Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
প্রশ্ন সমাধান: মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান, মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান, মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান কখনোই ভুলবে না বাংলাদেশ, মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান কী ছিল-ব্যাখ্যা কর, ‘মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান ভুলব না
১৯৭১ সাল বাংলাদেশে যখন যুদ্ধ চলছিল তখন পড়শি দেশ হিসেবে ভারত ও দেশটির সাধারণ মানুষ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল। ভারতের গণমানুষের সহযোগিতার সেই ইতিহাস তাৎপর্যপূর্ণ ও গৌরবের বটে। প্রায় এক কোটি মানুষ দেশান্তরিত হয়ে আশ্রয় নেয় ভারতে। শুধু তাই নয় ভারত অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে পড়ে আরেক ভূখ-ের মানুষের স্বাধীনতার রক্তাক্ত যুদ্ধে।
পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, অসম ও মেঘালয়ের মাটি ও মানুষ প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত হয় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে। ভারত সরকার একদিকে আশ্রয় দিয়েছিলেন শরণার্থীদের, অন্যদিকে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানগুলো পরিণত হয়েছিল মুক্তিফৌজের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে। এভাবেই একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারত প্রত্যক্ষভাবে অবদান রাখতে শুরু করে।
ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সীমান্ত পৃথিবীর মধ্যে পঞ্চম বৃহত্তম আন্তর্জাতিক সীমান্ত। বর্বর পাকিস্তানী সেনা অভিযানে দেশত্যাগীদের সিংহভাগ ঢুকে পড়ে ভারতে। ১৯৭১ সালের মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ থেকে ভারতীয় বিভিন্ন রাজ্যে সর্বমোট ৯৮ লাখ ৯৯ হাজার ৩০৫ জন শরণার্থী প্রবেশ করেন। বিপুল এই ছিন্নমূল মানুষের দায়িত্ব নিতে হয় ভারত সরকারকে। ভারতের সাধারণ মানুষ ও সরকারের জন্য এটা ছিল একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
দীর্ঘ ২৩ বছরের সামরিক এবং ধর্মতান্ত্রিক নিপীড়ন ও অবিচারের বিরুদ্ধে বাঙালী জনতার সংগ্রাম ঘটে একাত্তর সালে। অনিবার্যভাবে শুরু হয় ইতিহাসের সর্বাপেক্ষা ধ্বংসযজ্ঞ ও লাখো প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত বাঙালীর মুক্তিযুদ্ধ। একই সঙ্গে একাত্তর সাল প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের মানুষের জন্য অত্যন্ত সম্মানের।
আরো ও সাজেশন:-
মুক্তিযুদ্ধের সকল কর্মকা- যদিও পরিচালিত হয়েছে পূর্ববঙ্গ, সাবেক পূর্ব পাকিস্তান বা বাংলাদেশের মাটিতে, তথাপি যুদ্ধের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে সীমান্তবর্তী ভারতের ভূখ-ে, সেখানকার সরকার ও সকল স্তরের মানুষের সার্বিক সহযোগিতায়।
পাকিস্তানী হানাদার সৈন্যদের নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ ও বর্বর নিপীড়ন থেকে বাঁচতে বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি মানুষ আশ্রয় নিয়েছিল ভারতের মাটিতে, যা ছিল বিশ্বের ইতিহাসে সর্বাধিক শরণার্থী বিপর্যয়। এই ঐতিহাসিক ঘটনাবর্তে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে ভারত সরকার এবং সেই সঙ্গে দেশটির সকল স্তরের মানুষ ও সশস্ত্র বাহিনীর অবদান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
একাত্তরে বাংলাদেশে পাকিস্তান বাহিনীর দমননীতির বিরুদ্ধে মুক্তিপাগল জনতার মুক্তিযুদ্ধের সমর্থনে নিত্যই মিছিল, মিটিংয়ে মুখর ছিল পশ্চিমবঙ্গসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্য। শুধু তাই নয়; বরং বাংলাদেশের স্বীকৃতির দাবিতেও ভারতের মানুষজন সোচ্চার ভূমিকা পালন করেছিল। প্রতিদিন দলে দলে নারী-পুরুষ কেউ বা মাথায় একটি পুঁটলি নিয়ে শরণার্থী হয়ে ভারতে পারি দিয়েছিলেন।
এসব মানুষের জন্য খাদ্য, বস্ত্র ও অন্নের সংস্থান করার বিষয়টি ছিল রীতিমতো একটি চ্যালেঞ্জ। গড়ে প্রতিদিন চল্লিশ হাজার শরণার্থী প্রবেশ করেছে ভারতে। প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতী ইন্দিরা গান্ধী ১৬ মে, ১৯৭১ সালে বাগডোগরা এয়ারপোর্টে নেমে সেখান থেকে হলদিবাড়ি ও দেওয়ানগঞ্জ শরণার্থী শিবির পরিদর্শন করেন।
তিনি শরণার্থীদের বলেনে যে, ভারত গরিব দেশ এবং ভারতের লোকেরাও গরিব; তবুও ভারত সাধ্যমতো এই শরণার্থীদের সেবা করবে। তৎকালে হলদিবাড়ি শরণার্থী শিবির পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী ওই কথাগুলো উচ্চারণ করেন। শরণার্থী শিবিরগুলোতে প্রধানমন্ত্রী খুব সংক্ষিপ্ত আকারে বক্তৃতা করেন।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
কিন্তু তাঁর বক্তৃতায় কোন বাহুল্যতা ছিল না। তিনি শরণার্থীদের একটি কথা স্মরণ করিয়ে দিতে ভোলেন না যে, তারা ভারতের বহু সমস্যার মধ্যে আর একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছেন; তবুও ভারত এটাকে আপনজনের ব্যাপার বলে মনে করছে।
আরি পড়ুন ›HSC Class 12 English 1st Paper Assignment Answer [2nd week Assignment Answer 2021], এইচএসসি ২০২২ পরীক্ষার্থীদের ২য় সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট ইংরেজি ১ম পত্র উত্তরFood Adulteration A learner will able to write a short summary of the story,…
আরি পড়ুন ›অবমূল্যায়নের ফলাফল সমূহ আলোচনা করঅবমূল্যায়নের ফলাফল সমূহ আলোচনা কর, মুদ্রার অবমূল্যায়নের ফলাফল,মুদ্রা অবমূল্যায়ন কিভাবে দেশের রপ্তানি বাড়ায়? অবমূল্যায়ন…
আরি পড়ুন ›বিজ্ঞান বইয়ের নবম অধ্যায়ে দূরবীক্ষণ যন্ত্রের উল্লেখ আছেদূরবীক্ষণ যন্ত্র তথা দূরবীন (টেলিস্কোপ) এমন একটি যন্ত্র যা দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তু দর্শনের জন্য ব্যবহার…
মার্কিন সিনেটর এ্যাডওয়ার্ড কেনেডি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের বিভিন্ন শরণার্থী শিবির পরিদর্শনের পর ওয়াশিংটনে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন যে, ভারতের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে প্রতিদিন প্রায় ৪ হাজার ৩০০ শিশু মারা যাচ্ছে। তিনি ছিলেন সিনেটের শরণার্থী সংক্রান্ত জুডিশিয়ারি সাব-কমিটির চেয়ারম্যান।
My Ads
তিনি বলেন, নতুন বৈদেশিক সাহায্য বিলে কংগ্রেস যদি কোন অর্থ মঞ্জুর না করে, তবে তিনি শরণার্থীদের জন্য ২৫ কোটি ডলার মঞ্জুরির জন্য একটি বিল পেশ করবেন। শরণার্থী শিবিরে বিবর্ণমুখ দেখে ভারতের সাধারণ মানুষেরা চুপ করে বসে থাকেনি; বরং যে যার অবস্থান থেকে সর্বত্রভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন। কর্মীরা প্রায় প্রতিটি প্রশিক্ষণ শিবির ও শরণার্থী শিবিরে ঘুরে বেড়িয়েছেন।
শরণার্থীদের দুঃখ-কষ্ট একাকার হয়ে পশ্চিমবঙ্গের মানুষগুলো ত্রাণসামগ্রী, কাপড় ও চিকিৎসাসেবা প্রদান শুরু করেন। সুনামির ঢেউয়ের মতোই সাধারণ মানুষের স্রোত পশ্চিমবঙ্গে আছড়ে পড়লেও সেখানকার অধিবাসীরা হাল ছেড়ে দেয়নি। সার্বিক অবস্থা দেখে শরণার্থী সাহায্যে রাষ্ট্রসংঘের সেক্রেটারি জেনারেল উথান্ট শরণার্থীদের সাহায্যের জন্য উদাত্ত আহ্বান করেন।
একদিকে পশ্চিম পাকিস্তানী ঘাতক সামরিক সরকার, অন্যদিকে মুক্তিকামী জনতা। যাই হোক, ভারতের সাধারণ মানুষের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় গড়ে ওঠে প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্র। কেউ কেউ ডাক্তারের পাশে থেকে শরণার্থীদের সেবা-শুশ্রƒষায় নিয়োজিত হয়ে যায়।
এভাবেই কেউ ধাত্রী প্রশিক্ষণ, নার্স প্রশিক্ষণ নিয়ে শরণার্থী শিবিরে কাজ করেছেন অবিরত। এ ছাড়াও বিভিন্ন সংস্থা কর্তৃক সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। মাস কয়েকের মধ্যে এ সকল অঞ্চলে হাজার হাজার শরণার্থী এসে অবস্থান করলে এক অমানবিক অবস্থার জন্ম নেয়। উল্লিখিত অঞ্চলের সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক নেতারা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়।
বসবাসের স্থান দেয়ার পাশাপাশি খাবারের ব্যবস্থা গ্রহণ করে। একাত্তরে ভারতে যারা শরণার্থী শিবিরে দিনভর কাজ করতেন। সার্বিক বিষয় বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একাত্তর সালে ভারত পরিণত হয়েছিল হাজার হাজার শরণার্থীদের শেষ আশ্রয়স্থল। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য প্রশাসনের পাশাপাশি ধনী, গরিব ও জাতি-ধর্মনির্বিশেষে পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে। এ অবদান নগণ্য নয়; বরং ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সত্য।
My Ads
| Paragraph/Composition/Application/Email/Letter/Short Stories | উত্তর লিংক |
| ভাবসম্প্রসারণ/প্রবন্ধ, অনুচ্ছেদ/ রচনা/আবেদন পত্র/প্রতিবেদন/ চিঠি ও ইমেল | উত্তর লিংক |
একাত্তরে ভারত আভাস দিয়েছিল যে, সীমান্তের ওপারের মানুষ এপাড়ের মানুষগুলোর সঙ্গে একাত্ম। এ আভাস মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করেছিল। ভারতের মানুষ বিভিন্ন রসদ জোগান দিয়েছিল সেটি শুধু মুক্তিসেনাদের উৎসাহিত করেনি বরং তাদের বাহুতে নতুন করে বল সংযোজিত হয়েছিল। ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে প্রতিনিয়ত রসদ পাঠানো হয়েছিল। ভারতের শরণার্থী শিবিরে দ্রুততম সময়ের মধ্যে খাদ্য, বস্ত্র, আহতদের রক্তদানের ব্যবস্থা করতে কোনো প্রকার কাল বিলম্ব করা হয়নি।
শুরুর দিকে একটু কষ্ট হলেও ধীরে ধীরে শরণার্থীদের জন্য সুসময় আসতে থাকে। প্রতিটি শরণার্থীকে কলেরা ভ্যাকসিন, মাল্টিভিটামিন ট্যাবলেট, দুধ এবং সবচেয়ে বড়ো যেটা দু’বেলা পেটপুরে ভাতের জোগান দেওয়া হয়েছিল।
ভারতের সর্বস্তরের মানুষ তথা রাজনীতিবিদ, ছাত্র, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, সাংবাদিক, আইনজীবী, গৃহিনী, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ শ্রমজীবী যারা ইতিহাসের যুগ-সন্ধিক্ষণে নিজেদের আবেগ ও যুক্তিতে বরণ করে নিয়েছিলেন এক কোটি শরনার্থী, একাত্ম হয়েছিলেন পরম বন্ধু হয়ে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের কাতারে। নিজেদের দেশ থেকে বিতারিত হয়ে আসা বিবর্ণ মুখগুলোর জন্য ভারতের সাধারণ মানুষের ভালবাসা ছিল সীমাহীন। মুক্তি ও মিত্রবাহিনীর যৌথ রক্তে রঞ্জিত হয়েছে বাংলাদেশের মাটি, রচিত হয়েছে আরেক অমচোনীয় ইতিহাস। এসব ঘটনাবর্তে মুক্তিযুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গের সকল স্তরের মানুষের অবদান বাংলাদেশের জন্মযুদ্ধের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
কখনও ওষুধ, কখনও খাদ্য কিংবা কখনও সেবার মাধ্যমে বুকভরা ভালবাসা দিয়ে ভারতের মানুষ যে ঋণের জালে আবদ্ধ করেছে, তা বোধকরি কোন দিন ভুলতে পারবে না বাংলাদেশের মানুষ।
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও
আরি পড়ুন ›৯ম শ্রেণি ৬ষ্ঠ সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট ২০২১ তথ্য ও যােগাযােগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, পদার্থ বিজ্ঞান, হিসাব বিজ্ঞান৬ষ্ঠ সপ্তাহের এসাইনমেন্ট উত্তর নবম শ্রেণির ৬ষ্ঠ সপ্তাহের নির্ধারিত কাজ প্রকাশ করা হয়েছে ।…
আরি পড়ুন ›১০ম শ্রেণির/ এসএসসি বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এসাইনমেন্ট উত্তর ২য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২,২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এসাইনমেন্ট উত্তর ২য় সপ্তাহের এসাইনমেন্ট সমাধান ২০২২, ssc class 10 bangladesh and world identity assignment answer 2nd week 2022শ্রেণি: ১০ম/SSC/ 2022 বিষয়: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2022এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 01 বিষয়…
আরি পড়ুন ›ব্যবসাকে পেশা হিসাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে। নিজস্ব গুণাবলি ও দূর্বলতা যাচাইয়ের কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে বলে তুমি মনে কর।ব্যবসাকে পেশা হিসাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে। নিজস্ব গুণাবলি ও দূর্বলতা যাচাইয়ের কী…
- পণ্যের জীবনচক্রের বিভিন্ন স্তরে গৃহীত বাজারজাতকরণের কৌশলসমূহ বর্ণনা করা

- নতুন পণ্যের ক্ষেত্রে ক্রেতা বা ভোক্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া বা গ্রহণ প্রক্রিয়া (Adoption Process) বিস্তারিত আলোচনা করো।

- মোড়কীকরণের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর, মোড়কীকরণ কী? পণ্য বিপণনে মোড়কীকরণের গুরুত্ব বা তাৎপর্য আলোচনা করো।

- একটি প্রতিষ্ঠানের শক্তিশালী ব্র্যান্ড উন্নয়ন কৌশল আলোচনা কর

- সেবার বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।, সেবার বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।

- ভোগ্যদ্রব্যের/পণ্যের শ্রেণিবিভাগগুলো আলোচনা কর, চিত্রের সাহায্যে ভোগ্যপণ্যের শ্রেণিবিভাগ দেখাও
