Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
বিষয়: প্রবন্ধ রচনা: ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস, রচনা: ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস রচনা SSC HSC, প্রবন্ধ ও রচনা: ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস, প্রবন্ধ রচনা : ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস
২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস
“সাবাস, বাংলাদেশ, এ পৃথিবী অবাক তাকিয়ে রয়;
জ্বলে পুড়ে মরে ছারখার, তবুও মাথা নোয়াবার নয়।”
-সুকান্ত ভট্টাচার্য
২৬শে মার্চ, ১৯৭১ সালে পৃথিবীর মানচিত্রে একটি দেশের নামের অন্তর্ভুক্তি ঘটে, -বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস এ দিনটিকে ঘিরে রচিত হয়েছে। এ দিনের নবীন সূর্যোদয়ের মধ্য দিয়ে আমাদের জাতীয় জীবনে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়। এ স্বাধীনতা দিবসের আনন্দোজ্জ্বল মুহূর্তের মধ্যে প্রথমেই যে কথা মনে পড়ে, তা হল এ দেশের অসংখ্য দেশপ্রেমিক শহীদের আত্মদান। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলার মানুষ পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক স্বৈরশাসনের ২৪ বছরের গ্লানি থেকে মুক্তির পথ খুঁজে পেয়েছিল। লক্ষ লক্ষ শহীদের রক্তে রাঙানো আমাদের স্বাধীনতার সূর্য। তাই এ দেশের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা দিবস সবচাইতে গৌরবময় ও পবিত্রতম দিন। ২৬ মার্চ, আমাদের মহান স্বাধীনতা দিবস।
অন্যান্য ঘটনা :
‘শুধু ভিক্ষা করে কখনো স্বাধীনতা লাভ করা যায় না।
স্বাধীনতা অর্জন করতে হয় শক্তি দিয়ে, সংগ্রাম করে।
স্বাধীনতার মূল্য দিতে হয় রক্ত দিয়ে।’
– নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম বিশ্বের স্বাধীনতা অর্জনের ইতিহাসে একটি আদর্শ-উজ্জ্বল দিক। কোনো জাতিকেই জন্মভূমির জন্য এমনভাবে আত্মত্যাগ করতে হয় নি। তাই স্বাধীনতার ইতিহাসে বাঙালিরা এক গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায়ের সূচনা করে। সেই সূচনা শুরু বাংলাদেশের মানুষেরই নয়, বিশ্বের প্রতিটি স্বাধীনতাকামী মানুষের জন্যেই এক অভিনব প্রেরণার উৎস। লক্ষ লক্ষ মানুষ জীবন দিয়ে, অর্থ দিয়ে, সম্পদ দিয়ে, সম্ভ্রম বিলিয়ে দিয়ে স্বাধীনতার পতাকা এ দেশের শ্যামল ভূমিতে ওঠাতে সক্ষম হয়েছিল। এজন্যে এ দেশের মানুষকে সহায়-সম্বলহীন অবস্থায় সংগ্রাম করতে হয়েছে এক শক্তিশালী বাহিনীর বিরুদ্ধে। অবশেষে তারা সেই অকুতোভয় সংগ্রামে জয়ী হয়েছে। ফলে আমরা লাভ করেছি একটি স্বাধীন স্বার্বভৌম দেশ- ‘বাংলাদেশ’।
ঐতিহাসিক পটভূমি : পাকিস্তানের প্রথম গভর্নর জেনারেল মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ১৯৪৮ সালে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা দেয়ার পর থেকেই মূলত স্বাধীনতা আন্দোলনের বীজ বপন করা হয়। রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দুকে রোধ করার জন্যে গঠিত হয় ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’। ১৯৫২ সালে পুনরায় উর্দুকে রাষ্ট্রভাষার ঘোষণা দিলে ছাত্রজনতা পুনরায় বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
১৯৫২ সালে ‘রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই’ আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে। এ আন্দোলনকে স্তিমিত করার জন্যে গুলি চালানো হয়। শহীদ হন সালাম, রফিক, জব্বার বরকতসহ আরও অনেকে। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে মুসলিম লীগের ভরাডুবি এবং যুক্তফ্রন্টের অভূতপূর্ব বিজয় লাভ পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর ক্ষমতার ভিতকে নড়বড়ে করে দেয়।
My Ads
আরি পড়ুন ›শিল্পোদ্যোগ উন্নয়ন চক্র বলতে কি বুঝ?,শিল্পোদ্যোগ উন্নয়ন চক্র কাকে বলে?,শিল্পোদ্যোগ উন্নয়ন চক্র এর সংজ্ঞা দাওশিল্পোদ্যোগ উন্নয়ন চক্র বলতে কি বুঝ?,শিল্পোদ্যোগ উন্নয়ন চক্র কাকে বলে?,শিল্পোদ্যোগ উন্নয়ন চক্র এর সংজ্ঞা…- আরি পড়ুন ›অনুচ্ছেদ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরঅনুচ্ছেদ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর,অনুচ্ছেদ মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, ‘মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর’ গভীর…
আরি পড়ুন ›যৌথমূলধনী কোম্পানির মূলধনের ধারণা ও শেয়ার ইস্যু সংক্রান্ত লেনদেনের হিসাবরক্ষণ সহায়ক তথ্য, পদ্মা লিমিটেড, মেঘনা লিমিটেড ও যমুনা লিমিটেড ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন অনুযায়ী গঠিত তিনটি পৃথক কোম্পানি।শ্রেণি: HS -2021 বিষয়: হিসাববিজ্ঞান এসাইনমেন্টেরের উত্তর 2021এসাইনমেন্টের ক্রমিক নংঃ 04 বিষয় কোডঃ 254বিভাগ:…
১৯৬৫ সালে মৌলিক গণতন্ত্রের নামে আইয়ুব খান এবং প্রহসনের নির্বাচন দিয়ে এদেশের মানুষের রাজনৈতিক অধিকার হরণ করে নেয়। তখন থেকেই স্বাধীকার আদায়ের আন্দোলন তীব্র হয়ে ওঠে। বাঙালির স্বাধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালে ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপিত হয়।
১৯৬৮ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা সাজিয়ে শেখ মুজিবুর রহমানকে কারাগারে আটক করা হয়। কিন্তু গণআন্দোলনের মুখে তাঁকে আটকে রাখা সম্ভব হয়ে ওঠে নি। ১৯৬৯ সালে শেখ মুজিবুর রহমানসহ অন্যান্য রাজনৈতিক নেতাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠী ক্ষমতা হস্তান্তরের নামে টালবাহানা শুরু করে। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকায় ঐতিহাসিক রেসকোর্স ময়দানে ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম’ বলে জাতিকে মুক্তি সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। সারা বাংলায় শুরু হয় তুমুল আন্দোলন। পঁচিশে মার্চের রাতের অন্ধকারে হানাদার বাহিনীর অতর্কিত আক্রমণে বিপর্যস্ত জাতির স্বাধীনতা ঘোষিত হয় ছাব্বিশে মার্চ। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ চট্টগ্রামের কালুর ঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে তৎকালীন সেনাবাহিনীর মেজর জিয়াউর রহমান সহ অনেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের পক্ষে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন এবং মুক্তি-সংগ্রামের ঘোষণা দেন।
সংকটময় দিন : ২৫ মার্চ, ১৯৭১ সালে আমাদের জাতীয় জীবনে নেমে আসে এক সংকটময় দিন। এ দিবসে আমরা প্রথমবারের মতো নিজেদের শক্তি সম্বন্ধে সচেতন হই। এক নারকীয় রাত্রির অন্ধকারে আমরা আমাদের স্বাধীনতার অগ্নি-তপস্যায় নিমগ্ন হয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের এ যাত্রাপথ ছিল অতি বন্ধুর। এই অতি বন্ধুর পথটি পার হয়ে আপন ভুবন রচনা করতে আমাদের দিতে হয়েছে অগণিত প্রাণ ও রক্ত। সুখের বিষয় এই যে, শেষ পর্যন্ত এই স্বাধীনতার মাধ্যমে আমাদের চরম সার্থকতাটি অর্জিত হয়েছে।
উদ্দেশ্য ও তাৎপর্য : আমাদের জাতীয় জীবনে এ দিনটির প্রধান তাৎপর্য হচ্ছে- এ দিনে সমগ্র দেশবাসীর বহুকাল লালিত মুক্তি ও সংগ্রামের অঙ্গীকারে ভাস্বর। এই স্বাধীনতা দারিদ্র্য, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ। এ দিন আমাদের আত্মপরিচয়ের গৌরমে উজ্জ্বল, ত্যাগে ও বেদনায় মহীয়ান। প্রতিবছর গৌরবময় এ দিনটি পালন করতে দিয়ে আমাদের কর্তব্য হয়ে ওঠে স্বাধীনতার স্বপ্ন ও স্বাধ আমরা কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পেরেছি, জাতীয় জীবনে আমাদের অর্জন কতটুকু আর বিশ্বসভায় আমাদের অবস্থান কোথায় সেসব মিলিয়ে দেখা। এদিক থেকে এ দিনটি আমাদের আত্মসমালোচনার দিন, হিসেব মেলাবার দিন, আত্মজিজ্ঞাসার দিন।
My Ads
স্বাধীনতার স্বপ্ন ও বিরাজমান বাস্তবতা : আমাদের এ কথাটি ভুলে গেলে চলবে না যে, সমগ্র দেশবাসীর আকাঙ্ক্ষা ও আত্মত্যাগের ফলেই এই স্বাধীনতা লাভ সম্ভব হয়েছিল। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। আজ আমাদের দায়িত্ব, এক সমুদ্র রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশকে সুখী-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে পৃথিবীর বুকে প্রতিষ্ঠিত করা। আমাদের এই স্বাধীনতা সমাজের গুটিকয়েক মানুষের আরাম-আয়েশের বিধান হতে পারে না। কারণ আমাদের এই স্বাধীনতা দারিদ্র্য, সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার মহান আদর্শে উদ্বুদ্ধ। এ আদর্শগুলোর প্রকৃত রূপায়ণই আমাদের স্বাধীনতা অর্জনের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। কিন্তু প্রশ্ন জাগে, সাধারণ মানুষের জীবনে তা কতটুকু অর্থবহ হয়েছে এবং আমরা স্বাধীনতা-উত্তর এতগুলো বছর পরও কেন বাংলার অগণিত মানুষের দুঃখ-যাতনা, ব্যর্থতা-হতাশা, দারিদ্র্য থেকে মুক্তি দিতে পারি না।
স্বাধীনতার পর দির্ঘদিন অতিবাহিত হয়েছে। একটি প্রজন্ম অতিক্রান্ত হয়ে আরেকটি প্রজন্মের সূচনা ঘটেছে। কিন্তু স্বাধীনতা শব্দটির সঙ্গে যে স্বপ্ন একদা দেশবাসী দেখেছিলেন আজও তা বাস্তবে রূপায়িত করা সম্ভব হয় নি। স্বাধীনতার পর থেকে সরকার পরিবর্তনের একটি ধারা ক্রম আমরা লক্ষ করতে পারি। প্রতিটি সরকার ক্ষমতায় এসেই ঘোষণা করেন যে, ‘আমাদের সরকার উন্নয়নের রাজনীতিতে বিশ্বাসী, আমরা উন্নয়নের রাজনীতি করি, দেশকে উন্নয়ন করাই আমাদের লক্ষ্য, সর্বোপরি উন্নয়নমূলক যত প্রকারের বিশেষণ রয়েছে তার সবকটিই তারা ব্যবহার করেছেন, দেশের উন্নয়ন করেছেন, দেশকে উন্নতির দিকে নিয়ে গেছেন… ইত্যাদি।’ কিন্তু বাস্তবতা হল- বাংলার দুঃখী মানুষের ভাগ্য রয়েছে অপরিবর্তনীয়। সমাজব্যবস্থা আজ মুখ থুবড়ে পড়েছে। সম্প্রতি আমাদের জাতীয় জীবনে নানা কারণে চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলা মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে। কলে-কারখানায়, অফিসে-আদালতে, স্কুলে-কলেজে, খেলার মাঠে, ঘরে-বাইরে সর্বত্রই শৃঙ্খলতার অভাব প্রকট। অবৈধ প্রভাব খাটিয়ে স্বার্থান্বেষী মানুষ মাত্রই মেতে উঠেছে ক্ষমতাধর হওয়ার প্রতিযোগিতায়। কল্যাণমুখী রাজনীতি হয়ে পড়েছে কলুষিত। সমাজজীবনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতির থাবা বিস্তৃত হচ্ছে। তর ফল হয়েছে ভয়াবহ। শিক্ষার ক্ষেত্রে, সমাজ-জীবনের অলিতেগলিতে উচ্ছৃঙ্খলতার ভয়াবহ কলঙ্ক-স্বাক্ষর। সামান্য কারণেই চলে ভাঙচুর।
চলে খুনখারাপি, রাহাজানি, সন্ত্রাস, চলে শ্লীলতাহানি। সামাজিক স্বার্থ ভুলে ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের জঘন্য প্রবণতার ফলে সমাজকে আজ গ্রাস করেছে চরম বিশৃঙ্খলা ও নৈরাজ্য।
এ এক জাতীয় জীবনের অপমৃত্যুর ঘণ্টাধ্বনি। বর্তমান ছাত্রসমাজের উচ্ছৃঙ্খলতার কথা বলতে গেলে তা হবে খুবই দুঃখের ও বেদনাদায়ক। যেখানে তাদের ওপরই নির্ভর করে দেশ ও জাতির গৌরব, সেখানে আজ তারা নানা করণে রুদ্ধগতি। হতাশা আর নৈরাশ্য এই যুবশক্তিকে এক সর্বনাশা অন্ধকারের দিকে টেনে নিয়ে চলেছে। দেশব্যাপী নৈরাশ্য, তীব্র অর্থনৈতিক সংকট, চরম দারিদ্র্য, ধনবৈষম্য, মূল্যবোধের অবনতি, কুনীতি-দুর্নীতিভরা রাজনীতি ইত্যাদি বহু কারণে ছাত্রসমাজকে নিয়মহীনতার দিকে চুম্বক-আকর্ষণে নিয়ত টেনে নিয়ে যায়। স্বাভাবিকভাবে মনে প্রশ্ন জাগে, আমরা কি এই স্বাধীন দেশের স্বপ্ন দেখেছিলাম? এই কি আমাদের ও সভ্যতার সূলমন্ত্র? এভাবে কি আমরা শক্তিধর মহান জাতির অস্তিত্বকে তুলে ধরতে পারব? এভাবে কি দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা হবে? স্বাধীনতা অর্জনের ৪৫ বছর পর এখনো অসংখ্য লোক অশিক্ষা ও দারিদ্র্য কবলিত অবস্থায় রয়েছে। জনগণের জীবনের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। বেকারত্বের জালে আবদ্ধ যুবক বেছে নিচ্ছে সন্ত্রাস আর ড্রাগের মরণনেশা। এক কথায় এখনো আমরা আমাদের স্বাধীনতাকে সঠিকভাবে অর্থবহ করে তুলতে পারি নি।
সবচেয়ে বেশি দুঃখজনক, বেদনাদায়ক ও লজ্জার কথা হল, স্বাধীনতার চেতনাকে পরিবর্তন ও ইতিহাসকে বিকৃত করার ধারাবাহিক অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে সমাজের তথা কথিত বিশেষজ্ঞ ইতিহাসবিদগণ, ফলে আজ যদি নতুন প্রজন্মের কেউ জানতে চায় যে, আমাকে আমার দেশের স্বাধীনতার ইতিহাস শোনাও, কিংবা একটি বই দাও যেখানে আমার দুঃখিনী মায়ের কথা লেখা আছে, যেখানে ভাইয়ের রক্তে ভেজা চিঠির কথা লেখা আছে, যেখানে বোনের বুকফাটা আর্তনাদের কথা লেখা আছে, যেখানে আমার এই বাংলাদেশের জন্মকথার লাল দাগগুলো কালো হয়ে আছে। তবে আমরা কী শোনাব, কী দেব? কোন বইটি দেব? কোন ঐতিহাসিকের লেখা দেব? কোন সরকারের বই দেব? উত্তর নেই!!
অজস্র রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা যাতে কারো ব্যক্তিগত বা দলগত চোরাবালিতে পথ না হারায় সেই প্রচেষ্টা আমাদের গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় এই স্বাধীনতার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হবে এবং জাতির বিপর্যয়ের অশনিসংকেতে জীবন আরও মুখ থুবড়ে পড়বে। আমাদেরকে এ কথা ভুলে গেলে চলবে না যে, স্বাধীনতা অর্জন করা কঠিন, স্বাধীনতা রক্ষা করা আরও কঠিন। আজ বিশ্বের দিকে দিকে উৎকর্ষসাধনের প্রতিযোগিতা।
এক্ষেত্রে আমাদেরও সৃষ্টি করতে হবে উন্নয়নের ধারা। দেশ গড়ার কাজে আজ প্রয়োজন সমগ্র জাতির নতুন করে শপথ গ্রহণ। সর্বপ্রকার স্বৈরতন্ত্র থেকে দেশকে মুক্ত করে আত্মশক্তিতে বলীয়ান হয়ে উঠতে হবে। তবেই গড়ে উঠবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ।
আমাদের জাতীয় জীবনে স্বাধীনতা যেমন তাৎপর্য বহন করে, তেমনি লক্ষ লক্ষ ক্লিষ্ট ও আর্তমানুষ যাতে জাতীয় পতাকাকে সমুন্নত রেখে নতুন জীবনকে পাথেয় করে নিজেদের গড়ার শপথ নিতে পারে সেদিকে আমাদের লক্ষ্য রাখা বাঞ্ছনীয়। তা’হলেই আমরা নতুন স্বপ্ন-সম্ভাবনায় উজ্জ্বল হয়ে উঠব এবং দুঃখ-বেদনা ক্ষণকালের জন্য হলেও ভুলতে পারব। আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি বটে, কিন্তু আমাদের অর্থনৈতিক মুক্তি এখনো আসে নি। অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জিত হলেই আমাদের স্বাধীনতার রূপ পূর্ণাঙ্গ হবে। তাই এই নতুন রাষ্ট্রকে নব চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে বিতাড়িত করতে হবে অশিক্ষা, কুশিক্ষা, বেকারত্ব, বুভুক্ষা ও দারিদ্র্য। তবেই না আমরা একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিতে পারব। তাই আসুন সবসময় বিভেদ-বিচ্ছেদ ভুলে, হানাহানি সংঘাত ভুলে, সংকীর্ণ স্বার্থচিন্তা জলাঞ্জলি দিয়ে দেশ গড়ার কাজে ব্রতী হই।
- ‘বিয়ের প্রলোভনে’ যৌন সম্পর্ক কি ধর্ষণ, নাকি প্রতারণা?

- ডিগ্রি ১ম বর্ষ মার্কেটিং ১ম পত্র স্পেশাল সাজেশন , ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ১০০% কমন মার্কেটিং ১ম পত্র সাজেশন

- হিসাববিজ্ঞান তথ্যপদ্ধতি সাজেশন অনার্স ৪র্থ বর্ষের, অনার্স ৪র্থ বর্ষ হিসাববিজ্ঞান তথ্যপদ্ধতি সাজেশন

প্রবন্ধ রচনা: ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস, রচনা: ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস, ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস রচনা SSC HSC, প্রবন্ধ ও রচনা: ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস, প্রবন্ধ রচনা : ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস
My Ads
আরি পড়ুন ›একটি ফার্ম কীভাবে ক্রেতামুখী বাজারজাতকরণ কৌশল প্রণয়ন করেকরএকটি ফার্ম কীভাবে ক্রেতামুখী বাজারজাতকরণ কৌশল প্রণয়ন করে, কোম্পানিব্যাপী রণকৌশলগত পরিকল্পনা এবং এর চারটি…
আরি পড়ুন ›What is data entry controlling and why it is important?,What is data entry? All information about data entryWhat is data entry controlling and why it is important?,What is data entry? All…
আরি পড়ুন ›জনসংখ্যাবিষয়ক এবং অর্থনৈতিক পরিবেশের পরিবর্তনগুলো কীভাবে বাজারজাতকরণ সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর?জনসংখ্যাবিষয়ক এবং অর্থনৈতিক পরিবেশের পরিবর্তনগুলো কীভাবে বাজারজাতকরণ সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করে ব্যাখ্যা কর? ১. ভূমিকা…