Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
বিষয়: HSC Bangla 1st Paper আহ্বান সৃজনশীল, HSC আহ্বান গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, Bangla 1st Paper আহ্বান সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর,উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা ১ম পত্রের আহ্বান সৃজনশীল, আহ্বান গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর, বিগত সালের HSC কমন সৃজনশীল আহ্বান প্রবন্ধের থেকে
একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি: বাংলা ১ম পত্র: গল্প :আহবান
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন দিন মজুর কেরামত। হঠাৎ দেখতে পান মৃতপ্রায় একটি শিশু পথের ধারে পড়ে আছে। পরম যত্নে তিনি শিশুটিকে ঘরে তুলে আনেন। নিজের ছেলেমেয়ে নিয়ে অভাবের সংসারে স্ত্রী প্রথমে খানিকটা আপত্তি করলেও শিশুটির অবস্থা দেখে তিনিও বুকে জড়িয়ে ধরেন-বড় করতে থাকেন নিজের সন্তান পরিচয়ে।
ক. বুড়িকে মা বলে ডাকত কে?
খ. ‘স্নেহের দান এমন করা ঠিক হয়নি’-কথাটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?
গ. কেরামত দম্পতির মধ্য দিয়ে “আহবান” গল্পের কোন বিশেষ দিকটির ইঙ্গিত রয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. ‘মানুষের স্নেহ-মমতা-প্রীতির যে বাঁধন তা ধন-সম্পদে নয়, নিবিড় আন্তরিকতার স্পর্শেই গড়ে ওঠে।’-উদ্দীপক ও “আহবান” গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
কাঙালির মা ছোটজাত, দুলের মেয়ে বলিয়া কাছে যাইতে সাহস পাইল না, তফাতে একটা উঁচু ঢিপির মধ্যে দাঁড়াইয়া সমস্ত অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া প্রথম হইতে শেষ পর্যন্ত উৎসুক আগ্রহে চোখ মেলিয়া দেখিতে লাগিল। প্রশস্ত ও পর্যাপ্ত চিতার পরে যখন শব স্থাপিত করা হইল তখন তাহার রাঙ্গা পা-দুখানি দেখিয়া তাহার দু’চক্ষু জুড়াইয়া গেল, ইচ্ছা হইল ছুটিয়া গিয়া একবিন্দু আলতা মুছাইয়া লইয়া মাথায় দেয়। বহুকণ্ঠের হরিধ্বনির সহিত পুত্রহস্তের মন্ত্রপুত অগ্নি যখন সংযোজিত হইল তখন তাহার চোখ দিয়া ঝরঝর করিয়া জল পড়িতে লাগিল, মনে মনে বারংবার বলিতে লাগিল, ভাগ্যিমানী মা, তুমি সগ্যে যাচ্চো-আমাকেও আশীর্বাদ করে যাও, আমিও যেন এমনি কাঙালির হাতের আগুনটুকু পাই। ছেলের হাতের আগুন! সে ত সোজা কথা নয়!
[তথ্যসূত্র : অভাগীর স্বর্গ-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]
ক. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক নিবাস কোন গ্রামে?
My Ads
খ. বুড়ি কেন দমে গেলেন?
গ. উদ্দীপকের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সাথে ‘আহবান’ গল্পের বুড়ি অন্তিম শয়নের বিষয়ের বৈসাদৃশ্য আলোচনা কর।
ঘ. “উদ্দীপকের কাঙালির মা এবং ‘আহবান’ গল্পের বৃদ্ধার প্রত্যাশার ধরন এক।”-মন্তব্যটি যাচাই কর।
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
My Ads
“হোক, তবু বসন্তের প্রতি কেন এই তব তীব্র বিমুখতা?”
কহিলাম, “উপেক্ষায় ঋতুরাজে কেন কবি দাও তুমি ব্যথা?”
কহিল সে কাছে সরে আসি-
“কুহেলি উত্তরী তলে মাঘের সন্ন্যাসী-
গিয়াছে চলিয়া ধীরে পুষ্পশূন্য দিগন্তের পথে
রিক্ত হস্তে! তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোনো মতে।”
ক. বুড়ি কী কেনার জন্য বাজারে যাচ্ছিল?
খ. বুড়ির আগে এ পাড়া ও পাড়া আসা-যাওয়া করতে হতো না কেন?
গ. উদ্দীপকের কবি ‘আহবান’ গল্পের কোন চরিত্রকে নির্দেশ করে?-ব্যাখ্যা কর।
My Ads
ঘ. ‘তাহারেই পড়ে মনে, ভুলিতে পারি না কোনো মতে।’ ‘আহবান’ গল্পের লেখকের চেতনার ক্ষেত্রে চরণটির মর্মার্থ সম্পূর্ণভাবে যথার্থ নয়।-মন্তব্যটি বিচার কর।
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
মানুষের লোভ ও ধর্মান্ধতার যূপকাষ্ঠে সৌদামিনীর মাতৃহৃদয় বলিপ্রাপ্ত হলেও তার মাতৃহৃদয়ের হাহাকারের মধ্যেও ধ্বনিত হতে থাকে মানবতার জয়গান; তার মাতৃত্বের কাছে ধর্ম, অর্থ ও অপর সকলের পরাভব ঘটে।
ক. লেখকের বাবার বন্ধু কে?
খ. লেখক বুড়িকে কেন পয়সা দিলেন?
গ. উদ্দীপকে সৌদামিনী ‘আহবান’ গল্পের বুড়ির কোন বৈশিষ্ট্যকে ধারণ করেছে? ব্যাখ্যা কর।
ঘ. “উদ্দীপক এবং ‘আহবান’ গল্পে গাওয়া হয়েছে মানবতার জয়গান।”- ব্যাখ্যা কর।
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
জরিনা যৌবনে বিধবা হয়। তার স্বামী আফজাল মিয়া মারা যায় এক দুর্ঘটনায়। তার সম্বল একমাত্র ছেলে রহিমকে অনেক কষ্ট করে লালন পালন করে সৌদি আরবে পাঠায় টাকা কামাইয়ের জন্য। ছয় মাসের মাথায় সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। মরার সময় সে তার একমাত্র ছেলেকে দেখার আকুলতা প্রকাশ করে। মৃত্যুশয্যায় শায়িত হয়ে সে বলে আমার রহিমকে বলিও আমার কবরে পাশে যেন একটি মসজিদ বানায়।
My Ads
ক. জরিনার স্বামীর নাম কী?
খ. ‘দুধ খেতি পাচ্ছ না ভালো সে বুঝেচি’-কে, কেন কথাটি বলেছেন?
গ. উদ্দীপকটি ‘আহবান’ গল্পের কোন বিষয়টি তুলে ধরেছে? ব্যাখ্যা কর।
My Ads
ঘ. “উদ্দীপকের শেষের দুই বাক্যে ‘আহবান’ গল্পের মর্মার্থ লুকিয়ে আছে।” মন্তব্যটি যাচাই কর।
আরো ও সাজেশন:-
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
আজিজ সৌদি আরব থেকে ফিরে এসে দেখে তার পৈতৃক ভিটা জঙ্গলে ভরে গেছে। শেয়াল বাসা বেঁধেছে। সে অনেকক্ষণ উজাড় বাড়িটির দিকে চেয়ে রইল। মনের আয়নায় ভেসে উঠল মা-বাবার স্মৃতি- তার ছেলেবেলার অনেক কথা, অনেক ব্যথা। দুচোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়ল কয়েক ফোঁটা তপ্ত অশ্রু। আজিজ সিদ্ধান্ত নেয়, সে এখন থেকে পিতার ভিটায় বাস করবে।
ক. লেখক কার কাছ থেকে দুধ রাখতেন?
খ. ‘অ-গোপাল আমার’ সম্বোধনটি লেখকের কেন ভালো লাগল?
গ. উদ্দীপকের আজিজের সাথে ‘আহবান’ গল্পে কার সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়?ব্যাখ্যা কর।
ঘ. “উদ্দীপকটি ‘আহবান’ গল্পের সম্পূর্ণ ভাবকে ধারণ করেনি”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
- আরি পড়ুন ›আব্রাহাম লিংকনের মায়ের মৃত্যু।। আব্রাহাম লিংকন আত্মজীবনী পাঠ-৩আব্রাহাম লিংকনের মায়ের মৃত্যু।। আব্রাহাম লিংকন আত্মজীবনী পাঠ-৩ ১৮১৮ সালের অক্টোবরে,লিঙ্কন দুধের অসুস্থতায় আক্রান্ত…
আরি পড়ুন ›সাংগঠনিক আচরণ সাজেশন ডিগ্রি ৩য় বর্ষের, ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ১০০% কমন সাংগঠনিক আচরণ সাজেশন, ডিগ্রি ৩য় বর্ষের সাংগঠনিক আচরণ স্পেশাল সাজেশনসাংগঠনিক আচরণ সাজেশন ডিগ্রি ৩য় বর্ষের, ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ১০০% কমন সাংগঠনিক আচরণ সাজেশন,…
আরি পড়ুন ›History of the Emergence of Independent Bangladesh Honors 1st Year Exam Suggestion PDF, Honors History of the Emergence of Independent Bangladesh Suggestion PDF DownloadHistory of the Emergence of Independent Bangladesh Honors 1st Year Exam Suggestion PDF, Honors…
বললাম-এসো বুধের মা, কি মনে করে? অনেকদিন পরে দেখলাম।
-আর বাবা! গাঁয়ে ঘরে থাক না, তা কি করে দেখবা? বাত হয়েছে বাবা। এখন একটু সামলেছি। তাই উঠে হেঁটে বেড়াচ্ছি।
-হাতে কি?
-গোটাকতক কাগজি লেবু। বলি, দিয়ে আসি যাই। তুমি আর আমার পঞ্চা দুমাসের ছোটবড়। তুমি হলে ভাদ্র মাসে, পঞ্চা হয়েছে আষাঢ় মাসে। তা আমায় ফেলে চলে গেল।
[তথ্যসূত্র : বুধোর মায়ের মৃত্যু-বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]
ক. কে লেখককে ঘর তোলার জন্য অনুরোধ করলেন?
খ. ‘নারী রূপের অপূর্ব পরিণতি’ বলতে লেখক কী বোঝাতে চেয়েছেন?
গ. উদ্দীপকটির সাথে আহবান গল্পের কোন বিষয়ের সাদৃশ্য রয়েছে?
ঘ. “উদ্দীপকের বুধোর মা ‘আহবান’ গল্পের বুড়ি চরিত্রের প্রতিরূপ।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
নদীর চরে গর্ত খুঁড়িয়া অভাগীকে শোয়ান হইল। রাখালের মা কাঙালির হাতে একটা খড়ের আঁটি দিয়া তাহারই হাত ধরিয়া মায়ের মুখে স্পর্শ করাইয়া ফেলিয়া দিল। তারপরে সকলে মিলিয়া মাটি চাপা দিয়া কাঙালির মায়ের শেষ চিহ্ন বিলুপ্ত করিয়া দিল। সবাই সকল কাজে ব্যস্ত, শুধু সেই পোড়া খড়ের আঁটি হইতে যে স্বল্প ধুঁয়াটুকু ঘুরিয়া ঘুরিয়া আকাশে উঠিতেছিল, তাহারই প্রতি পলকহীন চক্ষু পাতিয়া কাঙালি ঊর্ধ্বদৃষ্টে স্তব্ধ হইয়া চাহিয়া রহিল।
[তথ্যসূত্র : অভাগীর স্বর্গ-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়]
ক. কতজন লোক বুড়ির জন্য কবর খুঁড়ছিল?
খ. ‘দ্যাও বাবা-তুমি দ্যাও’-কে, কেন এ কথা বলেছে?
গ. উদ্দীপকটি ‘আহবান’ গল্পের কোন বিষয়টি তুলে ধরেছে?-ব্যাখ্যা কর।
ঘ. “ঘটনার সাথে সাদৃশ্য থাকলেও উদ্দীপকের কাঙালি আর ‘আহবান’ গল্পের লেখকের অনুভূতির ভিন্নতা রয়েছে।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
জাতের নামে বজ্জাতি সব
জাত জালিয়াত খেলছে জুয়া,
ছুঁলেই তোদের জাত যাবে
জাত ছেলের হাতের নয়তো মোয়া।
ক. ‘পথের পাঁচালী’ কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
খ. বুড়ি কেন আহ্লাদে আটখানা হলেন?
গ. উদ্দীপকে ‘আহবান’ গল্পের কোন ভাবটি উঠে এসেছে?-ব্যাখ্যা কর।
ঘ. “উদ্দীপকটি ‘আহবান’ গল্পের সম্পূর্ণ ভাব ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।”-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
দেশ ছেড়ে চলে গেলাম ম্যাট্রিক পাস করে। পড়াশোনা শেষ করে বিদেশে চাকরি করে বোমার তাড়ায় সেবার আবার এসে গ্রামে ঘর-বাড়ি সারিয়ে বাস করতে শুরু করলাম।
কাকে জিজ্ঞেস করলাম-বলি, সেই বুধোর মা বেঁচে আছে।
-খুব। কাল ঘাটে দেখলে না?
-না।
-আজ দেখো এখন। তার মাথায় চুল পেকে গিয়েছে বলে চিনতে পারনি।
দু-একদিনের মধ্যে বুধোর মাকে দেখলাম। চেহারা ঠিক তেমনই আছে, যেমন দেখেছিলা বাল্যে। মুখশ্রী বিশেষ বদলায়নি। শুধু মাথার চুলগুলো সাদা হয়ে গিয়েছে মাত্র। অনেকে হয়তো ভাববেন, সত্তর-বাহাত্তর বছর বয়সে মুখের চেহারা বদলায়নি তাঁরা বুধোর মাকে দেখেননি। নিজের চোখে না দেখলে আমিও বিশ্বাস করতাম না।
[তথ্যসূত্র : বুধোর মায়ের মৃত্যু-বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়]
ক. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম কত সালে?
খ. ‘আজ্ঞে সামান্য মাইনে পাই’-লেখকের এই বক্তব্যে কী বোঝানো হয়েছে?
গ. উদ্দীপকের বুধোর মায়ের সাথে ‘আহবান’ গল্পের বুড়ির অমিল কোথায়?-ব্যাখ্যা কর।
ঘ. “উদ্দীপকের লেখকের এবং ‘আহবান’ গল্পের লেখকের গ্রামে ফেরার উদ্দেশ্য এক নয়।”-মন্তব্যটি আলোচনা কর।
নিচের উদ্দীপকটি পড় এবং সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর দাওঃ
সভ্যতা একদিকে যেমন ক্ষয়িষ্ণু অন্যদিকে চলে তার বিনির্মাণ। মরণশীল ব্যক্তিমানুষ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে, কিন্তু প্রকৃতিতে থাকে চিরকালের ব্যস্ততা। মাঠে থাকে চঞ্চলতা, চালতাফুলে পড়ে শীতের শিশির, লক্ষীপেঁচার কণ্ঠে ধ্বনিত হয় মঙ্গলবার্তা, খেয়া নৌকা চলে নালানদীতে অর্থাৎ কোথাও থাকে না সেই মৃত্যুর রেশ। ফলে মৃত্যুতেই সব শেষ নয়, পৃথিবীর বহমানতা মানুষের সাধারণ মৃত্যু রহিত করতে পারে না। প্রকৃতপক্ষে মানুষের মৃত্যু আছে কিন্তু এ জগৎ সৌন্দর্যের মৃত্যু নেই, মানুষের স্বপ্নেও মরণ নেই।
ক. বিভূতিভূষণ কত সালে বিএ পাস করেন?
খ. বুড়ি লেখককে বসার জন্য কেন খেজুরের চটখানা পেতে দিতে বললেন?
গ. উদ্দীপকটি ‘আহবান’ গল্পের কোন দিকটি তুলে ধরেছে?-ব্যাখ্যা কর।
ঘ. “মৃত্যুর কথা উলেখ থাকলেও উদ্দীপকের ভাবটি ‘আহবান’ গল্পের লেখকের চেতনাকে সম্পূর্ণভাবে ধারণ করতে পারেনি।”- মন্তব্যটি বিচার কর।
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
আমরা আছি নিচের সামাজিক মাধ্যম গুলোতে ও
আরি পড়ুন ›Honors 3rd Year History of Europe (1453-1815) SuggestionHonors 3rd Year History of Europe (1453-1815) Suggestion, History of Europe (1453-1815) Suggestion PDF,…
আরি পড়ুন ›জেগে ওঠো মানব কবি মোঃ ফিরোজ খানজেগে ওঠো মানব কবি মোঃ ফিরোজ খান আর নয় অন্যায় অবহেলিত মুসলমাননয় কভু হেয়…
আরি পড়ুন ›জ্ঞান মূলক প্রশ্ন -১ম অধ্যায়: ব্যবসায়ের মৌলিক ধারণা এইচএসসি প্রস্তুতিজ্ঞান মূলক প্রশ্ন -১ম অধ্যায়: ব্যবসায়ের মৌলিক ধারণা এইচএসসি প্রস্তুতিপ্রথম অধ্যায় ব্যবসায়ের মৌলিক ধারণা…



কেরামত দম্পতি মধ্য দিয়ে আহ্বান গল্পে কোন বিষয়টি একটি ইঙ্গিত করা রয়েছে?
ব্যাখ্যা কর