Subscribe Now!
সর্বশেষ চাকরির খবর মিস করবেন না! Subscribe - এ ক্লিক করে দেখুন নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি।
My Ads
প্রশ্ন সমাধান: ‘দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র’ বলতে আসলে কী বোঝায়?, দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র কি,দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র কাকে বলে, ‘দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র’ তত্বের প্রবক্তা কে?,দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র ও তার প্রতিকার, দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র এক নীরব ঘাতক বুঝিয়ে লিখ
দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র
স্বল্পোন্নত বা উন্নয়নশীল দেশগুলিতে মাথাপিছু আয়ের স্বল্পতার কারণে স্বল্প সঞ্চয়, স্বল্প বিনিয়ােগ এবং স্বল্প মূলধন গঠনের সমস্যা সৃষ্টি হয়। এর ফলে বিভিন্ন উৎপাদনের ক্ষেত্রে উৎপাদিকা শক্তি এবং উৎপাদনের পরিমাণ নিম্নস্তরে থাকে। ফলে জনসংখ্যা বৃদ্ধির চাপে মাথাপিছু উৎপাদন বা আয় স্বল্প হয়। একেই ‘দারিদ্রের দুষ্টচক্র’ বলে।
হাতুড়ে ডাক্তার রোগের ডায়াগ্নোসিস করতে পারেন না, ট্রিট্মেন্ট করতেও পারেন না; তঁরাই তখন বলেন রোগীকে দুষ্টভুতে ধরেছে, ঝাড়ফুঁক লাগবে, তাগা-তাবিজ ;লাগবে, শিন্নি দেওয়া লাগবে। দুষ্টচক্র শব্দটা যারা ব্যবহার করেছেন, তাঁরা সেই হাতুড়ে ইকোনোমিস্ট।
কিসের দুষ্ট চক্র? গ্রামের চাষী গরিব, তাই লেখাপড়া করতে পারেনা, আর লেখাপড়া করতে পারে না বলে গরিব থাকে। এইতো? গরিব লোকের আয় কম বলে সঞ্চয়-বিনিয়োগ করতে পারেনা, আর সঞ্চয়-বিনিয়োগ করতে পারেনা বলেই গরিব থেকে যায়, এই তো? এইসব হচ্ছে বাচাল প্রলাপ।
দরিদ্রতা হলো মানুষের জন্মের অধিকারঃ প্রতিটি মানুষ স্বাভাবিকভাবেই দরিদ্র হয়ে জন্মায়। এখন সমাজ বলে যদি কিছু কোথাও থাকে, তাহলে শিশুর বাপে-মায়ে তার জন্য কিছু সম্পত্তি-পূঁজি রেখে গেলে সে আর গরিব থাকেনা, তার শিক্ষাদীক্ষায় কিছু বিনিয়োগ করে গেলে সে আরে দরিদ্র থাকেনা।
কিন্তু সমাজ যদি কিছু না করে?
এখানেই আসে মাইক্রোইকোনোমিক্সের গভীরতম শিক্ষার কথা। ব্যক্তির কি কিছু করার নেই? আমি গরিব, কারণ সমাজ আমাকে ধনী বানায়নি, ব্যস, এই, আমি গরিব রয়েই গেলাম? না, ব্যক্তির কিছু প্রচেষ্টা থাকা চাই। সেখানেই হাতুড়ে একোনোমিস্টের দুষ্টচক্রের কথা দুষ্টামি মাত্র, দুষ্টলোকের দুষ্ট কথা মাত্র। কিসের দুষ্টচক্র? ব্যক্তি কি ঘোড়ার ঘাস কাটে যে সে দরিদ্র থাকে? বিশেষ করে এই বর্তমান কালে, যে কালে লাখ লাখ নতুন পথে উপার্জনের সুযোগ আছে?
হাতুড়ে যেমন চিকিৎসা জানেনা, আশা দেয় না ভরসা দেয় না, তেমন হলে চলে না কিছুতেই। ব্যক্তিকে বলতে হবে চোখ কান খুলতে, দেখতে কোথায় কি আছে।
প্রথম কথাই হলোঃ গ্রামে থাকা একদম হারাম বলে ভাবতে হবে। গ্রামে করার মত কোন কাজ নেই। বিশ্বব্যাপী গ্রামের লোক গরিব, আর গরিব মানেই গ্রামের লোক, কারণ গ্রামে থেকে ফসল ফলানোর নামে ফাজলামি করা ছাড়া আর কিছু করা যায় না। আরে বাবা, বনের গাছ কেউ লাগায়নি বলে কি হয় নি? কে কাকে বলেছে ফসল ফলিয়ে গোল্লায় যেতে? ২০১৯ সালে ৭৮০ কোটি লোকের দরকার ছিল ১৫৬ কোটি টন খাদ্যশস্য, কিন্তু দুনিয়ার চাষার দল উৎপাদন করেছে ২৭২ কোটি টন। ভেবে দেখুন ১১৬ কোটি টন খাবার উৎপাদন করতে কত চাষার কত ঘাম ঝরেছে, কিন্তু একদম বেহুদা। যা দরকার নেই তা কেন উৎপাদন করা? যে ক্ষীরা আর শসা কেউ খেতে চায় না, সেটা কেন ফলাচ্ছ? আমার সত্যি মেজাজ খারাপ হয়ে যায় যখন কেউ বলে ওমা ফসল না করলে কি খাবে। ফসল ফলাবে কিছু লোক, কিন্তু যা দরকার তা, তার চেয়ে বেশি নয়। দুনিয়াতে সব চেয়ে কম মজুরি কৃষকের, তাহলে অই কাজ তুমি কেন করবে? বেশি মজুরির কাজ করতে তোমার কিসের আপত্তি?
যারা সকল পরীক্ষায় ফেল করেছে, যাদের কোন রকম দক্ষতা যোগ্যতা কিছুই নেই, তারা না হয় থাকুক গরুর সাথে গোয়াল ঘরের কাছেই, কিন্তু মানুষ কেন সেখানে থাকবে? শহরে যাও, লাখ রকমের কাজ আছে, একটা কিছু খুঁজে নাও।
[ বি:দ্র: নমুনা উত্তর দাতা: রাকিব হোসেন সজল ©সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত (বাংলা নিউজ এক্সপ্রেস)]
হ্যা, শহরে অজানা অচেনা লোকের ভিড়ে বাঁচতে হলে লাগবে বুদ্ধি। সেটা বরং পাকিয়ে নাও। চুরি চামারি বাটপারি নয়, দেখ কত লাখ রকমের সৎ কাজ করে মানুষ শহরে রুজি করে। সমাজ তোমার জন্য কি করেছে সেই প্রশ্ন একদম করবে নাঃ তুমি সমাজের জন্য ্কি করতে পারছ সেটাই শুধু ভাব। আর সমাজ শুরু হবে তোমার সমান যারা তাদেরকে নিয়েঃ নিজের বউয়ের উপকার কর, নিজের ছেলে মেয়ের উপকার করে, বাপমা ভাইবোনের উপকার কর। যত তোমার রুজি বাড়বে তত তোমার রুজির ভাগীদার পাবে। সমাজের উপকারের কথা মুখে একদম আনবেনা, আর যারা বলে তাদের কথা শুনে সময় অপচয় না করে একটু ঘুমাও, বিশ্রাম নাও। গরিবের অত রকম ঘোড়ারোগ থাকতে নেই।
আরি পড়ুন ›অনার্স ২য় বর্ষের মানবীয় জীববিজ্ঞান বৃদ্ধি ও বিকাশ সাজেশন, honors 2nd year growth and development of human biology special short suggestions, অনার্স ২য় বর্ষের মানবীয় জীববিজ্ঞান বৃদ্ধি ও বিকাশ ১০০% কমন সাজেশন, Honors 2nd year suggestionsঅনার্স ২য় বর্ষের মানবীয় জীববিজ্ঞান বুদ্ধি ও বিকাশ সাজেশন 2026 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অনার্স পাস…
আরি পড়ুন ›বিভিন্ন পরীক্ষায় আসা ৫০০+ গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের নাম ও লেখক, সম্প্রতি বিভিন্ন নিয়োগ পরীক্ষায় আসা বইয়ের নাম ও লেখক প্রশ্ন ও উত্তর, ৫০০+ গুরুত্বপূর্ণ বইয়ের নাম ও লেখক MCQ PDF ডাউনলোড করুণ২১৫টি বইয়ের নাম ও লেখক যা বিভিন্ন চাকরি নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে।The names of…
আরি পড়ুন ›PDF Download কম্পিউটারের পরিচিতি অনার্স ১ম বর্ষ সুপার সাজেশন, কম্পিউটারের পরিচিতি অনার্স ১ম বর্ষ সাজেশন পিডিএফ ডাউনলোড, কম্পিউটারের পরিচিতি সাজেশন অনার্স ১ম বর্ষের, অনার্স ১ম বর্ষ কম্পিউটারের পরিচিতি সাজেশনPDF Download কম্পিউটারের পরিচিতি অনার্স ১ম বর্ষ সুপার সাজেশন, কম্পিউটারের পরিচিতি অনার্স ১ম বর্ষ…
সমাজ বাদ দাওঃ নিজের মঙ্গল কর, বেশীকরে কর। যে বউ তোমাকে রান্না করে ভাত খাওয়ায়, তার দাবি পুরণ কর, যারা তোমার জন্য ভাত রাধেনি, তাদেরকে চেনার দরকার নেই। যে তোমাকে বাপ ডাকেনা, তার শার্ট তুমি কেন কিনবে? যে তোমাকে টাকাপয়সা দেয় না, তার কথা শুনবে কেন?
নিজে ভালো থাকো, বাকিরা আপনা থেকেই ভালো থাকবে। তু মি খোদা নও, আর সমাজের অন্য লোকের হায়াত-মউত-রিজিক-দৌলত নিতে তোমার ভাবনার কোন অধিকার কোন প্রয়োজন কোন দায়িত্ব নেই।
My Ads
আর দুষ্টচক্র বলে কিছু নেই। নিজের পায়ের উপর দাঁড়াও, কোন দুষ্টচক্র তোমাকে ফিরাতে পারবে না। পরের উপর দোষ দিয়ে নিজে গরিব থাকবে? থাকো, খুব থাকো।
সামাজিক বৈষম্য ও দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র
ইতোমধ্যে বাংলাদেশ জাতিসংঘ কর্তৃক স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তীর্ণ হবার সকল শর্ত পূরণ করেছে, যার অর্থ হচ্ছে বৈদেশিক সাহায্য নির্ভরতাকে অতিক্রম করে এখন আমরা আমাদের নিজস্ব সামর্থ্যের মাধ্যমে নিজেদের টিকিয়ে রাখতে সক্ষম। যদিও ২০২১ সালের পর থেকে পরবর্তী ৫ বছর আমরা আগের মতোই সকল বৈদেশিক সুযোগ সুবিধা পেয়ে যেতে থাকব এবং এই ৫ বছর সময়টা নিজেদের তৈরি করতে প্রস্তুতির জন্য কাজে লাগাতে পারব। এটি আমাদের জাতীয় জীবনের অন্যতম অর্জনগুলোর একটা এই বিষয়ে সন্দেহ নেই। এই সবকিছু ছাপিয়ে এখন বড় দুশ্চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে দুর্নীতি, যা বহুমাত্রিকভাবে আমাদের সমাজব্যবস্থার মধ্যে বিদ্যমান, যার লাগাম টানতে না পারলে সমস্ত অর্জনই বিনষ্ট হয়ে যাবে। সাম্প্রতিক সময়ে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয়কে একদফা বৃদ্ধির পর ভোজ্যতেল, চাল, ডাল, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠেছে। এটা ঠিক রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক সরবারহ ব্যবস্থায় একধরনের অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু একটু নজর দিয়ে দেখলেই দেখা যাবে এতকিছুর পরও এসবকিছুর মূলে রয়েছে একশ্রেণির মানুষের অতি মুনাফালাভের প্রবণতা।
অর্থনীতির ভাষায় একটা কথা আছে ‘দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র’, আর অষ্টাদশ শতাব্দীতে এর প্রবক্তা ছিলেন র্যাগনার নার্কস। তার মতে, দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র হচ্ছে এমন কিছু শক্তির একত্রীকরণ, যা পরস্পরের সাথে ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে একটি দেশকে দরিদ্র করে রাখে’। নার্কসের মতে, ‘A country is poor because it is poor, অর্থাৎ একটি দেশ দরিদ্র, কারণ সে দরিদ্র।’
অধ্যাপক নার্কস বলেন, ‘কোনো দেশ দরিদ্র কারণ সে দেশে মূলধন কম কারণ সঞ্চয় কম। আবার সঞ্চয় কম হওয়ার কারণ মাথাপিছু আয় কম। মাথাপিছু আয় কম যার ফলে মাথাপিছু ভোগ কম, আর তাই শ্রমিকের উৎপাদনশীলতা কম। কম উৎপাদনশীলতার কারণ মাথাপিছু কম মূলধন প্রাপ্তি। কারণ মূলধনের যোগান কম।’
এভাবেই মূলধনের যোগানের দিক থেকে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র ব্যাখ্যা করা যায়। বিষয়টি এরকম; কম মূলধন- কম উৎপাদন-কম আয়- কম সঞ্চয়-কম বিনিয়োগ কম মূলধন। এভাবেই একের পর এক এই সমস্যাগুলোতে ঘুরপাক খায় আমাদের মতো দেশে। আর এই সমস্যার ঘূর্ণাবর্তে পড়ে অসহায় জীবন পার করছে আমাদের গ্রামীণ মানুষগুলো। দেখা যাচ্ছে একশ্রেণির মানুষের জীবনের রাতারাতি পরিবর্তন ঘটলেও মাঠ পর্যায়ে যারা সরাসরি উৎপাদন ব্যবস্থার সাথে সম্পৃক্ত থাকেন তাদের জীবনে উন্নয়নের ছোঁয়া কখনও লাগে না। আমাদের সমাজে নার্কসের ব্যাখ্যাটি খুবই জুতসই। শহর এবং গ্রামীণ – এই উভয় সমাজেই যারা বসবাস করেন, নিজের পেশার প্রতি নিবেদিত থেকে একটি উন্নত জীবনের আকাঙ্ক্ষা করা তাদের জন্য আকাশকুসুম কল্পনার সামিল। আজ গ্রামীণ যে কৃষক সরাসরি উৎপাদন ব্যবস্থার সাথে সম্পৃক্ত, দেখা যাচ্ছে স্বল্প মূলধন নিয়ে উৎপাদিত পণ্য থেকে লাভ তো দূরে থাক, উৎপাদন খরচ ফেরত পাওয়াটাও দুস্কর হয়ে পড়ে। অপরদিকে তাদেরই উৎপাদিত পণ্যের সবচেয়ে বেশি সুবিধাভোগী হচ্ছে একশ্রেণির মধ্যস্বত্তভোগী, যাদের হাত ধরে তা ভোক্তা পর্যায়ে এসে পৌঁছে। এর বাইরেও রয়েছে একশ্রেণির মজুতদার, যাদের অর্থ আছে এবং তা দিয়ে মজুত করে বাজারে একধরনের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে থাকে। খোঁজ নিয়ে দেখা যায় সরকারের দিক থেকে পর্যাপ্ত বাজার মনিটরিংয়ের ব্যবস্থা না থাকায় এবং ক্ষেত্র বিশেষে ব্যবসায়ীদের উপর নিয়ন্ত্রণের অভাবে ভোক্তা অধিকার আইনেরও যথার্থ প্রয়োগ হচ্ছে না।
এখন সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন হচ্ছে হঠাৎ করে জনজীবনে এই দ্রব্যমূল্যজনিত বিশৃংখলা কেন দেখা দিল? এর উত্তরে বলা যায় দুর্নীতির লাগামহীন দৌরাত্মের কারণে আজ মানুষের দেয়ালে একরকম পিঠ ঠেকে গেছে। আমরা সাম্প্রতিককালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্নভাবে এর বিরুদ্ধে কথা বলতে শুনেছি, বারবার বিশৃংখলাকারীদের নানান ভাষায় সতর্ক করতে দেখেছি। খুব একটা কাজ হচ্ছে না বুঝাই যাচ্ছে। সরকারের অনেক অর্জন ভেস্তে যেতে বসেছে এই দুর্নীতির কারণে। এ প্রসঙ্গে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ১৯৭৫ সালে করা একটি উক্তি প্রণিধানযোগ্য। সে বছর ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এক জনসভায় তিনি বলেছিলেন, ‘আজ কে দুর্নীতিবাজ? যে ফাঁকি দেয়, সে দুর্নীতিবাজ। যে ঘুষ খায়, সে দুর্নীতিবাজ; যে স্মাগলিং করে, সে দুর্নীতিবাজ; যে হোর্ড করে, সে দুর্নীতিবাজ। যারা বিবেকের বিরুদ্ধে কাজ করে, তারাও দুর্নীতিবাজ। যারা বিদেশের কাছে দেশকে বিক্রি করে, তারাও দুর্নীতিবাজ। এই দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে আমাদের সংগ্রাম শুরু করতে হবে।…যে ঘুষখোর, যে দুর্নীতিবাজ, যে মুনাফাখোর, যে আমার জিনিস বিদেশে চোরাচালান দেয়, তাদের সামাজিকভাবে বয়কট করতে হবে।’
তার এই বক্তব্য থেকে দুর্নীতির একটি কার্যকর সংজ্ঞা আমাদের কাছে পরিষ্কার, আর এটিকে পর্যালোচনা করলে দেখব স্বাধীনতার ৫১ বছর অতিক্রান্ত হলেও আমরা এদের মূলচ্ছেদ করতে পারিনি, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে তাদের অস্তিত্ব। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখানো হয়েছে দুর্নীতি বন্ধ করতে পারলে অতিদারিদ্র্যের হার এমনিতেই শতকরা ২৫ শতাংশ কমে যাবে।
My Ads
দেশে আজ একধরনের রাজনৈতিক খরা চলছে, এটি নিঃসন্দেহে সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ। সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো আজ কেন একধরনের অস্তিত্বহীনতায় ভুগছে সেটা ভিন্ন বিতর্কের বিষয়। তবে এই সুযোগে সবার, বিশেষ করে বঙ্গবন্ধুর ভাষায় দুর্নীতিবাজদের সরকারি দলের অনুসারী হয়ে যাওয়াটা দেশের ভবিষ্যতের জন্য মারাত্মক হুমকী। একথাও ঠিক, বিগত ৫১ বছর সময়ে বাংলাদেশে অতি দারিদ্র্যের হার উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে, তবে তা কাঙ্ক্ষিত হারে নয়। ২০০০ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিশ্বব্যাংকের অতি দারিদ্র্যের হার কমার তালিকায় যে ১৫টি দেশের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল সেখানে বাংলাদেশের নাম নেই, অথচ দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে ভারত এবং পাকিস্তানের নাম রয়েছে। দারিদ্র দূরীকরণে কেবলমাত্র মেগা প্রকল্পগুলোই একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরে না, বরং আমার গ্রামীণ সমাজ কতটুকু সরকারের উন্নয়নের সুফল ভোগ করতে পারছে সেটাই মূল বিবেচ্য বিষয়। জনগণের নীরব কান্না এবং হাহাকারগুলো যতক্ষণ সরকারের কর্ণকুহরে না পৌঁছাবে এবং সে অনুসারে বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা বাস্তবিকভাবে উন্নয়নশীল দেশের তকমা অর্জন করলেও আদতে দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র থেকে দেশের অধিকাংশ মানুষকে মুক্ত করতে সক্ষম হব না।
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুলোতে ও
আরি পড়ুন ›ডিগ্রী ইসলামের ইতিহাস ৪র্থ পত্র সাজেশনডিগ্রী ইসলামের ইতিহাস ৪র্থ পত্র সাজেশন 2026 জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ডিগ্রী পাস এবং সার্টিফিকেট কোর্স…
আরি পড়ুন ›বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ এর ইলেক্ট্রিশিয়ান পদের প্রশ্ন সমাধান PDF ২০২৩, download pdf বিসিএসআইআর নিয়োগ পরীক্ষায় ইলেক্ট্রিশিয়ান পদের প্রশ্ন সমাধান ২০২৩, ইলেক্ট্রিশিয়ান পদের বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ প্রশ্ন সমাধান ২০২৩বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ এর ইলেক্ট্রিশিয়ান পদের প্রশ্ন সমাধান PDF ২০২৩, download…
আরি পড়ুন ›প্রাইমারীর ১ম ধাপের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান ২০২২,প্রাথমিক (Primary) সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ২০২২,Primary Question Solution 2022, primary questions solution 2022প্রাইমারীর ১ম ধাপের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান ২০২২,প্রাথমিক (Primary) সহকারী শিক্ষক…
- নতুন পণ্য উন্নয়নের বাধা বা অসুবিধাসমূহ বর্ণনা কর

- পণ্যের জীবনচক্রের বিভিন্ন স্তরে গৃহীত বাজারজাতকরণের কৌশলসমূহ বর্ণনা করা

- নতুন পণ্যের ক্ষেত্রে ক্রেতা বা ভোক্তার সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া বা গ্রহণ প্রক্রিয়া (Adoption Process) বিস্তারিত আলোচনা করো।

- মোড়কীকরণের তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর, মোড়কীকরণ কী? পণ্য বিপণনে মোড়কীকরণের গুরুত্ব বা তাৎপর্য আলোচনা করো।

- একটি প্রতিষ্ঠানের শক্তিশালী ব্র্যান্ড উন্নয়ন কৌশল আলোচনা কর

- সেবার বৈশিষ্ট্যসমূহ আলোচনা কর।, সেবার বৈশিষ্ট্যসমূহ ব্যাখ্যা কর।
