Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
৩। “বৈধ চুক্তি অংশীধারী ব্যবসায়ের মূল ভিত্তি” তা তােমার
নিজস্ব মতামত দিয়ে নির্দেশনা গুলাে ব্যাখ্যা কর। নির্দেশনাঃ-
১. বৈধ চুক্তি কি তা সংক্সেপে লিখবে?
উত্তর :
চুক্তির সংজ্ঞা প্রদানের ক্ষেত্রে বিভিন্ন আইনবিশারদগণ বিভিন্ন অভিমত ব্যাক্ত করেছেন।
যা নিম্নে উপস্থাপন করা হলো: চুক্তির সংজ্ঞা দিতে গিয়ে অধ্যাপক স্যামন্ড বলেন যে, “A contract is an agreement creating and defining obligations between the parties’ “বিভিন্ন ব্যক্তির মধ্যে দায় সৃষ্টি ও নির্দিষ্ট করে যে সম্মতির সৃষ্টি হয় তাকে চুক্তি বলে।”
বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল [বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস]
স্যার উইলিয়াম এ্যানসন চুক্তির সংজ্ঞা প্রসঙ্গে বলেন, “আইনের দ্বারা বলবেযাগ্য দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে সম্পাদিত যে সম্মতির দ্বারা একপক্ষ অন্য পক্ষের কার্য বা কার্য হতে বিরত থাকার অধিকার লাভ করে থাকে তাকেই চুক্তি বলে।”
স্যার ফ্রেডারিক পোলক এর মতে, ‚Every agreement and promise enforceable at law is a contract.œ “আইনের সাহায্যে বলবেযাগ্য প্রত্যেকটি সম্মতি ও প্রতিশ্রুতিকেই চুক্তি বলে।
১৮৭২ সালের চুক্তি আইনের ২ (জ) ধারায় চুক্তির যে সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে, সেখানে বলা হয়েছে যে, An agreement enforceable by law is a contract ” অর্থাত্ আইনের দ্বারা বলবেযাগ্য সম্মতিকে চুক্তি বলা হয়।
বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল [বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস]
২. চুক্তি ছাড়া অংশীদারী কারবার সম্ভব কি তা বর্ণনা করবে
উত্তর :
অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন
অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন সম্পর্কে বলা হয়েছে- ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের ৫৮ ধারায়
অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন বলতে বোঝায়- চুক্তিপত্রের নিবন্ধন
লিখিত ও নিবন্ধিত চুক্তিপত্রকে আদালত- প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করে
অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধনের জন্য দরখাস্থ জমা দিতে হয়- সরকার নিযুক্ত নিবন্ধকের অফিসে
সাধারণ ও ব্যাংকিং অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন- বাধ্যতামূলক নয়
সীমিত অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন- বাধ্যতামূলক
My Ads
অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধনের জন্য স্ট্যাম্প লাগাতে হয়- কমপক্ষে ২৫০ টাকার
অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধিত বিষয়বস্তুর পরিবর্তনের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে- অংশীদারি আইনের ৬০ ও ৬১ ধারায়
বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল [বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস]
অংশীদারি ব্যবসায় নিবন্ধন না করার ফলাফল
১. ৩য় পক্ষের বিরুদ্ধে ১০০ টাকার বেশি পাওনা আদায়ের জন্য আদালতে মামলা করতে পারবে না
২. উক্ত প্রতিষ্ঠান বা এর অংশীদার ৩য় পক্ষের বিরুদ্ধে চুক্তিজনিত অধিকার আদায়ের জন্য মামলা করতে পারবে না
৩. ৩য় পক্ষ প্রতিষ্ঠান বা অংশীদারদের বিরুদ্ধে মামলা করলে উক্ত প্রতিষ্ঠান বা তার অংশীদার ৩য় পক্ষের বিরুদ্ধে দাবী আদায়ের জন্য মামলা করতে পারবে না
অংশীদারি ব্যবসায়ের নিবন্ধন না করার পরিণাম বা ফলাফল সম্পর্কে বলা হয়েছে- অংশীদারি আইনের ৬৯ ধারায়
My Ads
নিবন্ধিত অংশীদারি ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে ব্যবসায়ের কর প্রদান করতে হয়- ব্যবসায়ের আয়ের উপর
অংশীদারদের কর প্রদান করতে হয়- ব্যবসায় হতে প্রাপ্ত লভ্যাংশের উপর
অনিবন্ধিত অংশীদারি ব্যবসায়ের ক্ষেত্রেও- অংশীদারদের কর প্রদান করতে হয়
অংশীদারি ব্যবসায় নিবন্ধিত হলেও এর কোনো আইনগত সত্তার সৃষ্টি হয় না
বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল [বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস]
৩. কোন কোন ব্যক্তি অংশীদারী কারবারের অংশীদার হতে পারে না এবং কেন তা লিখবে ?
উত্তর :
চুক্তি করার অযোগ্য ব্যক্তিগণ:
১. নাবালক
২. পাগল
আরি পড়ুন ›ssc 2021 politics and citizenship 1st assignment answer /solution, এসএসসি পরিক্ষার্থী ২০২১ এর পৌরনীতি ও নাগরিকতা ১ম অ্যাসাইনমেন্ট উত্তর /সমাধান ২০২১অ্যাসাইনমেন্ট : বর্তমান বিশ্বে নিম্নোক্ত পরিবার ব্যবস্থা দেখা যায়- ক) বংশ গণনা ও নেতৃত্বের…
আরি পড়ুন ›দর্পণ ব্যাখ্যা করে উত্তল এবং অবতল দর্পনে বস্তুর প্রতিবিম্ব ব্যাখ্যা করণ, আলোর প্রতিফলনও দর্পণের প্রকারভেদ গোলীয় উত্তল দর্পণে বস্তুর প্রতিবিম্ব গোলীয় অবতল দর্পণে বস্তুর প্রতিবিম্ব ব্যাখ্যা করতে হবেশ্রেণি: ১০ম ভোকেশনাল দাখিল 2022 বিষয়: Physics (2) এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 01…
আরি পড়ুন ›MBA Final Year Strategic Managementব্যবস্থাপনা বিভাগMBA Final Year 2026বিষয়ঃ কৌশলগত ব্যবস্থাপনা(Strategic Management) 2026কোর্স শিক্ষকের নামঃ মো: ফারুক হোসেন…
৩. দেউলিয়া ব্যক্তি
৪. অজ্ঞান ব্যক্তি
My Ads
৫. সরকারি কর্মচারি
৬. রাষ্ট্রীয় বিশেষ দায়িত্বে নিয়োজিত ব্যক্তি (রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রিবর্গ, ইত্যাদি)
৭. প্রতিষ্ঠান বা সংঘ
৮. মানসিক প্রতিবন্ধী
৯. বিদেশি রাষ্ট্রদূত
১০. বিদেশি শত্রু ও দেশদ্রোহী
নোটঃকোম্পানি, কর্পোরেশন ও সংঘ এগুলোকে কৃত্রিম ব্যক্তি (legal person) বলা হয়। আমরা জানি কৃত্রিম ব্যক্তি (legal person) চুক্তি করতে পারেন। তবে কৃত্রিম ব্যক্তি আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত না হলে চুক্তি করতে পারবে না। তার মানে কৃত্রিম ব্যক্তিকে আইন অনুসারে গঠিত ও নিবন্ধিত হতে হবে।
*নাবালক: যে ব্যক্তি সাবালক নয় তাকে নাবালক বলা হয়। ১৮৭৫ সালের সাবালকত্ব আইন (The Majority Act,1875)-এর ধারা ৩ অনুসারে ১৮ বছরের কম বয়সের ব্যক্তিকে নাবালক বলা হয়।তবে এখানে একটা কথা বলে রাখা প্রয়োজন।কোন নাবালকের জন্য যদি আদালত কর্তৃক অভিভাবক নিয়োগ করা হয়ে থাকে অথবা নাবালকের সম্পত্তি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য যদি তত্ত্বাবধায়ক (Receiver) নিয়োগ করা হয় তাহলে কোন ব্যক্তি ২১ বছর পূর্ণ হওয়ার পর সাবালকত্ব অর্জন করে।
বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল [বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস]
*মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি:যে ব্যক্তি স্বাভাবিক চিন্তা-ভাবনা করতে পারে না তাকে মানুসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি বলে।চুক্তি আইনের ১২ ধারার ৩য় অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি সাধারণত সুস্থ মনের অধিকারী কিন্তু মাঝে মাঝে অসুস্থ থাকেন,সে ব্যক্তি অসুস্থ থাকাবস্হায় চুক্তি করতে পারবেন না।কোন ব্যক্তি চুক্তি করার সময় মানুসিকভাবে অসুস্থ ছিল কিনা তা ঘটনাগত ব্যাপার।তাই মানুসিকভাবে অসুস্থতার বিষয়টি যথাযথভাবে প্রমাণ করতে হবে।চুক্তি আইনে মানসিক অসুস্থতা কাকে প্রমাণ করতে হবে সে সম্পর্কে কিছু বলা নেই।তবে সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারায় বলা হয়েছে,কোন বিষয় প্রমাণিত না হলে যিনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তাকে তা প্রমাণ করতে হবে।তার মানে কোন ব্যক্তি মানুসিকভাবে অসুস্থ ছিল-এটা প্রমাণিত না হলে যিনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তাকে মানুসিক অসুস্থতা প্রমাণ করতে হবে।
*প্রচলিত আইন অনুসারে চুক্তির অযোগ্য ব্যক্তি:
প্রচলিত আইন অনুসারে অযোগ্য ব্যক্তি চুক্তি করতে পারে না।আইন অনুসারে চুক্তি করতে অযোগ্য ব্যক্তি কর্তৃক চুক্তি বাতিল চুক্তি বলে পরিগণিত হবে।
My Ads
উদাহরণ-১: ১৯৯৭ সালের দেউলিয়া আইন(The Bankcruptcy Act,1997) অনুসারে কোন ব্যক্তি দেউলিয়া ঘোষিত হলে ঐ ব্যক্তি তার সম্পত্তি হস্তান্তর করার জন্য কোন চুক্তি করতে পারেন না।কোন ব্যক্তির সম্পত্তি অপেক্ষা দেনার পরিমাণ বেশি হলে তিনি দেউলিয়া আইন অনুসারে দেউলিয়া ঘোষিত হতে পারেন।
উদাহরণ-২: কোন ব্যক্তি সাজা ভোগ করার সময় কোন চুক্তি সম্পাদন করতে পারেন না। সাজা ভোগ করার সময় সাজাপ্রাপ্ত ব্যক্তি চুক্তি করলে তা বাতিল বলে পরিগণিত হবে।
সাবালক ও নাবালকের যৌথ চুক্তি:
My Ads
কোন নাবালক চুক্তি করতে পারে না। নাবালক চুক্তি করলে সেটা বাতিল বলে পরিগণিত হবে। কোন নাবালক যেমন এককভাবে চুক্তি করতে পারে না, ঠিক তেমনি যৌথভাবেও চুক্তি করতে পারে না।সাবালক ও নাবালক যৌথভাবে চুক্তি সম্পাদন করলে সাবালক ব্যক্তি এককভাবে চুক্তির বাধ্যবাধকতার জন্য দায়ী হবে। সাবালক ব্যক্তি চুক্তির জন্য ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবে, কিন্তু নাবালককে ব্যক্তিগতভাবে দায়ী করা যাবে না।[PLD 1967 Kar-158]
উত্তরকালীন অসম্ভবতা (Supervening impossibility):
অসম্ভব কাজ সম্পাদনের চুক্তি প্রথম থেকেই বাতিল(void ab initio) বলে গণ্য হবে। চুক্তি আইনের ৫৬ ধারার ১ম অংশে বলা হয়েছে, যে কাজ এর প্রকৃতির জন্য করা অসম্ভব সে কাজ করার সম্মতি বাতিল। উদাহরণ-ক খ-এর সাথে যাদু বলে ধন আবিষ্কার করতে সম্মত হন। সম্মতিটি বাতিল।কারণ, যাদু বলে ধন আবিষ্কার সম্ভব নয়।
চুক্তি করার পর কোন ঘটনা দ্বারা চুক্তি পালন করা অসম্ভব হয়ে পড়লে তাকে উত্তরকালীন অসম্ভবতা (Supervening impossibility) বলে।পরবর্তীকালে কোন ঘটনা দ্বারা চুক্তি পালন করা অসম্ভব হয়ে পড়লে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটে।চুক্তি সৃষ্টির সময় যা করা সম্ভব ছিল পরবর্তীকালে কোন অপ্রত্যাশিত ঘটনার জন্য তা যদি অসম্ভব হয়ে পড়ে এরূপ ঘটনাকে উত্তরকালীন অসম্ভবতা (Supervening impossibility) বলে।
উদাহরণ-১ঃ রোকেয়া বেগম একটি জন্মদিনের অনুষ্ঠান করার জন্য সাদমান মুশরিফাতের কাছ থেকে ৫০০০ টাকা দিয়ে এক দিনের জন্য একটি ঘর ভাড়া করলো। জন্মদিনের অনুষ্ঠানের আগের দিন ঘরটি আগুনে পুড়ে গেলো।উত্তরকালীনঅসম্ভবতার কারণে রোকেয়া বেগম এবং সাদমান মুশরিফাতের মধ্যকার চুক্তিটি পরিসমাপ্তি হয়ে গেলো।এই চুক্তির জন্য সাদমান মুশরিফাত দায়ী থাকবে না।
বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল [বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস]
উদাহরণ-২ঃ মীম একজন সঙ্গীত শিল্পী।সে সাজিদের অনুষ্ঠানে এক শনিবারে গান গাওয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়।মীম অনুষ্ঠানের আগের দিন অসুস্থ হয়ে পড়ে।তাই মীমের জন্য গান গাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়ে।মীম ও সাজিদের মধ্যকার চুক্তিটি উত্তরকালনীন অসম্ভবতার জন্য পরিসমাপ্তি ঘটে।
নৈরাশ্য মতবাদ (The doctrine of frustration):
আমরা জানি সকল ধরনের চুক্তি কোন না কোন উদ্দেশ্য নিয়ে গঠিত হয়। আর এই উদ্দেশ্য সকল সময় পূরণ করা সম্ভব না। চুক্তির উদ্দেশ্য পূরণ করা সম্ভব না হলে আদালত চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটেছে বলে ধরে নিবে।একেই নৈরাশ্য মতবাদ (The doctrine of frustration) বলে।
নোট: চুক্তি করার সময় কোন একটি কাজ করা সম্ভব ছিল।পরবর্তীতে কোন একটি অজানা ঘটনার কারণে কাজটি করা অসম্ভব হয়ে পড়ে।এই ঘটনাকে Supervening impossibility বলে।উত্তরকালীন অসম্ভবতার(Supervening impossibility)ক্ষেত্রে নৈরাশ্য মতবাদের প্রয়োগ করে চুক্তির পরিসমাপ্তি ঘটে।[47 DLR 430]
আরি পড়ুন ›dakhil class 10 arabic (kawaidul lugatil arabiyah) assignment answer 7th week 2021, দাখিল আরবি (কাওয়াইদুল লুগাতিল আরাবিয়্যাহ) ৭ম সপ্তাহের এ্যাসাইনমেন্ট সমাধান ২০২১অ্যাসাইনমেন্ট : الفعل المجرد والمزيد : تعريفهما اقسامهم واوزانهم নিদেশনা অনুসরণ করে আরবিতে লিখ…
আরি পড়ুন ›History of The Muslim Rule in Syria Honors 1st Year Exam Suggestion PDF, Honors History of The Muslim Rule in Syria Suggestion PDF DownloadHistory of The Muslim Rule in Syria Honors 1st Year Exam Suggestion PDF, Honors…
আরি পড়ুন ›(উপভোগ হাতে খড়ি, পিত্রালয়, সর্বজনীন, মাননীয়, নিদারুণ, নীলিমা, আশীর্বাদ, চন্দ্রমুখ, কবিত্ব) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি অংশের বিভিন্ন পরিচ্ছেদ পেশ করবোসুপ্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ, আজকের আলোচনায় বিভিন্ন শব্দের (উপভোগ হাতে খড়ি, পিত্রালয়, সর্বজনীন, মাননীয়, নিদারুণ, নীলিমা,…
বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল [বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস]