My Ads
New Ads
ইবোলা হচ্ছে ভাইরাসঘটিত একটি সংক্রামক রোগ। দক্ষিণ সুদানে ১৯৭৬ সালের জুন মাসে প্রথম এই রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। তারপর আরো কয়েকবার এই রোগের মহামারি দেখা দিলেও তা সুদান, কঙ্গো, জায়ার, উগান্ডা প্রভৃতি দেশে সীমাবদ্ধ ছিল।
তবে ২০১৪ সালে আফ্রিকার দেশগুলোর বাইরে আমেরিকা-ইউরোপে ‘ইবোলা’ আক্রান্ত রোগীর সন্ধান মেলে।
‘ইবোলা-ভাইরাস’ এই রোগের জন্য দায়ী। পাঁচ ধরনের ভাইরাস শনাক্ত হলেও মূলত চার ধরনের ‘ইবোলা-ভাইরাস’ মানবদেহে এই রোগের কারণ।
ভয়ংকর এই রোগে আক্রান্তদের গড়ে ৫০ শতাংশ মারা যায়। তবে ২০১৪ সালের মহামারিতে আক্রান্তদের মৃত্যুর হার ছিল প্রায় ৭০ শতাংশ। কঙ্গোর ইবোলা (Ebola) নদীর নামে এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে।
ধারণা করা হয়, এক ধরনের বাদুড়ের মাধ্যমে এ রোগ মানবদেহে সংক্রমিত হয়েছে। বাদুড় ছাড়াও গরিলা, শিম্পাঞ্জির মধ্যে এ রোগের প্রাদুর্ভাব আছে। সংক্রমিত প্রাণীর সংস্পর্শে বা মাংস খেয়ে এ রোগ মানবদেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
আক্রান্ত রোগীর লালা, বমি, মলমূত্র, ঘাম, অশ্রু, বুকের দুধ ও বীর্যের মাধ্যমে এ রোগ ছড়ায়। আক্রান্তদের ব্যবহার করা সুই, সিরিঞ্জ, এমনকি কাপড়ের মাধ্যমেও ছড়ায়। নাক, মুখ, চোখ, যৌনাঙ্গ বা ক্ষতের মাধ্যমে এ রোগের জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে।
ভাইরাস শরীরে প্রবেশের গড়ে ৭-১০ দিন দিনের মধ্যে লক্ষণ প্রকাশ পেয়ে থাকে। প্রাথমিকভাবে ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো জ্বর, ক্ষুধামান্দ্য, গা ব্যথা, মাথা ব্যথা, শ্বাসকষ্ট, কাশি ইত্যাদি দেখা দেয়। এরপর বমি, পাতলা পায়খানা এবং ত্বকে লক্ষণ প্রকাশ পায়। নাক, মাড়ি, চোখ, বমিতে রক্তক্ষরণ হতে পারে।
ত্বকে রক্তক্ষরণের কারণে এক ধরনের ছোপ ছোপ লালচে ক্ষত দেখা দেয়, কাশি এবং মলেও রক্তক্ষরণ হয়। শরীরের ভেতর রক্তক্ষরণ হতে থাকে, লিভার ও কিডনির কার্যক্ষমতাও কমতে থাকে। এ অবস্থায় রোগী ধীরে ধীরে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। যারা বেঁচে যায় তাদের অনেক দিন পর্যন্ত পর্যবেক্ষণে থাকতে হয়। দুর্বলতা ও অস্থি জোড়ার ব্যথা রোগ প্রশমনের দীর্ঘকাল পরও পরিলক্ষিত হয়।
সাধারণত ভ্রমণের ইতিহাস এবং রক্ত পরীক্ষার মাধমে এই রোগ শনাক্ত করা হয়। ১৯ ডিসেম্বর ২০১৯ সালে মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) ইঞ্জেকশন যোগ্য একক ডোজ ইবোলা ভ্যাকসিন আরভিএসভি ডেবিভিকে অনুমোদন দেয়। মার্কিন সরকারের আর্থিক সহায়তায় এই ভ্যাকসিন তৈরি হয়েছে।
P.S.C
New Ads
- পঞ্চম শ্রেণি বিষয়: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়: ৩য় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
- প্রাথমিক বিজ্ঞান বইয়ের ৭ম অধ্যায়ে মাছির উল্লেখ আছে
- পঞ্চম শ্রেণি বিষয়: বিজ্ঞান অধ্যায়: ১ম সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
- পঞ্চম শ্রেণি বিষয়: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়: ৪র্থ সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
- পঞ্চম শ্রেণি বিষয়: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় অধ্যায়: ৩য় সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন ও উত্তর
- বাংলা বইয়ের ‘সুন্দরবনের প্রাণী’ প্রবন্ধে ইগলের উল্লেখ আছে
- বিজ্ঞান বইয়ের দশম অধ্যায়ে সার্চ ইঞ্জিনের উল্লেখ আছে
- বিজ্ঞান বইয়ের দশম অধ্যায়ে ফ্লুয়ের উল্লেখ আছে
- বইয়ের হাতি আর শিয়ালের গল্পে গুবরে পোকার উল্লেখ আছে
- বিজ্ঞান বইয়ের নবম অধ্যায়ে দূরবীক্ষণ যন্ত্রের উল্লেখ আছে
New Ads
My Ads
My Ads
