Subscribe Now!
বাংলানিউজ এক্সপ্রেসের এক্সক্লুসিভ সব আপডেট সবার আগে পেতে সাবস্ক্রাইব করুন।
My Ads
বিষয়: জরায়ু সংক্রমণ এর কারণ লক্ষণ ও সমাধান,জরায়ু সংক্রমণ ঔষধ, জরায়ু সংক্রমণ ও প্রতিরোধে করণীয়,জরায়ু সংক্রমণ এর কারণ লক্ষণ,জরায়ু সংক্রমণ এর কারণ লক্ষণ ও সমাধান,জরায়ুতে জীবাণুর সংক্রমণ : কেন হয় এবং প্রতিরোধে করণীয়,জরায়ু সংক্রমণ লক্ষণ ও উপসর্গ, জরায়ু প্রতিরোধের উপায় এবং করণীয়
জরায়ু ইনফেকশনের লক্ষণ ও উপসর্গ, প্রতিরোধের উপায় এবং করণীয়।
জরায়ু ইনফেকশনের লক্ষণ কি কি? সুস্থ থাকতে হলে জানতে হবে। জরায়ু ইনফেকশনের লক্ষণ, উপসর্গ এবং প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে জানতে আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় এবং সময়মতো চিকিৎসা না করা হলে নানা রকম স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে হয়।
এন্ডোমেট্রাইটিস কি?
জরায়ুর ভিতরে যে আস্তরন থাকে তাকে এন্ডোমেট্রিয়াম বলে। এন্ডোমেট্রাইটিস হল জরায়ুর এই এন্ডোমেট্রিয়াম বা জরায়ুর ভেতরের আস্তরণের প্রদাহজনিত অবস্থা যা ইনফেকশনের কারণে হয়ে থাকে। অর্থাৎ এন্ডোমেট্রাইটিস হল জরায়ুর ইনফেকশন তাই আমরা জরায়ু ইনফেকশন বলতে এন্ডোমেট্রাইটিসকে বুঝব। জরায়ু ইনফেকশন জীবনের জন্য হুমকি স্বরূপ কোনো রোগ নয়। তবে সময়মতো চিকিৎসা না করা হলে ইনফেকশন প্রজননতন্ত্রের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে যেতে পারে এতে নানা রকম জটিল সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে।
জরায়ু ইনফেকশন সনাক্ত করার জন্য এর লক্ষণ ও উপসর্গগুলো জানা প্রয়োজন। চিকিৎসকরা যেকোনো ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনজনিত চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জরায়ু ইনফেকশন ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ কারণে হয়ে থাকে। তাই জরায়ু ইনফেকশনের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিক সেবনের প্রয়োজন হয়। তবে ডাক্তারের পরামর্শ ব্যতীত কোন অ্যান্টিবায়োটিক সেবন উচিত নয়। আমরা এই আর্টিকেলে শুধু জরায়ু ইনফেকশনের লক্ষণ গুলো সম্পর্কে আলোচনা করব। যা আপনাকে জরায়ু ইনফেকশন শনাক্তকরণের সাহায্য করবে।
জরায়ু ইনফেকশনের কারণ
বেশিরভাগ জরায়ু ইনফেকশন এর কারণ হলো এসটিআই অর্থাৎ যৌনবাহিত সংক্রমণ। যেমন- ক্ল্যামাইডিয়া, গনোরিয়া ইত্যাদি। তাছাড়া অন্যান্য জীবাণুর সংক্রমণের ফলে জরায়ু ইনফেকশন হতে পারে।
জরায়ু ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা কাদের বেশি?
সিজারিয়ান ডেলিভারির পর জরায়ু ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। গর্ভপাত ও প্রসবের পরেও জরায়ু ইনফেকশন হতে পারে। তাছাড়া পিরিয়ডের পর ও আইইউডি (IUD) স্থাপনের সময় জীবাণুর প্রবেশ এর কারণে জরায়ু ইনফেকশন হতে পারে।
- ম্যাজিক কনডম সম্পর্কে জানুন, ম্যাজিক কনডম কী?
- মেয়েদের গোপনাঙ্গ টাইট করার উপায়,গোপনাঙ্গ টাইট ও মজবুত করার ঘরোয়া পদ্ধতি
জরায়ু ইনফেকশনের লক্ষণ
জরায়ু ইনফেকশন সাধারনত দুই ধরনের হয়ে থাকে। অ্যাকিউট বা তীব্র ও ক্রনিক বা দীর্ঘস্থায়ী জরায়ু ইনফেকশন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ক্রনিক জরায়ু ইনফেকশনে কোনো উপসর্গ থাকে না। যাইহোক জরায়ু ইনফেকশনের কমন লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে-
আরি পড়ুন ›যেসব লক্ষণে চিনবেন পুরুষের গনোরিয়া রোগ,গনোরিয়া যৌনরোগ সম্পর্কে জানেন তো?,যেসব লক্ষণে চিনবেন পুরুষের গনোরিয়া রোগ,যৌন রোগ গনোরিয়া হওয়ার কারণ ও লক্ষণ সম্পর্কে জানেন কি?,গনোরিয়া কত ভয়ংকর রোগ জানেন?,গনোরিয়া : কারণ ও প্রতিকারবিষয়: যেসব লক্ষণে চিনবেন পুরুষের গনোরিয়া রোগ,গনোরিয়া যৌনরোগ সম্পর্কে জানেন তো?,যেসব লক্ষণে চিনবেন পুরুষের…
আরি পড়ুন ›সেক্সে মধুর উপকারিতা, সহবাসে মধুর উপকারিতাসেক্সে মধুর উপকারিতা, সহবাসে মধুর উপকারিতা স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং যাবতীয় রোগ নিরাময়ে মধুর গুণ…
আরি পড়ুন ›কেন কলাপাতায় খাওয়া উচিত?সকাল, বিকাল, রাতে নাস্তা কিংবা ভরপেট, স্টিলের থালা বা কাচের প্লেটেই খাওয়ার অভ্যাস সকলের।…
- শরীরের জ্বর আসা অর্থাৎ জরায়ু ইনফেকশনের কারণে শরীরের জ্বর আসতে পারে।
- তলপেটে ব্যথা হয় এবং ব্যথা মলদ্বার পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে।
- অস্বাভাবিক পিরিওড অর্থাৎ মাসিকের পথে অস্বাভাবিক রক্তপাত।
- ডিসচার্জ অর্থাৎ মাসিকের পথে অস্বাভাবিক স্রাব
- কোষ্ঠকাঠিন্য এবং তলপেট ফুলে যাওয়া।
এসব গুলোই হল জরায়ু ইনফেকশন এর কমন লক্ষণ। তবে রোগের ধরন ও প্রকৃতি ভালোভাবে শনাক্তকরণের জন্য ল্যাব টেস্ট এর প্রয়োজন হতে পারে। এই লক্ষণগুলো কারো মধ্যে পাওয়া গেলে একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
জরায়ু ইনফেকশন এর সম্ভাব্য কিছু জটিলতা
রোগটিকে যথাযথ গুরুত্ব দিতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের অবশ্যই আমাদের স্বাস্থ্য সচেতন হতে হবে। জরায়ু ইনফেকশন হলে দ্রুত একজন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দেখাতে হবে। চিকিৎসা না করা হলে রোগটি কিছু জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। যেমন-
- বন্ধ্যাত্ব
- পেলভিক পেরিটোনাইটিস
- সেপটিসেমিয়া অর্থাৎ রক্তে ব্যাকটেরিয়া ছড়িয়ে যেতে পারে
- সেপটিক শক
সেপটিসেমিয়া ও সেপটিক শক এ দুটোই জটিল সমস্যা। এমনকি রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। তাই এমন অবস্থায় রোগীকে যত দ্রুত সম্ভব নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠাতে হবে।
জরায়ু ইনফেকশন প্রতিরোধের উপায়
জরায়ু ইনফেকশন প্রতিরোধ করতে হলে আমাদের স্বাস্থ্য সচেতন হতে হবে। সিজারিয়ান ডেলিভারি তে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি অবশ্যই জীবাণু মুক্ত হতে হবে। সিজারিয়ান ডেলিভারির পর এন্টিবায়োটিক ডাক্তার নির্দেশিত সময় পর্যন্ত সেবন করতে হবে। আইইউডি পড়ার সময় চিকিৎসক অথবা স্বাস্থ্যকর্মীকে জিজ্ঞেস করতে হবে সেটা জীবাণুমুক্ত কিনা। এস টি আই প্রতিরোধেও সচেতন হতে হবে। এস টি আই তে আক্রান্ত হলে যথাসম্ভব দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে।
প্রশ্ন ও মতামত জানাতে পারেন আমাদের কে ইমেল : info@banglanewsexpress.com
My Ads
আমরা আছি নিচের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে ও
- Dermasim কী কাজে লাগে? দাদ ও চুলকানির জাদুকরী সমাধান

- মেহ রোগের হাত থেকে মুক্তি ঘরোয়া টিপস

- ম্যাজিক কনডম সম্পর্কে জানুন, ম্যাজিক কনডম কী?

- মাইকোরাল ওরাল জেল (Mycoral Oral Gel) কেন ব্যবহার করবেন? বিস্তারিত জানুন।

- মেয়েদের গোপনাঙ্গ টাইট করার উপায়,গোপনাঙ্গ টাইট ও মজবুত করার ঘরোয়া পদ্ধতি

- স্তন ক্যান্সার কেন হয়? প্রাথমিক লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায়, স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

My Ads