My Ads
কৃমিনাশক খাওয়ানোর নিয়ম
যদি পরিস্কার রাখো হাত কৃমির সমস্যায় হবে বাজিমাত।
যে কোন ডাক্তারের জন্যই বিব্রতকর হলো রোগীর গার্জিয়ান এসে যখন বলে, ” গতমাসে কৃমির ঔষধ দিলেন, এ মাসে তো দেখি আবারও কৃমি হইছে। এখন কি করবো? “
এই ক্ষুদ্র পরজীবিটি শরীরে নাই এমন কেউ বোধহয় আমাদের দেশে নাই। কারণ, আমরা মাটির কাছাকাছি থাকি, ধূলাবালি প্রচুর, খালি পায়ে হাঁটি। তারপরও যখন উপসর্গ দেখা দেয় তখন ঔষধ খেয়ে কমিয়ে রাখতে হয়।
আমরা সবসময় যে ভুলটা করি তা হলো একটু পেটব্যথা বমি বা আমাশয় হলেই মনে করি কৃমি হয়েছে। হুট করে কৃমির ঔষধ খাইয়ে দেই বাচ্চাদের।
এতে কি কি বিপদ হতে পারে?
১. খাবারে অরুচি বেড়ে যাওয়া
২. ক্রমাগত বমি
৩. পেটব্যথা
৪.পেট ফুলে যাওয়া, এমনকি পেটের নাড়ী বন্ধ হয়ে যাওয়া
৫.সারা শরীরে এলার্জিক র্যাশ দেখা দেয়া
৬. নাক মুখ দিয়ে কৃমি বের হয়ে আসা যাকে আমরা এসকারিয়াসিস (Ascariasis crisis) বলি।
৬. কৃমি শরীরের পিত্তথলিতে গিয়ে লুকিয়ে থাকতে পারে। পরে সেখানে ইনফেকশন ও জমাট বেঁধে পিত্ত নালীতে প্রতিবন্ধকতা তৈরী করতে পারে পাথরের মতো।
কৃমি কেন হয়?
এটা একটি চলমান চক্রাকার প্রক্রিয়া। কোন উপায়ে কৃমি বাচ্চার পেটে গেলে ( মুখ বা পায়ের চামড়া ভেদ করে) খাদ্য নালীতে কৃমি বাসা বাঁধে এবং রাতের বেলা মলদ্বারের আশে পাশে ডিম পাড়ে। এসব ডিম পায়খানার রাস্তা চুলকালে হাতের নখ থেকে আবার মুখের মাধ্যমে পেটে যাওয়ার সুযোগ পায়।
কখন কখন কৃমির ঔষধ খাওয়াবেন না?
১. বাচ্চা মাত্র কোন অসুখ থেকে সুস্থ হলো
২. জ্বর বা বমি থাকলে
৩.পাতলা পায়খানা চলা অবস্থায়
৪. এক বছরের নিচে
৫. এক বছর বয়সে কৃমি না দেখলে।
কখন খাওয়াবেন?
১. দুই বছরের নিচে পায়খানায় কৃমি দেখলে
২. দুই বছর বা এর উপরে ৬ মাস পর পর রুটিন করে
৩. দুই বছরের নিচে পায়খানায় কৃমি দেখলে
৪.বাসার একজন খেলে বাকিরাও রুটিন হিসেবে।
কৃমির ঔষধ খাওয়ার নিয়মাবলি
My Ads
১. কৃমির উপদ্রপ বেশী হলে না এসকারিয়াসিসের ভয় থাকলে আগে বাচ্চাকে সাতদিন এন্টিহিস্টামিন খাওয়াতে হবে। এতে কৃমিগুলে নির্জীব হয়ে যাবে এবং মৃত শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ বের হয়ে শরীরে এলার্জিক রিয়াকশন করতে পারবে না।
২. এরপর যেদিন কৃমিনাশক খাওয়াবেন সে রাতে বাচ্চাকে ঔষধ খাইয়ে তার পায়খানা রাস্তা ভালো করে পরিস্কার করে নিজের হাতও ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে। এরপর সকালবেলা ঘুম থেকে উঠে আবার বাচ্চার পায়খানার রাস্তা ভালো করে ধুয়ে নিজেকে পরিস্কার করবেন। এতে মৃত কৃমির ডিমগুলো থেকে পুনরায় কৃমি পেটে ঢোকার সুযোগ কমে যায়।
৩. পরিবারের বাকিরাও কৃমিনাশক খাবেন এবং কৃমিনাশক দেয়ার পর বাচ্চার যেন অরুচি না হয় এজন্য একটা ভিটামিন সিরাপ খাওয়াতে হবে।
৪. পায়খানার রাস্তা বেশী চুলকালে মলম,ভেসলিন দিতে হবে ও পুরো জায়গাটা শুকনা রাখতে হবে।
কৃমি প্রতিরোধের উপায়
My Ads
১.পরিস্কার পরিছন্নতাই একমাত্র উপায় কৃমি না হওয়ার।
২. বাচ্চার নখ কেটে সমান করে দিতে হবে এবং পরিস্কার রাখতে হবে।
৩. মুখে হাত দেয়া ও দাঁতে নখ কাটার অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে।
৪.কোন কিছু খাওয়ার আগে অবশ্যই যেন হাত ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে, এটা বাচ্চাকে খুব ভালো করে শেখাতে হবে।
৫. খালি পায়ে মাটিতে হাঁটা যাবে না এবং বাচ্চাকে ধূলাবালি ময়লায় হাত দিতে মানা করতে হবে।
৬. রাতে বাচ্চা ঘুমের ঘোরে পায়খানার রাস্তা চুলকানোর চেষ্টা করলে, লম্বা পায়জামা পরাতে হবে বা ভেসলিন বা মলম দিতে হবে মলদ্বারে যেন চুলকানি না হয়।
৭. পায়খানা কষা হলে কৃ্মি পেটে বাসা বাঁধতে সুযোগ পায়। এজন্য নিয়মিত পায়খানা হওয়ার জন্য বেশী করে পানি ও শাকসবজি খেতে হবে।
৮. নিয়মিত ৬ মাস পর পর বাসার সবাই (কাজের লোকসহ) কৃমির ঔষধ খেতে হবে।
কাজেই ছোট বলে অবহেলা নয়
নিয়মিত বাচ্চাকে কৃমিনাশক খাওয়াতে হয়।
শিশুরযত্নেমায়ের_জিজ্ঞাসা
গোপান রোগ
- যে সব কারণে ছেলেরা বিয়ে করতে চায় না
- বৈধ স্ত্রীর স্তনের দুধ খাওয়া কি জায়েজ
- বাসর রাত ১০টি করণীয় ও বর্জনীয় কাজ হাদিস
- বোখারী| হস্তমৈথুন। পাঠ-৬
- আপনার শারীরিক গঠন, সঙ্গীর চাহিদা বাড়িয়ে দেবে
- যেভাবে হস্তমৈথুনের জড়িত হয়ে পড়ে একজন ছেলে অথবা মেয়ে| হস্তমৈথুন। পাঠ-৫
- ফরেন বডি কী আপনি জানেন কী ??
- হস্তমৈথুন। এই গোনাহ্থে কে বাঁচার উপায়
- মেয়েরা যেই সমস্যার সম্মুখীন হব । পাঠ-৩
- এটা করার কারণে ছেলে মেয়ে যেসব সমস্যার মধ্যে পড়ে তা হচ্ছে
My Ads


