।
আরি পড়ুন ›বাংলাদেশের কয়েকটি প্রাচীন নগর সভ্যতার নাম, অবস্থান, প্রাপ্ত নিদর্শন, বানিজ্যিক গুরুত্ব এবং সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে ছকের মাধ্যমে তালিকা প্রস্তুত কর এবং বর্তমান বাংলাদেশের সংস্কৃতির সাথে প্রাচীন বাংলার সংস্কৃতির সাদৃশ্য ও বৈসাদৃশ্য অনুসন্ধান করে একটি প্রতিবেদন তৈরি কর৬ষ্ঠ শ্রেণি ১০ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় বাংলাদেশের কয়েকটি প্রাচীন নগর সভ্যতার নাম,…
আরি পড়ুন ›স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টিতে অনুজীবের প্রভাব এবং সচেতনতা সৃষ্টি, তােমার পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টিতে যে অনুজীবগুলােকে দায়ী মনে করছ, সে অনুজীবগুলাের মধ্যে যে কোন দুটি অনুজীবের ভূমিকা, এগুলাে থেকে প্রতিরােধ ও প্রতিকারে সচেতনতা সৃষ্টিতে তােমার করণীয় উল্লেখপূর্বক একটি প্রতিবেদন প্রণয়ন করশ্রেণি: ৭ম/ 2022 বিষয়: বিজ্ঞান এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2022এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 06 বিষয় কোডঃ 140বাংলা…
আরি পড়ুন ›প্ল্যান্ট ফিজিওলজি ও নিউট্রিশন সাজেশন,প্ল্যান্ট ফিজিওলজি ও নিউট্রিশন অনার্স ৩য় বর্ষ সাজেশনঅনার্স ৩য় বর্ষের প্ল্যান্ট ফিজিওলজি ও নিউট্রিশন সাজেশন,প্ল্যান্ট ফিজিওলজি ও নিউট্রিশন অনার্স ৩য় বর্ষ…
১১. নমনীয়তার নীতি ঃ ব্যবস্থাপনা সংগঠনে নমনীয়তা বজায় রাখা আর একটি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি। রুচি ও চাহিদার পরিবর্তন, উৎপাদন ও বন্টন পদ্ধতির পরিবর্তন প্রভৃতি পরিবর্তনশীল পরিসস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেওয়ার মত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সংগঠন গঠনের শুরুতেই থাকা উচিত।
১২. সরলতা ও স্পষ্টতার নীতি ঃ একটি সংগঠন তৈরীর সময় এর কাঠামো এমন ধরনের হওয়া উচিত যাতে তা সহজ ও সরল হয় এবং সকলের নিকট সহজে বোধগর্ম হয়। অর্থাৎ একটি সংগঠন এমনভাবে তৈরী করা উচিত যাতে প্রত্যেকটি কর্মী তার উর্ধ্বতন ও অধীনস্তদের সম্পর্কে এবং এদের প্রত্যেকের দায় দায়িত্ব সম্পর্কে সুকষ্ট ধারণা লাভ করতে পারে।
১৩. ব্যতিক্রমের নীতি: সংগঠনে কর্তব্য ও দায়িত্ব বন্টনের ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমের নীতি অনুসরণ করা উচিত। এক্ষেত্রে রুটিন ওয়ার্ক অধস্তন কর্মীদের হাতে অর্পণ করা উচিত আর ব্যতিক্রমধর্মী জটিল বিষয়াদি শীর্ষ ব্যবস্থাপনা স্তরের জন্য রাখা উচিত।
- বিভিন্ন সংগঠনের মধ্যে তুলনামূলক আলােচনা করতে হবে।
সংগঠনকে প্রধানত তিনভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা-
(ক) আনুষ্ঠানিক সংগঠন (খ) অনানুষ্ঠানিক সংগঠন (গ) কমিটি
(ক) আনুষ্ঠানিক সংগঠন ঃ
প্রতিষ্ঠানিক লক্ষ্য অর্জনের জন্য নির্দিষ্ট নিয়মনীতির গন্ডীর মধ্যে আবদ্ধ থেকে প্রতিষ্ঠানের নিুস্তর থেকে শীর্ষস্তর পর্যন্ত কর্তৃত্বের বা আদেশের যে শিকল প্রস্তুত (পযধরহ ড়ভ পড়সসধহফ) করা হয তাকেই আনুষ্ঠানিক সংগঠন বলা হয়। এখানে কর্মীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক, কে কার নিকট দায়ী থাকবে এবং জবাবদিহি করবে তার রুপরেখা, কে কার সাথে কিভাবে যোগাযোগ করবে তার নিয়মকানুন, কর্মীদের দায়িত্ব ও ক্ষমতার স্তরবিন্যাস-এ সব কিছুই এ সংগঠনে উপস্থিত থাকে। এখানে একজন কর্মী ইচ্ছা করলেই তার উপরস্থ নির্বাহীকে বাদ দিয়ে আরো উপরের স্তরের নির্বাহীর সাথে আলাপ করতে বা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। এই সংগঠনে অন্তর্ভুক্ত সবাইকে নির্ধারিত দায়িত্ব সবাইকে অবশ্যই পালন করতে হয়। দায়িত্বের অবহেলার জন্য শাস্তির বিধান থাকে। নানারকম আনুষ্ঠানিক সংগঠন যেমন সরলরৈখিক, কার্যভিত্তিক, সরলরৈখিক ও উপদেষ্টা সংগঠন ইত্যাদি একটি প্রতিষ্ঠানে দেখা যায়।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল কপিরাইট: (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
(খ) অনানুষ্ঠানিক সংগঠন ঃ কোনরূপ আনুষ্ঠানিক প্রথা ছাড়াই সংগঠনের কর্মী ও নির্বাহীদের ব্যক্তিগত মেলামেশলা, খেয়াল-খুশি, ইচ্ছা-অনিচ্ছা বা পছন্দ-অপছন্দ থেকে অনানুষ্ঠানিক ভাবে যে সম্পর্ক বা যৗথ উদ্যোগ গ্রহণের প্রবণতা সৃষ্টি হয় তাকেই অনানুষ্ঠানিক সংগঠন বলা হয়। এই অনানুষ্ঠানিক সম্পর্ক নির্বাহীদের মধ্যে, শ্রমিকদের মধ্যে কিংবা শ্রমিক সংঘের নেতৃবৃন্দের মধ্যে সচেতন বা অবচেতন ভাবে গড়ে ওঠে। বৃহদায়তন প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের মধ্যে উপদল গঠনের প্রবণতা দেখা যায়। সাধারণতঃ আঞ্চলিক, সাম্প্রদায়িক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক চিন্তাধারা বা আর্থিক অবস্থার ভিত্তিতে অনানুষ্ঠানিক সংগঠন গড়ে ওঠে। সংগঠনিক কাঠামোতে অনানুষ্ঠানিক সম্পর্কের উলে−খ না থাকলেও অনেক সময় উদ্দেশ্য অর্জনের ব্যাপারে এবং অনেক কঠিন সমস্যার সমাধান করার ব্যাপারেও অনানুষ্ঠানিক সংগঠন খুবই সহায়ক হয়।
My Ads
অনানুষ্ঠানিক সংগঠনের প্রকারভেদ ঃ
প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন ধরনের অনানুষ্ঠানিক সংগঠন গড়ে উঠতে দেখা যায়। যেমনঃ
(১) বন্ধুত্বসুলভ অনিয়মতান্ত্রিক সংগঠন;
My Ads
(২) কর্ম গোত্রভুক্ত অনিয়মতান্ত্রিক সংগঠন;
অনানুষ্ঠানিক সংগঠন কিভাবে সৃষ্টি হয়?
পারস্পরিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের কারণে অনানুষ্ঠানিক সংগঠনের সৃষ্টি হয়। অনানুষ্ঠানিক সংগঠনের অভ্যন্তরে কর্মীদের মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্কের ভিত্তিতে গড়ে উঠা সংগঠনই অনানুষ্ঠানিক সংগঠন। বিভিন্ন কারণে এ সংগঠন গড়ে উঠে। কারণগুলো নিম্নরূপ :
১. কাজের প্রকৃতি : কাজের প্রকৃতিগত বৈশিষ্ট্যের কারণে অনানুষ্ঠানিক সংগঠন গড়ে উঠে। প্রতিষ্ঠানে একজন কর্মীর কাজ অন্য কর্মী থেকে আলাদা হলে সেখানে এ ধরনের সংগঠন গড়ে উঠে না। কারণ সেখানে পারস্পারিক সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে উঠে না। যেমন: দারোয়ানের সাথে হিসাব রক্ষকের সম্পর্ক গড়ে উঠে না। কারণ দু’জনের কাজের ধরন দু’রকম।
২. কাজের প্রযুক্তি : প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের কাজের প্রযুক্তি বা কলাকৌশল ভিন্ন ভিন্ন হলে সেখানে অনানুষ্ঠানিক সংগঠন গড়ে উঠে না। যেমন: একজন অন্যজনের নিকটে থেকেও মেশিনের আওয়াজে কেউ কারো কথা শুনতে পায় না। ফলে এ ক্ষেত্রে অনানুষ্ঠানিক সংগঠন গড়ে উঠে না।
৩. অস্থিতিশীলতা : যে সকল প্রতিষ্ঠানের কর্মীগণ স্থিতিশীল নয়, তাদের মধ্যে অনানুষ্ঠানিক সংগঠন গড়ে উঠে না। কারণ স্থিতিশীল না হলে একজন আরেকজনকে বুঝতে পারে না।
৪. বয়স : প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীদের মধ্যে বয়সের পার্থক্য খুব বেশি হলে অনানুষ্ঠানিক সংগঠন গড়ে উঠে না। কারণ বয়সের পার্থক্যের কারণে মনমানসিকতা ভিন্ন ধরনের হয়ে থাকে।
৫. সামাজিক কারণ : বিভিন্ন সামাজিক কারণে, যেমন: ধর্মীয় বিশ্বাস, জন্মস্থান, ভাষা, আঞ্চলিকতা প্রভৃতি অনানুষ্ঠানিক সংগঠন গড়ে উঠতে সহায়তা করে।
৬. রাজনৈতিক মতাদশর্ : একই ধরনের রাজনৈতিক মতাদর্শ অনানুষ্ঠানিক সংগঠন গড়ে উঠার সহায়ক। কারণ তাদের মধ্যে সহমর্মিতার ভাব বেশি হয়।
৭. নেতৃত্ব : কোন কোন নেতার মোহনীয় নেতৃত্ব ও ব্যক্তিত্ব অনানুষ্ঠানিক সংগঠন সৃষ্টির সহায়ক। কারণ এ ধরনের নেতাকে কর্মীগণ অত্যন্ত শ্রদ্ধার চোখে দেখে ও ভালবাসে।
৮. মর্যাদা : বিশেষ মর্যাদা লাভের প্রত্যাশায় কর্মীগণ অনানুষ্ঠানিক সংগঠন গড়ে তোলে। পরিশেষে বলা যায় যে, উপরোক্ত কারণে কোন প্রতিষ্ঠানে অনানুষ্ঠানিক সংগঠন গড়ে উঠে। তবে কর্মীগণের মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণের অকাংখাই এ সংগঠন গড়ে উঠার জন্য দায়ী।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
এসাইনমেন্ট সম্পর্কে যে কোন প্রশ্ন আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে লাইক পেজ : Like Page ইমেল : assignment@banglanewsexpress.com
- ২০২১ সালের SSC পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
- ২০২১ সালের HSC পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
- ২০২১ সালের ৯ম/১০ শ্রেণি ভোকেশনাল পরীক্ষার্থীদের অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
- ২০২১ সালের HSC (বিএম-ভোকে- ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স) ১১শ ও ১২শ শ্রেণির অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
- ২০২২ সালের ১০ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের SSC ও দাখিল এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
- ২০২২ সালের ১১ম -১২ম শ্রেণীর পরীক্ষার্থীদের HSC ও Alim এসাইনমেন্ট উত্তর লিংক
- ৬ষ্ঠ শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
- ৭ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
- ৮ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
- ৯ম শ্রেণীর এ্যাসাইনমেন্ট উত্তর ২০২১ লিংক
এখানে সকল প্রকাশ শিক্ষা বিষয় তথ্য ও সাজেশন পেতে আমাদের সাথে থাকুন ।
আরি পড়ুন ›Write a paragraph on ‘Green Banking for Sustainable Development’, Short Paragraph on Green Banking for Sustainable Developmentবিষয়: Green Banking for Sustainable Development Honors & Degree, HSC, SSC, JSC Suggestion 2022…
আরি পড়ুন ›dakhil class 10 bangla 1st paper assignment answer 4th week 2021, দাখিল ২০২২ পরীক্ষার্থীদের ৪র্থ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট বাংলা ১ ম পত্র উত্তরবঙ্গবাণী কবিতার আলোকে মাতৃভাষার গুরুত্ব মূল্যায়ন অ্যাসাইনমেন্ট লেখার নির্দেশনা ( সংকেত/ধাপ/পরিধি): ১. কবি আবদুল…
আরি পড়ুন ›Physics 6th paper Suggestion PDF, Degree Physics 6th paper Suggestion PDF Download, Degree Physics 6th paper Final SuggestionPhysics 6th paper Suggestion PDF, Degree Physics 6th paper Suggestion PDF Download, Degree Physics…