My Ads
প্রশ্ন সমাধান: পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দায়িত্ব কর্তব্য লেখ, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের কি কি প্রভাব পড়তে পারে? যেকোনাে একটি নিয়ে আলােচনা কর। , জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের কি কি প্রভাব পড়তে পারে
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তার দায়িত্ব ও কর্তব্য:
১) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে সমন্বয় সাধন করে উপজেলা পরিষদের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করা।
২) উপজেলা ও তার নিম পর্যায়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক কার্যক্রমের পেশাগত ও | প্রশাসনিক তদারকি করা।
৩) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীর নিয়ন্ত্রণকারী কর্মকর্তা হিসাবে দায়িত্ব পালন।
৪) স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা উভয় বিভাগের জন্য তহবিল বরাদ্দকারী কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করা এবং তহবিলের যথােযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করা। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে বরাদ্দকৃত তহবিলের আয়ন ও ব্যয়ন কর্মকর্তা হিসাবে কাজ করার জন্য আবাসিক মেডিকেল অফিসার বা অন্য কোন মেডিকেল অফিসারকে নিয়ােগ করা।
৫) উপজেলা স্বাস্থ্য প্রকল্পের ব্যবস্থাপনা, প্রশাসন এবং রক্ষণাবেক্ষণ।
৬) তাহার এলাকায় বন্ধাকরণ অস্ত্রপচারসহ সকল প্রকার পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য দায়ী থাকা।
৭) উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক সব ধরনের প্রশিক্ষণের দায়-দায়িত্ব গ্রহণ।
৮) ক্লিনিক্যাল কার্য সম্পাদন এবং স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের পেশাগত তদারকির জন্য মেডিকেল অফিসারদের মধ্যে দায়িত্ব বন্টন। মাঠ পর্যায়ের কর্মীদের মধ্যে দায়িত্ব বন্টন এবং কাজের ক্ষেত্র বা এলাকা বন্টন।
৯) উপজেলা স্বাস্থ্য প্রকল্পে প্রয়ােজনীয় তথ্য ও পরিসংখ্যান সংরক্ষণের নিশ্চয়তা প্রদান এবং উর্ধ্বতন | কর্মকর্তাকে প্রয়ােজনীয় প্রতিবেদন প্রদান।
১০) স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কাজের সমস্যা ও অগ্রগতির সাথে নিজেদেরকে পরিচিত করার জন্য নিয়মিত গ্রাম ও ইউনিয়ন পরিদর্শন করা ।।
১১) তাকে নিশ্চিত করতে হবে যেন তার অধীনস্থ কর্মকর্তা ও সুপারভাবজিার (তদারককারী) ইউনিয়ন পরিষদের স্কুলগুলাের সাথে এবং নির্দিষ্ট প্রতিনিধিত্বকারী দলের সাথে সঠিক যােগাযােগ রাখেন, যাতে করে উক্ত এলাকা নিয়মিত তদারক করা যায়।
১২) ভান্ডারের জন্য সময়মত সম্পদ সংগ্রহ করা, ভান্ডার থেকে বিতরণ করা এবং ভান্ডারের যথাযথ ব্যবহারের জন্য দায়ী থাকা।
My Ads
আরো ও সাজেশন:-
১৩) নিম্নলিখিত উপাদান সম্বলিত প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা;
ক) ছোঁয়াচে রােগ নিয়ন্ত্রণ।
খ) পরিবার পরিকল্পনা।
গ) সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি।
My Ads
ঘ) মা ও শিশু স্বাস্থ্য পরিচর্যা।
ঙ) স্থানীয় মহামারী রােগ প্রতিরােধ ও প্রতিকার।
চ) স্বাস্থ্য শিক্ষা।
ছ) বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন।
আরি পড়ুন ›আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজার কার্যক্রম সমূহ কি কিআন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজার কার্যক্রম সমূহ কি কি আন্তর্জাতিক মুদ্রা বাজার (Foreign Exchange Market or…
আরি পড়ুন ›অনার্স ৪র্থ বর্ষ আন্তর্জাতিক ব্যবসা সাজেশন, honors 4th year International business special short suggestions, অনার্স ৪র্থ বর্ষ আন্তর্জাতিক ব্যবসা ১০০% কমন সাজেশনঅনার্স ৪র্থ বর্ষ আন্তর্জাতিক ব্যবসা সাজেশন, honors 4th year International business special short suggestions,…
আরি পড়ুন ›Frequently asked questions about the Covid-19 vaccine, Question and answers : COVID-19 vaccinesFrequently asked questions about the Covid-19 vaccine What to do if you do not…
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
জ) পুষ্টির উন্নয়ন।
১৪) কার্যবিধির জন্য প্রয়ােজনীয় সরকারি ও সামাজিক কর্মকর্তা বা এজেন্সীর সহযােগিতায় ও ঘনিষ্ট সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে কাজ করা।
১৫) তার অধীনে কর্মরত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা উভয় বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বার্ষিক গােপনীয় প্রতিবেদন প্রস্তুত করা।
১৬) ঔষধ নীতি, বিশুদ্ধ খাদ্য অর্ডিনেন্স প্রভৃতি স্বাস্থ্যবিধির প্রয়ােগ ঠিকভাবে হচ্ছে কিনা সেটা তদারক করার তার দায়িত্ব।
১৭) বিভিন্ন সময়ে তার কার্য পরিধির সাথে সম্পর্কযুক্ত অন্য যে কোন দায়িত্ব অর্পণ করলে সেটা পালন করা ।।
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশের কি কি প্রভাব পড়তে পারে:
অতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে বর্তমান বিশ্ব প্রতিনিয়ত বিভিন্ন পরিবেশগত বিপর্যয়ের সম্মুখীন হচ্ছে। পরিবেশ বিপর্যয়ের ফলে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশের মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। জানুয়ারী ২০০৮-এ প্রকাশিত Climate of Disaster এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে “পরিবেশ বিপর্যয়ের ফলে এই গ্রহের সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ১৯৮০ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত আইপিসির গবেষণায় দেখা গেছে বাংলাদেশের গড় তাপমাত্রা দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে শুরু করে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেয়েছে। বাংলাদেশের ভৌগােলিক অবস্থান এশিয়া মহাদেশে হবার কারণে আমাদের শংকিত হবার যথেষ্ট কারণ আছে।
বিশ্ব জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশ নিমােক্তভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে উষ্ণায়ন বেড়ে যাবে যা সমুদ্রের আয়তন ও পরিধিকে বাড়িয়ে তুলবে।
উষ্ণায়নের ফলে হিমালয়সহ অন্যান্য পর্বতচূড়ায় জমে থাকা বরফ গলে যাবে এবং সমুদ্রের পানির উচ্চতা বেড়ে যাবে। উত্তর ও দক্ষিণ মেরুর গ্রীনল্যান্ড, অ্যান্টার্কটিকাসহ অন্যান্য ভূ-ভাগের ব্রফ গলে যাবে, যা সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়িয়ে তুলবে।
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ব-দ্বীপ, যেখানে অসংখ্য নদ-নদী বয়ে চলছে। পৃথিবীর তাপমাত্রা ১ ডিগ্রী সেলসিয়াস বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের ১৯ শতাংশ ভূমি সমুদ্রগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে-এর ফলে ৫৫ মিলিয়ন লােক ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
My Ads
১. মরুকরণ বৃদ্ধি পাবে: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে ভূ-পৃষ্ঠে পানির পরিমাণ ক্রমাগত হাস পাবে। ফলে সমগ্র ভূমি মরুভূমিতে পরিণত হবে এর ফলে কৃষিকাজ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং জীববৈচিত্র্য হুমকির সম্মুখীন হবে।
২. বন্যার সৃষ্টি: জলবায়ু পরিবর্তিত হলে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ বেড়ে যাবে এবং নদ-নদীর পানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। বাংলাদেশের অধিকাংশ নদীর উৎস দেশের বাইরে ভারত ও নেপাল। তাই একদিকে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি অপরদিকে ব্যাক ওয়াটার ইফেক্ট যুক্ত হয়ে ভয়াবহ বন্যার সৃষ্টি করবে।
৩. লবণাক্ততা বৃদ্ধি: বর্তমানে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে ও দূরবর্তী দ্বীপসমূহের প্রায় ১.৪ মিলিয়ন হেক্টর এলাকায় লােনা পানি প্রবেশ করায় উন্মুক্ত জলাশয় ও ভূগর্ভস্থ পানি লবণাক্ত হয়ে পড়েছে। বিশেষত নদ-নদীর মােহনায় অবস্থিত দ্বীপ ও তৎসংলগ্ন এলাকার অধিক পরিমাণ লােনা প্রবেশ করবে। ভূ-গর্ভস্থ পানি মাটির লবণাক্ততা বৃদ্ধি উপকূলীয় পরিবেশকে সামগ্রিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।
৪. ঘনঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের ঋতুচক্রের উপর প্রচন্ড প্রভাব পড়বে। বাংলাদেশে বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলােচ্ছ্বাস, টর্নেডাে ইত্যাদি প্রাকৃতিক দুর্যোগ বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে সমুদ্র উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ও জলােচ্ছ্বাসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হবে।
৫. বস্তুগত সম্পদের ক্ষতি: বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ফলে প্লাবনের তীব্রতা বাড়বে এবং অবকাঠামােগত ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হবে। IPCC এর সমীক্ষা অনুযায়ী ২০১০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে বনজনিত কারণে বস্তুগত সম্পদের ক্ষতির পরিমাণ ছিল ২৪২ মিলিয়ন টাকা।
My Ads
| Paragraph/Composition/Application/Email/Letter/Short Stories | উত্তর লিংক |
| ভাবসম্প্রসারণ/প্রবন্ধ, অনুচ্ছেদ/ রচনা/আবেদন পত্র/প্রতিবেদন/ চিঠি ও ইমেল | উত্তর লিংক |
৬. নদীর গতিপথ পরিবর্তিত: নদীর পানি শুকিয়ে গেলে বাংলাদেশের নৌ চলাচলসহ সেচের পানির অভাবে কৃষি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। জলবায়ুর পরিবর্তনের বর্তমান ধারা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের অনেক নদ-নদী শুকিয়ে যাবে এবং সেগুলাের গতিপথের পরিবর্তন হবে। নদীর পানি শুকিয়ে গেলে এগুলাের গতিপথের পরিবর্তন হবে।
My Ads
৭. রােগের প্রকোপ বৃদ্ধি: জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সূর্যের আলট্রাভায়ােলেট রশ্মির অনুপ্রবেশে মানুষের স্কিন ক্যান্সার ও চোখে ছানি পড়া রােগ বৃদ্ধি পাবে। খাদ্য শস্যে তেজস্ক্রিয়তা বেড়ে যাবে যা গ্রহণে মানবদেহে বিভিন্ন রােগ সৃষ্টি করবে। অপুষ্টির হার বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন শিশুরােগের সৃষ্টি হবে। এছাড়া গ্রীষ্মকালীন বিভিন্ন রােগ যেমন- হেপাটাইটিস বি, ফাঙগাল সংক্রমণ, মেনিনজাইটিস, পােলিও, কলেরা ইত্যাদি রােগ ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাবে।
৮. প্রচলিত কৃষি ব্যবস্থার ওপর প্রভাব: প্রচলিত ফসলের জাত, শস্যপর্যায় ও সর্বোপরি কৃষি ব্যবস্থার ওপর জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পরিলক্ষিত হচ্ছে। তাপমাত্রার আর্দ্রতা পরিবর্তনের ফলে কিছু ফসল কম ফলন দিচ্ছে বা একেবারে হারিয়ে যাচ্ছে। ফলে নতুন ফসলের জাতি উদ্ভাবন বা প্রচলিত শস্য পর্যায়ের পরিবর্তে নতুন শস্যপর্যায়ে উন্নয়ন করা প্রয়ােজন। কার্বন ডাই-অক্সইডের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ায় ধানগাছ বর্তমানের চেয়ে আরও শক্ত হবে কিন্তু লৌহ ও দস্তা যা মানবদেহের জন্য উপকারী তার পরিমাণ কমে যাবে। এছাড়া ধানের দানায় প্রােটিনের পরিমাণ কমে যাবে। গবেষণায় দেখা গেছে, কার্বন ডাই-অক্সাইড বেড়ে গেলে গাছ নাইট্রোজেন কম গ্রহণ করে। অতিরিক্ত তাপ ও আর্দ্রতা গাছে ছত্রাক রােগ বাড়াতে
সহায়ক ভূমিকা পালন করে এবং একইভাবে পােকামাকড় ও বিভিন্ন রােগের বাহক পােকার সংখ্যা বাড়িয়ে দেয় এবং ফসলের রােগের আক্রমণ বেড়ে যায়।
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও
- নগদ ভিত্তিক হিসাব vs বকেয়া ভিত্তিক হিসাব পার্থক্য, নগদ ভিত্তিক হিসাব ও বকেয়া ভিত্তিক হিসাব মধ্যে পার্থক্য আলোচনা

- নগদ ভিত্তিক হিসাববিজ্ঞান ও বকেয়া ভিত্তিক হিসাববিজ্ঞান পার্থক্য

- হিসাববিজ্ঞানের ভুলের শ্রেণীবিভাগ দেখাও, হিসাববিজ্ঞানের ভুলগুলো কি কি ?

- খতিয়ানের উপকারিতা বা সুবিধাসমূহ বর্ণনা কর, হিসাববিজ্ঞান এর খতিয়ানের উপকারিতা বা সুবিধাসমূহ বর্ণনা কর

- হিসাব চক্রের বিভিন্ন ধাপ আলোচনা কর, হিসাব চক্রের ধাপসমূহ বর্ণনা কর

- পাবলিক হিসাববিজ্ঞান ও প্রাইভেট হিসাববিজ্ঞান পার্থক্য । পাবলিক হিসাববিজ্ঞান vs প্রাইভেট হিসাববিজ্ঞান পার্থক্য

My Ads