Subscribe Now!
বাংলানিউজ এক্সপ্রেসের এক্সক্লুসিভ সব আপডেট সবার আগে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।
My Ads
দৃপ্তিময় নির্ভীক নির্মল দূর্জয় আমাদের শেখ রাসেল কবি মোঃ ফিরোজ খান
নতুন কবিতা দৃপ্তিময় নির্ভীক নির্মল দূর্জয় আমাদের “শেখ রাসেল” কবি মোঃ ফিরোজ খান
শেখ রাসেল বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের সর্বকনিষ্ঠ পুত্র।১৯৭৫ সালের সেনা অভ্যুত্থানে শেখ মুজিবকে হত্যার সময় সপরিবারে তাকেও হত্যা করা হয়।।জন্ম: ১৮ অক্টোবর, ১৯৬৪,মারা গেছেন: ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫।বাবা ও মা: শেখ মুজিবুর রহমান,শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিব। ভাই-বোন,শেখ কামাল,শেখ হাসিনা,শেখ রেহানা, শেখ জামাল।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ঢাকায় ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবনে জন্ম গ্রহণ করেন। বঙ্গবন্ধু তাঁর প্রিয় লেখক খ্যাতিমান দার্শনিক ও নোবেল বিজয়ী ব্যক্তিত্ব বার্ট্রান্ড রাসেলের নামানুসারে পরিবারের নতুন সদস্যের নাম রাখেন ‘রাসেল’। এই নামকরণে মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুননেছা মুজিবও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। শৈশব থেকেই দুরন্ত প্রাণবন্ত রাসেল ছিলেন পরিবারের সবার অতি আদরের।কিন্তু মাত্র দেড় বছর বয়স থেকেই প্রিয় পিতার সঙ্গে তাঁর সাক্ষাতের একমাত্র স্থান হয়ে ওঠে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগার ও ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট। তবে সাত বছর বয়সে ১৯৭১ সালে তিনি নিজেই বন্দি হয়ে যান।
দৃপ্তিময় নির্ভীক শেখ রাসেল কবি মোঃ ফিরোজ খান নতুন কবিতা দৃপ্তিময় নির্ভীক নির্মল দূর্জয় আমাদের “শেখ রাসেল”
শেখ রাসেলের ভুবন ছিল তাঁর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাতা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব,বোন শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা এবং ভাই শেখ কামাল ও শেখ জামালকে ঘিরে।১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে পরিবারের সদস্যদের সাথে শেখ রাসেলকেও হত্যা করা হয়। তখন রাসেল ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র ছিলেন।
‘রাসেলের জন্মের আগের মুহূর্তগুলো ছিল ভীষণ উৎকণ্ঠার।আমি,কামাল,জামাল,রেহানা ও খোকা চাচা বাসায়। বড় ফুফু ও মেজো ফুফু মার সাথে। একজন ডাক্তার ও নার্সও এসেছেন। সময় যেন আর কাটে না। জামাল আর রেহানা কিছুক্ষণ ঘুমায় আবার জেগে ওঠে। আমরা ঘুমে ঢুলুঢুলু চোখে জেগে আছি নতুন অতিথির আগমন বার্তা শোনার অপেক্ষায়। মেজো ফুফু ঘর থেকে বের হয়ে এসে খবর দিলেন আমাদের ভাই হয়েছে। খুশিতে আমরা আত্মহারা। কতক্ষণে দেখব। ফুফু বললেন,তিনি ডাকবেন। কিছুক্ষণ পর ডাক এলো।বড় ফুফু আমার কোলে তুলে দিলেন রাসেলকে।মাথাভরা ঘন কালো চুল। তুলতুলে নরম গাল।বেশ বড় সড় হয়েছিল রাসেল।’
দৃপ্তিময় নির্ভীক নির্মল দূর্জয় আমাদের “শেখ রাসেল” গল্প
সূত্র:শেখ হাসিনা,’আমাদের ছোট রাসেল সোনা’
আরি পড়ুন ›ব্যবসায় পরিকল্পনা তৈরি করতে তুমি কী কী বিষয় লক্ষ্য রাখবে পরিকল্পনা প্রণয়নে কিভাবে একটি পূর্ব পরিকল্পনা বা প্রাে-ফর্মা তৈরি করা যায় তার তালিকা প্রণয়ন কর।ব্যবসায় পরিকল্পনা তৈরি করতে তুমি কী কী বিষয় লক্ষ্য রাখবে পরিকল্পনা প্রণয়নে কিভাবে একটি…
আরি পড়ুন ›শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন? উত্তরঃ ১৭ মার্চ,পলাশীর যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়? উত্তরঃ ২৩ জুন ১৭৫৭,বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তেলিত হয়? উত্তরঃ ২ মার্চ ১৯৭,ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন হয়? উত্তরঃ মুঘল আমলে,বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়?ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডপদের নামঃ ফিল্ড অফিসার নিয়োগ পরীক্ষার সম্পূর্ণ সমাধান ২০২২,Islami Bank Field…
আরি পড়ুন ›Honors 4th Year Supply Chain Management SuggestionHonors 4th Year Supply Chain Management Suggestion, Supply Chain Management Suggestion PDF, short suggestion…
কারাগারে দেখা করার সময় রাসেল কিছুতেই তাঁর বাবাকে রেখে আসবে না।এ কারণে তাঁর মন খারাপ থাকতো।কারাগারের রোজনামচায় ১৯৬৬ সালের ১৫ জুনের দিনলিপিতে রাসেলকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন, “১৮ মাসের রাসেল জেল অফিসে এসে একটুও হাসে না-যে পর্যন্ত আমাকে না দেখে। দেখলাম দূর থেকে পূর্বের মতোই ‘আব্বা আব্বা’ বলে চিৎকার করছে। জেল গেট দিয়ে একটা মাল বোঝাই ট্রাক ঢুকেছিল। আমি তাই জানালায় দাঁড়াইয়া ওকে আদর করলাম। একটু পরেই ভিতরে যেতেই রাসেল আমার গলা ধরে হেসে দিল। ওরা বলল আমি না আসা পর্যন্ত শুধু জানালার দিকে চেয়ে থাকে,বলে ‘আব্বার বাড়ি’। এখন ধারণা হয়েছে এটা ওর আব্বার বাড়ি। যাবার সময় হলে ওকে ফাঁকি দিতে হয়।
কারগারের রোজনামচায় ১৯৬৭ সালের ১৪-১৫ এপ্রিলের অন্যান্য প্রসঙ্গ ছাড়াও রাসেলকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু লিখেছেন,“জেল গেটে যখন উপস্থিত হলাম ছোট ছেলেটা আজ আর বাইরে এসে দাঁড়াইয়া নাই দেখে আশ্চর্যই হলাম।আমি যখন রুমের ভিতর যেয়ে ওকে কোলে করলাম আমার গলা ধরে ‘আব্বা’ ‘আব্বা’ করে কয়েকবার ডাক দিয়ে ওর মার কোলে যেয়ে ‘আব্বা’ ‘আব্বা’ করে ডাকতে শুরু করল। ওর মাকে ‘আব্বা’ বলে। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, ‘ব্যাপার কি?’ওর মা বলল,“বাড়িতে ‘আব্বা’ ‘আব্বা’ করে কাঁদে তাই ওকে বলেছি আমাকে ‘আব্বা’ বলে ডাকতে।” রাসেল ‘আব্বা’ ‘আব্বা’ বলে ডাকতে লাগল।যেই আমি জবাব দেই সেই ওর মার গলা ধরে বলে, ‘তুমি আমার আব্বা।’ আমার উপর অভিমান করেছে বলে মনে হয়। এখন আর বিদায়ের সময় আমাকে নিয়ে যেতে চায় না।”
সাহিত্য দৃপ্তিময় নির্ভীক নির্মল দূর্জয় আমাদের “শেখ রাসেল”, লেখক:মোঃ ফিরোজ খান নতুন কবিতা দৃপ্তিময় নির্ভীক নির্মল দূর্জয় আমাদের “শেখ রাসেল
১৯৭১ সালে রাসেল তাঁর মা ও দুই আপাসহ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ধানমণ্ডি ১৮ নম্বর সড়কের একটি বাড়িতে বন্দি জীবন কাটিয়েছেন। পিতা বঙ্গবন্ধু তখন পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি এবং বড় দুই ভাই শেখ কামাল ও শেখ জামাল চলে গেছেন মুক্তিযুদ্ধে। মা ও আপাসহ পরিবারের সদস্যরা ১৯৭১ সালের ১৭ই ডিসেম্বর মুক্ত হন। রাসেল ‘জয় বাংলা’ বলে ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন। বাইরে তখন চলছে বিজয়-উৎসব।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে পরিবারের সদস্যদের সাথে শেখ রাসেলকেও হত্যা করা হয়। তখন রাসেল ইউনিভার্সিটি ল্যাবরেটরি স্কুলের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্র।
(নোট:-উপরের লেখাগুলো সংকলন ও সগ্ৰহ করা হয়েছে বিভিন্ন বই ও শেখ রাসেলের জীবনী সম্পর্কে তার উইকিপিডিয়া থেকে এছাড়াও কিছু কিছু লেখা বিভিন্ন তথ্য সুত্র মোতাবেক ভুল ক্রটি থাকলে সকল পাঠকের কাছে সবিনয় অনুরোধ করছি আমাকে ক্ষমা করবেন এবং ক্ষমা দৃষ্টিতে দেখবেন)
My Ads